আমার প্রিয় পোস্ট

খুব জরুরী না ...

দুনিয়ার সব পয়গম্বর আরবে কিত্তে?

২৬ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ১১:০২

শেয়ার করুন:                   Facebook

1.
এইটা একটা পুরান সমালোচনা। যেকোন ঠান্ডা মাথার মানুষের কাছেই এই চিন্তাটা প্রকাশ পাইতে পারে। প্রশ্নটা হইলো, দুনিয়ার সব পয়গম্বর আরবে কিত্তে (কি করতে, কেন)? দীক্ষক দ্রাবিড়ের বিগত পোস্টের ([link|http://www.somewhereinblog.net/mysticsaint/post/28703561|cqM

 

প্রকাশ করা হয়েছে: ধর্ম ইত্যাদি  বিভাগে ।

 

  • ৩১ টি মন্তব্য
  • ৫৬৭ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৫ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৬ শে মার্চ, ২০০৭ বিকাল ৫:১৪
comment by: মাহবুব সুমন বলেছেন: ভাবনার বিষয়
২. ২৬ শে মার্চ, ২০০৭ রাত ৮:৪০
comment by: অতিথি বলেছেন: ভালো পোস্ট।
৩. ২৬ শে মার্চ, ২০০৭ রাত ৯:০৩
comment by: অতিথি বলেছেন: দুনিয়ার সব পয়গম্বর মিলাও আরবগো সভ্য বানাইতে পারলো না এখনও।
যা হোক পাঁচ দিলাম পোস্টেরে।
৪. ২৬ শে মার্চ, ২০০৭ রাত ১১:২৪
comment by: অতিথি বলেছেন: বিপথে পরিচালিত মানুষকে সুপথে আনার জন্য প্রেরিত হয়েছে নবী-রাসুল।

সভ্যতার আদিকাল থেকেই আরবের লোকেরা কুপথে গমনে বেশী আগ্রহী ছিল। তাই সব পয়গম্বর ও আরবে আসতে বাধ্য হয়েছে।
৫. ২৭ শে মার্চ, ২০০৭ রাত ১২:০০
comment by: অতিথি বলেছেন: যাক, ঝোলটা নিজের পাতের দিকে টানার চেষ্টা হলেও বিশ্লেষণ ও সে অনুযায়ী একটা সমাধান দেয়ার পরিশ্রম আছে লেখায়।
এ নিয়েও আমার ধারাবাহিকেও লিখবো।
শুভেচ্ছা। আলোচনায় গতি সঞ্চার করার জন্য।
৬. ২৭ শে মার্চ, ২০০৭ রাত ১২:০৪
comment by: অতিথি বলেছেন: হুমম চালায় যা।
৭. ২৭ শে মার্চ, ২০০৭ রাত ১২:১১
comment by: অতিথি বলেছেন: হুমম, একটা ছোট্ট প্রশ্ন। বুদ্ধা, কেন পয়গম্বর হতে যাবেন?
তিনি কি কখনও বলেছেন অমুক আসমানের অমুক আমাকে পাঠিয়েছেন?

যিনি নিজেকে পয়গম্বর দাবী করেন নি তার কাঁধে এই ভার চাপিয়ে দিয়ে আরবের না মেলা নবীর সংখ্যাতত্ত্বের হিসাব জোর করে মেলানোর চেষ্টা না করাই ভালো।
৮. ২৭ শে মার্চ, ২০০৭ রাত ১:২৪
comment by: অতিথি বলেছেন: যাক বেশ কদিন পর সাধু সাদিক আর দীক্ষক দ্্রাবিড় আসল ফর্মে । ঋদ্ধ আলোচনার ঘ্রান পাচ্ছি ।
সেই সাথে একটু মসলা ছিটিয়ে দেই::

সাদিকের কথা মতে, মানব ইতিহাসের বিভিন্ন সময়ে যারা মানুষের মুক্তি র জন্য অবদান রেখেছেন তাদের সকলেরই পয়গাম্বর হবার একটা সম্ভাবনা আছে যদি ও তারা নিজেদের কোনো ঐশী ক্ষমতার দাবী করেননি ।
হতে পারে, হতেই পারে । সে অর্থে বাংলাদেশের যে বিজ্ঞানীরা ডায়রিয়ার প্রতিষেধক খাবার স্যলাইন আবিস্কার করেছেন তারা ও পয়গাম্বর । লবন চিনির ঘুটা র ফমর্ুলা পায়নি বলে কতো হাজার হাজার মানুষ মরলো, গ্রাম উজাড় হয়ে গেলো মড়কে । হয়তো ঈশ্বর অবশেষে আই.সি.ডিডি.আর.বি'র গবেষকদের মারফতে মানুষের জন্য ডায়রিয়া মুক্তির ফর্মুলা পাঠিয়েছেন ।
৯. ২৭ শে মার্চ, ২০০৭ রাত ১:৫৯
comment by: অতিথি বলেছেন: সহমত @ পোস্ট। বিশেষ করে শেষ প্যারাগ্রাফটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
১০. ২৭ শে মার্চ, ২০০৭ রাত ২:০৭
comment by: সুর বাংলা বলেছেন: হে হে হে @ হাসান মোরশেদ
লা জওয়াব!

ফখরু তো তালৈ "নবী"!
আর "জিয়োসি মাসুইদ্যা" অইলো "ফয়গম্বর"!!
১১. ২৭ শে মার্চ, ২০০৭ রাত ৩:৪১
comment by: অতিথি বলেছেন: চমৎকার পোস্ট সাদিক ... ধর্মান্ধদের চোখ খুলে দেয়ার মতো পোস্ট ...

আমি আশা করি আপনার পোস্টগুলো দেখে অনেকেই বুঝবেন যে কোন বিষয় নিয়ে কি পরিমাণ পড়াশোনা করার প্রয়োজন আছে!
চমৎকার, চালিয়ে যান।
১২. ২৭ শে মার্চ, ২০০৭ রাত ৩:৫৬
comment by: অতিথি বলেছেন: সহমত @ জি্বনের বাদশা।
১৩. ২৭ শে মার্চ, ২০০৭ ভোর ৪:৪৭
comment by: অতিথি বলেছেন: সবাইকে মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

সাজেদ,
আরবদের মেন্টাল এ্যাটিচুডে সমস্যা থাকলেও তুলনামূলকভাবে বহুত সভ্য হইছে। আগে এতোই অসভ্য ছিলো যে মেয়ে সন্তানরে জ্যান্ত মাটিতে পুইতা রাখতো, তারপরে নির্বিকার হাতের মাটি ধুয়ে ফেলতো।

এই একবিংশ শতাব্দীতে এসে ভারতে বা চীনে গর্ভের মেয়ে হত্যা করা অথবা এ্যাবরশন স্ট্যাটিসটিকস লোমহর্ষক। কোটি মেয়েকে হত্যা করা হয় জন্মের সময়ে বা তার আগে। এইটা একটা উদাহরন যেইটা চট করে মনে পড়লো।

ভ্রুন বা নবজাতক হত্যা মহাপাপ অন্তত এই নৈতিক শিক্ষাটা দিয়া আরবরে সভ্য আমাগো নবীযে করছে সেইটা অস্বীকার কইরা লাভ নাই।
১৪. ২৭ শে মার্চ, ২০০৭ ভোর ৪:৪৮
comment by: অতিথি বলেছেন: দীক্ষক,
বুদ্ধা নিজেকে পয়গম্বর দাবী করে নাই। কেন করে নাই আগের পোস্টে বলছি। কারন তার সংস্কৃতি ও ভাষায় পয়গম্বর শব্দের উপযোগিতা নাই।

হিন্দুরা বুদ্ধাকে হিন্দু ধর্মের একজন অবতার হিসেবে শ্রদ্ধা করে। আর অবতার এবং পয়গম্বর যে মূলত একই হইতে পারে সেই যুক্তিটা আমি আপনার দ্্বিতীয় পোস্টে মন্তব্যে লিখেছি।
১৫. ২৭ শে মার্চ, ২০০৭ ভোর ৪:৫৯
comment by: অতিথি বলেছেন: আপনার লেখাটিতে আমার নিজের কিছু প্রশ্নের উত্তর পেয়ে গেলাম। ধন্যবাদ।
১৬. ২৭ শে মার্চ, ২০০৭ ভোর ৫:০০
comment by: অতিথি বলেছেন: হাসান মোরশেদ,
হাহা... ভালো উদাহরন।

একটা হিন্টস দেই,
জ্ঞানীর কলমের কালীর দাম খোদার কাছে শহীদের রক্তের চাইতেও দামী।

প্রফেটের এই বক্তব্যটা কি প্রমান করে না যে দৈব বানীর দাবী না কইরাও জ্ঞানী, বিজ্ঞানীর স্ট্যাটাস বহুত বড়?

এক বেচারা ধর্মযুদ্ধ কইরা জীবনটা দিয়া দিলো, তার রক্তের চাইতে জ্ঞানীর কলমের কালি দামী। এই হিন্টসটাই আপনার প্রশ্নের উত্তরের জন্য যথেষ্ট মনে হয়। আর খামাখা নবী পয়গম্বরের ট্যাগের জন্য একজন মাদার তেরেসারা ত্যাগ করে না। তারা করে অন্য কিছুর জন্য, সেইটার নাম বোধহয় ভালোবাসা।
১৭. ২৭ শে মার্চ, ২০০৭ ভোর ৫:০১
comment by: অতিথি বলেছেন: ধন্যবাদ জুবায়ের।
১৮. ২৭ শে মার্চ, ২০০৭ ভোর ৫:৫২
comment by: অতিথি বলেছেন: বুদ্ধ পয়গম্বর হওয়ার প্রণ্নই উঠে না।

কারণ তিনি স্রষ্টার অস্তিত্বই স্ব ীকার কারেন নাই।
১৯. ২৭ শে মার্চ, ২০০৭ ভোর ৬:০৪
comment by: অতিথি বলেছেন: অচেনা বাঙ্গালী,
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

বুদ্ধ সম্পর্কে এই রকমইটা প্রচলিত অথচ ভুল ধারনা। তিনি স্রষ্টাকে অস্বীকার করেন নাই। বরং তিনি স্রষ্টাকে এবং সৃষ্টির উৎস সমর্্পকিত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া থেকে বিরত ছিলেন (তার যথেষ্ট কনটেক্সচুয়াল কারনও ছিলো)।

পৃথিবীর অনেক বুদ্ধিস্ট ট্রাডিশনে স্রষ্টাকে আদিবুদ্ধা বা অমিতাভ বুদ্ধা বা দি গ্রেট বুদ্ধা নামে ডাকা হয়। আদিবুদ্ধার কাছকাছি ট্রানসলেশন হলো The First Intellect যে নামে মুসলিম দার্শনিকরাও স্রষ্টাকে চিহ্নিত করে থাকে।

আমি জানি না আপনি ইংরেজী পড়তে স্বচ্ছন্দ বোধ করেন কি না। করলে নীচের পোস্ট দুটো পড়তে পারেন।

যঃঃঢ়://সুংঃরপংধরহঃ.নষড়মংঢ়ড়ঃ.পড়স/2005/08/যিু-নঁফফযধ-রং-ংড়-ংঢ়বপরধষ.যঃসষ

আর বুদ্ধ যে নিজস্ব ভাষায় স্রষ্টাকে অন্যভাবে চিহ্নিত করে গেছেন তার সম্পর্কে এখানে পড়তে পারেন:
Click This Link

আদিওস
২০. ২৭ শে মার্চ, ২০০৭ ভোর ৬:০৬
comment by: অতিথি বলেছেন: দু:খিত,
লিংক দুটো আবার দিচ্ছি:
http://tinyurl.com/f44fx
http://tinyurl.com/rh2bd
২১. ২৭ শে মার্চ, ২০০৭ ভোর ৬:২২
comment by: অতিথি বলেছেন: ধন্যবাদ, দেখি চেষ্টা করে বুঝতে পারি কী না।

যতদুর জানতাম, বুদ্ধ যেহেতু স্রষ্ঠা সম্পর্কে কিছু বলেন নাই সেজন্য তাঁর অনুসারীরা তাকেই স্রষ্টা মনে করে। যেমন তাঁকে ডাকা হয় লর্ড বুদ্ধা বা ভগবান বুদ্ধ।
২২. ২৭ শে মার্চ, ২০০৭ ভোর ৬:২৩
comment by: অতিথি বলেছেন: অনুসারী দিয়া ওস্তাদরে বিচার করা ঠিক না।
২৩. ২৭ শে মার্চ, ২০০৭ ভোর ৬:৩০
comment by: শুভ বলেছেন: সাদিক,
কাউকে কাউকে দেখে আমার মনটা বিষণ্নতায় ছেয়ে যায়- আমি সময়ের কী অপচয়ই না করেছি...!

হায়রে সময়- গড়িয়ে যাওয়া পানি!!
২৪. ২৭ শে মার্চ, ২০০৭ ভোর ৬:৩২
comment by: অতিথি বলেছেন: আপনে মিয়া খালি রিভার্স ঝাড়ি লন। @ শুভ

কিয়ের সময় অপচয়? আপনার মতো মমতা লইয়া সময় ধইরা রাখছে কয়জন?!

আপনে ইয়াহু মেসেঞ্জার ব্যবহার করা শুরু করলে আওয়াজ দিয়েন। মেসেঞ্জারে বাতচিত করন যাইবো যতটুকু সময় পাই তার ভিতরেই।
২৫. ২৭ শে মার্চ, ২০০৭ ভোর ৬:৪৮
comment by: অতিথি বলেছেন: সাদিক গৌতম বুদ্ধ তার জীবৎকালে যেই দর্শনের কথা বলছেন বইলা জানা যায় তাতে তারে হিন্দুত্ববাদের সম্প্রসারিত ভিত্তি বইলাই মনে হয়...আমি ঠিক বুইঝা উঠতে পারতেছি না নবী বা পয়গম্বর হওনের যোগ্যতার মাপকাঠি আপনে কেমনে দেখতেছেন...
২৬. ২৭ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৮:৪৮
comment by: অঃরঃপিঃ বলেছেন: পড়লাম। ভালো লিখছস
২৭. ২৭ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ১১:১৮
comment by: অতিথি বলেছেন: জামাল ভাস্কর,
রাসেলের আমার বিরুদ্ধে একটা মজার অভিযোগ আছে যেইটা ইন্টারেস্টিং। আমি নাকি ঈগলের চক্ষু দিয়া ইসলাম দেখি।

গৌতম বুদ্ধের প্রসঙ্গে মনে হয় আলাদ কইরা লিখতে হইবো। তবে সেইটার প্রথমে খুব সম্ভবত আমারে গৌতম বুদ্ধ স্রষ্টারে অস্বীকার করছিলো কি না, এই ভুলটায় ফোকাস করতে হইতে পারে। অনেকের পপুলার মিসকনসেপশন দেখি যে বুদ্ধা নাস্তিক ছিলো, যেইটা ভুল। পোস্ট নামাইলে চোখ রাইখেন।

মানব ইতিহাসে গৌতম বুদ্ধা খুব ইন্টারেস্টিং চরিত্র।

অ.র.পি.,
কৃতজ্ঞতা বিগবস।
২৮. ০৫ ই এপ্রিল, ২০০৭ রাত ৯:৫৫
comment by: জ্যোতিষী- বলেছেন: সূফীবাদের উপর লিখিত ৩ টি বই:
১) মারেফতের গোপন আলাপ
২) এলমে মারেফত
৩) সূফীবাদ - আত্ম পরিচয়ের একমাত্র পথ

বই ৩টির লেখক ডাঃ বাবা জাহাঙ্গীর বা-ঈমান আল-সুরেশ্বরী
২৯. ০৬ ই এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১২:৪১
comment by: অতিথি বলেছেন: পৃথিবীতে যখন যেখানে সভ্যতার উৎকর্ষ ঘটেছে, সেখানেই নবী-রাসুল এসেছে। তারা খোদা প্রেরিত কিনা সেটা নিয়ে ধার্মিক ও বিধর্মীদের মধ্যে প্রাঞ্জল বিতর্ক হতে পারে। কিন্তু তারা খুব ভাল নেতৃত্ব দিতে পারতেন --এটা সর্বজন বিদিত। সভ্য পৃথিবীতে যখন কেউ অনাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সরব হয়ে উঠতো তখন তাকে সবাই নেতা হিসাবে গ্রহণ করতো বা বলা যেতে পারে ধার্মিক ব্যক্তিগন তাকে নবী হিসাবে সষ্ট্রা প্রেরিত পুরুষ হিসাবে গ্রহণ করতো- এবং বিশ্বাস করতো, তিনি এসেছেন তাদের মুক্তিদাতা হিসাবে।

নবী-রাসুলগন যে পৃথিবীতে বাস করে গিয়েছিলেন - তা ছিল আরব কেন্দ্রিক বিশ্ব। বর্তমান পৃথিবীর সভত্যা অনেকাংশেই আমেরিকা কেন্দ্রিক। তাই বর্তমান যুগে নবী-রাসুল আসার প্রয়োজন হলে মনে হয় আমেরিকায় আসবে!
৩০. ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৭ দুপুর ২:৩০
comment by: দ্বিধা বলেছেন: শিখছি
৩১. ১১ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১০:০৮
comment by: শুভ বলেছেন: ‌'...মানব ইতিহাসে গৌতম বুদ্ধা খুব ইন্টারেস্টিং চরিত্র।'

সাদিক, আবারও পড়লাম। মুগ্ধতা!
বুদ্ধাকে আমার কেবল ইন্টারেস্টিং চরিত্রই মনে হয় না। অসম্ভব বুদ্ধিমান একজন মনে হয়। নিজের সম্বন্ধে ক্রিস্টাল ক্লিয়ার...।
ভাল কথা, পরে কি আপনি বুদ্ধাকে নিয়ে আলাদা পোস্ট দিয়েছিলেন? লিংক দেয়া যায়?
ড. দীক্ষক দ্রাবিড় এবং আপনার সু-লড়াইটা বড় মিস করি। হা হা হা।

 



 


পাগলামী থাকা না থাকা
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৬৬৫০০