আমার প্রিয় পোস্ট

খুব জরুরী না ...

কুয়ালালামপুরের ডায়েরী: গোপালীয় খানাপিনা আর রোবোকন প্রতিযোগিতা

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৪:৩১

শেয়ার করুন:                   Facebook

গত সপ্তাহান্তে আনর্্তজাতিক রোবোকন প্রতিযোগিতার আয়োজন হচ্ছিলো কুয়ালালামপুরে। আমাদের বুয়েটের একটা তুখোড় দল সেখানে অংশগ্রহন করেছে। মাশীদের জুনিয়র বন্ধু এবং একই সাথে আমাদের কমন স্যার থাকায় আমরা কয়েকজন ঠিক করি ওদের সাথে দেখা করা, বাংলাদেশ টিমকে সমর্থন প্রদানের জন্য মিশন কুয়ালালামপুর গ্রহন করা হোক।

এর মধ্যে কথা হচ্ছিল গোপাল ভাঁড় পরিবারের সাথে। ভাবীর (জানতে চাই) রান্নার প্রশংসা শুনছিলাম মাশীদের কাছে। সৌভাগ্য এই ট্রিপে নিমন্ত্রন ছিলো গোপাল পরিবারে, মেনু হাইফাই: আচার গোস্ত, খিচুড়ি, পোলাও, স্পেশাল মুরগি, সব্জি ইত্যাদি। এর আগে অনেকবার কুয়ালালামপুরে যাওয়া হলেও সেখানে থাকা মুড়িওয়ালা, গোপাল ভাড় অথবা জানতে চাই, কারো সাথেই দেখা হয় নাই। এইবেলা সুযোগ।

মিশন কুয়ালালামপুর:
পরিকল্পনার পরে সিঙ্গাপুর থেকে রাতের বাস নিয়ে শুক্রবার রওনা হই আমি, মাশীদ, আমাদের বুয়েটের আরেক বন্ধু আরেফিন ও তার স্ত্রী এবং দুই ইরানী বান্ধবী। পৌছে যাই খুব ভোরে, প্রায় সাড়ে চারটায়। পরিকল্পনা ছিলো নতুনদের নিয়ে পেট্রোনাস টুইন টাওয়ার পরিদর্শন। খুব অল্প ঘুমিয়ে ভোরে যখন বাস থেকে নামি তখন প্রায় সবাই ঢুলছি। কিছুদুর হেটে একটা রেস্টুরেন্টে চা কফি খেয়ে চাঙ্গা হওয়ার ব্যর্থ প্রচেষ্টা। অত:পর প্রায় 9টার সময়ে টুইন টাওয়ার পরিদর্শন। টুইন টাওয়ারে অপেক্ষার সময় পরিচয় হয়েছিলো জামর্ান মার্গার সাথে। বেজায় আমুদে মার্গার কৌতুক শুনে হাসিতে পেট ফাটে আমাদের।

দুপুরের দাওয়াত পিছিয়ে রাতে:
গোপাল ভাড়ের বাসায় দুপুরের খাওয়ার দাওয়াত ছিলো। খুব টাইট সময়ে নতুনদের জন্য কয়েকটা জায়গা ঘুরিয়ে না দেখালেই নয়। গেন্টিং হাইল্যান্ডস ইত্যাদি ঘুরে আসার পরিকল্পনায় দুপুরের দাওয়াতটা রাতে পিছাতে হলো (গোপাল পরিবারের অনুমতি পূর্বক)। এদিকে গেন্টিং হাইল্যান্ড থেকে ঘুরে আসতে আসতে রীতিমতো রাত। ফিরতি বাসটা দেরীতে ছিলো। আগের রাতের অল্প ঘুম, সারাদিনের দৌড়াদৌড়িতে জান শেষ। গেন্টিং থেকে ফিরেই ট্যাঙ্ িক্যাব নিয়ে ছুটলাম গোপালের বাড়ির ঠিকানা ধরে। এদিকে মাশীদ ওখানে বসে আছে, জলদি যাওয়ার জন্য তাগাদা জানাচ্ছিলো মেসেজ পাঠিয়ে।

একেবারেই অজানা ঠিকানায় ভালোয় ভালোয় ক্যাব ওয়ালার সৌজন্যে পৌছালাম যখন তখন যে সময়ে যেতে চেয়েছি তার থেকে অনেকটা দেরী হয়ে গেছে। বাসা খুঁজে বের করে দরজা নক করতে সহাস্যে ভাবী আর গোপুর দেখা মিললো। আরো ছিলো মুড়িওয়ালা এবং আরো কয়েকজন। ততক্ষনে খাবার রেডি। সুতরাং কথা কম খরচ করে খেতে বসা।

খাবারের বিশাল বর্ণনা সংক্ষেপ করি, নইলে আমার পেটে পিলে হবে। আচার গোস্তটা (গো মাংসের) ছিলো অসাধারন। রেসিপিটা ভাবীর কাছে অনুরোধ করছি এই বেলা, নেঙ্ট পোস্টে ছাড়বেন। আমি নিজে ট্রাই দিবো। চিকেনটাও ছিলো তোফা। মিষ্টি মিষ্টি এবং দারুন মজার। পোলাও ছিলো। তবে চিরকাল খিচুড়ির প্রতি অধিক দূর্বলতায় পোলাও স্যাক্রিফাইস করে খিচুড়িই খেলাম। অনেক বার নিতে নিতে বহুত খেয়ে ফেলেছি। ওদিকে নিজের বাড়িতে লজ্জা করে অল্প খেলেন গোপাল ভাড়। পরে গোপাল ভাড়ের বাড়ি থেকে আরেক কলিগ মামুন ভাইয়ের বাড়িতেও যাওয়া হয়েছিলো।

দেখা সাক্ষাতের পাট চুকিয়ে যখন ফিরি তখন প্রায় রাত 1টা। মামুন ভাইয়ের সুবিশাল এ্যাপার্টমেন্টের নীচের পশ্চিমা পার্টির নাচ ও গানের শব্দ থিতিয়ে আসে যখন ট্যাক্সি রাতের কুয়ালালামপুরের রাস্তায় নামে।

অল্প সময়ের জন্য দেখা সাক্ষাৎ। বেজায় ক্লান্ত থাকায় জম্পেশ আড্ডা দেওয়া (অথবা আড্ডায় অংশগ্রহন) আর হলো না এই বেলা। পরের দিন সকালে উঠতে হতো, অন্যদিকে বন্ধু তার বাড়িতে অপেক্ষা করছে; সব মিলিয়ে আড্ডা স্যাক্রিফাইস করতে হলো। যদিও মামুন ভাইয়ের বাসায় থেকে যেতে বলছিলো বাকিরা। ড্রইং রুমের টেবিল সরিয়ে সেখানে উইকএন্ড আড্ডার প্রস্তুতি শুরু রাত একটার দিকে।

অল্প সময়ের দেখা সাক্ষাতে গোপাল ভাড়কে খুবই হাসি খুশি আমোদ প্রিয় মনে হয়েছে। ভাবীও একেবারে সেই রকম অতিথি পরায়ন যা চেহারা দেখেই বোঝা যায়। মুড়িওয়ালা হেভি মজার মানুষ। ভালো লেগেছে পারিবারিক আন্তরিকতা। দু:খ থেকে গ্যালো রান্না ঘরের সিংকে জমা থালাগুলো চুপি চুপি ধুয়ে ফেলতে গিয়ে ভাবীর কাছে ধরা খাওয়া। প্রায় শেষ করার আগে রান্না ঘরে লাল কার্ড।

[গাঢ়]ভালো কথা, ভাবী, আচার গোস্তের রেসিপি প্লীজ! [/গাঢ়]

রোবোকনে বাংলাদেশ:
বুয়েটের টীমটা প্রতিযোগিতায় যে গ্রুপে পড়েছে সেখানে ছিলো বাঘা জাপান। সুতরাং অনেকটা আগেই ভাগ্য নির্ধারন ছিলো সেটা জানতো বাংলাদেশ টীম। আমাদের সীমিত রিসোর্স নিয়ে ভালোই খেলেছে বুয়েটের টীম। জাপানের কাছে হারলেও সৌদি আরবকে হারিয়েছি। যদিও সৌদি রোবোটের প্রযুক্তি ভালো, অর্থায়ন অনেক বেশি ছিলো দেখেই বোঝা যাচ্ছিলো। আর গরীব আমরা, আমাদের রোবোটের চেহারাও সেইরকম। কিন্তু মেধার কি কমতি আছে? সুতরাং যখন সৌদি আরবের কিং ফয়সল ইউনিভার্সিটিকে বাংলাদেশ তার দ্বিতীয় খেলায় হারিয়ে দিলো তখন গ্যালারী ভর্তি অন্য ন্যাশনালিটির অনেকেই বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানাতে মুখর। সিঙ্গাপুর থেকে বয়ে নিয়ে যাওয়া বাংলাদেশের পতাকাটা তখন গ্যালারীতে বাঁধা আর বাংলাদেশের পতাকা আকা টী-শার্ট গায়ে মাশীদের মুখটা তখন বেজায় উজ্জল।

[ইটালিক]ছবি পরে আপলোড করবো। দু:ভাগ্য জনক ভাবে গোপালের বাসায় ছবি তোলা হয় নাই। পরে তুলেছি, তবে সেখানে ভাবী নাই। নেক্সট টাইম :( [/ইটালিক]

 

প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরিআমার দিনকালপ্রবাস ভাবনা  বিভাগে ।

 

  • ৪০ টি মন্তব্য
  • ৭৪২ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:৩৫
comment by: অতিথি বলেছেন: গোপলারে......যোগদৃষ্টি দিমু কইলাম !
২. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:৩৮
comment by: অতিথি বলেছেন: ওম !! জয় মা!

যোগদৃষ্টি নিস্ফল হউক!

ব্যোম!
৩. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:৪২
comment by: অতিথি বলেছেন: great miss

সাদিক,
গুগল এর চাইতে ব্যপক কোন সার্চ ইঞ্জিন এর ঠিকানা দিতে পারো ? বিষয় ভিত্তিক সার্চ এর জন্যে ?
৪. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:৫২
comment by: অতিথি বলেছেন: কি বিষয় কন। কোন ধরনের সার্চ?

একাডেমিক?
৫. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:৫২
comment by: অতিথি বলেছেন: হ...জাপানোলজি
৬. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ১০:৫৯
comment by: অতিথি বলেছেন: আগে কইলে চুরিচামারি কইরা একটা ব্যবস্থা করা যাইতো। বুয়েট টীমে রোবট টানাটানিপদে অ্যাপ্লাই করতাম। গোপু কেন যে খবর কইলো না। মাইন্ড খামু?
৭. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:০২
comment by: অতিথি বলেছেন: সাদিক ভাই দেখি আমার মত কোন দাওয়াত মিস করেন না.ঠিক আছে.

গপু কি স্পেশাল কবিতা শুনাই নায়...তাহলে কিন্তু অনেক কিছু মিস করেছেন.

রোবকনে বাংলাদেশ পরে আমার মুখ টাও উজ্বল হলো.ধন্যবাদ.
৮. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:০৪
comment by: অতিথি বলেছেন: চোর,
মাইন্ড খাইয়েন না। বেটার লাক নেক্সট টাইম।

সাবি্বর,
হ, আমার এই বিষয়ে বদনাম আছে, দাওয়াত মিস না করার বদনাম। ওই যে বললাম সময় ছিলো কম, তাই গল্প কবিতা কোনটাই শুনা হয় নাই। নিশ্চই মিস করছি।
৯. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:০৭
comment by: অতিথি বলেছেন: সুমন চৌধুরী,
একাডেমি পেপার খোঁজাখুঁজির জন্য:
গুগল স্কলার
http://scholar.google.com/

আরেকটা হইলো সিকাডা
http://www.cicadacube.com/

ডগপাইল একটা ট্রাই মারতে পারেন:
http://www.dogpile.com/
১০. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:১০
comment by: অতিথি বলেছেন: সাইরাস ভালো বৈজ্ঞানিক তথ্যের জন্য । একাডেমিক পেপারের জন্য ভালো।

http://www.scirus.com/srsapp/
১১. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:১০
comment by: অতিথি বলেছেন: সাদিক ভাই ঃ
ব্লগে বড় লেখা খুব কম পড়ি ... এই লেখার সাইজ বড় ... কিভাবে যেন পড়ে ফেললাম
গোপু মামু'র বাসায় ছবি তুলেন নাই কেন ?? সুক্ষ কারচুপি মনে হচ্ছে
আমাদের দেশের রোবটের ছবি কি তুলেছেন ??
১২. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:১৪
comment by: অতিথি বলেছেন: রোবটের ছবি তোলা হইছে। দূর থেকে প্রতিযোগিতার ফ্লোরের, কারন নীচের কাছের ফ্লোরে যেতে বিশেষ পাশ লাগে যেটা ছিলো না।

গোপুর বাড়িতে ক্যামেরা নিয়াও গেছিলাম। ওই যে কইলাম এমন টায়ার্ড ছিলাম মাথা কাজ করতে ছিলো না। পরে বিদায়ের সময় গোপুর আর মুড়িওয়ালার ছবি তুলছি। তবে ছাপাইতে অনুমতির প্রয়োজন।

এত বড় লেখা পড়ে ফেলায় অভিনন্দন।
১৩. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:২৪
comment by: অতিথি বলেছেন: ধন্যবাদ সাদিক !
১৪. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:২৮
comment by: মিথিলা তালুকদার বলেছেন: thankz for information
১৫. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:৩৯
comment by: মামু বলেছেন: গোপাল খাবারের গন্ধ পাইতাছি
খাড়া আইতাছি
১৬. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:২৫
comment by: অতিথি বলেছেন: সাদিক ভাই

আপনি আনেক বেশি লিখছেন আসলে তেমন কিছুই করতে পারি নাই।

লেখাটা খুবই সুন্দর হইছে। তবে আসলেই আপনার সাথে আড্ডাটা বিশেষ জমে নাই, অনেক টায়ার্ড ছিলেন আপনি। আমাদের আড্ডা শুরু হইলে সকাল হয়ে যায়।

আচার গোস্তের রেসিপিটা আমার ব্লগে দিমুনে।

আপনারা আসাতে অনেক ভাল লাগছে। ধন্যবাদ।
১৭. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:৪৬
comment by: মাশীদ বলেছেন: মোটেও বেশি লিখে নাই। আসলেই সেদিন ঝাক্কাস খাওয়া হয়েছে। বহুদিন পরে এমন খেলাম। জানতে চাই ভাবী, আপনার রান্না undoubtedly বেশি জোস!

সাদিক, ভাল লিখেছিস খুব। এক ধাক্কায় পড়লাম। সব জানি তারপরেও :-)

আমার জন্য বেশ একটা ইন্টারেস্টিং ট্রিপ হল এটা। এই প্রথম কুয়ালালামপুর গেলাম অপু ছাড়াও অন্য কারণে। গিয়ে যেমন ওকে মিস করেছি, তেমনি পুরানো জুনিয়ার দোস্তদের সাথে দেখা হবায় আর ওদের অনেক জমে থাকা গল্প (বেশির ভাগই মেয়েঘটিত) শুনে যারপরনাই অনেক মজা পেয়েছি। KL ছেড়ে আসতে এবারো তাই মন খারাপ হল অনেক। KL শহরটা মনে হয় খুশিমনে ছাড়া আর হবে না।
১৮. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:৫৯
comment by: অতিথি বলেছেন: থ্যাংকুস মাশীদ।

কিন্তু রোবোট টীমের রোবোটের ছবি কি তুলতে পারছিলি কাছ থেকে পরে? আমারটা অনেক দূর থেকে তোলা।

ভালো কথা, জুনিয়রদের সাথে গল্প আর স্যারের সাথে তুই তুকারীর গল্পটা নিয়ে পোস্ট দিতে পারিস। মজার কাহিনী!

(আমার ছবি ছাপাবি না, বাকিদেরটা দে)।
১৯. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:১১
comment by: মাশীদ বলেছেন: নাহ! আমার তোলা ছবিও অনেক দূর থেকে। আফসোস! I'm damn proud of these guys! পিচকাগুলো অনেক কষ্ট করেছে। বুয়েটের unpredictable সেমেস্টার আর ফুটা ফান্ডিং নিয়েও যে দেশকে এতদূর নিয়ে এসেছে - এটা একটা বিশাল ব্যাপার।

হি হি হি - স্যারকে ভুল করে তুই-তোকারি করার কাহিনী মনে করায় দিলি কেন বজ্জাত! বেইজ্জতি ব্যাপার একদম।

তোর ছবি দিতে মানা করছিস কেন? নিজেই তো প্রোফাইলে ছবি লটকায় রাখছিস! এই ছবিতে তোকে যেমন ছাগলা লাগছে, আমার ক্যামেরার ছবিতেও তো ঠিক তেমনি - তাই ঠিক বুঝলাম না।

তবে হ্যাঁ, আমার ছবিও লটকাবি না খবরদার। পিচকাগুলার সাথে ওদের চাচী মনে হচ্ছে (যদিও মামুর, বুয়েট টিমের সবচেয়ে পিচকা, সিনিয়ার আপুদের সাথে টাংকি মারা যার অলটাইম ফেভারিট হবি - সে এটায় ভেটো দেবে)।
২০. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৩:৩০
comment by: অতিথি বলেছেন: মাশীদ,
তোর বুইঝা কাম নাই। মরমী ব্যাপার আছে। প্রোফাইলের ছবি সরায়ে দিমু ভাবতাছি। ছাগলা চেহারা নিয়া এমনিতেই বিব্রত।
২১. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৩:৩৩
comment by: অতিথি বলেছেন: জানতে চাই ভাবী কমেন্ট দিলেন কখন! খেয়াল করি নাই।

অনেক আয়োজন ছিলো তো! টেবিল ধরে না, আবার জিগায়। আমার মতো ব্যাচেলারের খাওয়া দেখলে বুঝতেন ঐটা কত বিশাল আয়োজন।

অরূপ মাশীদ একসাথে থাকলে আড্ডা ভালো জমতো (আমি এমনিতে একটু মুখচোরা)। সময়ও দরকার ছিলো হাতে। রাতের বদলে দুপুরে যাইতে পারলে ভালো হইতো।

আপনার রেসিপির জন্য অপেক্ষায় আছি। মসলাটা খেয়াল কইরা পরিমানটা বইলেন তো। আমার মসলা নিয়ে গ্যাঞ্জাম হয়।

বাসায় আচার আছে। সুতরাং একটা ট্রাই দেওয়ার অপেক্ষায়!
২২. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৫:১১
comment by: রাগ ইমন বলেছেন: গোপূূূূূূূূূূূূু, এইডা মিস, জীবনের মিস, মরনের মিস, উফফফ!

সাদিক, পিলে হোক , পিলে হোক!!!

তবে , পরের বার কোন মিস নাই, তাই না জা, চাই?

মাশীদ, তোমাকে চাচী লাগা সমভবই না। ইউ আর টুউ উ বিউটিফুল!!
২৩. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৫:১৬
comment by: ম. রহমান বলেছেন: জেন্টিং হাইল্যান্ড না, মনে হয় গ্যানটিং হাইল্যান্ড...ব্যস্ততা থাকার কারনে গেলাম না...আপনারা আসবেন আগে জানলে মিস করতাম না...হুমমম...
২৪. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:৪৯
comment by: অতিথি বলেছেন: রাগু,
অভিশাপ দ্যান ক্যা মিয়া? সত্যি সত্যি পিলে হইলে বৈদেশে দ্যাখবো কেডা?

ম. রহমান,
গেন্টিং বা গ্যান্টিং এর সাথে সাথে জেন্টিং হাইল্যান্ড উচ্চারনটাও শুনেছি বলেই ওভাবে লেখা।

তবে গেন্টিং হাইল্যান্ডই বেশি সঠিক মনে হয়। ধন্যবাদ আপনাকে। আপনিও কি গোপুদের কাছের মানুষ?
২৫. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:০৫
comment by: অতিথি বলেছেন: সাদিক ভাই, কি আর কইবাম.... আপনেরে নিয়া ঠিক মত মাস্তি করতে পারলাম না। নেক্সট টাইম আইলে গ্যারান্টি দিয়া মাস্তি করুম।

রাগু, রাইগো না। তোমারে আমরা অনেক মিস করছি(মনে মনে)।
আচ্ছা আমার মাথায় একটা প্ল্যান আসলো, এইবার ইদে আমি দেশে যামু না। ইদের ছুটিতে সবতে মিল্লা কে.এল মাতাইলে কেমন হয়?

ম. রহমান ভাই, আপনার লগে এই প্রথম আলাপ.... একি শহরে থাকি তয় যোগাযোগ নাই!!! এইটা ঠিক না।

আপনি কি কে.এল এ থাকেন। আওয়াজ দিয়েন মিয়া, একদিন প্ল্যান কইরা গেজামুনে।

জেন্টিং হাইল্যান্ডটা আসলে গেন্টিং হাইল্যান্ড.... তয় যে যেমনে দাকে.... এইখানের ট্যাক্সি ড্রাইভাররা আবার দুইটা শুইনাই অভ্যস্ত।
২৬. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:৪০
comment by: অতিথি বলেছেন: হাহা... ঠিক হ্যায়!

আপনে যখন কইতাছেন তখন গেন্টিংই সই!
২৭. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ৮:১৯
comment by: অতিথি বলেছেন: সাদিক বুয়েট টিমে কে কে ছিল? অভি নামে একটা ছেলের সাথে যোগাযোগ হইছিল। সে কি ছিল সেখানে?
২৮. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ৮:২৪
comment by: অতিথি বলেছেন: হ্যা অভি ছিলো টীমে।

বাকিদের নাম মাশীদ বলতে পারবে।
২৯. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ৮:২৭
comment by: অতিথি বলেছেন: আর দুইজনের নাম মনে আছে মামুর আর রাসেল।

এছাড়া টীমে ছিলো আরো কয়েকজন। ওদের ঠিক চিনতাম না। আর জহুরুল হক স্যার আসছিলো। সেই আগের মতোই আছেন ভদ্রলোক।
৩০. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ৮:৪৮
comment by: মাশীদ বলেছেন: রাগুপু, আমার পিছে ক্যান লাগলেন?

টিমে ছিল '00 ব্যাচের রাসেল আর অভি, '01 ব্যাচের মামুর আর '01 বা '02 ব্যাচের মাযহার। সাথে ছিল '95 ব্যাচের জামান ভাই। সুমন জানিস, জহুরুল হক স্যারকে না ভুলে মামুর বা রাসেল ভেবে তুই করে ডেকে হেভি ঝাড়ি দিসিলাম। সে এক বেইজ্জতি কান্ড! ভাগ্যিস স্যার আগের মতোই আছেন - তাই মাইন্ড করেন নাই। কে জানে! হয়ত এখন থেকে এই ঘটনা ক্লাসে ক্লাসে বলে বলে ওনার ভুবনবিখ্যাত হাসি দেবেন!
৩১. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ১১:৪৫
comment by: অতিথি বলেছেন: হুমমম, এই হইলো তাইলে কাহানী ঘর-ঘর-কি!

গোপী বায়েন ও মৃত আমাগের অপু জিজুর মতোন? কামডা হইলো কি? অখন বাকি আছে মুড়িম্যান, দেখা যাক তাঁর কি অবস্থা!

