somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

যৌবনযাত্রা, যৌনতা এবং চলমান ব্লগ-বিতর্ক

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৩৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

যৌবনজ্বালা তথা যৌবনযাত্রায় রাজাকার-বিরোধী সংগ্রামের উদ্যোগ! ছিঃ ছিঃ ছিঃ!!! অনেকে নাক ছিটকানোর জায়গা পাচ্ছেন না। অনেকে ভাবছেন, এই বুঝি বা রাজাকারেরা পেয়ে বসলো, আমাদের দেশপ্রেম- রাজাকার বিরোধী সংগ্রাম সবকিছুকে ব্লগের রাজাকারেরা মাড়িয়ে দিবে, যেচে তাদের হাতে মওকা তুলে দেয়া হলো!!!

রাজাকারদের মওকার কোনদিনই অভাব হয়নি, হবেও না- তাদের সবসময়ই দৌড়ানির উপরেই রাখা দরকার। তাদের বুঝানোর কিছু নেই। তবে রাজাকারদের বাইরেও অনেক ব্লগারই দেখছি বিভিন্ন মত রাখছে- সেহেতু এ ব্যাপারে আমার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গী তথা বক্তব্যটি সকলের সাথে শেয়ার করছি।

অনেককেই এই উদ্যোগের বিরোধিতা করতে গিয়ে দেখছি যুক্তি করছেন: "কোন ব্লগার রাজি আছেন যার বোনের উলংগ ছবি হিডেন ক্যামেরার মাধ্যমে যৌবন যাত্রায় চলে যাবে। আর যৌবন যাত্রার সবাই তার বোনকে দেখবে। আর যৌবন জ্বালায় যারা যায় তারা এইসব দেখতেই যায়। ময়লা দিয়ে কখনো ময়লা পরিষ্কার হয়না।"

হুম, এটা ঠিক যে কেউই তার নিজের মা-বোনকে পর্ণো ভূমিকায় দেখতে চাইবে না। আবার উল্টোদিকে এটাও তেমনি সত্য যে, নিজের মা-বোনকে যে ভূমিকায় দেখতে রাজী নয়- ঠিক সেই ভূমিকায় অন্য নারীকে দেখতে অনেকেই অনেক আনন্দ পান।

আমিও এককালে যখন পর্ণো দেখতাম- রাস্তাঘাটে সুন্দর দেহাবয়ব দেখে তাকিয়ে থাকতাম, সে সময়ের অভিজ্ঞতা থেকে বুঝি- ঐ সমস্ত নারীর জায়গায় নিজের মা-বোন, কাছের নারীদের কথা কল্পনাও করতে পারতাম না, কিন্তু শুধু সেটুকু অবশ্যই আমাকে পর্ণো থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেনি। আজ কোন চলচ্চিত্রে বা বিজ্ঞাপন চিত্রে কোন এক নারীর স্বল্পবসন- আকর্ষণীয় ফিগার- আবেদনময়ী ভঙ্গী এসব দেখে যখন একজন পুরুষ দর্শক আকর্ষণ বোধ করেন- তখনও কিন্তু তিনি ঐ ভঙ্গীতে বা বেশে তার মা-বোনকে কল্পনা করতে পারেন না, তারপরেও কিন্তু ঐ সব চিত্র গোগ্রাসে গিলেন। কারণ কি?

এই জায়গাটি যদি না ধরতে পারেন তবে কি আসল জায়গায় যেতে পারবেন?

যৌবনযাত্রায় আমি এখনো ঢুকিনি- অফিস থেকে এক্সেস নেই, তারচেয়েও বড় ভয় ভাইরাসের। তবে যতখানি বুঝছি- এটা একটা পর্ণো টাইপের সাইট বা ফোরাম, এবং এটা বাংলাদেশের একটা ব্যাপক জনপ্রিয় সাইট। তাহলে, বাস্তবতা হচ্ছে এই সাইট টি প্রতিদিন অনেকেই নিয়মিত ভিজিট করছেন। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, যারা এখানে ঢু মারছেন তাদের সম্পর্কে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গী কি হবে? তাদের ময়লা বলে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করবো? আমার কাছে এরকম আচরণকে কাপরুষোচিত ও বর্বরোচিত মনে হয়। কারণ, প্রথমত প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সেক্সের ব্যাপারে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা আছে বলে আমি মনে করি। যদিও এভাবে সেক্সকে স্যাটিসফাই করাকে আমার কাছে খুব সুস্থ প্রাকটিস মনে হয় না, এবং এর দ্বারা এতটুকু বুঝতে পারি- আজকের সমাজে মানুষের যৌনজীবন কতখানি অসুস্থ ও মানুষ কতখানি একাকিত্বে ভুগে; তথাপি ঐ মানুষকে আমি ময়লা বলে ঘৃণা করতে নারাজ এবং নাগরিক-সামাজিক জীবনে তার সমস্ত অধিকার দিতেই চাইবো।

ফলে, এমন একটি সাইটে যখন অমি রহমান পিয়ালরা একটি বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে যায়, সেখানকার মানুষদের মধ্যে সচেতনা তৈরীতে ব্রতী হয়, রাজাকার বিরোধী সংগ্রামে লিপ্ত করে- তখন তাদের স্যালুট করাই কর্তব্যজ্ঞান করি।

পরিশেষে একটি কথা বলি- যে কেউই তার বাবার হস্তমৈথুনের কথা কল্পনা করতে বিব্রত বোধ করতে পারেন, কিন্তু এটা কি তার নিজের হস্তমৈথুনের হারকে কমাতে কখনো পারে?

পাল্টা যুক্তি হিসাবে বলা হচ্ছে: "পাপকে ঘৃনা কর পাপীকে নয়। যারা ভিজিট করে তাদের ময়লা বলিনি । ঐ সাইট টাকে ময়লা বলেছি। কারো অনুমতি ছাড়া তার কর্মকান্ড ক্যামেরায় ধারন করে তা রাস্তায় বিক্রি করা বা কোন সাইটে আপলোড করা তা অবশ্যই অবৈধ।"

আমি জানি না, পর্ণো সাইটগুলোতে এখন এমন হিডেন ক্যামেরার পর্ণো সিনের কতখানি কদর? যৌবনযাত্রায় কি এরকম সিনেরই ছড়াছড়ি? সুমন-পিন্টুদের মত অনেক গ্রুপ কি এখনো কার্যকর?

কোন সন্দেহ নেই- একাজগুলো গর্হিত অপরাধ। তবে, আপনার বক্তব্যে মনে হচ্ছে যে- হিডেন ক্যামেরার বিষয়টিকে এমনভাবে সামনে আনছেন যে- এই বিষয়টি না থাকলেই যৌবনযাত্রার মত পর্ণো সাইটগুলোর ব্যাপারে আপনার কোন আপত্তি থাকতো না। এ বিষয়টি আগে পরিষ্কার করুন। আপনার আপত্তির জায়গা কোথায়। আগে যখন পর্ণো দেখার অভ্যাস ছিল তখন- সবই একটর-একট্রেস দিয়ে করা ছিল, এখন কি একটর/একট্রেস দিয়ে এমন ফিল্ম নেই?

আমার কাছে তো এটাকেও একই রকম বাজে লাগে। টাকার বিনিময়ে কিছু মেয়ে তাদের শরীর বেচছে, যৌনতা বেঁচছে- এটাকে আমার খুব অমানবিক মনে হয়। এই ইণ্ড্রাস্ট্রিতে যারা অর্থ লগ্নি করছে, মেয়েদের ধরে ধরে এরকম পেশায় নামাচ্ছে- সেটাকে তো চরম জঘণ্য মনে হয়, তদুপরি সমাজ ব্যবস্থাকেই আগে দোষারোপ করি। এই পণ্যায়িত সমাজই তো আজ ভালোবাসা-মানবিকতা সবকিছুকে দূরে ঠেলে দিয়েছে, যৌনতা আজ একটি পণ্য- স্রেফ পণ্য।

দেখুন এখানে দুটি বিষয়- একদল মানুষ তার অতৃপ্ত যৌনাকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে এসব দেখছে, টিভি-সিনেমায় মেয়েদের শরীর দেখছে, রাস্তাঘাটে হয়তো আড়চোখে মেয়েদের বুক-পাছাও দেখছে, হয়তো পতিতালয়েও যাচ্ছে- অর্থাৎ এরা যৌনতা নিয়ে চরম আনস্যাটিসফাইড। এদের কথাই আমি বলছি- এরা সোসাইটিরই ভিকটিম- ছোটবেলা থেকেই প্রচণ্ড অবদমনে এরা বেড়ে উঠেছে, এরা বিকৃতি দেখে দেখে এবং বিকৃতির ভিতর দিয়েই বেড়ে উঠেছে (এরা এরা না বলে আসলে আমরা বললেই ভালো হতো- আমি, আমরাও তো একই পরিবেশে বেড়ে উঠেছি)। কোনরকম যৌনশিক্ষা এরা পায়না, যৌনতা বা বিপরীত লিঙ্গের প্রতি প্রাকৃতিক নিয়মে যে বয়সটিতে আগ্রহ তৈরী হয়- সেই বয়সটিতে তাদের উপর সামাজিক বিধি-নিষেধ এসে আরোপিত হয়, সমস্ত মিডিয়া-বই পত্র আবার তার মধ্যে এই আগ্রহ-আকর্ষণকে আরো তীব্র করার জন্য প্রস্তুত, ভালোবাসা সম্পর্কে প্রচণ্ড লালায়িত- অথচ ভালোবাসা হীন বেড়ে উঠা, প্রেম-ভালোবাসার বাইরেও, যৌনতার বাইরেও নর-নারীর স্বাভাবিক-সুসম্পর্ক-বন্ধুত্ব সম্পর্কে ধারণাহীন থেকে বেড়ে উঠা... এই তো সকলের অবস্থা। ফলে এরা যদি যৌবনযাত্রায় হিডেন ক্যামেরার কোন সিনও দেখে- তবে আসলে সে তার সেই অতৃপ্ত যৌনাকাঙ্ক্ষা পূরণের উদ্দেশ্যেই দেখে- অন্য নারীর শরীর- অন্যদের যৌনক্রিয়া দেখে নিজের বাসনাকে তৃপ্ত করার চেস্টা করে। শেষ পর্যন্ত কি তৃপ্ত হয়? বড় প্রশ্ন।

আর এমন অবস্থার সুযোগে তৈরী হয়- নানারকম চক্র, চলে ব্যবসা- টাকার খেলা, পতিতাবৃত্তি- পর্ণো ফিল্ম ইণ্ডাস্ট্রি, যুক্তরাষ্ট্রে পর্ণো থেকে আয় নেহাত কম নয়- বরং রাষ্ট্রীয় আয়ের উপরের দিকেই স্থান নিবে তেল-সফটওয়ার-অস্ত্র-ঋণ প্রভৃতির ব্যবসার পরেই না-কি এই ইণ্ডাস্ট্রির নাম!

পর্ণোগ্রাফি- পতিতাবৃত্তি- মিডিয়ায় নারীকে পণ্য হিসাবে উপস্থাপন সমস্তই আমার কাছে একই রকম মনে হয়, এসব পেট্রোন করা সাইটকে আমার ময়লা বলতে কোন আপত্তিও নেই; তবে তার মানে এরকম কখনো মনে করিনা যে, এসবের সাথে যারা যুক্ত তাদের কোন সামাজিক-নাগরিক-রাজনৈতিক জীবন থাকতে পারবে না, অধিকার থাকতে পারবে না; তারা দেশকে ভালোবাসতে পারবে না, রাজাকারদের ঘৃণা করতে পারবে না। এমনটি আসলেই মনে করিনা।

পাল্টা প্রশ্ন আসে: "সব কিছুকে উন্মুক্ত করলেই কি আমাদের কালচার তা মেনে নিবে? রুচিবোধ ও সামাজিকতা অস্বীকার করবেন কি ভাবে?"
প্রথমত কোনটা আমাদের কালচার এটা আগে নিরূপন করতে হবে। দ্বিতীয়ত, কোন কোন সময় কোন কোন কালচার মানুষের গলা টিপে ধরতে উদ্যত হলে সে কালচারের পরিবর্তনটাই কাম্য। রুচিবোধ ও সামাজিকতার দোহাই দিয়ে মানুষকে আটকে রাখার ফল কি ভালো? আজ আমরা কি দেখছি?

আসলে যা কিছু স্বাভাবিক- তাকে সহজভাবে গ্রহণ করাটাই উত্তম। আরোপ করা কোন বিধি-নিষেধ মানুষের মধ্যে অবদমনই তৈরী করে, যার ফলে কখনো ভালো হয় না।

প্রশ্ন আসে: "সব ই তো বুঝলাম কিন্তু এইটা বুঝলাম না একটা পর্ণো সাইটের ভিজিটরদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হবার আহ্ববান জানালে তা কি আদৌ কোনো ফল বয়ে আনবে?"

এর জবাবে শুধু এটুকু বলবো- মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হওয়ার তথা রাজাকারদের ঘৃণা করার অধিকার সবারই- চোর, বাটপার, বদমাশ, শয়তান সকল বাঙালিরই, আর একজন দেহব্যবসায়ী, তার খদ্দের, পর্ণো সাইটের একজন সদস্য এদের তো আছেই- বাঙলার একটা কুত্তাও যদি গোলাম আজমদের মত ছাগলদের পাছায় কামড় দেয়, সেটাই আমাদের লাভ- অন্তত এতে তো কোন ক্ষতি দেখি না।

আর এ উদ্যোগের জন্যই তো অমি রহমান পিয়ালকে স্যালুট।

***********************************************

বিঃদ্রঃ এ ব্যাপারে আরিফ জেবতিকের এই পোস্টের সাথে সম্পূর্ণ একমত। বিশেষ আর কিছু বলার নেই। সকলকে জেবতিকের এই পোস্ট পড়ার আহবান জানাই।

সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৪১
৪৬টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৪৩


মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?

লিখেছেন হিমন, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৫০

হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×