আমার প্রিয় পোস্ট

সূর্যকে কেন্দ্র করে জ্যোতিষ্ক মন্ডলী ঘোরে

০৫ ই মে, ২০০৮ রাত ১০:০৪

শেয়ার করুন:                   Facebook

সূর্যকে কেন্দ্র করে জ্যোতিষ্ক মন্ডলী ঘোরে এইটা কুরআন মাজীদের "সূরা ইয়াসিন" এ আছে।

সূরা ইয়াসিন
আয়াত : ৩৬) তিনি পবিত্র ! যিনি উদ্ভিদ, মানুষ ও তাদের অজানা সমস্ত কিছুই সৃষ্টি করেছেন জোড়ায় জোড়ায় ৩৭) ও তাদের জন্য দৃষ্টান্ত রাত্রি, তা থেকে আমি দিনকে টেনে লই, তখন তারা অন্ধকারাচ্ছন্ন হয় ৩৮) ও সূর্য তার নিজ অক্ষে ঘুরিতেছে। ইহা পরাক্রমশালী প্রভুর নির্ধারিত ৩৯) আমি চন্দ্রকে যথাস্থানে বসিয়ে দিয়েছি এমনকি চন্দ্রটি শীর্ণ খেজুর পাতার মতো হয়ে যায়। ৪০) সূর্য চন্দ্রকে ধরতে পারে না ও রাত্রিও দিনকে আতিক্রম করতে পারে না। তারা নিজ নিজ কক্ষ পথে চলতেছে...

ব্যাখ্যাঃ
সূর্য তার নিজ অক্ষে ঘুরছে...স্থির ভাবে...
তারা প্রত্যেকেই নিজ নিজ কক্ষ পথে ঘুরছে... বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল.. সবার কক্ষপথ আলাদা।
সূর্য এদের মাঝখানে।
সৌরজগতের সংজ্ঞা হলো : "সূর্যকে কেন্দ্র করে যে জ্যোতিষ্কমন্ডলী ও গ্রহ-নক্ষত্রসমূহ ঘুরছে সেটাই সৌরজগত।"

ভুল সংশোধনীঃ
দুঃখিত ভুলবশত এটা হয়েছে !
জ্যোতিষ্কমন্ডলী ঠিক আছে... কিন্তু "নক্ষত্র" হবে না !
সৌরজগতের আসল সংজ্ঞা হলো : Moore W.G. has told- The group of celestial bodies consisting of the sun and the planets which revolve round is called solar system.

(সূর্য ও নক্ষত্রসমূহ নিয়ে মহাকাশে চারদিকে ঘূর্ণায়মান জগৎকে সৌরজগৎ বলে)


মূল পোস্টঃ Click This Link

 

 

  • ৫৬ টি মন্তব্য
  • ৫৯৮ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১৩ জনের ভাল লেগেছে, ১২ জনের ভাল লাগেনি
১. ০৫ ই মে, ২০০৮ রাত ১০:২৬
comment by: হাসিব মাহমুদ বলেছেন: সূর্যের মনে হয় নিজের কক্ষপথ আছে । নাকি ভুল বললাম ? বহুত আগে কি কি যেন পড়ছিলাম । ঠিক মনেও নাই ।
২. ০৫ ই মে, ২০০৮ রাত ১০:২৮
comment by: নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন: জ্যোতির্বিজ্ঞানের আঁধার মহাগ্রন্থ আল কোরআনের আরো কিছু বিজ্ঞানময় আয়াত, যার মাধ্যমে আজকের জ্যোতির্বিজ্ঞানের সমস্ত আবিষ্কার সম্ভব হয়েছেঃ

সুরা আল-কাহফঃ
আয়াত ৮৬:
পরে যখন তিনি সূর্য অস্ত যাবার স্থানে পৌঁছলেন, তিনি এটিকে দেখতে পেলেন কালো জলাশয়ে অস্তগমন করছে, আর তার কাছে পেলেন এক অধিবাসী। আমরা বললাম- "হে যুলক্কারনাইন, তোমরা শাস্তি দিতে পার অথবা এদের সদয়ভাবে গ্রহণ করতে পার"।

আয়াত ৯০: পরে যখন তিনি সূর্য উদয় হওয়ার জায়গায় পৌঁছলেন তখন তিনি এটিকে দেখতে পেলেন উদয় হচ্ছে এক অধিবাসীর উপরে যাদের জন্য আমরা এর থেকে কোন আবরণ বানাই নি
৩. ০৫ ই মে, ২০০৮ রাত ১০:৩২
comment by: সারাদিন বলেছেন: কপি পেস্ট। :) :( কী বুঝাইতে চাইলেন। হিমু সাব কি আপনের প্রিয় ব্লগার?
৪. ০৫ ই মে, ২০০৮ রাত ১০:৩২
comment by: কোবরা বলেছেন:
আমাদের নতুন করে ভূগোল শেখার জন্য কোন মাদ্রাসায় ভর্তি হতে হবে মনে হয়...:)
৫. ০৫ ই মে, ২০০৮ রাত ১০:৩৪
comment by: নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
সুরা ইয়াসীনঃ

৩৮: আর সূর্য তার গন্তব্য পথে (resting place ) বিচরণ করে। এটিই মহাশক্তিশালী সর্বাজ্ঞতার বিধান।
৩৯: আর চন্দ্রের বেলা- আমরা এর জন্য বিধান করেছি বিভিন্ন অবস্থান, শেষ পর্যন্ত তা পুরনো শুকনো খেজুরবৃন্তের ন্যায় হয়ে যাবে।
৪০: সূর্যের নিজের সাধ্য নেই চন্দ্রকে ধরার, রাতেরও নেই দিনকে অতিক্রম করার। আর সবকটিই কক্ষপথে ভাসছে।
৬. ০৫ ই মে, ২০০৮ রাত ১০:৩৮
comment by: অঞ্জনা বলেছেন: বুঝলাম না ভাইয়া। কি বুঝাতে চাইলেন?
০৫ ই মে, ২০০৮ রাত ১০:৪৫

লেখক বলেছেন:
পুরো বুঝার জন্য দুটি কাজ যত্ন সহকারে করতে হবেঃ

১। পোস্টে যে লিংক দেয়া আছে সেখানে ক্লিক করুন, এবং যে পোস্ট আসবে তার মন্তব্য সমূহ মনোযোগ সহকারে পুরোটা পড়েন।

২। আমার এই পোস্টের কাজ এখনো কমপ্লিট হয়নি। আমার কম্পলিটেড পুরো পোস্ট পড়ুন, তার জন্য একটু ধৈর্য ধরতে হবে।

৭. ০৫ ই মে, ২০০৮ রাত ১০:৪২
comment by: নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
সুরা লুকমানঃ

আয়াত ২৯: তুমি কি দেখনি যে তিনি রাতকে দিনের ভেতরে ঢুকিয়ে দেন এবং দিনকে দেন রাতের ভেতরে, এবং চন্দ্র ও সূর্যকে তিনি অনুগত করেছেন, প্রত্যেকটিই একটি নির্দিষ্ট কাল পর্যন্ত বিচরণ করে; আমরা তোমরা যা কর সে সম্পর্কে আল্লাহ নিশ্চয়ই পূর্ণ ওয়াকিবহাল।

সুরা আম্বিয়াঃ

আয়াত ৩৩: আর তিনিই সেই জন, যিনি রাত ও দিনকে এবং সূর্য ও চন্দ্রকে সৃষ্টি করেছেন। সবকটি কক্ষপথে ভেসে চলেছে।

৮. ০৫ ই মে, ২০০৮ রাত ১০:৪৩
comment by: বিবর্তনবাদী বলেছেন: ভাইজান, আমি কতিপয় অণুগল্প লিখিয়াছি। সময় পাইলে ঢুঁ মারিয়েন।
৯. ০৫ ই মে, ২০০৮ রাত ১১:১১
comment by: নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
সুরা লুকমানঃ

আয়াত ৩১: আর পৃথিবীতে আমরা পাহাড় পর্বত স্থাপন করেছি, পাছে তাদের সঙ্গে এটি আন্দোলিত হয়; আর ওতে আমরা বানিয়েছি চওড়া পথঘাট যেন তারা সৎপথ প্রাপ্ত হয়।

আয়াত ৩২: আর আমরা আকাশকে করেছি এক সুরক্ষিত ছাদ। কিন্তু তারা এর নিদর্শনাবলী থেকে বিমুখ থাকে।

সুরা আল হিজরঃ

আয়াত ১৯: আর পৃথিবী- আমরা তাকে প্রসারিত করেছি, আর তাতে স্থাপন করেছি পর্বতমালা, আর তাতে উৎপন্ন করেছি হরেক রকমের জিনিস সুপরিমিতভাবে।

সুরা আন নাবাঃ

আয়াত ৬: আমরা কি পৃথিবীটাকে পাতানো বিছানো রূপে বানাইনি?
আয়াত ৭: আর পাহাড় পর্বতকে খুঁটি রূপে?

সুরা আল বাক্বারাহঃ

আয়াত ২২: যিনি তোমাদের জন্য পৃথিবীকে ফরাশ (couch) বানিয়েছেন, আর আকাশকে চাঁদোয়া (canopy).....

সুরা লুকমানঃ

আয়াত ১০: তিনি মহাকাশমণ্ডলীকে সৃষ্টি করেছেন কোন খুঁটি ছাড়াই,- তোমরা তো দেখতেই পাচ্ছ; আর তিনি পৃথিবীতে স্থাপন করেছেন পর্বতমালা পাছে এটি তোমাদের নিয়ে ঢলে পড়ে....
০৬ ই মে, ২০০৮ রাত ১২:০৫

লেখক বলেছেন:
সংশোধনীঃ

সুরা লুকমানঃ

আয়াত ৩১: আর পৃথিবীতে আমরা পাহাড় পর্বত স্থাপন করেছি, পাছে তাদের সঙ্গে এটি আন্দোলিত হয়; আর ওতে আমরা বানিয়েছি চওড়া পথঘাট যেন তারা সৎপথ প্রাপ্ত হয়।

আয়াত ৩২: আর আমরা আকাশকে করেছি এক সুরক্ষিত ছাদ। কিন্তু তারা এর নিদর্শনাবলী থেকে বিমুখ থাকে।

======>>

এ আয়াত দুটো আসলে সুরা আল আম্বিয়ার

১০. ০৫ ই মে, ২০০৮ রাত ১১:১৪
comment by: একরামুল হক শামীম বলেছেন: হুমমম।
১১. ০৫ ই মে, ২০০৮ রাত ১১:১৬
comment by: নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
সুরা আল-মুলকঃ

আয়াত ৫: আর আমরা নিকটবর্তী আকাশকে সুশোভিত করে রেখেছি তারামালা দিয়ে, আর আমরা তাদের বানিয়েছি শয়তানের জন্য ভাঁওতার বিষয়; আর আমরা তাদের জন্য প্রস্তুত রেখেছি জ্বলন্ত আগুনের শাস্তি।
১২. ০৫ ই মে, ২০০৮ রাত ১১:২৮
comment by: নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
কোরআন তো অনেক হলো, এবারে হাদীস। জানেন বোধ হয়, কোরআনের পরেই কিন্তু ১টি হাদীস। কোরআন যদি হয় মহা মহা বিজ্ঞান গ্রন্থ, তবে হাদীস হলো মহা বিজ্ঞান গ্রন্থ।

সহীহ বুখারী শরীফঃ
ভলিউম ৪, বুক ৫৪, হাদীস ৪২১:


হযরত আবূ যর গিফারী রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদিন নবী করিম সা. আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, "আবূ যর, তুমি কি জান যে, অস্ত যাওয়ার পরে সূর্য কোথায় যায়?" আমি উত্তর করলাম, "আমি জানি না, একমাত্র আল্লাহর রাসুল সা. ই ভালো বলতে পারেন"। তখন তিনি বললেন, "অস্ত যাবার পরে সূর্য আল্লাহর আরশের নিচে অবস্থান করে এবং আবার পূর্বদিকে উদয় হওয়ার জন্য আল্লাহর আদেশের অপেক্ষায় থাকে। এমন দিন আসবে যখন সূর্য উদয়ের অনুমতি পাবে না এবং তখন পৃথিবীতে কেয়ামত নেমে আসবে"।
১৩. ০৫ ই মে, ২০০৮ রাত ১১:৩১
comment by: পন্ডিত বলেছেন: কিছু কিছু আয়াত এ সৃস্টিকর্তা বহুবচনবাচক কেন?
০৫ ই মে, ২০০৮ রাত ১১:৩৬

লেখক বলেছেন:
তাহা সেই আয়াতের সৃষ্টিকর্তাই জানেন...

১৪. ০৫ ই মে, ২০০৮ রাত ১১:৪৩
comment by: আলফ্রেড খোকন বলেছেন: সহি সাহাবদের কালামের পড়া পানিতে ক্রিমি যায় না, ক্রিমি যায় স্যান্টোনাইন সেবনে- আরজ আলী মাতুব্বর
১৫. ০৫ ই মে, ২০০৮ রাত ১১:৪৪
comment by: পন্ডিত বলেছেন: আপনি অনুবাদ জনিত ভুল কে ওভারলুক করছেন কি ? স্বয়ং সৃস্টিকর্তা কিভাবে নিজেই এমন করে বিভ্রান্তির সৃস্টি করবেন একই বই য়ে ।
০৫ ই মে, ২০০৮ রাত ১১:৫৭

লেখক বলেছেন:
বাংলায় অনুবাদে আমরা, আর ইংরেজীতে উই নেয়া হয়েছে।

ঠিক আছে, আমি মূল আরবীটা একটু দেখে আপনাকে জানাচ্ছি.....

১৬. ০৫ ই মে, ২০০৮ রাত ১১:৫৩
comment by: বড় হুজুর বলেছেন: পন্ডিত বলেছেন: কিছু কিছু আয়াত এ সৃস্টিকর্তা বহুবচনবাচক কেন

আরবি ভাষায় ব হুবচন ব্যব হার করা হয় সন্মানার্থে।
যেমন, বলা হয় "আছ্ছালামুআলাইকুম" এখানে "কুম" শব্দটি
ব হুবচন , কিন্তু একজনকে সালাম দিতে ব্যব হার করা হচ্ছে।

সেরকমটাই মনে হয় কোরআনে ব্যব হার করা হয়েছে।
১৭. ০৫ ই মে, ২০০৮ রাত ১১:৫৪
comment by: বড় হুজুর বলেছেন: তবে ওয়ালী ভালো বলতে পারবেন।


তিঁনি ৫-৬ টি ভাষা জানেন।
১৮. ০৬ ই মে, ২০০৮ রাত ১২:০৭
comment by: সবাক বলেছেন:
এত চালাক তুমি !!

আরজআলীর ছবিতে তোমার অস্তিত্ব আছে বুঝে ফেলেছি।

ভালো থেকো ভাই।
১৯. ০৬ ই মে, ২০০৮ রাত ১২:১২
comment by: ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন: নাস্তিক সাব আপনের অনেক পোষ্ট দেখলাম ।কোরআনকে আপনার মনগড়া ভাবে তাফসীর করেন তা যার সামান্য বুদ্বী আছে সে বুঝতে পারে।
আপনি বোখারী শরীফের বরাত দেন তা সবই ম্যানিপুলেটেড।
মানে নিজেই বিকৃত করে পোষ্টে দেন।

আর শোন কোরআন তাফসীর করার জন্য কি যোগ্যতা লাগে তা তোমার জানা আছে??

আপনার সকল পোষ্টেই কোরআন ও হাদীসের যেভাবে বিকৃত মানে মূল অংশ হতে কিছু যোজন বা বিয়োজন দিয়েছেন আপনার ইচ্ছা অনুসারে।

এই ব্লগে যারা ইসলাম নিয়ে পোষ্ট দেয় আমার মনে হয় এরা কখনো বোখারী শরীফ এক খন্ড ও পড়ে নাই।
আর কোরানের তাফসীর নিয়ে তাদের আছে সীমিত গেআন।

বিস্তারিত লেখা আরও আছে পরে আলোচনা হবে।

তবে সবশেষে জানটে চাই আপনার শিক্ষক ছিল কারা??
যারা আপনাকে ম্যানিপুলেটেড কোরআন ও হাদীস শিখিয়েছে।

আমি দেশের বাইরে একটু ঝামেলায় আছি তা না হলে আপনাকে দেখাতাম ১ টা ১টা করে সব ম্যানিপুলেশান।




সবর রে ভাই সবর কর।
০৬ ই মে, ২০০৮ রাত ১২:৩৪

লেখক বলেছেন:
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার ঝামেলা তাড়াতাড়ি শেষ হোক এই প্রত্যাশা করি। আমার আলোচনার ম্যানিপুলেশন আপনি ১ টা ১টা করে ধরিয়ে চেয়েছেন, আমি তার জন্য অপেক্ষায় থাকলাম।

এবং আশা করবো, আপনি শুধু আপনার ব্যাখ্যা দিয়ে বা ভুল ধরিয়ে দিয়ে বা আমাকে জ্ঞানদান করেই হাওয়া হবেন না- (অনেকের মতো), আপনার আলোচনার পরেও যদি আমার কোন বক্তব্য থাকে - সেগুলোকেও খণ্ডন করবেন....


আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

২০. ০৬ ই মে, ২০০৮ রাত ১২:১৩
comment by: নূহান বলেছেন: চালিয়ে যান
২১. ০৬ ই মে, ২০০৮ রাত ১২:২১
comment by: সবাক বলেছেন:
ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বিদেশে জ্ঞানের রেণু করাইতে গেছেন, আইলে খবর আছে!!

লেখক সাবধান। আর আমিও....
২২. ০৬ ই মে, ২০০৮ রাত ১২:২৭
comment by: মাইনুল বলেছেন: আপনি আগে সাইন্স শিখুন তার পরে জ্ঞান দিতে আইসেন। সূর্যের কি কক্ষপথ নাই। সূ্র্য সেই কক্ষ পথে ঘুরে এইটা আগে শিখে আসেন।
০৬ ই মে, ২০০৮ রাত ১২:৩৮

লেখক বলেছেন:
আমার ভাই কোরআনিক সাইন্সে যথেষ্ট আস্থা, বিধর্মী- নাসারাদের সাইন্স আমাকে শেখতে বলবেন না। দেখলেন না, পুরো পোস্ট জুড়ে কি সুন্দর কোরআনিক সাইন্স তুলে দিলাম, এর বাইরে কি কিছু আছে... ওগুলো সব কোরআন থেকেই কপি করে বিধর্মীরা নিজেদের নামে চালিয়ে দিয়েছে....

২৩. ০৬ ই মে, ২০০৮ রাত ১২:২৮
comment by: নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
পণ্ডিত,

মূল আরবী দেখলাম। সেখানেও বহুবচন ব্যবহার করা হয়েছে।

সুরা আম্বিয়ার ৩১ নং আয়াতের অনুবাদঃ

আর পৃথিবীতে আমরা পাহাড় পর্বত স্থাপন করেছি, পাছে তাদের সঙ্গে এটি আন্দোলিত হয়; ....

আরবীতে (আরবী হরফ টাইপ করতে পারি না, কেউ যদি শিখিয়ে দিতেন, অথবা আরবী কোরআনের কোন লিংক দিতেন, বড়ই উপকৃত হতাম): অজ্বাআলনা ফ্বিল রাওয়াছিয়া আন তামীদা বিহিম ....

আরবীতে ক্রিয়াপদ (ফি'ল) অনেক গুরুত্বপূর্ণ, এটি দেখেই বচন ও পুরুষ বুঝা যায়। সাধারণ অতীতে উত্তম পুরুষ একবচনের সীগা হলোঃ ফা'য়ালতু আর দ্বিবচন/বহুবচনের ক্ষেত্রে ফা'য়ালনা হয়।

আলোচ্য আয়াতে ক্রিয়া পদ অজ্বা'আলনা, তাই অর্থ হবে আমরা সৃষ্টি/স্থাপন/তৈরি করেছি...

একবচন করতে গেলে ক্রিয়ার রূপটি হতো অজ্বা'আলতু...


ধন্যবাদ।
২৪. ০৬ ই মে, ২০০৮ রাত ১২:২৯
comment by: মাইনুল বলেছেন: কোরানে আল্লাহর নাম বহু স্থানে বহুবচনে ব্যবহার করা হয় , আল্লাহর গুনাবলিকে বুঝাবার জন্য।
২৫. ০৬ ই মে, ২০০৮ রাত ১:২৩
comment by: অমিত বলেছেন: আইচ্ছা আল্লাহর আরশ ব্যাপরাটা কি কেউ জানেন নাকি ?? গদি টাইপের কিছু নাকি !!!
২৬. ০৬ ই মে, ২০০৮ রাত ৩:২৩
comment by: দ্বীপবালক বলেছেন: ছাগলীয় মস্তকে সত্য কদাপি সরল্পথে প্রবেশ করেনা। কুপের ব্যাঙ সমুদ্রে ঝম্প দিয়া তীরের দিশা হারাইয়া হাবুডুবু খাইতে খাইতে মরণ দশায় পৌঁছাইয়া কিছু সামান্য বমন করিয়া দিয়া মনে করিল যে সে গোটা সমুদ্রের জলকে অপরিচ্ছন্ন করিয়া দিয়াছে।
নিজেকে পণ্ডিত মনে করিলেই সবাই পণ্ডিত হইয়া যায়না। আকাশপানে থুথু ছঁড়িলে তাহা নিজের মুখমণ্ডলেই আসিয়া পড়ে।

মূর্খতাপূর্ণ পোস্টে সীমাহীন মাইনাস।
২৭. ০৬ ই মে, ২০০৮ ভোর ৫:৩৪
comment by: রামন বলেছেন: নাস্তিক সাহেব, এ পৃথিবীর সকল জীব জানোয়ার পাহাড়-পর্বত ,চন্দ্র সূর্য গ্রহ নক্ষত্র সকলই আল্লাহ সৃষ্টি করিয়াছেন । আল্লাহর নির্দেশে যার যার অবস্হান থেকে সে তার কাজ সম্পাদন করিয়া আসিতেছে । এখন চন্দ্র বা সূর্য কি করিল বা না করিল সেটা মানব জাতীর দেখার বিষয় নয় ।বিশ্বের এই ক্রান্তিকালে আল্লাহর আদেশ আনেকেই পালন করে না, আর সে জন্যই আাল্লাহতায়ালা কিয়ামতের ব্যবস্হা করিয়া রাখিয়াছেন।
২৮. ০৬ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:২১
comment by: উন্মনা রহমান বলেছেন: আবোল তাবোল বালসুলভ কথাবার্তা নিয়ে এত গবেষণা করার কিছু আছে কী?

ইয়াসিন ৩৯ এ দেখা যাচ্ছে যে চন্দ্র স্থির। চন্দ্র যে পৃথিবীর উপগ্রহ, সেরকম কোন কথাই নেই। আবার ৪০ এ দেখা যায় চন্দ্র-সূর্য, রাত-দিন সবই কক্ষপথে ঘুরছে! চন্দ্র আর সূর্যকে একই প্রকৃতির বস্তু মনে করা হয়েছে। রাত-দিনের কক্ষপথ আবার কী জিনিস?

আল কাহফের ৮৯-৯০ এ দেখা যায় সূর্য জলাশয়ে অস্ত যায়! সেখানে আবার এক ব্যক্তিকে পাওয়া যায়। অর্থাৎ সূর্যের উপাদান, দূরত্ব, তাপমাত্রা- এসব সম্পর্কে রচয়িতার কোন ধারণাই ছিল না। ইয়াসিন ৩৯ এ বলা হয়েছে চন্দ্র কয়েকটা অবস্থানে থাকে এবং আকৃতি বদলায়। একবার বলছে স্থির, আরেকবার বলছে অবস্থান বদলায়। পৃথিবীর ছায়া পড়ার জন্য যে চাঁদ শীর্ণকায় দেখায়, সে তথ্য জানা না থাকায় বলা হয়েছে আকৃতি বদলায়।

সুরা লোকমানে দেখা যায়, পৃথিবী হচ্ছে সমতল, আকাশ হচ্ছে খুঁটি ছাড়া ছাদ। পাহাড়-পর্বত বসিয়ে পৃথিবীকে স্থির করা হয়েছে যেন নড়াচড়া না করে, হেলে পড়ে না যায়। অর্থাৎ পৃথিবী যে গোলাকার, তা যে নিজের অক্ষকে কেন্দ্র করে ঘুরছে, আবার সূর্যকে কেন্দ্র করেও ঘুরছে, সেসব ধারণা রচয়িতার ছিল না। আর মাধ্যাকর্ষনের বিষয় জানা না থাকায় বলা হয়েছে যে পৃথিবী 'পড়ে' যাবে!

এস্ট্রোনমির চর্চা প্রাচীন কাল থেকেই বিভিন্ন সভ্যতার মাঝে চলে আসছে, যেসব সভ্যতার কয়েকটি লুপ্তও হয়ে গেছে। ১৪০০ বছর আগে খোঁজখবর নিলে অনেক সঠিক তথ্য সন্নিবেশ করা যেত।

একসময় মানুষ রুপকথা বিশ্বাস করতো। পুরস্কারের লোভ এবং শাস্তির ভয় দেখিয়ে মানুষের অপরাধ প্রবৃত্তি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হতো। কিন্তু এখন তো মানুষ অনেক সভ্য, অনেক জ্ঞানচর্চা করছে। এখনো কেন মানুষকে ছেলেমানুষি গল্প শুনিয়ে বুঝিয়ে শুনিয়ে রাখতে হবে।

তারপরেও কথা থাকে এই যে, সব মানুষের চিন্তা-চেতনা, আত্মবিশ্বাস, উপলব্ধি, আত্মনিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা, বোঝার ক্ষমতা, পড়াশোনা এসব সমান হয় না। যারা একটা বিশ্বাস নিয়ে শান্তি পেতে চায়, পাক। কিন্তু ঐ বিশ্বাসকে যুক্তিসঙ্গত বলে প্রমাণের চেষ্টা করাটা হাস্যকর এবং অন্যদের ওপর জোরপূর্বক চাপানোর চেষ্টাটা অপরাধ। আর বিশ্বাসীদের সাথে যুক্তি-তর্ক করা মানে সময় নষ্ট করা এবং তাদেরকে গুরুত্ব দেওয়া।
২৯. ০৬ ই মে, ২০০৮ সকাল ৯:২৬
comment by: তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন: ধূর মিয়া, এত ভুল করেন ক্যা?


সূর্য পৃথিবীর চারিদিকে ঘুরতাছে। এইডাই সবচাইতে বড় সইত্য।
৩০. ০৬ ই মে, ২০০৮ সকাল ১১:১৯
comment by: বৃত্তবন্দী বলেছেন: আরবী কোরাণ কিন্তু ছবি হিসাবে

Click This Link


http://quran.al-islam.com/
৩১. ০৬ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪২
comment by: সক্রেটিস বলেছেন: সো? আমিতো কোন সমস্যা দেখি না।

আয়াত ৮৬: পরে যখন তিনি সূর্য অস্ত যাবার স্থানে পৌঁছলেন, তিনি এটিকে দেখতে পেলেন কালো জলাশয়ে অস্তগমন করছে, আর তার কাছে পেলেন এক অধিবাসী। আমরা বললাম- "হে যুলক্কারনাইন, তোমরা শাস্তি দিতে পার অথবা এদের সদয়ভাবে গ্রহণ করতে পার"।

কুয়াকাটাতে একই সাথে দেখা যায় সূর্য অস্ত যাচ্ছে সাবার উঠছে সাগর থেকেই। এখানে যে কোন ব্যক্তির মনেই হতে পারে জলাশয় থেকেই সূর্য ঊঠে আর অস্ত যায়। এখানে একটা ঘটনার বর্ননা দেওয়া হচ্ছে। যুল্কারনাইন এর কাছে মনে হচ্ছে সেটা। কিন্তু কোরান কি স্পস্ট বলছে যে সূর্য তাই করে???

আর কোর-আন কোন এ্যস্ট্রনমির বই না যে ধরে ধরে বলা হবে- এটা অটার উপগ্রহ, এর দুরত্ব অনেক...
৩২. ০৮ ই মে, ২০০৮ রাত ৯:৩২
comment by: নাজিম উদদীন বলেছেন: কুয়াকাটাতে একই সাথে দেখা যায় সূর্য অস্ত যাচ্ছে সাবার উঠছে সাগর থেকেই। এখানে যে কোন ব্যক্তির মনেই হতে পারে জলাশয় থেকেই সূর্য ঊঠে আর অস্ত যায়। হা হা হা..।

সর্বশক্তিমান সৃষ্টিকর্তার সৌরজ্ঞান এত কাঁচা হবে ভাবা যায় না। আর কোরান হল সর্বকালের মানবজাতির জন্যে নির্ভুল বিধান, ওখানে যা বলা আছে তাই সত্য !!!! এখন কোন তথ্য ভুল পাওয়া গেলে ততকালীন সমাজের জ্ঞান-বিজ্ঞানের সীমা-পরিসীমার যুক্তি অকার্যকর, কারণ কোরান রচনা করেছেন স্বয়ং আল্লাহ, মুসলিম মতে যিনি সব জানেন।
৩৩. ১২ ই মে, ২০০৮ রাত ৯:১৯
comment by: সক্রেটিস বলেছেন: অবশেষে তিনি যখন সুর্যের অস্তাচলে পৌছলেন; তখন তিনি সুর্যকে এক পঙ্কিল জলাশয়ে অস্ত যেতে দেখলেন এবং তিনি সেখানে এক সম্প্রদায়কে দেখতে পেলেন| আমি বললাম, হে যুলকারনাইন! আপনি তাদেরকে শাস্তি দিতে পারেন অথবা তাদেরকে সদয়ভাবে গ্রহণ করতে পারেন| (http://www.quraanshareef.org)

এখানে যুলকারনাইন দেখছেন (তাঁর এর কাছে মনে হচ্ছে) সুর্যকে এক পঙ্কিল জলাশয়ে অস্ত যেতে।

এই আয়াতে থিওরী দেওয়া হচ্ছে না, শুধু একটা ঘটনা'র বর্ননা দেওয়া হচ্ছে।
৩৪. ১৮ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৪
comment by: মোহাইমেন বলেছেন: @পন্ডিত বলেছেন: কিছু কিছু আয়াত এ সৃস্টিকর্তা বহুবচনবাচক কেন?

লেখক বলেছেন:
তাহা সেই আয়াতের সৃষ্টিকর্তাই জানেন...

-----------------------
@পন্ডিত বলেছেন: আপনি অনুবাদ জনিত ভুল কে ওভারলুক করছেন কি ? স্বয়ং সৃস্টিকর্তা কিভাবে নিজেই এমন করে বিভ্রান্তির সৃস্টি করবেন একই বই য়ে ।

লেখক বলেছেন:
বাংলায় অনুবাদে আমরা, আর ইংরেজীতে উই নেয়া হয়েছে।

ঠিক আছে, আমি মূল আরবীটা একটু দেখে আপনাকে জানাচ্ছি.....
------------------------------
@নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
পণ্ডিত,

মূল আরবী দেখলাম। সেখানেও বহুবচন ব্যবহার করা হয়েছে।

সুরা আম্বিয়ার ৩১ নং আয়াতের অনুবাদঃ

আর পৃথিবীতে আমরা পাহাড় পর্বত স্থাপন করেছি, পাছে তাদের সঙ্গে এটি আন্দোলিত হয়; ....

আরবীতে (আরবী হরফ টাইপ করতে পারি না, কেউ যদি শিখিয়ে দিতেন, অথবা আরবী কোরআনের কোন লিংক দিতেন, বড়ই উপকৃত হতাম): অজ্বাআলনা ফ্বিল রাওয়াছিয়া আন তামীদা বিহিম ....

আরবীতে ক্রিয়াপদ (ফি'ল) অনেক গুরুত্বপূর্ণ, এটি দেখেই বচন ও পুরুষ বুঝা যায়। সাধারণ অতীতে উত্তম পুরুষ একবচনের সীগা হলোঃ ফা'য়ালতু আর দ্বিবচন/বহুবচনের ক্ষেত্রে ফা'য়ালনা হয়।

আলোচ্য আয়াতে ক্রিয়া পদ অজ্বা'আলনা, তাই অর্থ হবে আমরা সৃষ্টি/স্থাপন/তৈরি করেছি...

