আমার প্রিয় পোস্ট

আওয়ামিলীগের দশ মাসঃ আমরা দিন বদলের গান শোনাই

২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:৪৩

শেয়ারঃ
0 4 0

"বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতির পিতা: ত্যাগ তিতিক্ষা ও মরণে যিনি ছিলেন তাঁহার সঙ্গিনী, কেন তিনি নন জাতির জননী?"/ বাংলাদেশ ছাত্রলীগ

এক বন্ধূ সেদিন উপরের শ্লোগানটির (দাবির?) কথা জানালো। চলতে ফিরতে এমন কত হাস্যরসের জোগান দেয় বড় বড় রাজনৈতিক দলগুলো- ফলে সবাই মিলে অনেক হাসলাম। কাউকে কোন টিপ্পনী কাটতে বা স্ল্যাং ইউজ করতে হলো না- শুধু ছাত্রলীগের এই দাবিটূই যথেস্ট প্রাণখুলে হাসার জন্য। হাসলাম।

আরো দু এক জায়গায় এ দাবির কথা জানাতে দেখি তারাও হেসে উঠে, এবারের নির্বাচনে নৌকায় সিল মারা ভদ্রলোকরে জানাতে- তিনিও কিছুটা দীর্ঘশ্বাস নিঃসৃত হাসি দিয়ে জানালেন- জানিতো - জানতাম এরা এরকমই। কিন্তু বিএনপি-জামাত? তাদের কিভাবে ভোট দেই- ওরা তো আরো খারাপ!

আরো খারাপ!
বিএনপি। আওয়ামিলীগ।
আওয়ামিলীগ, বিএনপি। কে বেশী খারাপ? অথবা, এটলিস্ট- ও তো এর চেয়ে একটু ভালো! বিএনপি, না আওয়ামিলীগ? হাসিনা, না খালেদা? কে বেশী ভালো? কে বেশী খারাপ?
ক্যালকুলেশনটা এখানেই সবার সীমাবদ্ধ। (কাউরে কাউরে আজকাল এরশাদ চাচার নাম নিতেও দেখি!!)

আওয়ামিলীগ এই ক্ষতি রেছে- ঐ সমস্যা করেছে? ওহ বুঝেছি- আপনি বিএনপি।
বিএনপি'র এই সমস্যা, ঐ সমস্যা- হ্যা হ্যা আপনি তো একটা আস্তই আওয়ামিলীগার।
ঘুরে ফিরে আওয়ামিলীগ আর বিএনপি- বিএনপি আর আওয়ামিলীগ! এরকম একটা বাস্তবতা মাথায় রেখেই এই রাজনৈতিক পোস্ট লেখার খায়েশ হল। আওয়ামিলীগের প্রথম বছরটা আর দুটা মাস পরেই শেষ হবে। এই প্রথম বছরটা কেমন কাটলো? আওয়ামিলীগের? জনগণের?

আওয়ামিলীগ বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে। মেলা মেলা ভোট পেয়েছে। বিএনপি'র মুখে চুনকালি পড়েছে এবারের নির্বাচনে। আওয়ামিলীগ এসেছিল দিন বদলের শ্লোগান নিয়ে। ক্ষমতায় এসেই আমরা কেমন দিন বদল দেখছি? বিস্তারিত কিছু বলবো না- অনেক রাত হয়েছে, আমারো ঘুম পাচ্ছে- যতখানি সংক্ষেপে আঅচনা শেষ করা যায়- সেই চেস্টাই করবো।

শুরুর চমক ছিল মন্ত্রীসভা, নতুনদের সমন্বয়ে এবং বিএনপি'র আমলের তুলনায় অনেক ছোট আকারের জন্য আসলেই একটা চমক ছিল। কিন্তু এই দশমাসে আশা করি- মন্ত্রীসভার বিভিন্ন মন্ত্রী একের পর এক চমক দেখাতে দেখাতে শুরুর চমকটা মলিন হয়ে গিয়েছে। স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজের পালিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া, তার পদত্যাগ না ছুটি এনিয়ে নাটক সবমিলিয়ে তো দারুন সব চমক দেখেছে। তবে সবচেয়ে মজার উক্তি ছিল- সাজেদা চৌধুরির- সাংবাদিকদের জানান: "ও তো বাচ্চা একটা ছেলে- কি বলেছে না বলেছে.."। হুম, আমরা জানলাম- সে বাচ্চা ছেলে- তারও ব্যাপক অভিমান হয়- অভিমান করে সবকিছু ছেড়ে ফেলে এভাবে চলে যাওয়াটা তো এক বাচ্চারই কাজ। আমরা অবশ্য প্রশ্ন করিনি যে, এমন একটা বাচ্চাকে দিয়ে মন্ত্রীসভা তৈরি করা জায়েজ কি না? যাক, তাজ বাচ্চা ছেলে- বাকিরা তো আর বাচ্চা নয়! ফলে- বাকি যারা বাচ্চা নয়- মানে বড়, তারা তাদের বড়েমি দেখাতে বেশিদিন নেননি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর ঝাঁজ আমরা কিছুদিনের মধ্যে টের পেয়েছি। ছাত্রলীগের দখলদারি, সন্ত্রাস, চাদাবাজি এগুলো নিয়ে যখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রশ্ন করা হলো- তখন তিনি প্রায় ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন: "বিগত আমলে বিএনপি জোট সরকার কি করেছে? ক্ষমতায় গিয়েই তারা আমাদের ছেলেদের কিভাবে নির্যাতন করেছে!..." ইত্যাদি। হুম, সবাই জানি- ২০০১ এ বিএনপি জামাত কি তান্ডবটাই না চালিয়েছিল। বুঝাই যায়- সাহারা খাতুনদের রাগ থাকাটা স্বাভাবিক। আইনমন্ত্রীকে একই বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি স্বভাবসুলভ ডিপ্লোমেটিক ওয়েতে জানান: "যে-ই অপরাধ করুক না কেন তার শাস্তি হবে। কিন্তু এটাও দেখতে হবে যে অভিযোগ উঠছে- তা কতখানি সত্য"।- যথার্থই একজন আইনজ্ঞ ব্যক্তি ব্যরিস্টার শফিক আহমেদ, ফলে তিনি খুবই যৌক্তিক প্রসঙ্গেরই অবতারণা করেছেন বটে। টকেটিভ বাণিজ্যমন্ত্রীর কথা বলার কিছু নেই। কথা পাগল এই মন্ত্রী যে সবদিক দিয়েই ব্যর্থ (কথা ছাড়া) সেটা তিনি নিজেও স্বীকার করেছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কার্যকলাপে তো মনে হয়- তিনি আমেরিকা ও ভারতের আমলার পিয়ন পর্যন্ত আসলেও তার সাথে মর্যাদা নিয়ে কথা বলতে পারবেন না। বলবেন কি করে- এরা তো যথাক্রমে বিশ্বের ও দক্ষিণ এশিয়ার মোড়ল দেশ। যাহোক- এই ফিরিস্তি অহেতুক না বাড়িয়ে অন্যদিকে দৃষ্টি দেয়া যাক....

সরকারে বসার পর পরেই সবচেয়ে কঠিন সময় পার করে আওয়ামিলীগ সরাকার বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায়। অনেকেই বলেন- আওয়ামিলীগ দারুন সামাল দিয়েছে। আওয়ামিলীগ আসলেই একটা কঠিন ও জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি দাড়িয়ে ছিল। নির্বাচনের এত অল্প সময়ের মধ্যে না হয়ে ঘটনাটা দুই/তিনবছর পরে ঘটলে বা নির্বাচনে এত বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে কিংবা আওয়ামিলীগের মত অভিজ্ঞ দল না হলে (মানে বিএনপি'র মত দল থাকলে)- নাকি পরিস্থিতিটাই অন্যরকম হয়ে যেত- সরকারই উচ্ছেদ হয়ে যেত! আমিও একই রকম মনে করি- আসলেই দারুন সামলেছে। সেনাকুঞ্জে সেনা অফিসারদের সাথে শেখ হাসিনার মধুর আলাপ- চারিতা শুনে না বলার কোন উপায়ই নাই- অবশ্যই শেখ হাসিনা সমস্ত বিষয়টা দারুনভাবে ট্যাকেল দিয়েছেন। তরুন অফিসারদের গালমন্দ হজম করেছেন তো কি হয়েছে- তাদের তেল দিতে হয়েছে তো কি হয়েছে- প্রধানমন্ত্রী হয়েও জ্বি হুজুর জ্বি হুজুর করতে হয়েছে তো কি হয়েছে? পরিস্থিতি সামাল দেয়াটাই বড় কথা। তাতে তিনি সম্পূর্ণ সফল। এমনকি- পুরো বিডিআরের বেয়াদব ও খুনী জওয়ানদের সেনা তত্তাবধানে ছেড়ে দিয়েছেন তো কি হয়েছে, সেনা অত্যাচারে একে একে ৪৬ জন বিডিআর খুনী মারা গেছে তো কি হয়েছে, হাজার হাজার বিডিআর নির্যাতনে পঙ্গু হলেও বা কি হয়েছে- পরিবার পরিজন থেকে বিচ্ছিন্ন যোগাযোগহীন বন্দী জীবন যাপন করলেই বা কি হয়েছে। আসল কথা হচ্ছে- পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক কি না? কোন বিদ্রোহ আছে কি না? সরকারের গদি এখন নিরাপদ কি না? তাহলেই হলো। অবশ্যই শেখ হাসিনা দারুন সামলেছেন। এটা নিয়ে কথা বলার কিছু নেই। অন্য কথায় যাওয়া যাক....

আওয়ামিলীগ স্বপ্ন দেখিয়েছিলো- তারা ক্ষমতায় গেলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবে। বিচার? কই শুরুতো হয় না! হবে। হবে। ধৈর্য ধরো বৎস্য - ধীরে ধীরে। সবুরে মেওয়া ফলে। মাঝখানে কিছু তোড়জোর অবশ্য শোনা গিয়েছিল। আইনমন্ত্রী অনেক কথা বলেছেন। জাতিসংঘের সহযোগিতাও নাকি চাওয়া হয়েছে। কেবল বিচারটা শুরু হয়নি। নিন্দুকে অবশ্য বলা শুরু করেছে: "আওয়ামিলীগ কোনদিনই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবে না- করতে পারে না। এত সুন্দর ইস্যুকে মরে যেতে দেয়ার মতো বোকা বা অনভিজ্ঞ দল আওয়ামিলীগ নয়"। নিন্দুকের কথায় কান দেয়ার কোন দরকার নেই। দৈর্য ধারণ করাই শ্রেয়- কেননা সবুরে মেওয়া ফলে। আরে, ৩৮ বছর ধৈর্য ধরতে পারলে আরো ২০-৩০ টা বছর কেন পারবো না? সবে তো একটা বছরও গেল না- আরো চারটি বছর পড়েই আছে। বিচার নিশ্চয়ই করবে আওয়ামিলীগ। এবার না হলে এর পরে যখন আওয়ামিলীগ ক্ষমতায় আসবে সেবার নিশ্চয়ই করবে- তা না হলে- তার পরের বার, বা তারও পরের বার...., যুদ্ধপারাধের বিচার আওয়ামিলীগই করবে- করবেই, সবাই বলুন ইনশাল্লাহ।

এসব বিচার-টিচার বাদ দেন, এবার দেশের কি অবস্থা সেদিকে দৃষ্টি দেই:
ছাত্রলীগের সোনার ছেলেদের এবার দারুন পারফর্মেন্স। দখলদারিত্ব, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি সবকিছুতেই চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। শেখ হাসিনা পর্যন্ত সমালোচনামুখর হয়েছিলেন। এই তো মেলা- কত উদার প্রধানমন্ত্রী! উদার না হলে কি আর কেউ নিজেদের সোনার ছেলেদের বিরুদ্ধে বলে! ছাত্রলীগ-যুবলীগ-আওয়ামিলীগ-আরো নানা লীগ আর বঙ্গবন্ধু অমুক/তমুক পরিষদ- সবাই উঠে পড়ে লেগেছে- দখলদারিত্ব- সন্ত্রাস- টেণ্ডারবাজি-চাঁদাবাজিতে। সাংসদ, সাংসদ পুত্র, মেয়র- মন্ত্রী, সবাই। ক্যাম্পাস-হল, খেলার মাঠ থেকে শুরু করে শিপ ইয়ার্ড এমনকি পাবলিক টয়লেট পর্যন্ত দখলের নাম থেকে মুক্ত নয়। মেয়র পর্যন্ত টেন্ডারবাজিতে জড়িত। গাছ কেটে সাবাড় করা হয়েছে। অবশ্য আরেকটা খবরও প্রচারিত হয়েছে- সেটা হলো এই সরকার এসে শুরুতেই দখলের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে, অবশ্য নিন্দুকেরা বলে দখল মুক্ত না করলে লীগের সোনার ছেলেরা দখল করবে কি করে? যাক, এসব আর নতুন কি? সবসময়ই হয়, বিএনপি-জামাত জোট সরকারের আমলেও ছাত্রদল-যুবদল-শিবিরেরা করেছে, তার আগেও এসব হয়েছে- তার আগেও হয়েছে। ফলে- এসব হবে- এটাই স্বাভাবিক। এসব নিয়ে বলার তেমন কিছু নেই।

তারচেয়ে চলুন দেখি- আওয়ামিলীগ কেমন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জেহাদে নেমেছে। আওয়ামিলীগের স্বপ্ন - সন্ত্রাসমুক্ত বাংলা গড়া। আর, সে স্বপ্ন পূরণে র‌্যাবের ভূমিকা অনস্বীকার্য। দুর্ধর্ষ সব সন্ত্রাসীদের নির্মূল করার জন্য র‌্যাব বাহিনী দারুন এ্যাকটিভ। র‌্যাপিড একশন ব্যাটিলিয়ন। নামেই পরিচয়। যতসব জঘন্য অপরাধের হোতা, মূর্তিমান আতংক ও বিভীষিকা, অসংখ্য মামলার আসামি- এসব সন্ত্রাসীদের নির্মূল করতে পারলেই তো দেশে শান্তির বন্যা বইবে, দেশ উন্নতির পথে দশধাপ এগুবে। এরা তো দেশের দুষ্ট ক্ষত- এগুলোকে কেটে ফেলে দেয়া দরকার। ফলে- ফেল মেরে। "ক্রসফায়ার"। "বন্দুকযুদ্ধ", "এনকাউন্টার"। এদেরকে ধরার পরে- বা গ্রেফতারের পরে এরা কিভাবে ক্রসফায়ারে নিহত হয়- এ প্রশ্নের জবাব পাচ্ছেন না? আরে বোকা, উত্তরটা তো খুবই সোজা। র‌্যাব তো একটা সন্ত্রাসী পেয়েই সন্তুষ্ট থাকতে পারে না- সে চায় সন্ত্রাসের রুটটাই উৎপাটন করতে। ফলে- যাকে ধরে তাকে নিয়ে বের হয় তার সহযোগিদের ধরতে- এমন সময়ই তো সন্ত্রাসী ব্যাটা র‌্যাবের হাত থেকে পালাতে গিয়ে ক্রসফায়ারে অথবা, পালিয়ে গিয়ে র‌্যাবের সাথে বন্দুকযুদ্ধে লিপ্ত হয়ে মারা যায়। সোজা হিসাব। আর, সবচেয়ে বড় কথা- এদের তো মরাই উচিৎ। আওয়ামি মন্ত্রী, আওয়ামি সাংসদ তো যথার্থই বলেছেন- ক্রসফায়ারের দরকার আছে- এসব সন্ত্রাসীদের প্রচলিত পদ্ধতিতে বিচার সম্ভব নয়, কেউ সাক্ষী পর্যন্ত দিতে চায় না। বোকার মত আবার প্রশ্ন করে বসেন না যে, সাক্ষী দিতে না চাওয়ার মতো ভয়ের পরিবেশ কেন বিরাজ করছে। কেননা, সকলেই জানে- এই ভয়ের পরিবেশ কাটানোর জন্যই তো ক্রসফায়ার প্রয়োজন। আর, ভুলক্রমে দুএকজন নিরীহ লোকের ক্রসফায়ারে প্রাণ দেয়ার ঘটনার জন্য র‌্যাব এবং সরকার উভয়ই আন্তরিকভাবে দুঃখিত। ভুল হয়ে গেলে আর কিই বা করার আছে!

[হায় হায়! পোস্ট তো মেলা লম্বা হয়ে যাইতেছে। দিনবদলের গল্প তো তেমন বলাই হলো না। এদিকে রাতও কম হয়নি। ঘুমাতে হবে, কাল অফিস আছে। বাকিগুলো দেখি শর্টকাট মারা যায় কি না...]

জ্বালানি নিরাপত্তা দরকার। বিদ্যুৎ ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়, ঘন ঘন লোডশেডিং এ জনজীবন বিপর্যস্ত। ফলে উৎপাদন বাড়াতে হবে। সেজন্য দরকার গ্যাস। শিল্প-কারখানার জন্য দরকার গ্যাস। সারের জন্য দরকার গ্যাস। গ্যাসের অভাবে সারকারখানা বন্ধ হয়ে আছে। চাহিদা মেটানো যাচ্ছে না। সুতরাং আওয়ামিলীগ সরকার এ বিষয়ে খুব সচেস্ট। বিগত মিলিটারি তত্তাবধায়ক সরকারের আমলেই মডেল পিএসসি ২০০৮ করা হয়েছিল- দরপত্র আহবান করা হয়েছিল। সে আলোকে সরকার অফশোর গ্যাসব্লক ৫, ১০, ১১ টাল্লো ও কনোকো ফিলিপসের হাতে তুলে দেয়ার আয়োজন সম্পূর্ণ করে ফেলেছে।
:গ্যাস সংকটের কথা বলে আবার রপ্তানীর অপশন কেন রাখা?
:সহজ জবাব, রপ্তানি তো করা তো থার্ড অপশন- প্রথমত পেট্রোবাংলাই তো গ্যাস কেনার জন্য প্রথম দাবিদার, ফলে পেট্রোবাংলাই সব গ্যাস কিনতে পারবে।
:পেট্রোবাংলাই যদি সব গ্যাস পায়ই- তবে রপ্তানির অপশন কেন রাখা?
:রপ্তানির কথা না থাকলে বিদেশি কোম্পানি এখানে গ্যাস তুলতে আসতো না।
:তেমনই যদি হয়- তবে কি বলা যায় না এরা রপ্তানির জন্যই আসছে। সুতরাং গ্যাস রপ্তানি হবেই। বাংলাদেশের চাহিদার বেশি গ্যাস তুললেই সেক্ষেত্রে গ্যাস রপ্তানি করতে পারবে না কি?
নিন্দুকেরা নানা বিভ্রান্তি ছড়ায়। এরা নানা কথা বলে। এরা গ্যাস উত্তোলন চায় না বলেই এরা বাধা দিচ্ছে- এসব প্রশ্ন করছে, এরা আসলে দেশের উন্নয়ন চায় না। সুতরাং- এদের সবকথার জবাব দেয়ার দরকার নেই, গুরুত্ব দেয়ার দরকার নেই- সরাকারের কাজ সরকার করবেই। সেকারণেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দ্ব্যর্থহীন কন্ঠে জানিয়ে দিয়েছেন: যেকোন মূল্যেই গ্যাস তুলবোই। শেখ হাসিনা আসলেই একটা জিনিস। বাপ কা বেটি!

আরো কত কি আছে! ভারত হলো বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বন্ধু। মুক্তিযুদ্ধে এমন সহযোগিতাটা করলো। ভারতের মতো বন্ধু রাষ্ট্র না থাকলে- মুক্তিযুদ্ধের সময়ে আওয়ামিলীগের এত এত গুরুত্বপূর্ণ নেতারা কোথায় গিয়ে কাটাতো? কি করতো? ফলে- আমাদের এর প্রতি কৃতজ্ঞতাবোধ না থাকলে কি হয়? খালি খালি লোকে টিপাইমুখ ড্যাম নিয়ে চিল্লাফাল্লা করছে! আরে, ভারতের এই হাইড্রো প্রজেক্টের মাধ্যমে কত কত বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে- সেখান থেকে বন্ধু ভারত বাংলাদেশকেও কিছু দিতে পারে- আর, বাংলাদেশের কিছু লোকজন গাড়লের মত এসবের বিরোধিতা করছে! বাংলাদেশের নানা ক্ষতির ফিরিস্তি আনছে- আরে কি ক্ষতি হবে? ফারাক্কা আর এটা কি এক হলো? সবচেয়ে বড় কথা- ভারত কি এমন কাজ করতে পারে- যাতে বাংলাদেশের কোন ক্ষতি হয়! ভারতের সাবেক প্রেসিডেন্ট নিজে এসে এ কথা বলে গেছেন। আর, শেষ পর্যন্ত যদি ক্ষতি হয়েই যায়- তখন তো আওয়ামিলীগ সরকার আছেই। আলোচনার মাধ্যমে সমস্ত মুশকিল আশান করে দিবে। ফারাক্কার পানি চুক্তি করতে পারলে- নিশ্চয়ই টিপাইমুখ নিয়েও ভবিষ্যতে এমন দশটা চুক্তি করতে পারবে ইনশাল্লাহ। কেবল তার জন্য দরকার- ভারত বিদ্বেষী বিএনপির বদলে আওয়ামিলীগকে বেশী বেশী করে ভোট দেয়া।

