আমার প্রিয় পোস্ট

খুব জরুরী না ...

প্যারাডক্স : সব পূর্ব-নির্ধারিত (প্রিডেস্টিনেশন বা ভাগ্য) হলে আপনার আমার কি দোষ (শেষ বিচার, কর্মফল -এর ধারনা অর্থহীন )?

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:৩৮

শেয়ার করুন:                   Facebook

মরমী প্যারাডক্স নিয়ে আগের [link|http://www.somewhereinblog.net/mysticsaint/post/16806|

 

প্রকাশ করা হয়েছে: ধর্ম ইত্যাদি  বিভাগে ।

 

  • ৪০ টি মন্তব্য
  • ৮২৪ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ৮:১৫
comment by: অতিথি বলেছেন: have some life, instead of shitting around with funny ideas do someething else you re good at, like you can start MUMBO JUMBO, or you can paint butterfiles, do something meaningful.
সাদিক এই হইলো তোমার বিজ্ঞানভিত্তিক স্রষ্টার সর্বজ্ঞ হওয়ার ধারনা, এটাই ইনিয়ে বিনিয়ে বলতে চাও- তাইতো, নাকি?
তা বেশ কিছু নিয়ম আছে, মালটিডাইমেনশনাল ওয়ার্লডের জন্যও তা প্রযোজ্য, এর একটা হচ্ছে দুরত্বের ধারনা, মানে 2টা বিন্দুর ভেতরের দুরত্ব ধনাত্বক, খুবই সাধারন কথা, তোমার অর্ধক ভরা গ্লাস, অর্ধেক খালি গ্লাসের চেয়েও সাধারন ধারনা এটা।
এই যে দুরত্বের ধারনা, এবং দুরত্ব যে ধনাত্বক, এখান থেকে শুরু করো বিষয়টা।
মানে এই যে ভিডিও দেখে বিজ্ঞান বোঝা এটা বাদ দিয়ে সামান্য এগিয়ে গিয়ে দেখো অংক কষো, একেবারে ফ্রি লাঞ্চ বলে কিছু নাই, সেটা 10 মাত্রা কিংবা 26 মাত্রা যেখানেই নিয়ে যাও না কেনো, এই ধনাত্বক দুরত্বের ধারনাটা থাকবে। সেই ধারনার বদৌলতে এর কিছু বাধা থাকবে- যদি তত্ত্বালোচনা করতে হয় তাহলে বলবো, যেভাবেই যোগ বিয়োগ করো, যত মাত্রাতেই যাও তোমাকে দুরত্ব ধনাত্বক রাখতে হবে, যদি অর্থবোধক কিছু পেতে চাও তবে। সেখানেই একটা চিরন্তন সমস্যা আছে- যদি দুরত্ব ধনাত্বক হয় সেখান কার সমস্ত কিছুই যেখানে দুরত্ব ঋনাত্বক তা থেকে বিচ্ছিন্ন। এটার অন্য একটা অর্থ হচ্ছে এখানে যা ঘটছে তা অন্য পক্ষ জানতেও পারবে না। অর্থ্যাৎ হলো তুমি একটা অবস্থানে যেতে পারো যেখানে ভবিষ্যত অতীত সব একাকার তবে সেখানে গেলে তোমাকে এই ইহ জগতের খবর সবর সম্পর্কে অজ্ঞ হতে হবে, এই ইহ জগতের কোনো খবর আবার সেই জগতে যায় না।
অবশ্য ধারনা নিয়ে চলতে চাইলে বলতে পারি একটা কথাই-
প্রথম যখন ক্যামেরা দিয়ে আমাজনের আদিবাসিদের ছবি তোলা হয়েছিলো, সেই আদিবাসিগুলোর ধারনা ছিলো এটা এমন একটা যন্ত্র যা মানুষের আত্মাকে আটকে ফেলে-
মানুষের বিশ্বাস, যতই নির্বোধ হোক তা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে নেই। আমি অশিষ্ট মানুষ তাই বলি। তোমার মাথায় যদি ধান লাগাতে ভালো ফলন হতো, গোবর ভর্তি সেখানে।
২. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ৮:২২
comment by: অতিথি বলেছেন: খুবই ধনাত্নক কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ।

একটু সামারী কইরা বলবেন, আবার?

"মানুষের বিশ্বাস যতই নির্বোধ হোক তা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে নেই।" - কে কইছে?
৩. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ৮:২৯
comment by: অতিথি বলেছেন: বিশ্বাসীর ভেতরে প্রশ্ন নাই তারা নজির খুঁজে, হাস্যকর হইলেও সত্য হইলো এটা, প্রশ্ন করে সংশয়ীরা। যাদের ভেতরে সংশয় নাই তাদের সামনে প্রশ্ন ঝুলাইলে তারা আক্রান্ত বোধ করে, আর এসব মানুষ উগ্র , বিবেচনাবোধহীন,ওদের সাথে কথা বলাটা সময়ের অপচয়।
৪. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ৮:৩৫
comment by: অতিথি বলেছেন: রাসেল,
আমার মাথায় গোবর (মারাত্নক সত্য কথা বলার জন্য ধন্যবাদ)। তাই আপনার জ্ঞানের কাছে সরণাপন্ন হচ্ছি।

আপনার কমেন্টে:
"অথর্াৎ হলো তুমি একটা অবস্থানে যেতে পারো যেখানে ভবিষ্যত অতীত সব একাকার তবে সেখানে গেল তোমাকে এই ইহ জগতের খবর সবর সম্পকে অজ্ঞ হতে হবে, এই ইহ জগতের কোনো খরব আবার সেই জগতে যায় না।"

- কোন মাওলানার ব্যাখ্যা এইটা? ইহ জগত নিয়া মাওলানা হকিংস কি নতুন বই লিখলো নাকি?

'তুমি একটা অবস্থানে যেতে পারো' - এই অবস্থানটার নামটা কি?

"তবে সেখানে গেল তোমাকে এই ইহ জগতের খবর সবর সম্পকে অজ্ঞ হতে হবে" - কোন ওয়াজের বাণী এইটা বুঝি নাই। একটু যদি এনলাইটেন করতেন!!
৫. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ৮:৫০
comment by: অতিথি বলেছেন: রাসেল,
আপনার দ্বিতীয় কমেন্টে লিখেছেন, "তাদের সামনে প্রশ্ন ঝুলাইলে তারা আক্রান্ত বোধ করে, আর এসব মানুষ উগ্র"

আমি আপনার সামনে প্রশ্ন ঝুলাইলাম (গোবার মাথায় না বুুঝলে তো প্রশ্ন করাই যায়, না কি?),

আশা করি আপনি আক্রান্ত বোধ করবেন না। এখনও বিশ্বাস আছে যে আপনি উগ্র মানুষ না।
৬. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ৮:৫৮
comment by: বজলর রহমান বলেছেন: তর্কটা চলুক, অজানা কথা জানতে পারছি।
৭. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ৯:১৯
comment by: অতিথি বলেছেন: সাদিক বললাম প্রথমেই অংক কষো, ভিডিওটা দেখছো আশা রাখি, মানে ফেরেরবাজি করার জন্য যেই ভিত্তিটা পেয়েছো গ্র ীনের ভিডিও থেকে সেই ভিডিওটা দেখেছো আমি নিশ্চিত।
সেখানে একটা কথা বলা আছে, মেসেঞ্জার ওফ ফোর্স বা বলের বাহক, তথ্য যেতে হলে তা সেই ক্ষেত্রের কোনো কনিকা দ্্বারা বাহিত হতে হবে- এই বিষয়গুলাই বলা আছে গ্র ীনের ভিডিওতে।
ঐ যে বুইড়া বেডা, আইনস্টাইন, জাতে ইহুদি, ও একটা কথা বলছিলো, আলোর গতিবেগ নিয়া, বলছিলো ঐটার একটা সর্বোচ্চ মান আছে, ঐটার বেশী জোড়ে আলো যাইতে পারবো না। প্রকৃতির নিয়মটাই এই ভাইডি কি করবা কও?
তা যা কইতে আছিলাম আগের মন্তব্যে যেইটা থেইক্যা তোমার এই জ্ঞানী প্রশ্নটা বাহিরাইলো, ঐটাতে কইছিলাম দুরত্ব ধনাত্বক আর দুরত্ব ঋনাত্বক এই কথা, ঐ দুইটা জায়গার মধ্যে যে বিভাজন রেখা সেইটা হইলো আলোর গতি বেগে চলমান অংশ।
সরল কথায় কইলে কইতে হয়, এই আলোর গতিবেগ স্থানকে 2টা ভিন্ন গোলার্ধে ভাগ করছে, একটাতে আছে সেইসব জিনিষ যা আলোর গতির নীচে যায় আরেকটাতে আছে সেইসব জিনিষ যেইগুলো আলোর গতির চেয়ে বেশী জোড়ে যায়।
এই 2টার মইধ্যে মিল মিশ নাই কারন এই ধনাত্বক গোলার্ধ দিয়া কোনো কিছু বাইরাইতে হইলে আলোর বেগের চেয়ে বেশী জোড়ে বাইরাইতে পারবো না, তাই অন্য গোলার্ধ যেই খানে সময় বইলা কিছু নাই সেই খানে কোনো তথ্য যাইবো না।
বিষয়টা সাধারন জ্ঞানের ধর যদি তুমি 20 মাইল বেগে দৌড়াও আর আরেকটা জিনিষ তোমার সামনে 30 মাইল বেগে দৌড়ায় তাইলে তুমি ঐটারে ধরতে পারবা না। এই সরল জিনিষটা না বুঝলে তো বিপদ ভাইডি।
৮. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ৯:৩০
comment by: অতিথি বলেছেন: রাসেল,
ভিডিওটা থেকে ব্যাখ্যা না।

ব্যাখ্যার কমপ্লিমেন্টে ভিডিওটা। এ কারনেই ভিডিওটা শেষে দিয়েছি। ওটা না দেখেও ভাগ্যের কনসেপ্ট এবং ব্যক্তিগত কর্মফল -এর মধ্যে সম্পর্কটা বোঝা সম্ভব। সুতরাং আপনার ভাবনাটা সঠিক না যে ফেরেরবাজি (আপনার ভাষায়) ব্যাখ্যাটা ভিডিও থেকে আসছে।

20 মাইল বেগে দৌড়াইলে 30 মাইল বেগের মানুষরে ধরতে পারবো না। খুব ভালো কথা। শুনে খুশি হলাম। সাধারন জ্ঞান বাড়লো।

কিন্তু খুব ভালো হয় আপনি পোস্টের মূল বিষয়ে ফিরে আসলে। বিষয়টা ছিলো "ভাগ্যের এবং কর্মফলের কনসেপ্ট" - ইন কেস আপনি যদি ভুলে গিয়ে থাকেন।
৯. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ৯:৩৪
comment by: অতিথি বলেছেন: সেই ভিত্তিতেই কইতাছি। যেই বেটা সময়হীন জগতে আছে তার পক্ষে সময়সহ জগতের কিছুই জানা সম্ভব না। ওদের ভিতরে কোনো তথ্যের আদান-প্রদান হয় না। তুমি কি করতাছো তা না জনলে বিচার করবো কেমনে? তুমি কি করতাছো তা জানার জন্য তোমার কর্ম সম্পর্কে জানতে হইবো- এইটাও সাধারন জ্ঞানের কথা।
এখন কেউ যদি তুমি কি করতাছো তা না জানে তাইলে কেমনে বিচার করবো?
যে সময়হীন জগতে বাস করতাছে তার পক্ষে জানা সম্ভব না এই কথাটাই কইতাছি, একটু খিয়াল কইরা পড়ো ভাইডি।
১০. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ৯:৫২
comment by: অতিথি বলেছেন: সময়হীন জগতে আমরাও বাস করছি। আমাদের জন্য সময় একটা ডাইমেনশন মাত্র। পার্থক্য হলো আমাদের জন্য সময়টা একটা সীমাবদ্ধতা, একটা ইলিউশন।

এ কারনেই কখনো অপেক্ষায় সময়ের ধারনা অনেক লম্বা হয়ে যায়, প্রিয় জনের সানি্নধ্যে সময় যেন সাই সাই করে পার হয়ে যায়।

মহাবিশ্বের স্রষ্টা সময়েরও স্রষ্টা - কিন্তু তাই বলে সে সময়ের ভিতরে কি হচ্ছে জানতে পারবে না; আপনার এই ব্যাখ্যাটা মানতে পারছি না।

স্রষ্টার সর্বব্যাপী ধারনাটার অনুপস্থিতি আপনার ব্যাখ্যায় বাধা হয়ে কাজ করছে। আপনার মন্তব্যে আপনি স্রষ্টাকে একজন সীমাবদ্ধ এন্টিটি হিসেবে দেখছেন যার কারনে আপনার মনে হচ্ছে - যে সময়ের বাইরে সে সময়ের ভিতরে থাকতে পারে না।

স্র্রষ্টার ধারনাটা সীমাবদ্ধ না। স্রষ্টার ধারনাকে ডিফাইন করতে গিয়ে (যদিও স্রষ্টা ডেফিনিশনের বাইরে) বলা হয়:
He encompasses everything and nothing encompasses Him.


কুরআনে আয়াতে যদি আসি:
002.115 To Allah belong the east and the west: Whithersoever ye turn, there is the presence of Allah. For Allah is all-Pervading, all-Knowing.

অল পারভেডিং সত্ত্বা সময়ের বাইরে এবং সময়ের ভিতরে। সুতরাং স্রষ্টার ক্ষেত্রে, আপনার আগের কমেন্টের যে বাক্য, 'যেই বেটা সময়হীন জগতে আছে, তার পক্ষে সময়সহ জগতের কিছুই জানা সম্ভব না' - এই ডকট্রিন ধোপে টেকে না।

স্রষ্টা যখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু তখন স্রষ্টার ধারনাটা নাস্তিকদের ডিকশনারী থেকে না নিয়ে, আস্তিকদের ডিকশনারী থেকে নিলেই সমীচিন এবং তারপরে তার যুক্তিভেদ যুক্তিযুক্ত।

স্রষ্টার আরা বৈশিষ্ট্য: 057.003
He is the First and the Last, and the Outward and the Inward; and He is Knower of all things.

আয়াতের শব্দগুলো খুব খিয়াল কইরা। আপনার শেষ মন্তব্যের যুক্তি খন্ডনসহ উত্তর ওইখানেই আছে।
১১. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ৯:৫৬
comment by: অতিথি বলেছেন: ভাইডি প্রথমেই কইছিলাম কডাটা বিশ্বাসিগো বিশ্বাস করনের লাইগ্যা কোনো কিছুর দরকার হয় না, এই একটা আয়াত ঝুলায়া দিলা এই বিশ্বাস করলে আর এইসব ভিডিও লাগে না, যেইডা করতাছো সেইটা হইলো এই আয়াত তুইল্যা আইন্যা ঘোলা পানিতে মাছ ধরার চেষ্টা।
আস্তিক গো ইশ্বর আর নাস্তিকগো ইশ্বর কইয়া আলাদা কিছু নাই।
যেমন ধরো তুমি হাত দিয়ে বল ছুড়লে এইটা পৃথিবীতেই আইবো। তুমি যদি হাত দিয়া বল ছুড়ো সেইটার সর্বোচ্চ গতি হইবো 105 মাইল প্রতি ঘন্টা। এইটা আমাগো সীমাবদ্ধতা। এই সব নিয়াই আমরা হিসাব করতাছি। এই খানের কোনো তথ্য বাইরে যাইতে হইলেও ঈ দুনিয়র নিয়ম মাইন্যাই যাইতে হইবো। আল্লা ভগবান যীহোবা যাই কও না কেনো এই পৃথিবীতে আইয়া তারেও এই দুইন্যার আইন মাইন্যাই খাইট্যা খাইতে হইবো।
এক হাজার আয়াত
ঝুলাইলেও ঐটা মিথ্যা হইবো না
১২. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ৯:৫৬
comment by: অতিথি বলেছেন: ভাইডি প্রথমেই কইছিলাম কডাটা বিশ্বাসিগো বিশ্বাস করনের লাইগ্যা কোনো কিছুর দরকার হয় না, এই একটা আয়াত ঝুলায়া দিলা এই বিশ্বাস করলে আর এইসব ভিডিও লাগে না, যেইডা করতাছো সেইটা হইলো এই আয়াত তুইল্যা আইন্যা ঘোলা পানিতে মাছ ধরার চেষ্টা।
আস্তিক গো ইশ্বর আর নাস্তিকগো ইশ্বর কইয়া আলাদা কিছু নাই।
যেমন ধরো তুমি হাত দিয়ে বল ছুড়লে এইটা পৃথিবীতেই আইবো। তুমি যদি হাত দিয়া বল ছুড়ো সেইটার সর্বোচ্চ গতি হইবো 105 মাইল প্রতি ঘন্টা। এইটা আমাগো সীমাবদ্ধতা। এই সব নিয়াই আমরা হিসাব করতাছি। এই খানের কোনো তথ্য বাইরে যাইতে হইলেও ঈ দুনিয়র নিয়ম মাইন্যাই যাইতে হইবো। আল্লা ভগবান যীহোবা যাই কও না কেনো এই পৃথিবীতে আইয়া তারেও এই দুইন্যার আইন মাইন্যাই খাইট্যা খাইতে হইবো।
এক হাজার আয়াত
ঝুলাইলেও ঐটা মিথ্যা হইবো না
১৩. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ৯:৫৬
comment by: অতিথি বলেছেন: ভাইডি প্রথমেই কইছিলাম কডাটা বিশ্বাসিগো বিশ্বাস করনের লাইগ্যা কোনো কিছুর দরকার হয় না, এই একটা আয়াত ঝুলায়া দিলা এই বিশ্বাস করলে আর এইসব ভিডিও লাগে না, যেইডা করতাছো সেইটা হইলো এই আয়াত তুইল্যা আইন্যা ঘোলা পানিতে মাছ ধরার চেষ্টা।
আস্তিক গো ইশ্বর আর নাস্তিকগো ইশ্বর কইয়া আলাদা কিছু নাই।
যেমন ধরো তুমি হাত দিয়ে বল ছুড়লে এইটা পৃথিবীতেই আইবো। তুমি যদি হাত দিয়া বল ছুড়ো সেইটার সর্বোচ্চ গতি হইবো 105 মাইল প্রতি ঘন্টা। এইটা আমাগো সীমাবদ্ধতা। এই সব নিয়াই আমরা হিসাব করতাছি। এই খানের কোনো তথ্য বাইরে যাইতে হইলেও ঈ দুনিয়র নিয়ম মাইন্যাই যাইতে হইবো। আল্লা ভগবান যীহোবা যাই কও না কেনো এই পৃথিবীতে আইয়া তারেও এই দুইন্যার আইন মাইন্যাই খাইট্যা খাইতে হইবো।
এক হাজার আয়াত
ঝুলাইলেও ঐটা মিথ্যা হইবো না
১৪. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ১০:০৮
comment by: অতিথি বলেছেন: এই ধরনের বিতর্কে 'বিশ্বাসীদের যুক্তি দিয়া বুঝাইয়া লাভ নাই' একটা লুপ হোল। এটা সমাধান না।

সমস্যা বিশ্বাসী অবিশ্বাসীর না। সমস্যাটা হইলো যখন স্রষ্টার ধারনাটাকে নিজের ইচ্ছের গড়নে গড়তে যাওয়া হয়। Perfection of Divine Being থেকে সেটাকে সীমাবদ্ধ সত্ত্বায় নামিয়ে এনে যুক্তির বেড়াজালে বাধার প্রচেষ্টা করা হয়।

পৃথিবীর বহু দার্শনিক স্রষ্টার ধারনার প্রতি অবিশ্বাস রাখার পরেও, স্রষ্টার বৈশিষ্ট্য ও স্বকীয়তা ধরে রেখেই সেটার বিরুদ্ধে পালটা যুক্তি দিয়েছে। স্রষ্টার প্রশ্নের সেরকম প্রচুর দার্শনিক আলোচনা হয়েছে। সেরকম যুক্তি দিলে ব্যাপারটা ভালো খেলতো।

আলোচনার সময়ে রেফারেনসটার প্রতি কিন্তু বিশ্বস্ততা থাকা একটা প্রানবন্ত আলোচনার বৈশিষ্ট্য।

স্রষ্টার প্রশ্নে ধর্ম গ্রন্থই রেফারেনস পয়েন্ট। একজন এ্যাগনোস্টিক বুঝে না বুঝে স্রষ্টাকে "লম্বা সফেদ দাড়িওয়ালা স্বর্গবাসী একজন" কল্পনা করে নিলে বুঝতে হবে তার কল্পনার সীমাবদ্ধতাই এখানে মূল সমস্যা। থিওলজিক্যাল জ্ঞানের অভাবে দুষ্ট।
১৫. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ১০:৩২
comment by: অতিথি বলেছেন: হ এইটাই আমি কইছিলাম 2য় মন্তব্যে, তুমি যদি বিশ্বাস কইরা নাও ইহাই সত্য তাইলে আর প্রশ্নের কোনো প্রয়োজন নাই।
এইটা আমি কেমনে দেখি আল্লারে আর তুমি ক্যামনে দেখো এইটার আলোচনা না।
ঐগুলা শুধুমাত্র শব্দ, অক্ষর সাজানো। আমরা অর্থগুলা দেই, যেইটার বিশাল কইতাছি সেইটার অর্থ বিশাল হইলো কেনো এইটা নিয়া দার্শনিক আলোচনা করতাছি না আমরা।
আমরা কইতাছি না ভাবনার উপরে ইমেজের ভুমিকা কি? আমরা যেইভাবে ভাবতে অভ্যস্ত সেই সব ইমেজগুলারে বাদ দিয়া একটা ফিজিবিলিটি নিয়া আলোচনা করতাছি।
যদি এই রকম কেউ থাকা তার কাছে আমাদের কর্মের তথ্য যাইবো কি যাইবো না।
এই পুরা বিষয়টার মাঝখানে আইসা যদি কও নিয়ম মানি না, তাইলে ক্যামতে হইবো?
কথা হইতাছে তুমি হাগলা এইখানে এইটা তুমি বুঝলা, কিন্তু তুমি যে হাগলা এইটা অন্য কেু যদি বুঝতে না পারে তাইলে তুমি হাগলা না তুমি খাইলা এইটা আলোচনা অর্থহীন।
তোমারে কোনো না কোনো ভাবে এই তথ্যটাকে স্থাপন করতে হইবো।
তুমি ভিডিও কইরা দেখাইলা ঘটনা সত্য আসলেই তুমি হাগছো।
মানুষ বিশ্বাস গেলো।
এইখানেও একই কথাই কইতাছি আমরা।
এইখানের তথ্যগুলা এই খান থেইক্যা কোনো না কোনো ভাবে পাচার হইয়া যাইতে হইবো।
কথা হইতাছে এই তথ্য পাচার নিয়া।
আসলে তথ্য পাচার করা সম্ভব কি সম্ভব না।
যদি তথ্য পাচার করা সম্ভব না হয় তাইলে সেই আল্লা ইশ্বর ভগবান যেই হোক না কেনো তার কাছে কোনো সংবাদ থাকবো না।সে সাদা পাতা দেইখ্যা মনে যা চায় তাই কল্পনা কইরা লইতে পারে, কল্পনা কইরা লইতে পারে বেটা কালো, কুৎসিত দেখতে শালারে দোযখে ফেলঅ।
এইটা কোনো বিবেচনার বিষয় হইবো না।
১৬. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ১০:৩৭
comment by: অতিথি বলেছেন: ভালো কইছেন।

ফিজিবিলিটির কথাই যদি কন, তবে কইতে হবে পোস্টটার মূল ফোকাসটা ছিলো -
আপাত: স্ববিরোধী দুটো কনসেপ্ট:
1. প্রিডেস্টিনেশন, ভাগ্য বা খোদা সব জানেন এই ধারনাটা
বনাম, 2. মানুষ তার কর্মের জন্য দায়ী - এই দুইটা যে একই সাথে সম্ভব সেই পসিবিলিটি এক্সপ্লোর করা।

বিষয়টা ফতোয়া না। ব্যক্তিগত ভাবনা উৎসারিত।
১৭. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ১০:৩৯
comment by: অতিথি বলেছেন: ঘুম আসতাছে। এইখানে সকাল সাড়ে চারটা।

অল থ্যাংকস টু রাসেল সব মন্তব্যের জন্য।
১৮. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ১১:০৫
comment by: অতিথি বলেছেন: ধন্যবাদ সাদিক এ পোস্টের জন্যে।

আমার মন্তব্য হয়তো পোস্টের সাথে রিলেটেড হবে না। আলোচনা বলা যায়।

"বিগব্যাং" থিওরীর বড় দুর্বলতা হলো এতে "বিগব্যাং" এর আগের সব কিছুকে অস্বীকার করা হয়। সেখানে সৃষ্টি এক সসীম স্থানে আবদ্ধ। যেটা আদিতে ছিল শুণ্য আয়তনের। "বিগব্যাং" এর পরেই এটা বিকশিত হয়। "বিগব্যাং" এর আগে স্থান-কাল-পাত্র কিছুই ছিলো না। তবে এর অনেক ভার্সন এখন প্রচলিত। বস্তুত সবগুলোই হাইপোথিসিস।

আলোর গতিবেগ নিয়েও একই কথা। আলোর যে গতিসীমা আগে ধরা হয়েছিল যার চাইতে বেশী গতি সম্ভব না বলে বিজ্ঞানীরা স্বীকার করে নিয়েছিলেন পরে দেখা যায় কোন বিশেষ কৃষ্টালের মধ্যে দিয়ে তার চাইতেও বেশী গতিতে আলো চলতে পারে! কে জানে, হয়তো এমন যৌগ আবিষ্কৃত হবে যার মধ্যে দিয়ে আলো বর্তমানের স্কয়্যার বেগে চরতে পারবে!

এবসোলুট সৃস্টিতত্ব নিয়ে বিজ্ঞান এখনো শৈশব অতিক্রম করে নি। তাদের জন্যে করুনা হয় যারা বিজ্ঞানের বর্তমান জ্ঞান নিয়ে কোরআনকে সর্বপর্যায়ে ব্যাখ্যা করতে চান। বিজ্ঞানের জ্ঞান তো মাঝে মাঝেই উলটে যায় তখন সে ব্যাখ্যার কি হবে?

তবে "জ্ঞান অর্জন করো"। সেটা আল্লাহরই নির্দেশ।
১৯. ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ১১:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: এবং কোরআনের বানী।
২০. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ১২:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: ঘটনা কি, আমিতো খালি অর্ধেক গেলাস আর পূর্ণ গেলাসেই ঘুরপাক খাইতাছি দেখি।
২১. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৪:২৮
comment by: অতিথি বলেছেন: পূর্ব-নির্ধারিত ছক থেকে বের হতে না পারাটাই দোষের।
তবে এই পূর্ব-নির্ধারিত বিষয়টি ঈশ্বর-ঘটিত না, জীবতত্ত্ব ঘটিত।
২২. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৫:৩১
comment by: অতিথি বলেছেন: আছে! আছে ! সব আছে !
২৩. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৫:৩৫
comment by: অতিথি বলেছেন: আশার আলো ধন্যবাদ। আলোর গতিবেগ নিয়ে নতুন কিছু গ্রাউন্ড ব্রেকিং কাজ হয়েছে সম্প্রতি। আলোর এ্যাবসলিউট গতি নিয়ে নতুন প্রশ্ন উঠছে। সম্ভব হলে একটা পোস্ট দিলে দারুন হয়।

ধুসর গোধুলী,
লেট গো। এইটা ফালতু বিষয়। যা কইছি সব ভুইলা গিয়া, স্ট্র্রিং থিওরীর টেনথ ডাইমেনশন ভিডিওটা দেইখো। আর কিছু না হোক, প্রেজেন্টেশনটা ইন্টারেস্টিং।
২৪. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৫:৩৭
comment by: অতিথি বলেছেন: শোহেইল মতাহির চৌধুরী,
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

পূর্ব নির্ধারিত বিষয়টা জীবতত্ত্ব ঘটিত, একটু ব্যাখ্যা করবেন? কোন পার্সপেক্টিভ থেকে আমরা দেখছি এখানে?
২৫. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৫:৩৯
comment by: অতিথি বলেছেন: শোহেইল মতাহির চৌধুরী,
জীবতত্ত্বের ব্যাপারটিই সৃষ্টি জগৎ সৃষ্টি হবার পরের ব্যাপার। মানে আগে সৃষ্টিজগৎ সৃষ্টি হয়েছে তারপর জীবতত্ত্ব বা যাই বলেন সেগুলো সৃষ্টি হয়েছে। সৃষ্টিকর্তা সবকিছু সৃষ্টি করার পর সেগুলোর জন্য কিছু নিয়মকানুন (তা আপনি ল অব গ্রাভিটি'র কথাই বলেন অথবা সালোকসংশ্লেষনের কথাই বলেন) সৃষ্টি করা হয়েছে। আপনাকে আরো প্রাজ্ঞতার সাথে বহুদুরের দিকে তাকাতে হবে। তা না হলে আপনিও সৃষ্টি জগৎ এর সামান্য সময়ের ছক থেকে বের হতে পারবেন না।

অসাধারন সাদিক ভাই। অনেকদিন পর খুবই চমৎকার একটা লেখা পড়লাম এই বিষয়ে। ধারনাগুলো আরো পরিষ্কার হবার জন্য এধরনের লেখা আরো চাই।
চালিয়ে যান। ভাল লাগল।
২৬. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৫:৪৪
comment by: পথিক!!!!!!! বলেছেন: সংশয় ..........বিশ্বাস ...অবিশ্বাস ..........which one is more perfect?...
২৭. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৫:৪৬
comment by: পথিক!!!!!!! বলেছেন: সাদিক তোর ওই সরল রেকা ব্যাপারটা মাথায় নতুন ডাইমেসশন যোগাল ...কাজে লাগছে ..............গবেষণায়।
ধন্যবাদ।
২৮. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৫:৫৪
comment by: অতিথি বলেছেন: ধন্যবাদ ত্রিভুজ।

পথিক,
সরল রেখাটা সময়ের কনসেপ্ট বোঝানোর জন্য স্রেফ ব্যবহার করা হয়েছে। বুঝতে সুুবিধার জন্য।

মূল ব্যাপারটা হলো স্রষ্টা সময়ে সীমাবদ্ধ নয় বলেই তিনি আমাদের কর্মের মাধ্যমে তৈরী ভবিষ্যত জানেন।

সুরা বাকারায় যখন বলা হয়, "তাদের সামনে এবং পেছনে কিছুই তার অজানা নেই"; সেখানে নিদের্শ করে মানুষের অতীত এবং ভবিষ্যত দুটোই খোদার জ্ঞানের আওতায়।

সুতরাং একই সাথে আমরা কর্মের জন্য দায়ী, অন্যদিকে স্রষ্টা ইতিমধ্যেই জানেন প্রত্যেকের দৌড় কতদুর। কিন্তু এই জানা, আমাদের থেকে দায়িত্ব তুলে নেয় না।

মৃতু্যর আগ পর্যন্ত তাই স্রষ্টা প্রত্যেককে তার কর্মের মাধ্যমে তার ভবিষ্যত পরিবর্তন করার সুযোগ দেওয়া হয়।
২৯. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৫:৫৮
comment by: পথিক!!!!!!! বলেছেন: তারপর ও সংশয় ............কারন শেষে গিয়ে তত্ব কথাই বলা হলো ,.....লজিক ছাড়া।
৩০. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৬:০২
comment by: অতিথি বলেছেন: পথিক ভিডিওটা দেখিস। পোস্টের শেষের দিকে লিংক দেওয়া আছে। লোড হইলে ডানের এনিমেশনে ক্লিক করলে শুরু হবে।

ডাইমেনশনের লজিকটা বোঝার জন্য 4র্থ ডাইমেনশন পর্যন্ত দেখতে হবে।
৩১. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৬:০৩
comment by: পথিক!!!!!!! বলেছেন: লোড হয়নি।
৩২. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৬:২২
comment by: অতিথি বলেছেন: কঠিন ভাব। বাই দ্য ওয়ে লিংক কাজ করে না।
৩৩. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৬:৩৫
comment by: অতিথি বলেছেন: এইখানে গিয়ে ট্রাই করুন। ফ্লাশ প্লেয়ার ডাউনলোড করা লাগতে পারে। সাইটেই ডাউনলোডের লিংক আছে।

http://www.tenthdimension.com/
৩৪. ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ দুপুর ১:৪৬
comment by: অতিথি বলেছেন: রাসেল (........), আপনে কি হতাশাগ্রস্থ? আপনার দেখি কোন পোষ্টই ভাল লাগে না। সাদিক না হয় হাইগা রাখছে তা তুমি গন্ধ শোঁকা বাদ দাও।সবকিছুতে এত ব্যথা কেন ভাইটু???
৩৫. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৪:৪৪
comment by: অতিথি বলেছেন: কঠিন , কঠিন এবং কঠিন । :(
৩৬. ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৪:৪৬
comment by: অতিথি বলেছেন: হ। অনেক জ্ঞানের কথা।
৩৭. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৩:১৭
comment by: অতিথি বলেছেন: আসলেই?
৩৮. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ বিকাল ৫:৫৪
comment by: অতিথি বলেছেন: শ্রষ্টা নিজেরেই জানেনা। ভাগ্যতো দুরের কথা। সে নিজেরে জানলে মানুষ ও কইতে পারতো কে সে কোথায় সে যাবে। আর তারে লইয়া এত পেচাল পারনের কি হইলো। শ্রষ্টা ত্রষ্টা বইলা কেহ নাই। এসব বিষয় নিয়া পেচাল পাইরা লাভ আছেনি। আর অই বেটা রাস্কেলটা কি বুঝে মহামুর্খ আর ঐ যুক্তি টুক্তিতে কোনো সারবস্তু আছেনি। অরে তো পাবনায় পাঠানো উচিত।
৩৯. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ৯:৩২
comment by: অতিথি বলেছেন: মনরোর আবার হইলো কি?
মেজাজ খারাপ নাকি?
৪০. ১৯ শে মে, ২০০৭ রাত ৯:২৯
comment by: রশ্মি বলেছেন: অনেকবার পড়েছি। অসম্ভব প্রিয় একটা পোষ্ট। লেখককে কখনো না জানালে বেইমানী কাহিনী হয়ে যাবে

 



 


পাগলামী থাকা না থাকা
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৬৬৫০৩