আমার প্রিয় পোস্ট

যৌবনযাত্রা, যৌনতা এবং চলমান ব্লগ-বিতর্ক

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৩৩

শেয়ারঃ
0 2 0

যৌবনজ্বালা তথা যৌবনযাত্রায় রাজাকার-বিরোধী সংগ্রামের উদ্যোগ! ছিঃ ছিঃ ছিঃ!!! অনেকে নাক ছিটকানোর জায়গা পাচ্ছেন না। অনেকে ভাবছেন, এই বুঝি বা রাজাকারেরা পেয়ে বসলো, আমাদের দেশপ্রেম- রাজাকার বিরোধী সংগ্রাম সবকিছুকে ব্লগের রাজাকারেরা মাড়িয়ে দিবে, যেচে তাদের হাতে মওকা তুলে দেয়া হলো!!!

রাজাকারদের মওকার কোনদিনই অভাব হয়নি, হবেও না- তাদের সবসময়ই দৌড়ানির উপরেই রাখা দরকার। তাদের বুঝানোর কিছু নেই। তবে রাজাকারদের বাইরেও অনেক ব্লগারই দেখছি বিভিন্ন মত রাখছে- সেহেতু এ ব্যাপারে আমার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গী তথা বক্তব্যটি সকলের সাথে শেয়ার করছি।

অনেককেই এই উদ্যোগের বিরোধিতা করতে গিয়ে দেখছি যুক্তি করছেন: "কোন ব্লগার রাজি আছেন যার বোনের উলংগ ছবি হিডেন ক্যামেরার মাধ্যমে যৌবন যাত্রায় চলে যাবে। আর যৌবন যাত্রার সবাই তার বোনকে দেখবে। আর যৌবন জ্বালায় যারা যায় তারা এইসব দেখতেই যায়। ময়লা দিয়ে কখনো ময়লা পরিষ্কার হয়না।"

হুম, এটা ঠিক যে কেউই তার নিজের মা-বোনকে পর্ণো ভূমিকায় দেখতে চাইবে না। আবার উল্টোদিকে এটাও তেমনি সত্য যে, নিজের মা-বোনকে যে ভূমিকায় দেখতে রাজী নয়- ঠিক সেই ভূমিকায় অন্য নারীকে দেখতে অনেকেই অনেক আনন্দ পান।

আমিও এককালে যখন পর্ণো দেখতাম- রাস্তাঘাটে সুন্দর দেহাবয়ব দেখে তাকিয়ে থাকতাম, সে সময়ের অভিজ্ঞতা থেকে বুঝি- ঐ সমস্ত নারীর জায়গায় নিজের মা-বোন, কাছের নারীদের কথা কল্পনাও করতে পারতাম না, কিন্তু শুধু সেটুকু অবশ্যই আমাকে পর্ণো থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেনি। আজ কোন চলচ্চিত্রে বা বিজ্ঞাপন চিত্রে কোন এক নারীর স্বল্পবসন- আকর্ষণীয় ফিগার- আবেদনময়ী ভঙ্গী এসব দেখে যখন একজন পুরুষ দর্শক আকর্ষণ বোধ করেন- তখনও কিন্তু তিনি ঐ ভঙ্গীতে বা বেশে তার মা-বোনকে কল্পনা করতে পারেন না, তারপরেও কিন্তু ঐ সব চিত্র গোগ্রাসে গিলেন। কারণ কি?

এই জায়গাটি যদি না ধরতে পারেন তবে কি আসল জায়গায় যেতে পারবেন?

যৌবনযাত্রায় আমি এখনো ঢুকিনি- অফিস থেকে এক্সেস নেই, তারচেয়েও বড় ভয় ভাইরাসের। তবে যতখানি বুঝছি- এটা একটা পর্ণো টাইপের সাইট বা ফোরাম, এবং এটা বাংলাদেশের একটা ব্যাপক জনপ্রিয় সাইট। তাহলে, বাস্তবতা হচ্ছে এই সাইট টি প্রতিদিন অনেকেই নিয়মিত ভিজিট করছেন। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, যারা এখানে ঢু মারছেন তাদের সম্পর্কে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গী কি হবে? তাদের ময়লা বলে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করবো? আমার কাছে এরকম আচরণকে কাপরুষোচিত ও বর্বরোচিত মনে হয়। কারণ, প্রথমত প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সেক্সের ব্যাপারে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা আছে বলে আমি মনে করি। যদিও এভাবে সেক্সকে স্যাটিসফাই করাকে আমার কাছে খুব সুস্থ প্রাকটিস মনে হয় না, এবং এর দ্বারা এতটুকু বুঝতে পারি- আজকের সমাজে মানুষের যৌনজীবন কতখানি অসুস্থ ও মানুষ কতখানি একাকিত্বে ভুগে; তথাপি ঐ মানুষকে আমি ময়লা বলে ঘৃণা করতে নারাজ এবং নাগরিক-সামাজিক জীবনে তার সমস্ত অধিকার দিতেই চাইবো।

ফলে, এমন একটি সাইটে যখন অমি রহমান পিয়ালরা একটি বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে যায়, সেখানকার মানুষদের মধ্যে সচেতনা তৈরীতে ব্রতী হয়, রাজাকার বিরোধী সংগ্রামে লিপ্ত করে- তখন তাদের স্যালুট করাই কর্তব্যজ্ঞান করি।

পরিশেষে একটি কথা বলি- যে কেউই তার বাবার হস্তমৈথুনের কথা কল্পনা করতে বিব্রত বোধ করতে পারেন, কিন্তু এটা কি তার নিজের হস্তমৈথুনের হারকে কমাতে কখনো পারে?

পাল্টা যুক্তি হিসাবে বলা হচ্ছে: "পাপকে ঘৃনা কর পাপীকে নয়। যারা ভিজিট করে তাদের ময়লা বলিনি । ঐ সাইট টাকে ময়লা বলেছি। কারো অনুমতি ছাড়া তার কর্মকান্ড ক্যামেরায় ধারন করে তা রাস্তায় বিক্রি করা বা কোন সাইটে আপলোড করা তা অবশ্যই অবৈধ।"

আমি জানি না, পর্ণো সাইটগুলোতে এখন এমন হিডেন ক্যামেরার পর্ণো সিনের কতখানি কদর? যৌবনযাত্রায় কি এরকম সিনেরই ছড়াছড়ি? সুমন-পিন্টুদের মত অনেক গ্রুপ কি এখনো কার্যকর?

কোন সন্দেহ নেই- একাজগুলো গর্হিত অপরাধ। তবে, আপনার বক্তব্যে মনে হচ্ছে যে- হিডেন ক্যামেরার বিষয়টিকে এমনভাবে সামনে আনছেন যে- এই বিষয়টি না থাকলেই যৌবনযাত্রার মত পর্ণো সাইটগুলোর ব্যাপারে আপনার কোন আপত্তি থাকতো না। এ বিষয়টি আগে পরিষ্কার করুন। আপনার আপত্তির জায়গা কোথায়। আগে যখন পর্ণো দেখার অভ্যাস ছিল তখন- সবই একটর-একট্রেস দিয়ে করা ছিল, এখন কি একটর/একট্রেস দিয়ে এমন ফিল্ম নেই?

আমার কাছে তো এটাকেও একই রকম বাজে লাগে। টাকার বিনিময়ে কিছু মেয়ে তাদের শরীর বেচছে, যৌনতা বেঁচছে- এটাকে আমার খুব অমানবিক মনে হয়। এই ইণ্ড্রাস্ট্রিতে যারা অর্থ লগ্নি করছে, মেয়েদের ধরে ধরে এরকম পেশায় নামাচ্ছে- সেটাকে তো চরম জঘণ্য মনে হয়, তদুপরি সমাজ ব্যবস্থাকেই আগে দোষারোপ করি। এই পণ্যায়িত সমাজই তো আজ ভালোবাসা-মানবিকতা সবকিছুকে দূরে ঠেলে দিয়েছে, যৌনতা আজ একটি পণ্য- স্রেফ পণ্য।

দেখুন এখানে দুটি বিষয়- একদল মানুষ তার অতৃপ্ত যৌনাকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে এসব দেখছে, টিভি-সিনেমায় মেয়েদের শরীর দেখছে, রাস্তাঘাটে হয়তো আড়চোখে মেয়েদের বুক-পাছাও দেখছে, হয়তো পতিতালয়েও যাচ্ছে- অর্থাৎ এরা যৌনতা নিয়ে চরম আনস্যাটিসফাইড। এদের কথাই আমি বলছি- এরা সোসাইটিরই ভিকটিম- ছোটবেলা থেকেই প্রচণ্ড অবদমনে এরা বেড়ে উঠেছে, এরা বিকৃতি দেখে দেখে এবং বিকৃতির ভিতর দিয়েই বেড়ে উঠেছে (এরা এরা না বলে আসলে আমরা বললেই ভালো হতো- আমি, আমরাও তো একই পরিবেশে বেড়ে উঠেছি)। কোনরকম যৌনশিক্ষা এরা পায়না, যৌনতা বা বিপরীত লিঙ্গের প্রতি প্রাকৃতিক নিয়মে যে বয়সটিতে আগ্রহ তৈরী হয়- সেই বয়সটিতে তাদের উপর সামাজিক বিধি-নিষেধ এসে আরোপিত হয়, সমস্ত মিডিয়া-বই পত্র আবার তার মধ্যে এই আগ্রহ-আকর্ষণকে আরো তীব্র করার জন্য প্রস্তুত, ভালোবাসা সম্পর্কে প্রচণ্ড লালায়িত- অথচ ভালোবাসা হীন বেড়ে উঠা, প্রেম-ভালোবাসার বাইরেও, যৌনতার বাইরেও নর-নারীর স্বাভাবিক-সুসম্পর্ক-বন্ধুত্ব সম্পর্কে ধারণাহীন থেকে বেড়ে উঠা... এই তো সকলের অবস্থা। ফলে এরা যদি যৌবনযাত্রায় হিডেন ক্যামেরার কোন সিনও দেখে- তবে আসলে সে তার সেই অতৃপ্ত যৌনাকাঙ্ক্ষা পূরণের উদ্দেশ্যেই দেখে- অন্য নারীর শরীর- অন্যদের যৌনক্রিয়া দেখে নিজের বাসনাকে তৃপ্ত করার চেস্টা করে। শেষ পর্যন্ত কি তৃপ্ত হয়? বড় প্রশ্ন।

আর এমন অবস্থার সুযোগে তৈরী হয়- নানারকম চক্র, চলে ব্যবসা- টাকার খেলা, পতিতাবৃত্তি- পর্ণো ফিল্ম ইণ্ডাস্ট্রি, যুক্তরাষ্ট্রে পর্ণো থেকে আয় নেহাত কম নয়- বরং রাষ্ট্রীয় আয়ের উপরের দিকেই স্থান নিবে তেল-সফটওয়ার-অস্ত্র-ঋণ প্রভৃতির ব্যবসার পরেই না-কি এই ইণ্ডাস্ট্রির নাম!

পর্ণোগ্রাফি- পতিতাবৃত্তি- মিডিয়ায় নারীকে পণ্য হিসাবে উপস্থাপন সমস্তই আমার কাছে একই রকম মনে হয়, এসব পেট্রোন করা সাইটকে আমার ময়লা বলতে কোন আপত্তিও নেই; তবে তার মানে এরকম কখনো মনে করিনা যে, এসবের সাথে যারা যুক্ত তাদের কোন সামাজিক-নাগরিক-রাজনৈতিক জীবন থাকতে পারবে না, অধিকার থাকতে পারবে না; তারা দেশকে ভালোবাসতে পারবে না, রাজাকারদের ঘৃণা করতে পারবে না। এমনটি আসলেই মনে করিনা।

পাল্টা প্রশ্ন আসে: "সব কিছুকে উন্মুক্ত করলেই কি আমাদের কালচার তা মেনে নিবে? রুচিবোধ ও সামাজিকতা অস্বীকার করবেন কি ভাবে?"
প্রথমত কোনটা আমাদের কালচার এটা আগে নিরূপন করতে হবে। দ্বিতীয়ত, কোন কোন সময় কোন কোন কালচার মানুষের গলা টিপে ধরতে উদ্যত হলে সে কালচারের পরিবর্তনটাই কাম্য। রুচিবোধ ও সামাজিকতার দোহাই দিয়ে মানুষকে আটকে রাখার ফল কি ভালো? আজ আমরা কি দেখছি?

আসলে যা কিছু স্বাভাবিক- তাকে সহজভাবে গ্রহণ করাটাই উত্তম। আরোপ করা কোন বিধি-নিষেধ মানুষের মধ্যে অবদমনই তৈরী করে, যার ফলে কখনো ভালো হয় না।

প্রশ্ন আসে: "সব ই তো বুঝলাম কিন্তু এইটা বুঝলাম না একটা পর্ণো সাইটের ভিজিটরদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হবার আহ্ববান জানালে তা কি আদৌ কোনো ফল বয়ে আনবে?"

