আমার প্রিয় পোস্ট

খুব জরুরী না ...

শেষ কবে আপনি একেবারে নতুন কিছু করেছেন?

২৩ শে এপ্রিল, ২০০৬ সকাল ৯:০৬

শেয়ার করুন:                   Facebook

ইংরেজীতে লাইনটি যত সহজে প্রকাশ করা যায়, বাংলায় একটুকষ্টই হলো শিরোনামটি লিখতে। ইংরেজীতে লাইনটি এরকম: when was the last time you did something for the first time?


জীবন একটা অসাধারন সুন্দর উপহার। কিন্তু আমরা মাঝে মধ্যে নিজেদের এতটাই বাক্সবন্দী করে ফেলি যে জীবনের গান ধীরে ধীরে একসময় থেমে যায় (অথবা থেমে যায় না, আমরা শোনার ক্ষমতা নষ্ট করে ফেলি)। আমরা জীবনের মানে হারিয়ে ফেলি, হারিয়ে ফেলি সব রঙ।

তাই এই প্রশ্নটি জীবনের সব রঙ আর অর্থকে ফিরিয়ে আনার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। শেষবার কখন আপনি নতুন কিছু করেছেন, যা আগে কখনো করেন নি?

জীবন একটা চমৎকার ডাইনামিক প্রসেস। জীবন প্রতিদিন, প্রতি মুহুর্ত নতুন অভিজ্ঞতায় সিক্ত হতে চায়। তাই জীবনে নতুন অভিজ্ঞতা দিলে সে সমৃদ্ধ হয়। নতুন কোনো কিছু করার মাধ্যমে জীবনে আমরা নিজেদের দম বন্ধ জীবনে নতুন বিশুদ্ধ বাতাস দিতে পারি। নতুন কিছু কি?

একদম সাধারন ব্যাপার। আপনি হয়তো ছেলে। মা প্রতিদিন টেবিলে খাবার দেয়, আপনি খেয়ে উঠে যান। একদিন মায়ের রান্না র সময়ে মায়ের সাথে থাকুন, তার সাথে থেকে একটা আইটেম রান্না করুন। ভালোবেসে রান্না করাও যে খুব উপভোগ্য একটা কাজ হতে পারে সেটা আবিস্কার করুন।

একদিন খুব ভোরের বেলা উঠে ছাদে চলে যান। সূর্য ওঠার মুহুর্তটা উপভোগ করুন। জীবনে প্রথমবারের মতো প্রভাতের প্রার্থনাটি মসজিদে গিয়ে করুন। সূর্য ওঠার আগে সারা শহর ঘুমন্ত অথচ অল্প কয়েকজন মানুষ স্রষ্টাকে স্মরন করছে উপাসনার মাধ্যমে। মুহুর্তটি উপভোগ করার মতই। মসজিদের ঠান্ডা মাটিতে কপাল স্পর্শ করে স্রষ্টার সামনে মাথা নত করার অনুভুতিটি ধরে রাখুন।

আগে থেকে পরিকল্পনা না করে অপরিচিত রুটের একটা বাস নিয়ে শহর ছাড়িয়ে অপরিচিত একটা জায়গা থেকে ঘুরে আসুন। একদম অপরিচিত, একদম অপরিকল্পিতভাবে। দেখবেন একদম নতুন জায়গা দেখার আনন্দ কতটা।

কখনো একজন রিক্সা ওয়ালাকে 200 বা 500 টাকা দেননি। একদিন বয়স্ক একজন রিক্সা চালককে এরকম অপ্রত্যাশিত বড় অংকের টাকা দিয়ে তার চোখে অপ্রত্যাশিত খুশিটুকু উপভোগ করুন।

একদিন ফুটপাত থেকে বাচ্চাদের ছবি আঁকা একটা পুরনো বই কিনে ময়লা কুড়ানো ঐ টোকাইকে উপহার দিন। আপনি জানেন না আপনি ঐ শিশুর জীবনকে পালেটও দিতে পারেন নিজের অজান্তে। তার রেললাইনের বস্তিতে ঐ বইটি ঘিরে কতগুলো আগ্রহী শিশুর চোখ তাকিয়ে থাকবে সেই বিকেলে, আপনি হয়তো ভাবতেও পারবেন না।

এরকম যেকোন কিছু হতে পারে আপনার প্রথমবারের মতো করা নতুন কিছু। আপনি নিজেই ঠিক করুন। কিন্তু বটম লাইন হলো, একটা নতুন কিছু করুন। অসম্ভব সুন্দর এই জীবনকে নতুন কিছু উপহার দিন। প্রতি মুহুর্তের সাথে সাথে জীবনের অসাধারন মুহুর্তগুলো আমরা হারিয়ে ফেলছি। আর কত দেরী করবেন?

 

প্রকাশ করা হয়েছে: আমার দিনকাল  বিভাগে ।

 

  • ২৬ টি মন্তব্য
  • ৮৬৪ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৬ বিকাল ৩:০৪
comment by: সাইমুম বলেছেন: স্বর্ণঈগল উড়ে যায়, নতুন ভোরের প্রয়োজনে। পদাতিক ইচ্ছেরা দাঁড় টানে।
২. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৬ বিকাল ৩:০৪
comment by: অতিথি বলেছেন: সাদিক আমার একটা হা-হুতুশ করা লেখা এই মাত্র পোস্ট করতে গিয়ে দেখি আপনার লেখাটা। আমি পোস্ট না করে পড়ে গেলাম এবং অভিভূত হলাম। আপনি আশ্চর্য হবেন যে আমি এমন কাজ আমার এক বন্ধু তখন সে বরিশাল মেডিকেল কলেজে পড়তো তাকে নিয়ে সেই 1996 সালে হুটহাট করে বসতাম। আজকে তার সাথে আমার খুব কম যোগাযোগ হয়। জানি না তার মধ্যে এই প্রবণতা আছে কিনা। কিন্তু এখনও আমি এমন করি। ভীষণ ভালো লাগে। নিজেকে নুতন করে প্রত্যাশা করা যায়।

অনেক অনেক ধন্যবাদ। লেখাটা এখন আর পোস্ট করছি না। আপনার লেখাটা অনেকক্ষণ দেখতে চাই যথাস্থানে।
৩. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৬ বিকাল ৩:০৪
comment by: অতিথি বলেছেন: অসাধারন। অসাধারন।

দেবদূতেরাও সেদিক আপনাদের দেখে ঈষর্াণি্বত হয়েছিলো। বিশ্বাস করুন।

এই প্রসঙ্গে একটা প্রিয় উদ্ধৃতি মনে পড়ে গেলো: Some one asked the Prophet Muhammad, What actions are most excellent?

He replied, To gladden the heart of a human being, to feed the hungry, to help the afflicted, to lighten the sorrow of the sorrowful, and to remove the wrongs of the injured.

আপনি ঠিক সেরা কাজটিই করেছেন। আরেকজন মানুষের হৃদয়কে আনন্দের আলোতে উদ্ভাসিত করেছেন।
৪. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৬ বিকাল ৩:০৪
comment by: অতিথি বলেছেন: সেদিন যথানিয়মে আমি আর মনির ফিরছিলাম বাসায়। 1ঘন্টার বাস জার্নি। আমাদের সামনের সিটে ছিলেন এক দরিদ্র পিতা তার স্ত্রী ও কন্যা সনত্দানকে নিয়ে। বাচ্চাটার বয়স 8/9 হবে। ফেরিঘাটে বাস থামার সাথে সাথে অনেক ফেরিওয়ালা এটা সেটা নিয়ে উঠতেই মেয়েটার কান্না শুরু হলো তার পুতুল চাই। বাবা কিনে দিতে পারছিলেন না, আর আমাদের পকেটও ফাঁকা। কথা প্রসংগে জেনে নিলাম তাদের বাড়ীর ঠিকানা। পরের দিন তাদের বাড়ী রওনা হলাম। যতটা সহজ বলাতে মনে হয়েছিল তার চেয়ে অনেক কঠিন গ্রামের রাসত্দা। 4/5 মাইল হেঁেট বাড়ীতে পৌছুলাম মেয়েটির। সাথে বড় একটা পুতুল আর খেলনা গাড়ী। মেয়েটার বাবা-মা ডেকে আনলো পাড়া-পড়শী। মনে হলো আমরা দেবদূত হয়ে গেলাম। দূপুড়ে খাইয়ে তবে ছাড়লো। ভীষণ ভালো একটা দিন গিয়েছিল সেদিন।
৫. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৬ বিকাল ৩:০৪
comment by: অতিথি বলেছেন: সাইমুম আপনি কবিতা লেখেন না কেন? লেখলে ফাটাতেন, কোন সন্দেহ নাই।

কৌশিক আপনি পোস্টটাকে স্বার্থক করলেন। আপনার হুটহাট কাজগুলো নিয়ে একটা পোস্ট লিখেন। পড়তে উপভোগ্য হবে।
৬. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৬ বিকাল ৪:০৪
comment by: অতিথি বলেছেন: শেষ বার? ঝিনুক খেয়েছি মনে হয়। বেশি চিবুতে হয়েছে... এমনি মজাই।
মমম... অপরিচিত রুটের বাস, ট্রেইন ধরে প্রায়েই শেষ মাথায় চলে যাই...
মানুষকে অপ্রত্যাশিত আনন্দ দিতেও দারুণ লাগে...
৭. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৬ বিকাল ৪:০৪
comment by: অতিথি বলেছেন: শওকত, সবসময় যদি করে থাকেন, তাহলে তো আর নতুন থাকলো না!

সবসময় নতুন মানুষের সাথে পরিচিত হওয়াও তাই আর নতুন কাজ নেই। যেহেতু এটা প্যাটার্নে পড়ে গেছে। এবারে এক্কেবারে নতুন কিছু করুন। জানিয়ে জেয়েন কেমন লাগলো ।
৮. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৬ বিকাল ৪:০৪
comment by: অতিথি বলেছেন: এধরনের লেখা পড়লে মনটাই অন্যরকম হয়ে যায়... আমি একটু তর্ক করতে যাচ্ছিলাম ডারউইন নিয়ে আজকের লেখাটা নিয়ে... তর্ক করার মুডটাই চলে গেল....
ধন্যবাদ সাদিক ও কৌশিক ভাই কে..... ঃ)
৯. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৬ বিকাল ৪:০৪
comment by: অতিথি বলেছেন: সাদিক,
আপনার পোস্টটা পড়ে মনটাই ভালো হয়ে গেলো। বিশেষ করে বয়স্ক একজন রিক্সাওয়ালাকে অযাচিত সাহায্য করা, একটি পরিক্ষিত পদ্ধতি মনটাকে প্রফুল্ল করার জন্যে।

কৌশিককেও ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্যে।
১০. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৬ বিকাল ৪:০৪
comment by: শওকত বলেছেন: মানুষ মানুষের জন্য . . .
জীবন জীবনের জন্য . . .
১১. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৬ বিকাল ৪:০৪
comment by: শওকত বলেছেন: ভাইরে,নতুন কিনা জানি না,তবে আমি সব সময় নতুন নতুন মানুষের সাথে পরিচিত হতে ভালোবাসি আর রিকশাওয়ালা ভাইদের নির্দিষ্ট ভাড়া থেকে 1-2 টাকা বেশি দেওয়ার চেষ্টা করি এবাবে আরো কত... নিজের কথা নিজেই বলছি কি লজ্জ্বা !
১২. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৬ বিকাল ৪:০৪
comment by: সাইমুম বলেছেন: ভাইজান, ভালো প্রস্তাব দিছেন। কবিতা লিখবো? একটা লেইক্যা দিলাম:
ক্ষমা করো মহাদেবী 1400 সাল
কবিতা লিখতে তখন
'বকিতা' খেলছি এখন।
ধন্যবাদ।
১৩. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৫:০৪
comment by: অতিথি বলেছেন: গতকাল সাদিকের লেখা পড়ে যখন অফিস থেকে বেড়ুচ্ছি তখন রাত্র সাড়ে সাতটা। মনে মনে ভাবছি আজ কিছু একটা নতুন কিছু করবো। অফিসের গাড়ীতে সোজা বাসার ফটকের সামনে। কারো সাথে দেখাই হলো না। আর চোখেও দেখলাম না কিছু। কারণ ঘুমিয়ে ছিলাম। বাসায় কেউ নেই। খবর আর রাতের খাবার গরম করতে করতে দশটা বাজে। কিছু আর নতুন করা যাচ্ছে না। তার চে দেখি অন্যলোকের কিছু নতুন কিছু কাজ দেখা যায় কিনা। একটা ছবি ছিল ঘরে। ক্রাস। দেখবো দেখবো করে ছবিটা দেখা হয় নাই। দেখতে বসে মনে হলো একটা মহাকাব্যের চলচিত্রায়ন দেখছি। একটা দৃশ্যে বর্ণবাদী পুলিশ অফিসারকে তার হাতে যৌন নির্যাতিত মহিলাকে দূর্ঘটনার নিপতিত গাড়ীর মধ্যে থেকে উদ্ধার করতে হয়। পুলিশটি একসময় মহিলাটির শরীরে তল্লাশীর সুযোগে হাত চালিয়েছে; আজ তাঁকে বাচানোর জন্য শরীর স্পর্শ করেছে। এবার মহিলা পুলিশের স্পর্শে পেয়েছে বেঁচে থাকার মন্ত্র। যা পরিবর্তন তা হয়েছে পুলিশের এক্সপ্রেশনে, উপলব্ধিতে। আমার মনে হলো সাদিকের কথা। পুলিশটি নিশ্চয়ই নুতন একটা কিছু করার আনন্দে তখন জীবনের মানে খুঁজে পেয়েছে।

কিছু করতে পারি নাই সত্যি কিন্তু ছবিটা দেখে দুঃখ ঘুচলো!
১৪. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৬ দুপুর ১২:০৪
comment by: অতিথি বলেছেন: সাদিক ভাই, কথাটা বোধহয় এরকম - when was the last time you did something for the first time?

এক বৃহন্নলার সাথে ক্ষানিকক্ষন কথা বলেছিলাম । খুবই ভালো মানুষ ।
১৫. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৬ দুপুর ১২:০৪
comment by: অতিথি বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ কৌশিক আপনাকে। আগুনের পরশমনি ছুঁয়ে দিক আপনার জীবনে, পূর্ণ হোক এ জীবন।

গরীবের আবার কয়লা (কি দারুন নাম!): ধন্যবাদ একদম সঠিক ইংরেজীটা ধরিয়ে দেওয়ার জন্য। আপনার কথামতো সংশোধন করে দিলাম।

বৃহন্নলাকে শুভেচ্ছা।
১৬. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৬ দুপুর ১:০৪
comment by: অতিথি বলেছেন: ইস ভুল নাম লেখার জন্য দু:খিত। গরীবের আবার কলেরা হবে।
১৭. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৬ দুপুর ২:০৪
comment by: অতিথি বলেছেন: সাদিক ভাই, you're very generous. i'm really intrigued with the fact that you took the trouble to apologize about misspelling my nick. don't worry about that brother. that's just a stupid nick! anyway, i'm here to extend my appreciation to you for choosing my caption..'here, Lord, here!' for your pic. i'm pleasantly surprised. so wonderfully nice of you. cheers!
১৮. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৬ রাত ৯:০৪
comment by: হুমমম... বলেছেন: হুমমম.... করলাম তো। এইযে এখানে নিক রেজিঃ করলাম। এইটা আগে কহনো করি নাইক্কা
১৯. ১৯ শে জুলাই, ২০০৬ বিকাল ৪:০৭
comment by: অতিথি বলেছেন: গরীবের আবার কলেরা, অনেক দিন পরে আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ দিচ্ছি। ক্ষমা করবেন কিন্তু।

হুমমম... আপনি কই হারিয়েছেন? নাকি অন্য কোন নতুন নামে লিখে চলেছেন?
২০. ২২ শে মে, ২০০৭ রাত ১:১৮
comment by: সমুদ্রের উত্তাল তরঙ্গ বলেছেন: সাদিক ভাই, আপনার এই লিখাটা পড়ে মনটা ভালো হয়ে গেল। এই লিখাটার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
২১. ২৩ শে মে, ২০০৭ সকাল ১০:২২
comment by: সাদিক মোহাম্মদ আলম বলেছেন: ধন্যবাদ তরঙ্গ। অনেক পুরানো লেখা আপনার চোখে ক্যামনে পড়লো সেইটাই বিস্ময়!
২২. ২৪ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:০৮
comment by: শ্যাজা বলেছেন: যাত্তেরি:-(((

বড়সড় একখান কমেন্টো দিলাম , উড়িয়া গেলো গা?! :-((
২৩. ২৪ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:০৯
comment by: শ্যাজা বলেছেন: আইজ আর কমু না, পরে কুনু সময় কমু নে।
২৪. ২৪ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:১৮
comment by: সুমি বলেছেন: সময়ের নাম বয়ে গড়িয়ে পড়ে জীবন নামের পালিত সময়---
এখন লিখলাম আপনার জন্য--
জানিনা কেমন হল
২৫. ২৯ শে জুলাই, ২০০৭ রাত ১:২৮
comment by: শরীফ আবদুল্লাহ বলেছেন: অসাধারণ !
২৬. ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৫৩
comment by: বিবর্তনবাদী বলেছেন: সত্যিই অসাধারণ

 



 


পাগলামী থাকা না থাকা
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৬৬৫১৬