আমার প্রিয় পোস্ট

জনারণ্যে নির্জনতায় আক্রান্ত। নির্জনতাই বেশী পছন্দ, নিজের ভেতরে ডুবে থাকতেই ভাল লাগে। কিছুটা নার্সিসিস্টও। তাই বলে মানবসঙ্গও যে খুব খারাপ লাগে তা না। ভালবাসি বাছবিচারহীনভাবে পড়তে ও গান শুনতে।

ভুলুয়া : হারিয়ে যাওয়া এক রাজ্যের কথা

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৮:৪৭

শেয়ারঃ
0 1 2

মোঘল শাসনামলে এই বাংলায় 'ভুলুয়া' নামে একটি রাজ্যের অস্তিত্ব ছিল বলে ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়। মেঘনার পূর্ব দিকে বিস্তীর্ণ এলাকা নিয়ে গঠিত হয়েছিল এ রাজ্য, যার অধিকাংশ এলাকা বর্তমানের বৃহত্তর নোয়াখালীর (নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেণী) এবং চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ এর অন্তর্ভুক্ত। আইন-ই-আকবরী গ্রন্থে ওই রাজ্যের নাম লেখা আছে 'বালাজোয়ার'।

তিয়রী, রৈগা, পাগাচং প্রভৃতি অর্থহীন গ্রামের ন্যায় ভুলুয়াও একটি মৌলিক শব্দ। ভুলুয়া নামের উৎপত্তি সম্বন্ধে অনেক তথ্য উপকরণ ও কিংবদন্তি প্রচলিত আছে। যেমন ‘ভুলনা’ দ্বীপ বা চর হতে ভুলুয়া নামকরণ হয়েছে। অনেক ঐতিহাসিকের মতে মেঘনা নদীর তীরবর্তী বঙ্গোপসাগরের মেঘনা উপকূলের একটি প্রাচীন বর্ধিষ্ণু গ্রামের নাম থেকে ভুলুয়া নামের উদ্ভব হয়েছে। বর্তমানের মেঘনার একটি শাখা নদীর নামও ভুলুয়া, যেটি বর্তমান লক্ষ্মীপুরে পড়েছে।

বাংলার আদি ইতিহাসে সেন বংশের রাজত্বকালকে গৌরবের ধরা হয়। হেমন্ত সেনের পুত্র বিজয় সেন ছিলেন সেন রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা। বিজয়সেন (মৃত্যু ১১৫৯ খৃঃ) সমগ্র বাংলার অধিপতি ছিলেন। বিজয় সেনের পুত্র বল্লাল সেন মিথিলা রাজ্য জয় করে তার রাজ্য পাঁচটি অঞ্চলে ভাগ করেন। যথা-রাঢ় (পশ্চিমবঙ্গ), বরেন্দ্র (উত্তরবঙ্গ), বাগড়ী(দক্ষিণবঙ্গ), বঙ্গ(পূর্ববঙ্গ) এবং মিথিলা। মিথিলার রাজা ছিলেন বিশ্বম্ভর শূর। তিনি ১২০৩ খ্রীষ্টাব্দে সিংহাসনে আরোহন করেন। তিনি মিথিলাধিপতি আদি শূরের নবম পুরুষ।

খ্রীষ্টিয় ত্রয়োদশ শতাব্দীর প্রারম্ভে কুতুবউদ্দিনের সেনানী ইখতিয়ারউদ্দিন মোহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজী (১২০৩-১২০৫ খৃঃ) বঙ্গের দ্বারপ্রান্তে এসে উপস্থিত হন, সেই সময় গৌড় নদীয়ার রাজাগণ স্ব-স্ব রাজ্য ত্যাগ করে পূর্ব-দক্ষিণ বঙ্গে পলায়ন করেন।

মিথিলা রাজ্যের বিতাড়িত রাজা বিশ্বম্ভর শুরকে এরাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা ধরা হয়। বিশ্বম্ভর শুরের তিন-চার পুরুষ পরে সম্রাট আকবরের সময় ওই রাজ্যের রাজা হন লক্ষ্মণ মাণিক্য। তার রাজত্বকালে রাজ্যে চলছিল মগদস্যুদের উৎপাত। বিখ্যাত ইতিহাসবিদ মি. গ্রান্ট এ সম্পর্কে বলেন, ১৫৪৮ খ্রিস্টাব্দে ভয়ানক জলপ্লাবনে বিশেষ করে মগদের দৌরাত্ম্যে সাগর তীরবর্তী অঞ্চলটি জনশূন্য হয়ে পড়েছিল। লক্ষ্মণ মাণিক্য মগদের প্রতিরোধে আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু ছোট ভাই রামানুজ রাজ্যের লোভে আরাকানরাজের সহায়তায় উচ্ছেদ করেন লক্ষ্মণ মাণিক্যকে। লক্ষ্মণ মাণিক্য তখন সাহায্যের আশায় ছুটে যান খিজিরপুরের ভূঁইয়া ঈশা খাঁর কাছে। ঈশা খাঁ লক্ষ্মণ মাণিক্যকে পৌঁছে দেন মোগল দরবারে এবং বাদশাহর সহায়তায় ফিরে পান নিজ রাজ্য। ১৬০১ খ্রিস্টাব্দে মগদের বিপক্ষে নৌ-যুদ্ধ হয়। ওই যুদ্ধে লড়তে গিয়ে মারা যান রাজা লক্ষ্মণ মাণিক্য।

পরে বৃটিশ আমলে ভুলুয়া জেলা'র মর্যাদা পায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী কর্তৃক এঅঞ্চলে জেলা প্রশাসন প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময়। ১৭৭২ সালে কোম্পানীর গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংস এদেশে প্রথম আধুনিক জেলা প্রশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তনের প্রচেষ্টা নেন। তিনি সমগ্র বাংলাকে ১৯টি জেলায় বিভক্ত করে প্রতি জেলায় একজন করে কালেক্টর নিয়োগ করেন। এ ১৯টি জেলার একটি ছিল কলিন্দা। এ জেলাটি গঠিত হয়েছিল মূলতঃ নোয়াখালী অঞ্চল নিয়ে। কিন্ত ১৭৭৩ সালে জেলা প্রথা প্রত্যাহার করা হয় এবং প্রদেশ প্রথা প্রবর্তন করে জেলাগুলোকে করা হয় প্রদেশের অধীনস্থ অফিস।

১৭৮৭ সালে পুনরায় জেলা প্রশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয় এবং এবার সমগ্র বাংলাকে ১৪টি জেলায় ভাগ করা হয়। এ ১৪ টির মধ্যেও ভুলুয়া নামে নোয়াখালী অঞ্চলে একটি জেলা ছিল। পরে ১৭৯২ সালে ত্রিপুরা নামে একটি নতুন জেলা সৃষ্টি করে ভুলুয়াকে এর অন্তর্ভূক্ত করা হয়। ১৮২১ সালে ভুলুয়া নামে নোয়াখালী জেলা প্রতিষ্ঠার পূর্ব পর্যন্ত এ অঞ্চল ত্রিপুরা জেলার (বর্তমানে কুমিল্লা) অন্তর্ভূক্ত ছিল।

এখানে উল্লেখ্য, আধুনিক অর্থে জেলা প্রশাসন ব্যবস্থার প্রবর্তন হয় ১৭৯০ সালে। এর পূর্বে কোম্পানীর শাসন বলতে আইনত ছিল শুধু বাংলার দেওয়ানী বা রাজস্ব শাসন। আর সিভিল প্রশাসন ছিলো নবাবের হাতে। জেলা প্রশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য এ সময় পর্যন্ত কোম্পানী কর্তৃক যে সকল পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয় তা শুধু রাজস্ব প্রশাসনের দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে ভূমি রাজস্ব থেকে কোম্পানীর আয় বৃদ্ধির জন্য। কিন্ত ১৭৯০ সালে কোম্পানীর গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিশ নবাবকে তার নিজামত ক্ষমতা থেকে বঞ্চিত করেন এবং রাজস্ব প্রশাসনের সাথে সমস্ত ফৌজদারী বিচার ও পুলিশী ক্ষমতা জেলা কালেক্টর এর উপর অর্পণ করেন। ফলে সমাপ্ত হয় বাংলার নবাবী এবং প্রতিষ্ঠিত হয় সমগ্র বাংলায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর একচ্ছত্র শাসন। আর এ শাসন পরিচালনার সমুদয় ক্ষমতা কেন্দ্রিভূত করা হয় কালেক্টর পরিচালিত জেলা প্রশাসন ব্যবস্থায়।

১৮৭৬ খৃষ্টাব্দে ভুলুয়া, ওমরাবাদ এবং শমসেরাবাদ পরগণার কিছু অংশ হাতিয়া, সন্দ্বীপ ও অন্যান্য দ্বীপ নিয়ে নোয়াখালীকে জেলা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। তৎপূর্বে উক্ত ভূখন্ড ভূতপূর্ব ত্রিপুরা জেলার (বর্তমান কুমিল্লা জেলা) অন্তর্ভুক্ত ছিল। শমসেরাবাদ বলতে বর্তমান কুমিল্লা জেলা, নোয়াখালী ও চট্টগ্রামের কিয়দংশকে বুঝানো হয়। সমগ্র ভুলুয়া ও ওমরাবাদ পরগনা নোয়াখালী জেলার অন্তর্ভুক্ত হলেও পরগনাদ্বয়ের মধ্যে প্রাচীনতম পরগনা ভুলুয়া ।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): রাজ্য ;
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:০২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৮:৫১
অনিক আহসান বলেছেন: আমি ১ নম্বর এ আছি
গ্রেট..গ্রেট..পিলাচ এবং সংগ্রহে
২৮ শে জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৯:০৭

লেখক বলেছেন: আমার পোষ্ট সংগ্রহে! কি বলব, ভাষা হারিয়ে ফেলেছি........

২. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৮:৫৪
জীবনানন্দদাশের ছায়া বলেছেন:
রাজ্যের নাম মিথিলা! কি রোমান্টিক!!
২৮ শে জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৯:০৮

লেখক বলেছেন: আসলেই রোমান্টিক ;)

বাংলার কোন এলাকা নিয়ে এই রাজ্য ছিলো তা জানার চেষ্টায় আছি।

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৯:০৯

লেখক বলেছেন: ইমন ভাই, আপনার পোস্টের কাছে আমার এই পোষ্ট তো শিশুতোষ .......

৪. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৯:৫৮
স্বর্ণমৃগ বলেছেন: দারুন লেখা! ইতিহাস ভাল্লাগে না কিন্তু জেনে ভাল লাগলো!
+++++
ভাল থাকুন।
২৮ শে জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:২২

লেখক বলেছেন: কি বলে, ইতিহাস ভাল লাগে না ?

এ এমন এক বিষয়, একবার এর ভিতরে ঢুকে পড়লে সারা জীবনেও এর থেকে বের হওয়া যায় না।

তারপরও পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

৫. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:০৬
বেঈমান আমি বলেছেন: ভুলুয়া নোয়াখালির পুর্ব নাম।দারুন পোস্ট+++
২৮ শে জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:২৪

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, নোয়াখালীর পুর্বনাম, বেশীদিন আগের কথা নয়..........

অনেক ধন্যবাদ পড়ার জন্য

৬. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:১৩
আজমান আন্দালিব বলেছেন: তথ্যসমৃদ্ধ লেখাটি অনেক ভালো লাগলো। পোস্টে প্লাস।
২৮ শে জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:২৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পড়ার জন্য

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:৩৪

লেখক বলেছেন: :)

৮. ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:২৭
তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: নোয়াখালি অঞ্চলের আরেকটা পূর্ব নাম কি হ্যারিকেলা ?
২৯ শে জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:২৯

লেখক বলেছেন: না, জানা নেই। এই শব্দটা আমার কাছে একেবারেই নতুন। কোন উৎস থেকে এই "হ্যারিকেলা" শব্দটি পেয়েছেন ?

২৯ শে জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:৩০

লেখক বলেছেন: :D

২৯ শে জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ৯:৫৭

লেখক বলেছেন: ধইন্যা।

এত রাতে ব্লগে ক্যান ? ;)

১১. ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১২ রাত ২:৪০
চন্দ্রগ্রহণ বলেছেন: ইতিহাস ভাল লাগে.....পোস্টে +
২৯ শে জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ৯:৫৮

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ।

২৯ শে জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৮:৫৫

লেখক বলেছেন: :D

১৩. ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ১১:১৩
নাজনীন১ বলেছেন: জানলাম অজানা ইতিহাস। এরপর নোয়াখালী নামকরণের ইতিহাস আসবে কি? আর নোয়াখালী শহরের ইতিহাস? মন্দ হতো না। :)
২৯ শে জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৮:৫৭

লেখক বলেছেন: হু, মাথায় আছে। আগ্রহী পাঠক পেয়ে উৎসাহ দ্বিগুন হলো আরকি :D

১৪. ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১২ দুপুর ২:৩১
হেডস্যার বলেছেন:
ভুলুয়া নদীটা এখন মৃতপ্রায়। খালের মত হয়ে গেছে অনেকটা।
লেখায় ++ দারুন।
২৯ শে জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৯:০৫

লেখক বলেছেন: বাংলাদেশের অন্য নদীগুলির মত মৃতপ্রায়, তাই না। গত শুক্রবার রাজউকের পুর্বাচল নতুন শহর এলাকায় গিয়েছিলাম। শহরের মাঝ দিয়ে বয়ে চলা বালু নদীর পানির অবস্থা দেখে নিজেকে সামলাতে বহু কষ্ট হলো। বর্তমান বুড়িগঙ্গার পানির মত কালো পানি। ট্রলার এ করে বালু আনা নেয়া করে যারা তাদেরকে জিজ্ঞেস করে জানলাম, দিনের বিশেষ কিছু সময়ে ঘোড়াশাল থেকে কারখানাগুলির বর্জ্য যখন ছাড়া হয় তখন এই নদীর পানি এরকম হয়ে যায়। ভাবুনতো ব্যাপারটা, যে বালু ও শীতলক্ষ্যা নদীকে বেষ্টন করে এই নতুন শহর হচ্ছে, সেই শহরের জন্মের আগেই তার মা (নদী) মারা যাচ্ছে।

১৫. ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৯:৩০
নুর3ডিইডি বলেছেন: সংরক্ষণে রাখলাম। ভুলুয়া সুন্দরীর একটা গল্প শুনেছিলাম, আমাদের বাড়ির পাসে ভুলুয়া খাল নামে একটা ছোট নদী আছে।

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
২৯ শে জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:১৩

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

ভুলুয়া সুন্দরীর শোনা গল্পটা নিয়ে একটা পোস্ট দিন না........

আচ্ছা, এটা কি "নদের চাঁদ - ভেলুয়া সুন্দরীর কিচ্ছা" সেই গল্প কি ?

১৬. ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১২ রাত ৯:৩৫
ভাইয়া বলেছেন: নোয়াখালীর ইতিহাস নিয়ে পোষ্ট। দারুন।


নোয়াখাইল্লা হয়ে গর্ব গর্ব লাগতেছে। ++++

ব্যাপক ধইন্ন্যা । :D :D :D :D
২৯ শে জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:১৬

লেখক বলেছেন: ভাইয়া, এটাকে কিন্তু পুরোপুরি নোয়াখালীর ইতিহাস নিয়ে লিখা কোন পোস্ট বলা যাবে না। এটা মুলত ভুলুয়াকে হাইলাইট করে লিখা।

তবে নোয়াখালীর ইতিহাসের সাথে সম্পর্কিত।

পড়ার জন্য আপনাকেও ধইন্না।

২৯ শে জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:১৮

লেখক বলেছেন: :) :) :D

১৮. ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১০:২৮
বাল্যবন্ধু বলেছেন: হুম নতুন কিছু জানলাম।
পোষ্টে পিলাচ।
২৯ শে জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:০৬

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ

১৯. ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:১২
ভাইয়া বলেছেন: নোয়াখালীর ইতিহাস বলতে গেলেই তো ভুলুয়া নিয়ে শুরু। তাইলে......

৩০ শে জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ৯:৪৩

লেখক বলেছেন: এবিষয়ে পরে বিস্তারিত আরএকটি পোস্ট দেয়ার ইচ্ছা আছে.....

২০. ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১১:১২
জিসান শা ইকরাম বলেছেন:
ভুলুয়া রাজ্যের কথা ভালোই লেগেছে........

শুভকামনা.......।
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ৯:৪৪

লেখক বলেছেন: আপনার জন্যও অনেক অনেক শুভকামনা.......

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৮৩১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই