আমার প্রিয় পোস্ট
- বোকা বাউলের পদ্য: নিজেকে ওভাবে মেলতে নেই - প্রণমি যীশু, মনসুর আল হাল্লাজ অথবা হুমায়ুন আজাদ - সাদিক মোহাম্মদ আলম
- সিংহপুরের ডায়েরী - সাদিক মোহাম্মদ আলম
- আমরা ভালো আছি - রাসেল ( ........)
- কুয়ালালামপুরের ডায়েরী: গোপালীয় খানাপিনা আর রোবোকন প্রতিযোগিতা - সাদিক মোহাম্মদ আলম
- কনক্রিটের সৌধে পুস্প দেওয়া ইসলাম সম্মত না - বলেছেন রাম সন্না। ধমর্ান্ধরা মুড়ি খাও - সাদিক মোহাম্মদ আলম
- কুরবাণী করতে হুকুম প্রাণ প্রিয় ধন। গরু ছাগল হইলো কি তোর এতই প্রিয় ধন? - ফিরে দেখা কুরবাণী - সাদিক মোহাম্মদ আলম
- আমাদের সক্রেটিস - আরজ আলি যেভাবে একজন আরজ আলি হয়ে ওঠেন - সাদিক মোহাম্মদ আলম
- ধর্মান্ধরা মুড়ি খাও: চাঁদ দেখতেই হবে? - সাদিক মোহাম্মদ আলম
- শেষ কবে আপনি একেবারে নতুন কিছু করেছেন? - সাদিক মোহাম্মদ আলম
- প্যারাডক্স : সব পূর্ব-নির্ধারিত (প্রিডেস্টিনেশন বা ভাগ্য) হলে আপনার আমার কি দোষ (শেষ বিচার, কর্মফল -এর ধারনা অর্থহীন )? - সাদিক মোহাম্মদ আলম
- অভিযানের নাম 'মেজবান সঙ্গে লইয়া ভ্রমন'। গন্তব্য শুভর বাড়ি এবং চতুর্থ মৃতু্যর উপাখ্যান - সাদিক মোহাম্মদ আলম
- 100তম পোস্ট: আগন্তুকের সাথে মৌন কথোপকথন - সাদিক মোহাম্মদ আলম
আমাদের পাঠশালার জন্য, পাঠশালায় আড্ডা ও মুড়ি পিয়াজুর নিমন্তণ
০৬ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:৩৮
![]()
এক.
যেই মানুষ ভাবলো বৃষ্টি হ। আন্তরিকভাবেই ভাবল বৃষ্টি হ, তাতে বৃষ্টি হতে বাধ্য। এমনকি শালিক পাখিও যদি ভাবে বৃষ্টি হ, তাতে বৃষ্টি হতে বাধ্য। এমনকি পিঁপড়েও যদি ভাবে বৃষ্টি হ, তাহলেও বৃষ্টি হতে বাধ্য।
- বিনয় মজুমদার
আসলেই, বৃষ্টি হতে বাধ্য। না আকাশ ভেঙ্গে, মেঘের দেশ থেকে নেমে আসা পানির ফোটার বৃষ্টি না, অন্যরকম বৃষ্টির কথা বলা হোক। বৃষ্টিটা প্রতীকি। প্রতীকে এমন এক বৃষ্টির কথা হোক যে বৃষ্টি ছুয়ে গেলে, চুইয়ে গেলে জন্ম হয় অন্যরকম এক সবুজের, জন্ম হয় অন্য এক সতেজতার। বিনয় মজুমদারের এই কবিতা গদ্যে ’আন্তরিক’ শব্দটাই সবচে শক্তিশালী। মানুষ যখন আন্তরিকভাবে ভাবে কোন কিছু - (আর ভাবনার আরেক নামই স্বপ্ন , কেউ বলে দিবাস্বপ্ন) মানুষ যখন আন্তরিকভাবে স্বপ্ন দেখে কোন কিছুর, আন্তরিকভাবে বিশ্বাস করে তার স্বপ্নে তাহলে নেমে আসতে বাধ্য বৃষ্টি। স্বপ্ন ও আকাংখা তখন রূপ নেয় করে সত্যিকারের করে দেখানো কাজে।
দুই.
কথা হচ্ছিলো কয়েকজন সমমনা বন্ধুর সাথে, বিষয় স্বপ্নময় কাজের রূপায়ন এবং সেইরকম কাজের পেছনে সমর্থন দেওয়ার ব্যাপারটা নিয়ে। প্রত্যেকের সাধ্য হয়তো অল্প কিন্তু মিলিতভাবে সেই সাধ্যটা অনেক বড় রূপ নিতে পারে। আন্তরিকভাবে স্বপ্ন দেখে সেই স্বপ্ন রূপ দেওয়ার মানুষগুলো আমাদের সমাজে খুব একটা দেখা যায় না। তাই খুঁজতে হয়, আর খুঁজে পাওয়ার পরে হারিয়ে যেতে দিতে নেই হেলাফেলায়। তার অংশ হতে হয়।
আমরা কেউ কেউ কখনো কখনো খুঁজি এরকম আন্তরিক স্বপ্নময় কাজ ও সেই কাজের রূপকার কাউকে। উদ্দেশ্য থাকে প্রথম কাজটা সম্পর্কে জানা, অন্যকে জানানো এবং সাধ্যমতো কিছুটা সাহায্য করা। সেই সুত্রেই জানা হলো রুবেলের উদ্যোগে গড়ে ওঠা ’আমাদের পাঠশালা’ স্কুলটার কথা। এই জানাজানির পেছনে সামহোয়্যার ইনের অনেকের সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা। পরে কথাও হলো রুবেলের সাথে।
বিনয় মজুমদার যে আন্তরিকভাবে ভাবার কথা উল্লেখ করেছেন, রুবেলের উদ্যোগে তৈরী এই আমাদের পাঠশালা সেইরকম এক আন্তরিকভাবে ভাবা, আন্তরিকভাবে স্বপ্ন দেখা ও সেই স্বপ্নকে করে দেখানোর চমৎকার এক মডেল।
তিন.
রুবেলের পাঠশালা সম্পর্কে লিখতে গেলে অনেক কিছুই লেখা যায়। পাঠশালার প্রকাশিত প্রকাশনা প্রাণের হাটের ভূমিকা থেকে উদ্ধৃত করছি কিছু দরকারী কথা: ”আমাদের পাঠশালা বঞ্চিত শিশুদের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তবে বঞ্চিত শিশুদের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বললেই যে মলিন, ছিন্ন ভাব আমাদের মনের মধ্যে জাগে আমাদের পাঠশালা ঠিক সেরকম নয়। একটু অন্যরকম। বিকল্প বলতে ভয় হয়, বিকল্পের নামে প্রকল্প বাগানোর এতো আয়োজন চারিদিকে যে খানিকটা লজ্জাও লাগে। আর বিকল্পের নামেতো সেই এক গৎবাধা পুরানো জিনিস চলছে মোড়ক বদলিয়ে বদলিয়ে।
বঞ্চিত শিশুদের জন্য মানসম্মত মানবিক শিক্ষা’র স্লোগান নিয়ে ২০০৮ এর জানুয়ারী থেকে যাত্রা শুরু করে আমাদের পাঠশালা। যেখানে আধিপত্যকারী ধারণা হলো গরিবের জন্য গরিবী শিক্ষা, সেখানে পাঠশালা সবসময়েই সম্ভব সবচে ভালো শিক্ষার লক্ষ্যে কাজ করছে।”
অন্য আর একশটা স্কুল থেকে আমাদের পাঠশালার পার্থক্য অনেক। না স্কুল বিল্ডিংয়ের দেয়াল, চেয়ারটেবিল অথবা ছাদ দেখে সেই পার্থক্যটা বোঝা যাবে না। যেমনটা আগেই বলা হলো যে আমাদের পাঠশালার প্রচেষ্টার প্রধান হাইলাইট হলো বঞ্চিত শিশুদের জন্য সবচে ভালো শিক্ষার নিশ্চয়তা, প্রচেষ্টা। অর্থাৎ বড়লোকের জন্য বড়লোকি শিক্ষা আর গরীবের জন্য গরীবি শিক্ষা; বড়লোকের ছেলে মেয়েদের হাতে চকমকে বই আর গরীবের ছেলেমেয়ের হাতে ছেড়া বই, ছেড়া খাতা, ভাঙ্গা পেন্সিল এই বৈষম্যের জায়গাটাকে চ্যালেঞ্জ করতেই আমাদের পাঠশালা। শুধু তাই নয় পুরো শিক্ষাদানের দর্শন অনেক আলাদা এখানে। এটা এমন এক ইস্কুল যেখানে কোন হোমওয়ার্ক নেই, যেখানে ছেলেমেয়েরা ছুটির বদলে উল্টো স্কুলে আসতে চায়, বলে ’ছুটি ভালো লাগে না স্যার’ - এটা এমন এক স্কুল যেখানে সবার জন্য পুরুস্কার থাকে; যেখানের ছাত্ররা বলে ’এই ইশকুলটায় যাইতে খুব ইচ্ছা হয়।’
চার.
কিভাবে গড়ে উঠলো আমাদের পাঠশালা? পেছনের গল্পটা কি? কিভাবে এটা চলে, কারা চালায়? কে পড়ায়, কি পড়ায়? কেমন দেখতে আমাদের পাঠশালা? বঞ্চিত শিশুরা কেমন দেখতে, ওরা কি আসলেই পড়াশুনা করে নাকি এটা স্কুলের নামে ধান্দাবাজী? পাঠশালা গড়ে তোলা, প্রতিদিন, প্রতি সপ্তাহ এটাকে চালাতে যে পরিমান শ্রম আর ধৈর্য্য লাগে সেই শ্রম আর ধৈর্য্য যারা ধারন করে তাদের চেহারাটা কিরকম? যদি ভালো লাগে আমাদের পাঠশালা তবে কি করে আমরাও সাহায্য করতে পারি, হতে পারি এর ভলান্টিয়ার অথবা বান্ধব অথবা মুখপাত্র?
এরকম অনেক প্রশ্ন আর তার উত্তর জানতে আমাদের পাঠশালায় একটা ব্লগীয় আড্ডার আয়োজন করছি আমরা। অনেকদিন নাকি ব্লগবাসীদের বিশুদ্ধ আড্ডা হয় না (ব্লগের মজাটাইতো নেটওয়ার্কিং, চেনা জানা আর অফলাইনের আড্ডা, সেটা না থাকলে এইসব উবু হয়ে কম্পুটার স্ক্রীনে বসে থাকে কোন উজবুক!)। এবার তাই এবং তার সাথে কিছু স্বপ্নের কথা, কিছু আন্তরিক ভাবনার কথা। আসবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বেশ কিছু নেশারু ব্লগার।
এই মুড়ি আর পিয়াজুর (মেনু পাল্টে জেতে পারে) অতিথি হতে আপনাদের নিমন্ত্রন করছে রুবেল এবং তার আমাদের পাঠশালার সকলে, যার মধ্যে আছে সব ছাত্রছাত্রী। দিনক্ষন শনিবার (৯ই মে)। দুপুর ১১টা। (দিনক্ষন পাক্কা, নড়চড় করা যাবে না, যাদের অফিস আছে, অফিস কামাই করেন বুকের পাটা থাকলে, নাইলে উপায় নাই। শনিবারই আমাদের পাঠশালার শেষ দিন, তারপরে গ্রীষ্মের ছুটিতে যাচ্ছে পিচ্চুরা। শুক্রবার ছাত্রছাত্রীদের আসতে বলা যাবে না, কারন বিবিধ)
![]()
পাঁচ.
আইলে তো আইলাম, কিন্তু কি হইবো ওইখানে?
আড্ডা, আবার কি? সঙ্গে মুড়ি আর ইয়ে তো থাকবেই।
আর কিছু না হোক মুড়ি আর ইয়ের লোভেই চলে আসুন, সঙ্গে একজন দুইজন বন্ধু বান্ধবীকেও আনুন যার ভিতরে একটা বড় কলিজা আছে, যে স্বপ্ন দেখতে এখনো ভোলেনি, যে ভালো কাজ দেখলে অন্যদিকে উদাস মুখ করে হেটে যায় না - চকচকে চোখে আগ্রহ করে এগিয়ে আছে আর যে হাত বাড়াতে জানে।
ছয়.
কি করে পৌছানো যাবে আমাদের পাঠশালায়?
আমাদের পাঠশালার ঠিকানা হচ্ছে:
বাড়ি ৪০, লাইন (লেন) ২৫, ব্লক ডি, সেকশন ১২ (প্রচলিত নাম সাড়ে এগারো), পল্লবী, মিরপুর। ঢাকা।
ঠিকানা একবারে খুঁজে পাবেন এই ভরসা না করাই ভালো, যদিনা ওদিকটা অনেক পরিচিত থাকে। সাড়ে এগারো, ব্লক ডি কে রেফারেন্স ধরে মানুষকে জিজ্ঞেস করে এগিয়ে এসে লাইন ২৫ বের করে বাড়ির নম্বর খুঁজলে পাবেন আশা করি। না হলে হোস্টকে একটা ফোন দিন। রুবেলের ফোন নাম্বার: ০১৭২১৬২৩৬২৭।
সাত.
আমাদের পাঠশালার যারা অন্তরঙ্গ বন্ধু তাদের দাবী যে আমাদের পাঠশালায় একটা সিন্দুক আছ, সিন্দুক ভারা প্রাণ-আনন্দ-ভালোবাসা-স্বপ্ন। এবং এই সিন্দুকের কোনো তালা নেই।
আমি একটু আড়িপেতে দেখে এসেছি একদিন সেই সিন্দুক। সিন্দুক আসলেই আছে। এবার নিমন্ত্রন রইলো আপনাদের সেই সিন্দুকের দর্শনে।
আট.
না গেলে কি আসে যায়?
নূরুল আলম আতিকের গ্রন্থনায় প্রকাশিত একটা ছোট্ট বই, নাম 'নতুন সিনেমা, সময়ের প্রয়োজন'। সেই বইটার একদম শেষ মলাটে তিনটে লাইন থেকে উত্তরটা দেওয়া যেতে পারে যারা হইতো ভাবছেন, সময় কোথায় এইসব ছাইপাশ স্কুলে যাওয়ার, সময় কোথায় এইসব টুটাফুটা ফকিরনীর বাচ্চাগোর কারবার দেখতে, যেতে পারি কিন্তু আমি কেন যাবো? এই গরমে দুপুর এগারোটা, উফ না একদম না - ইত্যাদি হাজারটা ফালতু বায়ানাক্কা।
তাদের জন্য নুরুল আলম আতিকের সেই বইতে খুব সহজ ভাষায় এভাবে বলা আছে:
প্রথমত: সময় নাই।
দ্বিতীয়ত: এখনই সময়।
তৃতীয়ত: তুমি না থাকলেও ব্যাপারটা ঘটবে, তবু তোমাকেই চাই।
যা বলতে চেয়েছি তার প্রায় সব বলা হয়ে গেছে। যারা আসতে পারবেন আগামী শনিবার তারা একটু আওয়াজ দিয়েন মন্তব্যে বা ইমেইলে। ব্লগীয় দলাদলি থেকে এই আড্ডা মুক্ত। আমরা কাজের মানুষদের আড্ডা চাই, যে আড্ডায় উদ্যোগের জন্ম নেয় সেই আড্ডা চাই, আমরা আন্তরিকভাবে কাজ করতে চাই, যারা আন্তরিকভাবে কাজ করছে তাদের বলতে চাই 'এই আমার বাড়ানো হাত'। ব্যস। দলাদলি, চুলাচুলি, এ গেলে আমি নাই, অমুকে অন্য পার্টির ইত্যাদি এটিচুড নিয়ে রাজনীতিকরা ব্যস্ত থাকুক (এবং মরুক) । আমরা এবার কাজ করি।
প্রথমত: সময় নাই।
দ্বিতীয়ত: এখনই সময়।
তৃতীয়ত: তুমি না থাকলেও ব্যাপারটা ঘটবে, তবু তোমাকেই চাই।
তোমাকেই চাই।
অনেকদিন পর সামহোয়্যারইনে আসা, সবাইকে নিরন্তর শুভেচ্ছা।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): কাজ ;
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:০৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
সাজেদ বলেছেন:
শুভেচ্ছা, স্বাগতম
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন:
সব পাখি নীড়ে ফেরে.....পাখি জানে না নীড় কখনো তার ছিলনা কারোরই থাকে না।গুড টু সি ইয়া।
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন:
কৌশিক ভাই ছবি দিয়েছিলেন পাঠশালার পয়লা বৈশাখ সেটা বলে দিতে পারেন ভাইয়া ,মানুষ বেশি আগ্রহী হবে
ধন্যবাদ পোস্টের জন্য
আছহাবুল ইয়ামিন বলেছেন:
অনেকদিন পর সাদিক ভাইকে ব্লগে দেখলাম সিন্দুকের কথা শুনে আগ্রহ বেড়ে গেল। সেটা না হলেও অন্তত মুড়ি খেতে হলেও আসার চেষ্টা করব।
সাদিক মোহাম্মদ আলম বলেছেন:
ধন্যবাদ @ সাজেদ। "এ সলিটারি ক্লাউড হ্যাজ নো ফিক্সড হোম" @ শরৎ। তোমার চাকুরীর খবর শুনিয়া পুলকিত। তোমার অফিসে একদিন যাইতে চাই।
কৌশিক কাল দিয়ে দিবে এখানে মন্তব্যে। ধন্যবাদ @ একলব্য
ইয়ামিন, আসলে খুব খুশি হবো।
লেখক বলেছেন: তোমারে এক্সপেক্ট করতেছি শামীম মিয়া। ট্রাই যে সফল হয়। বন্ধু বান্ধবা সাথে আসলে খুশি হই।
লেখক বলেছেন: কোথা থেকে আবার, এই পৃথিবীর কোন জায়গা থেকেই নিশ্চই। ![]()
ঢাকায় থাকলে এসে পড়েন।
ত্রিভুজ বলেছেন:
বহুদিন পর দেখলাম.... কেমন আছেন?
লেখক বলেছেন: হ্যা বহুদিন পরে। বেশ ভালো ত্রিভুজ। তুমি কেমন?
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
কেন যে আপনারা, আপনাদের মতো মানুষেরা নিয়মিত থাকেন না !
নিয়মিত আপনাকে দেখতে চাই সাদিক ভাই ।
লেখাটা হৃদয় ছুঁয়ে গেছে । দেশে থাকলে অবশ্যই আসতাম ।
লেখক বলেছেন: দেশে আসলে দেখা হবে নিশ্চই অন্য কোন আড্ডায়। নিয়মিত হতে না পারলেও 'প্রায় নিয়মিত' হলেও হতে পারি।
বিডি আইডল বলেছেন:
মুড়ি-পেয়াজু খাইতাম চাই!
লেখক বলেছেন: আবার কয়।
কৌশিক বলেছেন:
ওয়াও! গ্রেট - অনেক দিন পরে আড্ডাইতে মুন্চায়....
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
মাশা বলল তুই ঢাকায়....আসতে হবে..নাকে মুড়ির গণ্ধহীন গন্ধ পাইতেছি...
গন্ধ থেকে মুক্তি পেদতই আসতে হবে ...
কার মনে কি আছে ক জনাই বা জানে।
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
মাশা বলল তুই ঢাকায়....আসতে হবে..নাকে মুড়ির গণ্ধহীন গন্ধ পাইতেছি...
গন্ধ থেকে মুক্তি পেতেই আসতে হবে ...
কার মনে কি আছে ক জনাই বা জানে।
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন:
যেতে পারলে ভাল্লাগতো। আমার অনেক আগ্রহ এই পাঠশালা নিয়ে-সময় করে যেতে হবে একদিন। আপনাকে ধন্যবাদ-ভাল্লাগলো।
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
এমন একটা উদ্যোগের কথা জেনে ভাল লাগল...এই উদ্যোগের সাথে যুক্ত হতে পারব কিনা জানিনা...তবে আড্ডাচ্ছলে উদ্যোক্তা এবং শিক্ষা বঞ্চিত শিশুদের দেখতে নিশ্চয়ই যাবো বলে আশা রাখি ।
অন্যআনন বলেছেন:
প্রথমত: সময় নাই।দ্বিতীয়ত: এখনই সময়।
তৃতীয়ত: আমি না থাকলেও ব্যাপারটা ঘটবে, তবু আমি আসতে চাই।
@সাদিক ভাই, গুড পোস্ট!
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন:
প্রথমত: সময় নাই।
দ্বিতীয়ত: এখনই সময়।
তৃতীয়ত: তুমি না থাকলেও ব্যাপারটা ঘটবে, তবু তোমাকেই চাই।
........ .......... ............ ............ ......... .......... ............
মুকুট বলেছেন:
চমৎকার! শুভকামনা রইলো!
মিলটন বলেছেন:
ব্লগ আড্ডা সেটাতে অরুচী কোন কালেই ছিল না। হয়ত বাধ সাধবে অফিসের বস। তারপরেও দেখি আমার বুকের পাটার জোড় কেমন। সবাইকে শুভকামনা।
রাতমজুর বলেছেন:
একটু দেরি হতে পারে, তবু আসবো।
মুক্ত বয়ান বলেছেন:
মনে হয়, চলে আসব।
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন:
আসতে চাই। তবে অফিস মিটিং থাকলে বলা মুশকিল। তবে এটা নিয়ে কাজ করার ইচ্ছা আছে।
কৌশিক বলেছেন:
রাতমজুর - মুড়ি নিয়া আইসেন...
সুমেরু বলেছেন:
আমি আমার পাঠশালা ভেবেছিলাম।
কৌশিক বলেছেন:
সুমেরু...আপনার পাঠশালার সম্বন্ধে জানতে মুন্চায়
নুরুন্নবী হাছিব বলেছেন:
আসার পূর্ণ ইচ্ছে রইল...
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন:
ধন্যবাদ পোস্টের জন্য
আফরোজ_জাহান বলেছেন:
স্বাগতম
সিউল রায়হান বলেছেন:
ছাগুচিফ ওয়েলকাম ব্যাক তবে লাভ নাই........ আস্তিক নাস্তিক নিয়ে ব্লগ দুই ভাগ হতে পারে কিন্তু ই-রাজাকার দের োন্দানোর ব্যাপারে সবাই একমত.......... তাই আবার তোমারে ভাগতে হবে সামু থেকে @ তিলিবুজ
পারলে আসব...........উদ্যোগের সফলতা কামন করছি @ লেখক
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
দিনক্ষন শনিবার (৯ই মে)। দুপুর ১১টা। -------------------এইটা হইলো সময় এর নিবন্ধন প্রমাণ।
সাদিকের মাথাটা বিদেশে থাইক্যা নষ্ট হৈছে। নাইলে এই বেলা ভরদুপুরে দাওয়াত দিয়া মুড়ি পিয়াঁজু খাওনের কথা কয় কেন।
দুপুরের ভাত খাওয়া বাংগালীপণা ঐ দিন তাইলে বিসর্জন দিতে হৈবে মনে লয়।
যাউক বৃহত্তর স্বার্থে বিসর্জন পিয়াসী হতে আপত্তি কি আর...দেখা হবে ...দেখা হবে
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
সুমেরুদার পাঠশালা কলাবাগান না?
মো মুজাহিদ আলম বলেছেন:
পোষ্ট পড়তে পড়তে মন্ত্রমুগ্ধের মত হয়ে গিয়েছিলাম । পড়া শেষ করে + দিলাম প্রিয়তেও রাখলাম। সাথে সাথে একটা প্রতিজ্ঞাও করলাম - আমাকে ঐ আড্ডায় যেতেই হবে । গঠনমূলক কোন কাজই ছোট নয় । আশাকরি আমাদের পাঠশালা ও অনেকদুর যাবে ।
শনিবার সরকারী ছুটির দিন, তাই অফিসের দোহাই দেয়া কারো উচিত হবে না ।
চাচামিঞা বলেছেন:
ভালো উদ্দেগ.......খুব ভআলো লাগলো।
সাদা কাগজ বলেছেন:
সার্থক প্রত্যাবর্তন
কৌশিক বলেছেন:
তাইতো! শনিবার তো বৌদ্ধ পূর্ণিমার ছুটি! হুরররে! জম্পেশ আড্ডা হবে বুঝতে পারছি!
েপচাইললা বলেছেন:
শালার মিডিয়াতে কাজ কইরা পঁইচ্চা গেছি। শনিবার সবাই ছুটি পায়, না পাইলেও বৌদ্ধ পূর্ণিমার ছুটিটা তো পায়ই আর আমি শালা লুথা হইয়া কাজ করি। ভাইরে, যাইতে মঞ্চায় এই মার্কার আড্ডাগুলাতে তয় অফিসের বস না কান ধইরা বইসা না থাকলেও নিজের দায়িত্ব ফাঁকি দিমু ক্যামনে। ওইদিন প্রোগ্রাম শালার মরণের অন এয়ার। শেষ মুহূর্তের ফার্ণিশমেন্টে দিনটা পানির মত চইলা যায়।
তয় সবার জইন্যে শুভকামনা।
অহনা বলেছেন:
আমরাও ভাবছিলাম এরকম কিছু। আপনারা যেহেতু শুরু করেছেন। এফোর্টটা এখন একীভূত করতে পারলে ভালো হয়।ধন্যবাদ!
