আমার প্রিয় পোস্ট
- সেরা কিছু শর্টফিল্মের কালেকশন--মাস্টওয়াচ পোষ্ট --(সিরিজ ২) - নিয়নের আলো
- নারী স্বাধীনতা ও পুরুষশাসিত সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি - চল যাব তোকে নিয়ে
- ফ্রিদা কাহলো - বিপ্লব ভট্টাচার্য্য
- নোবেল বিজয়ী ডঃ ইউনূস প্রসঙ্গ: কিসের লজ্জা? কার লজ্জা? (১)-নাস্তিকের ধর্মকথার জবাব: - মুক্ত মণ
- লালন এর তিনজন গুরু - ইমন জুবায়ের
- রসদঃ মুক্তচিন্তা, অবিশ্বাস, সন্দেহবাদীতা, যুক্তিবাদীতা এবং বিজ্ঞানবিষয়ক পোস্ট সংকলন। - আসিফ মহিউদ্দীন
- 'ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে ইসলাম ও তৎসংশ্লিষ্ট ঘটনাপ্রবাহ'বরাবরঃ অয়োময় - রুদ্রপ্রতাপ
- অন্ধকার থেকে আলোয়-২য় পর্ব - সন্যাসী
- সমাজতন্ত্রের নিজস্ব কোন আবেদন নাই - দুরের পাখি
- নাস্তানাবুদ নাস্তিকতা : নাস্তিকতার অসারতা প্রমাণকারী ব্লগ পোষ্ট সঙ্কলন - স্বর্ণলতা
- নৈতিকতার ভিত্তি - আস্তিক নাস্তিক কথোপকথন --

- কঠিন চিজ
- কোরান অবিকৃত অবস্থায় সংরক্ষিত হয় নি - সাহোশি৬
- মদিনার তিনটি ইহুদি গোত্রের বিতাড়ণ -এপোলোজেটিক এবং এটাকিং ভার্শন - দুরের পাখি
- বদরের যুদ্ধের প্রেক্ষাপট: ডাকাতি-লুট না অত্যাচারিতের অধিকার আদায়? - জ্বিনের বাদশা
- আল-কুরআনের অলৌকিকত্বঃ জানা থাকলেও যা বারবার জানাতে ইচ্ছা করে। - হেডমাষ্টার সাহেব
- বাংলা ব্লগ'স্ফেয়ারে মুক্ত'চিন্তার গুরুত্বপূর্ণ লেখা/পোস্ট/ব্লগ সংগ্রহের উদ্যোগঃ সচেতন সকলে'র অংশগ্রহন কাম্য … - মনির হাসান
- আমাদের ইতিহাস, আমাদের কিংবদন্তী: বোবা মেয়েটির কথা! - ম্যাভেরিক
- খনা ও খনার বচন...... - মুহাম্মদ মোহেব্বুর রহমান
- ধর্ম'গুলোর ভবিষ্যত কি ? নাস্তিক'রা ধর্মের কি পরিনতি বা অবস্থা দেখতে চায় ? ...একটি আলোচনা পোস্ট ..বিশেষত নাস্তিকদের জন্য - মনির হাসান
- যারা অনুবাদকৃত কোরআন এবং অন্যান্য ধর্মগ্রন্থের ভালো WebSite Link চান, তাদের জন্য

- কঠিন চিজ
- বহু বিবাহ : প্রয়োজন, লোভ ও ভীমরতি - মোহাম্মদ লোমান
- কোরান'এ নারী-পুরুষ এর অসমতা বিষয়ক কয়েকটি আয়াত - সুশীল সমাজ
- ইসলাম সম্পর্কে অমুসলিমদের কিছু প্রশ্নের উত্তর। উত্তর: ৩। - তৌসিক আহম্মেদ
- ইসলাম সম্পর্কে অমুসলিমদের কিছু প্রশ্নের উত্তর। উত্তর: ২। - তৌসিক আহম্মেদ
- ইসলাম সম্পর্কে অমুসলিমদের কিছু প্রশ্নের উত্তর। উত্তর নং: ১। - তৌসিক আহম্মেদ
- জামাতের নেতারা বলে কি আর করে কি !? (শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে জামাতি ভন্ডামির চালচিত্র
) - সেলটিক সাগর
- তিনি আরজ আলী, একজন আলো-আঁধারির পরিব্রাজক - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা নিয়ে স্বগতোক্তি এবং বিক্ষিপ্ত প্রশ্ন - সোজা কথা
- নাস্তিকের ধর্মকথার আস্তিকতা-নাস্তিকতার দার্শনিক বিচার ও কিছু প্রসঙ্গ - খারেজি
- ইসলামে উত্তরাধিকার আইন (১): কতটা গাণিতিক ব্যবহারিক আইন - মাসুদুল হক
- ঈমান জোরদার করার জন্য বিভিন্ন ব্লগ হইতে সংগৃহিত ক্লাসিক লেখা - দ্বিতীয়নাম
- নির্বাচনে বামের না পারা-শেষ অংশ। - সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র
- ... তাহলে ইসলামের "প্রানীর ছবি আকা হারাম"-নির্দেশটি কতটা যৌক্তিক ? - মনির হাসান
- বাংলাদেশে একাত্তরের যুদ্ধপরাধীদের বিচার না হওয়ার অন্যতম কারণ: ওয়াহাবী কানেকশন। - ইমন জুবায়ের
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবী এবং একজন স্বঘোষিত পর্নোষ্টার - জাতেমাতাল
- আমার প্রিয় পোস্ট : মলয় রায়চৌধুরী'র কবিতা প্রচণ্ড বৈদ্যুতিক ছুতার - নৃপ অনুপ
- ধর্মীয় অন্ধতা এবং আমাদের বানরায়ন-৩(জেসাস ক্রাইস্ট কি ঐতিহাসিক চরিত্র-১) - আরিফুল হোসেন তুহিন
- রুবিকস কিউব (পর্ব ৪) : রুবিকস কিউবের সমাধান: লেয়ার বাই লেয়ার - গণিত পাগল
- পারস্যের এক প্রেরিতপুরুষ - ইমন জুবায়ের
- "আয়ান হারসা আলি একজন "মুসলমান-নাস্তিক" শিরোনামে "এস্কিমো" নিকের একটি পোস্টের কাউন্টার পোস্ট :৩ - নাহিদ মাহমুদ
- কোরআনের সংরক্ষণ।-১ - কুম্ভকর্ণ
- আরজ আলী মাতুব্বর এবং কিছুমিছু... - পান্থ বিহোস
- নাস্তিকের ধরমোকথার জন্য লেখা..... - জুনায়েদ সাদিক
- নবীজি সা: এর বহুবিবাহের কারন - মাহিরাহি
- রসুল সা. এর চারের অধিক বিয়ে প্রসংগঃ ইউসুফ আল কারদাওয়ী - মাহমুদ রহমান
- নাস্তিকের ধর্মকথার পোস্টপ্রসঙ্গেঃ সবাইকে সতর্ক করার জন্য এ পোস্ট - মাহমুদ রহমান
- স্টিফেন হকিং, নাস্তিকতা ও ইসলাম : নাস্তিক/আস্তিক সব ব্লগারদের জন্যে - হিমু রুদ্র
- উ: কোরিয়া : কি বিভত্তস্য অভিষপ্ত এক দেশ ! - পদ্মানন্দ
- বিধাতা মোরে ক্ষমা করো - শান্তির দেবদূত
- তাদেরকে হত্যা কর যেখানে পাও সেখানেই : আল-কোরআন - ক্যাচাল
- দুটি প্রশ্ন ( নাস্তিকের ধর্মকথা ) - স্ক্রু লুজ Screw Loose
- বঙ্গভঙ্গ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট - বিবর্তনবাদী
নববর্ষের অনুষ্ঠানাদি: শয়তানের পুরোনো কূটচালের নবায়ন
১৩ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:১৯
আমাদের সমাজে নববর্ষ যারা পালন করে, তারা কি ধরনের অনুষ্ঠান সেখানে পালন করে, আর সেগুলো সম্পর্কে ইসলামের বক্তব্য কি? নববর্ষের অনুষ্ঠানাদির মধ্যে রয়েছে: বৈশাখী মেলা, যাত্রা, পালাগান, কবিগান, জারিগান, গম্ভীরা গান প্রভৃতি বিভিন্ন লোকসঙ্গীতের ব্যবস্থা, প্রভাতে উদীয়মান সূর্যকে স্বাগত জানান, নতুন সূর্যকে প্রত্যক্ষকরণ, নববর্ষকে স্বাগত জানিয়ে শিল্পীদের সংগীত, পান্তা-ইলিশ ভোজ, চারুশিল্পীদের শোভাযাত্রা, রমনার বটমূলে ছায়ানটের উদ্যোগে রবীন্দ্রনাথের আগমনী গান "এসো হে বৈশাখ...", এছাড়া রেডিও টিভিতে বিশেষ অনুষ্ঠান ও পত্রপত্রিকার বিশেষ ক্রোড়পত্র।
এবারে এ সকল অনুষ্ঠানাদিতে অনুষ্ঠিত মূল কর্মকান্ড এবং ইসলামে এগুলোর অবস্থান সম্পর্কে পর্যালোচনা করা যাক:
সূর্যকে স্বাগত জানানো ও বৈশাখকে সম্বোধন করে স্বাগত জানানো: এ ধরনের কর্মকান্ড মূলত সূর্য-পূজারী ও প্রকৃতি-পূজারী বিভিন্ন সম্প্রদায়ের অনুকরণ মাত্র, যা আধুনিক মানুষের দৃষ্টিতে পুনরায় শোভনীয় হয়ে উঠেছে। তথাকথিত বুদ্ধিজীবী সমাজের অনেকেরই ধর্মের নাম শোনামাত্র গাত্রদাহ সৃষ্টি হলেও প্রকৃতি-পূজারী আদিম ধর্মের ধর্মীয় অনুষ্ঠানের নকল করতে তাদের অন্তরে অসাধারণ পুলক অনুভূত হয়। সূর্য ও প্রকৃতির পূজা বহু প্রাচীন কাল থেকেই বিভিন্ন জাতির লোকেরা করে এসেছে। যেমন খ্রীস্টপূর্ব ১৪ শতকে মিশরীয় "অ্যাটোনিসম" মতবাদে সূর্যের উপাসনা চলত। এমনি ভাবে ইন্দো-ইউরোপীয় এবং মেসো-আমেরিকান সংস্কৃতিতে সূর্য পূজারীদেরকে পাওয়া যাবে। খ্রীস্টান সম্প্রদায় কর্তৃক পালিত যীশু খ্রীস্টের তথাকথিত জন্মদিন ২৫শে ডিসেম্বরও মূলত এসেছে রোমক সৌর-পূজারীদের পৌত্তলিক ধর্ম থেকে, যীশু খ্রীস্টের প্রকৃত জন্মতারিখ থেকে নয়। ১৯ শতাব্দীর উত্তর-আমেরিকায় কিছু সম্প্রদায় গ্রীষ্মের প্রাক্কালে পালন করত সৌর-নৃত্য এবং এই উৎসব উপলক্ষে পৌত্তলিক প্রকৃতি পূজারীরা তাদের ধর্মীয়-বিশ্বাসের পুনর্ঘোষণা দিত। মানুষের ভক্তি ও ভালবাসাকে প্রকৃতির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সৃষ্টির প্রতি আবদ্ধ করে তাদেরকে শিরক বা অংশীদারিত্বে লিপ্ত করানো শয়তানের সুপ্রাচীন "ক্লাসিকাল ট্রিক" বলা চলে। শয়তানের এই কূটচালের বর্ণনা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা কুরআনে তুলে ধরেছেন:
"আমি তাকে ও তার জাতিকে দেখেছি, তারা আল্লাহকে ছেড়ে সূর্যকে সিজদা করছে এবং শয়তান তাদের কার্যাবলীকে তাদের জন্য শোভনীয় করেছে..."
