আমার প্রিয় পোস্ট

খুব জরুরী না ...

কনক্রিটের সৌধে পুস্প দেওয়া ইসলাম সম্মত না - বলেছেন রাম সন্না। ধমর্ান্ধরা মুড়ি খাও

২৮ শে মার্চ, ২০০৭ রাত ১:২৬

শেয়ার করুন:                   Facebook

বিজলীর খড়ির সর্বশেষ পোস্ট: কনক্রিটের সৌধে পুস্পার্ঘ দেওয়া ইসলাম সম্মত নয়। তিনি বেশ কিছু উদাহরন দিলেন: বিট্রিশ আমলের ইসলামী আন্দলন আসছে এইখানে কারন হিসাবে, হিন্দু ধর্মকে টেনেছেন, ইসলামী আলেমরা নাকি সৌধে পুস্ক টুস্প দিতে যায় না। মোদ্দা কথা এ পুরো ইসলাম অসম্মত কাজ। পুরো বাংলাদেশ শিরকের অভায়রণ্যের পরিনত করাই এর মূল লক্ষ্য। ইসলামে নাকি নিধেষও আছে!! তার কথা হলো কোন মুসলমান পুস্পার্ঘ দিতে পারে না। [link|http://www.somewhereinblog.net/skyshellblog/post/28703854|

 

প্রকাশ করা হয়েছে: ধমর্ান্ধরা মুড়ি খাও  বিভাগে ।

 

  • ৫৭ টি মন্তব্য
  • ৮২৩ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৭:৩১
comment by: অতিথি বলেছেন: নিজে পোসঠাই নিজেই রেটিং মারা কুত্তার কাজ
২. ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৭:৩৩
comment by: অঃরঃপিঃ বলেছেন: তুই একটা মালললল..দুর্দান্ত পোস্ট
৩. ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৭:৩৮
comment by: অতিথি বলেছেন: মুক্তচিন্তা ভাইজান বোধ হয় একটা ভুল করলেন। থুক্কু, দুইটা।

1. গালি দিছেন
2. ভুল আন্দাজ করছেন।

যাউক্কা, স্যরি কওনের দরকার নাই। খোদা অসীম ক্ষমাশীল।
৪. ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৭:৩৯
comment by: অতিথি বলেছেন: অরপি,
এমনই তাড়াতাড়ি লিখছি ভাত খাইতে খাইতে, ডিউটিতে আছি একটা এক্সিবিশনের বুথে - অনেক কিছু গুছাইয়া লিখতে পারি নাই।

তাই অগোছালো ও রিপিটেশন আছে দেখবেন। পরে ঠিক করুম নে।
৫. ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৭:৪৩
comment by: অতিথি বলেছেন: ধর্মের সহজ ব্যাখ্যা ।
৬. ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৭:৫৪
comment by: অতিথি বলেছেন: আপনি তো সংস্কারবাদী। আদি ও অকৃত্রিমতাবাদীদের ইসলামীক ব্যাখ্যা তাদের মত সঠিক ধরে নিতে হবে। তাদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী তারা আমল করবে। আমার ইসলামের ব্যাখ্যা অনুযায়ী আমি ফুল দেব, তাতে তারা আবার আমাকে কাফের বলবে, আমরা তাদেরকে তারপরেও মুসলমান বলবো।
৭. ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৭:৫৫
comment by: সুর বাংলা বলেছেন:
৮. ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৭:৫৯
comment by: অতিথি বলেছেন: হাহাহা... কৌশিক আপনার জোশ মন্তব্যটা দেখলে সক্রেটিসও খুশ হইয়া যাইতো। ভালো কইছেন।

সুরবাংলা কি মাইন্ড খাইলেন না গালি দিলেন?
৯. ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৮:০০
comment by: সুর বাংলা বলেছেন: গিয়ান ফাইলাম মেলা!
১০. ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৮:০১
comment by: সুর বাংলা বলেছেন: আইচ্চা, উব্বুৎ অই সেজদা করন যাইবো?
১১. ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৮:০৩
comment by: অতিথি বলেছেন: ধন্যবাদ সাদিক ভাই, আপনার পোষ্টের জন্যে।
১২. ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৮:০৪
comment by: বিজলীর খড়ি বলেছেন: সাদিক, আপনার গুছালো যুক্তি পড়ে আনন্দ পেলাম, সেই সাথে যুক্তির ঠুনকো এবং অজ্ঞতার পরিচয় পেয়ে স্বস্তিও।

আমার পোষ্টটি আবার পড়লেই আপনি এর চেয়ে আরও বড় একটি পোষ্ট লিখতে চাইবেন, আরেকবার পড়লে আরও একটি।

ইসলামে কেন সূর্যপূজা, মূতিপূজা, পাথর পূজা নিষেধ করা হয়েছে? কারন তা শির্ক। মুসলমানরা কা'বায় সিজদা দেয়, বা কাবা মুখী সিজদা দেয় আল্লাহকে স্মরন করে, কিন্তু সিজদা একমাত্র কা'বারই প্রাপ্য। কেই যদি আল্লাহকে স্মরন করে শাহবাগ চত্বরের চারপাশে তাওয়াফ করে আর বলে এটা প্রতিকী হজ্জ্ব, তবে সে হবে সাদিক মোহাম্মদ আলম।
তা হবে বিদআত, অর্থাৎ ইসলামের বিকৃতি। আর কা'বা ছাড়া অন্য কোন খানে সিজদা দেয়া হবে শির্ক-স্পিরিটেড বিদআত।
তাই ইবাদত একমাত্র রাসুলের (সা:) প্রদর্শিত এবং আল্লাহর নির্দেশিত পথেই হতে পারে, অন্য কোন উপায়ে নয়।

শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে কোন মুসলিম ভালবাসা প্রকাশ করতে পারে না। সে করবে সালাতের পর শহীদের জন্য দুআর মাধ্যমে। বাঙ্গালী মুসলিম শ্রদ্ধা প্রদর্শনের জন্য হিন্দুর প্রথা বেছে নেবে কেন? কেন?
কার তাদেরকে পথভ্রষ্ট করেছে কিছু প্রভাবশালি সংস্কৃতিকমী যারা বাংলাদেশকে শির্কের অভয়ারন্য করতে চায়।
আমার প্রশ্নটির তো কোন উত্তর দেয়া হল না। কেন ইসলামপন্থিরা ফুল দিতে যায় না? জামায়াত ব্যতীত বাকিরা?
১৩. ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৮:০৫
comment by: অতিথি বলেছেন: বিজলীর খড়ির সাথে আমার আড়ি। ব্যান করছে। বহুত দিন কোন গালি দেই না তারপরেও ব্যান!
১৪. ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৮:০৭
comment by: সুর বাংলা বলেছেন: "হিয়াল ফনডিৎ " বাইুরে কসটো দ্যান কিল্লাই!

১৫. ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৯:০০
comment by: অতিথি বলেছেন: হজ্জ্ব পুরা ব্যাপারটা আল্লাহর প্রতি উৎসর্গ করা হয়। আমি যতটুকু জানি, কোন প্রতীকি জায়গায় গিয়ে এমন আচরন করা নিতান্তই [গাঢ়]অপছন্দনীয়[/গাঢ়], যেই আচরণ থেকে মনে হয় মৃত মানুষটার সাথে যোগাযোগ হচ্ছে, তাকে কিছু নিবেদন করা হচ্ছে, তাকে ভালবাসা জানানো হচ্ছে। ইসলামে মৃতের প্রতি সম্মান দেখানোর পন্থা মোটেই এটা নয়। একমাত্র যেই পদ্ধতিতে মৃতের প্রতি সম্মান দেখানো হয়, সেটা হলো, পরজীবনেও তারা যেন শান্তিতে থাকে সেই প্রার্থনা করা। না হলে, প্রতি দেশে দেশে কংক্রিটের থাম্বা তুলে মুহাম্মদ (সা) এর প্রতি সম্মান দেখানো শুরু করা উচিত। পশ্চিমা দেশ, বাংলাদেশে মৃত ব্যক্তির প্রতি সম্মান দেখানোর পন্থা তো তা-ই, মুহাম্মদ (সা) এর নামে একটা সৌধ বানানোর প্রপোজাল তুলতে পারেন! আফটার অল, দেশের মানুষ তাঁকে খুব শ্রদ্ধা করে!

তারপরেও, মৃত শহীদদের প্রতি নীরবতা অবলম্বনের সময় আমি উঠে দাঁড়াই। ফুল দিতে বলা হলে আমি ফুল দিব। কারণ কিন্তু ফুল দেয়ার সময়, নিরবতা অবলম্বনের সময় কখনই নিজের মধ্যে এই ধারনা না যে মৃত মানুষগুলো আমাকে দেখতে পাচ্ছে, আমার ভালবাসা টের পাচ্ছে...

বরং,
এটা বাংলাদেশের সংস্কৃতি এবং মানুষ এই ব্যাপারে সেনসিটিভ। নেয়াহেত জীবিত মানুষের প্রতি সম্মান দেখানের জন্য কাজগুলো আমি করব, করি। যদিও কখনও বিশ্বাস করি না মৃত মানুষেরা আমার এই আচরণে উপকৃত হচ্ছে।

তাঁরা উপকৃত হবে টিভি ক্যামেরার সামনে সেজেগুজে উপস্থিত হয়ে ফুল দেয়ার চেয়ে নিজের ঘরে বসে আন্তরিকতার সাথে প্রার্থনায় মনে করলে। শহীদদের প্রতি সম্মান দেখাতে চাইলে ঠিক এই কাজটাই করব! জীবিত মানুষের অনুভূতির প্রতি সম্মান দেখাতে চাইলে ফুল দিতে পারি!
১৬. ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৯:০৭
comment by: অংকন বলেছেন: সাদিক ভাই পুরো পোস্টটা পড়লাম । আপনি ধর্মের সহজ যুক্তিটা দিয়ে সমস্ত লেখাটা ভরিয়ে তুলেছেন ।

আপনি কি আমার একটি প্রশ্নের উত্তর দিবেন ? আপনার এই দেখানো ফুল দেওয়ার জন্য ম্ত ব্যক্তিটি কিভাবে উপক্ত হচ্ছে ?
১৭. ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৯:১৭
comment by: অতিথি বলেছেন: আমার আত্মার ভেতরে কারো প্রতি সন্মান থাকলে তা আমি যে কোন পথে দেখাবার অধিকার রাখি। এখানে সেই মৃত ব্যক্তিটির উপকার করা একেবারেই মুখ্য নয়, বরং মুখ্য তার সন্মানের সামনে আমার অবনত মস্তক। এটা দেখে সামনেও কেউ না কেউ নিজেকে সন্মানীয় করায় সচেষ্ট হতে পারে।

আপনার লেখাটির জন্যে ধন্যবাদ সাদিক।

১৮. ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৯:২৪
comment by: অঃরঃপিঃ বলেছেন: জায়গামতো লাগছে উলালা
১৯. ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৯:২৮
comment by: অতিথি বলেছেন: মিয়া, তোমারে 'সাবধান' কইরা দিয়া অহনই পোস্ট আইতাছে। এইডা বহুৎ নাজায়েজ কাম করছো!
২০. ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৯:৩২
comment by: অতিথি বলেছেন: অদ্ভুদ ! কিছুকুপমণ্ডুক উলটো পথে চলতে চাইলে চলুক...
কি এসে যায়?
ফুলে ফুলে ঢাকা পড়ে সৌধ...
এটাই নিয়ম।

২১. ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ১০:০২
comment by: অতিথি বলেছেন: আমার ত মনে হয় না বিজলির হোগা কিংবা সন্ধাবাতি এরা কেউ শহীদদের জন্য দোয়া করছে কোনদিন। খালি বড় বড় কথা। শহীদদের সৌধে ফুল দিলে এত জ্বলে কেন আপনেগো? আর অগো লাইগা কেউ দোয়া করে না, এইটা আপনে কেমনে জানেন? যাগো আত্মীয়স্বজন মারা গেছে তাদের সবার জন্য দোয়া করা হয়। আপনেগো মতো কিছু জামাতি বাপের পোনারাই ঘরে বইসা ইসলামের নামে মওদুদিয়া কতাবার্তা কন।

এখন ফুলের মদ্যেও দোষ। ফুলও হিন্দু হইয়া গেছে, না? উটের মুত মাইখা ঘুরতে হইব নাকি? জাউড়াগুলির কথা শুনলে মেজাজটাই খারাপ হয়।
২২. ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ দুপুর ২:০০
comment by: অতিথি বলেছেন: সাদিক,
শুভেচ্ছা!
তিঁনি কার মনের আশ, ইচ্ছা, কামনা, শখ কিভাবে, কোন ওসিলায়, কখন পূরণ করেন, সে ধনী বা গরীব হোক... কেউ বলতে পারে না। আপনার চাওয়াটা আন্তরিক ছিল তাই তিঁনি তা পূরণ করেছেন। ভালো থাকবেন। অনন্ত শুভকামনা।
২৩. ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ দুপুর ২:১৭
comment by: নজমুল আলবাব বলেছেন: আমি না লইলাম আল্লাজির নামরে...

লিখে যান নিজের মত। নিজেদের জন্য। হেদায়েত, সেতো আমাদের কাজ না।
২৪. ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ বিকাল ৩:০৮
comment by: অতিথি বলেছেন: সুর বাংলা,
ক্যান ভাই? উব্বুৎ হইয়া সেজদা দেওনের প্রসঙ্গডা আইতাছে কিললাই? শহীদ মিনাররে হিন্দুগো মন্দির মনে হয়?

দেশী ক্যাঙ্গারু, নজমুল আলবাব
ধন্যবাদ।

তীরন্দাজ,
শুকরিয়া।

চোর,
চিন্তার বিষয়।

প্রমিত প্রবাল,
ফুলে ফুলে ঢাকা পড়ুক স্মৃতি সৌধ, এই বাংলাদেশের আর পৃথিবীর সব জায়গায়।

অন্ধকার,
আপনি দেখি অতি চেনা মানুষের সুরে কথাগুলা বললেন! চিন্তায় পড়লাম। ঘরের কথা পরে (!) জানলো ক্যামনে? যথাসময়ে প্রকৃতি তার রহস্য উন্মোচন করিবে, সেই আশায় নিরাসক্ত হইলাম আপাতত।
২৫. ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ বিকাল ৩:১৬
comment by: অতিথি বলেছেন: বিজলীর খড়ি,
আপনি লিখছেন আপনার মন্তব্যে, "সিজদা একমাত্র কাবার প্রাপ্য।" এইটা কি বললেন মিয়া ভাই?

আমি যতদূর জানি সিজদা একমাত্র স্রষ্টার প্রাপ্য। আপনি যুক্তি গোলায়ে ফেইলেন না। মাথা ঠান্ডা করেন। বাড়তি মন্তব্যে সংশোধন জানায়ে গেলে ভালো হয়।

এমনই হয়! আপনি খুব শিরক সচেতনতার পরিচয় দিতে গিয়ে স্রষ্টার প্রাপ্য সিজদারে - কাবার ক্রেডিটে লিইখা ফেলাইলেন।

আর ইবাদতের সাথে শহীদ মিনারে ফুুল দেওয়াটা গোলায়ে ফেলার কোনরূপ সুক্ষ বা স্থূল কারন আমি বুঝিয়া পাইতেছি না। আপনি আবারো ফুল দেওয়ারে হিন্দুদের প্রথা বলতেছেন। সমস্যা কি আপনার?

হিন্দুরা ভাত খায়, আপনি ভাত খাওয়া হিন্দু বইলা চালায়ে দিবেন নাকি?

ইসলামপন্থিরা ফুল দিতে যায় না কেন, এই মহান প্রশ্নের উত্তরের আগে আমারে ইসলামপন্থির সংজ্ঞাটা একটু দিয়েন। তাইলে সুবিধা হয়। আপনি যারা ফুল দিতে যায় তাদের প্রত্যেকরে [গাঢ়]মুমিন না [/গাঢ়], এইরকম দাবী করার কে?
২৬. ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ বিকাল ৩:৩১
comment by: অতিথি বলেছেন: সন্ধ্যাবাতি ওরফে আস্তমেয়ে কি করে জানলেন যারা শহীদ মিনারে ফুল দিতে যায়, তারা ভেবে নেয় শহীদদের সাথে তাদের যোগাযোগ হয়ে যাচ্ছে? 55 বছর ধরেই বাংগালী এটাকে তার ভালোবাসা আর স্মৃতি তর্পনের প্রথা হিসেবে গ্রহন করেছে । এর সাথে উপাসনার কিংবা পুজার তো কোনো সম্পর্কনেই ।
সবকিছুতেই এই আপদদের ধর্মের ঢেকুর তুলতে হয় !
মিনায় গিয়ে শয়তানকে পাথর ছুড়লে সেটা ধর্মহয় , যেনো শয়তান সত্যি সত্যিই এসে বসে থাকে ইমানদারদের পাথর খাওয়ার জন্য ।

ধন্যবাদ সাদিক, দরকার ছিলো ।
২৭. ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ বিকাল ৩:৩৬
comment by: আরশাদ রহমান বলেছেন: সা. মো. আলাম, দৌড়ের উপর আছি। লেখায় কোন রকমে পড়লাম। বি. খড়িরটাও কোন রকমে পড়লাম। বি. খড়ি বলেছেন বিজাতীয় সংস্কৃতি অনুকরন না করতে হাদিসে পরিস্কা বালা আছে! তার মানে কি? বিজাতীয়তো আমার কাছে আরবি সংস্কৃতি! আমি আমার বাংলা সংস্কৃতি কি জন্য বিসর্জন দিব?
ফুল দেয়া হিন্দু সংস্কৃতি তো বিয়ের অনুষ্ঠানে কোন সংস্কৃতি? উলু ধ্বনিতও হিন্দুরা দেয় আবার আরবিরাও দেয়? আমার বাংলা সংস্কৃিতে কে হিন্দু মুসলিম খৃস্টান বৌদ্ধ বানাতে আমি পারবোনা।
ধর্ম পালন করতে গিয়ে আমার মায়ের ভাষা সংস্কৃতি ছাড়তে হবে তা আমি মানিনা।
ধন্যবাদ আপনাকে।
২৮. ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ বিকাল ৩:৫৩
comment by: অতিথি বলেছেন: হাসান মোরশেদ,
চমৎকার।
ধন্যবাদ সুত্র যোগ করার জন্য।

আরশাদ রহমান,
কৃতজ্ঞতা। অন্ধত্ব একবার পাইয়া বসলে সব কিছু মানুষ সেই অন্ধত্বের মধ্য দিয়া দেখতে চায়। আর ধর্ম যদি অন্ধ করে তাইলে তো বিশাল ক্যাচাল। ব্যক্তিগত, সমষ্টিগত ঘৃণা, বিদ্ধেষটাও তখন ধর্মের আবডালে প্রকাশে কুনঠা হয় না।

সংস্কৃতি প্রসঙ্গে বুইঝা না বুইঝা একটা হাদীস নিয়া মাতামাতি আর চানস পাইলেই হিন্দুগো গাইল পাড়ন। এইটাই আমাদের "এক কালে হিন্দু থেইকা মোছলমান হওয়া" নতুন তালেবগো ইস্টাইল।

দৌড়ের উপরেও সময় করে পড়া আর ভাবনা শেয়ার জন্য ধন্যবাদ।
২৯. ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ বিকাল ৪:৫১
comment by: অতিথি বলেছেন: সেীধে পুষ্প দেওয়া যাবে না- এরকম কোন নির্দেশনা ইসলামে আছে বলে আমার জানা নেই। তবে এটা হয়তো মুখে মুখে প্রচলিত একটি কনসেপ্ট হয়ে দাঁড়িয়েছে, যার সত্যিকার অর্থে কোন ইসলামিক ভিত্তি নেই।
৩০. ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ বিকাল ৪:৫৭
comment by: সুর বাংলা বলেছেন: টিকাচে - রামসন্যা!
৩১. ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ বিকাল ৫:০০
comment by: অতিথি বলেছেন: সুনীল সমুদ্র,
অনেক দিন পরে আপনাকে দেখলাম। ভালো আছেন আশা করি।

সমস্যা হইলো চাইলে ভিত্তি টেনে মেনে বের করে ফেলে। তখন হাবিজাবি যুক্তির জন্য আউট অফ কনটেক্সট হাদীস, ধর্মকথা বের হয়ে আসে। মুশকিল হলো এদের নিজস্ব বিচারবুদ্ধি ও বিবেকবোধ কে যেন খেয়ে ফেলেছে। মনে হয় পিপড়ায়!
৩২. ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ বিকাল ৫:১৮
comment by: মাহবুব সুমন বলেছেন: সাদিক আপনার পোস্টের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। আমি ধর্ম নিয়ে পোস্ট দিতে চাই না কারন এ বিষয়ে আমাট গ্যান খুবি কম । তবে সবার লেখা পড়ার চেষ্টা করি। আমি আজ বিজলীর খড়ির পোস্টা পড়েছি, তার পর আপনার টা পড়েছি। আমি ওই সব ব্লগার দের মনমানসীকতা বা মতবাদ সম্পর্কে জানি বলে অবাক হয়নি। ওদের পিতা বা প্রপিতামহ রাও এটা বিশ্বাস করে এসেছে , যার ধারাবাহিকতায় এরাও। ধর্ম যখন কাউকে অন্ধ করে দেয় তখন কারো কাছ থেকে সুস্থ কিছু আশা করা বোকামি । আমিও এদের কাছ থেকে ভালো , সুন্দর, কিছু আশা করি না । তবুও প্রতিবাদ করা দরকার যা আপনি করেছেন, ধন্যবাদ আপনার প্রাপ্য।
ইসলামকে বা ধর্ম নিয়ে ব্যবসা এরা করছে, এ ব্যবসা কবে বন্ধ হবে সেটা আল্লাহ্ই জানেন।
শিরক বলতে কি বোঝায় সেটা মনে হয় এদের ধারনা নাই। আর চোখ বন্ধ করে রাখতে চাইলে কি আর করা।
আমি রাজাকার বা তাদের পোষ্যদের পোস্টে কমেন্ট করবো না বলে ঠিক করেছি, সেই জন্য বিজলীর খড়ির পোস্টে কমেন্ট করতে গিয়েই করিনি।
৩৩. ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ বিকাল ৫:২৪
comment by: আরশাদ রহমান বলেছেন: ফুল দেয়া পাপ এই নিয়া এতো চিন্তা আর সমাজে যে তও অন্যায় হচ্ছে টার প্রতিবাদ করে না কেনো।
কিছুদিন আগে মনে হয় ফকির ইলিয়াস তাঁর েকটা লেখাতে বলেছিলো তার্কির এক ভদ্্র লোক (হুজুর) কে জিগ্গেস করেছিলো ওরা কি মনে করে ফুল দেয়া নিয়ে। উনি বলেছিলেন তোমার মনে কি তা বড়। হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) নিজেই তো ফুল ভালো বাসতেন এবং উনি আরো বলেছেন নবীজি অন্যদের ভালবেসে ফুলও দিয়েছেন।
কর্মের ফলাফল যদি নিয়তের উপর নির্ভরশীল বলে হাদিসে বলা হয় তবে আমি আমার প্রিয়জনকে ভালোবসে শ্রদ্ধা করে ফুল দিব তাতে কার কি?
যারা হাদিস মনে করেন পাপা হবে তাদেরর চিন্তা করা উচিত অন্য পাপের কথাও।
৩৪. ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ বিকাল ৫:৪১
comment by: অতিথি বলেছেন: পুরা ঠিকাছে @ মাহবুব সুমন।

আরশাদ রহমান,
আপনার মন্তব্যগুলা যথেষ্ট খোরাক সমৃদ্ধ। যে পয়েন্ট অফ ভিউ তুলে ধরেছেন সেটা চমৎকার ছিলো। গ্রুপ ব্লগিংয়ের স্বার্থকতা এইখানে।

