আমার প্রিয় পোস্ট

ইসলামিক উত্তরাধিকার আইন: গাণতিক ভুল বনাম ভাষার মারপ্যাঁচ (উৎসর্গঃ মাসুদুল হক ও জ্বিনের বাদশা)

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:১৬

শেয়ারঃ
0 3 0

প্রথমেই একটা বাস্তব সমস্যা দেখি: যদি মৃত ব্যক্তির ২ কন্যা, ১ স্ত্রী, পিতা এবং মাতা বর্তমান থাকেন- তবে কে কত অংশ পাবে?

দু'ধরণের সমাধান দেখেছি:
সমাধান ১:
২ কন্যা= ২/৩
১ স্ত্রী= ১/৮
বাবা= ১/৬
মা= ১/৬
মোট= ২/৩+১/৮+১/৬+১/৬= ২৭/২৪

আউল প্রয়োগ করে:
২ কন্যা= ১৬/২৭
১ স্ত্রী= ৩/২৭
বাবা= ৪/২৭
মা= ৪/২৭

সমাধান ২:
২ কন্যা= ২/৩
বাকি থাকে= ১/৩
এই ১/৩ অংশ ১/৮:১/৬:১/৬=৩:৪:৪ অনুপাতে বিভক্ত হবে।
ফলে- ১ স্ত্রী= ৩/৩৩
বাবা= ৪/৩৩
মা= ৪/৩৩

প্রশ্ন হচ্ছে কোন সমাধানটি সঠিক?

সমাধান দুটি নিয়ে আলোচনার আগে- আল কোরআনের পবিত্র বানীর দিকে দৃষ্টি দেয়া যাক। ইসলামিক উত্তরাধিকার আইন কেমন হবে- এনিয়ে সুরা বাকারা, নিসা, মায়িদাহ প্রভৃতি সুরার বেশ কিছু আয়াতে দিকনির্দেশনা থাকলেও- মূলত সুরা নিসার তিনটি আয়াতেই (১১, ১২ ও ১৭৬) সম্পত্তি কিভাবে বন্টিত হবে- তা বর্ণিত হয়েছে।

সুরা নিসা, আয়াত ১১: আল্লাহ্ তোমাদেরকে তোমাদের সন্তানদের সম্পর্কে আদেশ করেন: একজন পুরুষের অংশ দু’জন নারীর অংশের সমান। অত:পর যদি শুধু নারীই হয় দু-এর অধিক, তবে তাদের জন্যে ঐ মালের তিন ভাগের দুই ভাগ যা ত্যাগ করে মরে এবং যদি একজনই হয়, তবে তার জন্যে অর্ধেক। মৃতের পিতা-মাতার মধ্য থেকে প্রত্যেকের জন্যে ত্যাজ্য সম্পত্তির ছয় ভাগের এক ভাগ, যদি মৃতের পুত্র থাকে। যদি পুত্র না থাকে এবং পিতা-মাতাই ওয়ারিস হয়, তবে মাতা পাবে তিন ভাগের এক ভাগ। অত:পর যদি মৃতের কয়েকজন ভাই থাকে, তবে তার মাতা পাবে ছয় ভাগের এক ভাগ ওছিয়্যতের পর, যা করে মরেছে কিংবা ঋণ পরিশোধের পর। তোমাদের পিতা ও পুত্রের মধ্যে কে তোমাদের জন্যে অধিক উপকারী তোমরা জান না। এটা আল্লাহ্ কর্তৃক নির্ধারিত অংশ নিশ্চয় আল্লাহ সর্বজ্ঞ, রহস্যবিদ। Allâh commands you as regards your children’s (inheritance); to the male, a portion equal to that of two females; if (there are) only daughters, two or more, their share is two thirds of the inheritance; if only one, her share is half. For parents, a sixth share of inheritance to each if the deceased left children; if no children, and the parents are the (only) heirs, the mother has a third; if the deceased left brothers or (sisters), the mother has a sixth. (The distribution in all cases is) after the payment of legacies he may have bequeathed or debts. You know not which of them, whether your parents or your children, are nearest to you in benefit, (these fixed shares) are ordained by Allâh. And Allâh is Ever All­Knower, All­Wise.

সুরা নিসা, আয়াত ১২: আর, তোমাদের হবে অর্ধেক সম্পত্তি, যা ছেড়ে যায় তোমাদের স্ত্রীরা যদি তাদের কোন সন্তান না থাকে। যদি তাদের সন্তান থাকে, তবে তোমাদের হবে এক-চতুর্থাংশ ঐ সম্পত্তির, যা তারা ছেড়ে যায়; ওছিয়্যতের পর, যা তারা করে এবং ঋণ পরিশোধের পর। স্ত্রীদের জন্যে এক-চতুর্থাংশ হবে ঐ সম্পত্তির, যা তোমরা ছেড়ে যাও যদি তোমাদের কোন সন্তান না থাকে। আর যদি তোমাদের সন্তান থাকে, তবে তাদের জন্যে হবে ঐ সম্পত্তির আট ভাগের এক ভাগ, যা তোমরা ছেড়ে যাও ওছিয়্যতের পর, যা তোমরা কর এবং ঋণ পরিশোধের পর। যে পুরুষের, ত্যাজ্য সম্পত্তি, তার যদি পিতা-পুত্র কিংবা স্ত্রী না থাকে এবং এই মৃতের এক ভাই কিংবা এক বোন থাকে, তবে উভয়ের প্রত্যেকে ছয়-ভাগের এক পাবে। আর যদি ততোধিক থাকে, তবে তারা এক তৃতীয়াংশ অংশীদার হবে ওছিয়্যতের পর, যা করা হয় অথবা ঋণের পর এমতাবস্খায় যে, অপরের ক্ষতি না করে। এ বিধান আল্লাহর। আল্লাহ্ সর্বজ্ঞ, সহনশীল। In that which your wives leave, your share is a half if they have no child; but if they leave a child, you get a fourth of that which they leave after payment of legacies that they may have bequeathed or debts. In that which you leave, their (your wives) share is a fourth if you leave no child; but if you leave a child, they get an eighth of that which you leave after payment of legacies that you may have bequeathed or debts. If the man or woman whose inheritance is in question has left neither ascendants nor descendants, but has left a brother or a sister, each one of the two gets a sixth; but if more than two, they share in a third; after payment of lagacies he (or she) may have bequeathed or debts, so that no loss is caused (to anyone). This is a Commandment from Allâh; and Allâh is Ever All­Knowing, Most­Forbearing.

সুরা নিসা, আয়াত ১৭৬: মানুষ আপনার নিকট ফতোয়া জানতে চায় অতএব, আপনি বলে দিন, আল্লাহ্ তোমাদিগকে কালালাহ এর মীরাস সংক্রান্ত সুস্পষ্ট নির্দেশ বাতলে দিচ্ছেন, যদি কোন পুরুষ মারা যায় এবং তার কোন সন্তানাদি না থাকে এবং এক বোন থাকে, তবে সে পাবে তার পরিত্যাক্ত সম্পত্তির অর্ধেক অংশ এবং সে যদি নি:সন্তান হয়, তবে তার ভাই তার উত্তরাধিকারী হবে। তা দুই বোন থাকলে তাদের জন্য পরিত্যক্ত সম্পত্তির দুই তৃতীয়াংশ। পক্ষান্তরে যদি ভাই ও বোন উভয়ই থাকে, তবে একজন পুরুষের অংশ দুজন নারীর সমান। তোমরা বিভ্রান্ত হবে আল্লাহ্ তোমাদিগকে সুস্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দিচ্ছেন। আর আল্লাহ্ হচ্ছেন সর্ব বিষয়ে পরিজ্ঞাত। They ask you for a legal verdict. Say: "Allâh directs (thus) about Al­Kalâlah (those who leave neither descendants nor ascendants as heirs). If it is a man that dies, leaving a sister, but no child, she shall have half the inheritance. If (such a deceased was) a woman, who left no child, her brother takes her inheritance. If there are two sisters, they shall have two-thirds of the inheritance; if there are brothers and sisters, the male will have twice the share of the female. (Thus) does Allâh makes clear to you (His Law) lest you go astray. And Allâh is the All-Knower of everything."

এই আয়াত তিনটি থেকে আমরা পাই....
আয়াত ১১ হতে-
কন্যা পাবে:
-> ২/৩ ভাগ, যদি দুই এর অধিক হয় ও কোন পুত্র সন্তান না থাকে
-> ১/২ ভাগ, যদি একজন হয় ও কোন পুত্র সন্তান না থাকে
-> ১ পুত্রের ভাগ = ২ কন্যার ভাগ
মাতা পাবে:
->১/৬ ভাগ যদি পুত্র থাকে
-> ১/৩ ভাগ যদি পুত্র না থাকে এবং শুধু পিতামাতাই ওয়ারিশ হয়
-> ১/৬ ভাগ, যদি মৃতের ভাই থাকে
পিতা পাবে:
->১/৬ ভাগ

আয়াত ১২ হতে-
স্বামী পাবে:
->১/২ ভাগ, যদি কোন সন্তান না থাকে
-> ১/৪ ভাগ, যদি সন্তান থাকে
স্ত্রী পাবে:
-> ১/৪ ভাগ, যদি কোন সন্তান না থাকে
-> ১/৮ ভাগ, যদি সন্তান থাকে
ভাই-বোন পাবে:
-> ১/৬ ভাগ, যদি এক ভাই কিংবা এক বোন থাকে- প্রত্যেকে, যদি পিতা-পুত্র-স্ত্রী না থাকে
-> ১/৩ ভাগ, যদি ভাই-বোনের সংখ্যা দুই এর অধিক হয়- ভাইবোন একত্রে, যদি পিতা-পুত্র-স্ত্রী না থাকে

আয়াত ১৭৬ হতে-
বোন পাবে:
-> ১/২ ভাগ, যদি একজন হয়, যদি ভাই না থাকে, যদি মৃতের উধ্বস্তন-অধ:স্তন না থাকে
-> ২/৩ ভাগ, যদি একাধিক হয়, যদি ভাই না থাকে, যদি মৃতের উধ্বস্তন-অধ:স্তন না থাকে
-> ১ ভাই এর ভাগ = ২ বোন এর ভাগ, যদি ভাই থাকে, যদি মৃতের উধ্বস্তন-অধ:স্তন না থাকে

এখানে উল্লেখ্য যে- আয়াত ১২ ও আয়াত ১৭৬ এ ভাই-বোনের ভাগের হিসাব দুইরকম। ইজমা ( Click This Link) থেকে জানা যায়- ১২ আয়াতের ভাই-বোন আসলে বৈপিত্রেয় ভাই-বোন।

এবারে আসি- সমাধান দুটিতে:
অধিকাংশ ইসলামিক সাইটে ও আলোচনায় এবং ফরায়েজ সংক্রান্ত গ্রন্থে ১ম সমাধানটির কথাই বলা হয়েছে। শরিকদের মোট ভাগ যদি ১ এর অধিক হয়, তবে " আউল" প্রযুক্ত হবে- অর্থাৎ পরষ্পরের প্রাপ্য ভাগের সামনুপাতে প্রত্যেক শরিকের প্রাপ্য কমে যাবে। এই লিংকে গেলে ( Click This Link) কোন শর্তে কে কত ভাগ পাবে- তার একটা সার সংক্ষেপ তালিকা পাবেন। এ ব্যাপারে বিস্তারিত পাবেন মাসুদুল হকের পোস্টে ( Click This Link)। আউলের পক্ষে মূল যুক্তি করা হয়- কোরআনিক আয়াতকে লিটারেলি নেয়া যাবে না; আউলের আগেকার পারষ্পরিক ভাগসমূহের অনুপাত আউলের পরেও একই থাকে।

১ নং সমাধানটিকে মেনে নিলে কিছু প্রশ্ন চলে আসে।যেমন:

১। আউল যদি মেনে নেয়া হয়, তবে প্রশ্ন চলে আসে-
আউল কার প্রবর্তিত?
মানুষের না আল্লাহর?
আল্লাহ তথা মুহম্মদ সা কেন এ বিষয়ে কোন কিছু ইরশাদ করেন নি?
ওমর/আলী কে কেন নতুন করে এ পদ্ধতি প্রবর্তন করতে হলো?
অর্থাৎ, ওমর/আলী সময়কার ফরায়েজী আইন আর মুহম্মদ সা এর সময়কার ফরায়েজী আইন কি এক ছিল? এটা কিন্তু এখনো ভ্যালিড।

২। কোরআনের নির্দেশনাগুলোকে লিটের‌্যালি নেয়া যাবে না কেন?
সুরা নিসায় পরিষ্কার বলা হয়েছে: একাধিক কন্যা সন্তান থাকলে (পুত্র সন্তান না থাকলে) তারা সম্পত্তির ২/৩ ভাগ পাবে। এখন প্রদত্ত সমস্যাটিতে আউল প্রয়োগ করে- কন্যাদের দেয়া হচ্ছে: ১৬/২৭।

২/৩=১৮/২৭, মানে ২/৩-১৬/২৭=২/২৭; অর্থাৎ কন্যা সন্তানেরা কোরআন অনুসারে ২/৩ না পেয়ে ২/২৭ ভাগ কম পাচ্ছে। এটাকে বলা যাবে না যে- কোরআনের সুরা নিসার ১১-১২ নং আয়াত মানা হচ্ছে না??????

৩। বলা হচ্ছে- কোরআনে যে অনুপাত দেখানো হয়েছে- সেই অনুপাত ঠিকই মেইনটেইন করা হয়েছে।

কিন্তু কোরআনের কোন আয়াতে কি প্রত্যেকের ভাগের পারষ্পরিক অনুপাতের ভিত্তিতে সম্পত্তি বন্টন করা কথা বলা হয়েছে? নাকি- মোট সম্প্ত্তির কত ভাগ পাওয়া যাবে- সে ব্যাপারেই জানান দেয়া হয়েছে?

উদাহরণ দেই;
বলা হচ্ছে-
"এখানে আউল প্রয়োগের আগে ২ কন্যা ও স্ত্রী এর অনুপাত=(২/৩)/(১/৮)=১৬/৩ আউল প্রয়োগের পরে ২ কন্যা ও স্ত্রী এর অনুপাত=(১৬/২৭)/(৩/২৭)= ১৬/৩"

কিন্তু, সেরকম তো যেকেউই দাবি করতে পারে যে- ১৬/২৯: ১৬/২৯ এর অনুপাতও কিন্তু একই থাকে। বা প্রদত্ত সমস্যাটিতে
২ কন্যা: স্ত্রী: পিতা-মাতা=১৬:২৯: ৩/২৯:৮:২৯ ও যদি দেয়া হয়- তারপরেও কিন্তু কন্যা-স্ত্রী-বাবামা'র প্রাপ্ত ভাগের অনুপাত একই থাকে। বাকি ২/২৯ আপনি সহজেই দিতে পারেন- অবশিষ্টাংশভোগীদের, বা বায়তুল মালে বা যাকাত হিসাবে। সেক্ষেত্রে- এই ভাগেরও বড় আপত্তির জায়গাটি কি হবে? হবে এটিই যে- কোরআন অনুযায়ী কন্যাদের দেয়ার কথা ২/৩ ভাগ, কিন্তু ১৬/২৯ কোনভাবেই ২/২৯ এর সমান নয়।

৪। পরিশেষে -
একলোক তার সঞ্চিত ৯০,০০০ টাকা তার তিন বন্ধুকে(ক, খ, গ) দেয়ার জন্য একটা উইল করে বিদেশে চলে গেল। উইলটি করলো এরকম:
ক পাবে= ২০,০০০টাকা
খ পাবে=৩০,০০০ টাকা
গ পাবে= ৫০,০০০ টাকা
পরে টাকা ভাগ বাটোয়ারা করতে দেখা গেলো- ১০,০০০ টাকা কম পড়েছে।
এক্ষেত্রে কি বলা যাবে না যে- লোকটি ভুল হিসাব করেছেন?

এটা ঠিক যে- এক্ষেত্রে টাকা বন্টনের যৌক্তিক উপায় হচ্ছে মোট টাকা ক:খ:গ অনুপাতে মানে ২:৩:৫ অনপাতে ভাগ করে দেয়া, সে অনুযায়ি ক, খ ও গ কে যথাক্রমে ১৮,০০০টা, ২৭,০০০ টা এবং ৪৫,০০০টা দেয়াটাই সবচেয়ে ভালো সমাধান। কিন্তু এই সমাধানে আসার পরেও কি এটা বলা হবে না যে- উইলকারী ভুল করেছিলেন। এটা কি বলা যাবে না যে- উইল অনুযায়ি ক ২০ হাজার টাকা পায়নি- খ ৩০ হাজার টাকা পায়নি, গ ৫০ হাজার টাকা পায়নি!!!!!

মানুষের এরকম উইলে ছোট খাট ভুল থাকতেই পারে, অনিচ্ছাকৃত ভুল- হিসাবে ভুল এমন বিভিন্ন ভুল বিভিন্ন সময়ে বিখ্যাত মানুষ করেওছে। কিন্তু এই হিসাবটা যখন আল্লাহ করেছেন বলে দাবি করা হয়- দাবি করা হয় যে- কোরআনের সমস্ত নির্দেশ-উপদেশ পরামর্শ শিরোধার্য; তখন এই প্রশ্ন গুলো কি আসাটা স্বাভাবিক নয়?

এবারে ২য় সমাধানের দিকে দেখা যাক:
এই সমাধানটি অপেক্ষাকৃত নতুন, এবং মূলত কোরআনে গাণিতিক ভুল আছে- এমন সমালোচনার জবাব দেয়ার উদ্দেশ্যেই এই সমাধানের আবির্ভাব বলে আমার ধারণা। ২য় সমাধানটি আসলে আওলাদ আর ওয়ালিদ- এর যুক্তি নিয়ে এসে করা হয়েছে। আমার একটি পোস্টে ( Click This Link) জ্বিনের বাদশার আলোচনা দ্রষ্টব্য, তার বাইরে নিচের এই লিংকটি দেখতে পারেন:
Click This Link
নেটে আরো কিছু ইসলামী সাইটে এরকম জবাব পেয়েছি। তাদের মূল কথা-
কন্যা সন্তান একাধিক হলেই তাদের জন্য বরাদ্দকৃত ২/৩ ভাগ। ফলে- প্রথমেই এই ২/৩ ভাগ দিতে হবে।
এর পরে- পিতামাতার ব্যাপারে ও স্ত্রীর ব্যাপারে কোরআনে বলা হয়েছে- ১জন সন্তান থাকলে পিতা=মাতা= ১/৬ ভাগ পাবে, এবং ১জন সন্তান থাকলে স্ত্রী পাবে ১/৮ ভাগ।
একাধিক সন্তান থাকলে- পিতামাতা-স্ত্রীর ভাগ কতখানি হবে- তা কোরআনে উল্লেখ নেই।
সেকারণেই আলোচ্য সমস্যাটিতে যেটা উল্লেখ আছে- সেই কন্যাদের প্রথমেই ২/৩ ভাগ দিতে হবে- তারপরে অবশিষ্ট অংশ মানে ১/৩ ভাগ সম্পত্তি বাবা-মা ও স্ত্রীর মাঝে ১/৩:১/৮ অনুপাতে ভাগ করে দিতে হবে।

সে অনুযায়ী হয়:
২ কন্যা= ২/৩
১ স্ত্রী= ৩/৩৩
বাবা-মা= ৮/৩৩

এক্ষেত্রেও কিছু প্রশ্ন থেকে যায়....
১। আয়াত ১২ তে জানানো হয়েছে- সন্তান না থাকলে স্ত্রী ও পিতা-মাতা কতভাগ পাবে, তারপরেই জানিয়ে দেয়া হয়েছে- সন্তান থাকলে কতটুকু পাবে। এখানে, সন্তানের আরবী একবচন ওয়ালিদ আছে- এটা কি সাধারণভাবে এক বা একাধিক (সংখ্যা যাই হোক) সন্তানকে নির্দেশ করছে না।
২। অন্যক্ষেত্রে যেখানে একজন হলে কতটুকু আর দুই বা ততোধিক হলে কতটুকু ভাগ পাবে- সেখানে একজন নির্দেশ করতে শুধু সাধারণ ভাবে পুরুষ, কন্যা, বোন প্রভৃতির একবচন ব্যবহার করা হয়নি- তার সাথে একজন শব্দটিও ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে- এখানেও একজন সন্তান নির্দেশ করার ক্ষেত্রে সেরকম করা হলো না কেন?
৩। কোরআনের বিভিন্ন আয়াতে- সাধারণ ভাবে বচন নিরপেক্ষ নির্দেশনার ক্ষেত্রে কোথাও একবচন কোথাও বহুবচন ব্যবহৃত হয়েছে। তাহলে- সেগুলোতেও কেন- যেখানে একবচন আছে সেখানে শুধু একজন আর যেখানে বহুবচন আছে- সেখানে একজন নয়- এমন ভাব বুঝায় না?

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৪
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
পরিশিষ্ট:
আরেকটি মজার সমাধান দেখেছি।
সমাধান ৩:
২ কন্যা= ২/৩
১ স্ত্রী= ১/৮
মা= ১/৬
বাবা= ১- (২/৩+১/৮+১/৬)=১/২৪

যুক্তি?

সরাসরি কপি-পেস্ট করছি:
Click This Link

Expert: Dr. Hussein Labib - 11/21/2005

Question
Quran 4:11 (Yusufali)
Allah (thus) directs you as regards your Children's (Inheritance):............

Quran 4:12 (Yusufali)
In what your wives leave, your share is a half, if they leave no child; ...............

Let us suppose that a man dies and leaves behind:

3 daughters
2 parents
1 wife
0 debts and legacies

According to the verses stated above these people would get the following shares:

3 daughters ---> 2/3 of the share
2 parents ---> 1/3 of the share (or 1/6 each)
1 wife ---> 1/8 of the share


Do the math: 2/3 + 1/3 + 1/8 = 9/8 = 1.125. The distribution of the property adds up to more than the available property!


solve the problem using the koran and hadiths alone. no wierd man-made formulas designed to help allah (aka Mohammed) in his mathematical deficiencies.

Answer
my dear imran,a primary school kid can calculate it very simply,also the example mentioned is partially wrong regarding the parents, the mother will inherit 1/6 and the father will take the rest.let us go to your example,assume that the money left is 48000$,the calculation will be as follow :
3 daughters 16/24{2/3} + the mother 4/24{1/6} + wife 3/24{1/8} + the father will take the rest of 24 shares = 1/24.
now each of the 24 shares equals 2000$,accordingly the daughters will inherit 32000${2/3 of 48000 $},the mother will inherit 8000${1/6 of 48000$},the wife will inherit 6000${1/8 of 48000$} and the father will inherit 2000${the rest of inheritance}.
do you know now how stupid are those asking you such question?
advise them to go back to primary school to learn mathematics.best wishes.
২. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৪০
বৃত্তবন্দী বলেছেন: ফাটাফাটি...

দেখা যাক কে কি বলেন...
৩. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৪১
ক-খ-গ বলেছেন: ক্লাস নাইনে থাকতে এই ব্যাপারটা পড়েছিলাম, তবে আপনার মত এতটা বিস্তারিত ছিলনা ঐ লেখাটা। গ্রেট!
৫. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৩
খািল িপডাইেত ইচ্ছা করে বলেছেন: প্লিওতে লাকার জইন্যে লগ ইন কললাম।
ভালা হইছে......
দিছেন একখান ক্যাচাল লাগাইয়া....
মাল হাবা.....
৬. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৪
দি ওয়ান বলেছেন: আমার জন্য জটিল (আক্ষরিক অর্থেই!)। :)
৭. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৬
সাদী বলেছেন: মাথা মটা নাস্তিক।। হুদাই ভাব লয়। ভিতরে আসলে কিছহু নাই
৮. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৭
ভন্ডপির বলেছেন: +

সকল প্রশ্নের যে শেষ উত্তর তা হল
(১) আল্লাহ পাক এরকম জটিলতা দিয়ে আমাদের ঈমান পরীক্ষা করতেসে।
(২) আমাদের সীমিত বুদ্ধি দিয়ে কোরআন বোঝা যাবে না।

৯. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:০৮
দি ওয়ান বলেছেন: ভন্ডপিরের কমেন্টে + :)

১০. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:১২
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: পোস্টে প্লাস ... আমি এখনও মনে করি আউল সিস্টেমটা ভুল ছিলো, দুই মেয়েকে বা সন্তানদেরকে ২/৩ প্রদান করে বাকীটার উপর সমানুপাতে স্ত্রী-বাবা-মাকে দিতে হবে ...

এই আয়াতগুলোতে ওয়ালিদ, আওলাদ, উখতুন, রিজালান, নিসাআন -- সবগুলো শব্দ একেবারে প্রাসঙ্গিকভাবেই এক/দ্বি/বহুবচনে ব্যবহৃত হয়েছে ... এখানে আরবীর একটা নিয়ম মনে রাখতে হবে, যেটা ইংরেজীতেও আছে (সম্ভবতঃ বস্তুগণনার ক্ষেত্রে বচনভেদে যেসব ভাষায় শব্দ ভিন্ন হয়, সবগুলোতেই আছে) ... সেটা হলো, জেনারেল অর্থে বোঝানোর সময় পজিটিভ ক্ষেত্রে, মানে কিছু আছে বোঝালে তখন বহুবচন ব্যবহার হয়, কিন্তু নেগেটিভ ক্ষেত্রে, মানে নেই বোঝালে একবচন ব্যবহৃত হয় ... যেমন, আই হ্যাভ ফ্রেন্ডস/আই হ্যাভ নো ফ্রেন্ড ... এই আয়াতগুলোতেও দেখুন, জেনারেল অর্থে আছের বেলায় "আওলাদ", নেইএর বেলায় "ওয়ালিদ" ব্যবহৃত হয়েছে ...

তাহলে আমার প্রশ্ন, সুরা নিসার ১১ আর ১২ আয়াতে যেখানে বাবা-মা'র ১/৬ অংশ বা স্ত্রীর ১/৮ অংশ বা স্বামীর ১/৪ অংশ করে পাবার কথা সেখানে "আওলাদ" ব্যবহার না করে "ওয়ালিদ" ব্যবহার করা হয়েছে কেন? এখানে তো পজিটিভ অর্থে, মানে সন্তান থাকলে শর্তে বলা হয়েছে।

সেজন্যই এখানকার আয়াতগুলোতে আসলে একজন করে সন্তান থাকলে কি হবে সেটাই বোঝানো হয়েছে।

আপনার সুবিধার জন্য আয়াতগুলোর আরবী উচ্চারণ তুলে দিই ...

নিসা -১১
Yooseekumu Allahu fee awladikum -১ lilththakari mithlu haththi alonthayayni fa-in kunna nisaan fawqa ithnatayni falahunna thulutha ma taraka wa-in kanat wahidatan falaha alnnisfu wali-abawayhi likulli wahidin minhuma alssudusu mimma taraka in kana lahu waladun - ২ fa-in lam yakun lahu waladun-৩ wawarithahu abawahu fali-ommihi alththuluthu fa-in kana lahu ikhwatun-৪ fali-ommihi alssudusu min baAAdi wasiyyatin yoosee biha aw daynin abaokum-৫ waabnaokum-৬ la tadroona ayyuhum aqrabu lakum nafAAan fareedatan mina Allahi inna Allaha kana AAaleeman
hakeeman


নিসা -১২
Walakum nisfu ma taraka azwajukum-৭ in lam yakun lahunna waladun-৮ fa-in kana lahunna waladun-৯ falakumu alrrubuAAu mimma tarakna min baAAdi wasiyyatin yooseena biha aw daynin walahunna alrrubuAAu mimma taraktum in lam yakun lakum waladun-১০ fa-in kana lakum waladun-১১ falahunna alththumunu mimma taraktum min baAAdi wasiyyatin toosoona biha aw daynin wa-in kana rajulun yoorathu kalalatan awi imraatun walahu akhun-১২ aw okhtun-১৩ falikulli wahidin minhuma alssudusu fa-in kanoo akthara min thalika fahum shurakao fee alththuluthi min baAAdi wasiyyatin yoosa biha aw daynin ghayra mudarrin wasiyyatan mina Allahi waAllahu AAaleemun haleemun


দয়া করে বোল্ড অংশগুলো খেয়াল করুন ... সবগুলোতে নাম্বার দেয়া আছে ... ১ নম্বরটা পজিটিভ, বহুবচনে ব্যবহৃত তাই এটা সাধারণ অর্থে ... ২ নেগেটিভ, তাই একবচন হলেও এটা সাধারণ অর্থে ...

প্রশ্ন হচ্ছে ৩ নিয়ে ... এটা পজিটিভ অর্থে আর একবচনে ব্যবহৃত ... তাই এটা সাধারণ অর্থে নাকি একজনের অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে -- এটাই তো প্রশ্ন?

এখন আসেন অন্যগুলা দেখি, কোরানে এখানে কিভাবে পুরুষ আর বচন ব্যবহার করা হয়েছে।

৪,৫, ৬,৭ দেখুন, পজিটিভ এবং বহুবচনে, এবং দেখুন এগুলো সাধারণ অর্থে ব্যবহৃত ...

৮ আর ১০ দেখুন নেগেটিভ এবং একবচনে ... মানে সাধারণ অর্থেই


৯ আর ১১ ও ৩ এর মতো প্রশ্নে বিদ্ধ ... তাই এদেরকেও আলাদা রাখি


এখন ১২ আর ১৩ তেও দেখুন, পজিটিভ অর্থে একবচনে এসেছে ... এবং এদের অর্থ সাধারন না, বরং একজন করেই বোঝাচ্ছে

তাহলে, তিনটা প্যাটার্ণ পাই
প্যাটার্ণ ১:
১,৪,৫,৬,৭ থেকে বলা যায় পজিটিভ মিনিংয়ে সাধারণ অর্থের বেলা বহুবচন ব্যবহার হচ্ছে

প্যাটার্ণ ২:
২,৮,১০ থেকে বলা যায় নেগেটিভ মিনিংয়ে সাধারণ অর্থের বেলা একবচন ব্যবহার হচ্ছে

প্যাটার্ণ ৩:
১২,১৩ থেকে বলা যায় পজেটিভ মিনিংয়ে একজন বোঝাতে একবচন ব্যবহার হচ্ছে

ঠিক আছে?

তাহলে প্রশ্নবিদ্ধ ৩,৯,১১ এর বেলা, এরা যেহেতু পজেটিভ এবং একবচনে এসেছে, তাইলে এরা কোন প্যাটার্ণে পড়ে?

আপনিই বলেন, প্যাটার্ণ ৩ এই পড়েনা?

তাইলে এসব ক্ষেত্রে কেন একজন সন্তান না ধরে সাধারণ অর্থ হবে বলে মনে করছেন?

এটা তো ক্রিস্টাল ক্লিয়ার যে এসব ক্ষেত্রে একজন সন্তান মীন করা হয়েছে।



কাজেই আমি ৩৩ দিয়ে ভাগ করার পক্ষে।

ধন্যবাদ।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:২২

লেখক বলেছেন:
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
এবারে মাসুদুল হকের জবাব আশা করছি......

১২. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:১৪
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: ওহ, ভুলে গেছি বলতে ... উৎসর্গ করার জন্য ধন্যবাদ ...
১৩. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:২৪
মাসুদুল হক বলেছেন: ... উৎসর্গ করার জন্য ধন্যবাদ ...
১. বলেছেন, আউল কার প্রবর্তিত, আল্লাহর না মানুষের। সেই পুরনো প্রশ্ন। এ প্রশ্নের মাধ্যমে আপনার একটা চারিত্রিক দিক বোঝা যায়। একটা টপিক নিয়ে যতই আলোচনা হোক ভাঙা রেকর্ডের মত আপনার প্রশ্নে আবার ফিরে আসে। শুধুমাত্র এই প্রশ্নের জন্য আমার পোষ্টের ১ নং প্রশ্নটা উত্থাপন করেছিলাম। সোজা কথায় শরীয়তের আইনে ইজমা,কিয়াসের মাধ্যমে বিধান তৈরি হতে পারে।

২. প্রথমত নিজের ভুল ঢাকতে আপনার বলার স্টাইলকে দোষ দিয়েছেন। পরে তাকে কাউন্টার দেয়ার আলী রা. এর শাসনামল নিয়ে এসেছেন।আপনার অবগতির জন্য জানাই ওমর রা. এর সময় যখন তিনি খুৎবা দিচ্ছিলেন তখন একজন প্রথম আউল জনিত সমস্যা জানতে চায়। সে সময় সমাবেশে উপস্থিত আলী রা. দাড়িয়ে এই সমাধান দেন,প্রথমে তার সমাধান পুরো সঠিক ছিল না,পরে সবাই আলোচনা করে আউল আইন ঠিক করা হয়।এই ঘটনাকে মিম্বরিয়া বলে।( মুসলিম আইন,প্রথম খন্ড, এম হাবিবুর রহমান,সহযোগী অধ্যাপক ও সভাপতি,আইন বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়) তারপর সেসময়ই এ সমাধান পর্যালোচনা করে একে আইনের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। যা কিয়াসের অন্তর্ভুক্ত।

৩ আবার দেখুন-
আউল নীতি: আউল শব্দের আভিধানিক অর্থ বৃদ্ধি হওয়া। শরীয়তের নিয়মানুযায়ী যাবিল ফুরুজ বা অংশীদারদের অংশ প্রদানের পর তাদের অংশাবলীর যোগফল যদি মূল সম্পদ হতে বেড়ে যায় বা ১ এর চেয়ে বেশি হয় তাহলে যে নিয়মে তা সমাধান করা হয় সেটাই আউল। কোরআন শরীফে অংশীদারদের যে তালিকা রয়েছে তাদের বিভিন্ন বিন্যাস ও সমাবেশে কখনো কখনো তা ১ এর চেয়ে বেশি হওয়াটা গাণিতিক ভাবে ও অনুপাত ভিত্তিক বন্টনে যদিও সেটা অত্যন্ত স্বাভাবিক ব্যাপার কিন্তু এ বিন্যাস খুব সহজলভ্য নয়, তাই হাদীসে এ পরিস্থিতির উদাহরণ নেই,তবে চার খলিফা আমলে এটি আলোচিত হয় ও পরবর্তীতে শরীয়তের ৩য় উৎস কিয়াসের মাধ্যমে ইসলামী আইন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

রদ্দ নীতি: রদ্দ এর আভিধানিক অর্থ প্রত্যাবর্তন করা । এটি আউলের বিপরীত নিয়ম। শরীয়তের নিয়মানুযায়ী যাবিল ফুরুজ বা অংশীদারদের অংশ প্রদানের পর তাদের অংশাবলীর যোগফল যদি ১ এর চেয়ে কম হয় এবং মৃত ব্যক্তির কোন আসাবা না থাকে তাহলে অবশিষ্ট সম্পত্তি স্বামী স্ত্রী ব্যতিত অন্যান্য অংশীদারদের কাছে পুনরায় প্রত্যাবর্তন করা হয়।
তিনটি উদাহরণ :
ক. জলিল সাহেব মৃত্যুকালে পিতা ও এক কন্যা রেখে গেল
প্রথমত, কন্যা পাবে ১/২ অংশ
পিতা পাবে ১/৬
এখানে ,১/২+১/৬=৪/৬ , সুতারাং আসাবা বা অবশিষ্টাংশ = ১-৪/৬= ২/৬
দ্বিতীয়ত, ১(খ) অনুযায়ী, পিতা এই আসাবা পাবে। তাহলে মোট পিতার অংশ=১/৬+২/৬ =৩/৬ =১/২ ও কন্যার অংশ=১/২
খ.কামাল সাহেব ১ কন্যা ও মা রেখে মারা গেলেন।
প্রথমত, কন্যা পাবে ১/২
মা পাবে ১/৬
মোট ১/২+১/৬=৩/৬+১/৬=৪/৬
দ্বিতীয়ত, রদ্দনীতি প্রয়োগ করে পাই-৩/৪+১/৪=৪/৪=১
তাহলে, কন্যা ৩/৪ ও মা ১/৪ অংশ পাবে।

গ.আনিস সাহেব মৃত্যুকালে স্ত্রী, ২ সহোদর বোন ও ২ জন মায়ের পরে সৎ বোন রেখে গেল।
প্রথমত, এখানে স্ত্রী পায় ১/৪
সহোদর বোনদ্বয় ২/৩
সৎ বোনদ্বয় ১/৩
মোট= ১/৪+২/৩+১/৩ =৩/১২+৮/১২+৪/১২=১৫/১২
দ্বিতীয়ত, ১এর বেশি হওয়ায় আউল অবলম্বন করে হরকে ১৫ করে পাই,
৩/১৫+৮/১৫+৪/১৫=১৫/১৫=১
তাহলে স্ত্রী ৩/১৫,বোনদ্বয় ৮/১৫ ও সৎ বোনদ্বয় ৪/১৫ অংশ পাবে।
উদাহরণ তিনটিতে দেখা যায় প্রথম ২টি উদাহরনে অংশ বৃদ্ধি পায়, দ্বিতীয়টিতে অংশ কিছুটা হ্রাস পায়। এখন ১ম নিয়মটি সাধারন ভাবে আসাবা বা অবশিষ্টাংশভোগী নিয়মে করা হয়েছে ,২য় টি রদ্দ ও ৩য়টিতে আউল নীতি প্রয়োগ করা হয়েছে।
দেখা যাচ্ছে কুরআনে বর্ণিত অংশ প্রাপ্ত হবার পর সে অংশ দ্বিতীয় ধাপে বাড়তে বা কমতে পারে, আর সেটা মোটেও কোরআনের পরিপন্থি নয় । কোরআনে এ সংক্রান্ত আয়াতগুলোতে দেখা যায় কয়েকজনের অনুপাত উল্লেখ করা হয় নি, যেমন পুত্র,ভাই,চাচা ইত্যাদি। এখন কেউ যদি বলে এদের উল্লেখ নেই, তাহলে এদের ভাগ দেয়া হলে কুরআনের বিরুদ্ধে যাবে, তাহলে তা অবান্তর মন্তব্য হবে। আসলে কোরআনে উল্লেখিত অংশ দেবার পর যা বাকি থাকবে সেখান থেকে তাদের অংশ নির্ধারিত হয়। আবার কখনো নিদির্ষ্ট অংশভোগীরাও তা পেতে পারে (যেমন- উদা ১), রদ্দ নীতিতেও বেশি পেয়ে থাকে। তাই নির্ধারিত অংশের বেশি পাওয়া ইসলামী আইনের পরিপন্থি নয়।
অধিকাংশ প্রশ্নে আমি দেখেছি আউল নীতি নিয়ে যত প্রশ্ন অথচ বেশি পাওয়ার ক্ষেত্রে কোন প্রশ্ন নেই । কিন্তু গণিতের দৃষ্টিতে বলা যায়, বৃদ্ধি ধনাত্মক বা ঋণাত্মক দুইই হতে পারে আর আউল নীতিতে এই বেশি পাওয়া নীতি বা রদ্দ নীতির বিপরীত হয়, খুব স্বাভাবিক ভাবেই তা হয়।
ইসলামে উত্তরাধীকারি আইনে আউল ও রদ্দ নীতিতে পরস্পরের সম্পদের অনুপাত ঠিক রাখা হয়, তাই এভাবে বন্টন গাণিতিক ভাবে অত্যন্ত গ্রহনযোগ্য ও বৈজ্ঞানিক। যেমন ২ নং উদাহরণে প্রথমত অনুপাত থাকে, কন্যা:মা=৩/৬:১/৬=৩:১
রদ্দ নীতি প্রয়োগের পর এ অনুপাত, কন্যা:মা=৩/৪:১/৪=৩:১
৩নং উদাহরণের আউল নীতিতেও ৩:৮:৪ অনুপাত ঠিক থাকে।
(পোষ্টের অংশই আবার তুলে দিলাম, যেহেতু ঘুরে ফিরে একই প্রশ্ন করছেন তাই আমি একই উত্তর দিলাম)

বলেছেন-সেরকম তো যেকেউই দাবি করতে পারে- ১৬/২৯: ১৬/২৯ এর অনুপাতও কিন্তু একই থাকে।
ভালো কথা , কিন্তু এতক্ষন কি বললাম, আর আপনি কি বললেন। আউল ,রদ্দ আইন তো কন্ডিশনাল নিয়ম, আইনে যেমন অধ্যাদেশ থাকে। সবক্ষেত্রে তা হবে কেন?
আর এই সমাধান যে কতটা যৌক্তিক তা ফ্রি মাইন্ড িনয়ে একটু দেখলেই বুঝবেন। ধরুন আমার কোন সম্পত্তির ১/৩ ভাগ পাওয়ার কথা ,২য় জনের পাওয়ার কথা ২/৩ এবং তৃতীয় জনের পাওয়ার কথা ১/৩। এখন দেখা যাবে মোট সম্পত্তির চে তা বেশি হয়ে যাচ্ছে,সেক্ষেত্রে সহজেই আউলের মত নিয়ম দিয়ে তা সমাধান করে দেয়া যায়। সেক্ষেত্রে যে দুজনের ১/৩ করে পাওয়ার কথা তারা সমান অংশই পাচ্ছে, তাই আপত্তির জায়গা থাকছে না,যার ২/৩ পাওয়ার কথা সেও নির্দিষ্ট অনুপাতে বেশি পাওয়ায় তারও আপত্তি থাকছে না। প্রশ্নকরতে পারেন, এরকম অনুপাত হবে কেন যা কথনো একর চেেয় বেশি হয়। আসলে ক্লাস এইটের ভাগ বাটোয়ারা টাইপ হিসাব চিন্তা করলে তা মনে হতেই পারে। আসলে প্রাপক যখন নিদির্ষ্ট সংখ্যক থাকে তখন তা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। কিন্তু ইসলামী আইনে প্রাপক নির্দিষ্ট সংখ্যক থাকে না, পারমুটেশন,কম্বিনেশন করে তা অনেক বাড়তে পারে,তখন খুব সাধারণ ভাবেই ১ এর চেয়ে তা বেড়ে যায়।

৪. উদাহরণ দিয়েছেণ-
একলোক তার সঞ্চিত ৯০,০০০ টাকা তার তিন বন্ধুকে(ক, খ, গ) দেয়ার জন্য একটা উইল করে বিদেশে চলে গেল। উইলটি করলো এরকম:
ক পাবে= ২০,০০০টাকা
খ পাবে=৩০,০০০ টাকা
গ পাবে= ৫০,০০০ টাকা
পরে টাকা ভাগ বাটোয়ারা করতে দেখা গেলো- ১০,০০০ টাকা কম পড়েছে।
এক্ষেত্রে কি বলা যাবে না যে- লোকটি ভুল হিসাব করেছেন?

এর উত্তর আগের পয়েন্টে কিছুটা দিয়েছি,আবার একটু বলি। আপনার উদাহরনের সাথে ইসলামি আইনের সর্ম্পক নেই। প্রথমত,আপনি বলেছেন ক পাবে একটা নিদির্ষ্ট অ্যামাউন্ট, এরকম নির্দিষ্ট অ্যামাউন্টের উদাহরণ দেয়া হলে তা শুধু অন্যদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা। কারন ইসলামী আইনে শুধুই অনুপাত নিয়ে আলোচনা করে।
দ্বিতীয়ত, এখানে নির্দিষ্ট সংখ্যক প্রাপক আছে,ইসলামী আইনে নিদির্ষ্ট সংখ্যক প্রাপকের বিবেচনায় প্রণীত হয়নি।এটা সার্বজনিন।..
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৩০

লেখক বলেছেন:
আমার প্রশ্নের জবাব নিয়ে পরে কথা বলছি....

জ্বিনের বাদশা'র সমাধানটি নিয়ে আপনার কি কোন কথা আছে?


২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৩৪

লেখক বলেছেন:
পোস্টেই আপনার পোস্টের লিংক যুক্ত করে দিয়েছি.......

১৫. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৩৫
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
৩ নং সমাধানের পক্ষে যুক্তি দিয়ে কি কেউ আলোচনা করবেন এখানে????
১৬. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৬
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: ৩ নং সম্পর্কে কোন ধারনা নাই :( ... এটাও কি ইজমা কিয়াসের মতো কিছু নাকি?

আগেও মনে হয় বলছি, আমি এই প্রশ্নটা নিয়ে চিন্তিত ছিলাম ... এক মিশরী কলিগ, আমার ল্যাবেই পোস্টডকে এসেছিলেন, আমাকে একবার ব্যাপারটা বুঝিয়ে দিলেন ... আমার গ্রহনযোগ্য মনে হয়েছে
১৭. ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:২৭
সবাক বলেছেন:
@ সাদী
আপনের মাথা ভর্তি মাল....
পোস্ট দেখে মাথায় কি বীর্য উইঠা গেল নাকি?
১৯. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৯
মাসুদুল হক বলেছেন: # বলেছেন,জ্বিনের বাদশা'র সমাধানটি নিয়ে আপনার কি কোন কথা আছে?

কারও সমাধান আমার জানার আগ্রহ নেই যতক্ষণ পর্যন্ত প্রাথমিক নিয়ম যৌক্তিক ভাবে ঠিক আছে, হতে পারে পর্যাপ্ত তথ্যের অভাবে কারও কাছে মনে হতে পারে এই ানয়ম ঠিক নেই।

উত্তরাধীকার আইন নিয়ে আমার পড়া বই ও বিভিন্ন প্রবন্ধে আউল নীতি কে সর্বদা সাপোর্ট করা হয়েছে। তবে দ্বিতীয় নিয়মটা যেটা উল্লেখ করলেন সেটা কয়েকটা সাইটে আমি দেখেছি, তবে এ সংক্রান্ত বিশ্বস্ত সূত্র দেখিনি। প্রশ্ন করতে পারেন আউল নীতিও তো ইজমা দ্বারা প্রতিষ্ঠিত তবে দ্বিতীয় নিয়মটা কেন গ্রহন করবো না।গ্রহন করবো কি করবো না সে প্রশ্ন পরে আসবে ।আগে দেখি এ প্রশ্ন কখন আসবে, আউল নিয়ম প্রতিষ্ঠিত হয় উমর রা. এর সময়, তারমানে এটা প্রাথমিক । পরে যদি কোন নিয়ম জারি হতে হয় তাহলে প্রমাণ হতে হবে আগের নিয়মে কোন সমস্যা আছে । যেহেতু আউল নিয়ম কুরআনিক লয়ের সাথে সম্পূর্ণ সঙ্গতিপূর্ন সুতরাং তা পরিবর্তনের কোন প্রশ্ন স্বভাবতই আসে না। হতে পারে আউল নিয়ম জটিল এবং সাধারণ ভাবে বিভ্রান্তকর মনে হয় বলে ২য় নিয়ম জারি করা যায়, সেটা গ্রহনযোগ্য হবে না, কোন কিছুর তথাকথিত জটিলতা তার অগ্রহনযোগ্যতার সূচক হতে পারে না। ( আগেই এ কথা বলেছি)

# ৩ নং সমাধানের পক্ষে যুক্তি দিয়ে কি কেউ আলোচনা করবেন এখানে?
আগে বলেছি
বলেছেন-সেরকম তো যেকেউই দাবি করতে পারে- ১৬/২৯: ১৬/২৯ এর অনুপাতও কিন্তু একই থাকে।
ভালো কথা , কিন্তু এতক্ষন কি বললাম, আর আপনি কি বললেন। আউল ,রদ্দ আইন তো কন্ডিশনাল নিয়ম, আইনে যেমন অধ্যাদেশ থাকে। সবক্ষেত্রে তা হবে কেন?
আর এই সমাধান যে কতটা যৌক্তিক তা ফ্রি মাইন্ড িনয়ে একটু দেখলেই বুঝবেন। ধরুন আমার কোন সম্পত্তির ১/৩ ভাগ পাওয়ার কথা ,২য় জনের পাওয়ার কথা ২/৩ এবং তৃতীয় জনের পাওয়ার কথা ১/৩। এখন দেখা যাবে মোট সম্পত্তির চে তা বেশি হয়ে যাচ্ছে,সেক্ষেত্রে সহজেই আউলের মত নিয়ম দিয়ে তা সমাধান করে দেয়া যায়। সেক্ষেত্রে যে দুজনের ১/৩ করে পাওয়ার কথা তারা সমান অংশই পাচ্ছে, তাই আপত্তির জায়গা থাকছে না,যার ২/৩ পাওয়ার কথা সেও নির্দিষ্ট অনুপাতে বেশি পাওয়ায় তারও আপত্তি থাকছে না। প্রশ্নকরতে পারেন, এরকম অনুপাত হবে কেন যা কথনো একর চেেয় বেশি হয়। আসলে ক্লাস এইটের ভাগ বাটোয়ারা টাইপ হিসাব চিন্তা করলে তা মনে হতেই পারে। আসলে প্রাপক যখন নিদির্ষ্ট সংখ্যক থাকে তখন তা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। কিন্তু ইসলামী আইনে প্রাপক নির্দিষ্ট সংখ্যক থাকে না, পারমুটেশন,কম্বিনেশন করে তা অনেক বাড়তে পারে,তখন খুব সাধারণ ভাবেই ১ এর চেয়ে তা বেড়ে যায়।

কথা হচ্ছে উত্তরাধীকারের ভাগ বন্টনে প্রায় সবক্ষেত্রে সাধারণ নিয়মেই হয়ে থাকে। খুব রেয়ার কয়েকটি ক্ষেত্রে আউলের মত নিয়ম প্রযুক্ত হয়। সেক্ষেত্রে কিয়াসের সাহায্যে কিছু নিয়ম আনা হয়েছে। প্রত্যেকটি আইনের ক্ষেত্রে এরকম ব্যতিক্রমী কিছু ব্যাপার যুক্ত হয়। সেজন্য বলেছি কন্ডিশনাল। হাজার হাজার কম্বিনেশনের জন্য ইসলামী উত্তরাধীকার আইন খুবই চমৎকার মিলে যায়,গাণিতিক ভাবে রেশিও গুলো সম্পূর্ণ্ পারফেক্ট হয়। তো প্রশ্ন আসে যত কম ক্ষেত্রেই হোক কখনো কেন অন্য নিয়ম প্রয়োজন হয়। এটাকে সমস্যা না ধরে বরঞ্চ যদি ধরি এগুলো ভিন্ন ধরনের বা উন্নত ক্ষেত্র। ব্যাপারটা মনস্তাত্বিক। আপনি মানতে না চাইলে যুক্তি দিয়ে এ ব্যাপারটা বোঝানো যাবে না।যাই হোক পরবর্তীতে এ বিষয়ে আবার কথা হবে।


২০. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৫
মাসুদুল হক বলেছেন: # ১৩ নং কমেন্টের ২ নং পয়েন্ট কপি পেস্টে চলে এসেছে, এখানে প্রসঙ্গ বহির্ভূত , আমার পোষ্টে প্রাসঙ্গিক। অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য দুঃখিত।
২১. ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:১৮
বেতাল বলেছেন: অফটপিক, আমি আপনার লেখায় খুব ইমপ্রেসড থাকি। এতো পড়াশোনা করা, লজিকে স্ট্রং ও সুন্দর বিশ্লেষণসহ লেখা ব্লগার সামুতে নেই বললেই চলে।

পোস্টে প্লাস।
২২. ০২ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:৩১
বিপ্লব০০৭ বলেছেন: প্রিয় আস্তিক ভাইয়েরা,

যেভাবেই হোক এটির সমাধান বের করতেই হবে! আমি চেষ্টা করতেছি, সমাধান বের করে মন্তব্য করবো। কেউ বিভ্রান্ত হবেন না অপপ্রচারনায়...
২৩. ০৯ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৪৪
আমি আস্তিক বলেছেন: বুঝলাম না বিপ্লবদা,আপনে আর কি সমাধান চান? সবই তো সমাধিত (মানে সমাধানকৃত আর কি! ) হয়া গেছে বুঝবার পারতেছেন না...
২৪. ১৪ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৬
সাইফুল ফারদিন বলেছেন: ভাই আপনি এক পোষ্টে বলছিলেন বিজ্ঞান নাকি ইসলামের অনেক ভুল প্রমান করছে। বলুন তো ভাইয়া, ইসলামে কূফরী নামে একটা কথা আছে তা কি ভুল?
(শুধুই জানার জন্য)
২৫. ১৮ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:৩৮
যুধিষ্ঠির বলেছেন:




daughter : 2 *(1/3)



parents : 2 *(1/6)


wife : 1 *(1/8)


which means we can conclude that a daughter gets a double of one parent


so, if a parent gets ===> Y


a daughter gets ===> X


and we can say ===> X=2Y


it is also clear that the wife gets 1/8th, so, If X=1/3 then Z=3X/8


so the toal allocation in X is
daughters= 2X


parents = 2(X/2)=X


wife = 3X/8

we can write the addition as



2X + X + 3X/8 = TOTAL(A)



27X/8 = A



X = 8A/27



Y = 4A/27



Z = 3A/27

এটা সিম্পল এক্টা পাটিগনিত...
২৬. ১৮ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৪৬
যুধিষ্ঠির বলেছেন: নিশ্চয়ই আল্লাহ মহাকৌশলী...
২৭. ২৫ শে মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:০৬
আকাশ_পাগলা বলেছেন: জ্বীনের বাদশা দেখায়া দিল। মার হাবা। আপনার বিশ্লেষণের জন্য আপনাকে প্লাস দিলাম চাচা।
তবে, জ্বীনের বাদশা আরো বড় মাপের বিশ্লেষণ করেছে।
অকে আরো বড় প্লাস।
যুধিষ্ঠিরকেও হাল্কা প্লাস, কারণ উনারঅটা কপি পেস্ট লাগতেছে।
মাসুদুল হক কেও ভারী প্লাসের দাবীদার করে আমার আজকের রাতের ব্লগিং শেষ করলাম। ধন্যবাদ।
২৮. ০৩ রা জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:৩২
হীরণ্ময় বলেছেন: +++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
২৯. ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:১৫
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: এই এক বিষয় নিয়ে আর কত প‌্যাচাল হবে আল্লাহই ভাল জানে।
জ্বিনের বাদশা এবং মাসুদুর রহমান বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমে দুটি সমাধান উপস্থাপন করেছে - কিন্তু তার পর কি বিতর্কের অবসান হবে? সম্ভাবনা খুবই কম। কারণ যারা বিতর্ক করে তারা সমাধানের আশায় বিতর্ক করে না বরং তারা কোরআনকে বিতর্কিত করার জন্যই বিতর্ক করে।
আসলে পৃথিবীর বাস্তবতাই এমন যে এখানে বিতর্কের উর্ধে কোন কিছুই পাওয়া যায় না। প্রত্যেকটা বিষয়ের পক্ষে-বিপক্ষে হাজারো যুক্তি উপস্থাপন করা যায়। আর এ'টাই এ'দুনিয়ার পরীক্ষা - কে এই বিতর্কিত বিষয়গুলো থেকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে আর কে বিভ্রান্ত হয়। যদি এ'রকম বিতর্ক না থাকত তাহলেতো আর পরীক্ষা হত না। কোরআনে আল্লাহ বহুবার বলেছেন তিনি চাইলে সব বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে সব মানুষকে তার অনুগত করে দিতে পারতেন কিন্তু সেটা তিনি এ'জন্যই করেন না যাতে মানুষদেরকে পরীক্ষা করা যায়।

 

মোট সময় লেগেছে ১.২৯০৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
মানুষেরে ঘৃণা করি'/
ও কারা কোরান, বেদ, বাইবেল চুম্বিছে মরি' মরি'/
ও মুখ হইতে কেতাব-গ্রন্থ নাও জোর ক'রে কেড়ে,/
যাহারা আনিল গ্রন্থ-কেতাব সেই...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই