আমার প্রিয় পোস্ট
- বোকা বাউলের পদ্য: নিজেকে ওভাবে মেলতে নেই - প্রণমি যীশু, মনসুর আল হাল্লাজ অথবা হুমায়ুন আজাদ - সাদিক মোহাম্মদ আলম
- সিংহপুরের ডায়েরী - সাদিক মোহাম্মদ আলম
- আমরা ভালো আছি - রাসেল ( ........)
- কুয়ালালামপুরের ডায়েরী: গোপালীয় খানাপিনা আর রোবোকন প্রতিযোগিতা - সাদিক মোহাম্মদ আলম
- কনক্রিটের সৌধে পুস্প দেওয়া ইসলাম সম্মত না - বলেছেন রাম সন্না। ধমর্ান্ধরা মুড়ি খাও - সাদিক মোহাম্মদ আলম
- কুরবাণী করতে হুকুম প্রাণ প্রিয় ধন। গরু ছাগল হইলো কি তোর এতই প্রিয় ধন? - ফিরে দেখা কুরবাণী - সাদিক মোহাম্মদ আলম
- আমাদের সক্রেটিস - আরজ আলি যেভাবে একজন আরজ আলি হয়ে ওঠেন - সাদিক মোহাম্মদ আলম
- ধর্মান্ধরা মুড়ি খাও: চাঁদ দেখতেই হবে? - সাদিক মোহাম্মদ আলম
- শেষ কবে আপনি একেবারে নতুন কিছু করেছেন? - সাদিক মোহাম্মদ আলম
- প্যারাডক্স : সব পূর্ব-নির্ধারিত (প্রিডেস্টিনেশন বা ভাগ্য) হলে আপনার আমার কি দোষ (শেষ বিচার, কর্মফল -এর ধারনা অর্থহীন )? - সাদিক মোহাম্মদ আলম
- অভিযানের নাম 'মেজবান সঙ্গে লইয়া ভ্রমন'। গন্তব্য শুভর বাড়ি এবং চতুর্থ মৃতু্যর উপাখ্যান - সাদিক মোহাম্মদ আলম
- 100তম পোস্ট: আগন্তুকের সাথে মৌন কথোপকথন - সাদিক মোহাম্মদ আলম
100তম পোস্ট: আগন্তুকের সাথে মৌন কথোপকথন
১৪ ই এপ্রিল, ২০০৬ দুপুর ১২:৪২
আগন্তুক: তোমার সমস্যাটা কি সাদিক? তুমি এতো ধর্ম নিয়ে কথা বলতে আগ্রহী কেন? তোমার ব্লগে 10 টার মধ্যে 8 টার বিষয়ই সেইটা। কাহিনী কি?
সাদিক: (ঐটা আমার পছন্দের বিষয়। বলতে পারেন সবচেয়ে পছন্দের।)
- ধর্ম ! এইটা কোনো পছন্দের বিষয় হইলো, ছি! তোমার বয়স 26, তুমি না প্রকৌশলী! এই বয়সে কাউকে ধর্ম আকর্ষন করে নাকি? জানো না বিজ্ঞান পড়লে ধর্মরে বুল শিট না করলে সেইটারে আধুনিকতা বলে না। তুমি থাকো একটা প্রথম বিশ্বের আধুনিক সেকুলার দেশে। তুমি উইকএন্ডে কেলাবে যাবা, এক গাদা বান্ধবী নিয়ে ঘোরাঘুরি করবা, মাঝে মধ্যে জিনিসপত্র খাইবা - তা না তোমার ঘর ভর্তি গীতা, কথামৃত, উপনিষদ, বাইবেল, বাহাই, সুফি বই, কোরানের এক গাদা অনুবাদ, আরো হাবিজাবি বই; এইসব কি?
: (ঐ যে বললাম ব্যক্তিগত পছন্দ।)
- তুমি আসলে একটা ঘোরের মধ্যে আছো বুঝলা। তোমার দেশে ধর্ম হইলো বুড়া মানুষদের রিটারমেন্টের পরে 'নাই কাজ তো খই ভাঁজ' একটা বিষয়। এই বয়সে তো তোমার পর্ণো, ক্লাবিং, মেয়েদের প্রতি উথাল পাতাল আকর্ষণ থাকার কথা। আর তুমি 180 ডিগ্রি ঘুইরা সুফি দর্শনে এত আগ্রহী; এইটার মধ্যে ঘটনা কি? আমি কনফিউজড!
: আমি উত্তর দেই না, স্মিত হাসি। (তবে আমার হাসি আগস্তুককে বিব্রত করে না; সে একই জোসের সাথে প্রশ্নবাণ ছুড়তে থাকে)
- তোমারে দেখতে তো কাঠমোল্লা মনে হয় না। কিন্তু তোমার আসলে আধুনিকতা সম্পর্কেও কোনো ধারনা নেই। আজকের দিনে আধুনিক মানে ঘোর ধর্ম বিরোধী, মুক্তমনা। যে যত ধর্মকে বাঁশ দিবে সে ততো ইন্টেলেকচুয়াল - এ্ইটাই তো এখনকার ট্রেন্ড। তুমি দেখি ট্রেন্ডও বুঝো না !
: (হাসি ধরে রেখেই আমি বলি, আমার কাছে ইন্টেলেকচুয়াল যে ভিন্ন জিনিস। আমি খুব একটা ট্রেন্ডিও নই। জামা কাপড়ের দিকে দেখিয়ে বললাম, এই কারনে খুব সস্তা কাপড়েই চলে যায়। হালফ্যাশন কখনোই আকর্ষন করে না। )
- ভিন্ন জিনিস, অ। আচ্ছা ভালো। তোমার ফ্যামিলি কি খুব ধার্মিক নাকি?
: ( না ফ্যামিলি তথাকথিত ভাষায় ধার্মিক নয়। তবে প্রকৃত অর্থে শিক্ষিত, নৈতিক এবং আদর্শবান। এছাড়া যে ধর্ম উত্তরাধিকার সুত্রে পাওয়া যায় এমন ধর্মে আমার বিশ্বাস নেই। আমি যা উপলব্ধি করবো, যা আমার হৃদয় উৎসারিত তাই হবে আমার ধর্ম। অন্যথায় তা নামে ধর্ম। এ কারনে আমি মুসলিম পরিবারে জন্মানোর পরেও সব ধর্ম সম্পর্কে জানতে কখনোই আগ্রহ হারাই নি। এমনকি জন্মসুত্রে সুনি্ন হওয়ার পরেও আমি শিয়া, আহমেদিয়া সবার দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কেই জানতে আগ্রহী। )
- তোমার ধারাবাহিক একটা পোস্ট হইলো গিয়া: ভাবের কথায় পেট ভরে না, মন ভরলেও ভরতে পারে। এইটার মানে কি?
: ( ওইটা ইচ্ছা করে নিজেরে নিয়ে নিজের টিটকারি বলতে পারেন। তৃতীয় বিশ্বের দেশ হওয়ায় আমাদের মধ্যে পেট ভরার একটা প্রবণতা বেশি থাকে। অর্থনৈতিক নির্ভর চিন্তাই আমাদের চেতনার একটা বড় অংশ জুড়ে থাকে। ভাবের কথা, দর্শন ইত্যাদি মনের খোরাক। কিন্তু আমরা সব সময় যেহেতু পেট এবং পকেট মুখী চিন্তাতে ব্যস্ত তাই আমি জানি যেকোন ধরনের ভাবের কথা কইতে গেলে পঁচা ডিম বা জুতো স্যান্ডেল আসতেই পারে মন্তব্যে। অনেকটা যেন তার জন্য পূর্ব প্রস্তুতিস্বরূপ ঐ টাইটেলটি। তার বেশি কিছু না। )
- তা সুফি আইডিয়া তোমারে এত টানে কেন? তুমি তো মোছলমান, সুফিগোতো মোল্লারাও দেখতে পারে না।
: (কম্পারেটেভি রিলিজিওন স্টাডি বা তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব থেকেই সুফিতে আগ্রহ। সুফিরা সব ধর্মের অনর্্তগত সত্যকে সুন্দর করে বুঝতে পারে, বোঝাতে পারে। মোল্লারা এক ট্র্র্যাকের মানুষ। তারা সুফির সার্বজনীনতাকে পছন্দ করে না বলেই দেখতে পারে না, এর মধ্যে রাজনীতিও আছে; তবে সেটা দীর্ঘ ইতিহাস। এছাড়া ব্যক্তিগত কিছু ছিন্ন বিচ্ছিন্ন ঘটনা আমাকে সুফি দর্শনের প্রতি টেনে নিয়ে এসেছে। তবে সেগুলো বড়ই ব্যক্তিগত, উপলব্ধিগত ব্যাপার। ভাষা এবং শব্দ দিয়ে বলতে গেলে মুশকিলে পড়বো। মাফ করবেন। )
- আচ্ছা আচ্ছা বুঝছি। পাগলে পাইছে আর কি! তো তোমার সবচেয়ে প্রিয় ধর্ম কোনটা?
: ( সবচেয়ে প্রিয়? সব ধর্মের দর্শনই আমাকে আকর্ষণ করে। সুফি আইডিয়ার দিকে তাকালে দেখবো যে পুরো মানবসভ্যতার সমষ্টিগত মানসিক বিবর্তনের (কালেক্টিভ হিউম্যান ইন্টেলেকচুয়াল ইভোলিউশন) উপরে ভিত্তি করে সত্য বিভিন্নভাবে প্রকাশিত হয়েছে। ধারন মতার উপরে ভিত্তি করে স্রষ্টা তার মহিমা বিভিন্নভাবে প্রকাশ করেছেন। সেই বিভিন্নতা থেকেই মানব সভ্যতার বিভিন্ন সময় এবং স্থানে ধর্মের বিভিন্ন রূপ। কিন্তু সত্য ঐ একটাই।
এই উপলব্ধিটা আসলে উপনিষদের একেশ্বরবাদীতা এবং ওল্ড টেস্টামেন্টের জিহোভা বা কুরাআনের আল্ল্লাহতে কোনো পার্থক্য দেখা যাবে না। তখন কে প্রিয় কে অপ্রিয় এই প্রশ্ন হারিয়ে যায়। সনাতন ধর্ম আমার খুব পছন্দের, মূল একেশ্বরবাদী বেদান্ত দর্শন। অনেক দিন কেটেছে গৌতম বুদ্ধার প্রেমে, লোকটাকে আমার খুব ভালো লাগে; রাজকুমার অথচ সন্নাসী। তাওবাদের মধ্যে সুফিবাদের ছায়া ব্যাপক। জেন বুদ্ধিজমেও তাই। শিখদের ঈশ্বরভক্তি চমৎকার। খ্রিস্টানদের খোদা প্রেমে সৃষ্টির সেবা নি:সন্দেহে স্রষ্টারও খুব পছন্দের। মিশনারীদের তাই মনে প্রাণে শ্রদ্ধা করি যতন তা থেকে রাজনীতি দূরে থাকে। ইহুদী ধর্মের সাথে কোনো শত্রুতা খুঁজে পাই না। ইহুদী মরমীবাদ খুব উচ্চমার্গের খোদা প্রেমের দর্শন। বাহাই ধর্মের সার্বজনীনতা দেখে মুদ্ধ হই। মানুষ মুহাম্মদের মানসিক দৃঢ়তা, অসাধারন মেধা ও জ্ঞান; অবহেলিত এতিম বালক থেকে অন্ধকার সমাজকে একলা আলোকিত সমাজে রূপদান করার যে বিশাল ক্যানভাসে সাফল্য তা দেখে বাক্য হারা হয়ে যাই। সুতরাং কোন ধর্ম প্রিয় বললে অন্যদের প্রতি অবিচার করা হবে।
সুফিদের ভাষায়, গন্তব্য সবারই এক; হয়তো যাত্রা পথেই ভিন্নতা। আর গন্তব্য যখন এক, তখন অমুক প্রিয় আর তমুক প্রিয় নাই বা বললাম। )
- সব ধর্ম এক - এ্ইটা একটা কথা কইলা। যত সব ননসেন্স!! যাও কও গিয়া মানুষরে, ডলা দিবো। আর নিজের ঘোর কাটাও বুঝলা। এই বয়সে আর দশটা মানুষ যা করে সেইডা করো, কামে দিবো। এইসব ব্যাকডেটেড, পৌরাণিক কাহিনী রেখে আধুনিক হও। আধুনিক, মডার্ন, সেকুলার এবং মুক্তবুদ্ধির হও। তোমার সব কথা ননসেন্স!
: (আমি আবারও হাসি। এবার হয়তো আগের চাইতে একটু বেশি। )
প্রকাশ করা হয়েছে: আমার দিনকাল বিভাগে ।
অরূপ বলেছেন:
অভিনন্দন!! শতকিয়া সাদিক!!
অতিথি বলেছেন:
অসাধারন লিখেছেন সাদিক ভাই... আপনার এই লেখাটা আমাদের একটা লিটল ম্যাগাজিন আছে (কোমলগান্ধার) .. ছাপাতে চাই... অনুমতি পাব?? ঃ-)
অতিথি বলেছেন:
ধন্যবাদ শোমচৌ। লন্ডনে বেড়াতে আসার ইচ্ছে আছে। আসবো নাকি বেড়াতে আপনার আঙ্গিনায়?
অতিথি বলেছেন:
থ্যাকস অরূপ। ত্রিভুজ, ছাপাতে পারেন। তবে একটা অনুরোধমূলক শর্ত আছে। ছাপা হলে দুটো কপি ডাকযোগে সিঙ্গাপুরে পাঠাতে হবে। রাজী থাকলে আওয়াজ দিয়েন।
অতিথি বলেছেন:
থাম্বস আপ সাদিক। শতকের শুভেচ্ছা।
অতিথি বলেছেন:
আত্মপক্ষ সমর্থনের সংলাপ সাজিয়ে শতক হাঁকানো খুবই চমৎকার হয়েছে। তবে বিপক্ষের প্রশ্ন/মন্তব্য রচনার সময় সাদিক যথেষ্ট নিরপেক্ষতা দেখাতে পারেননি। এতে ঐ চরিত্র শুরু থেকেই দুর্বল রয়ে গেছে। কিন্তু নিজের ব্লগজীবনকে সাদিক সুন্দর করে তুলে ধরতে পেরেছেন। শতক হাঁকানোর জন্য সাদিককে ধন্যবাদ।
অতিথি বলেছেন:
হাহা চেইঞ্জ হইনাই না তোরে ভাই। সব কিছু কি বাইরে দিয়া দ্যাখাইতে হয়। জোব্বা আর টুপি আমার পোষাক না তো!যখন প্রযুক্তি নিয়া লিখতাম তখনও এইসব হাবিজাবি নিয়া পড়তাম। তবে লেখার সুযোগ হয় নাই।
ইদানিং টেকনোলজি নিয়ে পড়াশুনা করা হয় না, তাই লেখাও হয় না। তবে দেশে ফিরলে আবার লিখতে পারি।
থ্যাকস মুর্শেন আর প্রযুক্তিবিদ।
হিমু বলেছেন:
অভিনন্দন সেঞ্চুরিয়ান সাদিক।
মাশীদ বলেছেন:
অভিনন্দন সাদিক্কা!
সাইমুম বলেছেন:
যে কাঠ আজও জ্বলেনি তাকে আগুন নাম দেই কি করে? আরেকটু জ্বলুন। সেঞ্চুরি আপনার ব্লগ জীবনের শুরুও নয়, শেষও নয়। তাই দোষ করার আগে আপনার বিচার করি কিভাবে? আর আমি পাপী না থাকলে আপনি ক্ষমাই বা কাকে করবেন?আইডেন্টিটি হিসাবে যারা ছবি ছাপাতে পারে না অথচ নাস্তিক সাজে, সেই ভন্ডদের পারলে ক্ষমা কইরেন। তাদেরকে একটু বুঝাইয়া কইয়েন, যে বৃদ্ধ সাপ নিজেই খোলস ছাড়তে পারে না , সেতো পৃথিবীর সবাইকে উলঙ্গ মরে করে। ধন্যবাদটা আপনার মরমিয়া ব্যাংকে পাঠাইলাম। ওখান থেকে তুইল্যা নিয়েন।
অতিথি বলেছেন:
অবশ্যই.. কেন নয়? ঃ-)আমার ইমেইলে আপনার পোষ্টাল এড্রেসটি দিবেন। আর এমএসএস আইডিটা দিলে আরো ভালো হয়।
eMail:
ভাল কথা... আমাদের লিটল ম্যাক তিন চার মাস পর পর বের করি আমরা। বিভিন্ন কাজে ও পড়াশুনায় ব্যাস্ত থাকার দরুন সময় হয়ে উঠে না। এবারের সংখ্যাটা হয়তো খুব তারাতারি বের করব। এমএসএন এ কথা হবে আশা করি।
ভাল থাকবেন।
অতিথি বলেছেন:
শতকের শুভেচ্ছা সাদিক কে, সাথে নতুন বছরের ও
অতিথি বলেছেন:
অভিন্দন সাদিক । আমি আপনার লেখার নিয়মিত পাঠক । লিখতে থাকুন । অনেকগুলো বিষয়ে নতুন করে ভাবার তাগীদ পাওয়া যায় আপনার লেখা থেকে । আর যেটা সবচাইতে বেশী ভালো লাগে তা হলো আপনার স্বতন্ত্র বাকভঙ্গি । আপনার লেখনির জয় হোক !
অতিথি বলেছেন:
সাদিক,আপনার লেখা খুব ভাল লাগে। সবসময় পড়তে না পারলেও একটু চোখ বুলিয়ে নিতে ভুল হয় না। সুফী সাধনায় আমি জড়িত না, কিন্তু পরিমিত সম্পৃক্তির মধ্যে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে বলে আমার মনে হয়। ধর্ম ভাবনার যে বিশ্বজনীন একটা আবেদন আছে যা সকল নেতিবাচকতাকে অতিক্রম করে আপনার লেখায় উদ্ভাসিত হয়ে উঠে-এখানেই আপনার বিশেষত্ব ও কৃতিত্ব। শুধু শতকের অভিনন্দন নয়, প্রার্থনা আরও লেখার আর আলোকিত করার সুযোগ বিধাতা আপনাকে দিক। ভাল থাকুন।
অতিথি বলেছেন:
অভিনন্দন সাদিক! সুফী তত্ত্ব আমার জন্য একটু বেশি এবস্ট্রাকট, তবে মাঝে মাঝে পড়তে ভালই লাগে
। আরেকটা শতকের অপেক্ষায়...
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
অভিনন্দন সাদিক্যা, এইটা একডা ইন্টারভিউ হইল! আয়নার সামনে খাড়াইয়া কথোপকথন- প্রকারান্তরে এই কয়দিন যা হাবিজাবি লিখছস তার জাস্টিফিকেশন ও স্টাবলিশমেন্ট। তারপরও ভালো পাইছি- যুগ যুগ লিখো..
অতিথি বলেছেন:
এক একর শুভেচ্ছা।
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
সুমন চৌধুরীর বক্তৃতা কই?ৎ
অতিথি বলেছেন:
প্রিয়, শ্রদ্ধেয় অগ্রজ এবং ভালোবাসার সব্বাইকে ধন্যবাদ; অভিনন্দনের আর শুভেচ্ছায় সিক্ত করার জন্য।ধন্যবাদ হিমু, মাশীদ, সাইমুম, হাসান, আড্ডাবাজ, রিপন, আস্তমেয়ে, অমি পিয়াল আর রাসেল আপনাদের সবাইকে। সবাই ভালো থাকবেন। সব্বার প্রতি লুকোপিছা বিহীন নির্ভেজাল এবং নি:স্বার্থ ভালোবাসা।
অতিথি বলেছেন:
এই রে সুমন ভাইকে ধন্যবাদ জানাতে ভুলে গেছি। ক্ষমা মহৎগুন সুমন ভাই। আমিও আপনার লেখার বড় ভক্ত। আমার বাংলার যে বেহুদা দশা, আপনার লেখা আমাকে বারবার লজ্জিত করে। মনে হয় নিজের ভাষাটাকেও ঠিক মতো গুছিয়ে লিখতে পারি না। আপনার লেখনী থেকে তাই প্রতিদিন মুদ্ধ হই, শেখার চেষ্টা করি। আপনিও অনেক লিখবেন, আমাকে অন্তত আরেকটু ভাষা জ্ঞান পোক্ত করতে সাহায্য করবেন। আপনার শব্দ চয়ন অসাধারন।


















