আমার প্রিয় পোস্ট
- ছেলেগুলো দাড়াতে চেয়েছিল আকাশের ছায়ায়... - আরিফ জেবতিক
- ভাস্কর্য বনাম মূর্তি: পাঠ ও পরিবেশনের রাজনৈতিক ব্যাকরণ - মুনীর উদ্দীন শামীম
- প্রথম আলোতে প্রকাশিত হল ই-সংকলন “ফিরে দেখা একাত্তরের” অসামান্য রিভিউ - ব্রিগেড সিক্সটিন
- একটি এক মিনিটের পাঁচালী ও বিভূতি বাবুর কর্পোরেট অপারেশন - লাল দরজা
- ডে কেয়ার সেন্টারে কাঁদছে আগামীর ন্যাশন বিল্ডার্স... - মুনিয়া
- প্রতিবেশির ছেলের 'নুনু কাটা' অনুষ্ঠানের জমকালো আয়োজন এবং বাঙ্গালী মুসলিম সংস্কৃতিতে পুরুষতন্ত্রের ধারাবাহিকতা. - মুনীর উদ্দীন শামীম
- নাসিমূল আহসানের নারীতত্ত্ব এবং নীতিমালা ভঙ্গের দায় নিয়ে আমার একখান পোস্ট - মুনীর উদ্দীন শামীম
- আয় করুন Google Adsense এর মাধ্যমে - গাজী মো: সাইফুল ইসলাম
- আজ সেই বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুদিন.....আজ আমার কষ্টের দিন..... - মনজুরুল হক
- বাংলাদেশের ৪০ শতাংশ খাদ্যে মানব দেহের জন্যে বিষাক্ত উপাদান রয়েছে - আলোতে লিখব
- তথ্য অধিকার অধ্যাদেশ। সোনার পাথর বাটি ! - মনজুরুল হক
- টেকনোলজি কর্পোরেট শোষণের হাতিয়ার - মনজুরুল হক
- সাবধান, জামাত আপনার ঘরে ঢোকার চেষ্টা করছে!!!!! - মুনীর উদ্দীন শামীম
- ত্রিশ লক্ষ শহীদ : মিথ নাকি বাস্তবতা ? - লাইটহাউজ
- মনুষ্যত্বহীন মানুষ যন্ত্রের গল্প - রাহিদুল সামান্না রকি
- "পাকিস্তান আল্লাহর ঘর" - বলেছিলেন মতিউর রহমান নিজামী - স্বাক্ষর শতাব্দ
- যখন সময় থমকে দাঁড়ায় - নচিকেতা এবং সুমন - স্বাক্ষর শতাব্দ
- আপনি কি জাননে? আজ প্রথম বাংলা দৈনিক পত্রিকা প্রকাশিত হয়েছিল ! - প্রশাসন
- আহাম্মকের আমলনামা তথা হাবিল-কাবিল-সিবিল সমাচার - ফারুক ওয়াসিফ
- বিজ্ঞাপন ও নারী - ফাহমিদুল হক
- ইসরায়েলী দখলদারিত্বের ষাটতম বার্ষিকী: আমি আরব গেরিলাদের সমর্থন করি ২ - ফারুক ওয়াসিফ
- প্রিয় হুমায়ুন আজাদ: আজ যাকে খুব বেশি মনে পড়ে - মুনীর উদ্দীন শামীম
- নিকৃষ্ট সাংবাদিকতা, সংবাদপত্রে ভারতবিরোধিতা এবং চালের রাজনীতি - অপ বাক
নারীর লিপিষ্টিক চর্চা : বিকৃত পুঁজিবাদগ্রস্থ 'রোগাক্রান্ত' আচরণ
২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:৩৮
পুরুষ নির্মাতা; নারী নির্মান।পুরুষ শক্তি আর আধিপত্যের যে পৃথিবী গড়ে দিয়েছে নারীর তার ক্ষমতাহীন বাসিন্দা। অথর্ব দাসি। নারীর পেশা; কাজ, মনোজগতিক আচরন নির্মান করে দেয় পুরুষতান্ত্রিক মতাদর্শ নির্মান কারী অসভ্য পৃথিবী; যে পৃথিবী নারীকে কোনোদিনই দেয় নাই প্রাপ্য মর্যাদা । আর তারই ধারাবাহিকতায় পুরুষ নারী জন্য যে সব পেশা তৈরী করেছে ; তার মধ্যে নারীর প্রসাধন চর্চা অন্যতম। এর সাথে এসে জুটেছে পরুষতান্ত্রিক বিকৃত পুজিবাদের আগ্রাসন।
যে আগ্রাসন ক্রমাগত বাড়িয়ে চলছে নারী ভোক্তার সংখ্যা তার ঐন্দ্রজালিক বিজ্ঞাপন কলার মাধ্যমে।
মেয়েরা কেন লিপিষ্টিক ঘষে? প্রশ্নটা সহজ মনে হলেও তার ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ সহজ নয় ! আমি অনেক মেয়েকে প্রশ্ন করে দেখেছি; তার কোনো যৌক্তিক উত্তর সরবারহ করতে পারনে নাই। বেশির ভাগ মেয়ের উত্তর যে; তারা এমনি সারা ঠোঁট জুড়ে লিপিষ্টিক ঘষে ঘসে ক্লান্ত হয় বিনাকারনেই। কিন্তু আমরা যখন এর দৈহিক মনস্তত্ব বিশ্লেষনে যাব তখন এর ভয়াবহ উত্তর মিলবে ।
নারী রঙিন হয় যতটা না নিজের তাগিদে ; তার চেয়ে পুরুষের তাগিদটা থাকে বেশি। পুরুষতান্ত্রিককিবি সাহিত্যিকেরা তাদের কাগজেকলমে নারীকে করে তুলছে উর্বশী; ভোগের অনন্য উপকরন । তার অনবরত বলে গেছে নারী তুমি সাজ। সাজতে সাজতে বিকৃত করে মুখের ভুগোল। তারই উত্তারাধিকার আমাদের নারীরা বয়ে চলেছে মগজের কোষে কোষে। লহুতে লহুতে।
নারী ঠোঁটে লিপিষ্টিক ঘষে তাঁর ঠোটকে বিশেষয়ায়িত করে তুলতে চায়। সে বলতে চায় পুরুষ দেখো আমার এই ঠোঁট; এর পেলবতা তোমারে চেয়ে কোমল। কামুক। এটা যৌনতার ক্ষেত্র। সে প্রিয় পুরুষের সামনে যায় ঠোঁট রাঙিয়ে; সে যখন হাসে ঠোট বাকিয়ে। এই রাঙানো বাকানোর উপাখ্যান নির্মানের দায় আমাদের এই পুরুষতান্ত্রিক সভ্যতার। যারা কিশোরীকে মানুষের মত বড় হতে দেয় না। ওঁর সামনে পুরোটা শৈশব থেকে হাজির করতে থাকি হাজার পুরুষতান্ত্রিক সামাজিক উপকরন।
পুরুষ শিশুটির হাতে তুলে দেই খেলনা পিস্তল; নারী শিশুর হাতে থালাবাসন; আলতা স্নো। (দুখিত ; আমি শিশুকে নারী পুরুষে বিভাজিত করতে চাই নাই; কিন্তু বিষটা বোঝোনোর অন্য কোনো কৌশল আমার জানা নাই। )
একটা শিশু বড় হতে না হতে তার হাতে আমার তুলে দেই আলতাস্নো। তারপর একসময় সে দেখতে শেখে টেলিভিশন; সেখানকার নায়িকারর মতো করে সে সাজাতে চায় ঠোঁট। সে হয়ে ওঠে পুরুষতান্ত্রিক পুজিবাদের প্রধান টার্গেট। তাকে ঘিরে নির্মিত হয় হরেক রকম পন্য; বিজ্ঞাপনে নারীকে বিক্রি করা হয় নারীর কাছে।
আমার এই বিকিৃত থেকে মুক্তি চাই। আমার চাই একটা শিশু আলতা স্নোর ব্যবহার না শিখে গাতে তুলে নেবে বই। লিপিষ্টিক না ঘষে সে যুক্ত হবে বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চায়।
আমাকে তখন আর নারী শব্দটা উচ্চারন করতে হবে না। আমি বলে উঠতে পারবো মানুষ।
আমি নারী পুরুষের পৃথিবী না বলে বলতে পারবো এটা মানষের পৃথিবী।সাম্যের পৃথিবী।
প্রকাশ করা হয়েছে: মিডিয়ায় নারী-যৌনতা এবং আমাদের বিকারগ্রস্থত বিভাগে ।
লেখক বলেছেন:
পুজিঁবাদি উৎপাদন আর মুনাফার হিসাবই মুলত আমাদের দেশে বা বাইরে পুরুষের এই আচরন টাকে নির্মান কইরা দিছে। তাগো এখন আর মাইয়া ভোক্তায় হয় না ; আর তাই পুরুষকেও ফর্সা করতে হইবো। কানে দুল পড়াইতে হইবো।
আমাগোর ছাওয়ালপানরা এখন পুজিবাদ নির্মিত যৌনতাচর্চার সাগরে ডুববো।বেশি বেশি কিনবো ; ভোক্তা হইবো; মুনাফা বাড়াইবো।
টিপু বলেছেন:
সম্পূর্ন একমত পোষন করছি।ভোগবাদ সকল কিছুকেই পন্য করে তোল ।পুজিবাদ বা ভোগবাদ নারীকেও এর বাইরে রাখেনি।
টনি বলেছেন:
পাগল এর প্রলাপ।
লেখক বলেছেন:
আমি পাগল।
আপনে পাগল।
হয়তো আমরা সবাই পাগল।
আমি পাগল।
আপনে পাগল।
হয়তো আমরা সবাই পাগল।
আমি পাগল।
আপনে পাগল।
হয়তো আমরা সবাই পাগল।
আমি পাগল।
আপনে পাগল।
হয়তো আমরা সবাই পাগল।
আমি পাগল।
আপনে পাগল।
হয়তো আমরা সবাই পাগল।
আমি পাগল।
আপনে পাগল।
হয়তো আমরা সবাই পাগল।
লেখক বলেছেন:
উত্তর দেয়ার চেষ্টা করলাম; জানি না যুতসই হইলো কিনা!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পাশে দাড়ানোর জন্য।
কানা বাবা বলেছেন:
তাইলে লিপস্টিক-মাশকারার পিচনে আর পুরুষতন্ত্ররে খাড়া কোরুনের দর্কার্কী? হেইটার পশ্চাদ্দেশের কারন্ডারেও কী কেবল পুঁজিবাদ দিয়া ব্যাখ্যা করা জায়না?
@নাসিমূল আহসান
লেখক বলেছেন:
বিষয়ঢা খালি পুঁজিবাদের না মিয়াভাই!
পুরুষতন্ত্র আর পুজিবাদ হাত ধরাধরি কইরা চলে। একটারে ছাড়া আর একটা খোজা হইযা যায় । মোঢেই খাড়ায় না।
রাজর্ষী বলেছেন:
এগুলা ভালো হোক খারাপ হোক চলতে আছে। বস্তাপচা কচকচানি শুনতে ভালো লাগে না। এসব কচকচানি কোন কামের না।
লেখক বলেছেন: আপনে হইলো জোয়ারে ভাইস্যা যাওয়া মানুষ!
পুটিমাছ আর মলের সেই গল্পটা জানে আছে?
পুটিমাছ জলের বিপরীত যায়; আর মল জলে স্রোতে ভাইস্যা যায়!
লেখক বলেছেন: আপনে হইলো জোয়ারে ভাইস্যা যাওয়া মানুষ!
পুটিমাছ আর মলের সেই গল্পটা জানে আছে?
পুটিমাছ জলের বিপরীত যায়; আর মল জলে স্রোতে ভাইস্যা যায়!
কানা বাবা বলেছেন:
কিন্তু পোলাগো দুল-বালার ক্ষেত্রে পুঁজিবাদ পুরুষতন্ত্রের ক্রাচ ছারা এ্যাক্লা এ্যাক্লাই "খাড়া" হৈলো যে?
লেখক বলেছেন: চিন্তা কইরেন না; আমাগোর দেশের সব পোলাপাইনে আচরণে ভোগে মাইয়া হইয়া উটবো। পোরাপাইন মিছিল ছাইড়া বউর ছায়া খুজবো।
ভাই; পুরুষতন্ত্রিক মতাদর্শটা নিশ্চিতভাবেই জৈবিক না; এইটা সামাজিক। আমাগোর আলোচনার প্রেক্ষাপটটা সামাজিক; আমার মনে হয় একভুল বারবার করতাছি।
টনি বলেছেন:
বুঝেছেন তাহলে আমরা কেন পাগল।
লেখক বলেছেন:
দয়াকইরা হাস্যকর ; অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্য করবেন না।
ইতর বলেছেন:
চসৎকার পোষ্ট! হয়তো কেউ এটাকে ভাল ভাবে নেবে না, কেউ মুল্যায়ণ করবে। হ্যাঁ, যা লিখেছেন, যথার্থ। আমরাই পারি সমাজে সুন্দর পরিবেশ গড়তে। যদি সবাই চিন্তা করি, মহিলা বা নারী মায়ের জাতি। তারা বিকৃত সাজে উপস্থাপিত হোক সেটা সুস্থ কেউ মেনে সনতে চাইবে না। কিন্তু আমাদের সমাজে সুস্থ্ মনের মানুষের বড্ড অভাব! আসুন আমরা চেষ্টা করি নারী জাতিকে মুল্যায়ণ করে তাদেরকে পুজিবাদের আগ্রাসন থেকে রক্ষায় পারিবারিক ও সামাজিক মানসিকতা সৃষ্টিতে কাজ করি।
লেখক বলেছেন:
আসুন আমরা চেষ্টা করি নারী জাতিকে মুল্যায়ণ করে তাদেরকে পুজিবাদের আগ্রাসন থেকে রক্ষায় পারিবারিক ও সামাজিক মানসিকতা সৃষ্টিতে কাজ করি।
আমরা সবাই দাড়াবোই একদিন। আমরা হারতে হারতে জিতি।
একদিন নিশ্চয়ই সব বাঙালি মানুষ হয়ে উঠবো। সেদিন আর ব্লগে এই পাগলের প্রলাপ বকতে হবে না ।
মানুষের মূল্যায়ন হবে কেবলই মানুষ!
হোমিওপ্যাথ বলেছেন:
টনি আপনি আসলে কি বলতে চান ?
কেন আপনি পাগলের প্রলাপ বলছেন, সেটার একটা যুক্তি সঙ্গত কারণ অবশ্যই আছে।
আপনি কি একটু ব্যাখ্যা করবেন?
আপনার ব্যাখ্যাটাও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
আশা করি আপনি আপনার মতামত জানাবেন।
লেখক বলেছেন:
সহমত!
ইতর বলেছেন:
চমৎকার উদ্যোগ। আসুন আমরা সবাই জোট বেধে সারা দেশে এখন থেকে- আজ থেকে ভাল কাজটি শুরু করি। যারা একমত হবেন, তাদের সবাইকে মাহে রমজানের শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ!!!
লেখক বলেছেন:
কাজটা খুবই শক্ত! একটা নারী যে কেবল ই একটা নারী হয়ে ওঠে তার পেছনে রয়েছে অসংখ্য সামাজিক পুরুষতান্ত্রিক উপকরন।
এছাড়া একটা শিশুকে পাউডারস্নো আলতার বৃত্তভাঙার জন্য বিকল্প কোনো পথ আমাদের সমাজ খোলা রাখে নাই।
এই রকম একটা বিকল্প পথ আমাগোর তৈরী করতে হইবো।
একটা শিশু বড় হয়ে ওঠার সময় যাতে সে পরুষতন্ত্রের ভয়াল ছেবলের মুখোমুখি না হয়; সে ব্যাপার টা নিশ্চিত করতে হবে!
লেখক বলেছেন:
কাজটা খুবই শক্ত! একটা নারী যে কেবল ই একটা নারী হয়ে ওঠে তার পেছনে রয়েছে অসংখ্য সামাজিক পুরুষতান্ত্রিক উপকরন।
এছাড়া একটা শিশুকে পাউডারস্নো আলতার বৃত্তভাঙার জন্য বিকল্প কোনো পথ আমাদের সমাজ খোলা রাখে নাই।
এই রকম একটা বিকল্প পথ আমাগোর তৈরী করতে হইবো।
একটা শিশু বড় হয়ে ওঠার সময় যাতে সে পরুষতন্ত্রের ভয়াল ছেবলের মুখোমুখি না হয়; সে ব্যাপার টা নিশ্চিত করতে হবে!
রিক্তা বলেছেন:
অার পুরুষরা যখন কিশোর থেকেই দুইকানে দুল দেয়, লম্বা চুল রাখে, দুই হাতে চুড়ি পরে পার্লার এ গিয়ে ফেসিয়াল করে ভ্র প্লাক করে মুখে ফেয়ারনেস ক্রীম মাখে তখন কি বলবেন? সুস্থ অাচরণ?? নারীবিদ্বেষী ফালৃতু প্যঁচাল না পেরে ভালো কিছু উপহার দেন।
লেখক বলেছেন:
রিক্তা; আমি কোনোভাবেই নারী বিদ্বেষী নই। আপনি যা বলছেন ; তার উত্তর কমেন্টগুলার মধ্যেই দেয়া আছে । কষ্ট কইরা পইরা লইয়েন।
মোটে দাগে এই ভাবে আপনে মন্তব্য করতে পারেন না।
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
ভালো লিখেছেন।জিনিসটা ভাববার মতো।
লেখক বলেছেন:
আসুন আমরা সবাই মিলে ভাবি। একটা সমীকরনে দাড়াই।
মানুষ পরিচয় নিয়ে গর্বে বুক ফুলিয়ে দাড়াই!
হোমিওপ্যাথ বলেছেন:
রিক্তাকে বলছি, প্লিজ আপনি একটু পড়ে দেখেন।
সেভিং ক্রিমের বিজ্ঞাপনে মেয়ের উপস্থিতির উদ্দেশ্য তাকে গুরুত্ব দেয়া নয়, বরং তার মাধ্যমে পুঁজির স্বাভাবিক চরিত্রই প্রকাশ পায়। যেখানে মুনাফাই আসল।
শ্রদ্ধেয় আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যার বলেছেন, পত্রিকা দেখে মনে হয় মেয়েরাই পরীক্ষা দেয়, মেয়েরাই বাজারে যায়, মেয়েরাই খেলা দেখে....
এই কথা উনি কিন্তু ছেলেদের ছবি দিচ্ছে না সে কারণে আক্ষেপ করে বলেননি।
বরঞ্চ এই মিডিয়ার সর্বগ্রাসী আচরণে নারী আজ মুনাফা লাভের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
আশা করি বুঝতে পেরেছেন।
আপনার প্রাসঙ্গিত উত্তর আশা করছি।
কানা বাবা বলেছেন:
কিন্তুক মাইনষে জুদি "মানুষ" না হৈয়া নিছক "মাইয়ামানুষ" হৈয়া তাক্তে প্রিফার্করে তাইলে কার কী সমুস্যা? হ্যারা ব্যারাক না ঘুইরা আলতা-ছুনু, দুল-মাক্রি, বাজু-বালা পৈরা (আহা, বড়ই নয়ননন্দন দিরিশ্য...)
আপ্নে ক্যান্ ভাই তাগোরে মিছামিছি "মানুষ" বানাইতে চাইতাচেন? ঘরের খায়া বনের মুশ্তারানি ক্যান্?


@পুস্টোদাতা
(কানাবাবার দর্গাহ্ থিকা এই বেশরিয়তী পুস্টে পিলাচ প্রদত্ত হৈচে... বলাই বাহুল্য; ভুলোক্রমে...)
লেখক বলেছেন:
কানাবাবা;
আপনার ছবিখান দ্যাকলে আমার খালি বুটসানগ্লাসসেনাশাসকের কথা মনে পড়ে!
হাঃহাঃহাঃ
রিক্তা বলেছেন:
হোমিওপ্যাথ কে বলছি এই বিতর্ক শেষ হবে না। অাপনি বলতে চাইছেন পাউডারস্নো আলতা লিপষ্টিক না মাখলে সে পুরুষতন্ত্রের ভয়াল ছোবলের মুখোমুখি হবে না? বোরকা পড়ে ঘরে বসে থাকলে ও সে পুরুষতন্ত্রের ভয়াল ছোবলের হাত থেকে রেহাই পাবে না। মন মানসিকতা পরিবর্তন করতে হবে ইতিবাচক দৃষ্টিভংগি থাকতে হবে।তারপর সমালোচনা করতে হবে।
লেখক বলেছেন:
সহমত!
তয় মানসিকতা তৈয়ারের জন্য এই সব পুরুষতান্ত্রিক ইলিমেন্ট যথেষ্ট ভুমিকা রাখে! পাউডার স্নো আলতা নারীর একধরনের মনস্তাত্বিক গড়ন বানাই দেয়। ভয়ের জায়গাটা সেইটাই!
হোমিওপ্যাথ বলেছেন:
রিক্তা আপনাকে ধন্যবাদ।
প্রথমেই বলি বোরখা পরে হাটা যেমন আধুনিকতা নয়, তেমনি আধুনিকতা নয় রেম্পের হাজার ওয়াটের আলোর নিচে 'অর্ধ নগ্ন' হয়ে হাঁটা।
প্রসঙ্গত বলে রাখি এই যে বোরখা পরা বা রেম্পের হাজার ওয়াটের নিচে 'অর্ধনগ্ন' হয়ে হাঁটা- এই দুটোই কিন্তু পুরুষের জন্য।
আর দৃষ্টিভঙ্গির কথা বলছেন?
দৃষ্টি ভঙ্গি তো মিডিয়ারা নির্ধারণ করে দেবে। আপনার দৃষ্টি ভঙ্গি কেমন হওয়া উচিত।
সেখানে আপনি/আমি তাদের হাতের পুতুলমাত্র।
লেখক বলেছেন:
আমার কি আমাগোর মিডিয়া নির্মিত সামজিক বাস্তবতার বাইরে গিয়া অন্য কোনো বাস্তবতা গড়নের পারি; যা আমাগোর মানুষ হইতে দিবো!
লুকার বলেছেন:
পোস্ট খুব ভাল হইছে।
প্রায় সব মেয়েদের মধ্যেই ছোটবেলা থেকে দেখা যায়, তারা পুতুল খেলে, পুতুলের বিয়ে দেয়, হাড়ি-পাতিল নিয়ে রান্না-বান্না খেলে, সাজ-গোজের জিনিসপত্রের দিকে খুব ঝোঁক, সোনার গহনার প্রতি তীব্র আকর্ষন, ফ্যাশনেবল কাপড় চোপড়, শাড়ি পড়ে নিজেকে দেখানোর আগ্রহ। এসবের কারণ কী? এগুলো কি জন্মগত/ জেনেটিক, নাকি সমাজের প্রচলিত প্রথায় প্রভাবিত হয়ে করে তারা?
লেখক বলেছেন: নিশ্চিতভাবেই সামাজিক!
সমাজই নির্মান করে দয়ে একটা নারী কিভাবে হাটঁবে; কি আচরণ করবে!
কাল্পনিক বলেছেন:
একটা সাইকোলজিক্যাল ব্যাপার ও আছে। লিপস্টিক (এবং অন্যান্য প্রসাধনী) ব্যবহার করলে মেয়েরা নাকি নিজেদের মধ্যে মেয়েলী ভাবটা ভালোমত ফিল করে। সত্যি বলছি, আমার এক মেয়ে বন্ধু এটা বলেছে। ওর ভাষায় নিজেকে সুন্দর করে উপস্থাপন করাটা তো আর খারাপ না। যেমন, আমরা ছেলেরা স্যুট-টাই পরি, আফটারশেভ, বডি-স্প্রে ব্যবহার করি, ওই রকমই আর কি।
লেখক বলেছেন: আমার উপস্থধাপনের কথা বলছি না ; আমার বলছি ঠোঁট বা অন্যন্য অঙ্গকে বিশেষায়িত করে নিজেদের আলাদা অবস্থান কে পরিপুষ্ট করে তোলা।
আর বিশেষায়ন নারীকে অধস্তন করে রাখে!
মোহাঃ তাওহীদুল হাসান বলেছেন:
যার যেটার অভাব সে সেটা পুরন করতে... এই আর কি....



















পোর্লাম...
কিন্তুক পোলাগোর হাতে বালা, কানে দুল, মেন্জ অ্যাকটিব ফেয়ার এ্যান্ড আগ্লি- ইগলান তাইলে ক্যামতে আমদানি হৈলো? ইগলানের অরিজিন কি তাইলে মাতৃতান্ত্রিক সুমাজবেবোস্তা থিকা?