somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... জীবনের বৈপরীত্য
কানাডতে প্রবাসী বাঙ্গালী কমিউনিটির মিলন মেলায় বাঙ্গালিত্ব প্রদর্শের জন্যই আমাকে ভাইয়ার বর্ণনার মেরূন কালারের পাঞ্জাবী নিয়ে যেতে হবে। ডোনার অবশ্য আমি নিজেই। ওর জন্মদিনে এটাই হবে আমার অন্যতম উপহার। বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবেশ মোটেও ভাল না। হাতে সময় কম। টিকিট কনফার্ম। তাই হন্যে হয়ে খুঁজছি সেই স্বপ্নের পাঞ্জাবী!

বিচ্ছুটা (আমার কাজিন নাদিয়া ) যে কিনা গত একমাসে আমার পিছে জোঁকের মত লেগে আছে- ওই বলল নাসিমাপু একবার বসুন্ধরায় খোঁজ নিয়ে দেখ- না।

সদ্য দার্জিলিং, শিলং ঘুরে আসা ব্লগার হাবিবমহাজনকে মোবাইলে ফোন দিলাম সাথে থাকার জন্য। ভাইয়া আমাদের সময় দিতে অপরাগতা দেখালেন।
বলনেন সামনে রিহ্যাব ফেয়ার উপলক্ষ্যে কিছু সফটওয়্যার ও ওয়েব রিলেটেড কাজে খুবই ব্যস্ত। দম ফেলার সুযোগ কম। কোনভাবেই সময় দিতে পারবেন না। সম্ভবতঃ এজন্য ব্লগেও তার নতুন পোস্ট দেখছি না।

সিএনজি চালিত অটোরিক্সাও বসুন্ধরাগার্ডেন সিটিতে যেতে চাইছে না। বুঝতে পাড়লাম এর কারন কাছে এবং ভাড়া কম বলে। অগত্যা রিক্সা নিয়ে সোবহানবাগ , শুক্রাবাদ হয়ে রাজাবাজারের গলির ভিতর দিয়ে মার্কেটের পিছন দিক দিয়ে ঢুকলাম। ঢুকার সময় আমার চোখ ছানাবড়া। গ্রাউন্ড ফ্লোড়ে এত্ত দামি দামি গাড়ি ! আসলে ঢাকা শহরের প্রাইভেট কার, মাইক্রো বাস, প্রাডো জিপের বহর দেখলে সাধারণ মানুষকে ভিরমি খেতে হয়। মনেই হয় না আমরা গরীব দেশের নাগরিক।

দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠীই দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে। ঢাকা মহানগরসহ বিভাগীয় ও জেলা শহরের বস্তিতে লাখো লাখো মানুষ চরম মানবেতর জীবনযাপন করছে। একটি জরিপে দেখা গেছে এ দেশে প্রতিদিন প্রায় 1 কোটি মানুষ রাতে না খেয়ে ঘুমাতে যায়। সুশিক্ষা ও চিকিৎসার সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত অগণিত মানুষ। নদীভাঙন এবং ভূমি সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্যে ভূমিহীনদের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। বেকারত্বের হার মাত্রা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। এই বৃহৎ মানবগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে রাষ্ট্র পরিচালকদের ভূমিকা খুবই নগণ্য।

হাজী মুহমমদ মুহসীনের মতো থাকলে জনগণের এ দুর্দশাগ্রস্ত অবস্থা থাকত না। আমাদের রক্ষকরাই ভক্ষক। দেশের সিংহভাগ সমপদ গুটিকয়েক ব্যক্তি ভোগ করছে। এরাই বিদেশ থেকে অপ্রয়োজনীয়, বিলাস দ্রব্য আমদানি করে দেশের অর্থসমপদের অপচয় করছে। কলকাতা, সিঙ্গাপুর, দুবাই, মালয়েশিয়ায় কেনাকাটা না করতে পারলে তাদের সাধ মেটে না। 14 কোটি লোকের এই গরিব দেশে এই বিদেশ নির্ভরতা না কমাতে পারলে দেশের সমৃদ্ধি আনয়নের পরিকল্পনা আকাশ কুসুম কল্পনা হয়ে থাকবে।

ঢাকায় দেখেছি, ফুটপাথে নিঃস্ব মানুষ ঘুমিয়ে আছে। তাদের বস্ত্র নেই, খাবার নেই। জীর্ণশীর্ণ কঙ্কাল শরীর নিয়ে জীবনসংগ্রামে ব্যস্ত। অথচ কোনো বিদেশী যদি সুপার মার্কেটে যায়, তাহলে সে ভাববে না বাংলাদেশ একটি অনুন্নত দেশ।

ঢাকা শহরে সামপ্রতিক বছরগুলোতে বছরে গড়ে 60-70 হাজার মোটর গাড়ির রেজিসট্রেশন হচ্ছে। হাউজিং ব্যবসা, অ্যাপার্টমেন্ট বিক্রি, সংবাদপত্র ও টিভি চ্যানেলের প্রসার ঘটেছে। ব্যক্তিগতভাবে তৈরি বড় বড় টাওয়ার, নেতা-নেত্রীদের বিলাসবহুল জীবনযাপন তো বলে না এ দেশ গরিব।

যেখানে একজন টোকাই বা পথশিশুকে এক বেলা খাবার জোটাতে 12-16 ঘন্টা শ্রম দিতে হয়, সেখানে জীবনের এই বৈপরীত্য কেন? যেখানে এ দেশে মানুষের দৈনিক গড় আয় এক থেকে দেড় ডলার, সেখানে ধনকুবেররা কিভাবে অঢেল সমপদের মালিক বনে যাচ্ছে? ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nasimaonlineblog/24076 http://www.somewhereinblog.net/blog/nasimaonlineblog/24076 2006-11-11 06:08:00
নেতা নেত্রির কাছে দেশের শিক্ষাঙ্গন উন্নয়নে যথার্থ প্রতিশ্রুতি শুনতে চাই
শিক্ষার প্রতিটি স্তরে চলছে সীমাহীন অনিয়ম আর বিশঙ্খলা। শিক্ষাদানে নিয়োজিত শিক্ষকরা মানসমমত শিক্ষাদানের পরিবর্তে যখন দেখি শিক্ষক-অধ্যাপকরা নোংরা ধ্বংসাত্মক রাজনীতি রাজনীতি খেলায় মাতেন। তাদের রাজনীতির গঁ্যাড়াকলে পড়ে সাধারণ শিক্ষাথর্ীরা বছরের পর বছর শিক্ষাজটে পড়ে হচ্ছে নির্যাতিত। একই সাথে ঘটছে তাদের নৈতিক অবক্ষয়।

এদিকে শিক্ষা উপকরণের ক্রমাগত চড়ামূল্য গুনতে গিয়ে অভিভাবকদের উঠছে নাভিশ্বাস। কিন্ডারগার্টেন স্কুল কতর্ৃপক্ষের সীমাহীন স্বেচ্ছাচারী নিয়মনীতি দিন দিন অতিষ্ঠ করে তুলছে বাবা-মাাদের।

শিক্ষায়তনের সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে, শিক্ষার উপকরণের ঊধর্্বগতি রোধ করতে আপনারা কি পারেন না একটি যথার্থ উপকারী প্রতিশ্রুতি শোনাতে? সেই প্রত্যাশায় রইলাম (আফনেগো প্রতিশ্রুতি তো বিশ্বাস করা মুশকিল !!!)।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nasimaonlineblog/20354 http://www.somewhereinblog.net/blog/nasimaonlineblog/20354 2006-09-29 04:01:46
ফিরে এসোঃ শামসুর রহমান আবার কথা বলুক দেশ
কথা বলুক দেশের মানুষ
কথা বলুক নিসর্গ
প্রেমিকার সলজ্জ আভায় রক্তিম হোক আপনার পঙ্ক্তিমালা।

শিল্পীর স্বাধীনতার প্রশ্নে
কূপমন্ডূকতার বিরুদ্ধে
কুসংস্কার ও অন্ধতের্ব বিরুদ্ধে
সুস্থ সমাজ গঠনের মিছিলে রাজপথে
মাইকের সামনে দাঁড়িয়ে মানবতার কথা শুনতে চাই।
হে কবি, ফিরে এসো তুমি।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nasimaonlineblog/16871 http://www.somewhereinblog.net/blog/nasimaonlineblog/16871 2006-08-19 06:40:41
যৌন সম্পর্ক স্থাপনে নারীর 'না' বলার অধিকার নেই; আবার সঙ্গীকে কনডম ব্যবহারেও সে বাধ্য করতে পারে নাঃ বিল গেটস
বিশ্বের 170টি দেশের বিজ্ঞানী, গবেষক, উন্নয়ন ও সমাজকর্মী, রাজনীতিক, গণমাধ্যম কর্মীদের উপস্থিতিতে কানাডার গভর্নর জেনারেল মিশেল জিন আনুষ্ঠানিকভাবে এ সম্মেলনের উদ্বোধন করেন। কানাডার প্রধানমন্ত্রী স্টিফেন হারপার অনুষ্ঠানে অংশ না নেওয়ায় উদ্যোক্তারা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তার কঠোর সমালোচনা করেন। বিশ্বের সেরা ধনী ব্যক্তিত্ব বিল গেটস ও তার স্ত্রী মেলিন্ডা গেটস এ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

[গাঢ়]বিল গেটস বলেন, বিশ্বের সব টাকা এনে এ খাতে ব্যয় করা হলেও এইডস নির্মুল করা সম্ভ ব নয়, যদি না নারী এবং এইডস ঝুঁকির শিকার গ্রুপের হাতে তাদের বাঁচানোর পর্যাপ্ত ক্ষমতা তুলে না দেওয়া যায়। তিনি বলেন রাজনীতি, অর্থনীতি ও যৌন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার নারীর হাতে অর্পণ করতে হবে। [/গাঢ়]

যৌন সম্পর্ক স্থাপনে নারীর 'না' বলার অধিকার নেই। আবার সঙ্গীকে কনডম ব্যবহারেও সে বাধ্য করতে পারে না। ফলে দুর্ভোগের শিকার হতে হয় নারীকে। এ অবস্থার পরিবর্তনের জন্য এইডস নিরাময়ের গবেষণায় মৌলিক পরিবর্তন আনার তাগিদ দেন তিনি। তিনি বলেন, দারিদ্র্য এবং বৈষম্য বিশ্বের নানা অংশে এইডস ভাইরাসের সংক্রমণের হাত থেকে নিজেদের রক্ষা করতে অক্ষম করে রেখেছে নারীকে।

সম্মেলন শুরু পূর্বে বিল গেটস ও তার স্ত্রী মেলিন্ডা গেটস এইডসের গবেষণায় 50 কোটি ডলারের অনুদান দিয়েছেন। পুরো অর্থই ব্যয় করা হবে এইচআইভি এইডসের ওষুধ তৈরি ও মাক্রোবিসাইড ক্রিম (যৌন মিলনের পূর্বে এ ক্রিম ব্যবহারে এইচআইভি ইনফেকশন বহুলাংশে প্রতিরোধ করা যায়)-এর গবেষণার কাজে।


কৃতজ্ঞতাঃ
1. [গাঢ়]বাচতে হলে, জানতে হবে[/গাঢ়]ঃ বাংলাদেশের একটি টিভি বিজ্ঞাপন এর জিঙ্গেল
2. KvbvWv WU Kg
3. [link|http://www.prothom-alo.net/v1/newhtmlnews1/category.php?CategoryID=7&Date=2006-08-15|c]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nasimaonlineblog/16530 http://www.somewhereinblog.net/blog/nasimaonlineblog/16530 2006-08-15 08:32:15
কাজের মেয়ে
যে মেয়েটি পুরো পরিবারের কাজ করছে, তাকে ডাইনিং টেবিলে বসে খাওয়ার সুযোগ নাইবা দেওয়া হলো, তবে তাকে পরিবারের সবাই যা খাচ্ছে, তা অন্ত ত দেওয়া যেতে পারে। এসব ক্ষেত্রে অনেক পরিবারের চিত্র রয়েছে ভিন্ন, তারা কাজের মেয়ের জন্য ভিন্ন খাবারের ব্যবস্থা করে, যা সামাজিক আচরণের ক্ষেত্রে বেমানান। আমরা যা খাই, কাজের মেয়েকেও তা খেতে দিলে তার মনে কখনো হীনমান্যতা দেখা দেবে না বরং সে সম্মানিত বোধ করবে এবং কাজেও উৎসাহ পাবে।

কাজের মেয়েকে যেটুকু সম্মান আমাদের দেওয়া উচিত তাতো দেই-ই না বরং কেউ বাসায় এলে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্যের সঙ্গে গৃহিণীরা বলতে থাকে আমার কাজের মেয়েটি খুব ফাঁকিবাজ ও কোনো কাজ করতে চায় না। এ ধরনের আচরণ কাজের মেয়ের মন দুঃখ দেয় এবং কখনো হিংস্র করে তোলে। অন্যের সামনে কাজের মেয়েটিকে তাচ্ছিল্য না করে যদি পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয় ও আমার পরিবারের একজন। ওর হাতে রয়েছে আমাদের পুরো সংসার। ওর কারণে আমরা দুজন চাকরি করতে পারছি, তা না হলে একজনকে চাকরি ছেড়ে দিতে হতো। এভাবে যদি অন্যের কাছে কাজের মেয়েকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে সে সংসারের কাজের প্রতি বেশি আগ্রহী ও মনোযোগী হবে। কারণ কাজের মেয়েটি বুঝতে পারবে সে পরিবারের জন্য অনেক বড়ো ভূমিকা রাখছে।

কাজের মেয়েরও চাওয়া-পাওয়া আছে। সে না চাইতেই আপনি তাকে একটি সুন্দর জামা কিনে দিলেন, মন তার আনন্দে ভরে যাবে এবং কাজে উৎসাহ পাবে। সপ্তাহে একদিন যদি কাজের মেয়েটিকে নিয়ে আপনারা কোথাও বেড়িয়ে আসেন, তাহলে সে আপনার সংসারের কাজের প্রতি আরো আগ্রহী হয়ে উঠবে। প্রতিদিনের একঘেয়েমি কাজের মধ্যেও সে নতুনত্ব খুঁজে পাবে। আপনার পরিবারের কাজের মেয়ের কাজ করার পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে, তাহলে কাজের মেয়েরা তার কর্মক্ষেত্রকে আপন করে নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী হবে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nasimaonlineblog/13918 http://www.somewhereinblog.net/blog/nasimaonlineblog/13918 2006-07-18 08:59:29
দুঃখ ছাড়া আত্মহত্যা কিছুই দিতে পারে না
সাতসমুদ্র তের নদীর ওপারে মাতৃভূমি বাংলাদেশ থেকে টেলিফোনে বিয়োগাত্মক বার্তা পৌঁছে গেছে। আর তা শুনে রক্ত হিম হয়ে আছে। আবার ছটফট করছে ব্লগার বন্ধুদের কাছে ওর রূহের নাজাত কামনার জন্য।

এক সময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ওয়াসিম চাচ্চুর একমাত্র মেয়ে বুশরা গতকাল রবিবার পরীক্ষায় তার নকল ধরা পড়ার লজ্জায় গুলশানের মানারত স্কুল এন্ড কলেজের ছয় তলা ভবনের উপর থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেছে (ইন্নালিল্লাহে........ রাজেউন)।

মাত্র তের বছর বয়সী বুশরা ছিল (হায়রে বুড়ি! এখন তুই অতীত হয়ে গেলি!!!) অষ্টম শ্রেনীর ছাত্রী। আমাদের অত্যন্ত আদরের বুশরাকে হারিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ূয়া তার একমাত্র ভাই ফারদুল ও বাবা ওয়াসিম এখন শোকের সাগরে ভাসছে।

তিন বছর আগে মা হারানো বুশরা গুলশান 2 এর 35 নম্বর রোডের 111 নম্বরের বাড়ি থেকে আর আমাকে বলবে না "আপু তুমি কবে আসছো? এখন কি কানাডাতে খুব ঠান্ডা, নাকি গরম?..................... লিখতে পারছিনা।

সবাই ওর আত্মা ও ওর পরিবারের জন্য দোয়া করবেন । ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nasimaonlineblog/10767 http://www.somewhereinblog.net/blog/nasimaonlineblog/10767 2006-06-05 09:03:32
আর্থিকভাবে সচ্ছল পাত্রের সঙ্গে বিয়ে হওয়াই নারীর জীবনের মূল লক্ষ্য !!!
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স শেষ বর্ষের ছাত্রী অধরার (ছদ্মনাম) কথাই ধরা যাক। অধরা পড়াশুনা শেষ করে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর আগে বিয়ে করতে চায় না। কিন্তুতার পরিবার এটা মানতে নারাজ। পরিবারের লোকজন মনে করেন আর্থিকভাবে সচ্ছল পাত্রের সঙ্গে বিয়ে হওয়াই নারীর জীবনের মূল লক্ষ্য। আর এ জন্যই তার পড়ালেখা করা। চাকরি করতে হবে কেন? শুধু আর্থিক নিশ্চয়তা নয় -একটা মেয়ের মানসিক তৃপ্তির জন্যও যে সে চাকরি করতে পারে এটা তারা বুঝতে চায় না। আর্থিকভাবে পরিবারের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় তাই অধরাকে মেনে নিতে হচ্ছে পরিবারের চাপিয়ে দেওয়া সিদ্ধান্তকে। তাকে প্রায়ই পাত্রপক্ষের সামনে সেজেগুজে উপস্থিত হতে হয় আর উত্তর দিতে হয় তাদের উদ্ভট কিছু প্রশ্নের। অধরা আক্ষেপ করে বললেন, 'আসলে মেয়েদের স্বাধীনতা মানে পরাধীনতার বেড়াজালে আটকে থাকা সংকীর্ণ স্বাধীনতা।'

ক্ষেত্র বিশেষ পিতা-মাতা বা অভিবাবক অধরার যুক্তি মানলেও আত্মীয়স্বজন, বন্ধু-বান্ধবরা তা মেনে নিতে পারছেন না। তাদের একই প্রশ্নকোনোই তো সমস্যা নেই তুমি কেন বিয়ে করছো না?

আজকাল অনেক প্রগতিশীল বাবা-মাই বিয়ের ব্যপারে মেয়ের মতামতকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। তবে এই সংখ্যা একবারেই হাতেগোনা। অধিকাংশ পরিবারেই মেয়ের নিজের পাত্র নির্বাচন করাকে বাঁকা চোখে দেখে। মেয়েটির পছন্দের পাত্র যতোই গুণের অধিকারী হোক না কেন অভিভাবকরা তার দোষ খুঁজতে সিদ্ধহস্ত_ এ ব্যাপারে অবশ্য ছেলের বাবা-মায়েরাও কম যায় না।

নারীর প্রকৃত স্বাধীনতা তখনই বলা যাবে যখন একটি মেয়ে তার জীবনের সব ক্ষেত্রেই নিজের মতামতের প্রতিফলন ঘটাতে সক্ষম হবে। আর এই অবস্থা সৃষ্টি করার জন্য প্রথমে দরকার আমাদের সমাজের মানসিকতার পরিবর্তন আনা। পরিবারের পাশাপাশি সমাজকেও এগিয়ে আসতে হবে তবেই একটি মেয়ে পারবে তার জীবনের পরিপূর্ণ বিকাশের মাধ্যমে দেশ ও জাতিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে।



- আমার সর্বশেষ পোস্ট "যৌতুক বিরোধী সামাজিক আন্দোলন চাই" এর ছায়া অবলম্বনে



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nasimaonlineblog/10679 http://www.somewhereinblog.net/blog/nasimaonlineblog/10679 2006-06-04 07:46:29
যৌতুকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন চাই
পাত্রপক্ষ যৌতুক বিরোধী । কারন তারা সমাজপতি , গরীব স্কুল শিক্ষকের কাছে কেন হাত পাতবে। প্রেস্টিস বলে একটা কথা আছে না। তাদের এমন রূপসী -গুনবতী মেয়ে হলেই চলবে। এটা ভলো কথা। তাদের এমন যৌতুক বিরোধী অবস্থানে যে কোন প্রগতিশীলই সাধুবাদ জানাবে।

পাত্রপক্ষের ভিআইপি গেষ্টরা থাকবে বিয়ে অনুষ্ঠানে। আর তাই পাত্রের অভিবাকদের কড়া নির্দেশ কনের বাবা যেন খাওয়ার কোালিটি মেইনটেইন করে এবং পাত্রপক্ষের 450 জনের খাওয়ার ব্যবস্থা করে। পাছে তাদের আবার জাত না যায় গরীব ঘরে বিয়ে করে!

এই যে পাত্র পক্ষ 450 জনের খাওয়ার অ্যারেঞ্জমেন্ট এর শর্ত জুড়ে দিল পাত্রী পক্ষকে এটা কি যৌতুক নয়? নিশ্চয়ই এটা যৌতুকের পযর্ায়ে পড়ে। গত পরশু বাংলাদেশ ত্যাগের সময় বিমানের জানালা দিয়ে যখন সাদা মেঘে ভেসে আসছিলাম কানাডাতে তখনই আমার আঙ্কেলর ধারদেনায় জর্জরিত অভাবী ও করুন চেহারা (কিন্তু রুচিশীল ও হাসিখুশি) আমাকে বারবার কষাঘাত করছিল। হায়! সমাজ আলগা ফুটানি আর কত দেখাবি? 450 জনের ভালো মন্দ খাওয়ার ব্যবস্থা আর কমিউনিটি সেন্টারে বিয়ের আয়োজন যে একজন সামান্য বেতনের শিক্ষকের পক্ষে কতটা দূরুহ তা পাত্র পক্ষকে কে বোঝাবে!

1980 সালের যৌতুক নিরোধ আইনানুযায়ী যৌতুক বলতে, 'বিবাহের একক্ষ কর্তৃক অপরপকে অথবা বিবাহের কোনো একপক্ষের পিতামাতা বা অন্য কোনো ব্যক্তি কর্তৃক অপরপক্ষকে বিবাহকালে বা বিবাহের আগে বা পরে যেকোনো সময় বিবাহের পণ হিসেবে প্রত্য ক্ষ বা পরোক্ষভাবে প্রদত্ত বা প্রদানে অঙ্গীকারাবদ্ধ যেকোনো সম্পত্তি বা মূল্যবান জামানতকে বোঝায়।
তবে মুসলিম ব্যক্তিগত আইন বা শরিয়ত মতে প্রদেয় দেনমোহর এর অন্তর্ভুক্ত নয়'। এ সংজ্ঞার ব্যাপক পরিধিতে নগদ অর্থ বা অন্য কোনো সম্পদ, প্রকাশ্যে বা গোপনে এবং বিবাহের সময় বা পরে সর্ব প্রকার লেনদেন যৌতুকের অন্তর্ভুক্ত হয়ে পড়ে। বৈবাহিক ক্ষেত্রে বরপক্ষ ও কনেপক্ষের মধ্যে আর্থিক ও বৈষয়িক লেনদেন বিশ্বের বহু সমাজে প্রচলিত রয়েছে প্রাচীনকাল থেকেই। সাধারণ ভাষায় এটিই আমাদের সর্বনাশ-যৌতুক প্রথা। এই ঘুণেধরা সমাজে নারীর সম্মান, সামাজিক প্রতিষ্ঠা ও আত্মউন্নতি লাভে বড়ো ধরনের প্রতিবন্ধক হচ্ছে যৌতুক কুপ্রথাটি। অমানবিক এ প্রথাটির শেকড় সমাজের গভীরে প্রোথিত বলেই এর পূর্ণাঙ্গ উচ্ছেদ কঠিন হয়ে পড়েছে। তবে সর্ব ঐক্যের কাছে যতো কঠিনই হোক না কেন তা নিরোধ কিংবা প্রতিরোধ করা তেমন কোনো ব্যাপার নয়।

এই বিষয়ে আমার আকুল আবেদন, আমরা যারা সমাজ সচেতন বলে দাবি করি তাদের কাছে, তারা যেন স্ব-স্ব অবস্থান থেকে এর বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করি আজ এবং এখন থেকেই। আমাদের মনে রাখতে হবে 'সমাজের সকলে কাজ করে না, করতে হয় না, প্রথমে 1/2 জনেই আরম্ভ করে; পরবতর্ী সময়ে অন্যসব সৃষ্টিশীল মানুষরা এ পতাকাতলে সমবেত হয়ে কাজের অগ্রগতিকে ত্বরান্বিত করে কাঙ্তি লক্ষ্যে পেঁৗছে দেয়। সুতরাং আমরা এখন থেকে এই যৌতুকপ্রথার ভয়াবহতা থেকে মুক্তি পেতে জোরালো আন্দোলন শুরু করবো ব্যক্তি-পরিবার-সমাজ তথা সমগ্র দেশ জুড়ে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nasimaonlineblog/10315 http://www.somewhereinblog.net/blog/nasimaonlineblog/10315 2006-05-30 11:47:17
নারী সাংবাদিকদের নিয়ে স্টারের কাভার স্টোরি
আশা করি আপনারা পড়ে নিবেন। এর ওয়েব সাইট হলঃ
http://www.thedailystar.net/magazine/index.htm

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nasimaonlineblog/4339 http://www.somewhereinblog.net/blog/nasimaonlineblog/4339 2006-03-11 04:46:13
আন্তর্জাতিক নারী দিবসঃ সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারী
1857 সালের 8 মার্চ নিউইয়র্ক শহরে সেলাই কারখানার নারী শ্রমিকরা তাদের অমানবিক ও অনিরাপদ কর্মপরিবেশ, দৈনিক 12 ঘণ্টা শ্রম ও স্বল্প মজুরির বিরুদ্ধে একটি শান্তিপূর্ণমিছিল বের করেছিল। তাদের এ শান্তিপূণ মিছিলের ওপর পুলিশ হামলা চালায়। এর 3 বছর পর 1860 সালে নারী শ্রমিকরা সংঘবদ্ধ হয়ে তাদের দাবি আদায়ের লক্ষ্যে নিজস্ব ইউনিয়ন গঠন করে। নারী আন্দোলনের উত্তরোত্তর বিস্তৃতির ফলে 1871 সালে নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগে প্রথম যুদ্ধবিরোধী নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। 1905 থেকে 1907 সালে রাশিয়ার রাজতন্ত্রবিরোধী সংগ্রামে অসংখ্য নারী সক্রিয় ভূমিকা রাখে। পরে 1908 সালের 8 মার্চ নিউইয়র্কে একটি প্রতিবাদ মিছিলে বস্ত্রশিল্প কারখানার নারী শ্রমিকরাও যোগ দেন। একই সময় পৃথিবীর সর্বত্র নারীর ভোটাধিকারের দাবিতেও বলিষ্ঠ আন্দোলন গড়ে ওঠে।

নারী জাগরণের এই ঘনঘটার মধ্যে এক পর্যায়ে 1910 সালে কোপেন হেগেনে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সমাজতান্ত্রিক নারী সম্মেলনে জার্মান সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের নেত্রী ক্লারা জেটকিনের প্রস্তাব অনুসারে ঐতিহাসিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ তারিখ হিসেবে 8 মার্চকে বিশ্ব নারী দিবস ঘোষণা করা হয়।

বাংলাদেশে বিশেষ করে পোশাক শিল্পে নারী শ্রমিকদের ব্যাপক উপস্থিতি, সেখানে তাদের শ্রমঅধিকার ও যথাযথ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত না থাকা, গার্মেন্টস কারখানাগুলোতে একের পর দুর্ঘটনা এসবের পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক নারী দিবসের যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে।

দুঃখজনক যে, বাংলাদেশে নারী অধিকারের চিত্রটি হতাশাজনক। নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনৈতিক অবস্থান সবদিক দিয়েই নারীরা এখনো অনেকটাই পিছিয়ে। প্রতিদিনই প্রচারমাধ্যমে নারী নির্যাতনের ভয়াবহ চিত্র উঠে আসছে_ ঘরে-বাইরে সব জায়গাতেই নির্যাতিত হচ্ছে নারীরা। তারা বৈষম্যের শিকার হচ্ছে ভাষা, পেশা, ধর্ম ও জাতিসত্তা এবং প্রতিবন্ধী হওয়ার কারণেও। রাজনৈতিকভাবেও নারীরা বৈষম্যমূলক আচরণের শিকার হচ্ছে। নারীর প্রতি রাজনৈতিক দল ও নেতৃত্বের নেতিবাচক মনোভাবের কারণেই সমাজে সর্বত্র নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে না।

জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে নারী সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরে সরাসরি নির্বাচনের দাবি জানিয়ে আসলেও বর্তমান জোট সরকার নির্বাচনের ব্যবস্থা বাদ রেখেই সংরক্ষিত নারী আসন বিল পাস করেছে। এতে সংসদে রাজনৈতিক দলগুলোর আসন প্রাপ্তির ভিত্তিতে নারী আসন বন্টনের যে বিধান রাখা হয়েছে তা নারীর জন্য অত্যনত্দ অমর্যাদাকর। 1995 সালে বেইজিং সম্মেলন এবং পরবতর্ী বেইজিং প্লাস ফাইভ-এ প্রতিটি দেশকে তাদের পার্লামেন্টে অন্তত এক-তৃতীয়াংশ নারী আসন নিশ্চিত করতে বলা হলেও আমাদের দেশের কোনো দলকেই এ দিকে গুরুত্ব দিতে দেখা যাচ্ছে না।

দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেকই নারী। এই বিশাল জনগোষ্ঠীর প্রতি বৈষম্য বজায় রেখে কিছুতেই দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। এজন্য নারীর প্রতি সহিংসতা ও বৈষম্য রোধ এবং সামাজিক-রাজনৈতিক সবক্ষেত্রে সিদ্ধান্তগ্রহণসহ সকল কাজে নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। নারী দিবসের অঙ্গীকার বাসত্দবায়নে সরকারের সদিচ্ছা ও তৎপরতার পাশাপাশি রাজনৈতিক মহলসহ সমাজের সর্বস্তরের দৃষ্টিভঙ্গিরও ইতিবাচক পরিবর্তন জরুরি।

আজ 2006 সালের 8 মার্চ উদযাপনকালে নিজস্ব সংস্কৃতিবোধে এদেশের নারী আবারও মাথা উঁচু করে দাঁড়াক_ এই প্রত্যাশা রাখছি।

সবাইকে আন্তর্জাতিক নারী দিবসের শূভেচ্ছা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nasimaonlineblog/4062 http://www.somewhereinblog.net/blog/nasimaonlineblog/4062 2006-03-07 23:51:53
গার্মেন্টসের নিরাপত্তাসহ পরিবেশ নিশ্চিত করুন
সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজ ঠেকানোসহ সব ধরনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীরই। পুলিশসহ নিরাপত্তা বাহিনীর উচিৎ গার্মেন্টস গুলোতে সার্বক্ষণিক টহল দেয়া এবং এদিকটি সরকারকে আরও গুরুত্বের সাথে দেখতে হবে।

আমরা আর গার্মেন্টসে আগুনজনিত এরকম অনাকাঙ্খিত মৃতূ্য দেখতে চাই না।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nasimaonlineblog/3756 http://www.somewhereinblog.net/blog/nasimaonlineblog/3756 2006-03-04 09:34:41
অনন্যা শীর্ষ দশ

এ বছর সম্মাননাপ্রাপ্ত শীর্ষ 10 জন হলেন সমাজ কল্যাণে কুমিল্লা জেলার নারী চিকিৎসক ডা. যোবায়দা হান্নান, আদিবাসী বস্ত্রশিল্পকে সুপরিচিত করে তোলার জন্য পার্বত্য চট্টগ্রামের মঞ্জুলিকা চাকমা, ভাষা আন্দোলনে অসামান্য অবদানের জন্য বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও শিশুসাহিত্যিক হালিমা খাতুন, সংগঠক নূরজাহান বেগম, প্রযুক্তিতে অবদানের জন্য প্রকৌশলী আসমা হক, সাংবাদিকতায় সাহসিকতা ও দক্ষতা প্রদর্শনের জন্য সুমি খান, চার"কলায় বিশেষ অবদানের জন্য নাজলী লায়লা মনসুর, ক্ষুদ্রঋণ গ্রহণ করে ব্যাপক সফলতার জন্য শামীমা খাতুন, আইন ও নারী মানবাধিকার আন্দোলনে অসামান্য ভূমিকার জন্য সারা হোসেন এবং ক্রীড়া জগতে অবদানের জন্য মোল্লা সাবিরা।

সবাইকে আমার আন্তরিক অভিনন্দন। সেই সাথে অনন্যা সম্পাদক তাসমিমা হোসেন আপুকেও ধন্যবাদ এমন মহতী উদ্যোগ নেয়ার জন্য।

উল্লেখ্য, 1993 সাল থেকে পাক্ষিক অনন্যা নারীদের এই সম্মাননা দিয়ে আসছে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nasimaonlineblog/3751 http://www.somewhereinblog.net/blog/nasimaonlineblog/3751 2006-03-04 09:01:17
নারী বিষয়ে জামায়াতের ব্যাখ্যা জানতে চাই
জামাতে ইসলামী এক সময় ঘোষণা দিয়েছিল যে, নারী নেতৃত্ব হারাম। কিন্তু ক্ষমতার মোহ এতোটাই যে, তারা বর্তমানে নারী নেতৃত্ব মেনে নিয়ে ক্ষমতায় ভাগিদার হয়ে সাধারণ মানুষকে কী বুঝাচ্ছেন এ মুহূর্তেআমার কাছে পরিষ্কার নয়। হালে তারা নারী বিষয়ে কোনো কিছু বলা থেকে বিরত আছে।

নারী বিষয়ে জামায়াতের ব্যাখ্যা জানতে চাই ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nasimaonlineblog/935 http://www.somewhereinblog.net/blog/nasimaonlineblog/935 2006-01-29 02:04:06
রাজনীতিবিদের চালাকি: আমরা কি এত্তো বোকা !
রাজনীতির সঙ্গে সততার কোনো সম্পর্ক আছে কিনা এ প্রশ্ন অর্থহীন শোনালেও ভাবতেই খারাপ লাগছে যে, দেশের অনেক রাজনীতিবিদই চালাকিটাকেই রাজনীতি বলে ভাবেন, মনে করেন যে, দেশের জনগণ নিতান্তই বোকা_ কিছুই বুঝে না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nasimaonlineblog/934 http://www.somewhereinblog.net/blog/nasimaonlineblog/934 2006-01-29 01:22:22
নারীর প্রতি বিজ্ঞাপনীয় বৈষম্য
ইলেকট্রনিক মিডিয়ার একটি বিজ্ঞাপন চিত্র বার বার আমাকে ব্যথিত করে । বিজ্ঞাপনটি ল্যাব এইডের। পরিবারের প্রধান পুরুষ মানুষটি হৃদরোগে ভুগছেন। তার বাইপাস সার্জারি দরকার। বাড়ির গৃহিণী বিদেশে অবস্থানরত ছেলেকে ফোন করলেন। ছেলে বললো, প্লেনের টিকিট করে রাখো আমি আসছি। বোঝা যাচ্ছে প্লেনের টিকিটটি করবেন একজন নারী। পরে দেখানো হচ্ছে পরিবারের কন্যা সন্তানটি বাবাকে ল্যাব এইডের বিজ্ঞানপনটি দেখাচ্ছে। মা-মেয়ে মিলে পুরুষ মানুষটিকে হাসপাতালে নিয়ে গেলো, তাকে অপারেশন থিয়েটারে ঢোকানোর সময়ও তার পাশে উদ্বিগ্ন স্ত্রী ও কন্যা ছিল। তিনি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন। বাড়ির পুত্র সন্তানটি বিদেশ থেকে ফিরে এসে মাকে জিজ্ঞেস করছে, প্লেনের টিকিট করেছো? কোন কিছু বলার আগেই পুরুষ মানুষটি জানালেন, চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার দরকার নেই। কারণ দেশে 'সোনার ছেলেরা' আছে। এখানেই আমার ভাষার প্রশ্নএবংউপরের ছবিটি দেয়ার উদ্দেশ্য। এই বিজ্ঞাপন চিত্রে 'সোনার ছেলেমেয়েরা' ব্যবহার করলে কী ক্ষতি হতো? মেয়েরা কি চিকিৎসা ক্ষেত্রে যথেষ্ট যোগ্যতার প্রমাণ দিচ্ছে না?

বিজ্ঞাপনী সংস্থা, ল্যাব এইড কর্তৃপক্ষ এবং বিজ্ঞাপন চিত্র নির্মাতা ভাষা ব্যবহারে নারীর প্রতি অবিবেচনার পরিচয় দিয়েছে। আমি এই লেখার মাধ্যমে এই চমৎকার বিজ্ঞাপন চিত্রটির ভাষার সংশোধন দাবি করছি।

যে নারীরা একজন অসুস্থ মানুষকে চিকিৎসাসেবার দোরগোড়ায় নিয়ে যাওয়ার যোগ্যতা রাখে তাদের সঠিক মূল্যায়ন হয়নি একটি পক্ষপাতমূলক শব্দ ব্যবহার করার কারণে।

সবাই যদি জেন্ডার সমতা ও সাম্যের ভিত্তিতে ভাষা নির্মাণ করেন তবে শক্তিশালী গণমাধ্যমই পারে নারীর প্রতি সংঘটিত নানা বৈষম্য দূর করতে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nasimaonlineblog/903 http://www.somewhereinblog.net/blog/nasimaonlineblog/903 2006-01-28 05:35:49
এসে গেলাম: আমার প্রথম পোস্ট
কিছু কিছু অশ্লীল মন্তব্য বাদে ব্লগটিকে আমার খুবই ভাল লেগেছে যদিওবা এটি এখনো বেটা ভার্সন পযর্ায়ে রয়েছে বলে বোঝতে পারলাম।

এখন কানাডাতে ঘুমানোর সুইটেবল সময় ।সো বিদায় নিতে হচ্ছে । আরেক দিন না হয় এই ব্লগ সম্পর্কেআমার সাজেশন পোস্ট করবো ।

এই ব্লগের উদ্যোক্তা, ডেভেলপার এবং সকল ব্লগারদের প্রতি রইল আমার আন্তরিক শূভেচ্ছা ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nasimaonlineblog/895 http://www.somewhereinblog.net/blog/nasimaonlineblog/895 2006-01-28 01:38:41