আমার প্রিয় পোস্ট

ছি ছি! ইসলাম এতো খারাপ (ক্যাচালের পোস্টের জবাবে ফারজানার পোস্ট) এবং কিছু কথা-৩

২৩ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৩৪

শেয়ারঃ
0 0 0

১ম পর্ব ( Click This Link) এবং ২য় পর্ব ( Click This Link)
.....
আগের পর্বে বলেছিলাম, মুহম্মদ সা. ১৯ টি যুদ্ধ পরিচালনা করেছেন, এবং এর অধিকাংশই ছিল অফেন্সিভ, অল্প কটি ছিল ডিফেন্সিভ। আপনারা যুদ্ধের নাম পড়লেও বুঝতে পারবেন, যুদ্ধগুলো গোত্রের নামে (বনী কোরায়যা গোত্রের সাথে যুদ্ধ, বনী মুস্তালকের যুদ্ধ, বনী আনমার যুদ্ধ প্রভৃতি) ও জায়গার নামে (বদর, ওহুদ, খন্দকের যুদ্ধ, খায়বরের যুদ্ধ, মুরাইসীর যুদ্ধ, উসায়রার যুদ্ধ, ইয়ারমুকের যুদ্ধ, তাবুকের যুদ্ধ, যাতুর রিকার যুদ্ধ, যীকারাদের যুদ্ধ, হেনায়নের যুদ্ধ )। এই ১৯ টির বাইরে আরো অসংখ্য যুদ্ধ চালানো হয়েছিল, মুহম্মদ সা. এর নির্দেশে, অর্থাৎ মুহম্মদ সা. তাঁর বাহিনী পাঠিয়েছেন কোন গোত্রকে ধ্বংস করতে বা কোন এলাকা দখল করতে (সিরিয়ার মুতার যুদ্ধ, বনী জুযামার বিরুদ্ধে যুদ্ধ, সালাসিল যুদ্ধ-লাখাম ও জুযাম গোত্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ প্রভৃতি)। এগুলো কোন ভাবেই বলা যাবে না যে, আক্রান্ত হওয়ার কারণে এই যুদ্ধ করতে মুসলিম বাহিনী বাধ্য হয়েছে। যেমনটি দাবী করেছেন ফারজানা মাহবুবা। [ফারজানা তার আলোচনার একটি বড় অংশে বলতে চেয়েছেন, এবং বেশ কিছু আয়াতও এনেছেন যে, যুদ্ধ করা যাবে যদি শুধুমাত্র মুসলিমরা আক্রান্ত হয় তখন এবং এক্ষেত্রে সীমাও নাকি লংঘন করা যাবে না- প্রতিপক্ষ যদি যুদ্ধ বন্ধ করে দেয়, তবে নাকি আর যুদ্ধ করা যাবে না (২: ১৯১, ১৯২, ১৯৩)]

সিরিয়ায়, ইয়ামানে, সালাসিলে প্রভৃতি বিভিন্ন দিকে বাহিনী পাঠিয়ে একের পর এক গোত্রকে নিজেদের করায়াত্তে এনে সেসমস্ত জায়গা- জমি- সম্পদ দখল করেই ইসলামের প্রসার ঘটেছে। বিভিন্ন ভূখণ্ড করায়ত্ত হওয়ার পরে, সেখানে আমীর নিয়োগ করা হতো, তিনি উপস্থিত অধিবাসীদের মধ্যে বিভিন্ন বিলি-ব্যবস্থা চালু করে নিতেন। যেমন: খায়বর দখল করার পর সেখানকার ইহুদী অধিবাসীদের সাথে চুক্তি করা হলো তাদের জমিতে যা উৎপাদন হবে তার অর্ধেক দিয়ে দিতে হবে এবং আয়েশা রা জানাচ্ছেন যে, খায়বর দখলের পর তাঁদের খেজুরের চাহিদা খুব ভালো করেই পূরণ হয়ে যায়।

