আমার প্রিয় পোস্ট

খুব জরুরী না ...

বি কেয়ারফুল হোয়াট ইউ প্রে ফর। পশ্চিম উপকূলের ডায়েরী

০২ রা নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:২৩

শেয়ার করুন:                   Facebook

১.
পশ্চিমে একটা জনপ্রিয় কথা প্রচলিত আছে,: বি কেয়ারফুল হোয়াট ইউ প্রে ফর - ইউ জাস্ট মাইট গেট ইট (এর আরেকটা ভার্সন হইলো, বি কেয়ারফুল হোয়াট ইউ আস্ক ) । কথ্যরীতির বাংলায় (হালকা বরিশাইল্যা বায়াসে) অনুবাদ করলে দাড়ায়, 'যা চাইয়া দোয়া করবা, বুইঝা কইরো। ঘটনা কইলাম ঘইটটাও যাইতে পারে।'

ইন্টারেস্টিং, যে কুরআনে কাছাকাছি একটা আয়াত আছে যেইখানে অনেকটা বকুনীর ভঙ্গিতে স্রষ্টা মানুষকে উদ্দেশ্য করে বলছেন, :

'মানুষ! তার বড়ই তাড়াহুড়া। সে ভালোর জন্য যেমন দোয়া করে, তেমনি করে মন্দের জন্য।'

কাছাকাছি মূল আরবীর ইংরেজী অনুবাদ: 'ম্যান প্রে ফর ইভিল, এ্যাজ হি প্রে ফর গুড; ফর ম্যান ইজ এভার হেইস্টি।' আয়াতখান কুরআনের ১৭ নম্বর অধ্যায়ের। যতদূর সম্ভব ১১ নম্বর আয়াত।

'বি কেয়ার ফুল হোয়াট ইউ প্রে ফর' - বক্তব্যের সাথে বাকি লেখার একটা সরাসরি সম্পর্ক আছে। তবে সেই সম্পর্কটা হয়তো শেষের দিকে পৌছাইয়া পরিস্কার হবে। ততক্ষন সবুর।

২.
'দম ফেলানোর সময় নাই' কথাটার প্রকৃত মর্মার্থ যদি কেউ হাড়ে হাড়ে টের পাইতে চায় তার জন্য কাজের একটা পরামর্শ হবে আমেরিকার উপরের সারির কোন ভালো ইউনিভার্সিটির বাছাই করা কোনো গ্রাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তি হইতে। ইউনিভার্সিটির কাস শুরু হওয়ার পর এই পর্যন্ত অবস্থা এক কথায় 'প্রেসার কুকার' । আমার গ্রাজুয়েট প্রোগ্রামটা বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্ডার ডিপার্টমেন্টাল প্রোগ্রাম হওয়ায় আমার পড়াশুনা একই সাথে তিনটা / চারটা ডিসিপ্লিনে অঙ্গাঅঙ্গি অবস্থা। বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং এমনিতেই অনেকগুলো ডিসিপ্লিনের সমন্বয় যেখানে ডাক্তারী বিদ্যা (মেডিকেল সায়েন্স), কয়েকটা প্রকৌশল (ইঞ্জিনিয়ারিং) বিদ্যা ওভারল্যাপ করে।

গবেষণার এলাকানুসারে (রিসার্চ এরিয়া) আমার কাজ করার জন্য ব্রেইন ইমেজিং প্রযুক্তি, পজিট্রন ইমিশন টোমোগ্রাফি বা সংেেপ পিইটি’র উপরে। ব্রেইন ইমেজিং প্রযুক্তি এখনো বর্ধনশীল একটা এলাকা এবং ব্রেইনের কোথাও বিগড়াইলে (যেমন টিউমার, ক্যানসার, কোন এলাকা ঠিকমতো কাজ না করা) সেটা নির্ধারন করার জন্য ডাক্তারদের প্রযুক্তির উপরে নির্ভরশীল হইতে হয়। বিভিন্ন ব্রেইন ইমেজিং প্রযুক্তির ভিতরে এমআরআই, সিটি স্ক্যান, পিইটি উল্লেখযোগ্য।

দাঁতভাঙ্গা খুঁটিনাটির প্যাচ সরায়ে যদি সহজ করি তাইলে বলা যায় যে মাথার ভিতরে যে কুঠুরি, তার ভিতরে যে ঘিলু (ব্রেইন), সেই ঘিলুর ফটুক কিভাবে আরো সৌন্দর্য্য উপায়ে, ঘোলা হওন (ব্লার) ছাড়া তোলা যায় সেই প্রচেষ্টায় মনোযোগ দিতেই ইউসিএলএ এই গরীব দেশের গরীব বান্দারে আমেরিকার জনগনের ট্যাক্সের পয়সা খরচ করে বিশেষ স্কলারশিপ (ফেলোশিপ) দিয়া পুষিতেছে। এই ব্রেইন ইমেজিং প্রযুক্তির উন্নতিতে আমার প্রোফেসর এবং তার সহযোগীদরে প্রচেষ্টা সরাসরি চিকিৎসা বিদ্যার সামনের সারিতে মানুষের উপকারে লাগবে বলেই বোধগম্য।

এই এরিয়ার কাজ পুরোদস্তুর রকমের মাল্টিডিসিপ্লিনারি। যার অর্থ হলো ব্রেইন ইমেজিংয়ের সফল বাস্তবায়নে অনেকগুলো বিষয়ে ধারনার দরকার হয়। মেডিকেল, ইঞ্জিনিয়ারিং, সায়েন্স, বায়োলজি, কেমিস্ট্রি - সব কিছুর মোটামুটি ব্যাপক সংমিশ্রন। শুধু মেডিকেল বললেতো হয় না, হিউম্যান ফিজিওলজি ছাড়াও নিউরোসায়েন্স (ঘিলু সম্পর্কিত বিজ্ঞান), যেইটা মেডিকেল বিদ্যার অতিব কঠিন এলাকা; বায়োলজির ভিতরে কিছু মলিকুলার বায়োলজি, কিছু কেমিস্ট্রি, কিছু নিউকিয়ার সায়েন্স জানতে লাগে। ইঞ্জিনিয়ারিং এর ভিতরে এই মুর্হুতে সিগনাল প্রসেসিং, ডিজিটাল ইমেজ প্রসেসিং এর মতো বিষয় ছাড়াও পাঠ্যে অর্ন্তভূক্ত। শুধু ইঞ্জিনিয়ারিং ডিসিপ্লিনের কথা ধরলে বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং ইলেকট্রিকাল, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বেড়াছেড়া মিশ্রন।

এর ফলাফল একটা গ্রাজুয়েট স্টুডেন্টের উপরে কি হইতে পারে তা অনুমান করা মোটামুটি অসম্ভব। ব্যস্ততা ও পড়ার চাপ কতপ্রকার ও কি কি বুঝতে হইলে প্রেসার কুকারের ভিতরে না ঢুকলে বোঝা সম্ভভ না। আমার কাসের এক বান্দী সেইদিনকে তার অসুস্থতার (মামুলী ঠান্ডা জ্বর টাইপের অসুখ) এর কারন ব্যাখ্যা করতে গিয়া সেইদিন বললো সে নাকি ইদানিং পরীক্ষা আর পড়ার চাপে রাতে মাত্র ১ ঘন্টা ঘুমাচ্ছে। আমার গত সপ্তাহে অনেকগুলা রাত কাটছে গড়ে ২ কি ৩ ঘন্টা ঘুমে। পরের দিন সকাল দুপার ঠিক থাকে, বিকালের পরে এমন মরার টায়ার্ড লাগে বলার বাইরে।

উইকডেজ (সোমবার থেকে শুক্রবার) যায় এসাইনমেন্ট আর আরো এসাইনমেন্ট সামলাইতে। তার সাথে রিসার্চের এক্সপেরিমেন্ট। উইকএন্ড যায় সামনের উইকের পরীা নাইলে এসাইনমেন্ট নিয়ে মাথা ঘামাইতে। অন্য ভার্সিটিগুলোর সাথে ইউসি বা ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়ার একটা বড় পার্থক্য হলো এখানে সেমিস্টার সিস্টেম না, কোয়ার্টার সিস্টেম। ফলে অতি অল্প সময়ে, অতি বিশাল জ্ঞান গলাধ:করনের একটা বিপুল প্রতিযোগিতা চলে।

হিউম্যান ফিজিওলজির একটা প্রোফেসর তার কোর্সের বর্ণনা দিতে গিয়ে প্রথম দিনের কাসে বলছিলো, আমার কোর্সটা অনেকটা ফায়ার হোস (অগ্নি নির্বাপক জল কামান) দিয়ে পানি পান করার মতো। ইটস লাইক ড্রিংকিং ওয়াটার ফ্রম ফায়ার হোস। বলার কারন আর কিছু না, ইয়া বড় সিলেবাস অতি অল্প সময়ে পড়তে হয়। হালুয়া টাইট হয় ছাত্র ছাত্রীদের। তিন সপ্তাহ ঘুরতেই কিছু বোঝার আগে ১৮ চ্যাপ্টারের উপরে মিডটার্ম দেওয়ার পরে খুব ভালো বোঝা গেছে গাব্দা জল কামান দিয়ে পানি খাওয়ার মজা!

৩.
এত কাহিনী করে ব্যস্ততার প্রকারভেদ বুঝানোর উদ্দেশ্য: প্রকৃত ব্যস্ততা বুঝানোর দুর্বল প্রচেষ্টা। আমি কি পরিমান ব্যস্ত এইটা অনেক বন্ধু, এমনকি বাপ মায়েরে বুঝানো বেশ কষ্ট সাধ্য। বিদেশে ছড়ানো ছিটানো বন্ধুবান্ধবতো ভালো, বাড়িতেও আমি হাতে গোনা সময় ফোন করেছি। সিংহভাগই মা নয়তো বাবা করে অর্ধেক পৃথিবীর ওই প্রান্ত থেকে। বিদেশে পড়তে আসা পাবলিক সম্পর্কে অনেকের ধারনা, ”আমেরিকা গ্যাছো, হে হে বহুত মজায় আছো টাইপ” ... দেশে বইসা এইরকম কল্পনা আর আসল বাস্তবতার মধ্যে আকাশ আর মাটির ব্যবধান। সেই ব্যস্ততার কারনটা এবং ধরনটা বুঝাইতেই এত কথা।

অনেকের অভিযোগ ক্যান আমি লিখিনা, ব্লগে পোস্টাইনা। তার যাবতীয় কারন এই মরার ব্যস্ততা। দিন শুরু হয় প্রায় ৫টার দিকে, ভার্সিটি থেক বাড়ি ফিরতে ফিরতে রাত ১১টা। তারপরেও অনেক সময়ে রাত জেগে পড়ার যথেষ্ট কারন থাকে। রাক্ষসীয় ব্যস্ততার বিস্তার এইরকম। তারপরেও চেষ্টায় থাকি আমার ইংরেজী ব্লগে ব্লগাইতে যেইটা এখন পর্যন্ত বিশ্বস্ততার সাথে করে যাচ্ছি যার মূল কারন ঐখানে খুব বড় সংখ্যায় সমমনা পাঠক / লেখক/ বন্ধু বান্ধব ভিড় করে। এত ব্যস্ততায় সামহোয়্যারে ঢু মারার সময় একেবারে গায়েব হয়ে গেছে। সামহোয়্যারেরর অনেক শুভাকাংখীকে ইমেইলে আলাদা করে ব্যস্ততার কারন ও ধরন বলার চাইতে এইখানে জানানোর প্রচেষ্টা গৃহিত হইলো।

৪.
এইবার ফিরত যাই যেইখানে লেখাটা শুরু হইছিলো। পশ্চিমের একটা জনপ্রিয় বক্তব্য, 'বি কেয়ারফুল হোয়াট ইউ প্রে ফর'। উল্লেখ করার কারন হলো, আমেরিকা জোড়া এত তুলনামূলক সহজ ইউনিভার্সিটি আর সহজ পড়াশুনার বিষয় থাকতে ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া, লস এ্যাঞ্জেলেস (ইউসিএলএ) এবং এইখানের বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং (ইউসিএলএ, এর মেডিকেল হসপিটাল পশ্চিম উপকূলের গত কয়েকবছর ধরে টানা ১ নম্বর স্থানের অধিকারী) -এ পড়তে আসাটা নির্ধাত দৈব। ক্যালিফোর্নিয়ার প্রতি নানান ইসোটেরিক কারনে আকর্ষন ছিলো, প্রার্থনায় ছিলো। কিন্তু প্রার্থনা বাস্তবায়নের পরে যা দেখা যাইতেছে তা হলো রুঢ় বাস্তবতা। অনুযোগ, অভিযোগ করার কিছু নাই, বরং কৃতজ্ঞ হওয়ার কথা এবং অসীম কৃতজ্ঞতা এইরকম সুযোগের জন্য। ইউসিএলএর বায়োমেডিকলে গ্রাজুয়েট স্কুলে আমিই প্রথম বাংলাদেশী এবং এইখানে উপমহাদেশীয় মানুষজনের সংখ্যা খুব কম। মূলত ডাকসাইটে আমেরিকান স্কুল থেকেই ছেলে মেয়েরা এখানে পড়তে আসে। এইটাও আরেকটা কারন কেন এই প্রোগ্রাম এতটা কঠিন রকমের প্রেসার কুকারীয় চাপের।

নানান কারনে থাকা ও পড়ার জায়গা হিসাবে ক্যালিফোর্নিয়ার প্রতি দূর্বলতা ছিলো। একটা বড় কারন উত্তর ক্যালিফোর্নিয়ায় আমার অতীব প্রিয় সহজ মানুষ গুরু বাস করেন। আর বড় কারনগুলোর ভিতরে এইটাও অর্ন্তভূক্ত যে ক্যালিফোর্নিয়ায় ছড়ায়ে ছিটায়ে আমার বেশ কিছু আমেরিকারন সুফি বন্ধুবান্ধবের বাস।

যখন বিভিন্ন ইউনির্ভার্সিটিতে অনেকটা জুয়া খেলার মানসিকতায় সম্পূর্ণ ভিন্ন ফিল্ডে গ্রাজুয়েট স্কুলে এ্যাপ্লাই করছিলাম, তার উপরে শীর্ষ বাছাই স্কুলগুলোতে তখন বাস্তবতার নিরিখে ইউসিএল-এর স্কুলে ফেলোশিপ সহ চান্স পাওয়ার সম্ভাবনা ছিলো শূণ্যের কোঠায়, কারন এক. আমার বায়োইঞ্জিনিয়ারিং ব্যাকগ্রাউন্ড নেই; দুই. আমি মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার যার সম্পর্ক বায়োর সাথে নাই বললেই চলে; তিন. আমি আহামরি কোন ইউনির্ভার্সিটির না, ইত্যাদি। সেই এ্যাডমিশন এ্যাপ্লাই এবং অপেক্ষার সময়গুলোতে দোয়া করছিলাম যেন ক্যালিফোর্নিয়ার এই দিকের কোন ভার্সিটিতে এ্যাডমিশন হয়।

উপরওয়ালা রহস্যময়। অগাবগা ইউনিভার্সিটি যেখানে এ্যাডমিশন পাওয়া তুলনামূলকভাবে সহজ তাদের কাছ থেকে একের পর এক রিজেশন আসতে লাগলো আর একমাত্র এ্যাডমিশন হলো দুইটা ইউনির্ভার্সিটি থেকে যে দুইটাই ক্যালিফোর্নিয়ার। একটা ইউনিভার্সিটি অফ সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া (ইউএসসি) এবং আরেকটা এই ইউসিএলএ (কাকতালীয়ভাবে এই দুইটা ভার্সিটি একে অপরের চরম প্রতিদ্বন্দ্বি)। একটা সন্মানিত ফেলোশিপও পাইলাম প্রত্যাশিতভাবে যা ইউসিএলএ-তে আসতে উৎসাহিত করলো।

এই পুরা প্রক্রিয়ার সাথে আমি যদি সত্যিকারের প্রোবাবিলিটি বা সম্ভাবনা মিলাই তাহলে একাডেমিকভাবে আমার ইউসিএলএ আসার সম্ভবনা শূণ্যের আশেপাশে, আর সেইটা এবং আসার ৪ সপ্তাহের মাথায় এখনকার চূড়ান্ত রকমের ব্যস্ততায় ত্রাহি মধুসূদন অবস্থা - এই দুইটা মিলায়ে আজকে মনে পড়ছিলো ঐ স্টেটমেন্টটা, 'বি কেয়ারফুল হোয়াট ইউ প্রে ফর'। আসলেই!



টীকা:
১. বি কেয়ারফুল হোয়াট ইউ আস্ক, বাইবেলের অর্ন্তভূক্ত বই, এ্যাক্টস অফ এপস্টলের আয়াত।

২. লেখাটা রাতে ভার্সিটি থেকে বাড়ি ফেরার ফিরতি বাসে আসতে আসতে লেখা। ঐটুকু সময় মাথার মধ্যে গুটুর গুটুর করা লেখাটা লিখে ফেলার জন্য বরাদ্দ করতে মাশুল দিতে হবে যা বোঝা যাচ্ছে। কারন ৪০ মিনিটের বাস ভ্রমনে প্রোটিন, লিগ্যান্ড ইত্যাদি কিভাবে কাজ করে সেই লেকচারটায় চোখ বুলানোর পরিকল্পনা ছিলো মাথার ভিতরে। সেটাকে বাদ দিয়ে এই ছাতার মাথা লেখাটা শুরু করেছিলাম বাস স্টপে, ফুটপাতে বসে ল্যাম্পপোস্টের তলায় ল্যাপটপ খুলে। বাকি সিংহভাগটা বাসে আসতে আসতে।

ভাগ্যিস এটা ইউসিএলএ! আমার মতো পাগল এখানে হাটে মাঠে ঘাটে; তাই বাস স্টপ ঘেষে ফুটপাতে পায়ের কাছে বই ছিটিয়ে বসা কোন পাগলমতো দেখতে ছাত্রকে কেউ খুব একটা গা করে না এখানে!

৩. ছবিটা ইউসিএলের একটা ভবনের।

৪. আমার নিয়মিত গরীবি ব্লগের ঠিকানা,
মিস্টিক সেইন্ট ডট ব্লগস্পট ডট কম

 

প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরিআমার দিনকালপাগলামীপ্রবাস ভাবনা  বিভাগে ।

 

  • ১০ টি মন্তব্য
  • ৩৩৪ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৬ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৫৯
comment by: মাহবুব সুমন বলেছেন: ভালো থাকুন , ব্লগে সময় করে আসতে চেষ্টা করবেন ও অনেক শুভ কামনায়।
২. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:১১
comment by: সংস্থাপক বলেছেন: লেখাটা পড়ে অনেকক্ষণ হাসলাম। ৫
৩. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৩০
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: দেশে তো মহা আরামে আছি দেখা যাচ্ছে,পরীক্ষার সময়েও বেশ ভালো ঘুমানো যায়:)
৪. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৫২
comment by: ফ্লোরা ফেরদৌসী বলেছেন: আপনার এই পোষ্ট পড়ে আজগর পোষ্টগুলো পড়লাম। এক কথায় খুব ভালো লাগলো আপনার অনেক লেখা। পরবর্তী পোষ্টের অপেক্ষায় রইলাম
৫. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৫৩
comment by: ফ্লোরা ফেরদৌসী বলেছেন: আজগর=আগের
৬. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:১২
comment by: তানভীর আহমেদ সজীব বলেছেন: সাদিক ভাই, অনেক দিন পর....

অনেক ব্যস্ততা যাচ্ছে, শরীরের প্রতি যত্ন নিবেন, ভাল থাকবেন সবসময়।
৭. ০২ রা নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:২৬
comment by: মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: প্রেশার ফিল করতেসিলাম লেখাটা পড়ার সময় .....কি আরামেই না আছি!!
৮. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৫২
comment by: সাদিক মোহাম্মদ আলম বলেছেন: সবাইরে অসংখ্য ধন্যবাদ মন্তব্যের আর শুভ কামনার জন্য।

শাহরিয়ার, বুয়েট এর ছাত্রগো আইলসা বানানোর জন্য অতিব প্রায়োগিক জায়গা। সামলাইয়া। পরীক্ষার আগে লম্বা লম্বা পিএল (প্রিপারেটশ লিভ) ধারনা মাথায় একবার ঢুইকা গেলে সেইটারে আনডু করা বহুত ঝামেলা। বহুত আরামেই আছো কুনু সন্দেহ নাই।
৯. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:১৬
comment by: কৌশিক আহমেদ বলেছেন: তোমার জন্য একটা কবিতা লিখেছিলাম। অপরবাস্তব এবারও বের হচ্ছে। তুমি আমার লগে থাকবা। একটা মেইল এড্রেস দরকার একবার মেইল করার জন্য। আমার আদি কোন মেইলে নক করলেই হবে।
১০. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:১৯
comment by: সাদিক মোহাম্মদ আলম বলেছেন: mysticsaint@gmail[/Bswjk
আমার লইগা কবিতা?!!! কো?
মনে করনের লাইগা কৃতজ্ঞতা বস। মেইল দিয়েন।

 



 


পাগলামী থাকা না থাকা
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৬৬৫০৭