আমার প্রিয় পোস্ট

যে ঘড়ি তৈয়ার করে - সে - লুকায় ঘড়ির ভিতরে

ধর্মান্ধরা মুড়ি খাও। মহিলারা নামাজের নেতৃত্ব দিতে পারবে না কেন?

১৩ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ৮:১৭

শেয়ারঃ
0 0 0

১.
ইউনিভার্সিটি অফ মিশিগান থেকে পিএইচিধারী এবং একই সাথে আল আজহারের ডিগ্রীধারী আমিনা ওয়াদুদের একটা সাক্ষাতকার (হোয়াট ইজ এনলাইটেনমেন্ট ম্যাগাজিনে) পড়ার আগে জানা ছিলো না এই ভদ্রমহিলাই ২০০৫ সালের মার্চ মাসে নিউ ইয়র্ক সিটিতে মহিলা ও পুরুষদের একসাথের এক জমায়েতে নামাজের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। স্বভাবতই আমি কৌতুহল বোধ করি।

আমার কাছে মহিলাদের নামাজে নেতৃত্ব দেওয়ার মধ্যে তেমন কোন সমস্যা মনে হয় না। এটা স্রেফ একটা সোশ্যাল ট্যাবু মাত্র এবং ইসলামের মাজহাব তৈরীর সময়েও সেই ট্যাবু থেকেই আইন তৈরী হয়েছে যা বলে মহিলারা পুরুষের নামাজের নেতৃত্ব দিতে পারবে না। অনেক মাজহাবে বলে নারীরা কেবল নারীদের নামাজে নেতৃত্ব দিতে পারবে, তাও যদি নফল হয়। আবার কোন মাজহাব বলে ফরজ পারবে। আশ্চর্য লাগে যখন জানি যে নবী স্ত্রী আয়েশা নামাজে আজান দিয়েছেন, ইমাম হয়ে নামাজ পড়িয়েছেন। অবাক হই যখন জানি নবী নিজে মহিলা সাহাবী উম্ম ওরাকাকে নামাজ শিখিয়ে তার ট্রাইবে ইমাম হিসেবে পাঠিয়েছেন।

তারপরেও ধর্মান্ধরা তাদের ট্যাবু ছাড়তে পারে না। আরে আশ্চর্য্য প্রার্থনা হইলো প্রার্থনা। তাতে একজন নারী যদি প্রার্থনার বাক্য উচ্চারন করে তাতে পার্থক্যটা কি হয়? অনেকে নারীর শারীরিক আকর্ষনের খোটা দিয়ে বসেন। ভাবখান এমন যেন নারী পোষাক ছাড়াই ঐখানে দাড়াবে। হাস্যকর চিন্তা, হাস্যকর আউটলুক।

২.
আমিনা ওয়াদুদ প্রথম না। সাম্প্রতিক সময়ে আসরা নোমানীও মহিলা ও পুরুষ একসাথে প্রার্থনার শীর্ষে দাড়িয়ে প্রার্থনা করিয়েছেন। কিন্তু প্রতিবারই সমালোচনার ঝড় গেছে। মহিলা ইমাম, তওবা তওবা টাইপ মনোভাব। কনসপিরেসি থিওরীও বেরিয়ে এসেছে: আরে এগুলো হলো পাবলিসিটি স্টান্ট, ইহুদীদের ইসলাম ধর্ম নষ্ট করার পায়তারা ইত্যাদি ইত্যাদি। অথচ কারোরই ইসলামের ইতিহাস ঘেটে দেখার মুরোদ নেই এই চিল্লানোর আগে।

একবিংশ শতাব্দীতে ইসলাম ও মুসলিম আর তাই সমার্থক শব্দ না, বরং বিপরীতার্থক শব্দ। ক্যামনে কি, খুইলা বলি সংক্ষেপে।

৩.
নবী মুহাম্মদকে, যার প্রতি সালাম, তাকে যদি ফেমিনিস্ট বলা হয় তাইলে খুব ভুল হবে না। নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠাই শুধু না, নারীদের অধিকার সম্পর্কে নতুন ধারনা এবং শত বছরের সামাজিক রীতিকে ভাঙ্গতে তিনি শুধু থিওরীটিক্যাল প্রস্তাবই করেন নাই; সফলও হয়েছেন সুবিশাল ক্যানভাসে।

যেখানে কেনাবেচার হাটে পশুর কাতারে নারীকে বিক্রি করা হতো, সেইখানে চিন্তাভাবনা ছাড়াই মেয়ে শিশুকে জ্যান্ত পুতে ফেলা হতো সেই সমাজে নারীদের ডিগনিটি বা সন্মান আবার পুনরুদ্ধারকারী হিসেবে নবী মুহাম্মদের রেডিকেল ভিশন ছিলো অত্যন্ত বোল্ড এবং সময়ের থেকে অনেক এগিয়ে। অনেক গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তিনি তার স্ত্রীদের পরামর্শ নিয়েছেন। খাদিজার ভূমিকা তার সামাজিক জীবনে, এমনিক নবী হওয়ার পরেও অনেকাংশে ছিলো এ্যাডভাইজারের।

সেই নবী মুহাম্মদের সময়ে নারী পুরুষ নির্বিশেষ সবার জন্য শিক্ষা অত্যবশ্যকীয় ঘোষনা করেছেন যা এখনো আধুনিক এই সময়ে আমরা বাস্তবায়ন করতে ব্যর্থ হয়েছি। সব মিলিয়ে নবী মুহাম্মদ যে একজন ফেমিনিস্ট, নারী অধিকার সচেতন কোন সন্দেহ নেই। শতবছরের সোশ্যাল বায়াসনেসের কারনে জাহিলিয়াতের সময়ে নারীদের প্রতি যে ধরনের আচরন ছিলো, আরব বিশ্ব সহ মুসলিম অনেক জায়গাতে ঘটনা তাই একই রকম আছে। কিন্তু নবী মুহাম্মদের সময়ের কিছু ইতিহাস কিন্তু অন্য কথা বলে। বিশেষ করে নারী নেতৃত্বে গোত্রের নারী পুরুষ নির্বিশেষে প্রার্থনার উদাহরন কিন্তু সেই সময়ের।

৪.
উইবেক ওয়ালথারের উওমেন ইন ইসলাম বইয়ে ইসলামের প্রাচীন ইতিহাসে লিপিবদ্ধ ঘটনা থেকে জানা যায় উম্ম ওরাকা বিনতে আবদাল্লাহর কথা। তাকে নবী নিজে শিক্ষা দিয়েছেন এবং তার পুরো গোত্রের জন্য নামাজের নেতৃত্বের অনুমতি দিয়ে পাঠিয়েছিলেন। এবং ইনিই সেই উম্ম ওরাকা যে কুরআন লিপিবদ্ধ হওয়ার সময়ে ভূমিকা রেখেছেন সংরক্ষিত এবং টুকরো টুকরো কুরআনের বানীকে একত্রিত করায়।

ইসলামের একেবারে শুরুর দিকে মহিলারা আজান দিয়েছেন, মহিলারা মদীনায় মসজিদ বানাতে সাহায্য করেছেন। নবী স্ত্রীদের মধ্যে অনেকেই নবীর ট্রাডিশন বা হাদীস লিপিবদ্ধ করাতে বিশাল ভূমিকা রেখেছে। তাদের বক্তব্য ইসলামের ইতিহাস তৈরী করেছে।

উদাহরন আছে নবীর নাতনী উমাইয়া, যে নবী কন্যা জয়নাবের মেয়ে, সেই নাতনীকে কোলে নিয়েই নামাজে যেতেন নবী। তাকে কোলে নিয়েই নামাজে দাড়াতেন, সিজদার সময়ে নামিয়ে রাখতেন, সিজদা থেকে উঠে আবার কোলে নিতেন।

নবীর সময়ে মসজিদে নারী পুরুষ একই লাইনে দাড়িয়ে নামাজ পড়েছে। মাঝখানে একটা আইড় (আইল) তার এ পাশে পুরুষ, ওপাশে নারীরা দাড়িয়ে প্রার্থনা করেছে নবীর সময়ে। আর এখন আমরা মহিলাদের মসজিদে জায়গাটুকু দিতেও কুন্ঠা বোধ করি। আর নারীর ইমাম হওয়াতো বহুত দূরের কথা।

উম্ম ওরাকা বিনতে আবদাল্লাহর উদাহরনটা ছাড়াও আরো উদাহরন আছে যেখানে নারীরা নামাজে নেতৃত্ব দিয়েছে। আছে নবী পতনী আয়েশার কথাও।
The hadith of `A’ishah and Umm Salamah (may Allah be pleased with them). `Abdur-Raziq (5086), Ad-Daraqutni (1/404) and Al-Bayhaqi (3/131) reported from the narration of Abu Hazim Maysarah ibn Habib from Ra’itah Al-Hanafiyyah from `A’ishah that she led women in Prayer and stood among them in an obligatory Prayer. Moreover, Ibn Abi Shaybah (2/89) reported from the chain of narrators of Ibn Abi Layla from `Ata’ that `A’ishah used to say the Adhan, the Iqamah, and lead women in Prayer while standing among them in the same row.

৫.
এই যখন ইতিহাস তখন ভাবতে খারাপই লাগে আমরা প্রোগ্রেসিভ না হয়ে আরো জাহেলিয়াতের দিকে গিয়ে নিজেদের আরো ধার্মিক প্রমাণে ব্যস্ত হয়। হাস্যকর আমরা।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): নারী নামাজ ;
প্রকাশ করা হয়েছে: ধমর্ান্ধরা মুড়ি খাও  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ৮:২০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৩ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ৮:৫৯
কোপা সামছু বলেছেন: ১. ধর্মের ব্যক্ষা আসবে ধর্মীয় চিন্তাবিদ দের কাছ থেকে ধর্মের আইনের আলোকে।
সে ক্ষেত্রে আপনার 'চিন্তাভাবনার' বা ''মনে করা'' থেকে কিছু আসে যায় না।

২. যারা ফতোয়া দেন তাদের মধ্যে থেকে বেশীর ভাগ মত যেটা বলে সেটাকে গ্রহন যোগ্য ধরা হয়। যেমন, ডাক্তারী চিকিৎসার সময় জটিল রোগের ক্ষেত্রে অধিকাংশ ডাক্তার যে মত প্রকাশ করে সেটাই গ্রহন যোগ্য হয়।

সুতরাং মিশরের শুধু একজন একক ভাবে কোন ফতোয়া দিলে, সোটা কোন যুক্তিতে গ্রহন যোগ্যতা পাবে? (যদিও সেটা আপনার পছন্দ হতে পারে)

৩. ফতেয়া দেয়ার সময় একটা বিষয় লক্ষ্য রাখা হয় 'অনেক সময় যদি সে ফতেয়া থেকে পরবর্তী তে বিশৃঙখলা তৈরি বা গোমরাহীর সৃষ্টি হতে পারে তাহলে সেটা এড়িয়ে চলা হয়।'

২. ১৩ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ৯:০৫
সোনার বাংলা বলেছেন: অনেক কিছুই প্রথম জানলাম! যেমনঃ-
১.নবী স্ত্রী আয়েশা নামাজের জন্য আজান দিয়েছেন,
ইমাম হয়ে নামাজ পড়িয়েছেন! তা কি শুধু মহিলাদের
জামাতে না পুরুষ মহিলা এক সাথের জামাতে?
২.মহা নবী উম্মে ওরাকাকে নামাজ শিখিয়ে তার ট্রাইবে ইমাম হিসেবে পাঠিয়েছেন,তা তিনি কি পুরুষ
মহিলা সকলের জন্য পাঠিয়েছেন না শুধু মহিলাদের জন্য?
৩.নবী নাতনির বয়স কত ছিলো?
৪.আইলের মাঝে কি কোন পর্দা ছিলো? এবং ঐ নামাজের ইমাম কে ছিলো?

৩. ১৩ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ৯:১৪
সোনার বাংলা বলেছেন: আমার জানামতে গত ১৪০০ বছরে কোন মহিলা
ইমাম ছিলো না!যে পুরুষ মহিলা উভয়ের ইমাম ছিলো! ভাই আপনি সব তথ্য হয়তো জানেন না। না
হয় শুধু একজন লেখকের বই পড়ে এমন পোষ্ট দিলেন কেন?যার অনেক গুলো প্রশ্নের উত্তর আপনাকে দিতে হবে।

৫. ১৩ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ৯:৩৪
প্প্বপ্প্বেষপ্প্ব্ত্রপ্প্বুপ্প্ম্লপ্প্ম্ম....... বলেছেন: সোনার বাংলা @ আপনি যে সব জানেন তার প্রমান কি? ঝানার আছে অনেক কিছ..।
৭. ১৩ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ৯:৪৮
সোনার বাংলা বলেছেন: প্প্ব@ভাই তোমার নাম কিতা? তয় সুন্দর কথা জানার আছে অনেক কিছু।আমি তো বলি নাই আমি
সব জানি।বলেছি জানামতে মানে যতটুকু জানি সে অনুসারে বলেছি। তয় এখন আমার প্রশ্ন গুলার উত্তর
থাকলে দাও। দাদা বা দিদি!
৮. ১৩ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ৯:৫০
রাশেদ বলেছেন: কলিকাল আইসা পড়ছে! কতকিছু শুনব!
৯. ১৩ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ৯:৫৪
সোনার বাংলা বলেছেন: প্প্ব@প্রথম মহিলা ইমাম কে ছিলো?যে পুরুষ মহিলা
উভয়ের জামাতে নামাজ পড়িয়েছে?এবং কোন কোন
কিতাবে আছে?
১০. ১৩ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ১০:০৮
সাইমুম বলেছেন: সাদিক : তোমার মুড়ি ফ্যাক্টরি দেহি এখনো চালু আছে। শুনেছি এখন মুড়িতেও ভেজাল হয়। তোমার মুড়ি খাইয়া ধর্মান্ধরা বিপদে পড়বো নাতো?
১১. ১৩ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ১০:৫০
ত্রিভুজ বলেছেন: সাদিক মোহাম্মদ আলম,
মহিলাদের ইমামতির ব্যাপারে একটু প্রাকটিক্যাল চিন্তা করলেই উত্তর পেয়ে যাবেন। আর মহিলারা ইমাম হলে মুসলিম বিশ্বে এমন কোন রেভ্যুলেশন হয়ে যাবে না যার জন্য আন্দলোন করে সবাইকে ধর্মান্ধ আখ্যা দিতে হবে। মুসলমানদের ধর্মান্ধ বলাটা একটা ফ্যাশান হয়ে দাড়িয়েছে আজকাল!!
১২. ১৩ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ১১:৫৯
আমি টগর (দি শেষ Avatar) বলেছেন: নেগেটিব কথা বার্তা আথবা তুমি জান কম, বোকা ... এই ধরনে কথা বলাটা খুবই সহজ, কাওকে গালি দেয়াটাও সহজ, কিন্তু একটা জিনিস খুব ভাবে চিন্তা করাটাই কিঠিন ।

আমি নিজে কোন ফাতাওতে গুরুত্ব দেইনা, কারন, এটা মানুষের তৈরি, আর মানুষ এর ভুলের প্রবনতা সবচে বেশী, তাই নিজে যা ভাল মনে করি তাই করি ।
আমার মতে মেয়েদের ইমামতি করাটা খারাপ না, একটা পুরুষদের থেকে মেয়েরা একটু বেশী দৃঢ় প্রত্যিয়ী হয় ।

আমি আমশ্যই আমার মসজিদের ইমাম হিসাবে একজন ফরেজগার আন্টিকে দেখলে আবাক হব না ।
ধন্যবাদ সাদিক ভাই সুন্দর একটা টপিক নিয়ে আসার জন্য ।
ধর্মান্ধরা মুড়ি খাও....


১৩. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ১২:১১
আশরাফ রহমান বলেছেন:
عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ خَطَبَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهم عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ .. .. .. أَلَا لَا تَؤُمَّنَّ امْرَأَةٌ رَجُلًا ( جه : كتاب إقامة الصلاة والسنة فيها : باب في فرض الجمعة )

হযরত জাবের ইবনে আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের উদ্দেশ্যে দেয়া এক খুতবায় এরশাদ করেছেনঃ ......... "আলা লা তাউম্মান্না ইমরাআতুন রাজুলান" খবরদার কোন মহিলা যেন পুরুষের ইমাম না হয়৷ (ইবনে মাজাহঃ কিতাব ইক্বামাতিস সালাহঃ বাব ফী ফারদ্বিল জুমুআহ
বিস্তারিত-
Click This Link

১৪. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ১২:২০
কোপা সামছু বলেছেন: নারী-পুরুষ এক সাথে নামাজ পড়া আর নারীর ইমামতি করা এক সাথে মিলিয়ে ফেললে তো হবে না।

সাদিক তো দেখি কারো প্রশ্নের উৎতর দেয় না...
আইছে খালি প
১৫. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ১২:৩৪
কোপা সামছু বলেছেন: আমি টগর (দি শেষ আধঃধৎ) @ কে দৃঢ় প্রত্যয়ি সেটা ব্যাপার না।

কোনটা আপনার কাছে সুন্দর আর ভাল লাগল সেটা কি বিবেচ্য বিষয় হওয়া উচিৎ নাকি ইসলাম কি বলে? ইসলামের আইনের ব্যক্ষা হতে কি দাড়ায় সেটা বিবেচ্য বিষয় হওয়া উচিৎ?

নাকি ইসলামী চিন্তাবিদরা একমত হয়ে কি রায় প্রদান করেছেন সেটা মানা উচিৎ?

১০০ জন চিন্তাবিদ থেকে একজন ভিন্ন কথা বললেই কি সেটা গ্রহন করতে হবে, না বাকী ৯৯ জনের মতামত কে সঠিক বলে মেনে নেয়া উচিৎ?

এই সহজ বিষয় গুলো আপনারা বুঝেন না কেন বুঝতে পারি না।
১৬. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ১২:৪১
প্প্বপ্প্বেষপ্প্ব্ত্রপ্প্বুপ্প্ম্লপ্প্ম্ম....... বলেছেন: বাংলা ভাই@জানার না ঝানার আছে অনেক কিছু...।হে হে হে হে...
১৮. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ১:৪৯
আমি টগর (দি শেষ Avatar) বলেছেন: সমছু ভাই, আপনার পতিক্রিয়ার জন্য ধন্যবাদ,
আপনার কথা বলার পদ্ধতি দেখে মনে হচ্ছে আপনি আমার কে জোর করে বিশ্বাস করতে চাচ্ছেন যা আপনার ৯৯ হুজুরের কথাই ঠিক ।
আপার কমেন্টে শুধু আমার আনুভুতি বললাম, এখানে কার সাথে ধন্দ করার জন্য নয় ।
কার ভাল লাগবে কার নয়, এটাই স্বভাবিক ।

ধন্যবাদ
১৯. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১২:৩২
পাশা বলেছেন: সাদিক মোহাম্মদ আলম,
ইসলাম নিয়ে ভালই গবেষনা করছেন বলে মনে হচ্ছে।
তবে এ গবেষনা করতে হলে, আগে কুরআন ও হাদীস আগে জানতে হবে।
কুরআন শরীফ আর সিহাহ্ সিত্তাহ পড়ে তারপর এই সব বই থেকে পোষ্ট দিলে মনে হয় ভাল হয়।
কোন বই থেকে কপি পেস্ট করে পোষ্ট দিলে ভাল লেখক হওয়া যায় না ।
পারলে সোনার বাংলার প্রশ্নের উত্তর দেন।
২০. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ বিকাল ৪:২০
নুর3ডিইডি বলেছেন: যেখানে একজন মহিলা শাররিক ভাবে অসুস্থ থাকার কারনে মাসে প্রায় সাতদিন নামাজ পড়তে পারেন না । সে খানে কি ভাবে একজন মহিলা মসজিদে ইমাম হবেন? ৪৫-৪৭ বছর বয়সের পর একজন মহিলার শরন সক্তি কেমন হবে তাও চিন্তা করা দরকার।


যে ব্যক্তি আল্লাহর কুরআন হাদীসের উর্দে উঠতে চায়, সে কেমন ব্যক্তি ? কেমন ব্যক্তি তার পক্ষে বলতে পারে একজন বোকাও বুঝে।

আল্লাহ যাহা নির্দেশ করেন , তাহা মানুষের ভালোর জন্যই করেন।
২১. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ বিকাল ৪:৩৫
কৌশিক বলেছেন: আমাদের প্রিয় নবী বলেছেন, খবরদার কোন মহিলা যেন পুরুষের ইমাম না হয়! এমন অসংখ্য নির্দেশ নিশ্চয়ই আছে।

ধর্মীয় অনুশাসন পালনের একটা সাইন্টেফিক, সামাজিক ভালদিক ইসলামী স্কলাররা তুলে ধরেন। এই হাদিসেরও নিশ্চয়ই কোন মাজেজা তারা বলেন। এবং সেটা স্পষ্টতই কোনভাবেই নারীর সমাধিকারের অনুকূলে হতে পারে না।
২২. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ বিকাল ৪:৫২
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: সাদিক সাহেবের কথা বার্তা মুসলমানের ছদ্মবেশে কাদিয়ানীদের মত....যারা মুসলমানদের মাঝে থেকে......ইসলামের প্রতিষ্ঠিত বিষয়ের বিরুদ্ধে স্ববুদ্ধি চালিত যুক্তি দিয়ে তর্ক বিতর্ক করে..........এটাই এবং একমাত্র এ ধরনের কাজই হলো সেই "ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করা"....যার ব্যাপারে নবীজী বিদায় হজ্জে কঠোর ভাবে নিষেধ করে গিয়েছেন.........

সারা পৃথিবীর মুসলমানরা এক পদ্ধতিতে চলে আর কোথাকার কোন পথভ্রষ্ট নারী নিজের মত ধর্মের ব্যাখ্যা দিয়েছে (ধর্মকে চির ভ্রমশীল মানুষের সৃষ্ট মনে করলে যা হয় ) তাতেই সাদিক সাহেবরা খুশিতে বাকবাকুম (যেন এই ত সুযোগ মূল ধারার ইসলাম থেকে মুসলমানদের সরিয়ে আনার)..............এ যুগে নবী আসলেও এসব সাদিক রা নবীর আদেশ নিয়ে নবীর সাথে তর্ক বিতর্ক করতো........নিজেদের বুদ্ধি আর পছন্দ অনুযায়ী না হলে নবীকে তারা যুগের দোহাই দিয়ে মৌলবাদী, ধর্মান্ধ গালি দিতে পিছপা হতোনা।
এ সুযোগে অমুসলিমরা ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চার মত লাফাবেই.........
২৩. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ বিকাল ৪:৫৪
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: পোস্টের ছবি দেখে আমি আতঙ্কিত..............
২৪. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪৯
সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: সাদিক, আয়েশা (রা) সংক্রান্ত হাদিসটা এখানে দেয়া বিভান্তিকর, কারণ সেটা অনুযায়ী তিনি সেটা করতেন মেয়েদের মহলে। সেটা মেয়েদের মহলে এখনও হয়, সব মাহযাবের সম্মতিক্রমে, আপনার জানার কথা নয়। আমি জানি।
আর প্রথম হাদিস সম্পর্কে, সেটা ঘরের লোকজনদের সম্পর্কে ছিল (অর্থ্যাৎ যেই সব পুরুষেরা মাহরাম), এবং মহিলা বেশ বয়স্ক ছিলেন।

আপনি কি জানতেন আমেরিকায় যেই জামাতের কথা আপনি বলছেন, সেগুলো যে মিশ্র জামাত? অর্থ্যাৎ নারী পুরুষ পাশাপাশি (কাধে কাধ লাগিয়ে, পায়ের পাতায় পায়ের পাতা লাগিয়ে) নামায পড়ে? সত্যি করে বলুন তো, কোরআন হাদীস নিয়ে হাজার টানা টারি করেও কি আপনার সেটাকে সঠিক ইন্টারপ্রিটেশন মনে হয়?
ধর্মান্ধ আর এক্সট্রিমিজমের সংজ্ঞাগুলো একটু রিভাইজ করে নিবেন প্লীজ। এই যে শব্দদের নিয়ে খুব খেলা করা, আর অর্থদের টেনে টেনে সেখানে নিয়ে যাওয়া, যেখানে ওদের থাকার কথা নয়, সেটাই কিন্তু ধর্মান্ধতা আর এক্সট্রিমিজমের জন্ম দেয়।
আশরাফের ওখানে একটা মন্তব্য লিখেছিলাম পড়ে দেখতে পারেন।
২৫. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ৮:১৩
সাদিক মোহাম্মদ আলম বলেছেন: ১৪০০ বছর আগে মেয়েদের মহলে হইলে, ১৪০০ বছর পরে মিক্স জামাত হইতেই পারে। যা তখনকার সমাজের জন্য শকিং তা এই সমাজের জন্য শকিং না। তাদের জন্য শকিং কারা সেই সমাজটা কেবলই শত বছরের অন্ধকার মাইন্ডসেট থেকে নতুন প্রোগ্রেসের দিকে যাচ্ছিলো।

নবীর সময়ের মডেল ফলো করে মাঝখানে লাইন অফ সেপারেশন দিয়ে অবশ্যই পাশাপাশি মহিলা পুরুষ নামাজ পড়তে পারে। আর ইমামের ব্যাপারটা আমি আগেই বলছি। পুরুষ যদি প্রার্থনার শব্দ উচ্চারন করতে পারে, সেইটা একজন নারীও উচ্চারন করতে পারে। এতে জাত গেল, জাত গেল ক্রন্দনের কারন খুব নাই।
২৬. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ৮:১৪
অমনিবাস বলেছেন: মুসলমানদের ধর্মান্ধ বলাটা একটা ফ্যাশান হয়ে দাড়িয়েছে আজকাল!!
২৭. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ৮:৩১
সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: সাদিক, শব্দ উচ্চারণের মধ্যে ইমামতি সীমাবদ্ধ? শব্দ উচ্চারণে জাত যায় না, দ্যাটস দ্যা স্ট্রঙেস্ট সারকাস্টিক আর্গুমেন্ট? ট্রেডিশনাল স্কলাররাও তা বলেন না, কারণ আয়েশা (রা) পুরুষ সাহাবীদের পড়াতেন ঠিক, কুরআনের অর্থ বুঝিয়ে দিতেন।

১৪০০ বছর আগের সমাজে গ্রহনযোগ্য ছিল না সমকামিতা, এখন সমকামিতায় সমস্যা কোথায় তাহলে? আরব সমাজে শূকরের গোশত কখনই গ্রহনযোগ্য ছিল না, এখন খেতে সমস্যা কোথায় তাহলে?
কতটুকু রিইনটারপ্রিট করবেন, সেটা খেয়াল করে কিন্তু!
২৮. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ৮:৩২
রূশো বলেছেন: পোষ্টের বাইরে একটা মন্তব্য করি।
শিয়া মুসলিমদের একটা গ্রুপ আছে, যারা এই যুগের ব্যাস্ততার কথা বলে ৩ ওয়াক্ত নামাজ পড়াটাকেই যথেষ্ট মনে করে, নামটা ভুলে গেছি।
ধর্ম সংক্রান্ত আপনার আগের এবং এই পোষ্ট পড়ে মনে হয় আপনার ইন্টারপ্রিটেশনের ধারা তাদের খুব কাছাকাছি।
২৯. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ৮:৩৩
সাদিক মোহাম্মদ আলম বলেছেন: তীরন্দাজের পোস্টে তোর নিতম্ব যুক্তি দেখে হাসি পায়। ছবি দেখে কি মনে হচ্ছে আমিনা ওয়াদুদ উলঙ্গ বা তার নিতম্ব বাকি মুসল্লীদের খুব পেরেশান করে দেবে?

এর চেয়ে হাস্যকর আর কিছু হয়?
৩০. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ৮:৩৯
আস্তমেয়ে বলেছেন: নাহ, আসলেই খুব হাসির।

১৪০০ বছর আগের আরব সমাজের মাথার রুমাল পড়ে আছেন কেন মহিলা? এখনকার সামাজিক কনটেক্সটে সেটা কি গ্রহনযোগ্য?

সাদিক, হাসাহাসি অনেক হলো, কিন্তু আমার কথার জবাব হলো না। হাসি শেষ হলে দিয়েন।

আশরাফের ব্লগে আমার মন্তব্য--
ওই ঝড়টা হওয়ার সময় এই নিয়ে একটু পড়াশোনা করেছি আমি।
সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং হলো, ইন্টারনেটে ওই মহিলার ইমামতিতে নামাযের যেই মিশ্র জামাত হলো, সেখান থেকে ফিরে আসা এক প্রগতিবাদী মুসলিম পুরুষের নামাযের অভিজ্ঞতার কথা পড়ছিলাম। উল্লেখ্য, সেই জামাতটা মিশ্র ছিল, একই আর্গুমেন্টে প্রমান করেছে, নারী পুরুষের আলাদা জামাত হওয়ার প্রয়োজন নেই। তো সেই পুরুষ নামাযী বলছিলেন, নামায পড়তে পড়তে হঠাৎ টের পেলেন পাশে এসে একজন নারী দাঁড়িয়েছেন। অলংকারের শব্দ আর সুগন্ধী থেকেই টের পেলেন। তারপরে বিস্তারিত বর্ণনা, কি করে সারাটা নামায জুড়ে নিজের নামাযের দিকে মন দিতে পারছিলেন না, পাশের নামাযী মহিলার পায়ের পাতার সৌন্দর্য দেখলেন, সুগন্ধীর গন্ধ শুনলেন, গয়নার ঝংকার শুনলেন।
আমি পড়ে হাসব না কাঁদব বুঝতে পারছিলাম না। ওরা বুঝতে পারছে না, কি ফ্রাংকেস্টাইন ওরা বানাতে চাইছে। রাসুল (সা) যখন ইসলামের ইন্টারপ্রিটেশন করে গিয়েছেন, তিনি আল্লাহর গাইডেন্সের কারণে খুব ভালো করেই জানতেন, কতটুকু ছাড় দিলে, কোথায় যেতে পারে। তাঁর দেখানো পথ থেকে সরে এসে আস্তে আস্তে যেই ফ্রাংকেনস্টাইন তৈরি হবে, তাকে মারার মত অস্ত্র আমাদের হাতে থাকবে না!
রি-ইনটারপ্রেট করতে হবে, শুধু কনটেক্সচুয়াল পার্থক্যের জন্য যতটুকু বদলায়, ততটুকুতেই। যেই জিনিষ তখনও সম্ভব ছিল, তা তিনি কেন করেন নি, সেটা আমাদের বুদ্ধিতে, যুক্তিতে সবসময় কুলাবে না, কিন্তু আমাদের কাছে যুক্তিযুক্ত মনে হয় না মানেই ইসলামের আইনের উপর কাঁচি চালাবো তা হয় না। কারণ?
ওই মিশ্র জামাতের পুরুষ নামাযীর নিজেস্ব অভিজ্ঞতাই আমার জন্য যথেষ্ট ছিল!
৩১. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ৮:৪১
আস্তমেয়ে বলেছেন: যদি মনে করেন, নারীর স্ট্যাটাস সেই সমাজে পুরুষের নের্তৃত্ব করার মত অত উচুতে ছিল না, তাই মুহাম্মদ (সা) ইমামতির অনুমতি দেন নি, তাহলে অনেক বড় ভুল করছেন সাদিক। মুহাম্মদ (সা) এর উপর অনেক বেশি অবিচার করছেন।
৩২. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ৮:৪৮
সাদিক মোহাম্মদ আলম বলেছেন: রুশো,
আমিও পোস্টের বিষয় বাদ দিয়ে বলতে পারি যে কুরআন খুঁজলে স্পেসিফিক্যালি তিন সময়েই নামাজের কথা বলা হয়েছে। কোন কোন শিয়ারা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজকে তিনবারে পড়ে থাকে সুবিধার জন্য। যোহর আসর একসাথে এবং মাগরিব এশা এক সাথে। এবং সেটা নবী নিজেও করেছেন এমন উদাহনর আছে।
৩৩. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ৮:৫৩
সাদিক মোহাম্মদ আলম বলেছেন: আস্তভাইয়া,
"রাসুল (সা) যখন ইসলামের ইন্টারপ্রিটেশন করে গিয়েছেন, তিনি আল্লাহর গাইডেন্সের কারণে খুব ভালো করেই জানতেন, কতটুকু ছাড় দিলে, কোথায় যেতে পারে।"

- তার সময়ে নারীরা পুরুষের সাথে একই ঘরে নামাজ পড়তেন, তখন দোতলা মসজিদ হয় নাই।

- লাইন অফ সেপারেশনের মাধ্যমে দুইদিকে নারী পুরুষ নামাজ পড়েছে সেটা রেকর্ডেড।

সেইটা ইমিউলেট করলেই হয়।

আর প্রার্থনা বা প্রার্থনা ছাড়া যেকোন প্রেক্ষিতেই মডেস্টির পরিপস্থি আচরন ঐ অলংকার বা মনোযোগ আকর্ষনীয় পারফিউমের ব্যবহার। সেইটা ইন দি ফাস্ট প্লেস সমস্যামূলক।
৩৪. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ৯:০৮
আস্তমেয়ে বলেছেন: হা হা হা। এই মন্তব্যের মানে কি? আপনার শিরোনাম অর্থহীন হয়ে গেল না?

"কাঁধে কাধ আর পায়ের পাতায় পায়ের পাতা" লাগানো অবস্থায় যেই সুগন্ধীর গন্ধ পাওয়া যায়, আমার ধারণা, ততটুকু দেয়ার ব্যাপারে মুহাম্মদ (সা) কখনও আপত্তি করতেন না, কারণ অতটুকু নৈকট্যে নন-মাহরাম পুরুষের আসার কথাই না।
৩৫. ১৪ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ৯:১১
আস্তমেয়ে বলেছেন: মডেস্টির পরিপন্থীর কথা তুললেন, কি হাস্যকর... মডেস্টির পরিপন্থী নিয়েই যখন আমি বললাম, সেটা নিতম্ব যুক্তি হয়ে গেল! অজানা অচেনা অনাত্মীয় পুরুষের সাথে গায়ে গা লাগানো অবস্থায় দাড়িয়ে থাকাকেই আমার মডেস্টির পরিপন্থি মনে হয়। অনেক মুসলিম দেশে না তাবাররুক করে? তাই তো বলে, নামাযের শেষে গালে চুমু দেয়া পাশের জনের? কিছুদিন পরে শুনতে হবে মিশ্র জামাতে সেটাও হালাল। কি তামশা!

 

মোট সময় লেগেছে ১.০১১৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
প্রথমত: সময় নাই। দ্বিতীয়ত এখনই সময়। তৃতীয়ত: আমি না থাকলেও ব্যাপারটা ঘটবে, তবু আমাকেই চাই।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