ফারজানা তার আলোচনায় বলার চেষ্টা করেছেন, ইসলামে কোন জোর জবরদস্তি করে ধর্মান্তরিত করা হয়নি। এটার মধ্যে কিছুটা অসত্য আছে। কেননা, যখন বিভিন্ন গোত্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হতো বা কোন এলাকায় অভিযান চালানো হতো, প্রথমে ভালোভাবে ইসলামের দাওয়াত দেয়া হতো ঠিকই, কিন্তু সেটি না মানলে ব্যাপক অভিযানে সব ধ্বংস করে দেয়া হতো। এই আক্রমণের মুহুর্তে কেউ যদি কালেমা পড়তো, বা আল্লাহর আনুগত্য স্বীকার করে নিত, তখন তার উপর আক্রমণ সম্বরণ করে নেয়ার নির্দেশ ছিল। আবার এলাকা দখলে চলে আসলে তো যারা সাধারণভাবে নিজ ধর্ম নিয়ে সেখানে থাকতো, তাদেরকে নানা করের মুখোমুখি করা হতো। ফলে, এভাবে পরোক্ষ চাপ তৈরী করেও ইসলাম ধর্মে মানুষকে আনা হতো। তবে, সাধারণভাবে গণীমতের মালের লোভটাও সে সময় কম ছিল না এবং এর লোভেও অনেকে মুসলিম হয়েছে। এর সাথে এই মালের ভাগাভাগি নিয়েও সাহাবাদের মধ্যে মতভেদ-মনোমালিন্য কম ছিল না। এমনকি মদীনার আনসাররা মুহম্মদ সা এর উপর একবার অসন্তুষ্টও হয়েছিলেন! আলী রা. ইয়ামানের গনীমতের মাল থেকে নিজে এক দাসী নিয়ে ভোগ করলে অপর সাহাবী বোরায়দা রা এর বিরোধিতার সম্মুখীন হন। ইয়ামানে আলী রা. গিয়েছিলেন গনীমতের মাল সামাল মদীনায় নিয়ে আসার জন্য (নিয়ম অনুযায়ী ওনার সে ভাগ পাওয়ার কথাও ছিল না, কেননা তিনি সে যুদ্ধে ছিলেন না), কিন্তু এই দাসী ভোগ করায় যখন বোরায়দা মুহম্মদ সা কে নালিশ জানান, তখন মুহম্মদ সা জানালেন, "তার বিরোধিতা করো না। কারণ, খুমুস থেকে তার প্রাপ্য এর চেয়ে আরো অনেক বেশি" (বোখারী হাদীস ১৯০৬, খণ্ড ৭, অধ্যায় ২)।

মক্কা বিজয়ের সময় যেমন মুহম্মদ সা. এর নেতৃত্বে কাবার তিনশ ষাটের বেশী দেব-দেবী প্রতিমা ধ্বংস করে ফেলা হয় গায়ের জোরে, তেমনি ইয়ামানের জুলখালাসা স্থানে ইয়ামিনী কাবাও গুড়িয়ে ফেলতে হযরত জারীর রা. কে নবী সা. পাঠান। জারীর শুধু ইয়ামিনী কাবা ধ্বংস করেই ক্ষান্ত হননি, আশেপাশে যাদেরকে পান সবাইকে হত্যা করেন। এবং ফিরে এসে নবী সা. এর দোআ লাভ করেন (বোখারী হাদীস ১৯০৮, খণ্ড ৭, অধ্যায় ২)। খালেদ ইবনে ওয়ালীদ রা এর নৃশংসতা তো উপস্থিত সাহাবীরাও মেনে নিতে পারেন নি। এইসব নৃশংসতার মূলে কিন্তু ছিল ক্ষমতার দখল, তথা গনীমতের মাল এবং এর হাত ধরেই চলে ইসলামের প্রসার। ফলে, যে বদর যুদ্ধে ৩১৩ জন সাহাবী নিয়ে মুহম্মদ সা. কে যুদ্ধে অবতীর্ণ হতে হয়েছে, সেই মুহম্মদ সা. মক্কা বিজয়ের সময় আসেন দশ হাজারের অধিক সৈন্য নিয়ে (বোখারী হাদীস ১৯৬৮, খণ্ড ৭, অধ্যায় ৩), এরপরের হেনায়নের যুদ্ধেও যান দশ হাজার সৈন্য ও আরো কিছু নওমুসলিম সহ। এই ক্ষমতার দখলের উদ্দেশ্যেই মূলত মক্কায় কাবার নিয়ন্ত্রণ নিজ হাতে নিতে হয় মুহম্মদ সা. কে, কেননা কাবা ছিল আরবের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম কেন্দ্র (প্রতিবছর হজ্জকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ ছুটে আসতো ও জমজমাট মেলা অনুষ্ঠিত হতো)।

