নিজ চোখে পত্রিকা অফিস থেকে একজন সম্পাদককে ধরে নেওয়া দেখলাম!!
বাংলাদেশের ইতিহাসে এই ঘটনা খুব কম সময়ই ঘটছে!!
গতকালের ইতিহাসের অংশে নিজেও ছিলাম!!
সারাদিন তেমন কাজ ছিলনা!!
তারপরও হঠাৎ করে এক এসাইনমেন্ট ছিল সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় শেরাটন হোটেলে।
সেখান থেকে রাত সাড়ে আটটায় ফোনে নিউজ দেই। তারপর ডিনার করে, হেলে দুলে অফিসে আসি রাত সাড়ে ১০ টায়। কিছু ক্ষণ থেকে চলে যাই বাসায়।
কিছুক্ষণ পরই অফিস থেকে ফোন!!
বাসাটা আমারদেশ অফিসের কাছে তাই আমি যেন রাস্তা পার হয়ে আমার দেশ অফিসে চলে যাই!!!
অফিসে আর কেউ নেই তাই আমাকে বলা!!
না করতে করতেও বলি আচ্ছা যাচ্ছি!!
তারপর রাত প্রায় পৌন ১২ টার দিকে পৌছে যাই আমার দেশ অফিসের নিচে।
পরিচিত সাংবাদিকের সঙ্গে দেখা হয়। কুশল বিনিময় করেই ১১ তলায় সিড়ি ভেঙ্গে উঠি। লিফট বন্ধ!!
..
,,
তার পর মাহমুদুর রহমানের রুমে।
কথা বলি তার সঙ্গে।।
গ্রেফতারের আগে সর্বশেষ হাসিটা এবং মজাটা সে আমার সঙ্গেই করে।
আমার টিশার্টে চে গুয়েভরার ছবি দেখে বলে,
কেবল টি শার্টেই নয়, তরুন প্রজন্ম কে বর্তমান সরকারের সঙ্গে চে এর মত বিদ্রোহ করতে হবে!!!!
তারপর কিছু ক্ষণ ঠাট্রা করে!!
তার বক্তব্য ফোনে পাঠিয়ে দেই অফিসে!!
এরপর
চলতে থাকে
অপেক্ষা
কখনও সাংবাদিকদের সঙ্গে, কখনও পুলিশের সঙ্গে । কথা বলতে বলতে ! কেটে যায় সময়।
তবে এই সময়ে অন্য কোন সাংবাদিককেই প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি ।
আর একটু পর পর কথা বলি অফিসে। সর্বশেষ পরিস্থিতি জানিয়ে।
রাত তিনটায় অফিস থেকে জানানো হয় বাসায় চলে যান। আর কোন কিছু দেওয়া সম্ভব নয়। তারপরও বলেছিলাম ২০ টা মিনিট দেন! গ্রেফতার হবেই। কনফার্ম।
তিনটা ২০ মিনিট এ পুলিশ জোর করে আমার দেশ কার্যালয়ে ঢুকে।
৩ টা ৫০ মিনিট এ গ্রেফতার করে সম্পাদককে!!!!
নিজ চোখে দেখলাম, কি করে এক পক্রিকার সম্পাদকককে গ্রেফতার করা হলো!!
জানিনা এই জাতি , আমরা কবে ......... হবো!!!
কবে দেশে ..............!!!!!!!!!!!!!!!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

