আমার বিভিন্ন বস্তুর নাম অর্থ পরিবর্তনে খুব-ই পটু। মীরজাফর সাহেব একদা শুয়োরবৃত্তি করে তার নামের অর্থেল বদল করেছিলেন। তারপর আমাদের রাজনীতিকের বদলে দিয়েছিলেন দেশপ্রেম শব্দটার যাবতীয় সব ভুগোল। আমাদের আমিরেরা বদল করেছেন ইসলাম শব্দটার সব অর্থ। আর এখন প্রচারপটুতায় প্রথম শ্রেনীতে প্রথম তথাকথিত ভালোর সঙ্গে থাকা প্রথম আলো পত্রিকা বদলে ফেলছে ভালোর সব সংগা।
প্রথম আলো পত্রিকাটির কাছে সবচেয়ে ভালো কাজটি হচ্ছে নারীর মুখস্তনজংঘাঠোটঁ বিক্রি করা।
প্রথম আলো বাঙালিদেরকে বিনোদন দিতে দিতে মাত করে তুলছে । তাদের প্রকাশিত নকশা হয়ে উঠছে বিনোদনের হারেম। এখানে পাঠককে দেখানো হয় নানা সাইজের রুপসি মডেলের ফর্সা চেহারা। দেয়া হয় ফেয়ার এন্ড লাভলীর মনমাতানো বিজ্ঞাপন। যে বিজ্ঞাপন ঘষেই ফর্সা হয়ে যেতে পারে একজন বাঙালি নারী।
নকশা তার পাঠককে জানায় কিভাবে ফর্সা হয়ে উঠতে হবে; কিভাবে নখটাচুলটা কাটতে হবে। শাড়িটা পড়লে কিভাবে পড়তে হবে। আর কেবল এইগুলান বলেই তারা খান্ত দেয় না; তার বলে চলে কোথায় গেলে মিলবে প্রসাধন চর্চার এইসব উপকরণ।
লক্ষকরুন পাঠক ; প্রথমে পাবলিককে শেখানো কিভাবে কত বেশী বেশী ভোগ করতে হয় ; তারপর বাতলে দেয়া হয় কোন পথে গিয়ে পাঠক তার এই ভোগের পিপাষা মেটাতে পারবে।
নকশা খুললে নারীর মুখ আর স্তন দেখে মুগ্ধ হয়ে যাই আমরা । নকশা পতিবেদকেরা ছবিতুলয়েরা নারী মতাংস ছাড়া আর কোনো শিল্পকলা জানে না। নকশা যে মতার্দশ বহন করে তা হলো পাঠকের চোখে ধান্দা লাগাইয়া দাও; পাবলিকরে চ্যাংদোলা কইরা ছাইড়া দাও ভোগের স্বর্গে।
পাবলিক মরুক; চুড়ি-জামা-টিশার্ট-পায়জামা-নখপালিশ কিনতে কিনতে মরুক। ভোগের পর আরও বেশি ভোগ করনের জন্য পয়সা খরচ করুক।
(রি-পোষ্ট)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