এই যুদ্ধ বিগ্রহ কিন্তু থেমে থাকে না, মক্কা বিজয়ের পরেও তা চলতে থাকে। মুহম্মদ সা. তাঁর ওফাতের আগ পর্যন্ত যুদ্ধ চালিয়ে গেছেন- কখনো নিজে পরিচালনা করে কখনো বা বাহিনী পাঠিয়ে। কেননা, সেসময় যুদ্ধ ছিল অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, এবং এই যুদ্ধ দিয়েই মুহম্মদ সা. এর রাষ্ট্রীয় কোষাগার পূর্ণ হতো, সেই সাথে মুহম্মদ সা ও তাঁর বাহিনীর ভরণ-পোষণও চলতো। তাই এই যুদ্ধ মুহম্মদ সা. এর ওফাতের পরেও থামে না, বরং অনেক গুণে বেড়ে যায়- আবু বকর রা, ওসমান রা, ওমর রা, আলী রা কারোর আমলেই যুদ্ধ থামেনি। এক ওমর রা আমলেই ৫০ এর অধিক অভিযানে বের হয়েছে মুসলমান বাহিনী। কিন্তু সমস্যা হয় অন্যত্র, সেটি হলো ক্ষমতার দ্বন্দ্ব, যার ফল আমরা দেখি খলিফাদের নির্মমভাবে খুন হতে, এবং করুণ পরিণতি পাই কারবালার প্রান্তরে। মুসলমানের রক্তে মুসলমানের হাত রঞ্জিত হওয়ার বীজ নিহিত কিন্তু মুহম্মদ সা. এর সেই যুদ্ধ নীতির মধ্যেই।

....... চলবে

 

সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৪৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৪০
গিফার বলেছেন: ভাই আপনার নাম কি?
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৪১

লেখক বলেছেন:
এরপরের প্রশ্ন কি হবে : ভাই আপনি থাকেন কই????????

২. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৪৮
gladiator বলেছেন: তথ্যমুলক পোস্ট, নতুন অনেক কিছূ জানলাম +
৩. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৫১
গিফার বলেছেন: না ভাই খালি নাম বল্লেই খুসি...

না বল্লেও সমস্যা নাই...ব্লগের ভাই হিসেবে জিগেস করলাম
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৫৬

লেখক বলেছেন:
ওহ ঠিক আছে....

নামঃ নাস্তিকের ধর্মকথা ব্লগের ভাই

৫. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৫৭
তাওফিক বলেছেন: ভাই আপনি সুস্থ আছেনতো?
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:১১

লেখক বলেছেন:
কেন, এই লেখা পড়ে কি আপনি অসুস্থ বোধ করছেন???????

৬. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:০০
গিফার বলেছেন: হুমম ঠিক আছে...

ডাকনাম কি নাস্তিক ? আপনার জন্মের পর আপনার নাম আপনার মা বাবা কি রেখেছিলেন এইটা জানতে চেয়েছিলাম...
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:১৩

লেখক বলেছেন:
আমার বাবা মা যে নাম দিয়েছিল, সেটি কেন্দ্র করে একটি আইডেন্টিটি আছে আমার ঠিকই কিন্তু এখানে আমার যে আইডেন্টিটি তার পুরোটাই কিন্তু নাস্তিকের ধর্মকথা নামেই। অন্য কোন নাম তো এখানে অপ্রয়োজনীয়.........

এখানে আমি নাস্তিকের ধর্মকথাই.....
যেমন আপনারা কেউ গিফার, কেউ রাজামশাই, কেউ তাওফিক.....

৭. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:০৬
রাজামশাই বলেছেন: আমি পড়ি

ক- কলা
খ- খই
গ - গরু
ঘ- ঘুম
ঙ - কোন শব্দ শুরু হয় না - শব্দের শেষে বসে

লেখক পড়ে

ক - কাকা
খ- খুড়িমার সাথে
গ-গভীর রাতে
ঘ - ঘুমাইতে গিয়া
ঙ- ঙঙঙঙঙঙঙঙঙঙঙঙঙঙঙঙঙঙ

৮. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:১০
তাওফিক বলেছেন: নাস্তিকের ভাই নাস্তিক
তার নেই মাথা ঠিক।
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:১৬

লেখক বলেছেন:
বাহ বাহ!!!!!!!!!

৯. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:২৫
তাওফিক বলেছেন: পাগল নাকি!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!????
১০. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:৩৫
তাওফিক বলেছেন: আসল নামডা কইতে লঝ্ঝা কিয়ের? ডরান কিয়ালাইগ্গা। লিখতে পাইললেন নামডা কইবার পারবানা ক্যান? দেখি আফনার মা বাই কেমুন নাম রাকছিল।
১১. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:৫৩
আরিফুর রহমান বলেছেন: কেনো তৌফিত, তার কল্লা নামায়া নিবার প্ল্যান করতাছস নাকি?
১২. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ২:৫৪
আরিফুর রহমান বলেছেন: @লেখক, চমৎকার অনুসন্ধিৎসু লেখার জন্য প্লাস।

১৩. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৪:২৫
মুক্তকথা বলেছেন: দারুণ। মনে আসে, মুখে কইতে পারি না। গোছাইয়া কইতে গেলে অনেক তথ্য লাগে।

জবর! চালায়া যান।

++++++++++++++++++++++++++
১৪. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৪:২৬
মুক্তকথা বলেছেন: একটা কথা হইল কি, এরা কিন্তু লেখা নিয়া কোনো কমেন্ট করবে না, নাম জিজ্ঞেস করবে। নামের পরে জিজ্ঞেস করবে, থাকস কই? তারপর কল্লা। ঐতিহাসিক রীতি কি না!!!
১৫. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৫
গিফার বলেছেন: ভাই পারলে নামডা কন....না পারলে বলেন, নাম বলা যাবে নাহ...এত ঢং করেন কেন ?

দেখি আপনার নাম টা কি রাখছে আপনার আব
১৬. ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ৯:৪২
গিফার বলেছেন: কি ব্যাপার নাম কইতে সমস্যা কি?
১৭. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১২:০৯
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
গিফার তুমার বাপের দেওয়া নাম কও শুনি
১৮. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৯:২৫
নেমেসিস বলেছেন: +++++


লেখকের কাছে ইয়ামিনী কাবানিয়ে আরও কিছু জানতে চাই । ইন্টারেস্টিং লাগলো ইয়ামিনী কাবার সংক্ষিপ্ত ইতিহাসটা ।
১৯. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ৯:৪৭
কামাল ভাই বলেছেন: গিফার তুমার আসল নাম কি?
২০. ২৪ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:০১
বাংলা৭১ বলেছেন: ভাই শেষ কবে হবে?
২২. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:০৮
মানুষের পৃথিবী বলেছেন: ফারজানার একপেশে পোস্টের একটি উপযুক্ত নাকভাঙা জবাব হয়েছে এটি।

আমার কি মনে হয় জানেন? ওই যে সৌদি আরবের পতাকা তাই হলো ইসলামের আসল প্রতীক। তলোয়ারের উপর লাইলাহা...। বুঝলেন তো এই তলোয়ার থেকেই ইসলামের উৎপত্তি।
২৩. ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৮:০২
মোহাম্মদ জিয়াউল হক বলেছেন: ভাই, থ্রি ফোর এর বাচ্চার মতো প্রলাপ বকতেছেল কেনো? ইসলামের সব আয়ার-ই তো ঘটনাভিত্তিক! এইভাবে সুবিধা করতে পারবেন না! একটা বুড্ধি দেই... যদি কিছু করা সম্ভব হয় তবে শুধুমাত্র ইন্টেলেকচুয়ালিটি পারবেন। এইসব করে লাভ হবে না।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৯৩৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
মানুষেরে ঘৃণা করি'/
ও কারা কোরান, বেদ, বাইবেল চুম্বিছে মরি' মরি'/
ও মুখ হইতে কেতাব-গ্রন্থ নাও জোর ক'রে কেড়ে,/
যাহারা আনিল গ্রন্থ-কেতাব সেই...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই