আমার প্রিয় পোস্ট
- সেরা কিছু শর্টফিল্মের কালেকশন--মাস্টওয়াচ পোষ্ট --(সিরিজ ২) - নিয়নের আলো
- নারী স্বাধীনতা ও পুরুষশাসিত সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি - চল যাব তোকে নিয়ে
- ফ্রিদা কাহলো - বিপ্লব ভট্টাচার্য্য
- নোবেল বিজয়ী ডঃ ইউনূস প্রসঙ্গ: কিসের লজ্জা? কার লজ্জা? (১)-নাস্তিকের ধর্মকথার জবাব: - মুক্ত মণ
- লালন এর তিনজন গুরু - ইমন জুবায়ের
- রসদঃ মুক্তচিন্তা, অবিশ্বাস, সন্দেহবাদীতা, যুক্তিবাদীতা এবং বিজ্ঞানবিষয়ক পোস্ট সংকলন। - আসিফ মহিউদ্দীন
- 'ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে ইসলাম ও তৎসংশ্লিষ্ট ঘটনাপ্রবাহ'বরাবরঃ অয়োময় - রুদ্রপ্রতাপ
- অন্ধকার থেকে আলোয়-২য় পর্ব - সন্যাসী
- সমাজতন্ত্রের নিজস্ব কোন আবেদন নাই - দুরের পাখি
- নাস্তানাবুদ নাস্তিকতা : নাস্তিকতার অসারতা প্রমাণকারী ব্লগ পোষ্ট সঙ্কলন - স্বর্ণলতা
- নৈতিকতার ভিত্তি - আস্তিক নাস্তিক কথোপকথন --

- কঠিন চিজ
- কোরান অবিকৃত অবস্থায় সংরক্ষিত হয় নি - সাহোশি৬
- মদিনার তিনটি ইহুদি গোত্রের বিতাড়ণ -এপোলোজেটিক এবং এটাকিং ভার্শন - দুরের পাখি
- বদরের যুদ্ধের প্রেক্ষাপট: ডাকাতি-লুট না অত্যাচারিতের অধিকার আদায়? - জ্বিনের বাদশা
- আল-কুরআনের অলৌকিকত্বঃ জানা থাকলেও যা বারবার জানাতে ইচ্ছা করে। - হেডমাষ্টার সাহেব
- বাংলা ব্লগ'স্ফেয়ারে মুক্ত'চিন্তার গুরুত্বপূর্ণ লেখা/পোস্ট/ব্লগ সংগ্রহের উদ্যোগঃ সচেতন সকলে'র অংশগ্রহন কাম্য … - মনির হাসান
- আমাদের ইতিহাস, আমাদের কিংবদন্তী: বোবা মেয়েটির কথা! - ম্যাভেরিক
- খনা ও খনার বচন...... - মুহাম্মদ মোহেব্বুর রহমান
- ধর্ম'গুলোর ভবিষ্যত কি ? নাস্তিক'রা ধর্মের কি পরিনতি বা অবস্থা দেখতে চায় ? ...একটি আলোচনা পোস্ট ..বিশেষত নাস্তিকদের জন্য - মনির হাসান
- যারা অনুবাদকৃত কোরআন এবং অন্যান্য ধর্মগ্রন্থের ভালো WebSite Link চান, তাদের জন্য

- কঠিন চিজ
- বহু বিবাহ : প্রয়োজন, লোভ ও ভীমরতি - মোহাম্মদ লোমান
- কোরান'এ নারী-পুরুষ এর অসমতা বিষয়ক কয়েকটি আয়াত - সুশীল সমাজ
- ইসলাম সম্পর্কে অমুসলিমদের কিছু প্রশ্নের উত্তর। উত্তর: ৩। - তৌসিক আহম্মেদ
- ইসলাম সম্পর্কে অমুসলিমদের কিছু প্রশ্নের উত্তর। উত্তর: ২। - তৌসিক আহম্মেদ
- ইসলাম সম্পর্কে অমুসলিমদের কিছু প্রশ্নের উত্তর। উত্তর নং: ১। - তৌসিক আহম্মেদ
- জামাতের নেতারা বলে কি আর করে কি !? (শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে জামাতি ভন্ডামির চালচিত্র
) - সেলটিক সাগর