এর জবাবে শুধু এটুকু বলবো- মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হওয়ার তথা রাজাকারদের ঘৃণা করার অধিকার সবারই- চোর, বাটপার, বদমাশ, শয়তান সকল বাঙালিরই, আর একজন দেহব্যবসায়ী, তার খদ্দের, পর্ণো সাইটের একজন সদস্য এদের তো আছেই- বাঙলার একটা কুত্তাও যদি গোলাম আজমদের মত ছাগলদের পাছায় কামড় দেয়, সেটাই আমাদের লাভ- অন্তত এতে তো কোন ক্ষতি দেখি না।

আর এ উদ্যোগের জন্যই তো অমি রহমান পিয়ালকে স্যালুট।

***********************************************

বিঃদ্রঃ এ ব্যাপারে আরিফ জেবতিকের এই পোস্টের সাথে সম্পূর্ণ একমত। বিশেষ আর কিছু বলার নেই। সকলকে জেবতিকের এই পোস্ট পড়ার আহবান জানাই।

 

সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৪১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:২৪

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ।

২. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৪০
রাঙা মীয়া বলেছেন: আমিও এইমাত্র আরিফ জেবতিকের পোস্ট পড়ে আসলাম। সহমত ।
৩. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৪৩
জংবাহাদুর বলেছেন: হিডেন ক্যামেরার পর্ন দেকতে যদি খারাপ না লাগে তাইলে ৭১ এর মাবোনদের ধর্ষনের কতা শুইনা খারাপ লাগনের তো কিচু নাই অমির।

এট্টা কতাই কইতাচি, মুক্তিযুদ্ধের মতন এট্টা মহান বিষয়কে পর্নো সাইটে যারা টানে তাদের মুক্তিযুদ্ধের সুময় অবস্থানটা কি হইতো তা নিয়া আমার এহন সন্দেহ হইতাচে! সে কোন পক্ষ নিতো! মুক্তিযুদ্ধ নাকি ধর্ষক রাজাকারের!
১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:০৪

লেখক বলেছেন:
এখানেই পার্থক্যটা বুঝবেন।

আমাদের মুক্তিযুদ্ধটা সকলের। এই খানে সবাই অংশ নিয়েছে। ছাত্র, কৃষক, শ্রমিক, বিভিন্ন পেশার লোক যেমন অংশ নিয়েছে, তেমনি একজন দেহব্যবসায়ী- তার দালাল- তার খদ্দেরও অংশ নিয়েছে। পেশায়- কাজে-কর্মে- সামাজিক অবস্থানে ভিন্ন ভিন্ন অবস্থানেও থাকার পরেও তারা যখন পাকিদের বিরুদ্ধে এক হয়েছে, এক হয়েছে দেশপ্রেমের মন্ত্রে। দেশের ব্যাপারে সকলেরই যে সমান অধিকার।

উল্টোদিকে রাজাকারদের পরিচয়, পেশা সীমিত। তারা একটা নির্দিষ্ট রাজনৈতিক ঘরানার, পেশায় সকলে ধর্ম ব্যবসায়ী।

আজো, তাই দেশপ্রেমের প্রশ্নে- কোন বাছ-বিচার নাই, দেশমাতার সকলেই সন্তান। নিষিদ্ধ পল্লীর অধিবাসীরাও দেশমাতার সন্তান, তারাও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চায়- চাইতেই পারে, আর একারণটাতেই আমাদের মুক্তিযুদ্ধ মহান।

আর, আপনি যখন হিডেন ক্যামেরার পর্ণো দেখার সাথে ৭১ এ ধর্ষণকে তুলনা করেন- তখনই আপনার পরিচয় বুঝা যায়, "মুক্তিযুদ্ধ নাকি ধর্ষক রাজাকারের" বিস্ময় চিহ্ন সহকারে যখন বলেন- তখন আপনাদের গোত্র সম্পর্কে নিসন্দেহ হই। আপানাদের বুঝানোর কিছু নেই- আপনাদের জন্য কিছু দাওয়াই পোস্টেই উল্লেখ করা হয়েছে।

৪. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৪৪
ভিন্ন বলেছেন: কোটি কোটি চটি লেখক নিয়েছে বিচারের ভার নিজ স্কন্ধে
বাঙালী নাচিতেছে পথে প্রান্তরে এইবার মহা আনন্দে

বাঙালির হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ অর্জন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সম্ভ্রম আর সম্মানকে চটির পর্যায়ে নামিয়ে আনতে একটু ও বিবেকে বাধলো না । ফাসীতে ঝোলানো উচিত । মুক্তিযুদ্ধের ঠিকাধারী সমাজের ইতরশ্রেনীর চটিলেখকদের হাতে তুলে দিতে হলো শেষপর্যন্ত ।
৫. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৪৪
জংবাহাদুর বলেছেন: এটিমের পেলাশ মেশিন কি চালু অইলো নিকি?
৬. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৪৭
অরণ্যচারী বলেছেন: বাঙলার একটা কুত্তাও যদি গোলাম আজমদের মত ছাগলদের পাছায় কামড় দেয়, সেটাই আমাদের লাভ- অন্তত এতে তো কোন ক্ষতি দেখি না।
৭. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৫০
অরণ্যচারী বলেছেন: ভিন্ন ছাগু ভালো আছো? অনেক দিন পরে আইলা।:)
৯. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৫৯
বৃত্তবন্দী বলেছেন: যেভাবেই হোক রাজাকার তাড়ানোতে আছি...
১০. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:২০
ক-খ-গ বলেছেন: যেভাবেই হোক রাজাকার তাড়ানোতে আছি...
১১. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:২৭
চাণক্য বলেছেন: নিকৃষ্ট জামাতির ব্লগে ধর্মবানীকে যেমনটি ধিক্কার, তেমনি তোমার নিকৃষ্টের ব্লগে যুক্তিকথনকেও ধিক্কার।
১২. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:২৮
মামু বলেছেন: যুদ্বঅপরাদিদের বিচারের দাবি একটা মহৎ উদ্যোগ, এই রকম অনেক মহৎ উদ্যেগ পৃথিবীতে আচে। তাই বইলা সেই রকম কুনু মহৎ উদ্যেগ কি প্লেবয় বা অন্য কুনু পর্নসাইটে দেকচেন?

একন আপনি যদি মুছলমানদের হিজাবের ফজিলত প্লেবয় সাইটে বয়ান করেন, তকন গটনাটা কি হইব?

