somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের বাংলাদেশকে ধর্মনিরপেক্ষ করার কিছু পদক্ষেপ বিঃদ্রঃ নিম্নোক্ত লেখাটি আমার নয়। আমার দেশ নামক একটি পত্রিকার ওয়েবসাইটে একটি খবরের মন্তব্য হিসাবে জনৈক নিম্নোক্ত মন্তব্যটি প্রদান করেন। তার মন্তব্যের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য আমার এই পোষ্ট। আসলেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের বাংলাদেশকে ধর্মনিরপেক্ষ করার এই পদক্ষেপগুলো নিয়েছিলেন এবং তার এই পদক্ষেপগুলো কতটুকু যুক্তিযুক্ত ছিল তা একটু বিশ্লেষন করলে ভাল হত।

আমার প্রশ্নঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব একজন মুসলমান হয়েও কেন ইসলাম বিদ্বেষী ছিলেন? (যদি নিচের কথাগুলো সত্য হয়)

১৯৫৫ সালে 'আওয়ামী মুসলিম লীগ' শব্দ থেকে মুসলিম বাদ দিয়ে শুধু আওয়ামীলীগ করে ।

১. শেখ মুজিবুর রহমান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোগ্রাম থেকে “ইকরা বিস্মী রাব্বিকাল্লাজি খালাক” অর্থ পড় সে প্রভুর নামে যিনি তোমায় সৃষ্টি করেছেন। কোরানের এই আয়াত তুলে দেন, ধর্মীয় শব্দ বলে।

২. শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোগ্রাম থেকে “রাব্বি জিদনী ঈলমা” অর্থ “প্রভু আমায় জ্ঞান দাও”। কোরানের এই আয়াতটিও তিনি তুলে দেন তাঁর প্রচন্ড ক্ষমতা বলে ধর্মীয় শব্দের অযুহাতে।

৩. “কবি নজরুল ইসলাম কলেজ” থেকে ইসলাম বাদ দিয়ে, কবি নজরুল কলেজ করা হয়। অপবাদ দেন ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গির।

৪. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের “সলিমূ্ল্লাহ মুসলিম হল” থেকে, মুসলিম শব্দ বাদ দিয়ে সলিমূ্ল্লাহ হল করা হয়, যা এখনও বিদ্যমান। অপবাদ ইসলাম ধর্মের। অথছ ভারতের মত কট্টর হিন্দুয়ানী দেশে ২০০শত বছরের পুরানো বিদ্যাপীট আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালেয় নামের সাথে মুসলিম শব্দ আজও টিকে আছে।

৫. ঢাকার মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ রোডের নাম পরিবর্তন করা লাগবে, তার স্থলে বসানো হল ইন্দিরা গান্ধীকে। ধরেই নিলাম ইন্দিরা গান্ধী একদা আমাদের বন্ধু ছিল, সে জন্য তো অন্য রোড ছিল। আবার জিন্নাহ তো আমাদের দোষমন ছিলনা। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে, তিনিই পাকিস্থান সৃষ্টি করেছেন, পাকিস্থান না হলে শেখ মুজিব কখনও বলতে পারতেন না - বাংলাদেশ।

৬. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আল্লামা ইকবাল হলের নাম পরিবর্তন করে সূর্যসেন হল করা হল।

ইকবাল মুসলিম জাগরনের কবি, তাঁর কবিতা মুসলিম সাহিত্য, মাদ্রাসা, হাজারো আলেমের হূদয়ে গুঞ্জরণ হয় আজো। মুসলিম জাতিকে গড়ে তূলতে ২৫ হাজার পংতির শুধু কবিতাই লিখেছেন। তিনিই প্রথমে বৃটিশ থেকে স্বাধীন করে আলাদা একটি মুসলিম ভূখন্ডের কথা বলেছিলেন ফলে তাকে পাকিস্থানের স্বপ্নদ্রস্টা বলা হয়। তিনি মৃত্যুবরন করেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে মানে পাকিস্থানের জন্মেরও বহু আগে।

ইকবালের নাম নাহয় তুলে দেয়া হল, কিন্তু যার নাম তাঁর যায়গায় দেওয়া হল তিনি হলেন বিপ্লবী নেতা সূর্যসেন। সূর্যসেন চরম মুসলিম বিদ্ধেষী, তার দলে মুসলিম তো দূরের কথা, ব্রাহ্মন ব্যতীত কোন সাধারন হিন্দুকেও সদস্যও করা হত না। তিনি বৃটিশের বিরুদ্ধে বিপ্লবের কথা বলে যত ব্যক্তি হত্যা করেছেন, তার ৮০% ছিলেন মুসলিম।

৭. শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর শাসনকালে ধর্মনিরেপেক্ষতার অজুহাত তুলে সংবিধান থেকে বিসমিল্লাহর মত ছোট্ট কথাটিকেই ঝেঁটিয়ে বিদায় করেন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29048307 http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29048307 2009-11-23 11:01:59
বস্তিতে আগুন ও ভেতরের ঘটনা

গতকাল রোববার মগবাজার ওয়ারলেস রেলগেট সংলগ্ন বস্তিতে আগুন লেকে পাঁচ শতাধিক বস্তিঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এসব বস্তিঘর রেলওয়ের জায়গা দখল অবৈধভাবে গড়ে উঠেছিল।

সব জায়গার বস্তি গড়ে উঠার ঘটনা প্রায় একই। অবৈধ দখল করে গড়ে উঠা। রাজনৈতিক দলগুলোর বড় ভোট ব্যাংক এই বস্তিগুলো। রাজনৈতিক দলগুলোর মিছিলে এই বস্তিগুলোর একটা বড় জনসংখ্যা থাকে। আবার রাজনৈতিক দলগু্লোর ক্যাডাররা গরিব মানুষদের সেখানে অল্প খরচে থাকতে দেয়। মাদক ব্যবসার জন্য স্বর্গ এই বস্তি।

প্রতি বছর কোন না কোন বস্তিতে আগুন লাগে আর সেই বস্তি ছাই হয়ে যায়। দমকলবাহিনী দেরীতে পৌছায় আগুন নেভানোর জন্য। পানির সল্পতা আর কত কি বাহানা তাদের। যাই হৌক এ নিয়ে খুব কমই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। গরিব মানুষেরাও অন্য কোন বস্তিতে নিজেদের ঠাঁই করে নেয়। আবার দিন আনে দিন খায়।

কেন এই বস্তিতে আগুন লাগে তার ঘটনা অজানাই রয়ে যায়। বস্তিতে আগুন লাগার সেই ঘটনাই অনুসন্ধান করতে গিয়েছিলাম।

বস্তিতে আগুন লাগার পিছনে কোন না কোন রিয়েল এস্টেট ডেভলপারের হাত আছে; সঙ্গে আছে সরকারী রাজনৈতিক দলের সমর্থন। যেহেতু সব রাজনৈতিক দলগুলোর ভোট ব্যাংক এই বস্তিগুলো তাই তারা সরাসরি উচ্ছেদের পথ কম বেছে নেয়। আবার যারা রিয়েল এস্টেট ডেভলপাররা আছেন তারা প্রত্যেক রাজনীতিবিদদের নির্বাচনের সময় অর্থের যোগান দিয়ে থাকেন। সরকারে গেলে তাদেরও খুশি রাখতে হয় আমাদের রাজনীতিবিদদের। এসব দিক চিন্তা করে রিয়েল এস্টেট ডেভলপারেরা সময় সুযোগ বুঝে বস্তিতে আগুন লাগিয়ে দেয়। পুড়ে ছাই হয়ে যায় বস্তিগুলো; রিয়েল এস্টেট ডেভলপারদের জন্য জায়গা খালি হয়ে যায়। রাজনীতিবিদদের ভোট ব্যাংকও ঠিক থাকে আর সুবিধাবাদী রিয়েল এস্টেট ডেভলপারদেরও মন জয় হয়ে যায়। একেই বলে এক তীর দুই শিকার।

মগবাজারে যেই বস্তিতে আগুন লেগেছে সেই জায়গা ছিল রেলওয়ের। হ্যাঁ অনেকেই বলতে পারে সরকারী দলের লাভ কি বস্তিতে আগুন লাগিয়ে লাভ কি? জায়গা তো রেলওয়ের। তাদের জন্য উত্তর একটাই – বাংলাদেশে অবৈধ দখলদারদের জন্য কোন কিছু ব্যাপার না। তাদের যেখানে যা ইচ্ছা তারা নিজের করে নেয়। নদী দখলদারদের কথা কি ভুলে গেছেন। হয়ত দেখা যাবে রেলওয়ের সে জায়গায় আবার নতুন করে বস্তি গড়ে উঠছে নয়তো নতুন কোন বহুতল এপার্টমেন্ট অথবা মার্কেট গড়ে উঠছে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29048272 http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29048272 2009-11-23 09:46:34
আমরা কি ৩৪ বছর ঘুমিয়ে ছিলাম?
যিনি বাংলাদেশের মানুষের জন্য দিনের পর দিন জেলে থেকেছেন, হাজার নির্যাতন সহ্য করেছেন তার প্রতিদান দিতে কি আমাদের ৩৪ বছর লাগলো? আমরা কি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টয়েই কি বঙ্গবন্ধুর খুনিদের শাস্তি দিতে পারতাম না? কোথায় ছিল আমাদের বিবেক? ঘুমিয়ে ছিলো কি ঘরের কোনায়?

শাস্তির রায় হবে কালকে কিন্তু বঙ্গবন্ধুর খুনিদের শাস্তির রায় কার্যকর কখন হবে? অনেকে তো এখনো পলাতক আছেন। আমরা যারা বাংলাদেশী আছি তারা কি পারি না সেই সব লুকিয়ে থাকা খুনিদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনতে? কেন লাগবে ইন্টারপোল? আমাদের কি সেই শক্তি নেই?

কেন বাংলার মানুষ সেই ১৯৭১-এর মত গর্জে উঠেনি সেই ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট। বাংলার মানুষ থাকতে কিভাবে পালিয়ে গেল খুনিরা। বঙ্গবন্ধু কি এই প্রতিদানের সপ্নই দেখেছিলেন?

বঙ্গবন্ধু নেই কিন্তু তিনি তার আদর্শের মাঝে আমাদের অন্তরে আজো বেঁচে আছেন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29045778 http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29045778 2009-11-18 23:18:15
Qubee/আগুরী WiMAX BroadBand Service রিভিউ – ২ Qubee/আগুরী WiMAX BroadBand Service রিভিউ – ১

কিছুদিন আগে Qubee-র WiMAX BroadBand Service খরচ নিয়ে একটা রিভিউ দিয়েছিলাম। আজকে সেই রিভিউর দ্বিতীয় পর্ব।

Qubee-র WiMAX BroadBand Service–এর বর্তমান খরচের দিকে তাকালে দেখতে পারবো যে তাদের খরচ অনেক কমে এসেছে। তারা এখন 256kpbs থেকে 1mbps স্পিডের WiMAX BroadBand দিচ্ছে। খরচ প্রতিমাসে প্যাকেজভেদে ১২৫০ টাকা থেকে ৫২৫০ টাকা পর্যন্ত। মডেমের দাম আগে যেখানে ৭০০০ টাকা ছিল সেখানে এখন তারা নিচ্ছে ৪০০০ টাকা।

কিন্তু তারা ভাল স্পিডের WiMAX BroadBand Service দিলেও তারা ডাটা ট্রান্সফার লিমিট দিয়ে দিচ্ছে। প্যাকেজভেদে ডাটা ট্রান্সফার লিমিট 5GB থেকে 20GB। আপনার প্যাকেজের ডাটা ট্রান্সফার লিমিট শেষ হয়ে গেলে অতিরিক্ত প্রতি MB এর জন্য ১৫ পয়সা করে গুনতে হবে। সহজ হিসাব অতিরিক্ত প্রতি গিগাবাইট ডাটা ডাউনলোড করার জন্য আপনাকে ১৫৪ টাকা গুনতে হবে।যদি ডাটা ট্রান্সফার লিমিট-এর দিকে চিন্তা করি তারা গ্রাহকের গলা কাটছে।

যারা নেট থেকে প্রচুর পরিমানে মুভি, গান, নাটক,গেমস ডাউনলোড করেন তাদের এই Qubee-র WiMAX BroadBand Service নিয়ে কোন লাভ হবে না। তাদের এখন পর্যন্ত কোন আনলিমিটেড কোন প্যাকেজ নেই। অদূর ভবিষ্যতে না আসার সম্ভাবনাই বেশি।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29045645 http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29045645 2009-11-18 20:07:16
হে শ্রমমন্ত্রী ঘুমাইয়া ঘুমাইয়া বিদেশে কত লোকেরে পাঠাইবেন আর রেমিটেন্স বাড়াইবেন
আমার প্রশ্ন ও ভাবনা

১) সরকারের ভূমিকা কি বিদেশে লোক পাঠানোর ক্ষেত্রে? বাংলাদেশের অশিক্ষিত জনগন নিজের গাঁটের খরচ করে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রতারনার শিকার হয়ে বিদেশে কাজের আশায় যাচ্ছে। সরকার কি করছে? পাসপোর্ট ইস্যু আর নবায়ন করাই কি তাদের কাজ? বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো কি সরকার নিয়ন্ত্রন করছে? কেউ প্রতারিত হলে সরকার কি করছে?বেসরকারি প্রতারক রিক্রুটিং এজেন্সিদের বিরুদ্ধে সরকার নিশ্চুপ কেন? বিদেশে যারা অবৈধভাবে চাকুরী করছে তাদের বৈধতার কথা কি তারা চিন্তা করেন?

২)হ্যাঁ অনেক রেমিট্যান্স এসেছে। কিন্তু এই রেমিটেন্স এর পিছনে বাংলাদেশের প্রবাসী জনগনের কষ্টের কথা কি কখনও ভেবে দেখেছেন? তারা যে প্রতারিত হচ্ছে তাদের জন্য সেখানে কিছু করার চেষ্টা করছেন? তারা যে সেখানে তাদের পরিশ্রমের ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না তা চিন্তা করে দেখেছেন।বিদেশে শ্রমিকদের পাসপোর্ট কোম্পানি জোর করে নিজের জিম্মায় কেন রাখে তার কোন সুরাহা করতে পেরেছেন।

৩) “ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে আরও পাঁচ লাখ লোককে বিদেশে পাঠানো হবে” – এই পাঁচ লাখ লোকের জন্য বাংলাদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করলে কি বেশি সমস্যা হবে নাকি? যারা বিদেশে যাবে তারা সরকারের কাছ থেকে কি সুবিধা পাবে? আমার উত্তর – সরকার তাদের মুলিবাঁশ উপহার দিবে পিছন দিয়ে।

অবশেষে বলিতে চাই - হে শ্রমমন্ত্রী ঘুমাইয়া ঘুমাইয়া বিদেশে কত লোকেরে পাঠাইবেন আর রেমিটেন্স বাড়াইবেন, দু-চোখ খুলিয়া ধরেন। বাংলাদেশী শ্রমিকদের কষ্টের প্রতিদান দিন। আমি প্রতি সকালে আপনার লুঙ্গিতে সপ্ন বাস্তবায়নের ম্যাপ দেখিতে চাই না। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29043068 http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29043068 2009-11-13 22:54:13
বাংলাদেশের নেতা-নেত্রীরা কি সপ্নদোষ রোগী?? <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" />
বাংলাদেশের রাজনীতিবিদেরা অন্য দেশের রাজনীতিবিদদের চেয়ে অনেক বেশি সপ্ন দেখেন। যখন কিছু উদ্বোধন করতে যান বলেন এটা আমার সপ্ন ছিল, আমার বাবার সপ্ন ছিল, আমার বৌ এর সপ্ন ছিল আর যাই হৌক তার পরিবারের কারও না কারও ঐ সপ্ন ছিল। সপ্ন দেখার ঠেকা বা অধিকার বা লাইসেন্স মনে হয় শুধু তাদেরই আছে। আর সরকারী দলে আসলে সপ্ন পূরনের মাত্রা একটু বেশি বেড়ে যায় বলে মনে হয়। ক্ষমতায় না থাকলে কাজ তো থাকে না তখন মনে হয় সপ্ন দেখা হয়। “হ্যাঁ এই বেশি সপ্ন দেখার রোগের নামই সপ্নদোষ এবং রোগী আমাদের নেতা-নেত্রীরাই।”

একবার এক সবজী-বিক্রেতা আমাকে জিজ্ঞেস করেছিল, “স্যার, আমগো নেতাগো কি খাইয়্যা দাইয়্যা কাম কাইজ নাই, খালি সপ্ন দেখে কেন? এত সপ্ন দেইখ্যা কেমনে মনে রাখে? আমরা সারাদিন সবজী বেইচ্যা ঘরে যাই, ঘুমায়া পরি, সপ্ন দেহি কি দেহি না উঠলে মনে থাহে না। স্যার হেগো ব্যারাম আছে নাকি যে হারাদিন ঘুমায়া ঘুমায়া সপ্ন দেখবো?”

সেই সবজী বিক্রেতাকে আমি সেইদিন কোন জবাব দেইনি। কিন্তু কথাটা যে যুক্তিসঙ্গত ছিল না সেটা আমি বলবো না। কারন যারা সাংসদ তাদের নিজস্ব নির্বাচনী এলাকায় খুব কমই দেখা যায়। মাঝে মাঝে সংসদে জি হুজুরী করতে দেখা যায়। অধিকাংশ দিন তো তারা তাদের দ্বায়িত্ব ভুলে সংসদে পাড়া দিতেই ভুলে যান। তাহলে তারা থাকেন কোথায়? বাসায় কি সারাক্ষন ঘুমান আর সপ্ন দেখেন? “আর যখন ঘুম থেকে উঠেন তখন তাদের লুঙ্গিতে তাদের উন্নয়নের সপ্ন বাস্তবায়নের ম্যাপ হিসেবে দেখতে পান; তাই নয় কি?” <img src=" style="border:0;" />

হয়ত এ উন্নয়নের ধারা থেকে আগামীতে গন-শৌচাগারও বাদ পড়বে না এবং উদ্বোধনের সময় বলা হবে – আজকে আমি এই গন-শৌচাগার উদ্বোধন করে নিজেকে অনেক সম্মানিত মনে করছি। এ জায়গায় একটি গন-শৌচাগার হবে তা আমার অনেক আগে দেখা সপ্ন ছিল। এ সপ্ন আমি অনেক আগেই দেখেছিলাম আর শুরু হবে সেই সপ্ন দেখার ইতিহাস।

আমি সাধারন জনগন। সপ্ন দেখার ক্ষমতা আছে কিন্তু লাইসেন্স নেই। তাই সপ্ন দেখেও মনে রাখি না। সপ্ন মনে রেখে লাভ কি? আমার সপ্ন পূরন খুব কমই হয়। - কথাগুলো একটু ভাবুক টাইপের হয়ে গেল মনে হয়।

অবশেষে জানতে চাই – “বাংলাদেশের নেতা-নেত্রীরা কি আসলেই সপ্নদোষ রোগী?”

বিঃদ্রঃ ভাল না লাগলে মাইনাস দিয়া যাইতে দ্বিধা বোধ করিবেন না।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29042329 http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29042329 2009-11-12 15:12:49
হাইকোর্ট বাঁশ দিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_05.gif" width="23" height="22" alt=":D" style="border:0;" /> মাদ্রাসায় লেখাপড়া করে কি আমি পাপ করেছি??

হ্যাঁ হাইকোর্ট বাঁশ দিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে। ভুল শুনছেন না। ঠিকই শুনেছেন। “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের 'খ' ও 'ঘ' ইউনিট অন্তর্ভুক্ত ছয়টি বিষয়ে লিখিত পরীক্ষা পরবর্তী ভর্তি কার্যক্রম তিন মাসের জন্য স্থগিত করেছে হাইকোর্ট”।

“আদালত বাংলা, ইংরেজি, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ ও ভাষাতত্ত্ব বিভাগে ভর্তির ক্ষেত্রে বাংলা ও ইংরেজিতে উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় দুইশ' নম্বর করে থাকার শর্ত আরোপকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না- আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে এর কারণ জানাতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রতি রুলনিশি জারি করেছে”।

সকালের পোষ্টে লিখেছিলাম যে কিছুদিন আগে অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকারী মাদ্রাসা ছাত্র আব্দুল আলিম বাংলা, ইংরেজি, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ ও ভাষাতত্ত্ব বিভাগে ভর্তি হতে পারবে না। কারন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির ক্ষেত্রে বাংলা ও ইংরেজিতে উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় দুইশ' নম্বর করে থাকার শর্ত আরোপ করে। কিন্তু মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা বাংলা ও ইংরেজিতে ১০০+১০০=২০০ নম্বরের পরীক্ষা দেয়।

এ বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘খ’ ইউনিটের পরীক্ষায় প্রথম ২০ জনের মধ্যে ৮ জনই কিন্তু মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। এ থেকে বোঝা যায় যে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীর থেকে মেধা ও যোগ্যতায় কম যায় না।

কালকে সকালে এ নিয়ে বিস্তারিত লেখবো।

তথ্যসূত্র
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29041409 http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29041409 2009-11-11 00:02:18
মাদ্রাসায় লেখাপড়া করে কি আমি পাপ করেছি?? <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_23.gif" width="23" height="22" alt="X((" style="border:0;" />

“মাদ্রাসায় লেখাপড়া করে কি আমি পাপ করেছি??” – কথাগুলো আমার না। কথাগুলো আব্দুল আলিমের। এই আব্দুল আলিম আর কেউ নয় কিছুদিন আগে অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘খ’ ইউনিটের পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধীকারী আব্দুল আলিমের। হ্যাঁ আব্দুল আলিম মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ছিলেন। হ্যাঁ তিনি পাপ করেছেন মাদ্রাসায় লেখাপড়া করে। কারন মাদ্রাসায় বাংলা, ইংরেজী, অর্থনীতি এসবের উপর জোর না দিয়ে ধর্মীয় শিক্ষায় জোর দেওয়া হয়েছিল। যেখানে স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা ২০০ নাম্বারের বাংলা-ইংরেজী বিষয়ের পরীক্ষা দেয় সেখানে মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীরা মাত্র ১০০ নাম্বারের পরীক্ষা দেয়।

আর একটু যোগ করছি। এ বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘খ’ ইউনিটের পরীক্ষায় প্রথম ২০ জনের মধ্যে ৮ জনই কিন্তু মাদ্রাসার শিক্ষার্থী।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি নীতি অনুযায়ী মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীরা বাংলা, ইংরেজী, অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, ভাষাবিজ্ঞান,গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা এবং উইমেন এন্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগে ভর্তি হতে পারবে না। কারন এসব বিভাগে ভর্তির জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে ২০০ নম্বরের ইংরেজি ও ২০০ নম্বরের বাংলা থাকবার শর্তারোপ করা হয়েছে। এখানেই দোষ করেছে আব্দুল আলিম।

হয়ত চাকুরীর সার্কুলারে খেয়াল করে থাকবেন যে ইংরেজী, অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা এসব বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীদের প্রাধান্য দেওয়া হয় চাকুরীর ক্ষেত্রে। বিশ্ববিদ্যালয় উচ্চশিক্ষার জায়গা এবং এখান থেকে লেখাপড়া করে ভাল চাকুরী পাওয়া অধিকাংশ মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে-মেয়ের সপ্ন। মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাও এর থেকে ব্যতিক্রম নয়। তারাও পরিশ্রম করে ভর্তি পরীক্ষায় ভাল করে ইংরেজী, অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে পড়তে চায়। তো দোষ কিসের? ধর্মীয় শিক্ষাই মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর জন্য কাল হয়ে দাড়িয়েছে।

আমি জানি না ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘খ’ ইউনিটের পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধীকারী আব্দুল আলিম ইংরেজী, অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা এসব কোন বিভাগে সুযোগ পাবেন কি না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা কি মাদ্রাসার ছাত্রদের প্রতি তাদের কুদৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করবেন কি না তাও আমার জানা নেই। কিন্তু ‘খ’ ইউনিটের পরীক্ষায় প্রথম ২০ জনের মধ্যে ৮ জনই মাদ্রাসার শিক্ষার্থী সুযোগ পেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কথিত “ধর্মনিরপেক্ষ” কর্মকর্তাদের গালে একটা চড় বসালো আশা করি এটার মজা তারা ঠিকই বুঝবেন।

বিঃদ্রঃ বিজ্ঞাপনটি প্রথম আলো পত্রিকার ২২ পাতার মুদ্রিত হয়েছে। আমি এ পোষ্টের লেখক এবং ফোকাস কোচিংয়ের সাথে কোন রুপে যুক্ত নই। ফোকাস কোচিংয়ের সহায়তায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘খ’ ইউনিটের পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধীকারী আব্দুল আলিমের যোগাযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আমার এই লেখা।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29041028 http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29041028 2009-11-10 12:41:56
ডিডোর বহিষ্কার – বাংলাদেশের ফুটবল ভবিষ্যৎ অন্ধকার

বাংলাদেশের ব্রাজিলিয়ান কোচ এডসন সিলভা ডিডোকে বহিষ্কার করলো বাফুফে। ডিডো তারুণ্যে প্রাধান্য দিয়ে একটি দল গঠন করতে চেয়েছিলেন এবং এর জন্য রজনী, বিপ্লব, জাহিদ, আরিফ, আরমান আজিজের মতো অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের জায়গা হয়নি। এই অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের বাদ দেওয়ার অন্যতম কারন ছিল কোচের অমান্য করা পূর্বের ট্রেনিং সেসনেগুলোতে। “বাফুফের ২১ সদস্যের কমিটির ১৭ জনের উপস্থিতিতে গৃহীত হয় তাঁকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত”

এই সিদ্ধান্ত থেকেই বুঝা যায় যে বাংলাদেশের ফুটবল ভবিষ্যৎ অন্ধকার। যেখানে কোচের মতকে প্রাধান্য না দিয়ে খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত ইচ্ছাকে প্রধান্য দেওয়া হয়েছে। বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন ডিডোর পক্ষে থাকলেও বাফুফের “রাজনৈতিক প্রভাবযুক্ত” ২১ সদস্যের কমিটির সিদ্ধান্তের কাছে হার মানেন।

ডিডোকে কোন যুক্তিতে বহিষ্কার করা হলো তা আমি বুঝতে পারছি না। কিন্তু এই বহিষ্কারের পিছনে বাদ পড়া রজনী, বিপ্লব, জাহিদ, আরিফ, আরমান আজিজের অবদান অবশ্যই আছে সঙ্গে আছে তাদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতাও।

ম্যাচের পর ম্যাচ হারলেও রজনী, বিপ্লব, জাহিদ, আরিফ, আরমান আজিজেরা কিন্তু দলে তাদের জায়গা ঠিকই ধরে রাখেন কিন্তু চলে যেতে হয় কোচকে। কথায় আছে না - যত দোষ সব নন্দ ঘোষের। এই নন্দ ঘোষ যে ডিডো। না ডিডোকে নন্দ ঘোষ বলবো না। কারন তিনি তো এখনো কোন ম্যাচ এখনো হারেন নাই। ম্যাচ হারার আগেই তাকে বিদায় করে দেওয়া হলো।

আপনারাই চিন্তা করে দেখুন কোন ছাত্র যদি তার শিক্ষকের কথা না শুনে তাহলে শিক্ষক কি তাকে ক্লাসে রাখবেন? রাখবেন না, শাস্তি দিয়ে বের করে দিবেন ক্লাস থেকে। ডিডো কিন্তু তাই করেছিলেন। কিন্তু বাংলাদেশের কালচার তিনি বুঝে উঠতে পারেন নাই। বাংলাদেশে শিক্ষকদের কোন মর্যাদা নেই।

একটু আন্তর্জাতিক ফুটবলের ইতিহাসে ফিরে যাই। ১৯৯৪ সালে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ জয়ী দলের রোমারিওর কথা মনে আছে। রোমারিওর ভালো ফর্ম থাকা স্বত্তেও ২০০২ সালে ব্রাজিলের কোচ স্কোলারি তাকে দলে নেন নাই। রোনালদিনহোর কথা মনে আছে? সেই ফোকলা দাতের ব্রাজিলিয়ান শিশুটি। ঐ যে বার্সালোনার মধ্যমনি ছিল। কিছুদিন আগে শেষ হওয়া দক্ষিন আমেরিকার বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের ম্যাচগুলোতে রোনালদিনহো কিন্তু সুযোগ পান নাই। দল নির্বাচনে এবং পুরো পরিকল্পনায় কোচের স্বাধীনতা ছিল। কিন্তু বাংলাদেশের কোচকে মুখে সেই স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছিল। সেই স্বাধীনতার প্রয়োগ করতে গিয়ে-ই ডিডো আজ বহিষ্কৃত।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29040996 http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29040996 2009-11-10 11:01:28
মেয়েদের মোবাইলে বখাটেদের উৎপাত বন্ধ করার পরীক্ষিত উপায় <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" /> (" style="border:0;" /> আছে যারা অনবরত আমগো মা-বোন-বৌ-ইয়ের মোবাইলে ফোন দিয়া তারছিড়া মার্কা কথা কয়। <img src=" style="border:0;" /> মাইয়্যা মানুষের ভয়েস শুনলেই হয় আর তাগো আর সহ্য হয় না। মনের ভেতরে বাহিরে যা কিছু আছে বমি কইরা দেয়। এই জাত বেহাইয়াগো শাস্তি দেওনের পরীক্ষিত উপায় নিচে দিলাম।

উপায়ঃ

আগে দেখুন অপরিচিত নাম্বার থেকে প্রতিদিন কতবার ফোন আসছে। যদি একাধিক নাম্বার থেকে অনবরত ফোন আসে তাহলে কল ব্লক করে লাভ নেই। কয়টা নাম্বার ব্লক করবেন। বিশেষত এই “জাত বেহাইয়া তারছিড়া মার্কা পোলাপাইনেরা” রাতের সময়কে বেছে নেয় মোবাইল ফোনে জ্বালাতন করার জন্য। এ থেকে পরিত্রান পাবার উপায় হচ্ছে যে আপনি আপনার মোবাইলের কল ডাইভার্ট অপশন-এ যান। এবং আপনার কাছে আসা সব ফোনকে “RAB”-এর নাম্বারে, নিকটস্থ পুলিশ স্টেশনের নাম্বারে ডাইভার্ট করে দিন।

এটা করলে “বেহাইয়া পোলাপাইনেরা” হয়তো জানবে তাদের ফোন অন্য কোথাও ডাইভার্ট হচ্ছে কিন্তু কার নাম্বারে ডাইভার্ট হচ্ছে তা জানবে না। যখন অপরপ্রান্তের লোকটি বলবে যে সে “RAB” এর অফিসার অথবা পুলিশ তার র্যাঙ্কের পরিচয় দিবে তখন “বেহাইয়া পোলাপাইন”টি বুঝবে মেয়ের বাবা অথবা বড় ভাই ভয় দেখানোর জন্য এ কাজটি করছে আর তাকে গালিগালাজ দিয়ে বসবে। এটাই হবে তার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল এবং “RAB” এর অফিসার অথবা পুলিশ যাকে গালিগালাজ করা হয়েছে তার খবর অবশ্যই নিবে। তার পরে “বেহাইয়া পোলাপাইন”টির জীবনে যে ঝড় আসবে সে ঝড় তার পূর্বপুরুষদের নাম ভুলিয়ে দিবে।

প্রতিরাতে ঔষধ খাবার মত আপনার মোবাইলকে “RAB”-এর নাম্বারে, নিকটস্থ পুলিশ স্টেশনের নাম্বারে ডাইভার্ট করে ঘুমাতে যান। হালাকার উপর ঝাপসা খরচ হবে কিন্তু মানসিক অশান্তি থেকে বাঁচতে পারবেন। রাতে ভালো ঘুম আসবে।

ঘটনাটি পরীক্ষিত এবং রাতের বেলা বিরক্তিকর কলারদের হাত থেকে বাঁচার জন্য সর্বোত্তম ঔষধ।

বিঃদ্রঃ এ পর্যন্ত চারজন “জাত বেহাইয়া পোলাপাইন” আমার পোষ্ট মাইনাস দিয়া তাদের জাতের প্রমান পরিচয় দিয়া গেছেন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29040700 http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29040700 2009-11-09 21:47:08
অনেক তো বিদ্যুৎ সাশ্রয় হলো এবার হাসপাতালে লোডশেডিং কমান

বিদ্যুৎ সাশ্রয় করার জন্য তো অনেক কিছুই করা হলো।বেচারা ঘড়ির কাঁটার কান ধরে এক ঘন্টা এগিয়ে আনা হলো। শীতকালে ঘড়ির কাঁটা বললো আমাকে আগের জায়গা ফিরিয়ে দাও। কিন্তু কে শুনে ঘড়ির কাঁটার প্রার্থনা। এখন শীতকাল কি গ্রীষ্মকাল আগামী অন্তত আরও ৪ বছর ১ মাস ঘড়ির কাঁটা এক ঘন্টা আগে থাকবে। আমরা সাধারন মানুষেরাও কোন রকমে এই ডিজিটাল টাইমের সাথে মানিয়ে চলতে শিখে গেছি এতদিনে। কিছুদিন পরে শীতের সকালে টর্চ লাইট আর ঘন্টি নিয়ে রাস্তায় বের হতে হবে। এই শীতের সকালের অন্ধকার আর ঘন কুয়াশায় কিছুই দেখা যাবে না; আশেপাশের মানুষজনকে সাবধান করতে হবে যে পাশে কেউ আছে। যাই হৌক ভুল করার পরিনতি এটা; সহ্য করতেই হবে।

এত কিছু হয়ে গেল কিন্তু লোডশেডিং তো আগের মতই হচ্ছে। আমরা সাধারন জনগন তো লোডশেডিংকে জীবনের অঙ্গ হিসাবে ধরে ফেলেছি। কিন্তু আপনি কি একবার হাসপাতালে লোডশেডিং এর কথা চিন্তা করে দেখেছেন। আজকে “প্রথম আলো”র একটি রিপোর্ট পড়লাম – “বিদ্যুৎ চলে গেলে মোমের আলোয় চিকিৎসাসেবা, হয় অস্ত্রোপচারও”। রিপোর্টে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের কথা বলা হয়েছে। সেখানে “গ্রীষ্ম মৌসুমে দিন-রাত মিলিয়ে ছয় থেকে আট ঘণ্টা লোডশেডিং ছিল। এখন সব মিলিয়ে কমপক্ষে দুই ঘণ্টা লোডশেডিং হয়”। আর জেনারেটর যে তেলের অভাবে চলে না নাকি বরাদ্দের টাকা বড় ডাক্তারবাবুর পকেটে চলে যায় তা আপনারা ভাল করেই বুঝেন। অধিকাংশ সরকারী হাসপাতালের চিত্র কিন্তু একই।

একবার চিন্তা করে দেখেন সেই রোগীর কথা যার লোডশেডিংয়ে ভুল অস্ত্রোপচারের কারনে মৃত্যু হতে পারে। মোমবাতির আলোয় কি অস্ত্রোপচার করা যায়? আর অন্যান্য রোগীদের কথাও চিন্তা করেন। অন্ধকারে নার্স ভুল করে অন্য ইঞ্জেকশন অথবা ঔষধ দিয়ে দিলে যে রোগী যে মৃত্যুদ্বারে পৌছে যাবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বাংলাদেশের গরীব মানুষের তো আর নেতা-নেত্রীদের মত হারামের টাকা নেই যে বেসরকারী হাসপাতালে গলা কাটাতে যাবে। তাদের তো একমাত্র ভরসা সরকারী হাসপাতলই।

সরকারী হিসাবমতে তো অনেক বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়েছে কিন্তু সেই সাশ্রিত বিদ্যুৎ তো সরকারী হাসপাতালে না গিয়ে সরকারী দলের নেতা-নেত্রীদের বাসায় পৌছে। আর সরকারী দলের নেতা-নেত্রীরা তো আর লোডশেডিং আর সরকারী হাসপাতালের সেবার স্বাদ নেন নাই তাই তার কষ্ট বুঝবেন না।তাদের পায়ে ব্যাথা হলেই তো মাউন্ট এলিজাবেথ ঘুরতে চলে যান তারা। সরকারী দলের নেতা-নেত্রীদের বলতে চাই একটু সরকারী হাসপাতালের দিকে নজর দিন। সুস্থ মানুষ তো লোডশেডিং তো সহ্য করতে পারে কিন্তু একটা হাসপাতালের রোগীর লোডশেডিং সহ্য করার সেই ক্ষমতা নেই, ডাক্তারবাবুও অন্ধকারে অপারেশন করতে পারবেন না। তাই ছোট মুখে বড় কথা বলছি কি, সাশ্রিত বিদ্যুৎ কি একটু আপনাদের বাসা থেকে ডাইভার্ট করে সরকারী হাসপাতালে দেওয়া যায় না। ঐ রোগীটা বেঁচে থাকলে কি আপনার ভোট ব্যাংকে কি একটি ভোট বাড়বে না?


বিদ্যুত্ চলে গেলে মোমের আলোয় চিকিত্সাসেবা, হয় অস্ত্রোপচারও ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29040573 http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29040573 2009-11-09 17:08:02
ব্যান্ডউইথ রপ্তানি ও আমার ভাবনা
আমরা যারা বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার করছি তারা যে ব্যান্ডউইথ পাই তা খুবই কম। আমার ব্যক্তিগত জরিপে আমি জানতে পেরেছি যে বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা গড়ে ৮০kpbs = ১০KPBS স্পিড পেয়ে থাকেন। ডায়াল-আপ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা এই গড় স্পিডের চেয়ে কম স্পিড পেয়ে থাকেন আর ব্রডব্যান্ড ব্যবহারকারীরা ১২-১৫KPBS স্পিড পেয়ে থাকেন।

এত ব্যান্ডউইথ পড়ে থাকার পরও বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা খুব কম স্পিড পেয়ে থাকেন।এই অল্প স্পিডের মূল্যও বেশ চড়া দিতে হয়। বিভিন্ন জায়গাভেদে লোকাল আইএসপিগুলো ৮০০-১৫০০ টাকা নেয় প্রতিমাসে। সম্প্রতি ওয়াইম্যাক্স সার্ভিস চালু হয়েছে। কিন্তু ওয়াইম্যাক্স ইন্টারনেট সার্ভিস ব্যবহার করার জন্য প্রতিমাসে প্যাকেজ ভেদে ৩৪০০-৬২০০ টাকা গুনতে হবে।

মোবাইল কোম্পানিগুলোর GPRS-EDGE ইন্টারনেট সুবিধা এবং বাজারের অধিকাংশ মোবাইল সেটে GPRS-EDGE সুবিধা থাকার কারনে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা অনেক বেড়েছে। কিন্তু অনেক জায়গাতেই খুব ভালো স্পিড পাওয়া যায় না।

অনেকেই আমার পোষ্টের বিপক্ষে যুক্তি দিতে পারেন যে ব্যান্ডউইথের মূল্য এখনো অনেক বেশি – প্রতি 1mbps = 1024kpbs ব্যান্ডউইথের মূল্য ১৮০০০ টাকা। কিন্তু বাংলাদেশের লোকাল আইএসপিগুলো এই 1mbps ব্যান্ডউইথ কিনে ২৫-৩০ জনকে শেয়ার করে দিচ্ছে। এবং সব ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা এক সঙ্গে ব্যবহার না করার ফলে আইএসপিগুলো ও ব্যবহারকারীদের সমস্যা হয় না। কিন্তু রাতের বেলা অনেক ব্যবহারকারী এক সঙ্গে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে গেলে খুব স্লো স্পিড পান। যাই হোক, লোকাল আইএসপিগুলো কিন্তু অনেক লাভ করছে। তাদের চিন্তা বেশি ব্যান্ডউইথ কিনতে গেলে লাভের পরিমানও কমে যাবে। (লোকাল আইএসপিগুলোর প্রতারনা নিয়ে পরবর্তীতে লিখবো)

আমার প্রশ্ন ৩৫ গিগাবাইট অব্যবহৃত ব্যান্ডউইথ থাকতেও আমাদের কেন এত উচ্চমূল্যে ইন্টারনেট সেবা গ্রহন করতে হচ্ছে? এটা কি সরকারের উদাসীনতা নাকি ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা আইএসপিগুলোর প্রতারনার শিকার? ব্যান্ডউইথ অব্যবহৃত না রেখে আরও কম মূল্যে বিক্রি করা হলে ইন্টারনেটের ব্যবহারকারীদের সংখ্যা বৃদ্ধি ও ইন্টারনেট সেবার মান কি আরও উন্নত হতো না।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29038820 http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29038820 2009-11-06 19:38:09
অনলাইনে ক্রেডিট কার্ডে লেনদেনে অনুমতি দিল বাংলাদেশ ব্যাংক
তারপরও ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার সম্পর্কিত কিছু প্রশ্ন রয়ে যায়ঃ

১) সরকারী ও বেসরকারী ব্যাংকের অনেক কর্মকর্তার কাছে অনলাইনে কেনাকাটার ব্যাপারটি একেবারে নতুন। বাংলাদেশ ব্যাংকের উচিত হবে এ ব্যাপারে কিছু কর্মশালা পরিচালনা করা।

২) ক্রেডিট কার্ড করার জন্য টিন সার্টিফিকেট লাগে। হয়ত অনেকেই ক্রেডিট কার্ড করার জন্য ভুয়া টিন সার্টিফিকেট ব্যবহার করতে পারেন। অনেক ব্যাংকই গ্রাহকের টিন সার্টিফিকেটের সত্যতা যাচাই করে না। কিন্তু পরবর্তীতে কোন সমস্যা হলে গ্রাহককেই তা ভুগতে হবে।

৩) অনলাইনে কেনাকাটা করে আপনি যে পন্যটি কিনেছেন তার উপর বাংলাদেশ সরকার উচ্চহারে শুল্ক আদায় করবে যখন আপনি পন্যটি দেশে গ্রহন করবেন। পন্যমূল্য+ডেলিভারী চার্জ + শুল্ক – এ তিনটি মিলে পন্যটির দাম দ্বিগুন করে দিবে। এটাও একটা প্রতিবন্ধকতা।

৪) বাংলাদেশী ব্যাংকগুলো অনলাইনে কেনাকাটা করা যায় এ রকম ক্রেডিট কার্ডের উপর উচ্চ হারে চার্জ কর্তন করতে পারে। বাংলাদেশ ব্যাংক কি তার উপর নজর দিবে?

তথ্যসূত্রঃ bdnews24.com
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29036562 http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29036562 2009-11-02 20:35:30
খোলা দোকানে ফ্লেক্সিলোড করার ব্যপারে সচেতন হন
যাই হৌক সমস্যা হচ্ছে যে তারা অনেক সময় সঠিক নাম্বারে টাকা ফ্লেক্সিলোড করে না। অধিকাংশ ক্ষেত্রে তাদের কাছে অভিযোগ করলে তারা অস্বীকার করে। অনেকে আবার ধান্দাবাজি করে টাকা ফ্লেক্সিলোড করে না কারন তারা চিন্তা করে ১০-২০ টাকার জন্য আবার কে তাদের কাছে ফিরে যাবে।

এভাবে অনেকরই টাকা ভুল নাম্বারে চলে গেছে। কিন্তু ফ্লেক্সিলোডের পদ্ধতি আসলে এটা না। আগে আপনার মোবাইলে কনফার্মেশন মেসেজ আসবে তারপর আপনি টাকা দিবেন। কিন্তু তা হয় না।

টাকা ভুল নাম্বারে চলে গেলে এ টাকা ফেরত পাবার হার মাত্র ০%-২%। কেউ হাতেম তাই হয়ে যায়নি যে টাকা পেয়ে তা আবার ফেরত দিবে। মোবাইল কোম্পানির কাস্টমার কেয়ার এ ব্যাপারে কোন সাহায্য করতে পারবে না।

যদি সম্ভব হয় ২০ টাকা অথবা ৫০ টাকার রিচার্জ কার্ড ব্যবহার করুন নয়তো সচেতন হন টুল পেতে বসা ফ্লেক্সিলোডের দোকান থেকে ফ্লেক্সিলোডে করানোর ক্ষেত্রে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29035803 http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29035803 2009-11-01 13:06:17
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ভর্তির পথ বন্ধ <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_23.gif" width="23" height="22" alt="X((" style="border:0;" /> - মাদ্রাসা ছাত্র-ছাত্রীরা কি উচ্চশিক্ষিত হতে পারবে না? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ভর্তির পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ‘খ’ ইউনিটের বাংলা, ইংরেজী, অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, ভাষাবিজ্ঞান,গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা এবং উইমেন এন্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগে ভর্তির শর্ত হিসেবে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে ২০০ নম্বরের ইংরেজি ও ২০০ নম্বরের বাংলা থাকবার শর্তারোপ করা হয়েছে। মাদ্রাসা ছাত্র-ছাত্রীরা ১০০ নম্বরের ইংরেজি ও বাংলা অধ্যয়ন করে থাকে এবং উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে অর্থনীতিকে ‘ইসলামী অর্থনীতি’ নামে অধ্যয়ন করে, সে কারণে শর্তানুসারে এবারে তারা ঢাবির ‘খ’ ইউনিটের উপরোক্ত বিভাগুলোতে ভর্তি হতে পারছে না।


মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীরা বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও অন্যান্য সাধারণ বিষয়ের পাশাপাশি কুরআন-হাদিস সংক্রান্ত বেশ কিছু বিষয় পড়ে থাকে বলে ইংরেজি ও বাংলা বিষয়ে তারা ১০০ নম্বরের পরীক্ষা দিয়ে থাকে। এ ১০০ নম্বরের অর্থ এই নয় যে, তারা ২০০ নম্বর পড়ুয়া স্কুল ছাত্রদের চেয়ে অর্ধেক ইংরেজি/ বাংলা পড়ছে। তাদের সিলেবাসে সবকিছু সেভাবেই অন্তর্ভূক্ত করা থাকে। ২০০ নম্বর না পড়ার অজুহাতে মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের ভর্তি বন্ধ করাটা সম্পূর্ন অযৌক্তিক।

আবার ইসলামী অর্থনীতিকে গার্হস্থ্য অর্থনীতির সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। এটা কতটুকু যৌক্তিক?

আরও বলতে চাই মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা বাংলাদেশের প্রাচীনতম শিক্ষা ব্যবস্থাগুলোর একটি। যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল তৎকালীন পূর্ব বাংলার মুসলিম জনগোষ্ঠীকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করার জন্য আজ সেখানে মুসলিমরাই বঞ্চিত।

বিগত বছরগুলোর ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় মাদ্রাসা ছাত্র-ছাত্রীরা একটি বড় অংশ জুড়ে নিজেদের অবস্থান নিশ্চিত করছে। তারপরও কেন এই বৈষম্য?? ইংরেজি-বাংলায় স্কুল-কলেজের দুর্বল ছাত্ররা যেমন ঢাবিতে ভর্তির সুযোগ পায় না ঠিক তেমনি মাদ্রাসার দুর্বল শিক্ষার্থীরাও ঢাবিতে চান্স পায় না এবং মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যারা ঢাবিতে সুযোগ পেয়েছে তারাও শীর্ষস্থানীয় ফলাফল করেছে

হয়ত বর্তমান সরকার দেশে ধর্মনিরপেক্ষতার যে প্রভাব সৃষ্টি করছে তার ফল হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ভর্তি প্রতিবন্ধকতা। কিছুদিন পরে মুসলমান মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে।

বিঃদ্রঃ মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন ভর্তির সুযোগ দেওয়া যাবে না তার যুক্তি দিলে খুশি হব।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29035696 http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29035696 2009-11-01 08:51:25
আমি আওয়ামী লীগের সমালোচনা করি কেন আমার পরিচয়ঃ
আমি একজন সাধারন বাংলাদেশী যার ভোট দেওয়া ছাড়া আর কোন অধিকার নেই। আমি কোন রাজনৈতিক দলের কর্মী ও গোঁড়া সমর্থক নই। আমার চাহিদা যেই দল পূরণ করবে তাকেই আমি সমর্থন করবো। মুখ ফুটে কথা বলার অধিকার আমার নেই। সরকার অথবা বিরোধী দলের বিপক্ষে সরাসরি কথা বলতে গেলে প্রান হারানোর ভয় চলে আসে। তাই ব্লগে লেখালেখি করে নিজের মনের কথা প্রকাশ করার চেষ্টা করি।

আওয়ামী লীগের সমালোচনা করার কারনঃ
বাংলাদেশের অধিকাংশ জনগন বিএনপি সরকারের প্রতি অসন্তুষ্ট ছিল তাই অনেক আশা আকাঙ্খা করে ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগকে বাংলাদেশের জনগন ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনে। আমিও তাদের মতের ব্যতিক্রম ছিলাম না। আওয়ামী লীগের প্রতিশ্রুতি শুনে অনেক সন্তুষ্ট ছিলাম। প্রতিশ্রুতিগুলোর শীঘ্রই বাস্তবায়ন হবে এ আশাও ছিল। কিন্তু দশ মাস পার হয়ে গেল কিন্তু কোন প্রতিশ্রুতি পূরন হল না।

দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতি, নিত্যপ্রয়োজনীয় দরকারী পন্য অধিক সিন্ডিকেটেড গুদামজাতকরন আর কৃত্রিম সঙ্কট সৃষ্টি, শিক্ষাজ্ঞনে সন্ত্রাস, টেন্ডারবাজি, ছাত্রলীগের দখলদারিত্ব, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, আওয়ামী কর্মীদের পূনর্বাসন, ভারতের হাতে বাংলাদেশের খনিজ সম্পদ তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা, ভারতের টিপাইমুখ বাঁধ নির্মানে আওয়ামী সরকারের সমর্থন, নিরাপত্তাহীনতা, ধর্মনিরপেক্ষতা এগুলো বিগত দশ মাসে আমরা পেয়েছি। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এখনও শুরু হয়নি।

উপরে উল্লিখিত কোন কিছুই আমাদের প্রতাশিত ছিল না। কেন জানি মনে হয় আমার সব সপ্ন চূর্ন-বিচূর্ন হয়ে গেছে বিগত দশ মাসে। দিন বদলের সপ্ন খোলা চোখে দেখেছিলাম বলে মনে হয়। আমি চিন্তা আমার এ সমালোচনা থেকে আওয়ামী লীগ তারা তাদের ভুলে যাওয়া পথে আবার ফিরে আসতে পারে। জনগনের দুঃখ বুঝার ক্ষমতা আবার ফিরে পাবে।

বঙ্গবন্ধুকে আর আওয়ামী লীগকে আমরা আমাদের হৃদয়ে স্থান দিয়েছি। এ স্থান কেউ নিতে পারবে না। বঙ্গবন্ধু আজও আমাদের পাশে আছেন। কিন্তু আওয়ামী লীগের কিছু সুবিধাবাদী পা চাটা কুকুরেরা বঙ্গবন্ধুকে আর আওয়ামী লীগকে আজ বিতর্কিত করে তুলছে। বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধের ঘোষক কি না তা নিয়ে অনেক জল ঘোলা হয়েছে। আওয়ামী লীগ কি তাদের চিনতে পারছে না? এটাই সবচেয়ে কষ্টের বিষয়। অনেকের মধ্যে ভুল ধারনা জন্মেছে যে বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধের ঘোষক ছিলেন না আওয়ামী সরকার ক্ষমতায় বলে তারা তাদের পক্ষে রায় নিতে পেরেছেন। দখলদারিত্ব, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি করছে তো সেই সুবিধাবাদী পা চাটা কুকুরের দল যারা ক্ষমতা বদলে সাথে সাথে গিরগিট এর মত নিজের রঙ পরিবর্তন করে। তাদের কি বাগে আনা কি আওয়ামী লীগের পক্ষে সম্ভব বলে মনে করেন না?

বর্তমানে আওয়ামী লীগের মধ্যেই অন্তর্দন্দ। পা চাটা কুকুরের দল হাড্ডির ভাগ নিতে নিজেরাই নিজেদের সাথে লড়াই করে যাচ্ছে।মা-বোনের ইজ্জত সেই ’৭১ এর হায়েনা রাজাকারদের মত আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী আজ ভক্ষন করছে। প্রকাশ্য দিবালোকে হত্যা করা হচ্ছে নিরাপরাধ মানুষদের। ক্ষতি তো হচ্ছে জনগনের আর আওয়ামী লীগের সুনামের। বঙ্গবন্ধু কি তার সোনার বাংলার এই সপ্ন দেখে গিয়েছিলেন? ভাবতে বাধ্য হই। হয়ত এরকম চলতে থাকলে আগামীতে ’৭১ এর রাজাকার আর ’০৯ এর আওয়ামী লীগের মধ্যে মানুষ পার্থক্য খুজে পাবে না।

বাংলাদেশকে আর আওয়ামী লীগকে ভালবাসি বলেই সমালোচনা করি। মনে রাখবেন একটা মা কিন্তু তার সেই সন্তানকেই বেশি বকা-ঝকা করেন যাকে তিনি সবচেয়ে বেশি ভালবাসেন। তার ছোট দোষও তিনি সহ্য করতে পারেন না। কিন্তু সন্তানেরা সেটা ভুল বুঝে থাকে। হয়ত আওয়ামী লীগ ও তার আদর্শগুলোকে আমি একটু বেশি ভালবাসি তাই বেশি কষ্ট পাই।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29035245 http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29035245 2009-10-31 14:21:01
আনমনা নীলাঞ্জনা ভাবছো কি বসে একলা
সেই পুরনো দিনের কথা
সেই আমার জন্য অপেক্ষা করা
সেই ব্যস্ততা প্রেমের লীলা খেলা
ভুলে যাও সেই পুরানো স্মৃতি
বদলে গেছি যে এই আমি
তোমায় নিয়ে সপ্ন বোনা ছিল এক পাপ
পাবেনা আমায় কখনো ফিরে আর
মুছে ফেল তোমার চোখের পানি
না তাকিয়েও বুঝতে পারি
কাজলে ভেজা তোমার দু’চোখ খানি
জ্বলবে ভালবাসার প্রদীপ
আবার তোমার জীবনে
আবার আসবে ফিরে
সেই সুখের জোয়ার
সেই প্রতীক্ষায় আছি।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29034842 http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29034842 2009-10-30 21:25:17
বাংলার টাইগাররা স্বমূর্তিতে ফিরে এসেছে

বাংলাদেশের টাইগাররা আজ স্বমূর্তিতে ফিরে এসেছে। ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারল সফরকারী জিম্বাবুয়ে। সাকিবের শতরান ও রাজ্জাকের ৫ উইকেট আজকের জয়ে বড় পার্থক্য গড়ে দিয়েছে। যদিও বাংলার টেন্ডুলকার মিঃ আশরাফুল আবারও ব্যর্থ। তাতে কি? জয় তো হলো বাংলাদেশের টাইগারদেরই। আশা করি বাংলার টাইগাররা তাদের প্রতিশ্রুতি ভুলে যাবে না। ৪-১ এ সিরিজ অবশ্যই জিতবে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29034253 http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29034253 2009-10-29 21:30:06
আপনি কি আজও সেই লগি বৈঠার ভয়ে আছেন? বিঃদ্রঃ যারা মাইনাস দিয়েছেন অথবা মাইনাস দিতে যাচ্ছেন তাদের অসম্মতির কারন আমাকে জানালে খুশি হতাম।



২০০৬ সালের ২৮শে অক্টোবর আপনার মনে থাকতে পারে আবার নাও থাকতে পারে। যাই হৌক সংক্ষেপে বলছি ঐ দিনের ঘটনা। প্রকাশ্য দিবালোকে লগি বৈঠা দিয়ে তরতাজা যুবকদের পিটিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। যেই যুবকদের লগি বৈঠা দিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছিল তারা ছিল শিবির কর্মী; জামায়তে ইসলামীর ছাত্র সংগঠনের একজন কর্মী। পৈশাচিক কায়দায় হত্যা করা লাশটিকে গুম করার চেষ্টাও কম করা হয়নি।

হয়ত শিবির কর্মী ছিল বলে তার নৃশংসভাবে হত্যার বিচার আজও হয়নি। যুবদল অথবা যুবলীগ কর্মী হলে তার কোন কথাই ছিল না। হয়ত সেই শিবির কর্মীর হত্যার বিচার কোন দিনও হবে না, কারন সে তো শিবির কর্মী।

আজকেও সেই ২৮শে অক্টোবর কিন্তু সাল ২০০৯। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায়। ১০ টাকার চাল খাওয়া হলো না, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য কমলো না, নাগরিকদের কোন নিরাপত্তা নেই, নেই মা-বোনদের ইজ্জত রক্ষার প্রচেষ্টা, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কোন নাম গন্ধ নেই, হয়ত ২০২৩ সাল পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।

যাই হৌক এর মধ্যেই আছে বর্তমান আওয়ামী সন্ত্রাসী সরকারের অনেক কিছু অর্জন।
১) সন্ত্রাসী যুবলীগ কর্মীদের পূনর্বাসন
২) টেন্ডারের মাধ্যমে বাংলাদেশের খনিজ সম্পদ ভারতের হাতে তুলে দেওয়া
৩) বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষাকারী বাহিনী নিঃশেষ করে দেওয়া
৪) দখলদারিত্ব-সন্ত্রাস-টেণ্ডারবাজি-চাঁদাবাজিতে ছাত্রলীগ-যুবলীগ-আওয়ামিলীগ কর্মীদের অবস্থান প্রথম (গোল্ডেন এ প্লাস পাওয়ার যোগ্যতা সম্পন্ন খলদারিত্ব-সন্ত্রাস-টেণ্ডারবাজি-চাঁদাবাজিতে)

আমার থেকে বেশি আপনারাই জানেন। কিন্তু সবাই চুপ। হয়ত আজও আপনাদের মনে সেই লগি বৈঠার ভয় আছে। ভয় আছে সেই শিবির কর্মীর মত নৃশংসভাবে প্রকাশ্য দিবালোকে নিহত হওয়ার।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29033635 http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29033635 2009-10-28 20:46:52
“বিশ্ব ছ্যাকা দিবস” পালন করবার চাই <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" /> " style="border:0;" /> অসম্ভবের কিছুই না এটা।

তা আমরা পোলাপাইনেরা যারা প্রতিনিয়ত ভালবাসায় ছ্যাকা খাইয়া আসতাছি তারা কেন ছ্যাকা দিবস হিসাবে একটা দিন পালন করতে পারুমনা। আমরা আমাদের ছ্যাকা খাবার কথা বর্ননা করিব যাতে আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম যাতে ছ্যাকা না খায়। আর আমরা শুধু পোলারাই কেন বা ছ্যাকা খাইবো। আমাদের ছ্যাকা খাইলে ছ্যাকা দিতেও শিখতে হইবো।

তো আপনারা কি “বিশ্ব ছ্যাকা দিবস” পালন করবার চান?<img src=" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29030624 http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29030624 2009-10-23 17:00:54
দি নাটের গুরু <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" /> – বাংলাদেশী ভার্সন অব দা বিগ বস <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" />
কইয়া রাখলাম এই শোতে তারাই আসে যাগো হাতে কোন কাম কাজ নাই এখন।কিছু ভিআইপিও রাখলাম।

রাজনীতিবিদঃ
১। গোলাম আজম (রাজাকার - রাজাকাররে জুতা পিটা খাওয়ামু সবাইরে দিয়া)
২। জলিল চাচা অরফে আবদুল জলিল (মানসিক ভারসাম্যহীন কিন্তু কাজে আসবো)
৩।সাকা চৌধুরী অরফে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী (ইনার কথা ছাড়া শো জমবো না)
৪।দেলোয়ার হোসেন সাঈদী / মুজাহিদ (যুদ্ধাপরাধী)
৫।এরশাদ চাচা (রাষ্ট্রের পতি হইতে পারলাম না)
৬।সোহেল তাজ (গদি ছাইড়া গেছে গা)
৭।জয়নাল হাজারী/শামীম ওসমান (ত্রাস অব ফেনী না নারায়ণগঞ্জ কোনটা চান– ভয় দেখাইতে কাজে লাগবো)

মিডিয়া জগৎঃ
১।ইভা রহমান (গায়িকা – এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান এর ওয়াইফ, না রাখলে হয় নাকি)
২।মডেল নোভা (বাংলালিংক বিতাড়িত-বুইজ্জা লন)
৩।ময়ূরী (অনেক দিন হয় তার কোন ছবি রিলিজ পায় নাই)
৪।ওমর সানী (বেকার সানী – মুডাও হইয়া গেছে)
৫।মমতাজ (গায়িকা – আমার ফেবারিট, রাখমুই)
৬।আখি আলমগীর (আগের বয়ফ্রেন্ডরে লইয়া ঝামেলায় আছে)

ভাঁড় হিসাবে কারে রাখা যায় কন তো দেখি। পেজগি কে লাগাইবো এমন কাউরে সাজেষ্ট করেন দেখি।নাকি যারা আছে তারা যথেষ্ট।

আর হোষ্ট হিসাবে বাংলাদেশের মাননীয় বানিজ্যমন্ত্রী মিঃ বক বক ফারুক খান রে রাখমু। অমিতাভ বচ্চনেরে দেওয়ার মতো টাকা আমার কাছে নাই।

প্রতি হপ্তায় এক জনেরে পাছায় লাথি দিয় ঘর থেইক্যা বাইর কইরা দিমু। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বাঁচবো কে?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29030516 http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29030516 2009-10-23 13:06:05
ক্রসফায়ার এবং সন্ত্রাসী সাহায্যকারী মানবাধিকার সংস্থার ভূমিকা
কিন্তু বিতর্ক শুরু হয়। কেউ ক্রসফায়ারের পক্ষে কেউ বিপক্ষে। মানবাধিকার সংস্থাগুলো র্যা বের ক্রসফায়ারকে “বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড” আখ্যা দেয়। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর কর্মকান্ড নিয়ে আমার সন্দেহ জাগে যে তারা কার পক্ষে কাজ করছে। ক্রসফায়ারের শিকার যেসব সন্ত্রাসীরা হয়েছেন তারা হত্যা, চাঁদাবাজি, অস্ত্র ও মাদকের ব্যবসা, ধর্ষনে নোবেল অথবা একুশে পদক পাবার দাবিদার ছিলেন। আর রাজনৈতিক দলের শেল্টার তো ছিলই।

মানবাধিকার সংস্থাগুলোর কাছে আমার প্রশ্ন, ১) সন্ত্রাসীরা যখন নিরাপরাধ মানুষকে খুন করে, চাঁদাবাজি করে, বাংলাদেশের মা-বোনদের ধর্ষন করে তখন আপনাদের মানবাধিকার সংস্থাগুলো কি নাকে তেল দিয়ে ঘুমান? ২) সন্ত্রাসীরা যখন জামিনে ছাড়া পেয়ে মামলার বাদীকে হত্যা করে আর কিছুদিন পর নিরাপরাধ হিসাবে ছাড়া পেয়ে যায় তখন কি আপনারা ছুটিতে থাকেন? ৩) একজন সন্ত্রাসীই তো মরেছে? সমাজের কি তাতে ক্ষতি হয়েছে না লাভ হয়েছে? সেই সন্ত্রাসীটি বেঁচে থাকলে হত্যা, চাঁদাবাজি, অস্ত্র ও মাদকের ব্যবসা, ধর্ষনে ভারতের শচীন টেন্ডুলকারকে ছাড়িয়ে যেত না তার গ্যারান্টি কে দিত; আপনাদের মানবাধিকার সংস্থাগুলো ??

বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থা এতটাই ত্রুটিযুক্ত যে দাগী খুনি আসামিও “নিরাপরাধ” সার্টিফিকেটসহ জেলখানা থেকে বের হয়ে আসতে পারে সেখানে ক্রসফায়ারে সন্ত্রাসীর মৃত্যু কি ভাল লক্ষন না? আপনিই বলেন, এই ক্রসফায়ারের মৃত সন্ত্রাসীদের পক্ষে কথা বলা মানবাধিকার সংস্থার ভূমিকা নিয়ে কি আপনার মনে প্রশ্ন জাগে না?

বিঃদ্রঃ
বর্তমানে ক্রসফায়ার হচ্ছে বিরোধীদলীয় লোকজন মারার হাতিয়ার আর নিরাপরাধ ব্যক্তিদের হত্যা করে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী নাম দিয়ে “তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসীর” লিষ্ট থেকে সরকারী দলের সন্ত্রাসীদের নাম বাদ দেবার কৌশল। (এটা নিয়ে ভবিষ্যতে পোষ্ট দেওয়া হবে।)
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29029727 http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29029727 2009-10-21 20:44:40
পরকীয়ার সূত্রপাত ও মুক্তির উপায়: প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ – ৩ প্রথম পর্ব

দ্বিতীয় পর্ব

প্রথম ও দ্বিতীয় পর্বের কিছু আলোচনা না করেই তৃতীয় পর্ব শুরু করছি। প্রথম ও দ্বিতীয় পর্ব পড়ে নিলে খুশি হব।

৩) পরকীয়ার সূত্র খুজতে খুজতে এবার চোখ পড়লো এবার বাংলাদেশের বিবাহ ব্যবস্থার উপর। বাংলাদেশে অধিকাংশ বিবাহই পারিবারিক সম্মতিতে বা এরেঞ্জ ম্যারেজ হয়ে থাকে। পরিনয়সূত্রে বিবাহের (লাভ ম্যারেজ) সংখ্যা বাড়লেও তা এরেঞ্জ ম্যারেজের ৫%-১০% এর বেশি হবে না। আবার এরেঞ্জ ম্যারেজ বা লাভ ম্যারেজ যাই বলুন না কেন অধিকাংশ ক্ষেত্রে স্বামী এবং স্ত্রীর বয়সে কমপক্ষে ৫-৬ বছরের তফাত থাকে কারন অধিকাংশ পুরুষ যারা মধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্য তারা চাকুরিতে একটা ভাল অবস্থানে না গেলে বিয়ে করতে চান না। অনেক ক্ষেত্রে স্বামী এবং স্ত্রীর বয়সের পার্থক্য আরও বেশি হয়ে থাকে যা পরবর্তীতে সমস্যার জন্ম দেয়।

অধিকাংশ এরেঞ্জ ম্যারেজের ক্ষেত্রে পরিবারের সিদ্ধান্তেই অনিচ্ছাস্বত্তেও সায় দিতে হয় পাত্র-পাত্রীকে। অধিকাংশ এসব পাত্র-পাত্রীর হয়তো আগের থেকেই কারও সাথে পরিনয় বা অ্যাফেয়ার আছে। কিন্তু তারা তাদের কথা বলার সুযোগ পায় না। এরা বিয়ের পরও তাদের মনের মানুষকে ভুলতে পারে না। তারা তাদের মনের মানুষের কাছেই ফিরে যেতে চায়।

মোবাইলের এ যুগে যোগাযোগ করা কোন ব্যাপারই না। স্বামী অফিসে গেলে কোঁন ফাঁক খুজে স্ত্রী তার পুরানো প্রেমিকের সাথে দেখা করতে যায়। আবার স্বামীও অফিসের মিটিং-এর কথা বলে তার পুরানো প্রেমিকার সাথে সময় অতিবাহিত করে ফিরে। এরকম পরকীয়া সম্পর্ক কতদূর যেতে পারে আশা করি সবার ধারনা আছে।

এরেঞ্জ ম্যারেজের ক্ষেত্রে দেখা যায় স্বামী-স্ত্রী আগে নিজেদের সম্পর্কে না জানার কারনে, বিবাহের পর মতে অমিল থাকার কারনে সাংসারিক জীবনে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা জন্ম দেয়। যা তাদের অন্য কারও কথা ভাবতে বাধ্য করে; যার সাথে তারা ভাল মূহুর্তগুলো ভাগাভাগি করে নিতে পারে। হয়তো কোন পুরানো বন্ধু, কলিগ কিংবা প্রতিবেশীর মধ্যে তাদের আকাঙ্খিত গুনগুলো পায় আর পরকীয়ার জন্ম হয়।

লাভ ম্যারেজের ক্ষেত্রেও মতের অমিলের কারনে পরকীয়ার সূত্রপাত হয়। স্বামী-স্ত্রী বুঝতে পারে যে তারা আসলেই তারা “এক দুজে কে লিয়ে” অর্থ্যাৎ “একে অপরের জন্য” ছিলেন না। তাদের বিবাহ পরবর্তী জীবন তাদের পরিকল্পনা মোতাবেক না চললে তারা খুবই হতাশ হয়ে যায় আর নতুন সাথী খুজতে থাকে।

আবার এরেঞ্জ ম্যারেজের ক্ষেত্রে অনেকেই পুরুষই যৌতুকের কারনে তাদের অপছন্দ কোন মেয়েকে বিয়ে করেছেন। কিন্তু সেই অনিচ্ছাকৃত বিবাহের কারনে সাংসারিক জীবনে সুখ অধরাই রয়ে যায় আর সুখের আশায় সেই পুরুষ অন্য কারও প্রতি আকর্ষিত হয়ে পরকীয়ায় লিপ্ত হন।

সমাধানে কি বলবো তা নিয়ে আমিও বিশাল জটিলতায় পড়ে গেছি। কারন প্রত্যেকটা পরিবারের উচিত এরেঞ্জ ম্যারেজের ক্ষেত্রে নিজেদের সিদ্ধান্ত না চাপিয়ে পাত্র-পাত্রীরা যাতে একে অপরকে জানতে পারে সে সুযোগটা দেওয়া।কিন্তু কয়টা পরিবারই তা করে? আর স্বামী-স্ত্রীরা একে অপরের প্রতি বিশ্বাস রাখে তাহলে পরকীয়া কোনদিনও তাদের জীবনে আঘাত হানতে পারবে না। লাভ ম্যারেজের ক্ষেত্রে বলতে চাই যে সারাদিন ভালবাসায় মগ্ন থেকে বাস্তব ভুলে গেলে তো সবকিছুই গোল্লায় চলে যাবে। ভবিষ্যতের কথাও একটু চিন্তা করা উচিত নয়তো খোলা চোখে দেখা সেই রঙ্গিন সপ্ন সপ্নই রয়ে যাবে। আর যারা যৌতুক নিয়ে বিবাহ করে তাদের কাপুরুষ উপাধি দেওয়া ছাড়া আমি কোন উপাধি দিতে পারছি না।তাদের স্ত্রীদের স্যান্ডেলের বাড়িই একমাত্র মোক্ষম ঔষধ তাদের সঠিক পথে আনার জন্য। আর আমরা কেনই বা যৌতুক প্রথাকে এত প্রশয় দেই সেটা দেখে আমার কষ্ট লাগে। পরিবারগুলোর বোঝা উচিত যে যৌতুক তাদের মেয়ের জীবনে কোনদিনও সুখ বয়ে আনবে না।

আবার স্বামী-স্ত্রীদের প্রতি বলছি যে একে অপরের প্রতি স্বচ্ছ থাকুন। সংসার নামক গাড়ি তো আপনাদের দুজনকেই চালাতে হবে। পরকীয়া হতে সারাজীবন দূরে থাকুন।

(চলবে)

প্রথম পর্ব

দ্বিতীয় পর্ব ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29029636 http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29029636 2009-10-21 17:19:20
পরকীয়ার সূত্রপাত ও মুক্তির উপায়: প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ – ২ প্রথম পর্ব

প্রথম পর্বে বলেছিলাম যে প্রত্যেক স্বামী এবং স্ত্রীর শারীরিক ও মানসিক কিছু চাহিদা আছে। যখন এসব চাহিদা পূরণ হয় না তখনই পরকীয়ার সূত্রপাত ঘটে। যখন স্বামী ও স্ত্রী একে অপরকে পর্যাপ্ত সময় না দিতে পারে তখন তাদের মাঝের মানসিক দূরত্ব পরকীয়ার সূত্রপাত ঘটায়।

২) গত পর্বের সূত্র ধরেই বলছি যে বাংলাদেশের অনেক মানুষ মধ্যপ্রাচ্য ও বিভিন্ন দেশে বসবাস করছে তাদের কর্মসূত্রে। এ জনসংখ্যার অধিকাংশই পুরুষ এবং এদের ৯৮% চাকুরীজীবি, শ্রমিকদের পরিবার, স্ত্রী-সন্তান সবাই থাকে বাংলাদেশে, হয়ত অবস্থাসম্পন্ন কিছু তাদের পরিবার নিয়ে বিদেশে থাকেন। এই ৯৮% চাকুরীজীবি, শ্রমিকরা ২-৩ বছর আবার ৪-৫ বছর পর দেশে ফিরেন। প্রতিমাসে ফোনে অথবা চিঠিতে যোগাযোগ রাখেন। কিন্তু স্বামী ও স্ত্রীর মাঝখানে একটা মানসিক দূরত্ব সৃষ্টি হয় তা কেউ মানা করতে পারবেন না। এবার শারীরিক চাহিদার প্রসঙ্গে আসি। স্বামী ও স্ত্রী দুজনের প্রত্যেকের কিছু শারীরিক চাহিদা আছে; যা তারা পরস্পর কাছাকাছি না থাকলে সেই চাহিদা পূরণ হয় না। হয়ত স্বামী তার সেই চাহিদা পূরনের জন্য কোন নিষিদ্ধ পল্লীতে যেতে পারেন; কেউ তাকে দোষারোপ করবে না। পরকীয়ায় লিপ্ত হবেন, বিদেশে বিয়ে করে আরেক সংসার করবেন। হয়ত এ পুরুষতান্ত্রিক সমাজের তারা বাঁধা পাবেন না। কিন্তু একটা স্ত্রীর পক্ষে এসব সম্ভব নয়। এজন্যই একটা স্ত্রী পরকীয়ার পথে পা বাড়ায় তার চাহিদা পুরণের জন্য। আর বেশি ব্যাখ্যা করতে চাচ্ছি না।

এর কোন সমাধান দিতে পারছি না।কারন স্বামী অথবা স্ত্রী কেউই এটার জন্য প্রকৃত দায়ী নন। আমাদের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও শিক্ষা ব্যবস্থা এর জন্য দায়ী। বাংলাদেশের অধিকাংশ গরিব অশিক্ষিত মানুষ মধ্যপ্রাচ্য ও বিভিন্ন দেশে শ্রমিক হিসাবে কাজ করতে দেশ ছেড়ে যায় আর ছেড়ে যায় দেশে তাদের পরিবারকে অনন্ত অপেক্ষার প্রহর গোনাবার জন্য। হয়তো তারা আজ শিক্ষিত হলে ও তাদের অর্থনৈতিক অবস্থা ভাল হলে স্বামী অথবা স্ত্রী কাউকেই তাদের শারীরিক ও মানসিক চাহিদা মেটানোর জন্য পরকীয়ায় লিপ্ত হতে হতো না।

(চলবে)

প্রথম পর্ব
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29029469 http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29029469 2009-10-21 11:51:20
পরকীয়ার সূত্রপাত ও মুক্তির উপায়: প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ - ১ আগেই বলে রাখছি যে প্রত্যেক স্বামী এবং স্ত্রীর শারীরিক ও মানসিক কিছু চাহিদা আছে। যখন এসব চাহিদা পূরণ হয় না তখনই পরকীয়ার সূত্রপাত ঘটে।

১) পরকীয়ার প্রথম কারন হলো আপনি হয়তো আপনার স্বামী অথবা স্ত্রীকে সময় দিতে পারছেন না। হয়ত আপনারা দু’জনেই অফিসের কাজে এত ব্যস্ত যে কেউ কাউকে সময় দিতে পারছেন না। আবার আপনি আপনার অফিস অথবা ব্যবসা নিয়ে এতটাই ব্যস্ত যে বাসায় ফিরে আপনার স্ত্রীর সাথে কথা বলার সময়ও আপনি করতে পারছেন না। একে অপরকে পর্যাপ্ত সময় না দেওয়ার কারনে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে একটা মানসিক দূরত্ব সৃষ্টি হয়। স্বামী অথবা স্ত্রী এমন কাউকে খুজতে থাকে যার সাথে তার একাকীত্ব ঘুচে যায়। এমন কাউকে খুজতে থাকার থেকেই পরকীয়ার সূত্রপাত।

স্বামী অথবা স্ত্রী যদি চাকুরীজীবি হয়ে থাকে তাহলে তারা তাদের অফিসের বিপরীত লিঙ্গের কারও প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়ে। বাংলাদেশে অধিকাংশ নারী বিবাহের পর বাকি জীবনটা গৃহবধূ হিসাবে পার করে দেয়। এসব গৃহবধূদের অনেকেই বিবাহ পরবর্তী একাকীত্ব ঘুচাতে তাদের কোন আত্নীয় সম্পর্কের অথবা প্রতিবেশী কারও সাথে পরকীয়ায় লিপ্ত হয়।

অনেকের পরকীয়া সম্পর্ক জানাজানি হয়ে যায় আবার অনেকের হয় না। পুরুষশাসিত সমাজে স্বামীরা অধিকাংশ সময় পরিত্রাণ পেয়ে যায় আর স্ত্রী-দের ব্যপারে জানাজানি হলে স্ত্রীকে অনেক অত্যাচার, অনাচার সহ্য করতে হয়। কিন্তু সেই ঘটনার সূত্রপাত কিভাবে হলো কেউ জানতে চায় না। প্রকৃত দোষী আড়ালেই রয়ে যায়।

হয়ত অনেক পুরুষ ও মহিলা আমার এ লেখাটি পড়ছেন। সবার কাছেই অনুরোধ যে আপনার স্বামী অথবা স্ত্রীকে পর্যাপ্ত সময় দিন।অফিস থেকে একটু আগেই ফেরার চেষ্ট করেন।টাকা তো আর জীবনের সব সুখ আনতে পারে না। নয়তো পরকীয়ার মত “কারেন্ট জালে” জড়িয়ে পড়লে আপনার সাজানো সংসার বাচানো আপনার পক্ষেই কঠিন হবে।

(চলবে)

দ্বিতীয় পর্ব ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29029047 http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29029047 2009-10-20 16:05:16
এনসিটিবির গুদামে আগুন, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য ও মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যহতকরনের অব্যহত প্রচেষ্টা
এনসিটিবির গুদাম বলুন আর দেশের উন্নতির চাবিকাঠি সবই তো আওয়ামী দখলে ; এখানে আবার বিরোধীদলের কেউ গিয়ে কিভাবে নাশকতা করার দুঃসাহস করতে পারে। বৃষ্টির দিনে গুদামে যেখানে বই এবং কাগজ সংরক্ষন করা হয় সেখানে কিভাবে আগুন লাগতে পারে তা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে। কিছুদিন আগে তো আওয়ামী নৌকা চুরি করে নদী পারাপারের অভিযোগও শুনেছিলাম; তাও সেই নৌকা নাকি চুরি করেছিল বিরোধীদলীয় একজন নেতা। থাক সেই প্রসঙ্গ আর এইখানে তুলছি না।

আগুন কিভাবে লাগলো তা নিয়ে মিডিয়াতে কারও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।কিন্তু গুদাম নাকি বিল্ডিং কোড মেনে করা হয়নি বলে তাই আগুন নেভাতে সমস্যা হয়েছে। আবার উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটি তো কতই গঠন করা হয় কিন্তু তারা কাগজের অপচয় ছাড়া আর কিছুই করে না।

বিডি নিউজের তথ্যসূত্রে জানা যায় ৮০০ টন কাগজের বেশির ভাগ পুড়ে গেছে এবং “ক্ষতিগ্রস্ত গুদামে ৭৪৫ টন মাদ্রাসার বই ছাপানোর কাগজ ছিল”। মাদ্রাসা শিক্ষাকে ব্যহত করার পরিকল্পনায় এটা করা হয়ে থাকতে পারে বলে আমার ব্যক্তিগতভাবে মনে হয়। বর্তমান সরকারের শিক্ষানীতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে মাদ্রাসা ছাত্র-ছাত্রীদের যে বৈষম্য করা হচ্ছে তা আগে কখনো দেখা যায়নি। হয়ত এটার ধারাবাহিকতায় গুদামে আগুন লাগানো হয়ে থাকতে পারে। যাই হৌক দেশকে ধর্মনিরপেক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে না?

আর যে ৮০০ টন কাগজ পুড়ে গেছে তা আবার কেনার জন্য শিক্ষা মন্ত্রনালয় টেন্ডার দিলে আওয়ামী সুবিধাভোগীরা যে সেই সুবিধাভোগ করবে না এটা কি হতে পারে?<img src=" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29028714 http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29028714 2009-10-19 22:55:59
বাংলালিংক তুই একটা ফটকালিংক তুই একটা ফটকালিংক
কথা কস বড় বড়
কাম করস ছোট ছোট
মোবাইলের টাকা কাইট্যা
তুই যাস ফুইট্যা
আর কত বানাবি ছাগল
অফারের বন্যায় বানাবি পাগল
তোর রঙও দেখলাম ঢংও দেখলাম
মুড়িঘন্টও বানাইতে শিখলাম
ছাগলের রচনা শিখাইতে গিয়া
বস গেল ঠেঙ্গানি দিয়া
বেশি কথা কইতে গিয়া
নাইম্যা পড়লাম রাস্তায় গিয়া
বউ গেল বাপের বাড়ি
গার্লফ্রেন্ড দিলো জুতার বাড়ি
করার কিছু নাই বাকি
রাস্তায় রাস্তায় ঘুইরা ফিরি।



বিঃদ্রঃ কবিতা লেখার প্রথম প্রয়াস। আতেঁল মার্কা ইমেজ হইতে বাহির হইবার প্রচেষ্ট মাত্র। কবিতার যদি রস গ্রহ্ন করিতে না পারেন তাহলে বাংলালিংক-এর ৭.৫ টাকায় ৩০ মিনিট কথা বলার বিজ্ঞাপনগুলো দেখিয়া লইবেন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29027825 http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29027825 2009-10-18 13:55:48
<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_05.gif" width="23" height="22" alt=":D" style="border:0;" /> Qubee/আগুরী WiMAX BroadBand Service রিভিউ – ১ <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" /> বিভিন্ন প্যাকেজ আকারে এই খরচ ৩০০ টাকা থেকে ৬০০ টাকা মধ্যে থাকার কথা ছিলো।

কুইবি/Qubee হচ্ছে অজের ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড বাংলাদেশ লিঃ WiMAX সার্ভিসের ব্রান্ড যেমন ওরাসকম টেলিকম বাংলালিঙ্ককে তাদের ট্রেডমার্ক বা ব্রান্ড হিসাবে ব্যবহার করছে।

অনেক জল্পনা-কল্পনার পর গতকাল অজের ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড বাংলাদেশ লিঃ এর ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখলাম তারা তাদের WiMAX BroadBand Service শুরু করেছে শুধুমাত্র ঢাকাতে এবং নির্দিষ্ট কিছু এলাকায়। এলাকাগুলো হচ্ছে গুলশান, বারিধারা, উত্তরা, বনানী, মহাখালী এবং বাড্ডা ও তেজগাঁও – এর কিছু অংশ। এবার তাদের প্যাকেজ নিয়ে কিছু কথায় আসি।



দুইটি প্যাকেজ নিয়ে কুইবি/Qubee তাদের যাত্রা শুরু করেছে। একটি Qubee 512 যার স্পিড ৫১২kbps (কিলোবিট)= ৬৪KBPS (কিলোবাইট) এবং অপরটি Qubee 1MB যার স্পিড ১০২৪kbps (কিলোবিট)= ১২৮KBPS (কিলোবাইট)।Qubee 512 ব্যবহার করতে প্রতি মাসে গুনতে হবে ৩৪০০ টাকা এবং ডাউনলোড লিমিট হচ্ছে ৬ গিগাবাইট। Qubee 1MB ব্যবহার করতে প্রতি মাসে গুনতে হবে ৬২০০ টাকা এবং ডাউনলোড লিমিট হচ্ছে ৯ গিগাবাইট। অতিরিক্ত প্রতি MB(Mega Byte) ডাটা ডাউনলোড করার জন্য আপনাকে ১৫ পয়সা = ০.১৫ টাকা গুনতে হবে। বলতে ভুলেই গিয়েছিলাম যে মডেমের জন্য আপনাকে আরও ৭০০০ টাকা পকেট থেকে খসাতে হবে।

Qubee-এর ভবিষ্যত গ্রাহকদের প্রতিঃ
১) আপনি যদি খুব উচ্চগতির ইন্টারনেট ব্যবহার করতে চান তাহলে Qubee ছাড়া আপনার গতি নেই। ৫১২kbps এবং ১০২৪kbps (1MB) আপনার উচ্চগতির চাহিদা পূরণ করবেই। কিন্তু আপনার পকেটেও টাকা থাকা চাই। মডেমের জন্য ৭০০০ টাকা এবং প্রতি মাসে ৩৪০০ অথবা ৬২০০ টাকা কিন্তু কম না। <img src=" style="border:0;" />

২) আপনি কি নেট থেকে প্রচুর পরিমানে মুভি, গান, নাটক,গেমস ডাউনলোড করেন? <img src=" style="border:0;" /> তাহলে Qubee আপনার জন্য নয় কারন তাদের প্রতি মাসে তাদের ডাউনলোড লিমিট হচ্ছে ৬ ও ৯ গিগাবাইট দুইটি ভিন্ন প্যাকেজের জন্য এবং অতিরিক্ত প্রতি MB এর জন্য ১৫ পয়সা করে গুনতে হবে। সহজ হিসাব অতিরিক্ত প্রতি গিগাবাইট ডাটা ডাউনলোড করার জন্য আপনাকে ১৫৪ টাকা গুনতে হবে।:-* সো নো আনলিমিটেড ডাউনলোডিং।

৩) আপনি Qubee-এর গ্রাহক হতে চান? তাহলে আপনার পকেট ভর্তি টাকা থাকতে হবে এবং কোন কিছু ডাউনলোড করার মন মানসিকতা রাখা যাবে না। ৬ অথবা ৯ গিগাবাইট ডাউনলোড লিমিটে আপনি অনায়াসেই ৩০ দিনে ফেসবুক, গুগোল, ইয়াহু, অন্যান্য ওয়েবসাইট দ্রুতগতিতে ব্যবহার করতে পারবেন। আর মাঝে মধ্যে দু-একটা গান ডাউনলোড করে নিবেন। সমস্যা হবে না। কিন্তু ৬ অথবা ৯ গিগাবাইট শেষ হলেই কিন্তু অতিরিক্ত টাকা গুনতে হবে। <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />

৪) যাদের মাসিক বাজেট ৫০০/৭০০ অথবা ১০০০ টাকা তাদের জন্য দুঃসংবাদ যে আপনি Qubee-এর গ্রাহক হতে পারছেন না। এটা এখনও সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার নাগালে আসতে পারেনি। অপেক্ষা করুন সেই উজ্জ্বল ভবিষ্যতের।

তথ্যসুত্র ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29026666 http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29026666 2009-10-16 10:25:21
বাংলালিঙ্ক-এর “কথা হবে ঘন্টায়” অফারের বিজ্ঞাপনের ভিডিও লিঙ্ক চাই

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29026328 http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29026328 2009-10-15 18:25:15
জলিল চাচার বাঙ্গী ফাটানোর পরিনাম
সর্বশেষ আপডেটঃ বিকালে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছ। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29026269 http://www.somewhereinblog.net/blog/nafis69/29026269 2009-10-15 16:39:40