আল্লাহ তাআলার নির্মিত ফেরশতাগোর দেখা পাোয়া বড়ই মুশিকল। তারা সর্বদা মহানের হুকুম-আহকাম পালেন ব্যাস্ত থাকেন । একজন মুসিলম মধ্যিবত্ত পশম গজানোর পর থেকে শুনিতে থাকে দাড়ি রাখার ফজিলতের কথা। মুসলমান মধ্যিবিত্তের দাড়ি জুড়ে ঝুলে থাকে অজস্র ফেরেশতা। তাগোর দেখা পাোয়া এ জাহানে সম্ভব না; তয় পরকালে তাগোর ঝুলে থাকার মাজেজা বাঙালি বুঝবো। বোঝবোএ দো জাহানের তাবত মোসলমানেরা ।
আমার তাগোর দেখা না পাইলেো সারা বাংলাদেশ জুড়ে জন্ম দিতে পারছি অজস্র ফেরেশতার। ফেরেশতারা এখন প্রথম আলোর পাতা জুইরা থাকে। সমকলের পাতা জুইড়া থাকে।থাকে সংগ্রামের পাতায় পাতায় অক্ষরে অক্ষরে। তারা জানান দেয় জাতির দুর্দিনে করনীয় কি। আমাদের দেশে সেনা বাহিনী থাকোনের প্রয়োজনটা কী । আমার সবাই মিলে কেন জামাত শিবিরে যোগ দিব। হাশরে বাঙালি জান্নাতের কোন্ স্তরে থাকিব। প্রথম আলো প্রতি শুক্রবারে ছাপে এক ফেরেশশতার গান। সমকাল ছাপে বেহেশতে যাবার সহজ পথের কথা। আর সংগ্রাম ?
ভাই; না বিল সে কেচ্ছা কাহিনি। সেখানে হাজির হন আমীরেরা । সাদা দবদবে ফর্সা ফেরেশতারা।
তেনারা নির্মান করে দিচ্ছেন আমাগোর উন্নয়ন-অনুউন্নয়ন এর যাবতীয় সব এজেন্ডা। তাদের মাধ্যমে আমারা জানতে পারি আমার বেগুনি খাব; না পেপেনি খাব। আমরা মেরাজের রাতে কতোটুকু ধর্মপ্রবন হইয়া উঠবো; আমাদের সে শিক্ষা তাগোর কাছ থেকেই পাোয়া।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:৫২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