একবচন করতে গেলে ক্রিয়ার রূপটি হতো অজ্বা'আলতু...


ধন্যবাদ।

--------------------------------
ক্ষুদ্র পড়াশোনা করে যা পেয়েছি -

4. QUR’AN USES ‘WE’ FOR ALLAH

Question:

Does Islam believe in several gods because the Qur’an uses the word ‘We’ when God speaks in the Qur’an?

Answer:

Islam is a strictly monotheistic religion. It believes in and adheres to uncompromising monotheism. It believes that God is one, and unique in His attributes. In the Qur’an, God often refers to Himself using the word ‘We’. But this does not mean that Islam believes in the existence of more than one God.

Two types of plural

In several languages, there are two types of plurals, one is a plural of numbers to refer to something that occurs in a quantity of more than one. The other plural is a plural of respect.
a. In the English language, the Queen of England refers to herself as ‘We’ instead of ‘I’. This is known as the ‘royal plural’.
b. Rajiv Gandhi, the ex-Prime Minister of India used to say in Hindi "Hum dekhna chahte hain". "We want to see." ‘Hum’ means ‘We’ which is again a royal plural in Hindi.
c. Similarly in Arabic, when Allah refers to Himself in the Qur’an, He often uses Arabic word 'Nahnu' meaning ‘We’. It does not indicate plural of number but plural of respect.

Tawheed or monotheism is one of the pillars of Islam. The existence and uniqueness of one and only one God is mentioned several times in the Qur’an. For instance in Surah Ikhlas, it says :

"Say He is Allah the One and Only."
[Al-Qur’an 112: 1]

উত্স: Click This Link
১৮ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:০৩

লেখক বলেছেন: আপনার কমেন্ট পড়লাম, আপনাকে ধন্যবাদ।

তবে, আরবীতে প্লুরাল সম্মানার্থেও ব্যবহৃত হয়, এটার ইংরেজী-হিন্দী মিলিয়ে যে উদাহরণ দিলেন সেটি পুরোপুরি মিলে না।

কেননা, ইংরেজীতে প্লুরালকে সম্মানার্থে ব্যবহার মোস্ট রেয়ার কেজ, প্লুরাল মানে স্বাভাবিকভাবে একাধিক জনই সচরাচর মাথায় আসে। কিন্তু আরবীতে সেটা খুবই নৈমত্তিক। শুধু রয়াল ইউজ নয়, আল্লাহকে বুঝানোর জন্যই নয়- আমি যদি আপনাকে সম্মান দিয়ে কথা বলি- তবে সেখানেও বহুবচন ব্যবহার করতে পারি।

ধরেন, কাইফা হালুকা - মানে আপনি কেমন আছেন- সেখানে যদি বলি কাইফা হালুকুম- সেখানেও কুম(প্লুরাল) থাকার পরেও আপনি কেমন বুঝাতে পারা যায়- যেখানে আপনি সম্মানার্থে ব্যবহৃত।

৩৫. ১৮ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৭
comment by: মোহাইমেন বলেছেন: @উন্মনা রহমান ও ন:ধ: কে-

আপনাদের জ্ঞানকে শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে বলছি -
আপনাদের জ্ঞানকে বিকশিত করেছেন বিদ্যা অজর্নের মাধ্যমে। বিদ্যার কোনো সীমারেখা নাই। আর আপনি সায়েন্সকে মানদন্ড হিসেবে নিয়েছেন। কিন্তু মানুষের সায়েন্সতো নিয়ত পরিবর্তনশীল। একটা আবিষ্কার, একটা মডেল, একটা থিওরী প্রবর্তনের সাথে সাথে আগেরগুলো রিভিশন হয় অথবা বাতিল হয় । কোরান কিন্তু পরিবর্তন হ্য় নি এবং হবে না । কারন, কোরান সত্য এবং আল্লার পরমবাদ বর্ননা করা হয়েছে, চিন্তাশীল মানুষকে ভাববার সুযোগ করে দিয়েছে ।

আপনাকে আপনার নাস্তিকতার দৃষ্টিকোণ থেকে প্রশ্নের উত্তর খোজার জন্য আহ্বান করছি -

১. কোরানের আয়াত কেন ধারাবাহিক কোন বিষয়ভিত্তিক ভাবে আসে নি ?
২. কোরানে কি থিওরীর কথা বলা হয়েছে নাকি ফ্যাক্ট নিয়ে আলোচনা বলা হয়েছে ?

যাই হোক, পরে আরো প্রশ্ন-উত্তর করা যাবে। প্রাসংগিক আলোচনাতে আসি -

আপনার কথামতো চাদের স্থিরতা নিয়া অনেক খোজাখুজি করলাম, পেলাম না । সুরা ইয়াছিন এর ৩৯ এ বলা হয়েছে অবস্হানের পরিবতর্নের কথা । পৃথিবীর জন্য যা নি্য়ামক হিসেবে কাজ করছে (উদাহরন: জোয়ার-ভাটা) এবং এর এক পযার্য়ে তা আপাত নিষ্ক্রিয় হয়ে যাচ্ছে, এবং পুনরাবৃত্তি ঘটছে ।

আর কক্ষপথের বিজ্ঞানের সাধারন সংগা জানুন ।






১৮ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:১৩

লেখক বলেছেন:
কক্ষপথের সংজ্ঞা কি??

৩৬. ১৮ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৩
comment by: মোহাইমেন বলেছেন: 8. DOES THE QUR’AN SAY THAT THE EARTH IS FLAT?

Question

Qur’an says that Allah has made the earth for you as a carpet. This gives an indication that the earth is flat. Does this not contradict established modern science?

Answer
1. Earth made as a carpet

The question refers to a verse from the Qur’an in Surah Nuh:

"And Allah has made the earth for you as a carpet (spread out)."
[Al-Qur’an 71:19]

But the sentence in the above verse is not complete. It continues in the next verse, explaining the previous verse. It says:

"That ye may go about therein, in spacious roads."
[Al-Qur’an 71:20]

A similar message is repeated in Surah TaHa:

"He Who has made for you the earth like a carpet spread out; has enabled you to go about therein by roads (and channels)...."
[Al-Qur’an 20:53]

The surface of the earth i.e. earth’s crust is less than 30 miles in thickness and is very thin as compared to the radius of the earth which is about 3750 miles. The deeper layers of the earth are very hot, fluid and hostile to any form of life. The earth’s crust is a solidified shell on which we can live. The Qur’an rightly refers to it like a carpet spread out, so that we can travel along its roads and paths.
2. Carpet can also be spread on other than an absolute flat surface

Not a single verse of the Qur’an says that the earth is flat. The Qur’an only compares the earth’s crust with a carpet. Some people seem to think that carpet can only be put on an absolute flat surface. It is possible to spread a carpet on a large sphere such as the earth. It can easily be demonstrated by taking a huge model of the earth’s globe covering it with a carpet.

Carpet is generally put on a surface, which is not very comfortable to walk on. The Qur’an describes the earth crust as a carpet, without which human beings would not be able to survive because of the hot, fluid and hostile environment beneath it. The Qur’an is thus not only logical, it is mentioning a scientific fact that was discovered by geologists centuries later.
3. Earth has been spread out

Similarly, the Qur’an says in several verses that the earth has been spread out.

"And We have spread out the (spacious) earth: how excellently We do spread out!"
[Al-Qur’an 51:48]

Similarly the Qur’an also mentions in several other verses that the earth is an expanse:

"Have We not made the earth as a wide expanse"
"And the mountains as pegs?"
[Al-Qur’an 78:6-7]

None of these verses of the Qur’an contain even the slightest implication that the earth is flat. It only indicates that the earth is spacious and the reason for this spaciousness of the earth is mentioned. The Glorious Qur’an says:

"O My servants who believe! truly. spacious is My Earth: therefore serve ye Me –(And Me alone)!"
[Al-Qur’an 29:56]

Therefore none can give the excuse, that he could not do good and was forced to do evil because of the surroundings and circumstances.
4. Earth is geospherical in shape

The Qur’an mentions the actual shape of the earth in the following verse:

"And we have made the earth egg shaped".
[Al-Qur’an 79:30]

The Arabic word Dahaha means egg shaped. It also means an expanse. Dahaha is derived from Duhiya which specifically refers to the egg of an ostrich which is geospherical in shape, exactly like the shape of the earth.
Thus the Qur’an and modern established science are in perfect harmony.



the egg of an ostrich : Click This Link


১৮ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:২৫

লেখক বলেছেন:
৭৯ নং সুরা হলো সুরা আন নাযিআত। এটির ৩০ নং আয়াতটি এই সাইটে ( Click This Link) এরকমঃ
وَالْأَرْضَ بَعْدَ ذَلِكَ دَحَاهَا (30
পৃথিবীকে এরপরে তিনি বিস্তৃত করেছেন
And after that He spread the earth;

আর, ডঃ জ হুরুল হকের অনুবাদঃ
আর পৃথিবী- এর পরে তাকে প্রসারিত করেছেন।

আরেকটি সাইটে ( http://www.usc.edu/dept/MSA/quran/079.qmt.html) আছে তিনজনের অনুবাদ, সেটি দেখুনঃ

079.030
YUSUFALI: And the earth, moreover, hath He extended (to a wide expanse);
PICKTHAL: And after that He spread the earth,
SHAKIR: And the earth, He expanded it after that.


============

কোন জায়গাতেই তো ডিম্ব বলে কিছু পাইলাম না!!!!

৩৭. ১৮ ই মে, ২০০৮ রাত ৯:০৮
comment by: মোহাইমেন বলেছেন: আপনার অনুবাদ অনকেই করেছেন। আপনিও করতে পারবেন, কিন্তু গ্রহন যোগত্যা হলো কথা -

আমার রেফারেন্স হলো ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশন -
Click This Link


আর এই সাইট গুলো থেকে কোনো রেফারেন্স নিলে তা গ্রহনযোগ্য হবে না-

1. http://www.answering- islam.org
(operated by christians, stated clearly in the ABOUT US page)
2. http://www.aboutislam. com
3. http://www.thequran. com (states Quranic Errors - WTF !!!)
4. http://www.allahassurance. com (Pathetic Search engine)


১৮ ই মে, ২০০৮ রাত ১০:৩৪

লেখক বলেছেন:
আপনি যে লিংক দিয়েছেন সেটিতে তো কোন অনুবাদ পেলাম না।

আমি যেসব লিংক থেকে অনুবাদ দিয়েছি সেগুলো কিন্তু আপনার লিস্টের বাইরে।

যাহোক, আপনি আমাকে একটা অথেন্টিক অনুবাদের লিংক দেন- সেখানেই দেখি ডিম্ব পাওয়া যায় কি না।

৩৮. ১৯ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৪
comment by: মোহাইমেন বলেছেন: উপরোক্ত লিংক এ ইংরেজী অনুবাদসহ ব্যাখ্যা আছে, আপনার চোখ হয়তো এড়িয়ে গেছে । আবার মুল অংশটুকু দিচ্ছি -

The Qur’an mentions the actual shape of the earth in the following verse:

"And we have made the earth egg shaped".
[Al-Qur’an 79:30]

The Arabic word Dahaha means egg shaped. It also means an expanse. Dahaha is derived from Duhiya which specifically refers to the egg of an ostrich which is geospherical in shape, exactly like the shape of the earth.
১৯ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৩

লেখক বলেছেন:
আপনার লিংকের এই আলোচনাতো আপনার আগের কমেন্টেই দিয়েছিলেন। কিন্তু আমি চাচ্ছিলাম- কোরানের কোন অনুবাদ বা তাফসীরের লিংক যেখানে ডিম্বের কথা আছে!!!

দেখেন আমি আরো কিছু লিংক দিচ্ছিঃ

ইবনে খাতির কে কি বলবেন পাশ্চাত্যের কোন গো+এষক?? তার তাফসীর থেকে তুলে দিচ্ছিঃ

.... Then Allah says,


[وَالاٌّرْضَ بَعْدَ ذَلِكَ دَحَـهَا ]


(And after that He spread the earth,) He explains this statement by the statement that follows it,


[أَخْرَجَ مِنْهَا مَآءَهَا وَمَرْعَـهَا ]


(And brought forth therefrom its water and its pasture.) It already has been mentioned previously in Surat Ha Mim As-Sajdah that the earth was created before the heaven was created, but it was only spread out after the creation of the heaven. This means that He brought out what was in it with a forceful action. This is the meaning of what was said by Ibn `Abbas and others, and it was the explanation preferred by Ibn Jarir. In reference to the statement of Allah,


[وَالْجِبَالَ أَرْسَـهَا ]


(And the mountains He has fixed firmly,) meaning, He settled them, made them firm, and established them in their places. And He is the Most Wise, the All-Knowing. He is Most Kind to His creation, Most Merciful. Allah then says,


[مَتَـعاً لَّكُمْ وَلاًّنْعَـمِكُمْ ]


(As provision and benefit for you and your cattle.) meaning, He spread out the earth, caused its springs to gush forth, brought forth its hidden benefits, caused its rivers to flow, and caused its vegetation, trees, and fruits to grow. He also made its mountains firm so that it (the earth) would be calmly settled with its dwellers, and He stabilized its dwelling places. All of this is a means of beneficial enjoyment for His creatures (mankind) providing them of what cattle they need, which they eat and ride upon. He has granted them these beneficial things for the period that they need them, in this worldly abode, until the end of time and the expiration of this life.

লিংকঃ
Click This Link


ভাই কোথাও কোন ডিম্ব পাইতেছি না!!!!!!!!

৩৯. ১৯ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৪:০৯
comment by: উন্মনা রহমান বলেছেন:

প্রয়াত টিএন্ডটি এর ইন্জিনিয়ার নূরুল ইসলামের কয়েকটা বিখ্যাত বই আছে- বিজ্ঞান না কোরান? পৃথিবী নয় সূর্য ঘোরে।

মজার বিষয় হচ্ছে কোরানের বক্তব্যের ঘুরিয়ে প্যাচিয়ে ব্যখ্যা করে যেকোন ভাবে হোক, বিজ্ঞানের সাথে মিলিয়ে সত্য প্রমাণের চেষ্টা করা হয়। বিজ্ঞানীরা কিছু আবিষ্কার করলেই সেটা কোরানে আগে থেকেই ছিল, এটা প্রমাণের চেষ্টা শুরু হয়ে যায়। অর্থাৎ আধুনিককালে ধর্ম তার অস্তিত্বরক্ষায় বিজ্ঞানের কাছে আশ্রয় খোঁজে। অথচ মধ্যযুগে ধর্ম সরাসরি বিজ্ঞানের বিরোধিতা করতো।

ধর্মগ্রন্থের তথ্যের সঠিকতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, কিন্তু বিজ্ঞান নিয়ে প্রশ্ন ওঠে না। কালো আঙুর খাওয়া হৃদরোগের জন্য ভাল, শুধু গবেষণালবদ্ধ এই নিউজের জন্যই আমেরিকায় ঐ আঙুরের বিক্রি নাকি ৪০% বেড়ে গেছে। আঙুর ব্যবসায়ীরা দিনরাত মিডিয়াতে বিজ্ঞাপন দিলেও এটা সম্ভব ছিল না, যা ছোট একটা নিউজের জন্য সম্ভব হয়েছে। এর মানে হলো, মানুষ বোঝে কোনটা বিশ্বাসযোগ্য, কোনটা নয়।

৪০. ১৯ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৮
comment by: মোহাইমেন বলেছেন:

@উন্মনা রহমান -

তথাকথিত নাস্তিকদের ও একই দশা । কোন একদল (ভ্রান্ত) ব্যক্তির মতাদর্শকে জাতীয়করনের (গলধকরনের) প্রানান্তকর চেষ্টা ।

তারা গবেষনাকে "গো" + "এষনা" হিসাবেই দেখে থাকে । তাদেরকে না জেনে অমুলক মহা(কু)বাণী না দেবার জন্য প্রসংগত আহ্বান জানাচ্ছি ।

অনেক (পাশ্চাত্যের) ইউনিভারসিটির গবেষনাগারে কোরানকে পাওয়া যায় । রেফারেন্স দিবো না । তাহলে পাঠাভ্যাস না করে কুটিলতায় মগ্নতা দেখা যায় । গুগলে খুজে নেন । এতে করে সুস্থ চিন্তার উদয় হবে, পরচর্চা নয় ।
৪১. ১৯ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৩
comment by: হিমু রুদ্র বলেছেন: কুরআন কোন মানুষের রচিত গ্রন্থ নয় এবং মহান আল্লাহপাক একে 'বিজ্ঞানময় কুরআন' বলেই সম্বোধন করেছেন !

কুরআন পরম স্রষ্টা কর্তৃক নিধারিত এর্ব হযরত মুহাম্মাদ (স) এর মুখ থেকে নিঃসৃত কিতাব...

কুরআনে বিভ্রান্তিকর তথ্য নেই বরং বিজ্ঞানে আছে বিভ্রান্তি.....
১৯ শে মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৫

লেখক বলেছেন:

৪২. ২০ শে মে, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৭
comment by: মোহাইমেন বলেছেন: @উন্মনা রহমান -

আপনার আংগুর এর উত্তরে বলছি -


আল্লাহ আমাদের জন্য যা হালাল করেছেন, তা সবই আমাদের শরীর এবং মনের জন্য উপকারী । আধুনিক বিজ্ঞান বলছে মৌসুমী ফল আমাদের জন্য ভালো । আর আমরিকার আবহাওয়াতে আংগুর যত উপকারী হতে পারে, বাংলাদেশের আবহাওয়াতে ততটুকু উপকারী নাও হতে পারে । তার চাইতে হয়তো বা ডালিম বেশী কার্যকর হতে পারে ।

আবার মানুষের বিজ্ঞান বলেছিল, ডিম খাওয়া যাবে না । এর উচ্চমাত্রার কোলেষ্টরেলের জন্য । আবার বিজ্ঞানীরা বলছে ডিম খাওয়া যাবে, এবং ক্ষেত্রবিশেষে খেতেই হবে । আর উচ্চরক্তচাপ বা হৃদরোগ থাকলে নিয়ন্ত্রিত ভাবে খাওয়া যাবে । যেখানে একেবারে নিষেধ করা হয়েছিল, সেখান থেকে মানুষের বিজ্ঞানকে আবার সরে আসতে হয়েছে ।

আপনারা মানুষের বিজ্ঞানকে বিশেষ-পরিশুদ্ধ জ্ঞান হিসেবে বিবেচনা করেন, কিন্তু মনে রাখতে হবে যে, এটি একটি বিবর্তিত-বিবর্ধিত জ্ঞান ও বটে ।

আর একমাত্র মহাজ্ঞানী হলেন আল্লাহ (সুবহানাওয়াতালা), যিনি সর্বজ্ঞাতা ও প্রজ্ঞাময় ।

২২ শে মে, ২০০৮ রাত ২:০২

লেখক বলেছেন:
ভাই ডিম্ব সমস্যার সমাধান তো পাইলাম না ..

৪৩. ০৬ ই জুন, ২০০৮ রাত ৩:৪১
comment by: উবুনটু বলেছেন: ami bangla likhte partesi na tai sorry...

Amar ekta question ache......

khub e ez ekta question...

Question :

Is pork good for health ?

nastiker dhormo kotha, u ans.... :D

 



 


মানুষেরে ঘৃণা করি'/
ও কারা কোরান, বেদ, বাইবেল চুম্বিছে মরি' মরি'/
ও মুখ হইতে কেতাব-গ্রন্থ নাও জোর ক'রে কেড়ে,/
যাহারা আনিল গ্রন