আমার প্রিয় পোস্ট

উত্তারাধিকার-আইন নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করার হাস্যকর চেষ্টাঃ আসলেই কি কোরআনের সুরা নিসার ১১ ও ১২ নং আয়াতের হিসাবে ভুল আছে?

১৭ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:২৯

শেয়ার করুন:                   Facebook

আওরঙ্গ মহাশয়ের পোস্টে কমেন্ট মডারেটেড বিধায়- আমার বক্তব্য আসবে কি-না বুঝতে পারছি না। ফলে- নতুন পোস্টের অবতারণা করছি

মহাশয়ের উক্তি, "যদি মৃত ব্যক্তির, দুই কন্যা, এক স্ত্রী, পিতা এবং মাতা বর্তমান থাকেন তাহলে, দুই কন্যা ২/৩ ভাগ (আল-কোরআন ৪:১১), পিতা ১/৬ (আল-কোরআন ৪:১১), মাতা ১/৬ (আল-কোরআন ৪:১১) , স্ত্রী ১/৮ (আল-কোরআন ৪:১২)। মোট: ২৭/২৪ ভাগ (১/৮ ভাগ ঘাটতি)।

এক্ষেত্রে, ঘাটতি সকল শরিকদের মাঝে তাদের প্রাপ্য অনুসারে (নেগেটিভ) বন্টন হবে। দুই কন্যা ১৬/২৭ ভাগ, পিতা ৪/২৭ ভাগ, মাতা ৪/২৭, স্ত্রী ৩/২৭ ভাগ।"


আমার বক্তব্য, "আপনি এখানে যেটি উল্লেখ করেছেন- সেটির প্রথম প্যারাটি হলো কোরআনের বহুল আলোচিত ভুল- কেননা- মোট সম্পদ=২৭/২৪ হতে পারে না।

এবং এরপরে এ সমস্যাটির সমাধান হিসাবে পরের প্যারায় যেটি দিয়েছেন- সেটি আলী কৃত সমাধান- যাকে আমরা বলি ফরায়েজী আইন, এবং এখন এটাই প্রচলিত।

তবে, আপনি নিজেও একটু চিন্তা করে দেখতে পারেন যে, কোরআনেই এই সংশোধনীটি থাকলো না কেন??"


মহাশয়ের উক্তি, " হা হা। ভগ্নাংশ বা অংক বা বিনিময় সম্পর্কে অভিজ্ঞতা আছে আশা করি।

উপরের বন্টনে ১/৮ ভাগ ঘাটতিকে (বিনিময় বা ব্যবসায় ক্ষতিকে) তাদের প্রাপ্য অনুসারে ভাগ করা হয়েছে। এতে কোন শরিকের ভাগে প্রকৃত সম্পত্তিতে তাদের অধিকারে কম-বেশি হয়েছে কি?

না হয় নি। এই সহজ হিসেব টি আমাদের বুঝা উচিত।

আমি পোস্টে লিখেছি,

"বন্টনের বিশেষ ক্ষেত্রসমূহে রাসুলুল্লাহ সা: ও তাঁর সাহাবারা রা: আল-কোরআনের মূলনীতি লঙ্গন না করেই মিমাংসা করেছেন (ইজমা ও কিয়াস)। উত্তরাধিকারীর ধরন ও সংখ্যানুসারে পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়ন আল-কোরআনের উদ্দেশ্য নয়। বরং, আল-কোরআনের উদ্দেশ্য এই যে, একগুচ্ছ মৌলিক বিধান দিয়ে দেয়া। মানুষ বাস্তবক্ষেত্রে এসব মৌলিক বিধান অনুসরণ করেই সব সমস্যার সমাধান করতে সক্ষম হবে। যেমন, অন্যান্য আইন যেমন, চুরি, ধর্ষণ ইত্যাদির ক্ষেত্রেও আল-কোরআন তাই করেছে।"

আশা করি বুঝতে পেরেছেন।"


আমার বক্তব্য, "ভগ্নাংশ বা অংক বা বিনিময় সম্পর্কে অভিজ্ঞতা দিয়ে আপনি কখনো কি দেখেছেন- কোন কিছুকে এভাবে ভাগ করা যায় যে ভাগ করার পর মোটের পরিমাণ বেশি হয়ে যায়?

লোকে বলে, বুয়েটের ছেলপুলেরা অংক ভালো পারে, আপনার এ হাল তো কল্পনা করিনি!!! (না-কি শিবির করার দরুন বুয়েটের পোলাপানের প্যাদানী খেয়ে সব ভুলে বসে আছেন!!)

ব্যাপারটি অনেকটি এমন হয়ে গেলো- ১০ টাকা তিনজনকে (ধরি ক, খ ও গ কে) ভাগ করে দয়া হলো এভাবে- ক=৭ টাকা, খ= ২ টাকা, গ= ৩ টাকা। এটি কি সম্ভব? এখানে বিনিময় বা ঘাটতির বিষয় আসে কি করে??

আর, এই ধরণের গোঁজামিল দিয়ে কতদিন মানুষকে বোকা বানাবেন?? কোরআনে সংখ্যানুসারে পূর্ণাঙ্গ তালিকা দেয়া থাকে না- এসব মিথ্যাচার করার কি কোন মানে হয়? আপনি সুরা নিসার ১১ ও ১২ নং আয়াত আবার পড়েন। সেখানে একদম সংখ্যা ধরেই বলা হয়েছে- দুই মেয়ের উর্ধে হলে- মেয়েরা পাবে দুই তৃতীয়াংশ, পিতামাতা প্রত্যেকে পাবে ছয়ভাগের একভাগ করে, স্ত্রী পাবেন আট ভাগের এক ভাগ। এসব কি সংখ্যানুসারে পূর্ণাঙ্গ তালিকা নয়???

আরে, ভাই- কোরআনে মুহম্মদ সা. একটা ভুল করেছিলেন, পরবর্তীতে আলী রা. সেটা ঠিক করে দিয়েছেন - এটা স্বীকার করলে কি এমন সমস্যা হয়???"


মহাশয়ের উক্তি, "আল-কোরআন বলেনি যে, মোট ভাগ ১ অংশ হবে।"

আমার বক্তব্য, "কি মুশকিল, আপনি কি অংকের মাথা খেয়ে ফেললেন না-কি?? আল কোরআনে এটা কি বলার দরকার না-কি?? এটা তো নরমাল সেন্স! এবং সেটা সে আমলেরও অনেক আগে থেকে জানা ছিল- যে কোন কিছু ভাগ করলে- সমস্ত ভগ্নাংশের সমস্টি একের বেশি হতে পারে না। সে কারণেই- তো, পরে আলী কোরআনের ভুলটা সংশোধন করে দিলো!! যদি- সমষ্টি একের বেশি হলে কোন সমস্যা না হতো, তবে কি আলীর কোন সংশোধন করার প্রয়োজন পড়তো??

আর এটি কেন বুঝতে পারছেন না, কোরআনেই যদি ঐ আয়াতে এমন থাকতো যে, দুই মেয়ের উর্ধে হলে- মেয়েরা পাবে সাতাশ ভাগের ষোল ভাগ, পিতামাতা প্রত্যেকে পাবে সাতাশ ভাগের চারভাগ করে, স্ত্রী পাবেন সাতাশ ভাগের তিন ভাগ- তাহলে কি এই প্রশ্ন উঠতো, বা আলী রা. এর কষ্ট করে সেটাকে সংশোধন করার প্রয়োজন পড়তো
??"

মহাশয়ের উক্তি, "আপনার সাথে তর্কে যেতে চাই না, কারণ আপনি বুঝতে চান না। তাই এখানেই শেষ। ধন্যবাদ।"


কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ হুমায়ুন আহমদ। (কেননা, ওনার একটি উপন্যাসে সম্ভবত শ্রাবন মেঘের দিনে নাম হতে পারে- এ বিষয়টি প্রথম জানতে পারি)

 

 

  • ৪৮ টি মন্তব্য
  • ৪৮৮ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১৩ জনের ভাল লেগেছে, ৮ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৮
comment by: হোসেইন বলেছেন: এগো আই কিউয়ের লেভেল দেখলে সত্য সত্যই মজা পাই ।

আলোচনার মাঝখানে কইয়া বইব , আল্লাহ তো এই বিধান দিছেন ।
তারপরের প্রশ্নে আবার কইব , আল্লাহ বিধান দিছেন কিন্তু আপনারেও তো বুদ্ধি দিছেন ।
তারপরে তৃনভোজ আইব , আইয়া কইব ' এগোরে ব্যান কইরা দ্যান ।"

ব্যস, আলোচনা শেষ ।
হালার পো গো হ্যাডম নাই , তবু আলোচনা করার শখ যায় না ।
২. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৪
comment by: শক্তি বলেছেন: আমার ধারণা আওরঙ্গ মহাশয়ের গণিতে জ্ঞান একটু কম আছে।
৩. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৯
comment by: আওরঙ্গজেব বলেছেন: ধন্যবাদ।

পৃথক পোস্টের প্রয়োজন ছিল না। কারণ, আমি সবসময় পোস্ট রিলেটেড কমেন্ট প্রকাশ করি।
১৭ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৪

লেখক বলেছেন:
আপনার সম্পর্কে এটি ভুল বুঝছিলাম- আসলে কমেন্ট মডারেটেড দেখে মনে হচ্ছিল- আমার এই কথাবার্তা আপনি নাও প্রকাশ করতে পারেন- এর সাথে অবশ্য পৃথক পোস্ট দিলাম আরেকটি কারণে যে, আপনার মত চিহ্নিত শিবির-কর্মীর পোস্টে অনেকে না-ও ঢুকতে পারে, ফলে এ আলোচনায় যাতে তারা অংশগ্রহণ করতে পারে- সেজন্যও পৃথক পোস্ট দেয়া.....

৪. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:১১
comment by: জ্বিনের বাদশা বলেছেন: এখানে একটা বিরাট মিসআন্ডারস্ট্যান্ডিং আছে ... আমরা না জেনেই না পড়েই লাফালাফি করি যেটা দৃষ্টি কটু ... সুরা নিসার ১১ নং আয়াতটার অধিকাংশ ইংরেজী অনুবাদই ভুল করা হয়েছে, "ওয়ালাদ" শব্দটার ক্ষেত্রে। "ওয়ালাদ" মানে হলো নিজ ঔরসজাত সন্তান একবচনে, বহুবচনে "আওলাদ"।

লক্ষ্য করুন, সুরা নিসার ১১ নং আয়াতের যে অংশে বাব-মা'র প্রত্যেকে মোটসম্পদের ৬ ভাগের ১ ভাগ পাবে বলে বলা হয়েছে, সেখানে শর্তটা হলো যিনি মারা গেছেন তাঁর যদি ওয়ালাদ থাকে। তার মানে তাঁর যদি একসন্তান থাকে। এক্ষেত্রে, একসন্তান পাবে সম্পদের ২ ভাগের ১ ভাগ, মা-বাবা পাবে ৬ এর ১ যোগ ৬ এর ১ মানে, ৩ এর ১, আর স্ত্রী পাবে ৮ এর ১, মোট হয়, ২৪ ভাগের ২৩ ভাগ...কিছুটা উদ্বৃত্ত থাকে ... এটা দানও করা যায়, অন্যান্য নিকটাত্মীয়দেরও দেয়া যায়, বা বাব,মা, সন্তান,স্ত্রীর মাঝে সমানুপাতে ভাগ করেও দেয়া যায়

এখন কথা হলো, একাধিক সন্তানের ক্ষেত্রে কোরানে বলা নাই বাবা-মা "মোট সম্পদের কত অংশ" পাবে ... এখানে একসন্তানের ক্ষেত্রের "মোট সম্পদের ৬ ভাগের ১" ঐভাবে লিটেরালি নিয়ে আসলে ভুল হবে ... কারণ এই প্রসঙ্গে কোরানে সরাসরি বলা নাই ... তখন হযরত আলীর ফরায়েজী আইন (এটা কোনভাবেই সংশোধন না, এটা শুধুই ইজমা) চালু হয়, সেখানে মোট সম্পদকে সবাই যাতে কোরাণ নির্দেশিত অনুপাতে পায় সে সিস্টেম চালু করা হয়েছে ...

আশা করি বুঝাতে পেরেছি

ওয়ালিদ আর আওলাদের পার্থক্য বুঝতে না পাইরা দুনিয়াজুইড়া এই বিষয়ে বহু আজাইরা প্যাচাল চালু হইছিল, হইছে এবং হবে ... কিন্তু দেখতে চাইলে আসল এক্সপ্ল্যানেশনটা দেখা যায়
১৭ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৫

লেখক বলেছেন:
জ্বিনের বাদশা,

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ- চমৎকার উত্তরের জন্য। অন্ততপক্ষে, আওরঙ্গজেবের ব্যাখ্যার তুলনায় এটি অনেক যৌক্তিক।

কিন্তু সমস্যা হলো অন্য জায়গায়...... আপনার এই ব্যাখ্যা ও আওরঙ্গের ব্যাখ্যা দুটিই কিন্তু বিভিন্ন তফসীরে (একেক আলেম একেক মত দেন) পাওয়া যায়.....

কিন্তু ইতিহাসের দিকে যদি আমরা দেখি, তবে আরবেই সম্পত্তি বন্টন করাকে কেন্দ্র করে এই সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিল- এবং যে সময় আলী রা. এই ফরায়েজী আইন চালু করেন- তখন কিন্তু এই বিশেষ ক্ষেত্রটিই (মৃত ব্যক্তির একাধিক কন্যা সন্তান, এক স্ত্রী, পিতা ও মাতা বর্তমান) প্রাধান্য পেয়েছে, এবং আরববাসী আরবী ভাষী হওয়ার পরেও কোরআনের ঐ আয়াত দেখেই উপরোক্ত সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিলেন।

আরো মজার ব্যাপার হলো, প্রাচীণ সমস্ত তফসীরে কিন্তু- আওরঙ্গজেব প্রদত্ত ব্যাখ্যাই বেশী পাবেন (এবং সেই তফসীর প্রদানকারীদের অধিকাংশই- আরবী/উর্দু ভাষী আলেম, যাদের অনুবাদ- আমরা পড়ি)- সেখানে বাড়তি সম্পদের ঐসমস্ত তত্ত্বই আলোচিত হয়েছে। আপনার এই ব্যাখ্যা এসেছে আরো পরে- যখন, আল্লাহর অংক জ্ঞান কাঁচা, কোরআনে ভুল আছে- এসব যুক্তি জোরেশোরে উত্থাপিত হতে শুরু করে।


আমার প্রশ্ন হলো- আরবী ভাষীরাই কিন্তু- ঐ আয়াতকে ঐভাবেই বুঝেছিল। কেন- বুঝেছিল, সেটি পরে আরেকটি পোস্টে আলোচনা করবো, ভাষাটি আরেকটু আয়ত্ত করে নিই আগে....

৫. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:২১
comment by: আমি হনুমান বলেছেন: এতো কিছু বুঝি না পড়ার সময় ও নাই ।

আমার কথা হইল মোল্লা চুদির ভাইরা ২ মেয়ে = ১ছেলে

এই সহজ অংশ টা নিশচিত করতে পারে নাই, সরকার যা দিতে চাইছে সেটা নিয়া খেতে নামছে।

দেখেন সরকারের অফার আইন হইলে মোললারা হয়ত ২ মেয়ে = ১ছেলে ফর্মুলায় রাজি হইতে পারে।

সো সরকারের ফর্মুলা জিনদাবাদ।

মোললা চোদনারা নিপাত যাক।
১৭ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৩

লেখক বলেছেন:
আপনার শেষ লাইনের আগের লাইন ছাড়া পুরো বক্তব্যের সাথে একমত।

আপনাকে ধন্যবাদ।

৬. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৪
comment by: অচেনা বাঙালি বলেছেন:
১৪০০ বছরের সব আইন, প্রথা এই যুগে চালানের চিন্তা বর্বর তালিবানি বিকৃত মনসিকতার মোল্লারা ছাড়া কেউ চিন্তা করেনা।

দুই একটা উদাহরণ দিই:
-ঐ সময় মরদ চাইরটা বিয়া করলে কেউ খারাপ বলত না বরং গর্বের বিষয় ছিল সেইটা যে ব্যাডার হেডম আছে। আর এখন ভদ্র সমাজে এই কাম করলে তার পোলাপাইন আত্মীয় স্বজন পিটাইয়া বিয়ের খায়েশ মিটায়া দিব।

- নিজের পালক পোলার বউরে পোলার থন তালাক দেওয়াইয়া বিয়া করলে পাব্লিক জুতাইয়া মাইরা ফেলব, কোরানে কি ল্যাখা আছে দেখবনা।

হনুমানের লগে শ্লোগান ধর্লাম-

সো সরকারের ফর্মুলা জিনদাবাদ।
মোললা চোদনারা নিপাত যাক।
১৭ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৭

লেখক বলেছেন:
শেষের শ্লোগান ছাড়া সম্পূর্ণ বক্তব্যের সাথে একমত.......

আপনাকে ধন্যবাদ।

৭. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৬
comment by: প্রশ্ন কত বলেছেন: চারটা বিয়া করা , পালক পোলার বউ বিয়া করা কি বাধ্যতামূলক ?

আর দেশে কি একাধিক বিয়ে করা লোক নাই , না সব মাইরা ফালাইছে ?

ভদ্র নোকরাই তো বিয়া না কইরাই একাধিক বউ রাখে ,তাগো পোলাপাইন কি হেগো মাইরা হালায় ?

১৭ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:৫২

লেখক বলেছেন:
বাধ্যতামূলক কি-না এ প্রশ্ন অবান্তর......

আপনার কাছে যদি কোন নিয়ম বা প্রথা যদি অন্যায় মনে হয়, সেটা বাতিল বা হারাম করে দিতে হবে। এটাই করা দরকার।


ধরেন, চুরি করা বা খুন করাকে যদি অন্যায় কর্ম মনে করেন- সেটিকে নিষিদ্ধ করতে হবে। এখন সেটিকে নিষিদ্ধ যদি না করেন, আর কেউ যদি বলে- সেটিকে কি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে কি-না; সেটি তখন হয়ে যায় পাগলের প্রলাপ। আশা করি, এটুকু বুঝার মত ঘিলু এখনও আছে.......

৮. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৮
comment by: সুশীল সমাজ বলেছেন: হোসেইন বলেছেন: এগো আই কিউয়ের লেভেল দেখলে সত্য সত্যই মজা পাই ।
৯. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:০৫
comment by: নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
জ্বিনের বাদশা,

আরেকটি বিষয় আপনি নিজেও খেয়াল করতে পারেন, ফরায়েজী আইনে যে সংশোধনীকে আপনি কিয়াস বলছেন- আপনার যুক্তি অনুসারে কিন্তু কন্যারা ১৬/২৭ অংশ না পেয়ে- দুই তৃতীয়াংশই পেত। সেটি কিন্তু- ১১ নং আয়াতে পরিস্কার বলা হয়েছে যে, একাধিক মেয়ে সন্তান হলে মেয়েরা পাবে দুই তৃতীয়াংশ। সুতরাং এটাকে কেন আলী রা. পাল্টিয়ে ফেললো??


আসলে- আলীর আমল থেকেই সেই এক্সট্রা সম্পদের তত্ত্বই প্রচার করা হতো। এবং আলী রা. সেই অনুযায়ীই সকলের বরাদ্দকৃত অংশ সমান অনুপাতে কমিয়ে দিয়েছিলেন!!!


সুতরাং, এখন আপনারা একটা কথা অবশ্য বলতে পারেন, কোরআন পুরোপুরি বুঝার ক্ষমতা মানুষের হয়নি!!
১০. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:১৩
comment by: তীরন্দাজ বলেছেন: কোরানে কি আছে কি না আছে, সেটা আমার কাছে বিবেচ্য বিষয় নয়। বিবেচ্য হচ্ছে, এখনকার সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে বন্টন বা উত্তরাধিকার আইন ন্যায়সঙ্গত কি না। ১৪০০ বছর আগের প্রেক্ষাপট আলাদা ছিল। তখন ইসলাম নারীমুক্তির জন্যে যতোটা করেছিল, সেটা হয়তো সে সময়ের জন্যেই সঠিক। এখন সমাজে নারীদের অবস্থা সেরকম নয়, নারীদের প্রত্যাশা ভিন্ন, এমনকি নারীদের কাছে সমাজের প্রত্যাশাও ভিন্ন, সেখানে অধিকারে সংজ্ঞাও আগের মতো নয়। সেখানে এধরণের বিধিব্যবস্থাও নতুন, ন্যয়সঙ্গতভাবে সংজ্ঞায়িত হওয়া জরুরী।

ইসলাম ক্রীতদাসদেরও মঙ্গল করেছিল। তাকে মৌলভাবে পালন করার উদ্দেশ্যে আমরা আবার নতুন করে দাসপ্রথা চালু করবো নাকি? আর দাসপ্রথা যে নেই আর, তাতেও প্রমানও হয়, এসব ইসলামী নিয়মাবলী সময়অক্ষের সাথে অপরিবর্তিত থাকতে পারে না।
১১. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:১৪
comment by: আমি হনুমান বলেছেন: @সুতরাং, এখন আপনারা একটা কথা অবশ্য বলতে পারেন, কোরআন পুরোপুরি বুঝার ক্ষমতা মানুষের হয়নি!!

তাই কোরান আবার মহাশুন্যে ফেরত দেয়া হোক :-))
১২. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:২১
comment by: আওরঙ্গজেব বলেছেন: শুরুতেই আপনার সুন্দর ব্যাখ্যার জন্য আল্লাহর কাছে আপনার উত্তম পুরুস্কার প্রার্থনা করছি।

আমি আপনার কমেন্ট ভালোভাবে পড়েছি ও আরো জানার জন্য আরো দুটি তাফসিরও দেখেছি।

১. আপনার কথা ঠিক। অনেক ক্ষেত্রে তাফসীরেও আলোচ্য আয়াতে 'ওয়ালাদ' আর 'আওলাদ' এক করে, সন্তানহীন মৃতের ক্ষেত্রে তার মাকে ১/৩ দিয়েছে, ও সন্তান (এক/একাধিক) রেখে যাওয়া মৃতের বাবা-মাকে ১/৬ করে দিয়েছে (যে কনফিউশনের কথা আপনি পরিস্কার করলেন)।

২. উল্লেখ্য, ৪:১২ আয়াতের যেখানে এক সন্তান রেখে মারা যাওয়া মৃতের স্বামী (১/৪ ভাগ) বা স্ত্রী (১/৮ ভাগ) কে সম্পত্তি দেয়া হচ্ছে সেখানেও 'ওয়ালাদ' ব্যবহার করা হয়েছে।

৩. আসলে আমাদের আলোচ্য সমস্যাটি হচ্ছে, যদি মৃত ব্যক্তির, দুই কন্যা, এক স্ত্রী, বাবা এবং মা বর্তমান থাকে। দেখুন: Click This Link

আপনার কথা মতো, যেহেতু মৃতের একাধিক সন্তানের ব্যাপারে আল-কোরআনে নেই যেখানে পিতা-মাতাকে এবং স্ত্রীকেও একই সঙ্গে সম্পদের হকদার করা হয়েছে,

তার মানে কি এই যে, বর্ণিত সমস্যায় দু'মেয়েকে ২/৩ ভাগ দেয়ার পরে বাকী ১/৩ ভাগ বাবা-মা ও স্ত্রীর মধ্যে ভাগ হবে? সেক্ষেত্রে কোন অনুপাতে ভাগ হবে? এক সন্তানের ক্ষেত্রে তাদের ভাগ ১/৬ + ১/৬ + ১/৮। দু'সন্তানের ক্ষেত্রে কি হবে?

কষ্ট করে যদি জানাতেন ভাল হতো।

একটি সুন্দর সমাধান পেলে আমি শীঘ্রই তা মূল পোস্টে এডিট করবো, ইনশাল্লাহ।

আপনাকে আবারও ধন্যবাদ। আল্লাহ আমাদের তাঁর দ্বীন বুঝার আরো অধিক সুযোগ দিন। আমিন।
১৩. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:২২
comment by: অচেনা বাঙালি বলেছেন: জোসিলা কইছ হনুমান। :)
এখন বাসায় গেলামগা, কাল্কা আইসা আবার দেখুম।
১৪. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:২৪
comment by: আওরঙ্গজেব বলেছেন: আমার উপরের কমেন্ট জ্বিনের বাদশার উদ্দেশ্যে। আমার পোস্টে তাঁকে এনিয়ে লেখার অনুরোধ করছি। Click This Link

ধন্যবাদ।
১৫. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:৩০
comment by: নেমেসিস বলেছেন: কোরান আবার মহাশুন্যে ফেরত দেয়া হোক :-))



হাহাহা .................... :) এখন আমরা হাসছি । কিন্তু সামনে অচিরেই হয়তো এটাই দেখবো । অসাড় জিনিশকে পরিত্যাজ্য করবেই সবাই ।
১৬. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৩
comment by: স্করপিয়ন্স বলেছেন: তিরনদাজের সাতে একমত
পোস্টে +
১৭. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৭
comment by: আওরঙ্গজেব বলেছেন: জ্বিনের বাদশা,
আর ৪:১১ এর যেখান থেকে দু'মেয়েকে ২/৩ দেয়া হয়েছে, সেখানে দু'য়ের অধিক মেয়ের ক্ষেত্রে ২/৩ ভাগ দিতে বলা হয়েছে। তাফসিরে দেখলাম ২ বা ততোধিক মেয়েকে ২/৩ ভাগ সমানভাবে ভাগ করে দিতে বলছে।

তাহলে,
৪:১১: দুয়ের অধিক মেয়ের ক্ষেত্রকে দু'মেয়ের ক্ষেত্রে
৪:১১-১২: এক সন্তানের ক্ষেত্র কে (পিতা-মাতা ও স্বামী বা স্ত্রী কে শেয়ার) একাধিক সন্তানের ক্ষেত্রে
ব্যবহার করা যায় কি?

তার মানে আলোচ্য সমস্যায় প্রকৃত সলিউশন আসলে কি হবে, কষ্ট করে জানাবেন আশা করি।
১৮. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১০
comment by: জ্বিনের বাদশা বলেছেন: নাস্তিকের ধর্মকথা, আমার তো ধারনা ছিল ফরায়েজী আইনে একাধিক সন্তানদের জন্য দুই-তৃতীয়াংশ বরাদ্দ রেখে বাকী একতৃীয়াংশটা কোরানের দেয়া অনুপাতে, মানে মা, বাবা, স্ত্রী --১/৬, ১/৬ আর ১/৮ অনুপাতে ভাগ হয় ... আপনি যেই ফরায়েজী আইন দেখালেন এটার সূত্রটা কাইন্ডলি দেবেন? ...
আমি ইজিপশিয়ান এক তাত্ত্বিকের কাছে এই ব্যাখ্যা শুনেছিলাম এক আলোচনায়, সূত্র খুঁজতে হবে
১৯. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৬
comment by: জ্বিনের বাদশা বলেছেন: প্রসঙ্গক্রমে, আমি যতটুকু কোরান পড়ে বুঝেছি, তাতে আমার মনে হয়েছে আমার এই আন্ডার্স্ট্যান্ডিংটাই ঠিক আছে ... এখন ফরায়েজী আইন এক্সাক্টলি কি সেটা আসলে আমি ইসলামিক ল'র বই ঘেঁটে দেখিনি ... সেটা যদি ভিন্ন হয়, আর কনট্রাডিক্টরী হয়, তাহলে ফরায়েজী আইন ভুল বলেই ধরে নেব ... ইজমা কিয়াসে অনেক কনট্রাডিকশন আছে ... থাকতেই পারে
২০. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৬
comment by: মানুষ বলেছেন: সমস্যাটা হল, আরবী বুঝি না আর বাংলা অনুবাদ যেটা করা হয়েছে সেটা অনেক অস্বচ্ছ এবং কোন কোন ক্ষেত্রে ভিন্ন অর্থও পেয়েছি। আর সবচেয়ে বড় সমস্যা কোরান বুঝতে হলে তার ব্যাখ্যাও পড়তে হয়, সেটা আবার নানা মুনির নানা মতে একেবারে লেজে গোবরে হয়ে আছে।
২১. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৮
comment by: জ্বিনের বাদশা বলেছেন: মানুষ, এটা ঠিক ... কোরানের অনেক অনুবাদ তৈরী হয়েছে যেগুলোর প্রায়ই বেশ কাঁচা ... প্রফেসর তাজ হাশমীর এটা নিয়া একটা ভালো লেখা পড়ছিলাম ... লিংক দিতে পারতেছিনা ...মনে নাই
২২. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৮
comment by: বিবর্তনবাদী বলেছেন: মানুষ বলেছেন: সমস্যাটা হল, আরবী বুঝি না আর বাংলা অনুবাদ যেটা করা হয়েছে সেটা অনেক অস্বচ্ছ এবং কোন কোন ক্ষেত্রে ভিন্ন অর্থও পেয়েছি। আর সবচেয়ে বড় সমস্যা কোরান বুঝতে হলে তার ব্যাখ্যাও পড়তে হয়, সেটা আবার নানা মুনির নানা মতে একেবারে লেজে গোবরে হয়ে আছে।

খাটি কথা।
২৩. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ৮:৩৭
comment by: প্রশ্নোত্তর বলেছেন:

বাংলাদেশের আইনে চুরি করলে হাত কাটনের আইন নাই
ব্যভিচার করলে দোররা মারনের আইন নাই


শালার কৈ থাকো তুমরা মাওলানার পুতেরা! খালি সম্পত্তিতেই কুরান-হাদিস। এই শালাদের জন্যই বাংলাদেশে সামাজিক ন্যায়বিচার সম্ভব হইতাসে না।
২৪. ১৮ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১:৪০
comment by: আরিফুর রহমান বলেছেন: ওয়েলকাম ব্যাক @লেখক।
২৫. ১৮ ই মার্চ, ২০০৮ ভোর ৬:২৭
comment by: আওরঙ্গজেব বলেছেন: জ্বীনের বাদশা,

আবু দাউদ, কিতাব আল-ফারাইদ, তিরমিজী, আবওয়াব আল-ফারাইদ থেকে,

জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ রা: থেকে, একদা এক আনসারী মহিলা রাসুলুল্লাহ সা: কে রিপোর্ট করলেন, দু'মেয়ে রেখে তাঁর স্বামীর উহুদ যুদ্ধে শাহাদাত হলে জাহেলী নিয়মানুযায়ী মেয়েদের চাচা মৃতের সব সম্পত্তি নিয়ে নেন। তখন রাসুলুল্লাহ সা: নিসার ১১-১২ অনুযায়ী চাচা থেকে নিয়ে দু'মেয়েকে ২/৩ ভাগ, স্ত্রীকে ১/৮ ভাগ, ও বাকী টুকু চাচাকে দিলেন।

(দেখুন: মারেফুল কোরআন, (ইংরেজি) ভলিউম ২, পৃষ্ঠা ৩৪২: এই ডকুমেন্টের পৃষ্ঠা: ২ দেখুন

এর মানে নিসার ১১-১২ আয়াতে যেখানে সন্তান রেখে যাওয়া মৃতের সম্পত্তিতে পিতা-মাতা (৪:১১) এবং স্ত্রী বা স্বামী (৪:১২) কে ভাগ দিচ্ছে সেখানে 'ওয়ালিদ' শব্দ ব্যবহার করলেও তা সাধারণভাবে এক বা একাধিক সন্তান রেখে যাওয়া মৃতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।


যেমন, বাংলা/ইংরেজীতে ও অনেকসময় কমনজেন্ডার হিসেবে সন্তান, মানুষ ইত্যাদি এক/বহুবচনে ব্যবহৃত হয়।

আশা করি এটি অধিক যুক্তিগ্রাহ্য। কারণ, যেখানে রাসুল সা: এর সুন্নাহ আছে, সেখানে আমরা কোরআন ব্যাখ্যার জন্য অন্যকিছু (ইজমা/কিয়াস) মানতে পারি না।

অবশ্য, আল্লাহই ভাল জানেন। ধন্যবাদ।
২৬. ১৮ ই মার্চ, ২০০৮ ভোর ৬:৩১
comment by: আলম ভাই বলেছেন: কোরান বুইজা পড়নের ওজুহাতটা এক্টা দুষ্টচক্র৷ এইটার কোনো শ্যাষ নাই৷ আপ্নে ভুল ধর্লে কইবো অনুবাদের ভুল, সেইটা ধরায়া দিলে কইবো বেখ্যার ভুল, তারপরে কইবো প্রয়োগের ভুল, শালা এক্সকিউজের শেষ আছে নি এগো৷ গোড়ায় গলদ রাইখা যতসব ধুনফুন
২৭. ১৮ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৫২
comment by: বাফড়া বলেছেন: ওয়েলকাম ব্যাক, নাস্তিক
২৮. ১৮ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৫৩
comment by: বাফড়া বলেছেন: আই মিন নাস্তিকের ধর্মকথা
২৯. ১৮ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:০৭
comment by: দ্বিতীয়নাম বলেছেন: মানুষ বলেছেন: সমস্যাটা হল, আরবী বুঝি না আর বাংলা অনুবাদ যেটা করা হয়েছে সেটা অনেক অস্বচ্ছ এবং কোন কোন ক্ষেত্রে ভিন্ন অর্থও পেয়েছি। আর সবচেয়ে বড় সমস্যা কোরান বুঝতে হলে তার ব্যাখ্যাও পড়তে হয়, সেটা আবার নানা মুনির নানা মতে একেবারে লেজে গোবরে হয়ে আছে।

মূলে সমস্যা/ঘাটতি থাকলে এ অবস্থা চলতেই থাকবো প্রয়োগে।
৩০. ১৮ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:০৯
comment by: নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
জ্বিনের বাদশা,

দেখুন- সমস্যাটি কিন্তু অন্যখানে। আপনি যখন কোন একটি কিছুকে ধ্রুব সত্য ধরেই নিয়ে আলোচনায় বা যুক্তিতে নামবেন, তখন বারেবারে আপনার সিদ্ধান্ত পাল্টাতে হবে- দুলাইন আগে যা বলবেন- তিন লাইন পরেই বলবেন ঠিক তার বিপরীত কথা....... এবং এটাই হয়েছে এ ক্ষেত্রে। প্রথমে যে ইজমা-কিয়াসের কথা বললেন, পরেই সে ইজমাকে অস্বীকার করলেন।

প্রথম থেকে আসি, আপনি প্রথমেই বলেছেন- আলী রা. যে ফরায়েজী আইন চালু করেছেন- সেটি ইজমা, কোনভাবেই কোরআনের সংশোধন নয়।

এরপরে, আপনার মনে হয়েছে- ফরায়েজী আইনটি বা সেই ইজমাটি ভুল। কেননা, সেটি আপনার কাছে মনে হয়েছে- আল্লাহর আয়াত বা কোরআনের সুরা নিসার ১১ নং আয়াতের সাথে মিলে না, এবং একাধিক কন্যা সন্তানের ক্ষেত্রে- দুই তৃতীয়াংশ এর বদলে আরো কম ১৬/২৭ ভাগ সম্পদ দেয়ার বিধান করা হয়েছে। এই যে, সুরা নিসাকে ভায়োলেট করার জন্য আপনি বলছেন- এটি ঠিক হয়নি।

এবারে আসি- আলী রা. যে সংশোধনটি করলো, সেটি যদি- মুহম্মদ সা. এর অনুসরণেই করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়, এবং কোরআনে ও হাদীসে আলীর মর্যাদার বিষয়ে বিশেষ উল্লেখ থাকে তবেও কি মনে করবেন যে সেই ইজমা ভুল? এখন আপনি কি মনে করেন, আলী রা. কোরআনের আয়াতকে ভায়োলেট করেছেন?
৩১. ১৮ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:২৬
comment by: জ্বিনের বাদশা বলেছেন: ব্রাদার, প্রথম কথা হলো উপরের "২৭ এর ১৬" পাবে সন্তানেরা -- এই আইনটা কি আসলেই আলী(রাঃ) প্রণীত ফরায়েজী আইন ... সেই সূত্রটা চাইছি, নাম্বার ওয়ান

আমি জানি আলী (রাঃ) একটা গাণিতিক সমাধান দিয়েছেন একাধিক সন্তান প্লাস বাবা-মা, স্ত্রী জীবিত রেখে কেউ মারা গেলে তার জন্য ... কারণ এব্যাপারে কোরাণের ডাইরেক্ট আয়াত নাই ... এখন সেই হিসাবটা আলী (রাঃ) কিভাবে দিয়েছেন আমি এক্সাক্টলি জানিনা, কারণ কোথাও পড়িনি ... আমার হিসেবমতে সন্তানরা ৩ ভাগের ২ পাবে, বাকীটার ১১ ভাগের ১ পাবে স্ত্রী, ৩৩ ভাগের ৪ করে পাবে বাবা, মা ... এখানে স্ত্রীর ৮ এর ১ বা বাবা-মা'র ৬ এর ১ আইন খাটবেনা, কারণ ঐ ৮ এর ১ বা ৬ এর ১ হলো ওয়ালিদ বা একসন্তানের বেলা প্রযোজ্য ...

এখন, ধরুন আলী(রাঃ) যে হিসাব দিয়েছেন সেটা যদি আপনার দেয়া হিসাবটাই হয়, তাহলে কোনটা ভুল? ... আলী (রাঃ) কি হিসেবে ভুল করতে পারেননা? অতটা গোঁড়া চিন্তা করবেন কেন? কোরানে কি এমন কোন আয়াত আছে যেখানে বলা আছে মহানবীর সাহাবীরা গাণিতিক হিসেবে কোন ভূল করবেননা? ইজমা ভুল হতেই পারে ... প্রচুর ইজমা/কিয়াস সময়ের বিবেচনা করে প্রেক্ষিতে বদল করা হয়েছে ... প্রচুর হাদীসও বাতিল হয়ে গেছে, হচ্ছে ... এটা ইসলামিক ল'য়ের একটা প্রগতিশীল অংশ ... ইসলামিক ল'র কথা হলো কোরানের নির্দিষ্ট বইষয়ে পরিবর্তন আনা যাবেনা ... কোরাণের সাথে কনট্রাডিকশন প্রমাণ হলে সুন্নাহ/ইজমা/কিয়াস পরিবর্তন করা বাধ্যতামূলক

(একটা টীকা দিয়ে রাখি, এই আলোচনাটা কোরান মানুষের বানানো না আল্লাহর পাঠানো এই নিয়ে বিতর্ক না ... এখানে কোরানের একটা গাণিতিক ডিসক্রিপেন্সী তুলে ধরার চেষ্টা দেখলাম ... যেহেতু ডিসক্রিপেন্সীটা আসলে নাই, সেটা তুলে ধরলাম ... এখন সেই আলোচনা যদি কোরাণ মানুষের না কার বানানো সেই বিতর্কের দিকে যায়, তাহলে কিন্তু দুঃখজনক ... আবার বিতর্কটাকে যদি সাম্প্রতিক নারীপুরুষের সমান ভাগের দিকে নিয়ে যাওয়া হয় সেটাও দুঃখজনক ... ফোকাসটা গাণিতিক অবস্থানেই রাখাখোক)

আমার ধারণা যে গাণিতিক ডিসক্রিপেন্সীটা প্রায়ই তুলে ধরা হয়, সেটা যে ভূয়া এটা বোঝানো গেছে ... একমত?
১৮ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:৪০

লেখক বলেছেন:

জ্বিনের বাদশা,

দেখেন- কোরআনের অবস্থান যদি এটা পরিষ্কার হয় যে, এক মেয়ে হলে সম্পদের অর্ধেক, আর একাধিক মেয়ে হলে সম্পদের দুই তৃতীয়াংশ পাবে; সেখান থেকে এক লাফে- একাধিক মেয়ের জন্য যখন- দুই তৃতীয়াংশ থেকে কমিয়ে ১৬/২৭ ভাগ করা হয়- করে সেটিকে ব্যালান্স করা হয়; তখন কিভাবে বলবেন গাণিতিক হিসাবের ভুল?? বা আলী রা. গাণিতিক হিসাবে ভুল করেছেন??

অদ্ভুদ ব্যাপার হলো- আবারো বলছি- কোন কিছুর প্রতি অন্ধ অনুগত হলে- সমাধানও এরকমই আসে!!!

এখানে পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে- আলী রা. গাণিতিক কোন ভুলও করেননি!! যেটা হতে পারে- কোরআনকে বুঝতে ভুল করতে পারেন (এট লিস্ট আপনি যেভাবে বুঝেছেন- সেভাবে বুঝেন নি!!)- এবং এই ভুল বুঝা থেকে সে সময়ের মানুষের সামনে সমস্যা হিসাবে দেখা দিল- কন্যার সংখ্যা দুই বা ততোধিক হলে- কন্যারা=২/৩, পিতা=১/৬, মাতা=১/৬, স্ত্রী=১/৮ অনুসারে দিতে গেলে, মোট সম্পদ হয়= ২৭/২৪। এই সমস্যা থেকে বের হওয়ার জন্য তিনি যে সমাধান দিয়েছেন- তার পেছনে যে মোটিভ কাজ করেছে সেটা হলো- এই বাড়তি ১/৮ অংশ সকলের প্রাপ্ত ভাগ থেকে সমানুপাতে কমিয়ে দেয়া। এবং এ কাজটি করতে তিনি গাণিতিক ভাবে কোন ব্যর্থতার পরিচয় দেন নি।

তার সম্পদের বিভাগের মধ্যে গাণিতিক কোন ভুল আমার চোখে এখনও ধরা পড়েনি- আপনি দেখে থাকলে একটু জানাবেন.....


কি আর করা!!! একটি গাণিতিক ভুলের বা সমস্যার সমাধান দেয়ার পরেও- সমাধানটিকে বলা হচ্ছে- গাণিতিক ভুল!!!!!!!

৩২. ১৮ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:৩৮
comment by: অচেনা বাঙালি বলেছেন:

বাকীটার ১১ ভাগের ১ পাবে স্ত্রী।
------------------------------------

এখন যদি স্ত্রীরা থাকে, আই মিন চারটা স্ত্রী থাকে তখন একেক স্ত্রী কি পরিমান পাবে? ১/১১ রে চাইর ভাগ কইরা নিবে, হুজুররা কি বলেন?
৩৩. ১৮ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:২৩
comment by: নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন: এবারে আসি, ভাষা নিয়ে......

কোরআন নিয়ে আলোচনা করতে গেলেই প্রথম যে বিষয়টি সবার আগে ও সবচেয়ে বেশি আসে- সেটি হলো অনুবাদ ভুল- ব্যাখ্যা ভুল ইত্যাদি। আরবী ভাষায় যেটি বুঝাতে চাওয়া হয়েছে, অনুবাদে তার বিপরীতটি প্রকাশ পেয়েছে..... ইত্যাদ।

এ কারণে, আরবী ভাষাটি নিয়েই কিছুটা নাড়াচাড়া করছিলাম (এখনও অনেক কিছুই আয়ত্তে আসেনি), যতখানি বুঝেছি সেখান থেকে একবচন আর বহুবচন নিয়ে যে সমস্যাটি দেখা দিয়েছে- তা নিয়ে বলি....

আরবীতে বচন তিনটি- এক বচন, দ্বিবচন ও বহুবচন। এবং এই বচন কিন্তু ভাষার ক্রিয়ার মধ্যে ভূমিকা নেয়, মানে বচন অনুসারে ক্রিয়ার রূপ পরিবর্তিত হয়। যাহোক, যেটি বলছিলাম- আমরা ভাষায় আরেক ভাবে বচনের ব্যবহার করি- সেটি অনেকটা মিশ্র, বা বচন সেখানে কোন ফ্যাক্টর নয়। এক বা একাধিক যখন একইসাথে ব্যবহার করা হয়, তখন বিশেষ্য পদটির বচন কি হবে? এ ক্ষেত্রে বিভিন্ন রীতি আছে। যেমন, পাখি উড়ে, আর পাখিরা উড়ে- পার্থক্য কি?

যখন বলা হয়, পাখি ওড়ে- সেক্ষেত্রে কোন বচন বলবো? নরমালি, আমি আরবী ভাষায় এই সাধারণ বিশেষ্যের ব্যবহারে বহুবচন ব্যবহার করতে বেশি দেখি। আমরা সাধারণভাবে- যেটি পাখি আকাশে ওড়ে, মানুষ মরণশীল দেখি, সেটিকে আরবী ভাষায়- তাদের ফর্ম অনুযায়ী পাখিরা আকাশে উড়ে, মানুষেরা মরণশীল এটা ব্যবহৃত হয় (আরবী টাইপ করা কি কেউ আমাকে শেখাতে পারেন- কিছু উদাহরণ দিয়ে আলোচনা করা যেত!!)। এবং আমরা যখন এক বা একাধিক (মানে যেকোন সংখ্যায়-) সেটির বচন আরবীতে বহুবচন গ্রহণ করার চল বেশি (ব্যতিক্রমও আছে- অথবা আমি এখনও ব্যতিক্রমের নিয়মটি জানি না!!).....

এবারে আসি- আলোচ্য আয়াতটিতে,
সেখানে ১১ নং আয়াতের শুরুতেই স্পষ্ট করে দেয়া আছে- মেয়েদের ক্ষেত্রে- সম্পত্তির বন্টন হবে কিভাবে সেটা। একজন মেয়ে সন্তান থাকলে (এখানে আরবীতে শুধু ওয়ালাদ না বলে তার আগে একজন যুক্ত করা হয়েছে) সম্পদের অর্ধেক সেই মেয়ে পাবে, আর দুই এর অধিক মেয়ে হলে (এটিকে কিন্তু সমস্ত তফসির কারিরা- দুই বা ততোধিক ধরেছেন) হলে দুই তৃতীয়াংশ পাবে।

এরপর থেকে ঐ আয়াতের বাকি অংশে ও ১২ নং আয়াতে কিন্তু সন্তান ছাড়া অন্যদের সম্পদের উত্তরাধিকার কি হবে সে আলোচনা করা হয়েছে। সেখানে আলোচনাটি শুধুই করা হয়েছে- সন্তান থাকলে কি হবে আর না থাকলে কি হবে। এখানে সন্তানের আরবীতে বহুবচন ব্যবহৃত হলেও- সেটি কিন্তু আরবী ভাষায় এক বা একাধিক সন্তানকেই রিপ্রেজেন্ট করে, বা মূল বিষয় যেটিকে সে বুঝাতে চায় সেটি হলো- সন্তান এক জন না কয়জন ফ্যাক্টর নয়- সন্তান থাকলে মাতা পাবে এত অংশ না থাকলে মাতা পাবে এত অংশ। আপনার কথিত একাধিক সন্তানের ক্ষেত্রে সম্পদ বন্টনের নির্দেশনা না থাকার কোন ব্যাপারই এখানে নেই। এবং কোরআনের সেই আণ্ডারস্ট্যাণ্ডিংটা যে এরকমই ছিল মুহম্মদের সময়ও সেটি আপনি আওরঙ্গের উপরে দেয়া হাদিস দেখলেই বুঝতে পারবেন। সময় পেলে এ ধরণের আরো কয়েকটি হাদিস বা উদাহরণ আপনাকে দেয়া যেতে পারে........। এখন আপনি বলবেন, কোরআনের সেই ভাষা মুহম্মদ সা. নিজেও বুঝেন নি? না-কি নিজের ইচ্ছামত মাতাকে ১/৮ অংশ দিয়েছেন?
৩৪. ১৮ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৪
comment by: ক্যাচাল বলেছেন: ভাই, আমার ব্যান পিরিয়ড শেষ হইছে আজকে। তবে ফ্রন্ট পেইজ একসেস এখনো পাই নাই। শুধু কমেন্ট করতে পারি।
১৮ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৪

লেখক বলেছেন:
সুখবর........

আপনি এই নিকটি দিয়েই কমেন্ট করতে থাকুন.......

আর- যতদিন, ক্যাচাল থেকে পোস্ট দিতে না পারছেন- ততদিন সুশীল সমাজই চলুক........


যাহোক, সবকিছুই আপনার অভিরুচি, আমার ইচ্ছার কথাটুকুই জানালাম...... কেননা, ক্যাচালকেই আমি দেখতে চাই........

৩৫. ১৮ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:০৬
comment by: জ্বিনের বাদশা বলেছেন: দেখেন ব্রাদার, আমি এখানে ভাষার আজাইরা প্যাচাল পাড়তে আগ্রহী না ... আমারে আরবী ভাষাভাষী মিশরী পন্ডিত মিঃ মাগধী (ভদ্রলোক আসলেই অনেক জানতেন, আমার ইউনিতে পোস্টডকে এসেছিলেন) যেভাবে বুঝাইছে, আমি সেইভাবে বুঝছি ... আমার ধারনা তাঁর আরবী ভাষার জ্ঞান আপনার চেয়ে ভালো

আর গাণিতিক ডিসক্রিপেন্সীর বেলা আপনি বার বার প্যাঁচাচ্ছেন কেন?

১. কোরাণে বলা আছে, একাধিক সন্তান থাকলে সন্তানরা মৃত বাবার মোট সম্পদের ৩ ভাগের ২ ভাগ পাবে
২.কোরাণে বলা আছে, এক সন্তান থাকলে সন্তানরা মৃত বাবার মোট সম্পদের ২ ভাগের ১ ভাগ পাবে
৩.কোরাণে বলা আছে, মৃতের এক সন্তান থাকলে মৃতের বাবা-মা মোট সম্পদের ৬ ভাগের ১ ভাগ করে পাবে, স্ত্রী ৮ ভাগের ১ ভাগ পাবে
৪. কোরাণে বলা নাই, একাধিক সন্তান রেখে মারা গেলে মৃতের মোট সম্পদের কতভাগ বাবা-মা-স্ত্রী পাবে

৫.সেখানে হযরত আলী (রাঃ) একটা সমাধান দিয়েছেন ... সেই সমাধানটার রেফারেন্স আমার কাছে নাই, তাই বলতে পারছিনা উনি কি সমাধান দিয়েছেন


৬. আপনি আলী (রাঃ) সমাধান হিসেবে এখানে একটা হিসেব দেখাচ্ছেন, আপনাকে বার বার বলা হচ্ছে যে সূত্র দেন/রেফারেন্স দেন, আপনি দিতে পারছেননা

৭. এখন আসেন আমার দেয়া উপরের১, ৩ আর ৪ মিলিয়ে দেখি আপনার প্রস্তাবিত কেইসে কে কতটুকু পায়

আপনার প্রস্তাবিত কেইস হলো দুইমেয়ে, বাবা-মা, স্ত্রী রেখে ভদ্রলোক মারা গেছেন ... ধরলাম বাবা ৩৩ লাখ টাকা রেখে গেছেন

উপরের (২) অনুযায়ী দুই মেয়ে মোট সম্পদের তিন ভাগের দুইভাগ, মানে ২২ লাখ নিজেদের মাঝে সমানভাগে পাবে ... মানে এক মেয়ে ১১ লাখ টাকা পাবে

উপরের (৪) অনুযায়ী বাবা-মা-স্ত্রী ৩৩ লাখের থেকে কত করে পাবে সেটা সরাসরি কোরাণ থেকে নেয়া যাচ্ছেনা

তাই এখানে ১ সন্তানের ক্ষেত্রে কোরান যে অনুপাত ঠিক করে দিয়েছে বাবা-মা-স্ত্রীর জন্য, সে অনুপাতে ভাগ করে দিতে হবে ... তখন বাবা-মা পায় ৩৩ ভাগের ৪ ভাগ মানে, ৪ লাখ টাকা করে, আর স্ত্রী পায় ৩৩ ভাগের তিন ভাগ, মানে ৩ লাখ টাকা ... এখন দেখেন ৪:৪:৩ অনুপাতটা ১/৬:১/৬:১/৮ অনুপাত হয় কিনা ... এতটুকু হিসাব তো করতে পারবেন পারবেন ... না পারলে ৪:৪:৩ রে ২৪ দিয়া ভাগ দিয়া ফালান


আপনের উপরের হিসাব ঠিক হয় কেমনে? ২৭ এর ১৬ তো ৩ এর ২ হয়না ... এখানেই তো হিসাবে ভেজাল আছে


এখন আপনে খালি আমারে কন কে অন্ধ?

আমি অন্ধের মতো কোরাণ নির্ভুল কইরা চিল্লাইতাছি, না আপনে অন্ধের মতো কোরানে ভুল বিছড়াইতেছেন?

বটমলাইন কইয়া দিই:

আপনার এত উৎসাহ থাকলে আপনার উচিত ভালো কোন কোরাণ বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলা ... এই ব্লগে এইসব প্রশ্ন তুলে আপনি খালি সেই পুরান রেকর্ডই বাজাইতে পারবেন ... কিছু ছাগলের তিন নং ছানার হাততালি পাবেন ... আর কিছুনা!!!

৩৬. ১৮ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:৪২
comment by: জ্বিনের বাদশা বলেছেন: আমি আবারও আয়াতদুটো পড়লাম ... আপনি যে বললেন ওয়ালাদ শব্দটা একবচন না হয়ে জেনারেল অর্থে ব্যবহার হয়েছে, সেটা আমার বুঝের মধ্যে খন্ডাচ্ছি (ভুল হতে পারি, আল্লাহ মাফ করবেন)

৪:১২ আয়াতে দেখেন আল্লাহ কিন্তু স্ত্রী বুঝাতে প্লুরাল ব্যবহার করেছেন, জাওজাকুম না বলে আজওয়াজুকুম বলেছেন ... এখানে তাহলে আল্লাহ জেনারেলাইজেশনে জাওজাকুম বলেননি কেন? ... কাজেই, আমি রিড করছি ওয়ালিদ বলতে একজনই বোঝানো হয়েছে ... আপনি কোরাণের অন্যান্য জায়গায় সাধারণ অর্থে "আওলাদ" শব্দটা পাবেন
১৮ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:১৩

লেখক বলেছেন:
এটাই হয়তো আপনাকে বলতাম- হাতে জিনিসপত্র থাকলে- আশা করি রাতে এ ধরণের আরো কিছু উদাহরণ দিবো......

দেখুন- সেখানে স্ত্রী বুঝাতে প্লুরাল ব্যবহৃত হলেও কিন্তু সেটা কমন হিসাবেই ব্যবহৃত হয়েছে- এবং সেটাকে এক বা একাধিক স্ত্রী হিসাবেই ধরতে হবে।

এখন আপনি কি বলবেন- যেহেতু সেটি প্লুরাল- তাই এক স্ত্রী থাকলে- ১/৮ পাবে না???

৩৭. ১৮ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৪
comment by: নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
প্রথমেই বলে রাখি- আমি আরবী ভাষার ব্যাপারে খুব নগণ্যই জানি- আপনার সেই মিশরীয় পণ্ডিতের সাথে কোন তুলনাই আমার হতে পারে না!!! আমি তো কেবল শিখছি, ইতিহাস আমার অন্যতম প্রিয় বিষয়, সেই হিসাবে, ইসলামের ইতিহাসের কিছু কিছু বিষয় আমার পড়া হয়েছে। ইসলাম নিয়ে আলোচনা করতে গেলে- অবধারিত ভাবে কোরআন চলে আসে- এবং এর বিভিন্ন অনুবাদ ও তফসির পড়েও যখন বারবার অনুবাদের সমস্যা এ কথাটি চলে আসে- তখন আরবী শেখার প্রয়োজীয়তা অনুভব করি। এখনও শিখছি........


এবং দেখুন- আমি কতখানি কাঁচা তা ভাষা নিয়ে আমার উপরের আ