আজকের বাংলা নববর্ষ উদযাপনে গান গেয়ে বৈশাখী সূর্যকে স্বাগত জানানো, আর কুরআনে বর্ণিত প্রাচীন জাতির সূর্যকে সিজদা করা, আর উত্তর আমেরিকার আদিবাসীদের সৌর-নৃত্য - এগুলোর মধ্যে চেতনাগত কোন পার্থক্য নেই, বরং এ সবই স্রষ্টার দিক থেকে মানুষকে অমনোযোগী করে সৃষ্টির আরাধনার প্রতি তার আকর্ষণ জাগিয়ে তোলার শয়তানী উদ্যোগ।
নববর্ষে মুখোশ নৃত্য, গম্ভীরা গান ও জীবজন্তুর প্রতিকৃতি নিয়ে মিছিল: গম্ভীরা উৎসবের যে মুখোশ নৃত্য, তার উৎস হচ্ছে কোচ নৃগোষ্ঠীর প্রাচীন কৃত্যানুষ্ঠান এবং পরবর্তীতে ভারতীয় তান্ত্রিক বৌদ্ধগণ এই নৃত্য আত্তীকরণ করে নিজস্ব সংস্করণ তৈরী করে। জন্তু-পূজার উৎস পাওয়া যাবে প্রাচীন গ্রীক ও রোমান সভ্যতার কিছু ধর্মীয় মতবাদে, যেখানে দেবতাদেরকে জন্তুর প্রতিকৃতিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। এমনিভাবে নববর্ষের কিছু অনুষ্ঠানে প্রাচীন পৌত্তলিক ধর্মীয় মতবাদের ছোঁয়া লেগেছে, যা যথারীতি ইসলামবিদ্বেষীদের নিকট অত্যন্ত পছন্দনীয়, এগুলো তাদের আধ্যাত্মিক আবেগ-অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ ঘটানোর জন্য সত্য ধর্মের বিকল্প এক বিকৃত পথ মাত্র। ইসলামের মূল লক্ষ্য হচ্ছে সকল প্রকার মিথ্যা দেবতার অবসান ঘটিয়ে একমাত্র প্রকৃত ইলাহ, মানুষের স্রষ্টা আল্লাহর ইবাদতকে প্রতিষ্ঠিত করা, যেন মানুষের সকল ভক্তি, ভালবাসা, ভয় ও আবেগের কেন্দ্রস্থলে তিনি আসীন থাকেন। অপরদিকে শয়তানের ষড়যন্ত্র হচ্ছে বিবিধ প্রতিকৃতির দ্বারা মানুষকে মূল পালনকর্তার ইবাদত থেকে বিচ্যুত করা। আর তাই তো ইসলামে প্রতিকৃতি কিংবা জীবন্ত বস্তুর ছবি তৈরী করাকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আব্দুল্লাহ ইবনে মাসুদ(রাঃ) থেকে বর্ণিত যে রাসূলুল্লাহ(সঃ) বলেছেন:
"কিয়ামতের দিন সবচেয়ে কঠিন শাস্তি ভোগ করবে [জীবন্ত বস্তুর] ছবি তৈরীকারীরা।"
ইবনে আব্বাস(রাঃ) থেকে বর্ণিত হাদীস থেকে জানা যায়, রাসূলুল্লাহ(সঃ) বলেছেন:
"যে কেউই ছবি তৈরী করল, আল্লাহ তাকে [কিয়ামতের দিন] ততক্ষণ শাস্তি দিতে থাকবেন যতক্ষণ না সে এতে প্রাণ সঞ্চার করে, আর সে কখনোই তা করতে সমর্থ হবে না।"
নারীকে জড়িয়ে বিভিন্ন অশ্লীলতা: শিরকপূর্ণ আচার-অনুষ্ঠানের পরেই নববর্ষের অনুষ্ঠানাদির মধ্যে সমাজ-বিধ্বংসী যে বিষয়গুলো পাওয়া যাবে, তা হচ্ছে নারীকে জড়িয়ে বিভিন্ন ধরনের অশ্লীলতা। বৈশাখী মেলা, রমনার বটমূল, চারুকলার মিছিল, এর সবর্ত্রই সৌন্দর্য প্রদর্শনকারী নারীকে পুরুষের সাথে অবাধ মেলামেশায় লিপ্ত দেখা যাবে। পৃথিবীতে আল্লাহ মানুষকে যে সকল আকষর্ণীয় বস্তু দ্বারা পরীক্ষা করে থাকেন, তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে নারী। রাসূলুল্লাহ(সঃ) বলেন:
আমি পুরুষের জন্য নারীর চেয়ে বড় কোন ফিতনা রেখে যাচ্ছি না।
সমাজ নারীকে কোন অবস্থায়, কি ভূমিকায়, কি ধরনের পোশাকে দেখতে চায় - এ বিষয়টি সেই সমাজের ধ্বংস কিংবা উন্নতির সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত অতীব গুরুত্বপূর্ণ এক বিষয়। নারীর বিচরণক্ষেত্র, ভূমিকা এবং পোশাক এবং পুরুষের সাপেক্ষে তার অবস্থান - এ সবকিছুই ইসলামে সরাসরি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের নির্দেশ দ্বারা নির্ধারিত, এখানে ব্যক্তিগত বা সামাজিক প্রথা, হালের ফ্যাশন কিংবা ব্যক্তিগত শালীনতাবোধের কোন গুরুত্বই নেই। যেমন ইসলামে নারীদের পোশাকের সুনির্দিষ্ট রূপরেখা দেয়া আছে, আর তা হচ্ছে এই যে একজন নারীর চেহারা ও হস্তদ্বয় ছাড়া দেহের অন্য কোন অঙ্গই বহিরাগত পুরুষেরা দেখতে পারবে না। বহিরাগত পুরুষ কারা? স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীদের পুত্র, ভাই, ভ্রাতুষ্পুত্র, ভগ্নীপুত্র, মুসলিম নারী, নিজেদের মালিকানাধীন দাসী, যৌনকামনাহীন কোন পুরুষ এবং এমন শিশু যাদের লজ্জাস্থান সম্পর্কে সংবেদনশীলতা তৈরী হয়নি, তারা বাদে সবাই একজন নারীর জন্য বহিরাগত। এখানে ব্যক্তিগত শালীনতাবোধের প্রশ্ন নেই। যেমন কোন নারী যদি বহিরাগত পুরুষের সামনে চুল উন্মুক্ত রেখে দাবী করে যে তার এই বেশ যথেষ্ট শালীন, তবে তা সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য হলেও ইসলামে গ্রহণযোগ্য নয়। কেননা শালীনতা-অশালীনতার সামাজিক মাপকাঠি প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হয়, আর তাই সমাজ ধীরে ধীরে নারীর বিভিন্ন অঙ্গ উন্মুক্তকরণকে অনুমোদন দিয়ে ক্রমান্বয়ে এমন পর্যায়ে নিয়ে আসতে পারে যে, যেখানে বস্তুত দেহের প্রতিটি অঙ্গ নগ্ন থাকলেও সমাজে সেটা গ্রহণযোগ্য হয় - যেমনটা পশ্চিমা বিশ্বের ফ্যাশন শিল্পে দেখা যায়। মার্কিন-যুক্তরাষ্ট্রে কিংবা ভারতবর্ষে যা শালীন, বাংলাদেশে হয়ত এখনও সেটা অশালীন - তাহলে শালীনতার মাপকাঠি কি? সেজন্য ইসলামে এধরনের গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়কে মানুষের কামনা-বাসনার ওপর ছেড়ে দেয়া হয়নি, বরং তা কুরআন ও হাদীসের বিধান দ্বারা নির্ধারণ করা হয়েছে। তেমনি নারী ও পুরুষের অবাধ মেলামেশা ও অবাধ কথাবার্তা ইসলামে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কেননা এই অবাধ মেলামেশা ও অবাধ কথাবার্তাই ব্যভিচারের প্রথম ধাপ। যিনা-ব্যভিচার ইসলামী শরীয়াতের আলোকে কবীরাহ গুনাহ, এর পরিণতিতে হাদীসে আখিরাতের কঠিন শাস্তির বর্ণনা এসেছে। এর প্রসারে সমাজ জীবনের কাঠামো ভেঙ্গে পড়ে, ছড়িয়ে পড়ে অশান্তি ও সন্ত্রাস এবং কঠিন রোগব্যাধি। আল্লাহর রাসূলের হাদীস অনুযায়ী কোন সমাজে যখন ব্যভিচার প্রসার লাভ করে তখন সে সমাজ আল্লাহর শাস্তির যোগ্য হয়ে ওঠে। আর নারী ও পুরুষের মাঝে ভালবাসা উদ্রেককারী অপরাপর যেসকল মাধ্যম, তা যিনা-ব্যভিচারের রাস্তাকেই প্রশস্ত করে। এ সকল কিছু রোধ করার জন্য ইসলামে নারীদেরকে পর্দা করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে, নারী ও পুরুষের বিচরণ ক্ষেত্র পৃথক করা এবং দৃষ্টি অবনত রাখার বিধান রাখা হয়েছে। যে সমাজ নারীকে অশালীনতায় নামিয়ে আনে, সেই সমাজ অশান্তি ও সকল পাপকাজের কেন্দ্রস্থলে পরিণত হয়, কেননা নারীর প্রতি আকর্ষণ পুরুষের চরিত্রে বিদ্যমান অন্যতম অদম্য এক স্বভাব, যাকে নিয়ন্ত্রণে রাখাই সামাজিক সমৃদ্ধির মূলতত্ত্ব। আর এজন্যই ইসলামে সুনির্দিষ্ট বৈবাহিক সম্পর্কের বাইরে যে কোন প্রকার সৌন্দর্য বা ভালবাসার প্রদর্শনী ও চর্চা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এ ব্যাপারে শৈথিল্য প্রদর্শনের ফলাফল দেখতে চাইলে পশ্চিমা বিশ্বের দিকে তাকানোই যথেষ্ট, গোটা বিশ্বে শান্তি, গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ঝান্ডাবাহী খোদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি ছয় মিনিটে একজন নারী ধর্ষিত হয় । মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মত তথাকথিত সভ্য দেশে মানুষের ভিতরকার এই পশুকে কে বের করে আনল? অত্যন্ত নিম্নবুদ্ধিসম্পন্ন লোকেও সহজেই বুঝতে পারে যে স্রষ্টার বেঁধে দেয়া শালীনতার সীমা যখনই শিথিল করা শুরু হয়, তখনই মানুষের ভিতরকার পশুটি পরিপুষ্ট হতে শুরু করে। পশ্চিমা বিশ্বের অশালীনতার চিত্রও কিন্তু একদিনে রচিত হয়নি। সেখানকার সমাজে নারীরা একদিনেই নগ্ন হয়ে রাস্তায় নামেনি, বরং ধাপে ধাপে তাদের পোশাকে সংক্ষিপ্ততা ও যৌনতা এসেছে, আজকে যেমনিভাবে দেহের অংশবিশেষ প্রদর্শনকারী ও সাজসজ্জা গ্রহণকারী বাঙালি নারী নিজেকে শালীন বলে দাবী করে, ঠিক একইভাবেই বিভিন্ন পশ্চিমা দেশে দেহ উন্মুক্তকরণ শুরু হয়েছিল তথাকথিত "নির্দোষ" পথে।
নারীর পোশাক-পরিচ্ছদ ও চাল-চলন নিয়ে ইসলামের বিধান আলোচনা করা এই নিবন্ধের আওতা বহির্ভূত, তবে এ সম্পর্কে মোটামুটি একটা চিত্র ইতিমধ্যেই তুলে ধরা হয়েছে। এই বিধি-নিষেধের আলোকে চিন্তা করলে দেখা যায় যে, নববর্ষের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নারীর যে অবাধ উপস্থিতি, সৌন্দর্য প্রদর্শন এবং পুরুষের সাথে মেলামেশা - তা পরিপূর্ণভাবে ইসলামবিরোধী, তা কতিপয় মানুষের কাছে যতই লোভনীয় বা আকর্ষণীয়ই হোক না কেন। এই অনুষ্ঠানগুলো বাংলাদেশের মুসলিম সমাজের ধ্বংসের পূর্বাভাস দিচ্ছে। ৫ বছরের বালিকা ধর্ষণ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মত বিদ্যাপীঠে ধর্ষণের সেঞ্চুরি উদযাপন, পিতার সম্মুখে কন্যা এবং স্বামীর সম্মুখে স্ত্রীর শ্লীলতাহানি - বাংলাদেশের সমাজে এধরনের বিকৃত ঘটনা সংঘটনের প্রকৃত কারণ ও উৎস কি? প্রকৃতপক্ষে এর জন্য সেইসব মা-বোনেরা দায়ী যারা প্রথমবারের মত নিজেদের অবগুন্ঠনকে উন্মুক্ত করেও নিজেদেরকে শালীন ভাবতে শিখেছে এবং সমাজের সেইসমস্ত লোকেরা দায়ী, যারা একে প্রগতির প্রতীক হিসেবে বাহবা দিয়ে সমর্থন যুগিয়েছে।
ব্যভিচারের প্রতি আহবান জানানো শয়তানের ক্লাসিকাল ট্রিকগুলোর অপর একটি, যেটাকে কুরআনে "ফাহিশাহ" শব্দের আওতায় আলোচনা করা হয়েছে, শয়তানের এই ষড়যন্ত্র সম্পর্কে আল্লাহ পাক বলেন:
"হে মানুষ! পৃথিবীতে যা কিছু হালাল ও পবিত্র বস্তু আছে তা থেকে তোমরা আহার কর আর শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না। সে তো তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু। সে তো তোমাদের নির্দেশ দেয় মন্দ ও অশ্লীল কাজ [ব্যভিচার, মদ্যপান, হত্যা ইত্যাদি] করতে এবং আল্লাহ সম্বন্ধে এমন সব বিষয় বলতে যা তোমরা জান না।"
এছাড়া যা কিছুই মানুষকে ব্যভিচারের দিকে প্রলুব্ধ ও উদ্যোগী করতে পারে, তার সবগুলোকেই নিষিদ্ধ করা হয়েছে কুরআনের নিম্নলিখিত আয়াতের দ্বারা:
"তোমরা ব্যভিচারের কাছেও যেও না। অবশ্যই এটা অশ্লীল কাজ ও নিকৃষ্ট পন্থা।"
ব্যভিচারকে উৎসাহিত করে এমন বিষয়, পরিবেশ, কথা ও কাজ এই আয়াত দ্বারা নিষিদ্ধ হয়ে গিয়েছে।
বিভিন্ন সাজে সজ্জিত পর্দাবিহীন নারীকে আকর্ষণীয়, প্রগতিশীল, আধুনিক ও অভিজাত বলে মনে হতে পারে, কেননা, শয়তান পাপকাজকে মানুষের দৃষ্টিতে শোভনীয় করে তোলে। যেসব মুসলিম ব্যক্তির কাছে নারীর এই অবাধ সৌন্দর্য প্রদর্শনকে সুখকর বলে মনে হয়, তাদের উদ্দেশ্যে আমাদের বক্তব্য:
ক. ছোট শিশুরা অনেক সময় আগুন স্পর্শ করতে চায়, কারণ আগুনের রং তাদের কাছে আকর্ষণীয়। কিন্তু আগুনের মূল প্রকৃতি জানার পর কেউই আগুন ধরতে চাইবে না। তেমনি ব্যভিচারকে আকর্ষণীয় মনে হলেও পৃথিবীতে এর ধ্বংসাত্মক পরিণতি এবং আখিরাতে এর জন্য যে কঠিন শাস্তি পেতে হবে, সেটা স্মরণ করলে বিষয়টিকে আকর্ষণীয় মনে হবে না।
খ. প্রত্যেকে নিজেকে প্রশ্ন করে দেখি, একজন নারী যখন নিজের দেহকে উন্মুক্ত করে সজ্জিত হয়ে বহু পুরুষের সামনে উপস্থিত হয়ে তাদের মনে যৌন-লালসার উদ্রেক করে, তখন সেই দৃশ্য দেখে এবং সেই নারীকে দেখে বহু-পুরুষের মনে যে কামভাবের উদ্রেক হয়, সেকথা চিন্তা করে এই নারীর বাবার কাছে তার কন্যার নগ্নতার দৃশ্যটি কি খুব উপভোগ্য হবে? এই নারীর সন্তানের কাছে তার মায়ের জনসম্মুখে উন্মুক্ততা কি উপভোগ্য? এই নারীর ভাইয়ের কাছে তার বোনের এই অবস্থা কি আনন্দদায়ক? এই নারীর স্বামীর নিকট তার স্ত্রীর এই অবস্থা কি সুখকর? নিশ্চয়ই নয়। তাহলে কিভাবে একজন ব্যক্তি পরনারীর সৌন্দর্য প্রদর্শনকে পছন্দ করতে পারে? এই পরনারী তো কারও কন্যা কিংবা কারও মা, কিংবা কারও বোন অথবা কারও স্ত্রী? এই লোকগুলোর কি পিতৃসুলভ অনুভূতি নেই, তারা কি সন্তানসুলভ আবেগশূন্য, তাদের বোনের প্রতি ভ্রাতৃসুলভ স্নেহশূন্য কিংবা স্ত্রীর প্রতি স্বামীসুলভ অনুভূতিহীন? নিশ্চয়ই নয়। বরং আপনি-আমি একজন পিতা, সন্তান, ভাই কিংবা স্বামী হিসেবে যে অনুভূতির অধিকারী, রাস্তার উন্মুক্ত নারীটির পরিবারও সেই একই অনুভূতির অধিকারী। তাহলে আমরা আমাদের কন্যা, মাতা, ভগ্নী কিংবা স্ত্রীদের জন্য যা চাই না, তা কিভাবে অন্যের কন্যা, মাতা, ভগ্নী কিংবা স্ত্রীদের জন্য কামনা করতে পারি? তবে কোন ব্যক্তি যদি দাবী করে যে সে নিজের কন্যা, মাতা, ভগ্নী বা স্ত্রীকেও পরপুরুষের যথেচ্ছ লালসার বস্তু হতে দেখে বিচলিত হয় না, তবে সে তো পশুতুল্য, নরাধম। বরং অধিকাংশেরই এধরনের সংবেদনশীলতা রয়েছে। তাই আমাদের উচিৎ অন্তর থেকে এই ব্যভিচারের চর্চাকে ঘৃণা করা। এই ব্যভিচার বিভিন্ন অঙ্গের দ্বারা হতে পারে, যেমনটি নবীজী(সঃ) বর্ণনা করেছেন:
"...চোখের যিনা হচ্ছে তাকানো, জিহ্বার যিনা হচ্ছে কথা বলা, অন্তর তা কামনা করে এবং পরিশেষে যৌনাঙ্গ একে বাস্তবায়ন করে অথবা প্রত্যাখ্যান করে।"
দৃষ্টি, স্পর্শ, শোনা ও কথার দ্বারা সংঘটিত যিনাই মূল ব্যভিচার সংঘটিত হওয়াকে বাস্তব রূপ দান করে, তাই জাহান্নাম থেকে বাঁচার জন্য প্রতিটি মুসলিমের কর্তব্য সে সকল স্থান থেকে শতহস্ত দূরে থাকা, যে সকল স্থানে দৃষ্টি, স্পর্শ, শোনা ও কথার ব্যভিচারের সুযোগকে উন্মুক্ত করা হয়।
সঙ্গীত ও বাদ্য: নববর্ষের বিভিন্ন অনুষ্ঠানের সাথে জড়িত থাকে সংগীত ও বাদ্য। ইসলামে নারীকন্ঠে সংগীত নিঃসন্দেহে নিষিদ্ধ - একথা পূর্বের আলোচনা থেকেই স্পষ্ট। সাধারণভাবে যেকোন বাদ্যযন্ত্রকেও ইসলামে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, বিশেষ ব্যতিক্রম ছাড়া, যেমন বিশেষ কিছু উপলক্ষে দফ নামক বাদ্যযন্ত্র বাজানোর অনুমতি হাদীসে এসেছে। তাই যে সকল স্থানে এসব হারাম সংগীত উপস্থাপিত হয়, যেমন রমনার বটমূল, বৈশাখী মেলা এবং নববর্ষের অন্যান্য অনুষ্ঠানাদি, সে সকল স্থানে যাওয়া, এগুলোতে অংশ নেয়া, এগুলোতে কোন ধরনের সহায়তা করা কিংবা তা দেখা বা শোনা সকল মুসলিমের জন্য হারাম। কিন্তু কোন মুসলিম যদি এতে উপস্থিত থাকার ফলে সেখানে সংঘটিত এইসকল পাপাচারকে বন্ধ করতে সমর্থ হয়, তবে তার জন্য সেটা অনুমোদনযোগ্য। তাছাড়া অনর্থক কথা ও গল্প-কাহিনী যা মানুষকে জীবনের মূল লক্ষ্য থেকে দূরে সরিয়ে রাখে, তা নিঃসন্দেহে মুসলিমের জন্য বর্জনীয়। অনর্থক কথা, বানোয়াট গল্প-কাহিনী এবং গান-বাজনা মানুষকে জীবনের মূল লক্ষ্য থেকে দূরে সরিয়ে রাখার জন্য শয়তানের পুরোনো কূটচালের একটি, আল্লাহ এ কথা কুরআনে স্পষ্ট করে দিয়েছেন:
"এবং তাদের মধ্যে যাদেরকে পার পর্যায়ক্রমে বোকা বানাও তোমার গলার স্বরের সাহায্যে, ... "
যে কোন আওয়াজ, যা আল্লাহর অবাধ্যতার দিকে আহবান জানায়, তার সবই এই আয়াতে বর্ণিত আওয়াজের অন্তর্ভুক্ত।
আল্লাহ আরও বলেন:
"এবং মানুষের মাঝে এমন কিছু লোক আছে যারা আল্লাহর পথ থেকে [মানুষকে] বিচ্যুত করার জন্য কোন জ্ঞান ছাড়াই অনর্থক কথাকে ক্রয় করে, এবং একে ঠাট্টা হিসেবে গ্রহণ করে, এদের জন্য রয়েছে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি।"
রাসূলুল্লাহ(সঃ) বলেছেন:
"আমার উম্মাতের মধ্যে কিছু লোক হবে যারা ব্যভিচার, রেশমী বস্ত্র, মদ এবং বাদ্যযন্ত্রকে হালাল বলে জ্ঞান করবে।"
এছাড়াও এ ধরনের অনর্থক ও পাপপূর্ণ অনুষ্ঠান সম্পর্কে বহু সতর্কবাণী এসেছে কুরআনের অন্যান্য আয়াতে এবং আল্লাহর রাসূলের হাদীসে। উপরন্তু নববর্ষ উপলক্ষে যে গানগুলো গাওয়া হয়, সেগুলোর কোন কোনটির কথাও শিরকপূর্ণ, যেমনটি আগেই বর্ণনা করা হয়েছে।
যেসকল মুসলিমদের মধ্যে ঈমান এখনও অবশিষ্ট রয়েছে, তাদের উচিৎ এসবকিছুকে সর্বাত্মকভাবে পরিত্যাগ করা।
======================
উপরের লেখাটি Institute for Community Development (ICDBD) এর মোঃ এনামুল হকের লেখা প্রবন্ধের অংশবিশেষ। পুরো প্রবন্ধটি পাবেন এই লিংকে ( Click This Link) বা এখানে ( Click This Link)।
এই আইসিডিবিডি নিজেদেরকে ইসলাম বিষয়ক গবেষক মনে করে, এই প্রতিষ্ঠানের নেতৃস্থানীয় হচ্ছেন মোঃ এনামুল হক। প্রবন্ধটির একটি জবাব তৈরী করবো বলে ভাবছিলাম- পরে মনে হলো- এর জবাব দেয়ার কিছু নেই- লোকে এমনিতেই এর জবাব ভালো জানে...
এইসব কট্টর-ইসলামপন্থীদের মনোভাবটি সকলের সামনে তুলে ধরলাম, আশা করি- এই পোস্টে (এই প্রবন্ধে) মাইনাসের অভাব হবে না।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন:
কি আর কমু কন ...?
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন:
"পৃথিবীতে আল্লাহ মানুষকে যে সকল আকষর্ণীয় বস্তু দ্বারা পরীক্ষা করে থাকেন, তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে নারী।"এজন্যই নবীকে এগারোটি নারী এবং সংখ্যাতীত মাল-এ-গনিমাত দিয়ে পরখ করা হয়েছিলো, তাই না? খন্দকের যুদ্ধের পর সদ্য স্বামীহারা সাফইয়ার পরিণতি কী হয়েছিলো? আল্রাহ বললেন, নবীকে পরীক্ষা করি... নবীও দেখা যায় ঠিকঠাক 'উতরে' গেলেন, কী মজা। অন্যদের জন্য ইদ্দত বাধ্যতামূলক, আর নবীর বৌ যেহেতু উম্মতদের মায়ের মত, তাই সদ্যবিধবাভোগেও নিষেধ নেই।
আরবের বালুতে ফেরত যায়না কেন এসব অন্ধ উট?
পহেলা বৈশাখ বিদাতী? তো?
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
প্রবন্ধটির শেষে "আমাদের করণীয়" নামে একটা অনুচ্ছেদ আছে, সেখানে বলা হচ্ছে:১। এ বিষয়ে দেশের শাসকগোষ্ঠীর দায়িত্ব হবে আইন প্রয়োগের দ্বারা নববর্ষের যাবতীয় অনুষ্ঠান নিষিদ্ধ ঘোষণা করা।
২। যেসব ব্যক্তি নিজ নিজ ক্ষেত্রে কিছুটা ক্ষমতার অধিকারী, তাদের কর্তব্য হবে অধীনস্থদেরকে এ কাজ থেকে বিরত রাখা। যেমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান এই নির্দেশ জারি করতে পারেন যে তার প্রতিষ্ঠানে নববর্ষকে উপলক্ষ করে কোন ধরনের অনুষ্ঠান পালিত হবে না, নববর্ষ উপলক্ষে কেউ বিশেষ পোশাক পরতে পারবে না কিংবা শুভেচ্ছা বিনিময় করতে পারবে না।
৩। মসজিদের ইমামগণ এ বিষয়ে মুসল্লীদেরকে সচেতন করবেন ও বিরত থাকার উপদেশ দেবেন।
৪। পরিবারের প্রধান এ বিষয়টি নিশ্চিত করবেন যে তার পুত্র, কন্যা, স্ত্রী কিংবা অধীনস্থ অন্য কেউ যেন নববর্ষের কোন অনুষ্ঠানে যোগ না দেয়।
৫। এছাড়া ব্যক্তিগতভাবে প্রত্যেকে তার বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজন, সহপাঠী, সহকর্মী ও পরিবারের মানুষকে উপদেশ দেবেন এবং নববর্ষ পালনের সাথে কোনভাবে সম্পৃক্ত হওয়া থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করবেন।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে তাঁর আনুগত্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত থাকার তাওফীক দান করুন, এবং কল্যাণ ও শান্তি বর্ষিত হোক নবীজী(সঃ) - এঁর ওপর, তাঁর পরিবার ও সাহাবীগণের ওপর।
"এবং তোমরা তোমাদের রবের ক্ষমা ও সেই জান্নাতের দিকে দ্রুত ধাবিত হও, যার পরিধি আসমান ও জমীনব্যাপী, যা প্রস্তুত করা হয়েছে আল্লাহভীরুদের জন্য।" (আলে-ইমরান, ৩:১৩৩)
==================
এখান থেকেই পরিষ্কার যে এই গ্রুপ শুধু নিজেরাই বর্ষবরণ অনুষ্ঠান থেকে বিরত থেকে গুনাহর হাত থেকে রক্ষা পেতে আগ্রহী নয়- এরা অন্যদেরও এই বিধর্মী-কাজকারবার থেকে বিরত রেখে অশেষ সোয়াব অর্জন করতে চায়, এইসব অনুষ্ঠান নিষিদ্ধ করতে পারাটা তাদের কাছে মিশন স্বরূপ।
এই জনবিচ্ছিন্ন ধর্মান্ধদের পক্ষে কিভাবে এই বিশেষ মিশন সফল করা সম্ভব- বলতে পারেন????
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন:
পোস্টের জন্য ধন্যবাদ। এরা মনে হয় এখনো ঠিক মানুষ হয় নি। মেয়ে নিয়ে এদের এত মাথাব্যথা কেন? মেয়েদের এত অপছন্দ করলে না মিশলেই পারে, না? কী যুক্তি - যেহেতু ছেলেরা মেয়েদের ক্ষতি করতে পারে, তাই মেয়েদের কন্ট্রোল করতে হবে... এইরকম হলে ক্রিমিনাল বাদ দিয়ে মানুষ অন্যদের জেলে রাখত।মাইনাস, তবে আপনাকে নয় - আপনার মাধ্যমে দুম্বাটাকে।
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন:
"এই জনবিচ্ছিন্ন ধর্মান্ধদের পক্ষে কিভাবে এই বিশেষ মিশন সফল করা সম্ভব- বলতে পারেন????"মানুষ পাগল। জার্মানরাও তো হিটলারকে সাপোর্ট দিছিল, চৈতন্য হইছে বহুত পরে। আমিও বহু মুসলমান বন্ধুর চৈতন্যোদয় দেখছি, এদের ফাইট করার একমাত্র উপায় শিক্ষা। শিক্ষা আর মৌলবাদ ব্যাস্তানুপাতে চলে। এদের মূল অস্ত্র অশিক্ষিতঅর্ধশিক্ষিত মানুষ। বাদুড়ের মত মৌলবাদ আলো দেখলে ভাগে।
মুহাম্মদ ফয়সল বলেছেন:
লাস্টে এইটা কি টুইস্ট দিলেন, কিছু বুঝলাম না। আপনার মতামতটাই দেয়া উচিৎ ছিল। নাকি আপনার কোন মতামত নাই।
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
নববর্ষের অনুষ্ঠানাদিকে শয়তানের কুটচাল হিসাবে প্রমান করতে গিয়ে এনামুল হক যে চারটি পয়েন্টে আলোচনা করেছেন তার মধ্যে "নারীকে জড়িয়ে বিভিন্ন অশ্লীলতা" পয়েন্টেই সবচেয়ে বিশাল আলোচনা এনেছেন। এবং এখানকার আলোচনা থেকেই বুঝা যায়- এই ধর্মান্ধদের নারীর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি কেমন, আচরণ কেমন।
দৃষ্টিভঙ্গির শুরুটাই বা ভরকেন্দ্রই হচ্ছেঃ
রাসূলুল্লাহ(সঃ) বলেন:
আমি পুরুষের জন্য নারীর চেয়ে বড় কোন ফিতনা রেখে যাচ্ছি না।
মানে- পুরুষের জন্য নারী হচ্ছে ফিতনা- ফ্যাসাদ- ঝামেলা; তাও যেমন-তেমন ফিতনা না, সবচেয়ে বড় ফিতনা!!!!!
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
মানুষ যে আসলে কবে মানুষ হয়ে উঠতে পারবে কে জানে...
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন:
মুসাফির বলছেন: হাহাহাহাহাহাহা
আপনার অজানা
কাকশা বলেছেন: হিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহিহি
হেহেহেহেহেহেহেহেহেহেহেহেহেহেহেহেহেহেহেহেহেহেহেহেহেহে
হাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহাহা'
হা: হা: হা:
কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন:
প্রিয়তে
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
+
দেশী পোলা বলেছেন:
আপনে এগুলা পান কই? মুড়ির ঠোংগা?
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
এনামুল হকগো অবস্থা একাবিংশ শতাব্দীর চীনপন্থী কমুনিষ্টগো মতন। হাঁসের মত প্যাক প্যাক করতেই আছে, কেউ পুছে না। দেশ অনেক আগাইয়া গ্যাছে, পুজিবাদের মজায় লুটতাছে আমাগো ইয়ং জেনারেশন; খোমিনীও আইবো না, হেগো স্বপ্নও পুরণ হইবো না।
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন: .... শিক্ষা আর মৌলবাদ ব্যাস্তানুপাতে চলে। এদের মূল অস্ত্র অশিক্ষিতঅর্ধশিক্ষিত মানুষ। বাদুড়ের মত মৌলবাদ আলো দেখলে ভাগে।
=====
আপনার সাথে একমত হয়েই বলছি, এই শিক্ষা কেবল একাডেমিক বা পুঁথিগত শিক্ষা নয়, বাস্তব শিক্ষাটাও দরকার।
নববর্ষের মত উৎসব, মেলা-গানবাজনার পরিবেশ যত দিবেন, সমাজে-মাঠে-ঘাটে যত উদার-উন্মুক্ত পরিবেশ যত তৈরি করবেন, ততই মৌলবাদী-ধর্মান্ধরা কোনঠাসা হতে থাকবে। গার্মেন্টসের যসব নারী কর্মীরা কাজ করে- ভোর বেলায়- বা রাতে সারবদ্ধ হয়ে কোন পুরুষের সহায়তা ছাড়াই কর্মস্থলে বা কর্মস্থল থেকে বাড়িতে যাতায়াত করে, কোনরূপ পর্দা ছাড়াই যারা চলাচল করে, তাদের কাছে গিয়ে যদি এনামুল হকরা এইসব ফতোয়া নিয়ে যায়, পর্দার কথা বলে- ফিতনার হাত থেকে পুরুষদের বাঁচানোর কথা বলে- আল্লাহর গজবের ভয় দেখায়- বেহেশতের নানান জিনিসের লোভ দেখায়...... - ঐ গার্মেন্টস কর্মীদের রেসপন্স কি হবে? তারা কি মানবে?
এখানে গার্মেন্টসের নারীরা যে শিক্ষাটা পেয়েছে- সেটাতো বাস্তব জীবন থেকেই পাওয়া- ঘরের বাইরে এসে- কাজের মধ্যে এসে- আয়-উপার্জনক্ষম হওয়ার মধ্য দিয়েই সেটি অর্জন করেছে।
একইভাবে- যে অঞ্চলে মেলা-পার্বন এসব ব্যপাক ভাবে পালিত হওয়ার চল আছে- নারীরা ঘরের বাইরে সহজেই যেতে পারে- দেখবেন সেখানে মৌলবাদীরা এমনিতেই তেমন সুবিধা করতে পারে না। আর এ কারণেই মোল্লারা এইসব উৎসব-পালা-পার্বনকে খুব ভয় পায়, এগুলোর বিরুদ্ধে তারা উঠে পড়ে লাগে....
দুরের পাখি বলেছেন:
এইটারে রিফিউট করার আসলেই কিছু নাই । ছাগলের প্রত্যেক ম্যাএ র জবাব দেওন লাগে না ।
কলুর বলদ বলেছেন:
আপনারে তো ব্লগে পাওয়াই যায়না.......নতুন লেখা চাইসম্ভবত এইটাই আপনার প্রথম পোষ্ট যেটাতে মাইনাস দিলাম !
তানভির আহমেদ বলেছেন:
এনামুল দের বলি: নারী নিয়া এতো সমস্যা. তাহলে ব্যাটা নারীর পেট থিকা বের হোইলি ক্যান ? তোর বাপ তোরে একা জ্নম দিতে পারলনা?
ভিন্ন বলেছেন:
কুম্ভকর্ণ বলেছেন : নাস্তিকের ধর্মকথা একটা রামছাগল । মুড়ির ঠোংগার কপিপেষ্টের বাইরে এর কোন ধারনাই নাই ।
মনির হাসান বলেছেন:
"এই আইসিডিবিডি নিজেদেরকে ইসলাম বিষয়ক গবেষক মনে করে, এই প্রতিষ্ঠানের নেতৃস্থানীয় হচ্ছেন মোঃ এনামুল হক। প্রবন্ধটির একটি জবাব তৈরী করবো বলে ভাবছিলাম- পরে মনে হলো- এর জবাব দেয়ার কিছু নেই- লোকে এমনিতেই এর জবাব ভালো জানে ... "আসলেই কি জানে ? ... জিহাদীরা ক্রমেই বাড়ছে .. বিবিধ নামে বিবিধ মূখোশে ...
এর জবাব'টা প্রস্তুত রাখা "আমাদের" দায়িত্ব ।
--------------
"এইসব কট্টর-ইসলামপন্থীদের মনোভাবটি সকলের সামনে তুলে ধরলাম, আশা করি- এই পোস্টে (এই প্রবন্ধে) মাইনাসের অভাব হবে না। "
স্যরি ... আপনাকে প্লাস ছাড়া কিছু দিতে পারলাম না । ভাইবেন এইটা স্বজনপ্রীতি ...
ব্লগে বহুদিন পর আসলেন দেইখা ভাল্লাগতাছে ...
হাসান মাহবুব বলেছেন:
আপনি নাস্তিকতা আস্তিকতা ছাড়া অন্য কোন বিষয় নিয়া ভাবেন্না?
স্পষ্টভাষৗ বলেছেন:
মন্তব্য না করার সিদ্ধান্ত নিলাম । কারণ উলু বনে মুক্তে ছড়িয়ে লাভ নেই । তবে ইসলামে নারী ভাবনা শিরোনামে লেখা দিব । পড়ার আমন্ত্রণ থাকলো । ১লা বৈশাখের নামে যা প্রচলন ঘটানোর চেষ্টা চলছে তা উদ্দেশ্যমূলক এবং ইসলামী মূল্যবোধ বিরোধী . এতে কারো সন্দেহ পোষণ করা উচিত নয় । নারী সম্পর্কে বামু বুদ্ধিজীবীরা কোন ধান্দায় থাকে তা তসলিমা নাসরিন তার "ক" বইতে সব ফাঁস করে দিয়েছে । এছাড়া হটবার্ডসহ কয়েকটি স্যাটেলাইটে কিছু চ্যানেলের দিকে দৃষ্টি দিলেই আমাদের সমাজের নারী অধিকারের সমর্থক পুংনেতাদের রুচি বুঝতে অসুবিধা হবে না । আর পশ্চাদপদ মোল্লারা যে সব হাদিস বাতলাচ্ছে সে গুলো আসলে হাদীসই না '। সে গুলো মুসলিম রাজাদের দরবারী মোল্লাদের বানোয়াট হাদীস । যা রাজাদের মনোরন্জনের জন্য তৈরী হয়েছিল ।
হোরাস্ বলেছেন:
এই লোক (মোঃ এনামুল হক) একটা প্রথম শ্রেণীর ছাগল ছাড়া আর কিছু না।
দি ওয়ান বলেছেন:
প্লাস। কারন মনির ভাইয়ের সুরেই বলি:
মনির হাসান বলেছেন: "এইসব কট্টর-ইসলামপন্থীদের মনোভাবটি সকলের সামনে তুলে ধরলাম, আশা করি- এই পোস্টে (এই প্রবন্ধে) মাইনাসের অভাব হবে না। "
স্যরি ... আপনাকে প্লাস ছাড়া কিছু দিতে পারলাম না । ভাইবেন এইটা স্বজনপ্রীতি ...
ব্লগে বহুদিন পর আসলেন দেইখা ভাল্লাগতাছে ...
দি ওয়ান বলেছেন:
শুভ নববর্ষ।
অন্তু বলেছেন:
সলেই এই প্রবন্ধটি উলুবনে মুক্তা ছড়ানোর মতো।
মনজুরুল হক বলেছেন:
এনামুল হককে খারিজ করার যদি কোন পথ একেবারেই না থাকত তাহলে তার প্রবন্ধ পেষ্ট করে তাকে এ্যালাই করা যেত, তাতে আহামরি ক্ষতিবৃদ্ধি ছিল না। কিন্তু হুবহু তাকে পেষ্ট করায় ভ্রমটা মেনে নিতে হচ্ছে, যা খানিকটা বিষম ঠেকছে বটে। মনে হচ্ছে সময় বাঁচাতে গিয়ে এমনটি করতে হয়েছে! সময় নিয়ে লেখাটার প্যারা বাই প্যারা খারিজমূলক আর একটা লেখা দাঁড় করানো গেলে আরো ভাল হতো।
তারপরও একটা কিম্ভূতকিমাকারদর্শন রচনার স্বাদ পাইয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।
অভিষেক খান বলেছেন:
নববর্ষে এতো মাইয়া দেখলাম, কিন্তু কারও দেইখাও আমার যৌনাঙ্গে কোনরূপ সাড়া পাইলাম না! আফসোস!!!
ফারুক৫৫ বলেছেন:
আপনাকে মনে করেছিলাম যুক্তিবাদী। এমন অযৌক্তিক পোস্ট আপনার কাছে আশা করিনি। এনামুল হকের পোস্ট মুসলমানদের জন্য। আমি তো জানি আপনি নাস্তিক , আমার ভুল ও হতে পারে। নাস্তিক হলে আপনার গাত্রদাহের কারন তো বুঝলামনা, কারন মুসলমানরা কিভাবে চলবে না চলবে , তা তাদের নিজস্ব বিষয় , তাতে তো আপনার মাথাব্যাথার কারন থাকতে পারে না। তারা চুলোয় যাক , আপনার কি?
আর যদি মনে করেন আপনি মুসলমান , তাহলে কোরান হাদীসের আলোকে এনামুল হকের বক্তব্য খন্ডন করা উচিৎ ছিল।
সস্তা হাততালির আশায় যেটা করেছেন , তা আপনার জন্য অপমানজনক।
ইস্ক্রা রহমান বলেছেন:
@ফারুক৫৫: আপনে কি বাংলাদেশে থাকেন? ইচ্ছা হইলে তোমার এনামুল ভাইরে নিয়া সৌদি যাওগা। হালার বেকুব জানি কুনকার!
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