যুক্তি বহুত দেকানু যায়, পারিপার্শিক সামাজিক অবস্তা সাপেক্ষে সভ্যা সমাজে কুন যুক্তিটা গ্রহন যুগ্য সেইটা খিয়াল কইরা মাপকাটি বানাইতে হইব। সেই পথে চলতে হইব।


------------------------------------------------------------------
অশ্লীলতার মাধ্যমে প্রতিবার বা দাবী সভ্য সমাজে কুনু দিন গ্রহন যুগ্যতা পায় নাই। এইটা বুজতে না পারলে...আপনাদের জন্য

আপচুস...
১৩. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:২৯
সু-শান্ত বলেছেন: চাণক্য লোকটা কাকে নিকৃষ্ট বলছেন? নিজ নামে আসেন তো দেখি একটু, চেহারা টা দেখি।
১৪. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৩৭
মাজেদুল ইসলাম বলেছেন: বাংলাদেশে এত সাইট থাকতে ওইটাতে প্রচারনা করতে হবে কেন?সামহোয়ারের মত মান সম্পন্ন সাইট যদি প্রচারনা করে তাকে সাধুবাদ জানাবো।আর তাছাড়া রাজপথে আন্দলন হতে হবে,নয়তো রাজাকারদের বিচার করা সম্ভব না।
১৫. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৪২
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: মাইনাস।

যুক্তি দেখে হতাশ হলাম।বেশি কিছু বলবো না ।শুধু একটা ঘটনার কথা বলে যাই।

একবার এক মার্কিন কোম্পানি চে-গুয়েভারার ছবি সংবলিত আন্ডারওয়্যার বের করার সিদ্ধান্ত নেই।তখন চে-গুয়েভারার মেয়ে আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে সেই কোম্পানির এই বাণিজ্যিক চেষ্টা রুখে দেয়।

হাজার পান্ক তরুন-তরুনী চেগুয়েভারার টি-শার্ট বুকে ঝুলিয়ে ঘুরে বেড়ায়।চে কিংবা চে'র আদর্শ সম্পর্কে যাদের বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই।তবু সেই চেষ্টাকে না রুখে চেগুয়েভারার মেয়ে শুধু এইটার প্রতিবাদ করলো কেন? আপনার কি মনে হয়?
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৩৯

লেখক বলেছেন: বৃত্তবন্দীর পোস্টে আইরিন সুলতানার উদ্দেশ্যে লেখা কমেন্ট এখানে কপি-পেস্ট করছিঃ

"আইরিন সুলতানা, এ ইস্যুতে আমার একটি পোস্ট আছে- সেটি পড়ার আহবান জানাই। সেখানেও আপনার সাথে আলোচনা হতে পারে, যদি চান। উপরে আপনার কমেন্ট পড়ে যতটুকু বুঝতে পারছি সেটা হলো- আপনার কাছে এডাল্ট সাইটটিতে মুক্তিযুদ্ধের প্রচারণাকে আপত্তিকর মনে হয়েছে, কারণ হিসাবে জানিয়েছেন- জন্মযুদ্ধ বা অন্য জায়গা থাকতে সেখানে কেন মুক্তিযুদ্ধের প্রচারণা চালাতে হবে? এ ব্যাপারটিতে আমি দ্বিমত করি- এডাল্ট সাইটে মুক্তিযুদ্ধের প্রচারণায় সমস্যা কি? এ ব্যাপারে আপনার এলার্জী কি সংষ্কারের কারণে নয়? একজন বেশ্যাও যদি রাজাকারের বিচার চায়, চোর-ডাকাত চায়, বেশ্যার দালাল চায়- বেশ্যার খদ্দের বিচার চায়, দেশকে ভালোবাসতে চায় সেখানে কি আপত্তি করার কিছু আছে? আমাদের মুক্তিযুদ্ধ, আমাদের দেশপ্রেম কি এমনই ঠুনকো যে- একজন মন্দের ছোয়ায় তার জাত চলে যাবে? আপনি আরেকটি কথা বলেছেন- এটা ঐ এডাল্ট সাইটের হিট বাড়ানোর ফন্দি হতে পারে। মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে মানুষের আবেগকে নিয়ে তারা হিট বাড়ানোর ফন্দি এটেছে। হতে পারে। এরকম ফন্দির পেছনে ব্যবসা থাকতে পারে- সেটাও মানছি। কিন্তু তাতে সমস্যা কি? সামহোয়ারও ঐ হিট বাড়ানোর জন্য মাঝে মধ্যে এইরকম কাজ কারবার করে। সমস্ত ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে মানুষের আবেগ নিয়ে ব্যবসা করছে। এসবের বিরোধিতা করি, কিন্তু তার আলাদা একটা মাত্রাও আছে- কিন্তু আপনি যখন ফন্দির কথা বলছেন- তখন সেটা বুঝা দরকার। অন্তত এটুকু আজ যখন দেখি- মানুষের আবেগ নিয়ে হিট বাড়ানোর ধান্দায় তো সামু ব্লগ "রাজাকারদের বিচার চাই" ব্যানার পাওয়া যায় না, বাংলা লিংক-জিপি থেকে শুরু করে নানা কর্পোরেট তাদের বিজ্ঞাপন চিত্রে মুক্তিযুদ্ধ-স্বাধীনতা-বিজয় দিবস নিয়ে আবেগের ফোয়ারা ছুটিয়ে ফেললেও রাজাকারদের নিয়ে টু শব্দটি করেনা; তখন এদের ফন্দির মধ্যেও যে পার্থক্য আছে, সেটা স্পষ্ট টের পাই। আর, তাই এতটুকু না বলে পারিনা যে, যৌবনযাত্রা রাজাকার-যুদ্ধাপরাধী বিরোধী মানুষদের আবেগকে গুরুত্ব দিতে চায়, যা অন্যরা এখন পর্যন্ত দেয় নি। আপনাকে ধন্যবাদ। "

-------------
আপনার চে এর উদাহরণ দেখলাম। আমার কাছে বাণিজ্য বাণিজ্যই। টি-শার্টে বুকে-পিঠে, হ্যাটে মাথায় চে কে পণ্য বানানো আর আণ্ডার ওয়ারে- কনডমে চে কে পণ্য বানানোর মধ্যে কোন পার্থক্য দেখি না; এবং চেতনার এই লেভেলে ঘাটতির কারণেই চে'র মেয়ের আইনি লড়াই ফলপ্রসু হয়নি। চে আজ পণ্য হিসাবেই ব্যবহৃত, টি-শার্ট, লাইটার, লিপস্টিক থেকে শুরু করে আন্ডারওয়ারে সর্বত্রই। আর উল্টোদিকে যারা চে'র আদর্শকে বুকে ধারণ করতে চান- তারা চে'র পণ্য হওয়াকেই বিরোধিতা করেন, তাদের কাছে টি-শার্টে আর আন্ডারওয়ারে চে'র পণ্য হওয়ার মাত্রাগত কোন পার্থক্য নেই বলেই মনে হয়।