Click This Link
মেসবাহ য়াযাদ বলেছেন:
অফিস কাট্রি দিতে হবে। দেবোও আশা করছি। ভালো কাজ বড়ো বেশি কম হয় আজ কাল। আসার ইচ্ছে রাখি...
খলিল মাহমুদ বলেছেন:
অনেক দিন পর ঢাকায় ছুটে যাবার একটা প্রচণ্ড তাগিদ অনুভব করছিলাম। ঠিকানাটা থাকলো, ৯মে-তে নয়, কোনো একদিন ঠিক ঠিক পাঠশালায় গিয়ে হাজির হবো পিচ্চিদের দেখার জন্য। এ ধরণের কাজ আমার নেশা, যেদিন থেকে এমন কিছু করা ও দেখার সামর্থ্য আল্লাহ্ আমাকে দিয়েছেন। রুবেলকে আমি যদিও চিনলাম না, তবে রুবেল সহ যাঁরা এই মহৎ শিক্ষার সাথে জড়িত তাঁদের সবার জন্য আমার অনেক শুভেচ্ছা থাকলো। সত্যিকার অর্থে যদি দেশের জন্য কিছু করতে চান, এর মত মহৎ উদ্যোগ খুব কমই আছে। অল্প কিছুদিন আগে অন্য এক স্টিকি পোস্টে আমি আমার নিজের উদাহরণ দিয়ে বেশ কিছু ক্ষোভের সাথেই এরকম কিছু একটা করার জন্য ব্লগবাসীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলাম। আমার ভালো লাগছে- খুবই ভালো লাগছে।লেখককে অনেক অনেক শুভেচ্ছা শেয়ার করার জন্য।
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
ভিনটেজ সাদিক
তানভীর আহমেদ সজীব বলেছেন:
আরে সাদিক ভাই যে.....কেমন আছেন...অনেক দিন পর.....কবে ফিরেছেন দেশে... একগাদা প্রশ্ন করে ফেললাম...এ মহতী উদ্যোগটার সাথে কি কোনভাবে যুক্ত হতে পারি...আমাদের পাঠশালার সকল উদ্যোক্তাদের নিরন্তর শুভেচ্ছা...এ ছো্ট ছোট উদ্যোগগুলোই এক সময় মহিরুহে পরিণত হবে...
অনেক ব্যস্ততা ....তারপরও কি একটু আধটু লেখার সময় বের করা যায় না? নিয়মিত হবেন এই প্রত্যাশাই করছি...শুভকামনা আপনার জন্য....ভাল থাকবেন....
এ মায়া প্রপঞ্চময় বলেছেন:
আপনার দলাদলিমুক্ত মনোভাব খুব ভালো লেগেছে। উদ্যোগী লোকের এই যুগে সত্যিই অভাব। কেউ কিছুই করে না অথবা কিছু করলে খারাপটা করে।
রাগ ইমন বলেছেন:
সুস্বাগতম ।অনেক দিন পর ফিরলি রে ম্যাটেরিয়াল মঙ্ক
, তাও দারুন উদ্যোগ নিয়ে । তথ্যগুলো দেওয়ার সময় বুঝিনি এই কান্ড হতে যাচ্ছে । যা হোক, রুবেল ভাই ও আমাদের পাঠাশালা সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনেক অনেক শুভকামনা। একটা সময় চেষ্টা করেও স্কুলটার জন্য বেশি আগাতে পারিনি । আশা করি, এবার বড় পরিসরে কিছু হবে ।
রুবেল ভাই আর বাচ্চাগুলোর ছবি নিয়ে বরং নিজে ঋণী হয়ে ফেরত এসেছি , দিতে পারিনি কিছুই ।
অনেক অনেক দোয়া থাকলো ।
টুশকি বলেছেন:
আপনার এই পোস্ট পড়ে আমার এখন চায়ের সাথে পেঁয়াজু খেটে ইচ্ছা করতেসেদেশে থাকলে হয়ত যাওয়া হত
আড্ডা সফল হোক
সাদিক মোহাম্মদ আলম বলেছেন:
সামহোয়্যার ইনের পাঠক যে অনেক বেড়েছ তাতে কোন সন্দেহ নেই। খুবই আনন্দের কথা যে অনেকেই আসার ব্যাপারে পজেটিভ সাড়া দিয়েছেন। এর বাইরেও অনেকে আসবেন, চলে আসেন। দুপুর ১১টায় আড্ডা হয়ে দুপুর আরো ঘন হলে পরে কোথাও ডাল ভাত খেয়ে নেয়া যেতে পারে। দুচারটা যা পয়সা সেটা স্কুলের খাতা পেন্সিল কিনতে খচর করতে চাই বলেই আর পোলাও মাংসের বাহারী আয়োজন নেই। আড্ডার কন্টিনিউয়েশন হিসেবে সবাই মিলে হইচই করে (নিজ পকেটের খরচে) খাওয়া তো হতেই পারে। সেটার ভারটা আর হোস্টের কাধে চাপাতে চাই না।
সবাইকে মন্তেব্যর জন্য আলাদা করে ধন্যবাদ দেওয়া হলো না, একবারেই ধন্যবাদ জানাই এই অধমের জন্য শুভেচ্ছা আর উদ্যোগের শুভকামনার জন্য। দেখা হবে নিশ্চই।
যারা বিদেশে আছেন তারা যদি পাঠশালার জন্য সত্যিই কিছু করতে চান তবে আমি পে প্যালের মাধ্যমে কন্ট্রিবিউশন সংগ্রহ করতে একটা সেটআপ করতে পারি। বিগত চট্রগ্রাম ভূমিধ্বসে সামহোয়্যারের তরফ থেকে প্রবাসীদের কন্ট্রিবিউশন সেই প্রক্রিয়াতেই হয়েছিলো এবং যথেষ্ট কার্যকরও হয়েছিলো যা আমরা তুলে দিতে পেরেছি বেশ কিছু সব হারানো মানুষের হাতে তাদের হারানো ঘর বাড়ি পুন:নির্মান করতে।
পাঠশালার জন্য বাইরে যারা আছেন তারা একইভাবে এগিয়ে আসতে পারেন। আমাদের আড্ডার পরে এর আপডেট দেওয়ার সময়ে আশা করি পেপ্যালের লিঙ্ক দিতে পারবো।
সবাই ভালো থাকবেন।
ফারজানা৯৯ বলেছেন:
এক কথায় দারুণ। ধন্যবাদ এত ভালো একটি লেখা পাঠককে উপহার দেয়ার জন্য।
কুঙ্গ থাঙ বলেছেন:
যাব একদিন। পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
অদ্ভুতুড়ে বলেছেন:
ভাই, নিমন্ত্রণ বানান টা ঠিক করবেন, প্লিজ?
কালপুরুষ বলেছেন:
হঠাৎ করে অফিসের কাজে জড়িয়ে গেলাম। আজ শুক্রবার সকাল ন'টা থেকে রাত ন'টা পর্যন্ত অফিসে ছিলাম। রাজউক-এর প্লটের যাচাই বাছাই কমিটিতে আমাকে রাখা হয়েছে। আগামী ১৫/২০ দিন সময় বের করা মুশকিল হবে। তবুও আগামীকাল অফিস থেকে এক ফাঁকে ঢুঁ মারতে চেষ্টা করবো। জানিনা সম্ভব হবে কিনা। তবে আমার শুভকামনা রইলো। আড্ডা ও উদ্দ্যেশ্য সফল হোক।
খুব ইচ্ছা করছে যেতে,কিন্তু আমি আপনাদের শহরে থাকি না। যখন যাব ঢাকায় অবশ্যই দেখতে যাব এমন সুন্দর উদ্যোগ।
গ্রীস্মকালীন ছুটি কবে শেষ হবে, জানাবেন কি ?
ধন্যবাদ, এমন একটা আয়োজনের জন্য এবং পাঠশালাটি সবার সামনে আনার জন্য।
সাদিক মোহাম্মদ আলম বলেছেন:
কালকে দেখা হবে যারা আসবেন। যারা আসতে পারছেন না, আপনাদের শুভকামনা এবং অবশ্যই আপনারা যাতে কোননা কোনভাবে স্কুলটিকে সহয়তা করতে পারেন সেই ধরনের একটা ডাইভার্স পরিকল্পনা / ব্রেইণ স্টর্মিং কালকে করার ইচ্ছে আড্ডাতে। তারপরে আপডেট পোস্টে জানানো যাবে। আশা করছি সবার সহায়তা পাবো।
রাতের বৃষ্টির শব্দ বলেছেন:
যাব একদিন।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...



















