এই পোস্টখানা সকল জামাতীদের জন্য নিষিদ্ধ।
ইহা তারপরেও কোন জামাতী ভক্ষন করিয়া হজম না করিতে পারিলে কর্তৃপক্ষ দায়ী নহে।
-
-
-
আমার বাস্তব জীবনের কয়েকটি ঘটনা থেকে এদের আমি হাড়ে হাড়ে চিনেছি। একসময় খুব কাছে থেকে দেখেছি বলেই এদের নিয়ে আজকে আপনাদের সামনে চমতকার একটি পোস্ট করতে যাচ্ছি। কথা না বাড়িয়ে চলুন উন্মোচন করি ইসলামের মুখোশধারী সমাজ এবং দেশের শত্রু জামাত শিবিরের বিশিষ্ট কর্মীদের।
আমার দেখা সত্যিকারের কয়েকটি ঘটনা দেখলেই আপনারা বুঝতে পারবেন...
প্রথম দৃষ্টান্তঃ
মাঠের মাঝে একদল ছেলেমেয়ে ছোটা-ছুটি করছে, এইমাত্র সবাই পরীক্ষা শেষ করে হল থেকে বের হল। তাদের খেলার সুযোগ না দিয়ে অবুঝ না-বালক শিশুদের ঘিরে ধরলো কিছু জানোয়ার। তারা গিয়ে ভাষন দেয়া শুরু করলো নিজেদের সংঘঠনের ভালো-মন্দ সম্পর্কে।
পরবর্তীতে বললো “ইসলাম জিন্দাবাদ”।
বলামাত্রই বগলের নিচ থেকে বের করলো কিছু পাতলা বই এবং লিফলেট সেগুলো তাদের হাতে প্রায় জোর করেই ধরিয়ে দিলো। এরপরে লেকচার দেয়া শুরু করলো তাদের বানানো ইসলামের কথকতা সম্পর্কে।
ঘটনার শেষ দৃশ্যটি ছিলো অনেক মজাদার, আমি বীরদর্পে এগিয়ে গেলাম জটলার দিকে সাথে ছিলো আমাদের পিটি টিচার। তাদের সামনে গিয়ে চরম অপমান করে বিখাউছদের বের করলো ইস্কুল ক্যাম্পাস থেকে।
হায় আফসোস পাশে মসজিদে জামাতের সহিত যোহরের নামাজ চলছে আর ইসলাম পন্থীরা নামাজ না পড়ে বুঝ দিচ্ছে না-বালক ক্রীড়ারত বাচ্চাদের পলিটিক্স সম্পর্কে। এইটাই কি জামাত শিবিরের ইসলাম পালন??
বড়জোর শিশুদের তারা জামাতে শরীক হবার জন্য রিকোয়েস্ট করতে পারতো, তারপরে তারা নিজেরাই নামাজ পড়তে যেত। তা না করে তারা নন-সেন্সের মত কাজ করলো... যার বদলে পেল চমতকার আক্কেল সেলামী ...
দ্বিতীয় দৃষ্টান্তঃ
“আসুন দেশে ইসলাম কায়েম করি, ঘরে ঘরে নারীদের পর্দার ভিতরে আবদ্ধ করি” এইসব কাদের ডায়ালগ চিনতে কি অসুবিধা হচ্ছে??? (ক্লোজআপহাসি)
নাম বলা ঠিক হবে না। তবে যারা এইসব কথা তোতাপাখীর মত আওড়ে যায় তাদের সামনে স্বচ্ছ আয়না ধরা উচিত। কারণ তারা আয়নাকে অনেক ভয় পায়। সেখানে দাঁড়ালে যে নিজের হিংস্র চেহারা নিজের সামনে ভেসে উঠবে।
এরা পরামর্শ দেয় টিভি না দেখার। অথচ নিজের ঘরেই ছেলেমেয়েদের জন্য থাকে টিভি সেট, ভি,সি,আর। যদিও এইসব অর্ধশিক্ষিত অধিকাংশ মানুষই ইন্টারনেট বা কম্পিউটারের কার্যকরীতা খুব বেশী বুঝে না। তবে তা যখন জানবে তখন অবশ্যই ছেলেমেয়েদের সেই পথেই ঠেলে দিবে।
“ঘরে ঘরে ইসলাম কায়েমের জন্য সচেষ্ট হোন, দেশে ইসলামী আইন প্রতিষ্ঠিত হোক।” নিজেরাই বলে এইসব কথা আর তাদের ছেলেমেয়েরাই থেকে দেশের বাইরে। হয়ত কোন নিম্নশ্রেণীর কাজ করে নইলে অবৈধভাবে ব্যবসা করে।
এর আসল রহস্য হল তারা দেশে বসে ইসলাম কায়েক করার থেকে বাইরের হাফপ্যান্ট পড়া নারীদের দেখতেই বেশী পছন্দ করে।
নারীর পর্দা নিয়ে এরা জায়গায় জায়গায় লেকচার মারে। কিন্তুক নিজের বউ নিয়ে বের হবার সময় স্ত্রীকে হিজাব পড়ার জন্য একবার অনুরোধও করে না। আর তাদের মেয়েরা তো হয় চরম ফ্যাশন প্রিয় এবং যুব সমাজের চোখের মনি।
প্রথম পর্ব আর বাড়িয়ে আপনাদের বিরক্ত করবো না। অপেক্ষায় থাকুন আরো চমতকার সব বাস্তব উদাহরণ দিয়ে জামাতীদের পাঞ্জাবীর ভেতরকার রোমশ বুকে লুকিয়ে থাকা পশুত্ব আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করবো।
বিঃদ্রঃ উপরোল্লিখিত সকল ঘটনাই বাস্তব। এদের কু-কীর্তি এখানেই শেষ নয় এর সংখ্যা অগুনিত। তবে এদের কোন সু-কীর্তি চোখে পড়লে ফলাও করে পোস্ট করব এবং সেটা হবে সামহোয়্যারের টপ রেটেড পোস্ট ফরইভার...

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