এই শেয়ারিংটাই আমাদের চিন্তার দিগন্তকে সমৃদ্ধ করে, সামনে এগিয়ে নিয়ে যায়। যারা চোখ বন্ধ করে পেছনে থাকতে চায় নিজেদের অজান্তে তাদেরকেও (কিছুটা হলেও)।
৩৫. ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ বিকাল ৫:৪৪
comment by: অতিথি বলেছেন: সাদিক সাহেব এইগুলানরে বলি দেওন কাম। এরাই পয়লা বৈশাখরে পারলে ব্যান করে
৩৬. ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:০২
comment by: অতিথি বলেছেন: সিম্বোলিক রিপ্রেজেন্টশন তো উপলব্ধির অনুভূতিকে নড়চড় করানোর জন্যই। ধর্ম বা বিশ্বা স এর উপলব্ধিগত জায়গাটা এখানে চমৎকারভাবে আসলেও একটা কথা মনে রাখা দরকার যে আইডোলজিক্যাল ভিত্তি সবসময়ই একটি মৌল ধারণার দিকে কখনো কখনো বিশ্বাসীদের তাড়না করে। যেমন মনে কর কোন পুস্তক বা ধর্মগ্রন্থ। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায় ঠিক কোন ধরণের ব্যাখ্যা এর বিশ্বাস বা চর্চাকারীরা গ্রহণ করবে। একদিক দিয়ে এই প্রতীকি ধারণায়ন কিন্তু লিটারেরি "মৌল" অনুসন্ধানী পাঠককে মনে করাতে পারে যে সে যথেষ্ট বিশুদ্ধ নয়। আকার ও নিরাকারের এই যে বিতর্ক তা আসলে বিশ্বাসবাদীতার চর্চিত রূপকল্পের প্রকাশ। ধন্যবাদ সাদিক, গুড পোষ্ট তবে আরো ধারালো হওয়া সম্ভব ছিল।
৩৭. ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:০৬
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: খুব ভালো একটা পোষ্ট।
এবারের একুশে ফেব্রুয়ারিতে কয়েকজনের সাথে বেশ একচোট তর্ক হয়ে গেলো। আমি ঠিক এই উদাহরণগুলৈ টানলাম- কাবা শরীফ, শয়তানকে ঢিল মারা। জবাবে শুনেছি ঠিক ওরকম যুক্তি- ফুল দিলে লাভ কি? বরং দোয়া করলে..., ব্লা ব্লা ব্লা..।
আমারো সেই এক কথা, লাভ ক্ষতির কথা আসছে কেন? আমরা তো সেখানে সেজদা করতেও যাচ্ছি না, পূজাও করতে যাচ্ছি না, যাচ্ছি মনের ভেতরের ভালোবাসা বা সম্মানটাকে প্রকাশ করতে। শহীদ আত্মাদের জন্যে দোয়া করি নাকি করি না, সেটা ওনারা কেমন করে জেনে বসে আছেন? আমার দোয়া আমি ঠিকই করি, কিন্তু তাই বলে ফুল দেয়া যাবে না কেন?
এসব কথা শুনলে এমন মেজাজ খারাপ হয়, এখন লিখতে গিয়ে রাগ চেপে যাচ্ছে ভীষন। ধূর!
৩৮. ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:২৮
comment by: অতিথি বলেছেন: বন্ধু শরৎ,
সমস্যা হইলো, আমার বাংলা ভাষা বিশেষ সুবিধার না। পড়া আর লেখা দুইটাই ইংরেজী করনের পাশর্্বপ্রতিক্রিয়া। আর আমি বিজ্ঞান আর প্রকৌশলীর ছাত্র হওনের কুফল হইলো আমার ভাষার ধারালো ভাব, যুক্তির একাডেমিক বাক্যাংশ গঠন যায় না।

এই যেমন তুমি যেমনে মন্তব্য করছো সেইটা আমার পেটে বোম মারলেও বাইর হবে না। আমি একাডেমিকভাবে বাংলা ভাষা নিয়া আগাইতে পারি না।

ধারালো ডেফিনিটলি হইতে পারতো। তয় এইটা ক্যামনে লিখছি কইলে বুঝতা। ছিলাম একটা প্রোফেশনাল ডিউটিতে। খাইতে গেছি লাঞ্চে। বগলে ল্যাপটপটা। ফাঁকে ওয়্যারলেসনেটওয়ার্ক পাইলে টুক কইরা নেটে ঘুরুম। সামনে ভাত তরকারী ঠান্ডা হইতাছে আর আমি যতদ্রুত পারি লিখতাছি। ভালা হইবো কইথেকা?

তয় তুমি যে সমস্যার কথাডা কইছো সেইটা নিয়া হয়তো আলাদা বক্তব্য হইবো।

কনফুসিয়াস,
এক্স্যাক্টলি।

পাবলিকের সাইকোলজি খেয়াল করো।
1. ফুল দিতে দেখলেই হিন্দুত্ব আসে।
2. হিন্দু আসলেই মন্দির আসে
3. ফলে স্মৃতি সৌধরে মন্দির ভাবে
4. মানুষের প্রতি ভালোবাসার আবেগ তখন উপাসনা উপাসনা লাগে
5. হীনমন্যতার প্রকটতা পায় এই ভাবনায়, যেন সবাই মিললা ইসলাম ধ্বংস করতাছে বিদআত কাজ কারবারে।
6. অবদমিত ঘৃণাগুলা তখন ধর্মের নাম কইরা উপচাইয়া পড়ে।

একটা সিকুয়েনস আছে থট প্যাটার্নে। খুব খিয়ল কইরা।
৩৯. ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৫১
comment by: অতিথি বলেছেন: সাদিক,
চমৎকার একটি লেখা। এরকম লেখা চললে সাঈদী হুযুরের ব্যবসা লাটে উঠব। ধন্যবাদ।
৪০. ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৫৩
comment by: অতিথি বলেছেন: নারে আড্ডাভাই আপনে ছাগল নদীত নিতে পারেন কিন্তুক পানি তো খাওয়াইতে পারবেননা
৪১. ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:২৩
comment by: হ।স।ন বলেছেন: তার মানে লোক দেখাতে আপনি উঠে দাড়ান আর ফুল দেন?@সন্ধ্যাবাতি
৪২. ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:২৬
comment by: অতিথি বলেছেন: ছি ছি এই সকল কি কন আস্তমেয়েরে
৪৩. ২৮ শে মার্চ, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩৬
comment by: অতিথি বলেছেন: সাদিক ভাই,
অনেক সুন্দর করে গুছিয়ে লেখার জন্য ধন্যবাদ ।
আপনার জন্য শুভ-কামনা।
৪৪. ২৯ শে মার্চ, ২০০৭ রাত ১২:১৪
comment by: অতিথি বলেছেন: এখানে দেয়া যুক্তিগুলো আমার ঠিক মন:পুত হলো না... তবে আমি বলছি না যে শহীদ মিনারে গিয়ে ফুল দেয়ার মাঝে কোন অণ্যায় আছে... অন্তত আপাত দৃষ্টিতে কোন অন্যায় নেই।

সাদিক মোহাম্মদ আলম সম্ভবত পৌত্তলিকতার ধারাবাহিকতার ইতিহাস ও হিউমেন সাইকোলজির ব্যাপারটা এড়িয়ে গিয়েছেন। আচ্ছা সা.মো.আলম, আপনি বলতে পারেন, যুগে যুগে এত নবী রাসুল আসার পরেও মানুষ ঘুড়ে ফিরে সেই মূর্তিপুজাতে ফিরে গিয়েছে কিভাবে? কিভাবে তারা মূর্তিপুজা করেও নিজেদের সঠিক পথের দিশারী ভাবতো? একটু ষ্টাডি করার প্রয়োজন রয়েছে আপনার সম্ভবত.....

আপনাকে একটা বাস্তব উদাহরন দেই, যেটা আপনি নিজেও দেখেছেন। আজ হতে পঞ্চাশ ষাট বছর আগের বাংলাদেশে যদি আপনি টাইম মেশিনে করে চলে যান এবং এখনকার একটা হিন্দি ছবি নিয়ে সিনামা হলে চালিয়ে দেন, কি হবে বলতে পারেন? মানুষজন ছি ছি করতে থাকবে। এইতো সেদিন মমতা কুলকার্ণির পোষাক নিয়ে কতজন আপত্তি তুলেছিলো। অথচ আজ দেখুন মমতা'র সেই পোষাক কিছুই না... বরং সেটাকেই হেজাব মনে হয় বর্তমান সেলিব্রেটিদের পোষাক। কিভাবে হলো বলতে পারেন? একটু ভাবুন.... পেয়ে যাবেন বলেই আমার বিশ্বাস।

একটা জিনিষ কি জানেন, মানুষের কাজের জন্য শ্রদ্ধা দেখানোর জন্য শহীদ মিনারের মত স্থুল লোক দেখানো জিনিষ বানিয়ে রাখার প্রয়োজন নেই। বছরে একদিন গিয়ে যেখানে শ্রদ্ধা দেখালাম, সেখানেই বছরের বাকী দিনগুলোতে গিয়ে দুনিয়ার ফষ্টি নষ্টি.....এটা কি ধরনের শ্রদ্ধা প্রদর্শন? এগুলোকে আমার ঠিক শ্রদ্ধা মনে হয় না, ভন্ডামীর মত লাগে।

ভাববেন না আমি শহীদদের শ্রদ্ধা দেখাতে নারাজ... ভাষা শহীদ বা স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদদেরকে আমিও শ্রদ্ধা করি.. তবে সেটা বছরের একদিন লোক দেখানো আয়োজনের মাধ্যমে নয়... আমার নিজস্ব পদ্ধতি রয়েছে সেটার জন্য... তবে তা কোন মতেই যাতে শিরকের দিকে ধাবিত না হয়, সেটা খেয়াল রাখি।

আরেকটা বিষয় সাদিক মোহাম্মদ আলম, একজন মুমিন যখন আরেকজন মুমিনের ভুলগুলো দেখিয়ে দেয়, তখন তাকে একজন মুমিনের মতই আচরন করতে হয়। আপনার এই ধরনের প্রতিবাদমূলক লেখাগুলো পড়ে আমার প্রতিবারই মনে হয়েছে আপনি মনে ত্রীব্র হিংসা ও বিদ্্বেষ পোষন করেন আপনার প্রতিপক্ষের প্রতি। একজন সত্যিকার মুসলমান আরেকজন মুসলমানের প্রতি এটা থাকতে পারে না.. থাকা উচিত নয়।

শেষ প্যারাটা একজন মুসলমান ভাইয়ের প্রতি আরেকজন মুসলমান ভাইয়ের নসিহত হিসেবে নিলে ভাল লাগবে। আমি নিজেও অনেক ভুল করি.. এবং তা সংশোধন করার জন্য যেকোন মুসলমান ভাই এধরনের কিছু বলতে চাইলে আমি সবসময় ওয়েলকাম জানাবো। ভাল থাকুন।
৪৫. ২৯ শে মার্চ, ২০০৭ রাত ১২:৪২
comment by: অতিথি বলেছেন: আমি জানি না, মানুষ তার পর ও ভালবাসা দিবস মনে রাখে, মনে রাখে কবে প্রথম তার প্রেমিকাকে বলেছিল, কিভাবে বলেছিল। ঐ দিন গুলো ফিরে আসলে মনের অজান্তেই মানুষ অতীত সময় টায় চলে যায়।খুটিনাটি মনে করে। তেমনি কষ্ট বোধ আচ্ছন্ন করে পরিবারের কারো মৃত্যুতে। ভুলতে পারে না সেই সব দিন। তাড়া করে ফিরে।এই যে মানবীয় আবেগ, অনুভব, একান্ত ব্যাক্তিগত।তাই তা সবাইকে বলে বেড়ায় না, নিজেদের মাঝে রাখে, কিন্তু শহীদরা হলো জাতীয় গর্ব।জাতীর, বেদনার অংশ।যখন তাদের কথা আসে তখন পুরা জাতি একটা পরিবার।তাই সেই সব অনুষ্ঠান জাতীয় ভাবে পালন হয়।সেই সব শ্রাদ্ধানজলিতে সবার অংশগ্রহন থাকে।সেদিনের কষ্ট আমরা জাতীয় ভাবে ভাগ করে নেই।আর এই জাতীর জন্মের পিছনে যার অবদান, এই যে আমার শিশু আমার দেশে নিরাপদ জীবন যাপন করছে, তার জন্য সে কেন কৃতজ্ঞ থাকবে না।আমি কেন আমার প্রজন্মের কাছে সেই শ্রদ্ধার প্রিস্থাপন করব না। আর এর জন্য ই দরকার জাতীয় সমবেত সম্মান প্রদর্শনের। তাদের জানা উচিৎ এটা শুধু তার বাবা মায়ের একান্ত পারিবারিক গর্ব না। এরা এ জাতীর গর্ব এ জাতীর বেদনা।তখন পুয়া জাতী এক পরিবার।

আর এর জন্য এই ধরনের অনুষ্ঠানের বিকল্প নাই।ফুল পবিত্র,এই পবিত্র অর্ঘ মনে করিয়ে দেয় তাদের রক্ত কতো পবিত্র ছিল।তা আমাদের মনে রাখতে হবে। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে এ অনুভব লালন করতে হবে।

এ কোন পুজা না, একান্ত ভালবাসার প্রকাশ।
৪৬. ২৯ শে মার্চ, ২০০৭ রাত ১২:৪৮
comment by: অতিথি বলেছেন: আর একটা কথা, মন ঠিক না রেখে কাবার দিকে ফিরে সেজদা দিলেই দিলেই সে সেজদা জায়েজ হয়ে যাবে না।মনে চিন্তা করতে হবে তুমি কার কাছে শির অবনত করছ, কেন করছ?সে যদি হয় শুধুই কাবা, তা হলে তো কাজের কাজ কিছু হবে না।অন্টরে দুনিয়ার চিন্তা নিয়ে কাবার দিকে ফিরে সেজদা দিলেই খোদার কাছে পৌছাবে না।সেটা ও শিরক হতে পারে।
৪৭. ২৯ শে মার্চ, ২০০৭ রাত ১:১১
comment by: অতিথি বলেছেন: সা. মো. আলম, চমৎকার পোষ্ট।

সমস্যা হচ্ছে বকধার্মিকদের নিয়ে। সত্যিকারের ধর্মশিক্ষা যার আছে সে নিশ্চয়ই এভাবে চিন্তা করবেনা।আমি জানতাম, আল্লাহ ক্ষমাশীল ও সর্বজ্ঞ!