- তিনি আরজ আলী, একজন আলো-আঁধারির পরিব্রাজক - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা নিয়ে স্বগতোক্তি এবং বিক্ষিপ্ত প্রশ্ন - সোজা কথা
- নাস্তিকের ধর্মকথার আস্তিকতা-নাস্তিকতার দার্শনিক বিচার ও কিছু প্রসঙ্গ - খারেজি
- ইসলামে উত্তরাধিকার আইন (১): কতটা গাণিতিক ব্যবহারিক আইন - মাসুদুল হক
- ঈমান জোরদার করার জন্য বিভিন্ন ব্লগ হইতে সংগৃহিত ক্লাসিক লেখা - দ্বিতীয়নাম
- নির্বাচনে বামের না পারা-শেষ অংশ। - সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র
- ... তাহলে ইসলামের "প্রানীর ছবি আকা হারাম"-নির্দেশটি কতটা যৌক্তিক ? - মনির হাসান
- বাংলাদেশে একাত্তরের যুদ্ধপরাধীদের বিচার না হওয়ার অন্যতম কারণ: ওয়াহাবী কানেকশন। - ইমন জুবায়ের
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবী এবং একজন স্বঘোষিত পর্নোষ্টার - জাতেমাতাল
- আমার প্রিয় পোস্ট : মলয় রায়চৌধুরী'র কবিতা প্রচণ্ড বৈদ্যুতিক ছুতার - নৃপ অনুপ
- ধর্মীয় অন্ধতা এবং আমাদের বানরায়ন-৩(জেসাস ক্রাইস্ট কি ঐতিহাসিক চরিত্র-১) - আরিফুল হোসেন তুহিন
- রুবিকস কিউব (পর্ব ৪) : রুবিকস কিউবের সমাধান: লেয়ার বাই লেয়ার - গণিত পাগল
- পারস্যের এক প্রেরিতপুরুষ - ইমন জুবায়ের
- "আয়ান হারসা আলি একজন "মুসলমান-নাস্তিক" শিরোনামে "এস্কিমো" নিকের একটি পোস্টের কাউন্টার পোস্ট :৩ - নাহিদ মাহমুদ
- কোরআনের সংরক্ষণ।-১ - কুম্ভকর্ণ
- আরজ আলী মাতুব্বর এবং কিছুমিছু... - পান্থ বিহোস
- নাস্তিকের ধরমোকথার জন্য লেখা..... - জুনায়েদ সাদিক
- নবীজি সা: এর বহুবিবাহের কারন - মাহিরাহি
- রসুল সা. এর চারের অধিক বিয়ে প্রসংগঃ ইউসুফ আল কারদাওয়ী - মাহমুদ রহমান
- নাস্তিকের ধর্মকথার পোস্টপ্রসঙ্গেঃ সবাইকে সতর্ক করার জন্য এ পোস্ট - মাহমুদ রহমান
- স্টিফেন হকিং, নাস্তিকতা ও ইসলাম : নাস্তিক/আস্তিক সব ব্লগারদের জন্যে - হিমু রুদ্র
- উ: কোরিয়া : কি বিভত্তস্য অভিষপ্ত এক দেশ ! - পদ্মানন্দ
- বিধাতা মোরে ক্ষমা করো - শান্তির দেবদূত
- তাদেরকে হত্যা কর যেখানে পাও সেখানেই : আল-কোরআন - ক্যাচাল
- দুটি প্রশ্ন ( নাস্তিকের ধর্মকথা ) - স্ক্রু লুজ Screw Loose
- বঙ্গভঙ্গ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট - বিবর্তনবাদী
ছি ছি! ইসলাম এতো খারাপ (ক্যাচালের পোস্টের জবাবে ফারজানার পোস্ট) এবং কিছু কথা-৩
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৩৪
১ম পর্ব ( Click This Link) এবং ২য় পর্ব ( Click This Link)
.....
আগের পর্বে বলেছিলাম, মুহম্মদ সা. ১৯ টি যুদ্ধ পরিচালনা করেছেন, এবং এর অধিকাংশই ছিল অফেন্সিভ, অল্প কটি ছিল ডিফেন্সিভ। আপনারা যুদ্ধের নাম পড়লেও বুঝতে পারবেন, যুদ্ধগুলো গোত্রের নামে (বনী কোরায়যা গোত্রের সাথে যুদ্ধ, বনী মুস্তালকের যুদ্ধ, বনী আনমার যুদ্ধ প্রভৃতি) ও জায়গার নামে (বদর, ওহুদ, খন্দকের যুদ্ধ, খায়বরের যুদ্ধ, মুরাইসীর যুদ্ধ, উসায়রার যুদ্ধ, ইয়ারমুকের যুদ্ধ, তাবুকের যুদ্ধ, যাতুর রিকার যুদ্ধ, যীকারাদের যুদ্ধ, হেনায়নের যুদ্ধ )। এই ১৯ টির বাইরে আরো অসংখ্য যুদ্ধ চালানো হয়েছিল, মুহম্মদ সা. এর নির্দেশে, অর্থাৎ মুহম্মদ সা. তাঁর বাহিনী পাঠিয়েছেন কোন গোত্রকে ধ্বংস করতে বা কোন এলাকা দখল করতে (সিরিয়ার মুতার যুদ্ধ, বনী জুযামার বিরুদ্ধে যুদ্ধ, সালাসিল যুদ্ধ-লাখাম ও জুযাম গোত্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ প্রভৃতি)। এগুলো কোন ভাবেই বলা যাবে না যে, আক্রান্ত হওয়ার কারণে এই যুদ্ধ করতে মুসলিম বাহিনী বাধ্য হয়েছে। যেমনটি দাবী করেছেন ফারজানা মাহবুবা। [ফারজানা তার আলোচনার একটি বড় অংশে বলতে চেয়েছেন, এবং বেশ কিছু আয়াতও এনেছেন যে, যুদ্ধ করা যাবে যদি শুধুমাত্র মুসলিমরা আক্রান্ত হয় তখন এবং এক্ষেত্রে সীমাও নাকি লংঘন করা যাবে না- প্রতিপক্ষ যদি যুদ্ধ বন্ধ করে দেয়, তবে নাকি আর যুদ্ধ করা যাবে না (২: ১৯১, ১৯২, ১৯৩)]
সিরিয়ায়, ইয়ামানে, সালাসিলে প্রভৃতি বিভিন্ন দিকে বাহিনী পাঠিয়ে একের পর এক গোত্রকে নিজেদের করায়াত্তে এনে সেসমস্ত জায়গা- জমি- সম্পদ দখল করেই ইসলামের প্রসার ঘটেছে। বিভিন্ন ভূখণ্ড করায়ত্ত হওয়ার পরে, সেখানে আমীর নিয়োগ করা হতো, তিনি উপস্থিত অধিবাসীদের মধ্যে বিভিন্ন বিলি-ব্যবস্থা চালু করে নিতেন। যেমন: খায়বর দখল করার পর সেখানকার ইহুদী অধিবাসীদের সাথে চুক্তি করা হলো তাদের জমিতে যা উৎপাদন হবে তার অর্ধেক দিয়ে দিতে হবে এবং আয়েশা রা জানাচ্ছেন যে, খায়বর দখলের পর তাঁদের খেজুরের চাহিদা খুব ভালো করেই পূরণ হয়ে যায়।
ফারজানা তার আলোচনায় বলার চেষ্টা করেছেন, ইসলামে কোন জোর জবরদস্তি করে ধর্মান্তরিত করা হয়নি। এটার মধ্যে কিছুটা অসত্য আছে। কেননা, যখন বিভিন্ন গোত্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হতো বা কোন এলাকায় অভিযান চালানো হতো, প্রথমে ভালোভাবে ইসলামের দাওয়াত দেয়া হতো ঠিকই, কিন্তু সেটি না মানলে ব্যাপক অভিযানে সব ধ্বংস করে দেয়া হতো। এই আক্রমণের মুহুর্তে কেউ যদি কালেমা পড়তো, বা আল্লাহর আনুগত্য স্বীকার করে নিত, তখন তার উপর আক্রমণ সম্বরণ করে নেয়ার নির্দেশ ছিল। আবার এলাকা দখলে চলে আসলে তো যারা সাধারণভাবে নিজ ধর্ম নিয়ে সেখানে থাকতো, তাদেরকে নানা করের মুখোমুখি করা হতো। ফলে, এভাবে পরোক্ষ চাপ তৈরী করেও ইসলাম ধর্মে মানুষকে আনা হতো। তবে, সাধারণভাবে গণীমতের মালের লোভটাও সে সময় কম ছিল না এবং এর লোভেও অনেকে মুসলিম হয়েছে। এর সাথে এই মালের ভাগাভাগি নিয়েও সাহাবাদের মধ্যে মতভেদ-মনোমালিন্য কম ছিল না। এমনকি মদীনার আনসাররা মুহম্মদ সা এর উপর একবার অসন্তুষ্টও হয়েছিলেন! আলী রা. ইয়ামানের গনীমতের মাল থেকে নিজে এক দাসী নিয়ে ভোগ করলে অপর সাহাবী বোরায়দা রা এর বিরোধিতার সম্মুখীন হন। ইয়ামানে আলী রা. গিয়েছিলেন গনীমতের মাল সামাল মদীনায় নিয়ে আসার জন্য (নিয়ম অনুযায়ী ওনার সে ভাগ পাওয়ার কথাও ছিল না, কেননা তিনি সে যুদ্ধে ছিলেন না), কিন্তু এই দাসী ভোগ করায় যখন বোরায়দা মুহম্মদ সা কে নালিশ জানান, তখন মুহম্মদ সা জানালেন, "তার বিরোধিতা করো না। কারণ, খুমুস থেকে তার প্রাপ্য এর চেয়ে আরো অনেক বেশি" (বোখারী হাদীস ১৯০৬, খণ্ড ৭, অধ্যায় ২)।
মক্কা বিজয়ের সময় যেমন মুহম্মদ সা. এর নেতৃত্বে কাবার তিনশ ষাটের বেশী দেব-দেবী প্রতিমা ধ্বংস করে ফেলা হয় গায়ের জোরে, তেমনি ইয়ামানের জুলখালাসা স্থানে ইয়ামিনী কাবাও গুড়িয়ে ফেলতে হযরত জারীর রা. কে নবী সা. পাঠান। জারীর শুধু ইয়ামিনী কাবা ধ্বংস করেই ক্ষান্ত হননি, আশেপাশে যাদেরকে পান সবাইকে হত্যা করেন। এবং ফিরে এসে নবী সা. এর দোআ লাভ করেন (বোখারী হাদীস ১৯০৮, খণ্ড ৭, অধ্যায় ২)। খালেদ ইবনে ওয়ালীদ রা এর নৃশংসতা তো উপস্থিত সাহাবীরাও মেনে নিতে পারেন নি। এইসব নৃশংসতার মূলে কিন্তু ছিল ক্ষমতার দখল, তথা গনীমতের মাল এবং এর হাত ধরেই চলে ইসলামের প্রসার। ফলে, যে বদর যুদ্ধে ৩১৩ জন সাহাবী নিয়ে মুহম্মদ সা. কে যুদ্ধে অবতীর্ণ হতে হয়েছে, সেই মুহম্মদ সা. মক্কা বিজয়ের সময় আসেন দশ হাজারের অধিক সৈন্য নিয়ে (বোখারী হাদীস ১৯৬৮, খণ্ড ৭, অধ্যায় ৩), এরপরের হেনায়নের যুদ্ধেও যান দশ হাজার সৈন্য ও আরো কিছু নওমুসলিম সহ। এই ক্ষমতার দখলের উদ্দেশ্যেই মূলত মক্কায় কাবার নিয়ন্ত্রণ নিজ হাতে নিতে হয় মুহম্মদ সা. কে, কেননা কাবা ছিল আরবের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম কেন্দ্র (প্রতিবছর হজ্জকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ ছুটে আসতো ও জমজমাট মেলা অনুষ্ঠিত হতো)।
এই যুদ্ধ বিগ্রহ কিন্তু থেমে থাকে না, মক্কা বিজয়ের পরেও তা চলতে থাকে। মুহম্মদ সা. তাঁর ওফাতের আগ পর্যন্ত যুদ্ধ চালিয়ে গেছেন- কখনো নিজে পরিচালনা করে কখনো বা বাহিনী পাঠিয়ে। কেননা, সেসময় যুদ্ধ ছিল অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, এবং এই যুদ্ধ দিয়েই মুহম্মদ সা. এর রাষ্ট্রীয় কোষাগার পূর্ণ হতো, সেই সাথে মুহম্মদ সা ও তাঁর বাহিনীর ভরণ-পোষণও চলতো। তাই এই যুদ্ধ মুহম্মদ সা. এর ওফাতের পরেও থামে না, বরং অনেক গুণে বেড়ে যায়- আবু বকর রা, ওসমান রা, ওমর রা, আলী রা কারোর আমলেই যুদ্ধ থামেনি। এক ওমর রা আমলেই ৫০ এর অধিক অভিযানে বের হয়েছে মুসলমান বাহিনী। কিন্তু সমস্যা হয় অন্যত্র, সেটি হলো ক্ষমতার দ্বন্দ্ব, যার ফল আমরা দেখি খলিফাদের নির্মমভাবে খুন হতে, এবং করুণ পরিণতি পাই কারবালার প্রান্তরে। মুসলমানের রক্তে মুসলমানের হাত রঞ্জিত হওয়ার বীজ নিহিত কিন্তু মুহম্মদ সা. এর সেই যুদ্ধ নীতির মধ্যেই।
....... চলবে
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১:৪৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
গিফার বলেছেন:
ভাই আপনার নাম কি?
লেখক বলেছেন:
এরপরের প্রশ্ন কি হবে : ভাই আপনি থাকেন কই????????
gladiator বলেছেন:
তথ্যমুলক পোস্ট, নতুন অনেক কিছূ জানলাম +
লেখক বলেছেন:
ওহ ঠিক আছে....
নামঃ নাস্তিকের ধর্মকথা ব্লগের ভাই
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
সুন্দর।
তাওফিক বলেছেন:
ভাই আপনি সুস্থ আছেনতো?
লেখক বলেছেন:
কেন, এই লেখা পড়ে কি আপনি অসুস্থ বোধ করছেন???????
গিফার বলেছেন:
হুমম ঠিক আছে...ডাকনাম কি নাস্তিক ? আপনার জন্মের পর আপনার নাম আপনার মা বাবা কি রেখেছিলেন এইটা জানতে চেয়েছিলাম...
লেখক বলেছেন:
আমার বাবা মা যে নাম দিয়েছিল, সেটি কেন্দ্র করে একটি আইডেন্টিটি আছে আমার ঠিকই কিন্তু এখানে আমার যে আইডেন্টিটি তার পুরোটাই কিন্তু নাস্তিকের ধর্মকথা নামেই। অন্য কোন নাম তো এখানে অপ্রয়োজনীয়.........
এখানে আমি নাস্তিকের ধর্মকথাই.....
যেমন আপনারা কেউ গিফার, কেউ রাজামশাই, কেউ তাওফিক.....
রাজামশাই বলেছেন:
আমি পড়িক- কলা
খ- খই
গ - গরু
ঘ- ঘুম
ঙ - কোন শব্দ শুরু হয় না - শব্দের শেষে বসে
লেখক পড়ে
ক - কাকা
খ- খুড়িমার সাথে
গ-গভীর রাতে
ঘ - ঘুমাইতে গিয়া
ঙ- ঙঙঙঙঙঙঙঙঙঙঙঙঙঙঙঙঙঙ
লেখক বলেছেন:
বাহ বাহ!!!!!!!!!
তাওফিক বলেছেন:
পাগল নাকি!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!????
তাওফিক বলেছেন:
আসল নামডা কইতে লঝ্ঝা কিয়ের? ডরান কিয়ালাইগ্গা। লিখতে পাইললেন নামডা কইবার পারবানা ক্যান? দেখি আফনার মা বাই কেমুন নাম রাকছিল।
মুক্তকথা বলেছেন:
দারুণ। মনে আসে, মুখে কইতে পারি না। গোছাইয়া কইতে গেলে অনেক তথ্য লাগে। জবর! চালায়া যান।
++++++++++++++++++++++++++
মুক্তকথা বলেছেন:
একটা কথা হইল কি, এরা কিন্তু লেখা নিয়া কোনো কমেন্ট করবে না, নাম জিজ্ঞেস করবে। নামের পরে জিজ্ঞেস করবে, থাকস কই? তারপর কল্লা। ঐতিহাসিক রীতি কি না!!!
গিফার বলেছেন:
ভাই পারলে নামডা কন....না পারলে বলেন, নাম বলা যাবে নাহ...এত ঢং করেন কেন ? দেখি আপনার নাম টা কি রাখছে আপনার আব
গিফার বলেছেন:
কি ব্যাপার নাম কইতে সমস্যা কি?
নেমেসিস বলেছেন:
+++++লেখকের কাছে ইয়ামিনী কাবানিয়ে আরও কিছু জানতে চাই । ইন্টারেস্টিং লাগলো ইয়ামিনী কাবার সংক্ষিপ্ত ইতিহাসটা ।
কামাল ভাই বলেছেন:
গিফার তুমার আসল নাম কি?
বাংলা৭১ বলেছেন:
ভাই শেষ কবে হবে?
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
মানুষের পৃথিবী বলেছেন:
ফারজানার একপেশে পোস্টের একটি উপযুক্ত নাকভাঙা জবাব হয়েছে এটি। আমার কি মনে হয় জানেন? ওই যে সৌদি আরবের পতাকা তাই হলো ইসলামের আসল প্রতীক। তলোয়ারের উপর লাইলাহা...। বুঝলেন তো এই তলোয়ার থেকেই ইসলামের উৎপত্তি।
মোহাম্মদ জিয়াউল হক বলেছেন:
ভাই, থ্রি ফোর এর বাচ্চার মতো প্রলাপ বকতেছেল কেনো? ইসলামের সব আয়ার-ই তো ঘটনাভিত্তিক! এইভাবে সুবিধা করতে পারবেন না! একটা বুড্ধি দেই... যদি কিছু করা সম্ভব হয় তবে শুধুমাত্র ইন্টেলেকচুয়ালিটি পারবেন। এইসব করে লাভ হবে না।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















