আমার প্রিয় পোস্ট
- যেকোন ওয়বেসাইটকে মোবাইল উপযোগী করুন - সফট আইটি
- দাম্পত্য জীবন আরো সুখের করার জন্য স্বামীদের প্রতি মজার কিছু টিপস: নেট থেকে মেরে দেয়া পোষ্ট - ব্লগই শেষ ঠিকানা
- ভাষা-বন্ধন - সাপিয়েন্স
- ভারতীয় শিল্পীদের রমরমা বাজার : সাংস্কৃতিক আগ্রাসনে বাংলাদেশ - নিউজকাস্টার
- ২টা ছবি...হারামীফোন এবং খারাপ চক্ষু
- লুথা
- শিক্ষানীতির সহজ পাঠ - মুহম্মদ জাফর ইকবাল - কানা-বাবা
- আমরা ৭২ এর সংবিধানে ফেরত যাবো নাকি যাবো না? - যারা ৭২ এর সংবিধান ও বর্তমান সংবিধান এর মধ্যে বিরোধ কি তা ভালো ভাবে বোঝেন না, তাদের জন্য এই পোস্ট। - নাহিদ মাহমুদ
- মেগাআপলোডের প্রিমিয়াম ইউজার হয়ে যান নিমিষেই! - বিডি আইডল
- মাদ্রাসার ছাত্রদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি প্রসংগে - উম্মু আবদুল্লাহ
- যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চতর শিক্ষা - কীভাবে লিখবেন স্টেটমেন্ট অফ পারপাস - রাগিব
- সুপার গ্লু - ডা. শাহরিয়ার
- বাংলালিংকের আজাইড়া অ্যাড, আমাদের বকবক প্রবনতা আর হারিয়ে যাওয়া সেই আবেগগুলো...
- রোহান
- তিনি একজন সংসদ সদস্য। - হা...হা...হা...
- প্রধানমন্ত্রীর বিষ্ময়কর ঘোষনা প্রসঙ্গে - জিয়াউল হক
- ভাষা আন্দোলন কি আবার শুরু করতে হবে ! - এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল
- বাংলাদেশে ডি-ইসলামাইজেশন - ফাহিম আহমদ
- যুক্তরাষ্ট্রের ডাইভারসিটি ভিসা (ডিভি) লটারি ২০১১ ঘোষণা করা হয়েছে। - ইউনুস খান
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ভর্তির পথ বন্ধ
- মাদ্রাসা ছাত্র-ছাত্রীরা কি উচ্চশিক্ষিত হতে পারবে না?
০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:৫১
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ভর্তির পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ‘খ’ ইউনিটের বাংলা, ইংরেজী, অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, ভাষাবিজ্ঞান,গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা এবং উইমেন এন্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগে ভর্তির শর্ত হিসেবে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে ২০০ নম্বরের ইংরেজি ও ২০০ নম্বরের বাংলা থাকবার শর্তারোপ করা হয়েছে। মাদ্রাসা ছাত্র-ছাত্রীরা ১০০ নম্বরের ইংরেজি ও বাংলা অধ্যয়ন করে থাকে এবং উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে অর্থনীতিকে ‘ইসলামী অর্থনীতি’ নামে অধ্যয়ন করে, সে কারণে শর্তানুসারে এবারে তারা ঢাবির ‘খ’ ইউনিটের উপরোক্ত বিভাগুলোতে ভর্তি হতে পারছে না।
মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীরা বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও অন্যান্য সাধারণ বিষয়ের পাশাপাশি কুরআন-হাদিস সংক্রান্ত বেশ কিছু বিষয় পড়ে থাকে বলে ইংরেজি ও বাংলা বিষয়ে তারা ১০০ নম্বরের পরীক্ষা দিয়ে থাকে। এ ১০০ নম্বরের অর্থ এই নয় যে, তারা ২০০ নম্বর পড়ুয়া স্কুল ছাত্রদের চেয়ে অর্ধেক ইংরেজি/ বাংলা পড়ছে। তাদের সিলেবাসে সবকিছু সেভাবেই অন্তর্ভূক্ত করা থাকে। ২০০ নম্বর না পড়ার অজুহাতে মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের ভর্তি বন্ধ করাটা সম্পূর্ন অযৌক্তিক।
আবার ইসলামী অর্থনীতিকে গার্হস্থ্য অর্থনীতির সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। এটা কতটুকু যৌক্তিক?
আরও বলতে চাই মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা বাংলাদেশের প্রাচীনতম শিক্ষা ব্যবস্থাগুলোর একটি। যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল তৎকালীন পূর্ব বাংলার মুসলিম জনগোষ্ঠীকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করার জন্য আজ সেখানে মুসলিমরাই বঞ্চিত।
বিগত বছরগুলোর ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় মাদ্রাসা ছাত্র-ছাত্রীরা একটি বড় অংশ জুড়ে নিজেদের অবস্থান নিশ্চিত করছে। তারপরও কেন এই বৈষম্য?? ইংরেজি-বাংলায় স্কুল-কলেজের দুর্বল ছাত্ররা যেমন ঢাবিতে ভর্তির সুযোগ পায় না ঠিক তেমনি মাদ্রাসার দুর্বল শিক্ষার্থীরাও ঢাবিতে চান্স পায় না এবং মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যারা ঢাবিতে সুযোগ পেয়েছে তারাও শীর্ষস্থানীয় ফলাফল করেছে ।
হয়ত বর্তমান সরকার দেশে ধর্মনিরপেক্ষতার যে প্রভাব সৃষ্টি করছে তার ফল হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ভর্তি প্রতিবন্ধকতা। কিছুদিন পরে মুসলমান মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে।
বিঃদ্রঃ মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন ভর্তির সুযোগ দেওয়া যাবে না তার যুক্তি দিলে খুশি হব।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:১২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
বিবর্ণ বলেছেন:
না, পারে না।
লেখক বলেছেন: এটাই সত্য। গত বছর আদালতের আশ্রয় নিয়ে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা সুযোগ পেয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। কিন্তু এবার সে সুযোগও নেই।
সাহোশি৬ বলেছেন:
বন্ধ হওয়াই উচিৎ। মূলত মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থাই দেশ থেকে উঠিয়ে দেয়া উচিৎ।
লেখক বলেছেন: আপনার যুক্তি কি? কেন মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা বন্ধ করা হবে?
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ লিঙ্ক শেয়ার করার জন্য।
সাগর ঢাকা বলেছেন:
মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থাই দেশ থেকে উঠিয়ে দেয়া উচিৎ।আমাদের কারিগরী শিক্ষা দরকার ...অনেক মোল্লা আছে আর চাই না ..
লেখক বলেছেন: কারিগরী শিক্ষার পাশাপাশি ধর্মীয় শিক্ষারও প্রয়োজন আছে।
আহমদ ময়েজ বলেছেন:
মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্ঘতা যেন আরো কাছাকাছি চলে এলো। এতে কার বেশি লাভ? সেই ইংরেজ আমলের ডিভাইড এবং রোল ফর্মুলা এখনও সক্রিয়। আমরা ক্রমশ বিভক্তির দিকে যাচ্ছি, একদিন নিজের মাংস নিজেরাই চিবিয়ে খাবো।
লেখক বলেছেন: লাভ আর কার? ধর্মনিরপেক্ষ আওয়ামী সরকারের যারা ভারতের জী-হুজুরী করে।
লেখক বলেছেন: মানসিক ভাবে অসুস্থ + ধর্মনিরপেক্ষ লোকেরা প্রশাসনে রয়েছে। অনেক মুসলমান আছেন সেই প্রশাসনে কিন্তু তারাও ইসলামকে খাটো করে দেখছেন।
আ শী ষ বলেছেন:
আধুনিক শিক্ষার দরকার হলে আগেই স্কুল কলেজে পড়তে পারতো।
লেখক বলেছেন: মাদ্রাসায় লেখাপড়া করলে সমস্যা কোথায়?
আহমদ ময়েজ বলেছেন:
আমরা জাতীগতভাবে অসাম্প্রদায়িক। আমাদের আর ধর্মনিরপেক্ষতার প্রয়োজন নেই। ধর্ম আবার নিরপেক্ষ হয় কী করে, ধর্ম তো সব সময়ই পক্ষেরই হয়। অথবা রাষ্ট্র কেন নিরপেক্ষ হবে। রাষ্ট্র হবে ন্যায়ের পক্ষে। একজন চাদাবাজী করলো একজন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে। এখানে নিরপেক্ষ বিচারটা কীভাবে হবে। নিরপেক্ষ হলে তো নিরপরাধ লোকটিকেও অল্প হলেও কিছু শাস্তি দিতে হয়, তাই নয় কি? রাষ্ট্র বা বিচারক তো সত্যের পক্ষে দাঁড়াবে, নিরপেক্ষ কেন হবে।
ধর্মনিরপেক্ষতা বলে মানুষের অসাম্প্রদায়িক মনোভাবকে অসৎ পথে ধাবিত করা হচ্ছে।
লেখক বলেছেন: "ধর্মনিরপেক্ষতা বলে মানুষের অসাম্প্রদায়িক মনোভাবকে অসৎ পথে ধাবিত করা হচ্ছে" - ঠিক বলেছেন।
মো: মোফাচ্ছির হোসেন বলেছেন:
প্রচুর মাদ্রাসা শিক্ষিত ছাত্র ঢাবিতে রয়েছে যারা ভর্তির সুযোগ বন্ধ করে দেওয়া বিভাগগুলোতে ইতিপূর্বে ভর্তি হয়ে ভাল ফলাফল করেছে। কতৃপক্ষ এগুলো না দেখে হুটহাট একটা সিদ্ধান্ত কেন নিয়ে নেয় বুঝিনা। ভিসি এই সিদ্ধান্ত দেয়ার সময় একাডেমিক কমিটির অন্য সদস্যদের মতামতের বিন্দুমাত্র তোয়াক্কা করেননি বলেও শোনা যায়।
লেখক বলেছেন: বলতে কষ্ট হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ভিসি অরফে বিচি ক্লাস রুমের চাইতে রাজপথকেই তার বেশি সময় প্রদান করেছেন। তার দল আজ ক্ষমতায়। তিনি কি আর কাউকে তোয়াক্কা করতে পারেন?
চাচামিঞা বলেছেন:
মাদ্রাসার সিলেবাস আধুনিক করলেই হয়....
লেখক বলেছেন: এ ব্যপারে আমিও সহমত।
আ শী ষ বলেছেন:
তাহলে মাদ্রাসাতেই পড়ুক। বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার কি দরকার? আর আপনি ধর্মীয় শিক্ষার কথা বলছিলেন তাহলেতো এই বিষয়গুলো না পড়লে্ও চলে।
লেখক বলেছেন: ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি অন্যান্য শিক্ষারও দরকার আছে।
আমি আমার বলেছেন:
সরকার জানেনা তার লক্ষ্য কি/ জাতি হিসাবে আমরা জানিনা আমাদের লক্ষ্য কি? আর বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা?মাদ্রাসা শিক্ষিত ছাত্রদের আধুনিক শিক্ষার সুযোগ নাদিয়ে দুরে ঠেলে দেয়া ,জাতিরইক্ষতি
গডফাদার০২ বলেছেন:
যদি কোন ছাত্র ডাক্তার হতে চায়, তাকে বায়োলজি পড়তে হয়। না হলে সে ডাক্তারি কোর্স এ ভর্তি হতে পারেনা।সুতরাং যদি কোন ছেলে ডাক্তার হতে চায়, তাকে অবশ্যই তার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে সে সব বিষয় ও উপযুক্ত সিলেবাস নিয়ে পড়া শোনা করতে হবে।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও পড়তে হলে ন্যুণতম কিছু ব্যাকগ্রাউন্ড থাকা প্রয়োজন। মাদ্রাসা ছাত্ররা সবাই অযোগ্য, তা আমি বলছিনা, আমি বলছি যে, যদি কোন ছাত্র ঢাকা ভার্সিটিকেই তার লক্ষ্য হিসাবে স্থির করে, তবে তাকে সেই সব ক্রাইটেরিয়া পুরন করেই আসা উচিত। সেটা না করে এসে এখন ঢাকা ভার্সিটিকে দোষ দেয়াটা ঠিক না।
আর উচ্চ শিক্ষার জন্য ঢাকা ভার্সিটি ই তো একমাত্র প্রতিষ্ঠান না, আরো অনেকই আছে। মাদ্রাসা ছাত্ররা শেখানে যেতে পারে।
লেখক বলেছেন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার ন্যুণতম যোগ্যতা আছে মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের।
মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীরা ইংরেজি ও বাংলা বিষয়ে তারা ১০০ নম্বরের পরীক্ষা দিয়ে থাকে। এ ১০০ নম্বরের অর্থ এই নয় যে, তারা ২০০ নম্বর পড়ুয়া স্কুল ছাত্রদের চেয়ে অর্ধেক ইংরেজি/ বাংলা পড়ছে। তাদের সিলেবাসে সবকিছু সেভাবেই অন্তর্ভূক্ত করা থাকে। ২০০ নম্বর না পড়ার অজুহাতে মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের ভর্তি বন্ধ করাটা সম্পূর্ন অযৌক্তিক।
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
অতি সুশীলতা আর কি।
ব্যাক্তিগতভাবে আমি মনে করি মাদ্রাসা শিক্ষার অনেক আধুনিকীকরণ প্রয়োজন, আর সম্ভব হলে একটাই মাধ্যম থাকা উচিত।
কিন্তু তাই বলে যে শিক্ষার্থীরা যোগ্যতার পরিচ্য দিয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে, তাদের বঞ্চিত করাটা অনাচার আর অপরাধ।
যারা মাইনাস দিয়েছেন বা একমত নন , তাদের যুক্তিগুলো শুনতে পারলে ভালো লাগতো। মাদ্রাসা শিক্ষা থাকা উচিত কি উচিত নয় সেটা অন্য প্রসঙ্গ। যতক্ষন পর্যন্ত রাষ্ট্রস্বীকৃত শিক্ষামাধ্যম হিসাবে মাদ্রাসা শিক্ষা/ও-এ লেভেল, আইবি আছে, কাউকে বঞ্চিত করাটাই মানে হচ্ছে সুশীল বদমাইশি।
লেখক বলেছেন: মাদ্রাসা শিক্ষার অনেক আধুনিকীকরণ প্রয়োজন। যোগ্যতার পরিচয় দিয়ে কোন মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রী কেন ভাল বিষয়ে পড়তে পারবে না এটা শুনলে কষ্ট হয়।
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
অনেকদিন পর ব্লগে আসা, এই ইস্যুতে আমার মত করে সহমত জানালাম। পিছনের পোষ্ট গুলো দেখে বুঝলাম, নব্য ছাগুদের একজন।
দয়া করে এই ইস্যুটারে আবার ম্যাতকারের দিকে নিয়ে যাইয়েন না, প্রসঙ্গে থাকতে দেন।
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
অনেকদিন পর ব্লগে আসা, এই ইস্যুতে আমার মত করে সহমত জানালাম। পিছনের পোষ্ট গুলো দেখে বুঝলাম, আপ্নে নব্য ছাগুদের একজন।
দয়া করে এই ইস্যুটারে আবার ম্যাতকারের দিকে নিয়ে যাইয়েন না, প্রসঙ্গে থাকতে দেন।
লেখক বলেছেন: না ভাই আমি নব্য ছাগুদের একজন নই। আমার লেখাগুলো ভাল মত পড়ে কোন উপসংহারে আসলে খুশি হব।
২. ভর্তি পরীক্ষায় যোগ্যতার ভিত্তিতে ভালো মার্ক পেয়ে আসলে ভর্তি হতে সমস্যা কোথায়? নাকি ঢাবির ভর্তি পরীক্ষার প্রক্রিয়ায় ঢাবির ভিসি নিজেই বিশ্বাস করে সা?
৩. এ ব্যাপারে আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করার সাহস ঢাবি ভিসি কিভাবে করে?
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
মাদ্রাসায়ও ২০০ নম্বরের বাংলা ও ইংরেজি পড়ানো উচিত। মোট কথা, মাদ্রাসা থেকে পড়ে যেন বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীরা ভর্তি হতে পারে সেভাবে মাদ্রাসার শিক্ষা ব্যবস্থা সাজানো দরকার। আরও আধুনিকায়ন দরকার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে মাদ্রাসা ছাত্রছাত্রীদের ভর্তি হওয়ার সুযোগ অবশ্যই দেওয়া উচিত। সাধারণ শিক্ষা ও কারিগরী শিক্ষার পাশাশাশি মাদ্রাসা শিক্ষাও আমাদের দেশে একটি সরকারী স্বীকৃতিপ্রাপ্ত শিক্ষা ব্যবস্থা। সেই শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে পড়াশোনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা না দেয়া গেলে সেটা মাদ্রাসায় পড়ুয়াদের প্রতি অবিচার। তাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে উন্নত ও যুগোপযোগী করে এই বৈষম্য দূর করা দরকার।
আর যদি মনে হয়, মাদ্রাসা শিক্ষা গ্রহণ করে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করা সম্ভব নয়, তবে মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থায় অবশ্যই গলদ আছে। সেই গলদ দূর করতে হবে।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
সাগর ঢাকা বলেছেন: মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থাই দেশ থেকে উঠিয়ে দেয়া উচিৎ।আমাদের কারিগরী শিক্ষা দরকার ...অনেক মোল্লা আছে আর চাই না ..
তাইলে তো ভাই বাংলায় পড়া একজন লোক যদি হঠাৎ যদি বইলা বসে আমি ডাক্তারী পড়ুম, তারে নিয়াও মুশকিল! এর জন্য একটাই সমাধান, এতো যখন পড়বার চাও তাইলে টাকা দিয়া প্রাইভেটে পড়ো, হুদাই পাবলিকে জালাইতে আইছো কেন যেইখানে সীট নিয়া টানাটানি....আর মোল্লা মানুষ ইসলাম নিয়া গবেষনা করবে (যেইটা করনের লিগা মোল্লারা জান দিবার পারে আর জঙ্গী হইতেও পিছুপা হয় না), তার এগুলা দিয়া কি করবে?
আর ভালা কথা, মাদ্রাসার পোলাপান দেশে এতো বাইর কইরা কি লাভ হইছে, এই কথাটার সঠিক পরিসংখ্যান আইজ পর্যন্ত কেউ দিবার পারলো না, সেহেতু মাদ্রাসা বন্ধ করনের যৌক্তিকটাকে যুক্তিযুক্তই মনে হয়!
আশার আলো বলেছেন:
বিষয়টা ঢাবির জ্ঞানী ভিসি (বা নীলদলের মূখ্য পরিষদরা) দেখছেন পরীক্ষার নম্বর দিয়ে। ২০০ বনাম ১০০। সিলেবাসটা মূখ্য বিষয় হিসেবে তারা বিবেচনরা করছেন না। ঢাবির এই জ্ঞানী ব্যক্তিরা (যারা উপরোক্ত সিদ্ধান্ত দিয়েছে) এরকম একটা প্রহসনমূলক (একই সাথে মূর্খের মতো) নিয়ম কেন দাড় করালো সেটা বোধগম্য হচ্ছে না অনেকেরই।যেমন ধরা যাক, ঢাবির (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়) কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগে "কম্পিউটার প্রোগ্রামিং, সি" বিষয়ে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হয়। একই বিষয়ে বুয়েটে ২০০ নম্বরের আর আইইউটিতে ৩০০ নম্বরের পরীক্ষা হয়। তাহলে কি ঢাবির রীল দলের সেই জ্ঞানীরা সিদ্ধান্ত দিবে- বুয়েট আর আইইইটির কম্পিউটার বিভাগের গ্রাজুয়েট থেকে ঢাবির গ্রাজুয়েটরা নীচু জ্ঞানের অধিকারী! ব্যাপারটা কি আসলেই তাই?
না, পরীক্ষার নম্বর আসলে বিষয় না, বিষয়টা হলো সিলেবাসের। তিন ইউনিতে ওই বিষয়ে সিলেবাস একই থাকলে গ্রেডটা মোটামুটি সমান স্কেলের বলেই বিবেচিত হবে (ধরে নিয়েছি পরীক্ষার মান সমান)।
তাহলে একই বিষয়ে, একই সিলেবাস অধ্যায়ন করে মাদ্রাসা (আলীয়া) থেকে পাস করা শিক্ষার্থীরা ভর্তি পরীক্ষা দেওয়া থেকে বঞ্চিত হবে কেন? যেখানে ভর্তি পরীক্ষা দিতে পারা মানেই ভর্তি হওয়া নয়। ভর্তি পরীক্ষায় ভালো করে যোগ্যতার ভিত্তিতেই ভর্তির সুযোগ করে নিতে হয়। অতীতে এমনও হয়েছে, মাদ্রাসা থেকে এসেও কোন কোন ছাত্র ভর্তি পরীক্ষায় ইংরেজীতে সর্বোচ্চ/প্রথমদিকে নম্বর পেয়েছে।
ছাত্রাবাস বলেছেন:
লেখক বলেছেনঃ আরও বলতে চাই মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা বাংলাদেশের প্রাচীনতম শিক্ষা ব্যবস্থাগুলোর একটি। যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল তৎকালীন পূর্ব বাংলার মুসলিম জনগোষ্ঠীকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করার জন্য আজ সেখানে মুসলিমরাই বঞ্চিত। আপনার এই কথায় বলতে হয় আমি মনে হয় মুসলিম না। নয়তো আমারে সুযোগ দিল কেমনে। সুযোগ না দিয়া বঞ্চিত করলেই মনে হয় আমি মুসলমান থাকতাম।
হে ঢাবিবাসী অমুসলিম ছাত্ররা, তোমরা কলেমা পড়। তোমাদের ঈমান নষ্ট হয়ে গেছে ঢাবিতে সুযোগ পাওয়ার কারণে।
ময়মনসিং এর গুরুদয়াল কলেজের প্রতিষ্ঠার ইতিহাস জানেন। জানলে বুঝিতেন কেন এত মাদ্রাসা।
স্কুলের পুলাপান ক্লাস থ্রী ফোরে আরবী হরফ শিখে, পড়াও শিখে। উপরের ক্লাসেও ধর্মীয় শিক্ষার ব্যবস্থা আছে। কতগুলি সূরা মুখস্ত করতে হয়, কতগুলি হাদিস মুখস্ত করতে হয় একজন স্কুল ছাত্রের স্কুল শেষ করতে সেটা আশা করি জানেন। সেই হিসাবে মাদ্রাসার কাজটা কি? একদল মসজিদের ইমাম আর কুরবানির সময়ের গরু জবাই করার হুজুর তৈরী করা? অবশ্য সৎভাবে বলতে গেলে আমি নিজেও অচল যদি ইমাম বা কুরবানীর সময় হুজুর না পাই। তবুও আমার মনে হয় মাদ্রাসা শিক্ষা নিয়া ভাবা দরকার। কারণ হাফেজী মাদ্রাসার আবাসিক পুলাপান, যাদের বয়স খুব কম, তাদের দেখলে আমার খারাপ লাগে। বুঝলাম পরকাল খুব গুরুত্বপূর্ণ, তবুও ওদের এক টুকরা দুরন্ত শৈশব প্রাপ্য ছিল।
কাউন্টার যুক্তি আসবে, তাহলে স্কুলের পুলাপান আরবী পারে না কেন?
কারণ স্কুলে খুব বাজে ভাবে শিক্ষা দেওয়া হয়। সঠিক ভাবে শিক্ষা দেওয়া হইলে, স্কুলের ইসলাম শিক্ষা বইগুলান ঠিকমত পড়াইলে একজন স্কুলের পুলাপানও ভাল আরবী পারব।
মাদ্রাসা আস্তে আস্তে কমায়া আনা উচিত। তারপরে একেবারে বন্ধ কইরা দেওয়া উচিত। তবে বাস্তব সত্য হইল, মেথর না থাকলে আমরা ভদ্রলোকেরা বাচতে পারুম না, আর গরু জবাই দেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব না, তবে জবাইয়ের সময় খাসীর প্রায়ই আমারে এক হাতে চরম শক্তি দিয়া খাসীর পিছনের দুই পা ধইরা রাখতে হয়।
তবে বৈষম্যটা করা ঠিক হয় নাই। আর আমি একাডেমীকাল শিক্ষার মূল্যায়ন বেশী একটা করি না।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