দ্বিতীয়ত, আমার কাছে মনে হয়- টি-শার্ট বনাম আণ্ডারওয়ার তথা বিভিন্ন সাইট বনাম পর্ণো সাইটের পার্থক্যেরও মাত্রাগত ভিন্নতা আছে, এবং টি-শার্টে একটা জিনিস থাকতে পারবে- আর আন্ডারওয়ার/জুতা-মোজায় সেটা থাকতে পারবে না- এমন আচরণ বালসুলভ (সবই পরিধেয় বস্ত্রাদি ভিন্ন কিছুই নয়), তবে সামুতে ঢোকা- সচলায়তনে ঢোকা আর পর্ণো কোন সাইটে ঢোকা অবশ্যই এক নয়। আগেই জানিয়েছি, পর্ণো সাইটে ঢুকে যারা- তারা একধরণের অসুস্থ, বিকারগ্রস্ত, এবং এই বিকার-অসুস্থতা আমাদের সমাজেরই দান। কিন্তু মানুষরাও যদি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চায়- তবে তাতে তো কোন সমস্যা দেখিনা।

আর পিয়ালের ভূমিকাকে সামনে আনছি এ কারণে যে, এই লোক একটি বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে সেখানে কাজ করেছে, সেখানে ভালো করে মিশেছে- এবং সেই সাইট টিতে পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়েছে। একটা পর্ণো ঘোষিত সাইটের নাম পাল্টিয়ে ফেলা (যৌবন জ্বালা থেকে যৌবন যাত্রা) সহজ কাজ মনে হয় না, সেই সাইটে ফ্যামিলি ফিল্টার যুক্ত করাও সহজ মনে হয় না, সেখানে যুদ্ধের বিভিন্ন লেখা- ছবি- ভিডিও যুক্ত করা, সেগুলোর পাঠক তৈরী করা, সেসব নিয়ে আলোচনা চালানো এমনটি শুরু করা...... সব কিছুই আমার খুব অসাধারণ মনে হয়েছে (এখনও ঢুকিনি, পিয়াল ও অন্যদের ব্লগ পড়েই যে ধারণা পেয়েছি)।

পর্ণো সাইটের পক্ষে আমিও নই, পর্ণোগ্রাফি উঠে যাক- পতিতাবৃত্তি দূর হোক- অবশ্যই চাই। তবে তা গায়ের জোরে তুলে দেয়ার পক্ষে কখনো নই- বরং অমি যেভাবে কাজ করছে বা করেছে- তা আমার কাছে অবশ্যই অসাধারণ মনে হয়েছে।

তারপরেও, কথা থাকতে পারে- তবে আমার চিন্তায় ভুল থাকতেই পারে- ধরিয়ে দিলে অবশ্যই বুঝার চেষ্টা করবো এবং সে কারণে আপনার মাইনাস মাথা পেতে নিলাম।

ধন্যবাদ।

১৬. ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৪৯
মাজেদুল ইসলাম বলেছেন: আহসান হাবিব শিমুল আপনার সাথে একমত।আর পর্ণ সাইট এ সবাই যদি যায় যাক।কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ অত্যন্ত পবিত্র আমাদের জাতির জন্য।সেই পবিত্র মুক্তিযুদ্ধ কে অপবিত্র করার কোন চেষ্টা আমাদের মেনে নেওয়া উচিত না।একটা পর্ণ সাইট এ মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কিত কথা বলাটা ধৃষ্টতা।
১৭. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০১
মিঠাই বলেছেন: চানক্য ছাগোলটার ভাড়ামি সহ্যের সীমা অতিক্রম করতেসে। থাপড়ায়া দাঁত ফেলানোর কাম ছাগোল্টার।
১৮. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০৮
হুমায়ূন সাধু বলেছেন: উত্তম, উচ্চমার্গীয়। আগে দেখে আসেন।
১৯. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১০
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: তথা রাজাকারদের ঘৃণা করার অধিকার সবারই- চোর, বাটপার, বদমাশ, শয়তান সকল বাঙালিরই, আর একজন দেহব্যবসায়ী, তার খদ্দের, পর্ণো সাইটের একজন সদস্য এদের তো আছেই- বাঙলার একটা কুত্তাও যদি গোলাম আজমদের মত ছাগলদের পাছায় কামড় দেয়, সেটাই আমাদের লাভ- অন্তত এতে তো কোন ক্ষতি দেখি না।
২০. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৯
জাফর হোসেন খান বলেছেন: পর্ণোগ্রাফি- পতিতাবৃত্তি- মিডিয়ায় নারীকে পণ্য হিসাবে উপস্থাপন সমস্তই আমার কাছে একই রকম মনে হয়, এসব পেট্রোন করা সাইটকে আমার ময়লা বলতে কোন আপত্তিও নেই; তবে তার মানে এরকম কখনো মনে করিনা যে, এসবের সাথে যারা যুক্ত তাদের কোন সামাজিক-নাগরিক-রাজনৈতিক জীবন থাকতে পারবে না, অধিকার থাকতে পারবে না; তারা দেশকে ভালোবাসতে পারবে না, রাজাকারদের ঘৃণা করতে পারবে না। এমনটি আসলেই মনে করিনা


আপনার মতো বিচক্ষন লোকের কাছে এই যুক্তি আশা করিনি।
পর্নোগ্রাফি পতিতাবৃত্তি খুবই লাভজনক একটি ব্যবসা, খুব কম নারীই এতে নিজের ইচ্ছায় জড়িত হয়। বেশীরভাগ নারীকে জোর করে পর্নো ও পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করা হয়। যারা বাধ্য করে তারা ভাল লোক হতে পারেনা, তাদের এই অবৈধ কাজকে বৈধতা দিলে, কিছুদিন পরে তারা আপনার স্ত্রী কন্যাকে কিডন্যাপ করে পতিতাপল্লীতে বিক্রি করে দিতে পারে। আমেরিকার উন্মুক্ত পর্নো বানিজ্যর ফল তারা পাচ্ছে, প্রতিদিন দুনিয়াতে সবচেয়ে বেশী নারী ধর্ষিত হয় , আমেরিকাতে। সেখানে রীতিমত নিলাম ডেকে নারী বেচাকেনা হয়।
এই ভয়ংকর বানিজ্যে জড়িতদের নিয়ে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে নামলে বিষয়টা যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে যাবে, যুদ্ধাপরাধীরা ইতিমধ্যে ব্যাপক আনন্দ পাচ্ছে।
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৫০

লেখক বলেছেন:
আমার পোস্ট আবার পড়ুন- কোথায়ও পর্ণোগ্রাফি-পতিতাবৃত্তির পক্ষে লিখি নাই। যারা এই ব্যবসার সাথে জড়িত, তাদের হয়ে কোন জায়গাতেই কথা বলিনি।

শুধু এতটুকু বলতে চেয়েছি- আমরাই এর কাস্টমার, মানে খরিদ্দার। এদের প্রতি আমার ঘৃণার মাত্রাটা যে যারা মূল হোতা, তাদের সম পর্যায়ে নয় সেটাই বলেছি- এবং এটাই বলতে চেয়েছি- এরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাইতেই পারে, এবং তাদের সাথে এক কাতারে রাজাকারদের বিরুদ্ধে নামতে আমার কোথাও বাজবেও না।

ধন্যবাদ।

২২. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৫৩
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: সুন্দর বিশ্লেষণের জন্য ধন্যবাদ জানাই। আমি যে পোস্টটা দিছি তার বক্তব্য ছিলো এমন যে এক সময়কার একটা পর্ণ সাইট একটা রূপান্তরের মধ্যে দিয়া যাইতে যাইতে একটা ফ্যামিলি ফোরামের রূপ নিছে। একই সঙ্গে তারা তাদের ইউজারদের উদ্বুদ্ধ করতেছে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে একাট্টা হইতে। যে কেনো এঙ্গেলেই এইটা একটা চমকপ্রদ তথ্য। নিউজ বলেন, কিংবা ব্লগ।
তে এইখানে পন্ডিতেরা কিছু কইতেই হইবো এই বিবেচনায় ব্যাপক জ্ঞানের সাক্ষর রাখছেন একেকজন। ব্লগার ক্যামেরাম্যান আগেই চিল আর কানের গল্পটা বলছিলো। এমন মানুষও আছেন যে সেইখানে হিডেন ক্যাম ভিডিও পাওয়া যায় বইলা প্রচার করতেছেন, তিনি সেখানের সদস্য দাবী কইরা। আমি এখন কি কমু বলেন। আমি তো জানি এইগুলা বাকোয়াস।
বটম লাইন- যৌবনযাত্রা পারছে, তোমরা পারো না ক্যান? আর না পারলে, ওগো সাব্বাসি দিতে না পারলে নিন্দা জানাও কোন মুখে [
২৩. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:০০
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: অমি বারবার জেজেকে পর্ন সাইট থেকে ফ্যামিলি ফোরামে রুপ নেয়া একটি সাইট বলছেন। এই কথাটি কি তিনি নিজেই বিশ্বাস করেন?
আমি জেজেতে কালকে রেজি করেছি। কালকেই অমির সব পোষ্ট দেখতে পেয়েছি। ফিল্টার তাহলে কি করল?
আর ফ্যামিলি ফোরাম। জেজেতে রেবের ধ্যাতানি খাবার পরে পুরা ঘোষনা দিয়া এমন ভালমানুষী কিছু থ্রেড শুরু করা হইছিল, কিন্তু তাতে কেউ যায়?
একটু নিচেই তো স্পষ্ট করে মাল্টিমিডিয়া, চটি সেকশন বড় বড় করে দেখা যায়। এটা আবার ফ্যামিলি ফোরাম?

অমি র একটি চটি এখানে যদি কপি পেষ্ট করি তাহলেই বোঝা যেত ফ্যামিলি ফোরামের কন্টেন্ট কেমনতর ওইখানে। কিন্তু ওই কাজ করলে সামহোয়ার হয়ত ব্যান মারবে।
২৪. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:০২
জাফর হোসেন খান বলেছেন: আমি যতদুর শুনেছি, যৌবনজালার মালিকানা পরিবর্তন হয়েছে, যৌবনজালার পক্ষে বিপক্ষে পোস্টগুলোতে জনৈকদের দৌড়ে এসে কমেন্ট করাটা খেয়াল করে দেখবেন। যৌবনজালাতে পর্নো না থাকলে তারা দুদিনেই পঙ্গু হয়ে যাবে। তারা কখনো পর্নো বাদ দিবেনা। যারা যৌবনজালাতে যায়, তারা পর্নের জন্যই যায়। মুক্তিযুদ্ধের ভিডিও দেখতে নয়।
২৫. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:০৮
মহাকালর্ষি বলেছেন: কোন পতিতালয়ের শিশুদের নিয়ে ঐ পতিতালয়েই যদি কেউ {এনজিও মার্কা নয়, চেতনাতাড়িত হয়েই}স্কুল গড়ে তোলে, তাকে আমার স্যাল্যুট। অমির উদ্দেশ্য যদি তার কাছাকাছিও হয়, তাহলে আমি অবশ্যই খুশি হবো।
আপনার বিশ্লেষণ ভালো লাগলো। অশেষ ধন্যবাদ।
২৬. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১৪
মামু বলেছেন: "পর্নগ্রাফি সবাইকরে, সুতরাং অসুবিদা কোতায়, এইটা তো জীবনেরই অংশ"
এইটা যদি ধ্যান ধরানা হয় তাইলে নিজের বাসায় ক্যান পর্নচবি টানাইয়া রাকেন না। অসুবিদা কোতায়?
২৭. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১৫
মিঠাই বলেছেন: মামু, তুমার মুখ থিকা এমনিতেই গন্ধ বাইরায়। যাও বাসাত যাও। এইখানে না।
২৮. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১৬
মিঠাই বলেছেন: মামুতো মোটামুটি পর্নসাইট ভালই ব্রাউস করো কতাবার্তায় বুজা যায়। তো তোমার ছুট বইন্টারে পাশে বহাও না কেলা ব্রাউস করার টাইমে?
২৯. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১৬
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: রন্টি সাব আপনে তো আজকেই আমার পোস্ট করা এডাল্ট ভিডিও নাকি দেখছেন বইলা এক জায়গায় কইছেন। ওইটার উত্তর আমি যা দিছি পড়ছেন? চাপা তো মাইরাই যাইতেছেন বারবার।
আজকে রেজি করলে ফ্যামিলি ফিল্টার পান নাই! মিয়া! আপনারে নিয়া আমার একটু সন্দেহ ছিলো, এখন নাই। বর্ণচোরা আর সাইজেন না, ওপেন হন। এইখানে আমি যোবন যাত্রার সাফাই গাইতে আসি নাই। তারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চায়, সামহোয়ারেরও চাইতে সমস্যা কি? প্রোফাইলে শহীদ বুদ্ধিজীবির চোখবাধা ছবি লাগাইছেন কি একাত্তরের চেতনা নামের সেই রাজাকার ব্লগারের আদলে?
চটি যেইটা লিখছি সেইটা আমার ভালো লাগছে লিখতে। দেখেন পোস্ট কইরা।
৩১. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১৮
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: আর শুনেন, আমি ইলেকশনে খাড়াই নাই। আমার চরিত্র ফুলের মতো পবিত্র এই দাবিও করি নাই। আমার পোস্ট পইড়া যারা সহমত জানাইছেন বিনা আবেদনে জানাইছেন। আপনার গুয়া জ্বলা দেইখা আমি বিনোদন ছাড়া আর কিছু পাই নাই
৩২. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১৯
নূহান বলেছেন: মামু ,চানক্য একই লোক মনে হইতাছে,দুইটারেই গদাম লাথি মারি।
পোস্টে +
৩৪. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:২৩
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: অমি পিয়াল ভাই,
আমি শুধু এ বিষয়টি তে আমার দৃষ্টিভঙ্গি পরিস্কার করেছি। আমার উপর ক্ষেপছেন কেন? আমার উপরে ক্ষেপার কোন কারন নেই। আমার দৃষ্টিভঙ্গিই যে সঠিক তা তো নয়। ভুলও হতে পারে। তবে আপাতত আমি যা বলছি তা বিশ্বাস করেই বলছি সেটাই জানি।

আমাকে নিয়ে সন্দেহ ছিল বলে অনেক ধন্যবাদ।

এনিওয়ে, ভিডিও দেখিনি, চটি পড়ছি। দারুন ছিল।
৩৫. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:০৩
কঁাকন বলেছেন: বাঙলার একটা কুত্তাও যদি গোলাম আজমদের মত ছাগলদের পাছায় কামড় দেয়, সেটাই আমাদের লাভ- অন্তত এতে তো কোন ক্ষতি দেখি না।
৩৬. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:১২
মুক্তি বলেছেন: কন্সপরিসি থিউরী: পিয়ালা আঙ্কেল মুক্তিযুদ্ধের কিছু ধর্ষনের ভিডিও পেয়ে থাকতে পারেন পর্নো হিসেবে ব্যবহার করার জন্য সিস্টেমটাকে হালাল করে নেয়া। এই যা। তবে আপনার যুক্তি বড়ই সুন্দর। কদিন পরে জামাত বলবে ‌‍"আমরা মাগী পাড়া থেকে জনমত নিয়ে এসেছি এবার ইসলামী শাসনব্যবস্থা কায়েম করবো"।
৩৭. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ ভোর ৪:৪৮
শামীম রিয়াজ বলেছেন: কঁাকন বলেছেন: বাঙলার একটা কুত্তাও যদি গোলাম আজমদের মত ছাগলদের পাছায় কামড় দেয়, সেটাই আমাদের লাভ- অন্তত এতে তো কোন ক্ষতি দেখি না।
৩৮. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:১৮
ক-খ-গ বলেছেন: কঁাকন বলেছেন: বাঙলার একটা কুত্তাও যদি গোলাম আজমদের মত ছাগলদের পাছায় কামড় দেয়, সেটাই আমাদের লাভ- অন্তত এতে তো কোন ক্ষতি দেখি না।
৩৯. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৪১
অমলকান্তি বলেছেন: সুমন রহমান বলেছেন: আইরিন এবং মাহবুব সুমন পরিষ্কার করে বলেছেন। একটা পর্নোগ্রাফি জিনিসটা আদতে নারীর প্রতি সহিংসতারই প্রকাশ। সেক্ষেত্রে একটা সহিংসতার পাদানিতে দাঁড়িয়ে অন্য একটি সহিংসতার বিচার চাওয়া স্ববিরোধী শুধু নয়, সহিংসতাকে চলমান রাখতেও প্রকারান্তরে মদদ দেয়।

আপনি কি মনে করেন?
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:০৯

লেখক বলেছেন:
এই যুক্তিকে ফেলে দিতে পারছি না।
ভাবছিলাম, সারাদিনই বলতে গেলে ভেবেছি- ......
এটিই আসলে সবচেয়ে জোরালো যুক্তি.......

এই ভাবনাটা প্রথমে ভাবতে না পারায় নিজেকে অপরাধী মনে হচ্ছে, প্রথমেই ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান টাইপের লোকের পোস্টে ঢুকে তাদের সাথে ডিবেট করতে গিয়ে আমার এই দশা। পিয়াল-জেবতিক-মিয়াদাদ-অপবাক এমন কয়েকজনের দ্বারা প্রভাবিতও হয়ে গিয়েছিলাম। জাতেমাতালের পোস্ট দেখে মোহ ভঙ্গ হয়েছে- (আহসান হাবিব শিমুলের বিপরীত অবস্থান দেখেই প্রথম ভিন্ন ভাবনার শুরু, তবে তার যুক্তি আমাকে তখনো কনভিনসড করতে পারেনি।) আরো কয়েকজন বন্ধুর সাথে আলাপ-যুক্তি-তর্কও বিষয়টিকে অন্য আঙ্গিকে দেখতে সহায়তা করেছে- আপনিও আসল যুক্তিটি চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেন।

আপনাকে ধন্যবাদ এবং আপনার প্রতি কৃতজ্ঞতা।


আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

৪০. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:২৫
মেঘ বলেছেন: অমলকান্তির সাথে সহমত
৪১. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৪২
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ নাস্তিকের ধর্মকথা।
৪২. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০৩
মাদারি বলেছেন: শিমুল সাহেব ধন্যবাদ তার এই চমৎকার পোস্টের জন্য। আমি তার সাথে সহমত পোষণ করে এ বিষয়ে আমার নিজের কিছু যুক্তি তুলে ধরছি:

প্রথমত:
আমি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কেন চাই? শুধু কিছু চিহ্নিত ব্যাক্তি বিশেষের শাস্তি নাকি যে আদর্শ বা ইডিওলজির উপর ভিত্তি করে যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত হয়েছে তার অবসান। সারাবিশ্বেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করার পেছনে ব্যাক্তি অপরাধীকে শাস্তি দেয়ার চেয়ে তার অপরাধের পেছনকার আদর্শের বিরুদ্ধচারণ করা ও সেটাকে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যটাই মুখ্য যেন অপরাধী ব্যাক্তির মৃত্যুর পরও নতুন রুপে নতুন পরিস্থিতিতে সে আদর্শ মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে। যুদ্ধপরাধের আদর্শের অনেকগুলো দিক আছে যার একটি হলো নারীর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি- এ আদর্শ মনে করে নারী হলো পুরুষের ভোগ্য বস্তু, পুরুষের সম্পত্তি যাকে গণিমতের মাল হিসাবে ধর্ষন করা জায়েজ।
অন্যদিকে পর্ণ সংস্কৃতি আমাদের কি শেখায়, নারী পুরুষের রগরগে যৌনদৃশ্যের মধ্যে দিয়ে কি মেসেজ দেয়?সেই যুদ্ধপরাধীর আদর্শের মতই পর্ণ সংস্কৃতি বিভিন্ন ওয়েবসাইট/পত্রিকা ইত্যাদির মাধ্যমে নারীকে সেই ভোগ্যপণ্য হিসাবেই উপস্থাপন করে, তার যৌনতা সম্পর্কিত ফাংশনালিটিকেই মুখ্য করে তোলে। যে কারণে ধর্ষন সহ নারীর প্রতি নানাধরনের সহিংসতা উসকে দিতে পর্ণ সংস্কৃতির জুড়ি নেই।
বিষয়টিকে এভাবে দেখি বলেই আমার কাছে যুদ্ধপরাধীর আদর্শ আর পর্ণ সংস্কৃতিকে একই ভোগবাদী পুরুষতান্ত্রিক আদর্শের ভিন্ন রুপ ছাড়া আর কিছু ভাবতে পারিনা। সমাজপরিবর্তনের একজন কর্মী হিসাবে যে সমাজ আমি ভাংতে চাই এ দুটি সেসমাজেরই পচে যাওয়া সংস্কৃতির অংশ। আমার কাছে যুদ্ধপরাধীর বিচার চাওয়া, তার আদর্শের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করা আর বিভিন্ন অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে দাড়ানো একই আন্দোলনের বিভিন্ন রুপ- এর একটি আদায় করতে গিয়ে অন্যটিকেক্ষতিগ্রস্থ করা মানে হলো একজায়গাতেই দাড়িয়ে থাকা,ব্যাক্তি যুদ্ধপরাধীর বিচার করতে গিয়ে যদি আমি এমন সব কাজ কারবার করতে থাকি যার ফলে সেই ব্যাক্তির অপরাধের পিছনের যে আদর্শ সেটিই পুনরুজ্জীবিত হয়, আশকারা পায়, বৈধতা পায়-তাহলে সে বিচারের কোন মানে নেই।

দ্বিতীয়ত:
যে পঞ্চাশ হাজার মানুষ যৌবন যাত্রায় নিয়মিত ঢু মারে তাদের কাছে যুদ্ধপরাধের বিচারের প্রয়োজনীতার বার্তাটুকু তুলে দিতে আমার কোন আপত্তি তো নেই ই বরং আদর্শগত সংগ্রামের জায়গা থেকে সেটা জরুরীও বটে।কিন্তু কথা হলো তার কাছে পৌছানোর জন্য কেন আমাকে যৌবন জ্বালা বা যাত্রাকেই বেছে নিতে হবে? তারা কি ইন্টারনেটে কেবল পর্ণই দেখে নাকি তাদেরও মেইল অ্যাডরেস আছে, তারা ইয়াহুগ্রুপ এর মত বিভিন্ন গ্রুপের সদস্য, তাদের ফেইস বুকেও একাউন্ট আছে। তাছাড়া মধ্যবি্ত্ত, উচ্চ মধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্য হওয়ার কারনে বাসা-বাড়িতে পত্রপত্রিকা রাখা, টেলিভিশনে খবরাখবর দেখা ইত্যাদি বিভিন্ন উপায়েই তো তারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবী সম্পর্কে জানতে পারে.. সবচেয়ে বড় কথা আমরা যদি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতেই চাই তাহলে মাঠেঘাটে রাজপথে মিছিল-মিটিং, হরতাল-অবরোধ ইত্যাদি করা ছাড়া গতি নেই .. কেননা বাধ্য না করলে এই রাষ্ট্র কখনই এদের বিচার করবে না।আর সে ক্ষেত্রে তো এই সব আন্দোলনের মাধ্যমেই তো পৌছানো যাবে তাদের কাছে? বামপন্থীরা যখন তেল-গ্যাস-বিদ্যুৎবন্দর রক্ষার আন্দোলনে নামে- কই তাদের কে তো সে আন্দোলন সফল করার জন্য পর্ণ ওয়েবসাইটের দ্বারস্থ হতে হয়নি- মিছিল-মিটিং-বুলেটিন-লংমার্চ এর মাধ্যমে তো তারাবুর্জোয়া মিডিয়ার অসহযোগিতা সত্তেো ঠিক বিপুল সংখ্যক মানুষ কে যুক্ত করতে পেরেছিল!

কাজেই পর্ণ সাইটে যুদ্ধপরাধীদের বিচার চাওয়ার বিষয়টাএকদিকে যেমন অপ্রয়োজনীয় অন্যদিকে সেই অপ্রয়োজনীয় কাজটি উল্টোযুদ্ধপরাধের বিচারের মূল আদর্শের পরিপন্থীহয়ে দাড়ানোতে আমি এর বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছি।
৪৩. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:১৪
মাদারি বলেছেন: একটা ভুল হয়ে গেল... উপরের কমেন্টটি আমি আহসান হাবিব শিমুলের পোস্টে করতে গিয়ে এখানে করে ফেলেছি.. যা হোক ,, আফসোস নাই .. এখানেও বিষয়টা সমান প্রাসঙ্গিক.... পাশাপাশি নাস্তিকের ধর্মকথাকে স্যালুট যুক্তি মেনে নিজের অবস্থান পাল্টানোতে.. স্যালুট।
৪৫. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:০৬
মুহাম্মদ জ িহরুল কাইয়ুম ভূঁইয়া বলেছেন: যাদের শুরুই হয় অবৈধ ভাবে, নোংরা ভাবে, বিকৃত মন-মানসিকাত দিয়ে তাদের থেকে কি'বা সাধু আশা করা যায়? আবার এদেরই মুখে যখন শুনি আমার দেশের স্বাধীনতার কথা, মুক্তিযুদ্ধের কথা, চেতনার কথা তখন মনে হয় শ্যালার কুত্তাগুলোরে ভারতের হাতে দিয়ে আসি...আওয়ামী ছাগু, মুক্তি চেতনার নব্য ইজারাদার, ধিক তোদের, তোদের রুচিবোধ.... ছি: ছি; ছী:
৪৬. ০২ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:২৩
পাগল@মন বলেছেন: অমি পর্ণো সাইট করলে ঠিক আছে, কিন্তু অন্য কোন ব্লগার করলে ধুইয়া ফালাইতাম

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৬৪১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
মানুষেরে ঘৃণা করি'/
ও কারা কোরান, বেদ, বাইবেল চুম্বিছে মরি' মরি'/
ও মুখ হইতে কেতাব-গ্রন্থ নাও জোর ক'রে কেড়ে,/
যাহারা আনিল গ্রন্থ-কেতাব সেই...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই