আমার ব্লগ পড়ে মনে হতে পারে, আমি সবকিছু না বোধক চিন্তা করি। কিন্তু পড়ে দেখুন আপনারা বাস্তবতা আমাকে কি শিখাইছে।
সৃজনশীল প্রশ্ন: মুখস্তের দ্বিতীয় ইনিংস
আমাদের দেশের জ্ঞানী-গুনী ব্যাক্তিরা দেশে নতুন প্রশ্নের আলোকে ২০১০ সনের এস.এস.সি পরীক্ষা নিতে চাইছেন। তাদের অভিমত, যে শিক্ষার্থী দের মুখস্ত বিদ্যা যাতে ব্যবহার করা না লাগে।
আমার প্রশ্ন হল, মুখস্ত না করে বাংলাদেশে কে এস.এস.সি পাশ দিছে?
যে দেশের শিক্ষক থেকে শুরু করে ছাএ রা সবাই কমবেশী মুখস্ত করে সে দেশী কিভাবে এমন একটা ব্যাবস্থা চালু করা হচ্ছে।
সৃজনশীল প্রশ্ন যদি এখনও কোনো শিক্ষদের করা হয় , তাইলে তারা তার উওর দিতে পারবে না। আমি নিজেও আটকে যাব ।
হঠাৎ করে কেন সৃজনশীল প্রশ্ন:
বিগত বছর গুলিতে আমাদের সরকার দাতা সংস্থা দের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিছিলো- প্রশ্নপএ পরিবর্তন করে পরীক্ষা নেবে বলে। প্রথমে করা হলো, একমুখী শিক্ষা। সেটা কিছু বিবেকবান মানুষদের জন্য সম্ভব হল না। পরে প্রায় ৩০০-৪০০ কোটা টাকা নিয়ে বলা হল যে , নতুন অর্থাৎ সৃজনশীল প্রশ্ন এর আলোকে পরীক্ষা নেয়া হবে।
কারন : সরকার কোনো প্রকার প্রস্তুতি না নিয়ে , দায়সারা ভাবে নতুন একটি পদ্বতি শিক্ষার্থীদের গছিয়ে দিতে চায়। তারা যে ৩০০-৪০০ কোটা টাকা মেরেছে ,সেটাকে হালাল করার জন্য এই ব্যাবস্থা।
সৃজনশীল প্রশ্ন ও সুশীল সমাজ !!! :
জাফর ইকবাল থেকে অনেক জ্ঞানী-গুনী ব্যাক্তিরা যারা কিনা কথিত সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, তারা বলতেছেন যে-সৃজনশীল প্রশ্ন আলোকে পরীক্ষা নেয়া হলে দেশের শিক্ষার্থীদের মুখস্ত প্রবনতা কমবে, কোচিং এর প্রভাব কমবে, প্রাইভেট পড়তে হবে না। তারা কি ভেবে দেখেছেন যে, যে দেশে ক্লাস রুমে শিক্ষার্থীদের অংক করে দেয়া হয় না, বলা হয়- বাসায় এসে বুঝো। সে খানে কিভাবে এমন একটা ব্যাবস্থা নেয়া হচ্ছে।
(আমি যখন ক্লাস টেনে ছিলাম, আমার অংকের শিক্ষক মোখলেছ স্যার আমাদের একটা অংক ও ক্লাসে শেষ করাতে পারেন নি। আমার স্কুল সিলেট গভ. পাইলট হাই স্কুল)
কিছু বাস্তব কাহিনী নিয়ে আগামীকাল আরেকটি পোস্ট দিব।
সৃজনশীল প্রশ্ন কিভাবে মুখস্তের দ্বিতীয় ইনিংস কাল প্রকাশ করছি।
*** আমার লেখা কিছুটা অগোছাল মনে হতে পারে। আমি কখনও গুছিয়ে লিখতে পারি না। তাই, আপনাদের মন্তব্য কাম্য***
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


