আমার প্রিয় পোস্ট

সময়, কবিতা, ছোটগল্প, দেশ, দেশাচার

সিডর ও বাংলাদেশ ও তথাকথিত দাতা দেশের দাঁতাল চেহারা

১৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৩৮

শেয়ারঃ
0 0 0

আমেরিকার উপকুলে আঘাত হেনেছিল এনড্রু। একসপ্তাহ আগে থেকেই একানকার প্রত্রিকাতে এন্ড্রুর গতিবিধি নিয়ে খবরাখবর, সম্ভাব্য ধ্বংসস্থল নিয়ে জল্পনা কল্পনা, ঘুর্ণি্ঝড় নিয়ে নানাবিধ প্রামান্য চিত্র এখানকার টেলিভিশনে। দুর্গত মানুষদের পাশাপাশি কি ধরণের সাহায্য নিয়ে দাঁড়ানো যেতে পারে, তার ছক আকা শুরু হয়েছিল এনড্রু আঘাত হানার আগেই।

হায়রে অবহেলিত গরীব দেশ আমাদের। ঝড়ের আগে এখানকার টিভিতে, এ ধরণের জল্পনা কল্পনা ও প্রস্তুতি তো দুরের কথা, সামান্য কোন খবরও ছিলনা। এমনভাবেই এরা অবহেলা করে এসেছে আমাদের। আর 'ফরেন এইডস্' এর নামে টিকিয়ে রেখেছে এক ধরনের নির্ভরশীলতা, যাকে 'এইডস্' বললেই হয়তো নামকরণ সার্থক হবে।

অবশেষ ঝড়ের পর মুখ খুলেছে সংবাদপত্র ও টেলিভিশন। ছবি সহ নানা খবরও ছাপা হয়েছে। সাহায্যের হাতও খোলা হয়েছে। একটু সাহায্য তো করতেই হবে, মানুষগুলো একেবারে মরে গেলে বিশ্ববাজারতো টিকে থাকবে না! এদেরকে কোনভাবে টিকিয়ে রাখলেই এরা আবার কোনভাবে উঠে দাঁড়িয়ে আবার দ্রব্যাদি কেনা শুরু করবে। এদেরই কেউ কেউ বা এদের শ্রমকে ব্যাবহার করে কেউ কেউ টিভি কিনবে, ফ্রিজ কিনবে, গাড়ী কিনবে। তবে সে সাহয্যের পরিমান দেখলে লজ্জায় মরে যেতে ইচ্ছে হয়। এক পত্রিকা লিখেছে, জার্মান সরকার দ্রুত সাহায্য হিসেবে দুই লক্ষ ইউরো পাঠিয়েছে। তুলনামূলক বিচারের জন্যে বলছি, দুই লাখ ইউরো দিয়ে তিন কামরার একটা এপার্টমেন্টও কিনতে পাওয়া যায়না। আরেক পত্রিকা লিখেছে সাত লাখের কথা। এটাও খুবই ছোট পরিমাণ ভিক্ষে। বৃটেনে গতবছর সামান্য বন্যা হয়েছিল, এখানে এরা যে সাহায্য পাঠিয়েছিল, তার পরিমান ছিল এর আরো কয়েক গুন বেশী। আমেরিকা পাঠাচ্ছে পনেরো লাখ ডলার। বিশ্ব ব্যঙ্ক এখনো হিসেব নিকেশ করছে, আমাদের অবদান অনুযায়ী কতোটা পাঠাতে পারে। এসব দেখে তথাকথিক 'গ্লোবালাইজেশান' এর নগ্নতা আরো বেশী পরিস্কার হয়ে পড়ে। এ 'গ্লোবালাইজেশান' শুধুমাত্র ব্যবসার খাতিরেই, এর সাথে এক পৃথিবীতে ভালভাবে, সচ্ছলভাবে, পরস্পরের বিপদে পরস্পরের পাশাপাশি দাঁড়ানোর কোন সম্পর্কই নেই। আমার কাছে সাহায্যের এই অংকগুলো গালে চড় মারার মতোই মনে হয়েছে। কিন্তু আমাদের আর কি উপায়, একগালে চড় খেলে আরেক গাল পেতে দেয়াই আমাদের ভাগ্য!

আরেক গাল যদি পেতে দিতে না চাই, তাহলে আমাদের সাবলম্বী হতে হবে। ওদের ব্যবসায়িক হাত থেকে নিজেদেরকে মুক্ত করতে হবে। তবে তা হম্বিতম্বির পথে নয়, বরং সুচিন্তিত পথে নিজেদের মেধা ও বুদ্ধিকে কাজে লাগিয়ে ধীরে ধীরে নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করা। আমাদের বর্তমান অবস্থা থেকে তা বহুদুরের পথ, সে তো বলাই বাহুল্য। কিন্তু প্রতিবেশী দেশ ভারত তা করতে পেরেছে। গত সুনামীকে মোকাবেলা করেছে ভারত অনেকটাই একা। সাহায্যের নামে ভিক্ষে হিসেবে যা পাঠাতে চেয়েছিল পশ্চিমা বিশ্ব, তা অনেক ক্ষেত্রেই প্রত্যাখ্যান করেছে ভারত। এবার হয়তো আমাদের পক্ষে এধরণের প্রত্যাখ্যান সম্ভব নয়। কিন্তু ভারত যা গতবার পেরেছে, আমরা কেন তা সামনের বার পারবো না?

 

প্রকাশ করা হয়েছে: দেশমানুষসময়  বিভাগে । বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৪৫
মিসকল মফিজ বলেছেন: সম্পূর্ন সহমত।
*****
৪. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৩০
ভাসমান বলেছেন: ভারতের সাথে আমাদের তুলনা কি চলে ?ওদের ইকোনমি আমাদের চেয়ে অনেক বড়।
৫. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:০৪
তীরন্দাজ বলেছেন: ভারতের সাথে আমাদের তুলনা না চলার কি আছে ভাসমান? এটা সত্যি, ভারত বড় দেশ, ওদের চাওয়া বড়। ছোট দেশ হিসেবে আমরা আমাদের ছোট ছোট চাওয়া নিয়ে কেন সাবলম্বী হয়ে এগিয়ে যেতে চাইব না? আমাদের নিজেদের ভেতরে অরাজকতা ও দুর্নীতি না থাকলে আমরা তো অনেকটাই এগিয়ে যেতাম। আমরা তা পারিনি। বিদেশী সাহায্যের মোটা অংক তো দুর্নীতিবাজদের হাতেই যায়। আর এরাও তার আশায় তীর্থের কাকের মতো অপেক্ষা করে। এর সাথে 'দেশ বা ইকনমি' 'বড় বা ছোট' তার সাথে কতটুকু সম্পর্ক?

তাছাড়া ছোট কিছু অর্জনের জন্যেও লক্ষ বড় রাখতে হয়। সেজন্যেই বলেছি ভারত যা গতবার করেছে আমরা কেন তা আগামীবার পারবো না।
৭. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫৬
ফারহান দাউদ বলেছেন: অসাধারণ।আপাতত একগালে চড় খেলে আরেক গাল পেতে দেয়াই আমাদের ভাগ্য। কিন্তু ভারত যা গতবার পেরেছে, আমরা কেন তা সামনের বার পারবো না?
৮. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:০৪
ছায়ার আলো বলেছেন: খুব ভালো লাগলো আপনার চিন্তাধারা।
"ভারত যা গতবার পেরেছে, আমরা কেন তা সামনের বার পারবো না?"
সম্পূর্ণ একমত।
৯. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:১৩
সাইফুর বলেছেন: ৫
একমত
আমরা গরীব দেশ বলেই এই অবস্থা..হাহ...
১০. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:২৯
নিধিরাম সর্দার বলেছেন: তীরন্দাজ আপনি ভুল বলছেন, এসব সময়ে সাহায্য আসে রিপ্লেসমেন্ট ভ্যালু অনুযায়ি, একটি কাচা বাড়ীর পুর্ননির্মান করতে জন্য ২০০০ ডলার সাহায্য যথেষ্ট।এসব সময়ে যে সম্পদ রিপ্লেস করতে হবে তার শ্রম মুল্য, কাচা মালের দাম এসবের উপরে ডিপেন্ড করে বিদেশী সাহায্য কত হবে, আপনার জিডিপির ওপরে নির্ভর করে নয়। আর বাংলাদেশের মত দেশে যেখানে শ্রমের দাম তুলনামুলক ভাবে কম সাহায্য ঠিক সে পরিমানে আসবে। সুনামীতে ভারতের বেশীরভাগ ক্ষতি হয়েছে আন্দামনে যেটা ভারত নিজ সম্পদে পুর্ননির্মান করতে পেরেছে, আমাদের ব্যাপারে সেটা ভিন্ন কেননা আমাদের ছোট দেশের প্রায় ৫০ ভাগ এফেকটেড তাই সাহায্য ডিনাই করার মত বিলাসিতা আমরা করতে পারিনা। আবারও বলি, সব ব্যাপারে পশ্চিমা দেশ আর সাহায্য সংস্হাকে ব্লেইম করা একটা ফ্যাশনে পরিনত হয়েছে আমাদের দেশে। কিন্তু ভুলে গেলে চলবেনা প্রতিটি দুর্যোগে এরা সবার আগে এগিয়ে আসে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাহয্যে উপকুলে নির্মিত শেল্টার গুলো আমাদের প্রানহানীর সংখ্যা কম রাখতে সাহায্য করেছে। উপকারীর উপকার স্বীকার করতে শিখুন।
১২. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৩৫
সাইফুর বলেছেন: ঠিক আছে..উপকার করেছে..
স্বীকার করছি....
আমরা গরিব বলেই তো তারা ভিক্ষা দিয়ে আবার ভিক্ষার টাকা কিভাবে ব্যবহার করবো এটা নিয়ে প্রচুর কথা বলে..
১৩. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৪৫
নিধিরাম সর্দার বলেছেন: সাইফুর মিয়া একটা ব্যান্ক যখন লোন দেয় সেটা তোমাকে শোধ করতে হবে আর শোধ তুমি তখনই করতে পারবে যখন সত ভাবে লোন ব্যবহার করা যায় আর এটা ব্যান্কের দায়িত্ব যে সেটা সত ভাবে ব্যবহার হচ্ছে সেটা নিশ্চিত করা
১৪. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৪৮
মাদারি বলেছেন: বিদেশী সাহায্যের ব্যপারে চিন্তা করার আগে একবার ভেবে দেখুনতো বাংলাদেশ সরকার তার সমস্ত রিসোর্স নিয়ে দুর্গত মানুষের পাশে দাড়িয়েছে কিনা?
১৫. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৫০
তীরন্দাজ বলেছেন: নিধিরাম,

আপনি সবার আগে সাহায্য ডিনাই করার কথাটি ভাবলেন কেন। এখনই সাহায্য ( পরিমানটি নিতান্তই কম, এমনকি আমার জার্মান বন্ধুরাও লজ্জা পেয়েছে ) ডিনাই করার মতে অবস্থা আমাদের হয়েছে? আমরা যাতে সে অবস্থায় যেতে পারি, সে দিকে আঙ্গুল তুলেছি আমি। আমেরিকা শেল্টার করে দিয়েছে, ভাল কথা, কিন্তু কিসের বিনিময়ে করেছে, তা আমাদের কখনোই জানা হবে না। পশ্চিমাদের উদ্দেশ্য যে নিতান্তই ব্যবসা, এটা একেবারেই নতুন কিছ নয়। এটাই হয়তো স্বাভাবিক, কিন্তু এর প্রতিরোধ হিসেবে ও এর সাথে তাল মেলানোর জন্যে নিজেদের স্বাবলম্বী করে তোলা দরকার। এটাই আমার পোষ্টের মূল উদ্দেশ্য।

আমার চিন্তা ভাবনা ফ্যসানসর্বস্ব নয়। যা দেখি, যা ভাল মনে হয়, তাই বলি। কিন্তু নিজের ঢাল তলোয়ার বিকিয়ে দিয়ে "নিধিরাম সর্দার" সেজে অন্যের দয়ার উপর ভরসা করার স্বভাব থেকে আমাদের সরে আসা বেশ জরুরী মনে করি।
১৬. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৫৬
মাদারি বলেছেন: সমস্ত সামরিক যান কি ব্যবহার করা হয়েছিল ঘূর্ণি ঝড়ের আগেই মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আনার কাজে?
সমস্ত খাদ্য গুদামের খাদ্য কি বন্টন করা হয়ে গেছে ? আদৌ কখনো কি হবে?
১৭. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৫৯
তীরন্দাজ বলেছেন: আমাদের নিজেদের ভেতরে যে সততার অভাব, এটা কি প্রমান করার কোন অপেক্ষা রাখে মাদারি?
১৮. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:০০
নিধিরাম সর্দার বলেছেন: যদি আমেরিকা বলে আমরা ২৬ লাখ লোকের জন্য ২৬ মিলিয়ন ডলার সাহায্য দিয়েছি, সেটা আমেরিকাতে বসে কম মনে হবে কিন্তু আপনাকে রিপ্লেসমেনট ভ্যালু নিতে হবে। আর মনে রাকুন পুজিবাজার বিদেশি পুজি জন্য ওপেন করার ফলে একন একটি বিশ্ববিদ্যালয় গ্র্যাজুয়েটের আর এ জি আপিসের কেরানী হতে হয়না সে প্রাইভেট কোম্পানীর নির্বাহী হতে পারে। সংবাদ পত্র চাকরীর বাজারের চাহিদা আর যোগান দেখলে আপনি এটা আরো ভালো বুঝবেন। প্রতিরোধে নয় প্রয়োজন সহযোগীতা আর সমজোতা।
১৯. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:১০
মাদারি বলেছেন: @তীরন্দাজ
সততার অভাব নাকি অন্যকিছু? মনে করে দেখুনতো একজন এলিট শ্রেনীর মানুষ চট্টগ্রামে সামান্য আহত হয়েছিলেন,সাথে সাথে তাকে হেলিকপ্টারে করে ঢাকায়
নিয়ে আসা হয়েছিল.... চরাঞ্চলের অসহায় মানুষের জন্য কি কখোন ও তা করা হয়েছে নাকি হবে?
২০. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:১১
ললিতা বলেছেন: ভালো লিখেছেন .....৫
২১. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:১৬
তীরন্দাজ বলেছেন: @মাদারী,
এই বৈষম্য অস্বীকার করার উপায় আছে আমাদের?
২২. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:২৪
মাদারি বলেছেন: @নিধিরাম
বিদেশি পুজি বিষয়ে আপনি যথার্থই একজন সুবিধা ভোগী মধ্যবিত্তের মতই বলেছেন.... . ্একেকটা বিদেশী কোম্পানি অল্প কিছু মধ্যবিত্তের উচ্চবেতনের চাকরির বিনিময়ে কত হাজার কোটি টাকা লুটে নিচ্ছে
সে হিসাব কি আছে?
বিষয় টা এই ব্লগেরই "দিনমজুর" নামের একজনের লেখায় বেশ ভালোই ব্যখ্যা করা হয়েছে. পড়ে নিলে ভালো করবেন।
২৩. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৩১
নতুন বলেছেন: আমরা আমাদের সমস্ত ক্ষমতা নিয়ে নিজেদের সাহাজ্যে নামিনাই..... কিন্তু কেন প্রতিবেশি বেশি সাহাজ্য করলনা তাই অসন্তুস্ত??? কত $ ডলার ভিক্ষা পেলে তা আমাদের দেশের জন্য ভাল হতো???
২৪. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৩১
মাদারি বলেছেন: @ তীরন্দাজ
অস্বীকার করতে বলছি না ... স্বীকার করে নেয়া ভালো।কিন্তু স্বীকার করে নেয়ার পর দায়িত্ব এসে যায়
বৈষম্যটাকে দূর করবার..
২৫. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫৭
তীরন্দাজ বলেছেন: সেখানেই সমস্যা মাদারী। আমাদেরও বকবকানী এসে দুমড়ে পড়ে সেখানেই।

শুনলাম, স্পেন পাঁচ হাজার ডলার সাহায্য পাঠাতে চাইছে। ভাবতে পারেন?
২৬. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫৮
দিগন্ত বলেছেন: মাদারি, আপনি যেটা বলছেন সেটা থাকলেও মূল বক্তব্যের সাথে তার কোনো বিরোধিতা থাকে না। দুটো সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রসঙ্গ।
২৭. ১৯ শে নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:১০
সোনার বাংলা বলেছেন: ভারত যা গতবার পেরেছে, আমরা কেন তা সামনের বার পারবো না?

** অবশ্যই আমরা পারবো। যার জন্য আমাদের
সবাই কে এগিয়ে আসতে হবে। ৫
২৮. ২০ শে নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:২৪
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: তীরুদার শ্লেষটার সাথে পুরোপুরি একমত ,,,
দাতারা "তাদের নির্দেশিত খাতে বিনিয়োগ" বা "তাদের নির্দেশিত কোম্পানীকে কাজ প্রদান" জাতীয় শর্তসাপেক্ষে ঋন দিতেই বেশী আগ্রহী ,,,

সময় এসেছে স্বাবলম্বী হয়ে ঘুরে দাঁড়াবার ,,, ধন্যবাদ তীরুদা
৩০. ২১ শে নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:১১
তীরন্দাজ বলেছেন: লেখাটি আলোচনার আবহ খুলতে পেরেছে বলে আনন্দিত। তবে পোষ্ট লেখার পরও সে আলোচনায় পুরো অংশ নিতে পারলাম না বলে দু:খিত। প্রোভাইডার বদলের ঝামেলায় বাড়ীতে ডিসেম্বরের মাঝ অবধি ইন্টারনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন।
তবে এই দাতা দেশগুলো কতোটা দাঁতাল, তা টের পাই প্রতিদিন। এখানকার এক বাম রাজনীতিকই একবার সোভিয়েট আমলে বলেছিলেন,
জার্মানী যদি কেন এক প্রজেক্ট নিয়ে আমেরিকামুখী হয়, তখন তা ব্যবসা। একই প্রজেক্ট নিয়ে সোভিয়েট মুখী হলে একে উত্তেজনা প্রশমিত করার পদক্ষেপ বলা হয়, আর ভারত মুখী হলে বলা যেতে পারে 'ফরেন এইডস'।

আপাতত: ভারত নিজেকে কিছুটা মুক্ত করতে পেরেছে। আমাদেরও তা করা দরকার।

আপনাদের ধন্যবাদ।
৩১. ১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:২৭
আশেক ইব্রাহীম বলেছেন: অনেকদিন পর আপনার লেখা পড়লাম। ভালো লাগলো। মন্তব্যগুলোও ভালো লাগলো। চমৎকার আলোচনা......

বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংক আইএমএফ এর সাহায্য সম্পর্কে বেশ ভালো সচেতনতা তৈরী হয়েছে। বলা যায় প্রায় হঠাৎ করেই ব্যাপারটা চোখে পড়ছে। তাই প্রয়োজনীয় কয়েকটা কথা না বললে নয়। একটা কথা শোনা যায় যে, বর্তমান সরকার বিদেশী সমর্থনপুষ্ট; ইএমএফ বা বিশ্বব্যাংক এর টিম হিসেবে কাজ করছে। এসম্পর্কে রাজনৈতিক দলগুলো প্রায় একটা ইস্যু (প্রচার) বানিয়ে ফেলেছে। এ সচেতনতা যে কারণেই হোক এটা একটা ভালো লক্ষণ।

আজ নিধিরাম সর্দার যে কথা বলছে কিছুদিন আগে পর্য়ন্ত বাংলাদেশের দুই প্রধান দলের সমর্থক তাত্তিকেরা একই ভূমিকায় ছিলেন। ব্যক্তি বা দলীয় স্বার্থে নয় এরকম পক্ষপাত যুক্তিহীন। দেরীতে হলেও মানুষ বুঝতে পারছে এটাই সুখবর।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৪৮৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
গান ভালোবাসি, সাহিত্য ভলোবাসি, রাজনৈতিক দায় ও দলবদ্ধতা থেকে মুক্ত থাকতে চাই। সবার উপরে মানুষ, তারপর বাকী যা কিছু।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