
সময়, কবিতা, ছোটগল্প, দেশ, দেশাচার

আমার মূল্যবান পা, মূল: হাইনরিখ ব্যোল, জার্মান থেকে অনুবাদ: তীরন্দাজ
১০ ই জানুয়ারি, ২০০৭ রাত ৩:২৫
তাঁরা আমাকে একটি সুযোগ দিয়েছেন। একটি চিঠি পাঠিয়ে অফিসে আসতে বলেছেন। আমি অফিসে গেলাম। অফিসে লোকজন বেশ ভদ্র। আমার নম্বরের কার্ডটি নিলেন ও বল্লেন,
'হুম'!
হুম'! আমিও একই উত্তর দিলাম।
'কোন পা'? জানতে চাইলেন সরকারী কর্মচারী।
'ডান পা'।
'পুরোটা'?
'পুরোটা'।
'হুম'। আওয়াজ করলেন কর্মচারী। কিছু কাগজ ঘাটলেন, আমাকে বসার অনুমতি দিলেন।...
- ৩টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ১৭২বার পঠিত
কর্মোদ্দীপনা প্রশমিত করার কাহিনী, মূল: হাইনরিখ ব্যোল, জার্মান থেকে অনুবাদ: তীরন্দাজ
০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৭ বিকাল ৪:১৭
ইউরোপের পশ্চিম উপকূলের কোন এক বন্দরে এক দরিদ্র পোষাক পড়া লোক তার জেলেনৌকায় বসে ঝিমোচ্ছিল। এক ফিটফাট পোষাকের ট্যুরিস্ট তার ক্যামেরায় একটি রঙ্গিন ফিল্ম ঢুকিয়ে নৈস্বর্গিক ছবি তোলার জন্যে তৈরী হচ্ছিল। ছবির দৃশ্যগুলো: নীল আকাশ, সবুজ সাগর আর তার ফেনিল ঢেউ, কালো নৌকা, জেলেদের লাল টুপি, ক্লিক! তারপর আবার ক্লিক!...
- ১৩টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ১৯৯বার পঠিত
চোর, মূল: হাইনরিখ ব্যোল, জার্মান থেকে অনুবাদ: তীরন্দাজ
০৬ ই জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১১:২১
এত সহজ আর এত দ্রুত, অবাকই হলাম সবচেয়ে বেশী। একি ক্ষুধা থেকে জেগে ওঠা কোন সুযোগ, নাকি সারাক্ষনের জাগ্রত ক্ষুধা সুযোগটি খুঁজে বের করেছে, বলতে পারবো না। মনে হলো কোন বিদ্যুত তরঙ্গে জ্বলন্ত দুই মেরুকে যোগ করা হয়েছে। এর মাঝের যা কিছু সব পুড়ে ছাই। নীতিবোধের কোন চিহ্ন এবং অনুতাপের...
- ১০টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ১৯৯বার পঠিত
অন্য শরীর-১৪ (শেষ পর্ব), মূল: ফ্রান্স কাফকা, জার্মান থেকে অনুবাদ তীরন্দাজ
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ১১:০১
তারা সিদ্ধান্ত নিলেন কাজে না গিয়ে আজকের দিনটি কিছুটা বাড়ীতে ও কিছুটা একসাথে বাইরে হাঁটাহাঁটি করে কাটাবেন। এই ছুটি শুধু তাদের প্রাপ্যই নয়, তাদের জীবনের জন্যেও অতি জরুরী। সেজন্যে তারা টেবিলে বসলেন ও তিনটি অনুপস্থিতির চিঠি লিখলেন তাদের কাজের জায়গায়। মি: সামসা লিখলেন তার ব্যাংকের পরিচালকদের কাছে, মিসেস সামসা লিখলেন...
- ১১টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ১৮২বার পঠিত
অন্য শরীর-১৩, মূল: ফ্রান্স কাফকা, জার্মান থেকে অনুবাদ তীরন্দাজ
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সকাল ৮:২২
কিন্তু তার বোনকে বা অন্য কাউকে ভয় দেখনোর মতো কিছু করেছে বলে গ্রগরের কিছুতেই মনে হলো না। সে তো শুধু তার ঘরে ফেরার জন্যে তার শরীরকে ঘোরাতে শুরু করেছিল। শক্তিহীনতার কারনে বিষয়টি খুব সহজ ছিলনা বলেই হয়তো চোখে পড়েছে সবার। বারবার মাথা তুলে আবার মাটিতে আঘাত করে ঘোরার জন্যে শক্তি...
- ১০টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ১৪৮বার পঠিত
অন্য শরীর-১২, মূল: ফ্রান্স কাফকা, জার্মান থেকে অনুবাদ তীরন্দাজ
২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:২৭
গ্রেগর খাওয়াদাওয়া ছেড়েই দিল প্রায়। কোন কারনে যদি ছড়ানো খাবারের পাশ দিয়ে যেত, ছোট কোন এক টুকরো খেলাচ্ছলে মুখে নিয়ে নিত। ঘন্টার পর ঘন্টা রেখে একসময় বের করে দিত মুখ থেকে। একবার ভাবলো, তার ঘরের এই করুন চেহারাই তার অরুচির কারণ। কিন্তু তার ঘরের পরিবর্তনও একসময় তার সহ্য হয়ে গেল।...
- ০টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ১২৪বার পঠিত
অন্য শরীর-১১, মূল: ফ্রান্স কাফকা, জার্মান থেকে অনুবাদ তীরন্দাজ
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৬ রাত ৯:০২
গ্রগরের এই ক্ষত একমাসেরও বেশী রইল। আপেলটিও রইল সে ক্ষতস্থানের উপরেই সাক্ষী হয়ে, কেউ সরাতে সাহস পেল না। তা দেখে বাবারও মনে হলো, তার করুণ ও বিরক্তিপদ চেহারা সত্বেও তার সাথে এই পরিবারের শত্রুর মতো ব্যাবহার করা চলে না। যেহেতু সে একসময় এই পরিবারেরই সদস্য ছিল, তার প্রতি কর্তব্য পালন...
- ৪টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ১৬৯বার পঠিত
অন্য শরীর-৯, মূল: ফ্রান্স কাফকা, জার্মান থেকে অনুবাদ তীরন্দাজ
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৬ ভোর ৬:২৩
প্রথম দুই সপ্তাহ বাবা মা একবারও এঘরে ঢোকেন নি। হয়তো তাদের সে মানসিক শক্তি তৈরী হয়নি ততদিনে। মেয়েকে তার কাজের খুব প্রশংসা করতেন, যদিও এর আগে অকর্মন্য বলেই গালাগালে অভ্যস্ত। মেয়ে ভেতরে ঢুকলে দু্থজনেই গ্রেগরের ঘরের দরজার সামনে অপেক্ষা করতেন। কাজ শেষ করে ঘরের বাইরে আসার সাথে সাথেই মেয়ের কাছে...
- ১টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ১৫৯বার পঠিত
অন্য শরীর-৮, মূল: ফ্রান্স কাফকা, জার্মান থেকে অনুবাদ তীরন্দাজ
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:৪০
এভাবেই গ্রেগরকে প্রতিদিন তার খাবার দেয়া হলো। সকালে একবার, যখন বাবা মা ও আয়া ঘুমে। আরেকবার সবার দুপুরের খাবারের পর, যখন বাবা মা আগের মতোই ঘুমে। আয়াকে পাঠিয়ে দেয়া হতো কোন এক কাজের আজুহাতে বাড়ীর বাইরে। নিশ্চয়ই বাবা, মা চাননি যে ওকে কোন খাবার না দেয়া হয়। খাবার দেয়া হচ্ছে,...
- ০টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ১৪৫বার পঠিত
অন্য শরীর-৭, মূল: ফ্রান্স কাফকা, জার্মান থেকে অনুবাদ তীরন্দাজ
১১ ই ডিসেম্বর, ২০০৬ সন্ধ্যা ৭:৪৪
একেবারে সন্ধ্যায় গ্রেগর তার গভীর ঘুম থেকে জাগলো। কোন ব্যঘাত না হলেও হয়তো ও এর বেশী ঘুমোতে পারতো না। তাপরেও মনে হলো একটা অচকিত পায়ের আওয়াজ ও বসার ঘরের দরজার শব্দই জেগে ওঠার কারণ। রাস্তার আলো তার ঘরের আসবাপত্রের গায়ে বিক্ষিপ্ত হয়ে পড়েছে। কিন্তু নীচে, যেখানে গ্রেগর পড়ে আছে, সেখানে...
- ৪টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ১৭০বার পঠিত