কারও কারও কথা শুনলে মনে হয় ধর্মপালন করা অনেকটা দড়ির উপর দিয়ে হাঁটা!!!!
৪৮. ২৯ শে মার্চ, ২০০৭ ভোর ৪:১৩
comment by: কনফুসিয়াস বলেছেন: স্বরহীনদি চমৎকার বলেছেন। নিজের মনকেই আসলে প্রশ্ন করা উচিৎ আমরা কি করছি। তাহলেই সঠিক উত্তর মিলবে।

তবে সাদিক ভাই, আপনার এই আলোচনা বন্ধ করেন। এই আলোচনার সুবাদে যদি আরো দুয়েকটা মাথামোটার কাছ থেকে শুনতে হয় যে ''শহীদ মিনার একটা স্থূল লোক দেখানো জিনিস ", ব্যাপারটা সহ্যসীমার বাইরে চলে যাবে।
রাগে গা কাঁপতেছে আমার, ঐ ব্যাটার কানের নীচে সপাটে একটা বরিশাইল্যা চটকনা মারা উচিৎ!
৪৯. ২৯ শে মার্চ, ২০০৭ ভোর ৫:১৮
comment by: অতিথি বলেছেন: সমস্যাটা ধর্মে না, শ্রদ্ধায় না, মনুমেন্টেও না। সমস্যাটা হলো - 'ক্ষত'-তে।
শহীদ মিনার, স্মৃতিস্বৌধ - এগুলো আমাদের ইতিহাস ঐতিহ্যের প্রতীক। এ প্রতীকগুলো দেখলেই পাকি-আদর্শের মানুষদের গায়ে লাগে, পুরনো 'ক্ষত' খুব জ্বালাতন করে। তাই ডিফেন্ড করে ধর্মের ঢালে। বরাবরই ধর্মের মতো 'সেনসেটিভ' ফ্যাক্টরকে টেনে সামনে নিয়ে আসা হয়।

ধন্যবাদ সাদিক ভাই, চমৎকার পোস্ট ও প্রাসঙ্গিক আলোচনার সুযোগের জন্য।
৫০. ২৯ শে মার্চ, ২০০৭ ভোর ৫:৪০
comment by: বিজলীর খড়ি বলেছেন: সাদিক, মূর্খদেরকে কোন বিষয় বোঝাতে যাওয়া খুব কঠিন কারন মূর্খ তা হচ্ছে অজ্ঞতার , কুসংস্কারের আড্ডাখানা, সেখানে কোন নয়া আদান-প্রদান-বিনিময়ের স্থান নেই। আপনি ও আপনার সহমতি সাথীরা সেই মূর্খদের ব্যাচে পরেন, যারা স্কুল জীবনে যে দুকলম বই উলটানো শিখছেন তাই নিয়ে ও তা রিভাইস দিয়ে সারা জীবন অসীমের তৃপ্তি লাভ করেন। যদি সত্যিই সত্য, সুন্দর ও মুক্তির আকাঙ্খী হতেন, তবে জানতেন ইসলামই মানুষের জন্য গ্রহনযোগ্য একমাত্র জীবন ব্যাবস্থা, এর বাইরে সবকিছুই দাসবৃত্তির চর্চামাত্র--দাসচিন্তার চর্চা মাত্র।

আপনি সিজদা কা'াবার প্রাপ্য, বাক্যটিতে ভুল ধরতে পারিয়া আটখানা হয়েছেন। আমার সবগুলো লেখায় অনেক বানান ভুল আছে ওগুলোও সনাক্ত করে দিলে সত্যিই ধন্য বাদ দেব।

সিজদা কা'বা নয়, স্রষ্টার প্রাপ্য। তাওয়াফ একমাত্র কা'বার চারপাশেই করতে হয়। স্রষ্টার কাছে প্রার্থনা একমাত্র দুআর মাধ্যমে করা উচিৎ। সংযম একমাত্র সাওমের মাধ্যমেই করে মুসলিমরা।এগুলো বলার অর্থ হল স্রষ্টার সাথে সব যোগাযোগেরই ইসলাম নির্দেশিত পথ আছে। এখন কেউ যদি অন্য কোন মাধ্যমে বা উপায়ে তা করে তবে তা আল্লাহর কাছে গ্রহনযোগ্য হবে না। তেমনি মৃতদের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনেরও ইসলাম প্রদত্ত পথ আছে। আর তা হল তাদের জন্য দুআ করা, তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা, ুগুনাহের জন্য ক্ষমা চাওয়া আর তাদের কবর জিয়ারত করা।

ইসলামে সকল কিছুই নির্দেশ করা আছে, আবার ঘেটে না দেখলে অনেক কিছুই বলা নাই। তবে এই মৃত দের জন্য শ্রদ্ধার ব্যাপারটির মত গুরুত্বপূর্ন ব্যাপারটিতে ইসলামে স্পষ্ট নির্দেশ আছে, তাই এতে অন্য উপায় করার সুযোগ নেই। আপনি সুরা আন-নছর পড়ে দেখতে পারেন-ইযা যা আনাস রুল্লাহা ওয়াল ফাতহু...এর শেষের দিকে বলা আছে কিভাবে মুসলিমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবে।

এখন মুসলিমরা যেভাবে এদেশে পাথরের স্তম্ভে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে তা যদি পার্শবতী একটি সম্প্রদায়ের কালচারের সাথে মিলে যায় তবে তা হাদিস অনুযায়ী 'বিজাতীয় সংস্কৃতি' এবং ত্যাজ্য।

আপনার ভাত খাওয়--সে ব্যাপারেও ইসলামের বিধান আছে--খাওয়ার আগে বিসমিল্লাহ বলতে হবে। ভাত খাওয়া তো আর সংস্কৃতি চর্চা নয়, কিন্তু তার পরেও এই বিসমিল্লাহ বলাই মুসলিমদের বিশ্বাসকে নিজেস্ব আইডেনটিটিকে তুলে ধরে।

আমরা শত বছর ধরে করছি--আমরা শত বছর ধরে তো অনেক বাজে প্রাকটিসও করছি, তাই বলে ওলড ইস গোলড হিসেবে তা পুনবিবেচনা করা যাবে না? বংশীয় কুসংস্কার থেকে মুক্ত হওয়া আমাদের সবারই দরকার।

বর্তমানে ঢাকা শহরের অন্তত এক পার্সেন্ট লোকও যদি শহীদ মিনারে ফুল দিত, পুরো ক্যাম্পাস ফুল শয্যা হয়ে যেত। কিন্তু তা হয় না, কারন এটি গনমানুষের শ্রদ্ধার প্রকাশ নয়, এটি হয়ে গেছে কিছু দল আর গোষ্ঠির টিভি ক্যামারার সামনে স্বার্থ লোটার তৎপরতা।
ধন্যবাদ
৫১. ২৯ শে মার্চ, ২০০৭ ভোর ৫:৪৪
comment by: বিজলীর খড়ি বলেছেন: একটা অনেক বড় মন্তব্য করেছিলাম, পোষ্ট করতে গিয়া দেখি হাওয়া হই য়া গেছে। কি আর করা পরে আবার লেখবনি।
৫২. ৩০ শে মার্চ, ২০০৭ রাত ৩:৩৪
comment by: অতিথি বলেছেন: চমৎকার @ সাদিক। 100% সহমত।
এজন্যই আপনার ব্লগে মাঝেমাঝে ঢু মারি, মনটা ভাল হয়ে যায়।

শিমুলের কথাটাও সেইরকম ... হে হে ...ক্ষত শুকাইতে সময় লাগে তো!!

অগটপিকে,
[link|http://www.somewhereinblog.net/lubdhokblog/post/28704075| GLv
৫৩. ৩০ শে মার্চ, ২০০৭ রাত ৩:৪৩
comment by: পাগলা দাশু বলেছেন: গুড় ও দেন সাথে
বসে যাই খেতে ।।
৫৪. ৩০ শে মার্চ, ২০০৭ রাত ৩:৫৯
comment by: অতিথি বলেছেন: পরে যারা মন্তব্য করেছেন অসংখ্য ধন্যবাদ।

ত্রিভুজ,
আপনার মন্তব্যের প্রতিউত্তরে একটা পোস্টের আইডিয়াই মাথায় আসলো। তবে সংক্ষেপে জিস্টটা বলি। এই যে অসভ্য সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ ঘটছে (ভারতী কুৎসিত হিন্দি সিনেমার ঘাড়ে চাইপা) সেইটার বিরুদ্ধে কয়জন আপনার ইসলামপন্থী নেতারা আন্দোলন করছে বা কথা বলছে?

বুশে কুশপুত্তলিকা জ্বালাইতে অথবা ইরাকের লাইগা বুক ফাটে অথচ দেশের রিয়েল ইসু্যর দিকে কোন খেয়াল নাই। এইটারেই কয় স্পষ্ট পলিটিক্যাল ধান্দাবাজী।

আপনার দুইটা উদাহরনটানার সাথে একমত না।

তবে মূর্তি পুজায় ফিরে যাওয়ার কারন দেখিয়ে সৌধে ফুল দিতে যাওয়া যদি হারাম ঘোষণা করতে চান তবে বুঝতে হবে উপাসনা কনসেপ্টটারেই এইখানে প্যাচায়ে ফেলা হইতাছে।

নবীর সময়ে ছবি আকাও হারাম ঘোষণা করা হইছিলো কারন সেটা উপাসনার দিকে মানুষকে নিয়ে যেতো। কিন্তু আজকের কনসেপ্টে ছবিকে কোন সুস্থ মাথার মুসলিম উপাসনা করে না।

সময় পালটায় ভাই। সেইসাথে বুঝদারীটাও যদি আপডেট না হয় তাইলে তো বদ্ধ পুকুরের মতো পঁচা ডোবায় পরিনত হবে জীবন। ও হ্যা, পঁচা ডোবাতেই সো কলড মোছলেম উম্মাহ পরিনত হইছে অলরেডী। কনগ্রাচুলেশনস!
৫৫. ৩০ শে মার্চ, ২০০৭ ভোর ৪:০৩
comment by: অতিথি বলেছেন: স্বরহীন চমৎকার বলেছেন, একমত কনফুর সাথেও।

কনফু আমি আলোচনা থামাইতে চাইলেও পাবলিকে থামায় না। তবে এই না থামানো আর "স্থুল লোক দেখানো" টাইপ কথা যারা বলে তাদের বলতে দেওয়া খুব খারাপ না।

কি ধরনের মানসিকতা নিয়া আমাদের দেশের মহান মোছলমানেরা (!) চিন্তা করিতেছে, সেই চিন্তার বিবর্তন কতখানি হইতেছে সেইটার বোঝার জন্য এর চেয়ে ভালো আর কিছু নাই।
৫৬. ৩০ শে মার্চ, ২০০৭ ভোর ৬:১২
comment by: অতিথি বলেছেন: অভিবাদন আপনাকে, সাদিক মোহাম্মদ আলম। পোস্টটা দু'দিন আগেই পড়েছি। মন্তব্য করার অবসর হয়নি। আপনার চমৎকার লেখাটির ওপরে সবগুলো মন্তব্য পড়লাম খুব মন দিয়ে।ওই পক্ষ সালিশ মানবে এবং তারপরও তালগাছটা আমার বলেই যাবে। কান না দিলেও চলে। ক্রমশই আপনার লেখার অনুরাগী হয়ে উঠছি।
৫৭. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১২:৩৯
comment by: অতিথি বলেছেন: সা. মো. আলম,
আপনি আমার ইসলাম পন্থি নেতা বলতে কাকে বুঝিয়েছেন স্পেসিক বললেন না কেন? এখন যদি আপনি বাংলা ভাইকেও আমার উপর চাপিয়ে দিয়ে ফেলেন, তা কি ঠিক হবে?

বাই দ্য ওয়ে, আমার কথার জবাবটা কৌশলে এড়িয়ে গিয়েছেন... এবং আমার বক্তব্যটাকে ইচ্ছে করেই একটু ঘুড়িয়ে বাতাস যেদিকে প্রবাহিত হচ্ছে সেদিকে পািিঠয়ে দিয়েছেন... খেয়াল করুন, আমি কিন্তু ফুল দেয়াকে হারাম ঘোষনা করিনি.. বা করতে বলিনি....

আপনি যদি ইচ্ছে করে কাজটি না করে থাকেন, তাহলে বুঝবো আপনি আমার বক্তব্য বুঝতে পারেননি... অবশ্য আমি ডিটেইলসে বলিনি... আপনার বুদ্ধি ও বিবেচনার উপর একটু হলেও আস্থা ছিলো.. ভুল করেছিলাম কিনা কে জানে... ....

 



 


পাগলামী থাকা না থাকা