আমার প্রিয় পোস্ট

সৃজনশীল প্রশ্ন: মুখস্তের দ্বিতীয় ইনিংস -১ পর্ব

৩১ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৮

শেয়ারঃ
0 0 0

আমার ব্লগ পড়ে মনে হতে পারে, আমি সবকিছু না বোধক চিন্তা করি। কিন্তু পড়ে দেখুন আপনারা বাস্তবতা আমাকে কি শিখাইছে।

সৃজনশীল প্রশ্ন: মুখস্তের দ্বিতীয় ইনিংস

আমাদের দেশের জ্ঞানী-গুনী ব্যাক্তিরা দেশে নতুন প্রশ্নের আলোকে ২০১০ সনের এস.এস.সি পরীক্ষা নিতে চাইছেন। তাদের অভিমত, যে শিক্ষার্থী দের মুখস্ত বিদ্যা যাতে ব্যবহার করা না লাগে।

আমার প্রশ্ন হল, মুখস্ত না করে বাংলাদেশে কে এস.এস.সি পাশ দিছে?

যে দেশের শিক্ষক থেকে শুরু করে ছাএ রা সবাই কমবেশী মুখস্ত করে সে দেশী কিভাবে এমন একটা ব্যাবস্থা চালু করা হচ্ছে।

সৃজনশীল প্রশ্ন যদি এখনও কোনো শিক্ষদের করা হয় , তাইলে তারা তার উওর দিতে পারবে না। আমি নিজেও আটকে যাব ।

হঠাৎ করে কেন সৃজনশীল প্রশ্ন:

বিগত বছর গুলিতে আমাদের সরকার দাতা সংস্থা দের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিছিলো- প্রশ্নপএ পরিবর্তন করে পরীক্ষা নেবে বলে। প্রথমে করা হলো, একমুখী শিক্ষা। সেটা কিছু বিবেকবান মানুষদের জন্য সম্ভব হল না। পরে প্রায় ৩০০-৪০০ কোটা টাকা নিয়ে বলা হল যে , নতুন অর্থাৎ সৃজনশীল প্রশ্ন এর আলোকে পরীক্ষা নেয়া হবে।

কারন : সরকার কোনো প্রকার প্রস্তুতি না নিয়ে , দায়সারা ভাবে নতুন একটি পদ্বতি শিক্ষার্থীদের গছিয়ে দিতে চায়। তারা যে ৩০০-৪০০ কোটা টাকা মেরেছে ,সেটাকে হালাল করার জন্য এই ব্যাবস্থা।


সৃজনশীল প্রশ্ন ও সুশীল সমাজ !!! :

জাফর ইকবাল থেকে অনেক জ্ঞানী-গুনী ব্যাক্তিরা যারা কিনা কথিত সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, তারা বলতেছেন যে-সৃজনশীল প্রশ্ন আলোকে পরীক্ষা নেয়া হলে দেশের শিক্ষার্থীদের মুখস্ত প্রবনতা কমবে, কোচিং এর প্রভাব কমবে, প্রাইভেট পড়তে হবে না। তারা কি ভেবে দেখেছেন যে, যে দেশে ক্লাস রুমে শিক্ষার্থীদের অংক করে দেয়া হয় না, বলা হয়- বাসায় এসে বুঝো। সে খানে কিভাবে এমন একটা ব্যাবস্থা নেয়া হচ্ছে।

(আমি যখন ক্লাস টেনে ছিলাম, আমার অংকের শিক্ষক মোখলেছ স্যার আমাদের একটা অংক ও ক্লাসে শেষ করাতে পারেন নি। আমার স্কুল সিলেট গভ. পাইলট হাই স্কুল)

কিছু বাস্তব কাহিনী নিয়ে আগামীকাল আরেকটি পোস্ট দিব।

সৃজনশীল প্রশ্ন কিভাবে মুখস্তের দ্বিতীয় ইনিংস কাল প্রকাশ করছি।

*** আমার লেখা কিছুটা অগোছাল মনে হতে পারে। আমি কখনও গুছিয়ে লিখতে পারি না। তাই, আপনাদের মন্তব্য কাম্য***


 

সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ৩১ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৮
রফিকুল ইসলাম সোহেল বলেছেন: আমার লেখা কিছুটা অগোছাল মনে হতে পারে। আমি কখনও গুছিয়ে লিখতে পারি না।
********************
এইটাই মুখস্থ করার কুফল।

সানন্দে মাইনাস।
৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:১০

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্য আপনার চেহারা ফুটিয়ে তুলল।

ধন্যবাদ।

৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:০৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৩. ৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:১৮
রফিকুল ইসলাম সোহেল বলেছেন: লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্য আপনার চেহারা ফুটিয়ে তুলল।

---------------------
আপনার লেখা আপনার মুখস্থবিদ্যার প্রতি ভালোবাসা ফুটিয়ে তুললো।
৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:৩৩

লেখক বলেছেন: আপনি তাইলে আমার লেখার অর্থ ধরতে পারেন নি।

আগে বুজুন। তারপর মন্তব্য করবেন।

৪. ৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:২০
এলোমেলো মন বলেছেন: সৃজনশীল প্রশ্ন পদ্ধতি ঠিক আছি বলে মনে করি।
এখনকার শিক্ষকরা পারবেন না বলে এটাকে থামিয়ে দেওয়ার কিছুই নেই।যদি সেই যোগ্য শিক্ষকের অপেক্ষা করি তবে এই জীবনে আর শিক্ষার মান উন্নত হবেনা।
ঠেলায় পড়লে তারা নিজেদের শোধরাতে বাধ্য হবে।
৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:৩৫

লেখক বলেছেন: মাএ ১২ হাজার শিক্ষক এই বিষয়ে প্রশিক্ষন পাইছে। আরও লাখ তিনেক শিক্ষক বাকী। আপনি বলেন ? কি করা উচিৎ?

৫. ৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:২৪
সততার আলো বলেছেন: মুখস্ত করা আমার কাছে সব সময়ই অসহ্য লাগে। বিড়বিড় করে পড়া মুখস্ত করিনি। বরং একটা বিষয় নিয়ে অনেকক্ষন অধ্যয়ন করে তা সম্পুর্ন আয়ত্ব করাটা আমার স্বভাব।

সৃজনশীল প্রশ্ন যদি মুখস্তের প্রতি প্রবণতা দুর করতে পারে তবে তা-ই ভাল। মুখস্তবিদ্যার উপর নির্ভরশীলতা শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য থেকে ছাত্রছাত্রীদের অনেক দুরে নিয়ে যায়। আগে যে পদ্ধতি ছিল সে পদ্ধতি সত্যিই খুব খারাপ ছিল। আমি মুখস্ত করতে পারতাম না বলেই সব পরীক্ষায় মধ্যম ফলাফল করতাম।
৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:৩৯

লেখক বলেছেন: সৃজনশীল প্রশ্ন যদি মুখস্তের প্রতি প্রবণতা দুর করতে পারে তবে তা-ই ভাল। মুখস্তবিদ্যার উপর নির্ভরশীলতা শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য থেকে ছাত্রছাত্রীদের অনেক দুরে নিয়ে যায়। আগে যে পদ্ধতি ছিল সে পদ্ধতি সত্যিই খুব খারাপ ছিল। আমি মুখস্ত করতে পারতাম না বলেই সব পরীক্ষায় মধ্যম ফলাফল করতাম ----

সৃজনশীল প্রশ্ন যদি মুখস্তের প্রতি প্রবণতা দুর করতে পারে তবে তা-ই ভাল।???????

আমার একটাই কথা - যে পদ্বতি ভাল সেটা যাতে প্রয়োগ করা হয়।

কাল কের পোস্ট টা পড়ে দেখবেন। কি জন্য আমি এর বিপক্ষে ।

ধন্যবাদ

৬. ৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:২৭
সততার আলো বলেছেন: ইউনিভার্সিটিতেই পড়াশুনার চরম উৎকর্ষ সাধিত হয় বলে আমার ধারনা। কেননা এখানকার পড়াশুনার প্লাটফর্ম হল পুরো পৃথিবী। ভার্সিটির পড়াশুনা মুখস্তের চেয়ে কনসেপ্টের উপর বেশি নির্ভর করে। ছোটবেলা থেকেই এর অনুশীলন হওয়া প্রয়োজন।
৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:৩২

লেখক বলেছেন: আপনার সাথে একমত।

ধন্যবাদ

৭. ৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:৪১
এলোমেলো মন বলেছেন: কি করা উচিত?
বন্ধ কইরা দেওয়া উচিত???
বাংলাদেশে কোন জিনিসটা শুরু করার আগে সব রিকোয়ারমেন্ট রেডীমেড বানানো পাইসেন? বলেন।
নাকি আগে শুরু করার পর আস্তে আস্তে প্রয়োজনীয় সবকিছু সাধ্যমত জোগাড় করা হয়েছে।
বাংলাদেশে আপনি আমি যে সব বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি সেখানে কয়জন মান সম্মত টিচার এবং প্রয়োজনীয় সব উপকরন আছে?তাহলে কি সেই সব বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ কইরা দেওয়া উচিত?

আমাদের এইটা ৩য় বিশ্বের দেশ মনে রাইখেন।এখানে যাহা খুশী তাহা পাওয়া প্রায় অসম্ভব।সাধ্য মত যতটুকু সম্ভব তাহা আস্তে আস্তে করতে তো সমস্যা নাই।
৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:৪৪

লেখক বলেছেন: বই থেকে শুরু করে প্রতিটি উপকরন বদলাতে হবে। পড়াশুনার সিলেবাস, বিষয় সবকিছু। তারপর এর থেকে মুক্তি সম্ভব।

এখন ফ্যাশন হয়া গেছে মুখস্ত করা। এস। এস সি এর রেজাল্ট দেখুন।

ধন্যবাদ

৮. ৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:৪৭
টানিম বলেছেন: বিপরীত স্রোতে হাটলেই মাইনাস। আল্লাহ যাতে আমাকে, আপনাদের মত হুজুগে বাঙালী না বানায় ।

আগে বুঝুন। শুনুন। দেখুন।

শুধু পেপার পড়লেন আর চিৎকার করা শুরু করলেন, ভাল ভাল।

৯. ৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:৪৮
এলোমেলো মন বলেছেন: লেখক বলেছেন: বই থেকে শুরু করে প্রতিটি উপকরন বদলাতে হবে। পড়াশুনার সিলেবাস, বিষয় সবকিছু। তারপর এর থেকে মুক্তি সম্ভব।

এখন ফ্যাশন হয়া গেছে মুখস্ত করা। এস। এস সি এর রেজাল্ট দেখুন।

ধন্যবাদ

---------------------------------------------------------------------------------
আপনি যা বলেছেন তাহার সাথে কঠিন ভাবে একমত।
এবং সাথে সাথে এটাও মনে করি বিবর্তনের মত সব কিছুই আস্তে আস্তে যুগউপযোগী করা উচিত।হঠাত সব কিছু একেবারে করতে চাইলে হয়তো আর কখনই সম্ভব হবেনা।
এই বিবর্তনের ই একটা অংশ হলো সৃজনশীল পদ্ধতি।
৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:২৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১০. ৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ৮:৫৮
এলোমেলো মন বলেছেন: টানিম বলেছেন: বিপরীত স্রোতে হাটলেই মাইনাস। আল্লাহ যাতে আমাকে, আপনাদের মত হুজুগে বাঙালী না বানায় ।

আগে বুঝুন। শুনুন। দেখুন।

শুধু পেপার পড়লেন আর চিৎকার করা শুরু করলেন, ভাল ভাল।

------------------------------------------------------------------------------
নারে টানিম ভাই।পেপার পড়িনা কতদিন হবে তা বলতে পারবনা।বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছি প্রথাগত শিক্ষা আমাদের কি দেয়।বুঝতেই তো পারছেন।
আরেকটা ব্যাপার আপনার পোস্ট পড়ে বুঝা যায় নাই আপনি আসলে ঠিক কি চাচ্ছেন।মনে হচ্ছে আপনি সৃজনশীল শিক্ষা চাচ্ছেন না।এমনকি আপনি এর বিপরীতে কোন উপায় দেননাই।সস্তা বুলি সিলেবাস, বিষয় চেন্জ করতে হবে বলেছেন।লাভ কি।আপনি কি জানেন এখনকার সিলেবাস একেবারে খারাপ নয়।শুধু মাত্র প্রশ্ন পদ্ধতির কারনে আমরা থমকে আছি।এক চ্যাপ্টারে কিছু হাতে গোনা অনুশীলনী মুখস্থ করলে আর বাকী অল্টারনেট চ্যাপ্টার বাদ দিলেও ভালো রেজাল্ট করা যায়।কি অদ্ভুত সিস্টেম।
৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:২৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনাকে। খুব সুন্দর মন্তব্য করলেন।

১১. ৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:২১
রাজীব বলেছেন: রফিকুল ইসলাম সোহেল বলেছেন: আমার লেখা কিছুটা অগোছাল মনে হতে পারে। আমি কখনও গুছিয়ে লিখতে পারি না।
********************
এইটাই মুখস্থ করার কুফল।

আপনার কথা উদাহরনসহ বুঝানোর জন্য

সানন্দে plus +++++++++++++
৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:২৫

লেখক বলেছেন: বুঝলাম না।

১২. ৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:২৫
নীলজোছনা বলেছেন: অনেক শিক্ষক আছেন , অশ্র ঠেকিয়ে পয়সা রোজগার করেন।
জ্বী হা , অশ্র মানে বেত, ষ্কুলে থাকতে এক ইংড়েজি শিক্ষক আমাদের প্রতিদিন বেত দিত , সব বিষয় বাদ দিয়ে ওনার পড়া পড়তাম তাও বেতের হাত থেকে বাচতাম না।

শেষে ওনার কাছে প্রাইভেট পড়তে বাধ্য হই,বেতের হাত থেকে বাচা গেল কিন্তু মাসে মাসে ৩০০ টাকা করে গুনতে হত।

অনেক অনেক বছর আগের কথা ,কিন্তু মনে আছে (**স হোল)।শিক্ষকরা আমাদের নীচ হতে শিক্ষা দেয়।(সবাই এক না তবে বেশির ভাগই এমন)
৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:২৬

লেখক বলেছেন: হুম। একমত

১৩. ৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ৯:৫১
বিডি আইডল বলেছেন: টানিমের নয়া বান্ধবী কেমন আছে?
৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:২৩

লেখক বলেছেন: জানি না রে ভাই। ভাল আছেন উনি। পড়াশুনা নিয়ে ব্যাস্ত।

ধন্যবাদ

১৪. ৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:২৬
টানিম বলেছেন: বিদ্যুত ছিল না। তাই একটু দেরী হল।
১৫. ৩১ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৩০
টানিম বলেছেন: আপনারা + / __যাই দেন। সমস্যা নেই। কিন্তু একটা মন্তব্য করে যাবেন । দয়া করে।
১৬. ০১ লা জুন, ২০০৯ রাত ১২:২৩
স্বপ্নমঙ্গল বলেছেন: এত এত কথা হলো কিন্তু সৃজনশীল পদ্ধতিটা কি তা নিয়েই কোন কথা নাই ! এর খুটি নাটি নিয়েই তো আমাদের আলোচনা করা উচিৎ তাইনা ?! কেউ জানলে জানাবেন দয়া করে ৷ একবারে বিপ্লব করে হঠাৎ করে পুরো শিক্ষা ব্যবস্থা কে বদলে ফেলার চিন্তা করাটা ছেলেমানুষী হয়ে যায় ৷ আর দোষ যদি কাউকে দিতেই হয় নিজেকে দেওয়াটাই সমীচীন ৷ দেশের সব ভাল ভাল ছাত্র ছাত্রী হয় ইন্জিনিয়ারিং, না হয় মেডিক্যাল এর দিকে ঝোঁকে, তাহলে শিক্ষক হয় কারা? আর হওয়ার কথা কাদের ?! ব্যপারটা মোটেও রাতারাতি শেষ হয়ার মত না ! আমাদের বরং সৃজনশীল পদ্ধতির কোন সমস্যা থাকলে সেটা নিয়ে আগে কথা বলা উচিৎ !
০১ লা জুন, ২০০৯ রাত ১১:৪৪

লেখক বলেছেন: হুম।

ধন্যবাদ

১৭. ০১ লা জুন, ২০০৯ রাত ১২:৪০
কলুর বলদ বলেছেন: সৃজনশীল পদ্ধতি চালু হওয়ার সাথে সাথেই সৃজনশীল গাইড বইতেও বাজার সয়লাব হয়ে গেছে......
০১ লা জুন, ২০০৯ রাত ১১:৪৪

লেখক বলেছেন: অপেক্ষা করুন। আরও নতুন নতুন গাইড দেখতে পারবেন।

ধন্যবাদ

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৭১৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
নিজের সম্পর্কে কিছু বলার ইচ্ছা নাই.........
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই