আমার প্রিয় পোস্ট

সময়, কবিতা, ছোটগল্প, দেশ, দেশাচার

আসুন না, একবার , নিজেদের দিকে চোখ মেলে তাকাই!

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ ভোর ৬:৫১

শেয়ার করুন:                   Facebook

গত ক'দিন ধরে ধর্ম,সমাজ, মানুষ ও রাজসীতি নিয়ে অনেক মুল্যবান আলোচনা হয়েছে। অনেক ছোট ছোট মন্তব্যে প্রচুর ভুল বোঝাবুঝির অবকাশ রয়েছে বলে একটু বিস্তারিত লেখার প্রয়োজন অনুভর করছি।
আমি নিজে ধার্মিক নই। আমি নিজেকে সবার আগে একজন মানুষ, তারপর একজন বাংলাদেশী ও তারপর যেহেতু গোষ্টিভুক্ত - এক্রন মুসলিম হিসেনে জানি। আমার অন্য কোন গোষ্ঠিতে জন্ম হলে নিজেকে অন্যভাবে দেখতাম। আমার একটা বড় চাওয়া এই যে, আমি আমার মনুষ্যবোধ, জাতীয়তা ও গোষ্ঠিবদ্ধতা নিয়ে গর্ববোধ করতে পারি। কিন্তু ঘটছে তার উল্টোটা ও তার কারণ খোঁজার জন্যেই আমার এই প্রয়াস।

- বাংলাদেশ একটা মুসলিম রাষ্ট্র। শতকরা আশি ভাগ মুসলিম। অন্নান্য ধর্মের মতো আমাদের ধর্মও মানুষকে অন্যায় থেকে বিরত থাকার কথা বলা হয়। তারপরেও কামাদের দেশ পৃথিনীর সনচে' দুর্নীতিগ্রস্থ একটা দেশ এবং ছোট থেকে বড় বড়, সমাজের প্রাতিটি স্তরে ছড়ানো এ দুর্নীতি। এর কারণ হচ্ছে আমাদের রাজনৈতিক ও অর্থিৈতক কাঠামো। কিন্তু আমাদের ভেতরে বিরাজমান ধর্মীয় মুলবোধ যদি তারপরেও আমাদের কে এই মানবিক অধ:পতন থেকে বিরত না রাখতে পারে, তাহলে আমাদের গর্ববোধ করার কি থাকতে পারে ? আমারা আমাদের মনুষ্যত্ববোধ থেকে প্রতিতিনই একটু করে দুরে সরছি , এ সত্যটি আমারা কেনো স্বীকার করতে চাই না ?

- এ দেশে মেয়েদেরকে বোরখা পড়ে বাইরে যাবার পরামর্শ দেয়া হয় যাতে পুরুষের লোলুপ দৃষ্টি তাদের উপর না পড়ে বা তাদেরকে পুরুষদেন হয়রানীর শিকার না হতে হয়। লজ্জা, লজ্জা, লজ্জা কোথায় রাখি এ লজ্জা ? এত ধর্মভীরু মানুষ আমরা! কোথায় রইল আমাদের ধর্মীয় অনুশাসন? এমন দেশও রয়েছে, যেখানে মেয়েরা রাত াবিরেতে যে কোন পোষাকে রাইরে গেলেও পরুষদের নিজস্ব সভ্যতাবোধের কারণেই তাদেরকে বিকৃতির মুখোমুখি হতে হয়না। এমনকি মুসলিম রাস্ট্র দুরাইতেও দেখেছি, যে যার মতো চলছে, কাউকে অপমানিত হতে হচ্ছেনা। তারপরও যাদি এ ধরণের ঘটনা ঘটে, ঘটনাকারী দের দূষকিৃতিকারী হিসেবেই সমাজে দেখা হয়। আর আমাদের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ- ' ভার্সিটির ছাত্ররাও সু যোগ পেলে ু এক্রন, দু'জন নয়, একসাথে একটা অসহায় মেয়ের উপর ঝাপিয়ে পড়ে। তারপর আবার মেয়েটিকেই দোষ দেয়া হয়! লজ্জা, লজ্জা, লজ্জা কোথায় রাখি এ লজ্জা ?

- আমরা ভালো করেই জানি যে, আমাদের রাজনীতিবিদরা মহাচোর। তারপরেও জেনেশুনেই আমরা তাদেরকে ভোট দিই, তাদের গুনগান গাই। যাদের কে আমরা অশিতি বলে থাকি, তাদের কথা বাদ। আমারা তথাকথিত শিতি মানুষরা এই রাজনীতিবি দের প নিয়ে রাস্তায় নামি। দেশে অরাজকতা তৈরী করি। মেরুদন্ডহীনতার এর চে' বড় উদাহরণ আর কোথায় দেখা যায় ?

তারপরও আাশায় আছি, এই লজ্জা থেকেই আমাদের কোনএকাদন সঠিক বোধ তৈরী হয়। আমরা আমাদের জাতি, ধর্ম, গোষ্ঠি তে সামনে রেখে গর্বে গর্বিত হয়ে পৃথিবীর সামনে দাঁড়াই।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: দেশমানুষসময়  বিভাগে ।

 

  • ৭ টি মন্তব্য
  • ৩৯৬ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ দুপুর ১:০২
comment by: অতিথি বলেছেন: কি বোর্ডেকারণে বা নিজস্ব অপারগতায় শিক্ষিত শব্দটি ঠিক আসেনি।
২. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ দুপুর ১:০২
comment by: ধানসিঁড়ি বলেছেন: আমার ব্যাখ্যাও কিন্তু আছে আরাফাত ভাই। ইসলাম সার্বজনীন। তাই আমি প্রথমত মুসলমান। ভাষা অপরিবর্তনশীল অর্থাৎ মৃতু্যর আগ পর্যন্ত আমি বাঙ্গালীই থাকবো ইংরেজ বা অন্য কিছু হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তাই আমি দ্্বিতীয়ত বাঙ্গালী। আর দেশ সম্পূর্ণরুপে ভৌগলিক ব্যাপার, পরিবর্তনশীল (মাফ করবেন, কেউ ভিন্ন অর্থ করবেন না)। দেশের অবস্থান সময়ে অসময়ে পালেট যায়। যেমন সিকিম স্বাধীন রাষ্ট্র হওয়ার পরও কিন্তু তারা সেচ্ছায় ভারতের অনর্্তভুক্ত হয়ে ভারত হয়ে গেছে। তাই আমি তৃতীয়ত একজন বাংলাদেশী। এই তিন পরিচয়েই আমি সমান গর্ববোধ করি।
৩. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ দুপুর ১:০২
comment by: আরাফাত রহমান বলেছেন: ধানসিঁড়ি ভাই/আপু, আপনি দেখি তীরন্দাজের পরিচয়ের ক্রমটা একটু ওলট পালট করে দিলেন।
৪. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ দুপুর ১:০২
comment by: অতিথি বলেছেন: একজন পকৃত মুসলমান যতোটা ভালো, আমার মতে একজন প্রকৃত হিন্দু, প্রকৃত ক্রীষ্টান বা প্রকৃত বৌদ্ধ ততটুকুই ভালো।
৫. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ দুপুর ১:০২
comment by: ধানসিঁড়ি বলেছেন: ধর্মীয় মূল্যবোধ কি আসলেই আছে? ধর্মীয় মূল্যবোধ যদি থাকে তাহলে একজন পুরুষের দায়িত্ব কি, একজন মেয়ের দায়িত্ব কি তা আমরা কেন জানি না? কোরআনে সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েয়ে, দৃষ্টিকে নিম্নগামী করতে এবং লজ্জাস্থানের হেফাজত করতে। আর মেয়েদের বলা হয়েছে শালীনভাবে চলাচলের জন্য। অর্থাৎ কোন পুরুষ যদি আইন না মেনে নারীর দিকে তাকায় তবে নারী তো শালীনভাবে আছে ফলে দুর্ঘটনা হয় না বা নারী যদি অশালীন ভাবে চলে আর পুরুষ নিম্নগামী রাখে তার চোখ তবেও সমস্যা নেই। ইসলাম শুধু নারী বা পুরুষের জন্য নিয়ম করে নি সবাইকেই সমান দায়িত্ব দিয়েছে সমাজ কলুষমুক্ত রাখার জন্য।
আর ভালোকথা, আমি প্রথমত একজন মুসলমান, দ্্বিতীয়ত একজন বাঙ্গালী এবং তৃতীয়ত একজন বাংলাদেশী। আর একজন প্রকৃত মুসলমানের চেয়ে ভালো মানুষ আর কে হতে পারে?
৬. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ রাত ১:০২
comment by: ওয়ালী বলেছেন: আপনার লেখাটি খুব ভালো কিন্তু একটি স্থানে আমার বুঝতে সমস্যা হচ্ছে 3য় প্যারার ছয়টি লাইন। আপনি অশিক্ষতাকে এই সমস্যার কারন বললে মনে হয় ভাল হতো। কারন গ্রামের মহিলারা পর্দা করে চলেন কিন্তু তারা জানেনা এ সমর্্পকে কোরআন কি বলেছে। পর্দার প্রয়োজনীয়তা কি। আপনি নিজে যখন গ্রামে যাবেন তখন হয়তো দেখবেন আপনার সামনে কেউ আসলে পর্দা করে আসে (বিশেষ করে অপরিচিতরা)। তাদেরকে একবার প্রশ্ন করবেন যে আপনারা পর্দা কেন করেন? আবার প্রশ্ন করবেন কোরআনে পর্দা সমর্্পকে কি বলা আছে? কোন উত্তর পাবেন না। এখানে ধর্মকে দোষ দেয়া কতটুকু ঠিক?
৭. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ সকাল ৮:০২
comment by: অতিথি বলেছেন: ওয়ালী, কেউ যদি স্বেচ্ছায় পর্দা করেন, এবং এতে সাচ্ছ্যন্দবোধ করেন, তাতে আমার বলার কিছুই নেই। আমি ফতোয়া দিয়ে পর্দা র বিপক্ষে বলতে চাচ্ছি।

 



 


গান ভালোবাসি, সাহিত্য ভলোবাসি, রাজনৈতিক দায় ও দলবদ্ধতা থেকে মুক্ত থাকতে চাই। সবার উপরে মানুষ, তারপর বাকী যা কিছু।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৮৫১৩৮