ইদানিং যেহেতু প্রচুর ছদ্মবেশী নারী নিক ঘুরাফিরা করিতেছে, নুরা পাগলা সামাজিক দায়িত্ববশত নারীদের শ্রেনী বিভাজন সম্পর্কে ব্লগারকুলকে জানাইতে ইচ্ছুক। সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে নিম্নের রচনা জ্ঞান এবং রম্যের আলোকে রচনা করা, রাগ করিয়া আবার কেউ শাক দিয়া ভাত খাওয়া যেন শুরু না করেন। ]
হস্তিনী জাতীয় নারী
নারীকুলের মধ্যে ইহারা সর্ব নিকৃষ্টা, ইহাদের দৈহিক গঠন পুরুষালী এবং দেহ অত্যান্ত স্হুল। ইহাদের মস্তজ বৃহত এবং চুল খুব খাট ও পাতলা ( দ্রষ্টব্য আন্তঃ জেলা ডাকাত সর্দার)। ইহাদের চুলের বর্ন মেটে, চক্ষুদ্বয় ক্ষুদ্র এবং ভিতরে প্রবিষ্ট। নাসিকা অধিক মোটা ও স্হুল, ওষ্টধর স্হুল এবং কাল।
দন্তগুলি চওড়া ও অসংবদ্ধ। গ্রীবাদেশ মোটা এবং বক্ষদেশ প্রশস্ত এবং কুচদ্বয়ের গঠন অসুন্দর। পায়ের গোছাদ্বয় স্হুল এবং হাটিবার সময় ইহারা বেশ শব্দ করিয়া থাকে, ইহাদের মুখের ভাষা কর্কশ এবং অশ্রবনীয়।
হস্তিনী নারীদের কাম-বাসনা এবং যৌন উত্তেজনা অতিশয় প্রবল। সদা সর্বদা ইহারা পরপুরুষ এবং পরনারীর সাথে সন্গম করিতে ইচ্ছা প্রকাশ করে থাকে। এক পুরুষ সম্ভোগে ইহারা তৃপ্ত হয়না, বহুগামিতা ইহাদের মজ্জায় মজ্জায়। একাধিক
পুরুষ অথবা নারী সম্ভোগে ইহার বেশ আমোদ লাভ করে। হস্তিনী নারী অসম্ভব পরিমান পানাহার করে থাকে। ইহারা ধর্ম বিষয়ক সকল বাধা নিষেদ কে মনে করে এবং বাহবা দেয় কিন্তু ব্যাক্তিগত জীবনে কোন অধর্ম পালন করে। ইহারা পরিষ্কার পরিছন্নতার দিকে উদাসীন, অলস এবং অকর্মন্য হইয়া থাকে।
হস্তিনী নারী খুবই রমনপ্রিয়, তবে তাহাদের শয্যার কোন ভালো মন্দের বালাই নাই, একরকম হইলে হয়। সন্গম কালে ইহার জোর জবরদস্তি পসন্দ করে। যে সকল পুরুষ নারী হিসাবে জীবন ধারন করে এবং পরিচয় দেয় তাহাদে হস্তিনী জাতীয়
নারী হিসাবে বিবেচিত করা যায়।
(চলবে, যদি পাঠক চায়.....)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

