সখের সাংবাদিকতা- ছেড়েই দিব
০৩ রা মে, ২০০৮ রাত ১:১৫
ছোটকাল থেকেই ইচ্ছে ছিল লেখালেখি করব।
স্কুল কলেজে পড়ার সময় লেখালেখিটা ছিল অংক আর বাংলা খাতায় সিমাব্দ্ধ।
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর বিষয়টি মাথাচারা দিয়ে ওঠে।
চিঠিপত্র কলামে নিয়মিত লিখতে থাকি।
এক সময় লেখা শুরু করি প্রথম আলোতে।
সিলেট অফিসের প্রদায়ক হিসেবে।
সেটা ২০০৩ সালের কথা। একটানা প্রায় দুই বছর কাজ করি
প্রথম আলোর সিলেট অফিসের প্রদায়ক।
যে দিন লেখা ছাপা হতো মনে হতো রবীন্দ্রনাথও ফেল।
প্রথম আলোয় শেষ লেখা ছাপা হয় ২০০৫ সালের ৮ ডিসেম্বর আন্দ পাতায়।
নতুন আশা নতুন চ্যালেন্স নিয়ে যোগ দেই যায়ায়াদিনে। ২০০৬ সালের ১ জুন থেকে। বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার হিসেবে।
কিন্তু ছয় মাস যেতে না যেতেই.............................................।
তারপরও এতা দিন কেবল লিখেছি লেখা লেখি ভালোবাসি তাই।
কিন্তু আজ মনে হচ্ছে কেমন জানি হাহাকার শূন্যতা।
সখের সাংবাদিকতা হয়ত ছেড়েই দিব।
কিচ্ছু ভালো লাগে না।
অনেক সখের অনেক আশার অনেক ভালোবাসার সাংবাদিকতা হয়ত খুব শিগগিরই ছেড়েই দিব।
চোখ ছলছল করে।
হৃদয়ের কোথায় যেন চিনচিন ব্যাথা পাই ।
তারপরও হয়ত ছেড়েই দিব আমার সখের সাংবাদিকতা।
কারণ গুলো না হয় নাই বললাম।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
চিকনমিয়া বলেছেন:
সৈয়দ আমিরুজ্জামান বলেছেন : +
যারা লেখালেখির মাঝে আছেন , তারা সম্ভবত লেখালেখিটাকে খুব ভালোবেসে ফেলেন । সে আবেগটা হয়তো আমি বুঝতে পারবো না
শুভকামনা
লেখক বলেছেন: হ্যা ঠিক ধরেছেন। এখনও ছাড়ি নাই । তবে খুব শিগগিরই ছেড়ে দিতে পারি সাংবাদিতকা।
হরিণ বলেছেন:
আরে ধুর মিয়া এখনো ছেড়েই দেব !? আমি তো সেই কবেই সখের সাংবাদিকতা ছেড়ে বনে চলে এসেছি। ইচ্ছে হলে আমার সাথে বনে চলে আসতে পারেন। এখানে খুব শীতল হাওয়া পাওয়া যাবে। এসি রুমের অফিসগুলো জঞ্জালে ভরা !
লেখক বলেছেন: কোন বনে আছেন ভাই।
এমন নেট থাকলে আমিও যেতে রাজি!
শিমুল বলেছেন:
ছাড়ুন কিন্তু লিখতে থাকুন। যা খুশি মনে আসে। শাহনাজ মুন্নির সাথে পারলে একবার পরামর্শ করে নিন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার পরমর্শের জন্য্।
যূঁথী বলেছেন:
ভাল সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ছেড়ে দিন। একজন হতাশ মানুষ অন্যকে স্বপ্ন দেখতে পারে না। আর যে নিজে স্বপ্ন দেখতে পারে না সে অন্যকে কি করে স্বপ্ন দেখাবে বলেন তো? বেশ করেছেন এমন একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যত্তসব আপনাদের দিয়ে না ..... আরে ভাই, ব্যাপারস না। লাইফ ইজ লাইক দ্যাট। আবার শুরু করেন না শুরু থেকে। শুভ কামনা রইল।
লেখক বলেছেন: এলাইনটা অন্য রকম। প্রথম শেষ বলে কিছু নেই। প্রতিদিনই প্রখম।
ধন্যবাদ।
যূঁথী বলেছেন:
অন্যকে -> নিজে* ।
সালাহউদ্দীন মুহম্মদ সুমন বলেছেন:
ছাড়তে পারবো না কোনোদিন সাংবাদিকতা।
নেশা হয়ে গেছে। অনেক কষ্ট পেয়েছি। বলার মতো নয়। বলবোও না কোনোদিন কাউকে।
এক জনমে এই নেশা কাটবে না। তাই সাংবাদিতা ছাড়ার বৃথা চেষ্টা তাই করতে চাই না।
লেখক বলেছেন: কষ্ট গুলো শেয়ার করতে পারেন। আর এখন কোথায় কাজ করছেন।
শিমুল বলেছেন:
সুমন ভাই শাহবাগে একদিন মইনুলের সাথে দেখা হয়েছিল। সে ক্ষেপে আছে কে যেন তাকে বলেছে সাংবাদিকতা একটা নেশা । সে বলেছে কেন, তোমাকে কি এক পুটলা ( গাঁজা) নামমাত্র বেতন মালিক ধরিয়ে দিয়েছে? এখন খাও আর সাংবাদিকতা করো আর মালিকের ব্যবসার রাস্তা বাতলে দাও। খবরদার! বেতনের কথা কিস্সু বলবা না।
লেখক বলেছেন: বিষয়টা অনেটা এমনই। বাইর থেকে সাংবাদিকতা যত আদর্শ মনে হয় । ভিতরে ঠিক ততটাই ....................।
সালাহউদ্দীন মুহম্মদ সুমন বলেছেন:
ভোরের কাগজে কাজ করছি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি হিসেবে।
এসএনএন বিডি (নিউজ এজেন্সি)-তে রাজশাহী প্রতিনিধি।
দৈনিক করতোয়া পত্রিকায় রাজশাহী মহানগর প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি।
আপাতত এই নিয়েই আছি।
শিমুল ভাই,
দারুণ বলেছেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ । রাজশাহীর বুলবুল ভাই, বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহিন ওদের সাথে পরিচয় আছে। আর এর আগে ব্লগে সমকালের রাবি প্রতিনিধির সাথে কথা হয়েছে।
ভালো থাকবেন। চালিয়ে যান।
লেখক বলেছেন: এই ভয়টা আমারো আছে। দেখি শেষ পর্যন্ত কি হয়।
রুবেল শাহ বলেছেন:
কিচ্ছু ভাল না লাগার মাঝে অনেক ভাল লাগার আছে---- না ছেড়ে চালিয়ে যান এক সময় বুঝতে পারবেন ---মেইল চেক করেন----
লেখক বলেছেন: কিচ্ছু ভাল না লাগার মাঝে অনেক ভাল লাগার আছে----
ধন্যবাদ। সত্যি বলেছেন।
শাব্বির আহমদ বলেছেন:
না খাইয়া থাকার শখ হইলে করেন সাংবাদিকতা।
লেখক বলেছেন: না ভাই না খেয়ে থাকার সখ আমার নেই।
পুষ্প বলেছেন:
পোস্টটা পড়ে একটা বড় আফসোস কাটল ।সাংবাদিকতায় চান্স পাবার পর খুব ইচ্ছে হয়েছিল পড়ার ।কিন্তু আব্বু দেয়নি।
লেখক বলেছেন: আফসোস করে কি করবেন। আপনার আব্বু অতি ভালো এক কাজ করেছেন।
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন:
ছাইড়েন না এত সহজে।
লেখক বলেছেন: মাহবুব ভাই। এতো সহজে নয় অনেক কষ্টে। অনেক অভিমানে, অনেক না পাওয়ায় এই কঠিন কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছি। ভালো থাকবেন।
ছটিক মাহমুদ বলেছেন:
সাংবাদিকতা যদি শখের হয় আপনার কাছে তাহলে ছাড়বেন কেন? শখের জন্য অর্থ এবং অনেক কিছু না পাওয়ায় কঠিন বস্তবতা মেনে নিতে হবে। না ছেড়ে চালিয়ে যান।আমি মুলধারার সাংবাদিকতা করি। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: কোথায় আছেন জানানো যাবেকি। ধন্যবাদ পরামর্শের জন্য।
দূরন্ত বলেছেন:
আমি ছেড়ে দিয়েছি। মাঝে মাঝে ভাবি, ভালোই ছিলাম।
লেখক বলেছেন: আর আমি ছাড়ার চেষ্টা করছি। দেখা যাক ভালো থাকতে পারি না।
রাশেদ বলেছেন:
হুমম...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ হুমমমমমমমমমমমমমম.................
নিলা বলেছেন:
সখের সাংবাদিকতা ছাড়ার কারন না জানলে তো কিছুই বলতে পারছি না। কারনগুলো বলো, তারপর দেখি ঝাড়ি বা উপদেশ যা দেবার দিবো। লেখক বলেছেন: "মাহবুব ভাই। এতো সহজে নয় অনেক কষ্টে। অনেক অভিমানে, অনেক না পাওয়ায় এই কঠিন কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছি। ভালো থাকবেন।"
শুধু বলবো, সব কিছুতেই কষ্ট আছে, জীবনে টীকে থাকতে হলে মানুষকে সংগ্রাম করে বাঁচতে হয়। সব কিছুই খুব সহজে মানুষ পায় না......পাওয়ার জন্য মানুষকে ধৈর্য করে কাজ করে যেতে হয়। মনে বিশ্বাস রাখতে হয়।
সাংবাদিকতা করাটা যেহুতু তোমার ভালোবাসার একটা জিনিস ছিলো, তাই আমি বলবো আরো একবার ভাবো।
লেখক বলেছেন: কারণ বলতে গেলে হাজারটা বলতে হবে। তবে সত্যি সত্যি
অনেক কষ্টে। অনেক অভিমানে, অনেক না পাওয়ায় এই কঠিন কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছি।
আর তুমি বলেেছো সংগ্রামের কথা। সংগ্রাম করেই এখানে এসছি।
এখনো সংগ্রাম করে চলছি।
আমার বয়সি একটা ছেলের থেকে হাজারটা বেশী চিন্তা করে চলতে হচ্ছে।
ভালো থাকবে।
লেখক বলেছেন: খুব বেশী না সাংবাদিকতা সম্পর্কে সাধারন মানুষের যে ধারনা তোমারও তাই ধারনা। তবে কি জানো এই মিডিয়া জগৎটা অনেক কঠিন। অনেক সংগ্রামের। অনেক কম পয়সার, অনেক না পাওয়ার। অনেক হতাশার।
আর বক বক আমার সাথে তুমি করলে আমার ভালো লাগাটা অনেক বেড়েই যায়।
মো. আরাফাতুল ইসলাম বলেছেন:
একসময় আমারও মনে হতো সাংবাদিকতা ছেড়ে দেবো, একটা ৯টা ৫টা চাকরি করবো। মনের সুখে ঘুরে বেড়াবো। এই মনে হওয়া যখন আমাকে প্রায় পরাজিত করে ফেলছিলো তখনই ঘুরে দাড়াই। শপথ নেই সাংবাদিকতা যদি করি ভালভাবেই করবো। একটাইতো জীবন, সফলতা বা বিফলতা যেকোন একটা নেবো। মাঝের ৯টা ৫টা অপশনে যাবো না। আর তাই এখনো নিরলস চেষ্টা করে যাচ্ছি। এখনো আশা, এখনো হতাশা। তবে জীবন চলে যাচ্ছে ...
তাই অনুরোধ, যদি সাংবাদিকতা করতে চান তাহলে স্থির করে ফেলুন এখুনি। শখ শব্দটা বাদ দিয়ে পেশায় চলে আসুন। আর যদি না করতে চান তাহলে বিদায় নিন এখুনিই। কোন পিছুটান রাখবেন না দয়া করে ...
লেখক বলেছেন: হে ভাই পিছুটান রয়েছে। তাইতো এতা কষ্ট হচ্ছে।
উপদেশের জন্য ধন্যবাদ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















