সিডর ও বাংলাদেশ ও তথাকথিত দাতা দেশের দাঁতাল চেহারা
হায়রে অবহেলিত গরীব দেশ আমাদের। ঝড়ের আগে এখানকার টিভিতে, এ ধরণের জল্পনা কল্পনা ও প্রস্তুতি তো দুরের কথা, সামান্য কোন খবরও ছিলনা। এমনভাবেই এরা অবহেলা করে এসেছে আমাদের। আর 'ফরেন এইডস্' এর নামে টিকিয়ে রেখেছে এক ধরনের নির্ভরশীলতা, যাকে 'এইডস্' বললেই হয়তো নামকরণ সার্থক হবে।
অবশেষ ঝড়ের পর মুখ খুলেছে সংবাদপত্র ও টেলিভিশন। ছবি সহ নানা খবরও ছাপা হয়েছে। সাহায্যের হাতও খোলা হয়েছে। একটু সাহায্য তো করতেই হবে, মানুষগুলো একেবারে মরে গেলে বিশ্ববাজারতো টিকে থাকবে না! এদেরকে কোনভাবে টিকিয়ে রাখলেই এরা আবার কোনভাবে উঠে দাঁড়িয়ে আবার দ্রব্যাদি কেনা শুরু করবে। এদেরই কেউ কেউ বা এদের শ্রমকে ব্যাবহার করে কেউ কেউ টিভি কিনবে, ফ্রিজ কিনবে, গাড়ী কিনবে। তবে সে সাহয্যের পরিমান দেখলে লজ্জায় মরে যেতে ইচ্ছে হয়। এক পত্রিকা লিখেছে, জার্মান সরকার দ্রুত সাহায্য হিসেবে দুই লক্ষ ইউরো পাঠিয়েছে। তুলনামূলক বিচারের জন্যে বলছি, দুই লাখ ইউরো দিয়ে তিন কামরার একটা এপার্টমেন্টও কিনতে পাওয়া যায়না। আরেক পত্রিকা লিখেছে সাত লাখের কথা। এটাও খুবই ছোট পরিমাণ ভিক্ষে। বৃটেনে গতবছর সামান্য বন্যা হয়েছিল, এখানে এরা যে সাহায্য পাঠিয়েছিল, তার পরিমান ছিল এর আরো কয়েক গুন বেশী। আমেরিকা পাঠাচ্ছে পনেরো লাখ ডলার। বিশ্ব ব্যঙ্ক এখনো হিসেব নিকেশ করছে, আমাদের অবদান অনুযায়ী কতোটা পাঠাতে পারে। এসব দেখে তথাকথিক 'গ্লোবালাইজেশান' এর নগ্নতা আরো বেশী পরিস্কার হয়ে পড়ে। এ 'গ্লোবালাইজেশান' শুধুমাত্র ব্যবসার খাতিরেই, এর সাথে এক পৃথিবীতে ভালভাবে, সচ্ছলভাবে, পরস্পরের বিপদে পরস্পরের পাশাপাশি দাঁড়ানোর কোন সম্পর্কই নেই। আমার কাছে সাহায্যের এই অংকগুলো গালে চড় মারার মতোই মনে হয়েছে। কিন্তু আমাদের আর কি উপায়, একগালে চড় খেলে আরেক গাল পেতে দেয়াই আমাদের ভাগ্য!
আরেক গাল যদি পেতে দিতে না চাই, তাহলে আমাদের সাবলম্বী হতে হবে। ওদের ব্যবসায়িক হাত থেকে নিজেদেরকে মুক্ত করতে হবে। তবে তা হম্বিতম্বির পথে নয়, বরং সুচিন্তিত পথে নিজেদের মেধা ও বুদ্ধিকে কাজে লাগিয়ে ধীরে ধীরে নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করা। আমাদের বর্তমান অবস্থা থেকে তা বহুদুরের পথ, সে তো বলাই বাহুল্য। কিন্তু প্রতিবেশী দেশ ভারত তা করতে পেরেছে। গত সুনামীকে মোকাবেলা করেছে ভারত অনেকটাই একা। সাহায্যের নামে ভিক্ষে হিসেবে যা পাঠাতে চেয়েছিল পশ্চিমা বিশ্ব, তা অনেক ক্ষেত্রেই প্রত্যাখ্যান করেছে ভারত। এবার হয়তো আমাদের পক্ষে এধরণের প্রত্যাখ্যান সম্ভব নয়। কিন্তু ভারত যা গতবার পেরেছে, আমরা কেন তা সামনের বার পারবো না?
একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন
কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?
হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন
আসলে কেউ ফেরে না।
মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর
যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
দ্য ড্রাগ কিং

সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।
খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে
আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।