কই হে সাদিক, ফটুক দেও মিয়া, বেলা যে বয়ে যায়!
৩২. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৫:০৪
comment by: অতিথি বলেছেন: কুয়ালালামপুরের ব্যস্ত মিশনের সচিএ প্রতিবেদনের অপেক্ষায় রইলাম। রোবোকন ও ভুড়িভোজনের এমন অসামান্য আয়োজন সত্যি খুব উৎসাহজনক। ব্লগিং জিন্দাবাদ। না হলে এমন উপাদেয় খবর কোত্থেকে পেতাম? ধন্যবাদ সাদিক।
৩৩. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৫:৪৮
comment by: অতিথি বলেছেন: ধুসর,
মুড়িম্যান এখনও ব্যাচু। কামেল পাবলিক আছে। দেশে থাকতে এক কালের (অহনও শিওর) তুখোড় তার্কিক।

আড্ডাবাজ,
ধন্যবাদ। ফটুক আসিতেছে।
৩৪. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৫:৫৭
comment by: পথিক!!!!!!! বলেছেন: মেন হচ্ছে দেশের ব্লগারদের চেয়ে বাইরে অবস্তানকারী ব্লগারদের মধ্যেই সখ্য বেশী।
কেন ?
৩৫. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৬:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: দেশের ব্লগারদের মধ্যেও প্রচুর সখ্যতার মানুষ জন আছে।

আমাদের কৌশিক আর অমি রহমান পিয়াল একটা ক্লাসিক্যাল কেস। (দেশ আর বিদেশে সখ্যতার উদাহরনও আছে অবশ্যই। মাশীদের সাথে অমি ভাইয়ের যেমন দারুন খাতির)

সময় সময় নিজেদের মধ্যে অফ লাইন ইন্টার্যাকশন দেশীদের ভিতরে আরো সখ্যতা গড়তে পারে।
৩৬. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৬:০৮
comment by: পথিক!!!!!!! বলেছেন: তারপরও বাইরের সবার মাঝে সখ্যতা সহজে গড়ে ওঠে মনে হয়।
৩৭. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৬:২৩
comment by: অতিথি বলেছেন: একাকীত্বরে ভাই।

বৈদেশের একাকীত্ব বিশাল বড় আকর্ষন শক্তি হিসেবে কাজ করে।
৩৮. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১২:৪২
comment by: মুড়িওয়ালা বলেছেন: এইবার খুব একটা জমল না, নেক্সটবার টাইম নিয়া আসেন, হেভীসে মাস্তি করা যাইব।
৩৯. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:৪৯
comment by: অতিথি বলেছেন: অই মিয়া, যেই ফটুক দিলা তাতে সবগুলা মানুষের লাহানই মনে হয়, রোবট কই?
৪০. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:২০
comment by: অতিথি বলেছেন: থ্যাংকস মুড়ি। এরপরে সলিড প্ল্যান কইরা মাস্তি করা যাইবো। লুকিং ফরওয়ার্ড

ধুসর দোস্ত,
কাছ থেকে রোবটের ছবি তোলা যায় নাই। যখন প্রতিযোগিতা শেষ, তখন টীম অলরেডি ওদের রোবোট নো এ্যাক্সেস রুমের ভিতরে নিয়ে চলে গ্যাছে।

তবে রোবোট বললে যে ধরনের হাইটেক চেহারা ভেসে ওঠে, এই প্রতিযোগিতায় রোবোটগুলো সেরকম না। আমাদের রোবোটটা খুব সাধারনছিলো। চৌকো মত, বড় বড় স্টিল স্ট্রাকচার।

শুনছিলাম ম্যানুয়াল রোবোটটাকে ব্যালেনস করতে নাকি পেছনে কয়েক কেজির বাটখারা দিয়ে সেটা করতে হয়েছে।

এইবার বুঝো!

 



 


পাগলামী থাকা না থাকা
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৬৬৫০১