somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ধর্মান্ধরা মুড়ি খাও : ধর্মান্ধ ইসলামিস্টদের এত স্পষ্টতার সাথে ধুয়ে দিতে শুনিনি অনেক দিন

২৮ শে আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ২:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পৃথিবীতে ধর্মের নামে সেই ধর্মের অনুসারী হয়ে কালিমা লেপনে সবাইকে ছাড়িয়ে নতুন ইতিহাস গড়েছে আমাদের সময়ে ধর্মান্ধ ইসলামের কুলাঙ্গার অনুসারীরা। দু:ভাগ্যজনকভাবে এই আমরা, আমাদের প্রজন্ম এর স্বাক্ষী। এই ধর্মান্ধতার উত্তরন কোথায়, কেন হয়েছে, পশ্চিমা আগ্রাসী নীতি কতখানি তার পেছনে দায়ী, পৃথিবী ব্যাপী অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বৈষম্য এর ভাগিদার কি না ... এ সব দীর্ঘ বিতর্কের বিষয়।

বটম লাইন হলো, ধর্মান্ধরা ধর্মের নামে ধর্মকে, মানবতাকে যে হারে কলুষিত করেছে তা অন্য যেকোন সময়ের চাইতে নজির বিহীন। এই পোস্ট যখন লিখছি তখন ইরাকে ফ্যানাটিক সুন্নী লেবেলে সন্ত্রাসীরা প্রতিদিন গড়ে 100 জন সাধারন ইরাকী শিয়াদের (এবং অন্যান্যদেরও) বোমা মেরে উড়িয়ে দিচ্ছে। আফগানিস্থানে আজকেও 15 জন শিশু মারা গেছে সেই দেশের বোমাবাজদের দ্্বারা। দু:খজনক, বিভিষীকাময় দু:স্বপ্নের পৃথিবী।

এই ধর্মান্ধদের আইডিওলজি, এক্সট্রিমিজম দ্্বারা আবার অনেকেই অনুপ্রাণিত হন, বিবেকহীন ধর্মান্ধ সমর্থন জানিয়ে থাকেন। ধোঁকাবাজি ও ব্যবসাকে অন্ধবিশ্বাসের ফাঁক গলে অন্ধ মনের অজান্তে ব্রেন ওয়াশড হয়ে যান (আফসোস!)। তাদের জন্য চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেওয়াটাও যেন কম হয়ে যায়। [গাঢ়]এরকম চোখে আঙ্গুল দিয়ে ধর্মান্ধতার সমালোচনাকারী একজনের নাম ওয়াফা সুলতান। তিনি একজন আরব আমেরিকান সাইকোলজিস্ট। অসম্ভব স্পষ্ট ভাষায় তুমুল সমালোচনা করেছেন ধর্মান্ধ ইসলামের। পুরো ধুয়ে দিয়েছেন বর্তমান মুসলিমদের ধমর্ান্ধ পশ্চাৎমুখি মানসিকতাকে। ধৈর্য্য ধরে সাক্ষাকারটির শেষটা পর্যন্ত শুনবেন। চোখে আঙ্গুল দিয়ে তিনি যে সমালোচনা ছুড়ে দিয়েছেন সেটার ভাষা যথেষ্ট তীর্যক হলেও ওতে প্রচুর সত্য আছে। [/গাঢ়] ভাষা আরবী হলেও সাবটাইটেলে ইংরেজীতে ধরতে পারবেন পুরোটা বক্তব্যই।

সাক্ষাৎকারটি কাতারের আল জাজিরা টিভিতে সমপ্রচারিত। মূল অনুষ্ঠানে দুই জনের সাক্ষাৎকার থাকলেও ইউটিউবে কেবলমাত্র একজনের ভার্সনটাই এডিট করে রাখা হয়েছে। তারপরেও সবার শোনার মতো ঝাড়ি এটা।

সাক্ষাৎকারটির ভিডিওটি [link|http://www.youtube.com/watch?v=ciOGS6r97oE|GLv
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে আগস্ট, ২০০৬ দুপুর ২:১৫
১৯টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

হুজুগে বাঙ্গালীর গুজবে বিশ্বাস

লিখেছেন নতুন, ০২ রা আগস্ট, ২০১৫ রাত ১২:৫৯

কিছুদিন পর পরেই দেশে নতুন নতুন গুজব ছড়ায়। আসেন সবাই মিলে এই সব গুজবের পোস্টমাটাম করি। আমি আমার জানা কয়েকটার বিশ্লেষন করলাম। আসুন সবাই মিলে এই গুজব গুলির যৌক্তিক দিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগার উড়োজাহাজকে স্বাগতম জানিয়ে

লিখেছেন চাঁদগাজী, ০২ রা আগস্ট, ২০১৫ রাত ৩:৫৪

স্বাগতম ব্লগার উড়োজাহাজ, ফিরে আসা উপলক্ষ্যে আবারো স্বাগতম; ফেসবুক, মেসবুক যেখানে যান না কেন, ফিরে আসতে ভুলবেন না; আমরা আছি ব্লগে, কোন ব্লগারকে কিছুদিন না দেখলে আমরা চিন্তিত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আদমের মানিঅর্ডার !!! মূল গল্প: টি. সি. জাপ। অনুবাদ: রেজা ঘটক

লিখেছেন রেজা ঘটক, ০২ রা আগস্ট, ২০১৫ ভোর ৫:৩৯

১. আদমের চিঠি
একদিন এক ডাকপিয়ন আমার বাড়িতে আসলো। বলল, আদমের নামে একটা চিঠি আছে। আমাকে জিজ্ঞেস করল, মিন্টা গ্রামের আদম কে? জবাবে বললাম, আমিই আদম। আমাকে কে চিঠি দেবে? ডাকপিয়ন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ড. মিম আপনার সবচেয়ে বড় দুর্ভাগ্য আপনি হিরক রাজার দেশে জন্ম নিয়েছেন

লিখেছেন শেখ এম উদ্‌দীন, ০২ রা আগস্ট, ২০১৫ সকাল ৭:০৭

ঘটনা-১:
জুন ২০১১, ডেভিড ক্যামেরুন তার ডেপুটি নিক ক্লেগ কে নিয়ে লন্ডনের গাইজ হাসপাতালে তার সরকারের স্বাস্থ্য সুবিধার উপর জনগনের আস্থা বা জনগণ কত টুকুন সন্তুষ্ট তা দেখতে যান। এমতাবস্থায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেবর ভাবী

লিখেছেন নিলু, ০২ রা আগস্ট, ২০১৫ সকাল ১০:১৩




এক ভাবী তার স্বামীকে খুব সন্দেহও করতো কারনে অকারনে । তাই তাদের মধ্যে প্রায় সব সময়য়ই রাগারাগি ও সংসারে অশান্তি চলতে থাকে ।... ...বাকিটুকু পড়ুন

সু-পালিশ করতে করতে দেখতে থাকি কন্যার ছোট জুতা বড় হয়ে যায় দিনেদিন

লিখেছেন  কৌশিক, ০২ রা আগস্ট, ২০১৫ সকাল ১১:০২

সকাল বেলা মেয়ের সু পালিস করা আমার অন্যতম একটা প্রিয় কাজ। পালিশ করার আগে ছোট্ট দুটি কালো জুতো দেখে আমি বুঝতে পারি মেয়েটা আগের দিন স্কুলে কতটুকু খেলেছে। স্কুল গ্রাউন্ডের... ...বাকিটুকু পড়ুন