কি যন্ত্রণা, কথা তো ফুরাচ্ছে না!
এশিয়ান হাইওয়ে আছে, টিফা চুক্তি আছে, বিপা আছে, নিউক্লিয়ার পাওয়ার আছে কোনটা রেখে কোনটা বলবো? এগুলো সবই তো দিনবদলের গান। আরো আছে- শিক্ষা নীতি, স্বাস্থ্য নীতি। কত কি......
দিনবদল না হয়েই যায় কোথায়। আজ আর পারছি না- পরে সময় হলে এগুলো নিয়েও দুচার কলম লিখবো- দরকারে পোস্টের কমেন্টে লেখা যাবে। আজ এ পর্যন্তই থাক। শেষ করার আগে- যারা এত কথা পড়তে পড়তে বোর হয়েছেন- তাদের জন্য আরেকটি কমেডি শুনিয়ে শেষ করছি।

ঘোষক আর জনক নিয়ে কত যে চায়ের টেবিল গরম হয়েছে তার ইয়ত্তা নেই। এটা আওয়ামিলীগের ভালোই জানা। তো এবার ক্ষমতায় এসেই ভাবলো, জনকের পাল্টা ওরা ঘোষক বলবে- এটা তো হতে দেয়া যায় না! সুতরাং- আদালতের রায়: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবই স্বাধীনতার ঘোষক। জাতির জনকের, মুক্তিযুদ্ধের প্রধান নেতার স্বাধীনতার ঘোষক হওয়ার কি দরকার সেটা বোধগম্য না হওয়ায় একটু একটু হাসি পাচ্ছিলো। কিন্তু এক বন্ধু তার এক ভাগনের গল্প শোনাতে সবকিছুর অন্তর্নিহিত তাৎপর্য ধরতে পেরে প্রাণ খুলে হেসেছিলাম।
ভাগ্নেটি তখন কথা শিখছে, দুই/তিন শব্দে বাক্যও তৈরি করতে পারে। বন্ধুর বোনটি মানে ভাগ্নের মা- বাচ্চাটিকে আদর করে করে- অনেক কিছু বাচ্চাটিকে বলতো, বাচ্চাটিও তাতে রেসপন্স করতো: যেমন মা বলতো তুমি রাজকুমার, বাচ্চা: আমি রাজকুমার? মা: হ্যা। মা: তুমি আমার মানিক সোনা, বাচ্চা: আমি মানিক সোনা? মা: হ্যা। মা: তুমি ...ইত্যাদি। তো, বন্ধুটি একদিন বাচ্চার সামনেই কাজের ছেলেটিকে বকা দিয়েছিল: তুই একটা ফাজিল। সাথে সাথে বাচ্চার প্রশ্ন: আমি ফাজিল? মামা: না মামা, তুমি না- এ হচ্ছে ফাজিল। কিন্তু ভাগ্নেটি কোনমতেই রাজী হয় না- তার একটা দাবি: না, আমি ফাজিল। যতই মামা বলে তুমি না- ততই ভাগ্নের জেদ বাড়ে। শেষে জোরে জোরে কান্না শুনে আদালত অর্থাৎ মাকে রায় দিতেই হয়: হ্যা বাবা- তুমি ফাজিল।

সবাইকে ধন্যবাদ।

 

সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:১৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:৫৫
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: দারুন লিখেছেন --

+ দিলেই তো আবার আওয়ামী লীগ বি এন পি ট্যাগ দেয়া শুরু হয়ে যাবে ।

এসবের আসলেই কোন সলুশ্যন নাই -- লিখেছেন -- পড়ে দেশ নষ্ট হচ্ছে ভাবছি --

পরে যেই কি সেই --

ধুর!
৩. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:৫৭
নিহন বলেছেন: তারা সবাই ভালো ।খারাপ আমি ......।
৪. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:৫৮
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
বানান-বুনান কাল ঠিক করা যাবে, আইজকা ঘুমাইতে গেলাম....
৫. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:০৩
চয়ন কান্তি বলেছেন: এ আর নতুন কি, আরও জব্বর কৌতুক শুনছি। কিছু কিছু তেলবাজ বলে জার্মানের এয়ারলাইনের নাম যেহেতু লফতানসা তাই বঙ্গআম্মার নাম দিয়ে বাংলাদেশ বিমানের নাম ফজিলাতুন্নেসা করতে সমস্যা কোথায়? =p~ =p~ =p~

যেসব চাচা মিঞারা ভোট দিসে ওদের পশ্চাতদেশ দিয়ে লাল সুতা বের করানোই এই সরকারের উদ্দেশ্য =p~
৬. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:১২
তাসনীম বলেছেন: বাহ বেশ লিখেছেন তো!
গ্যাস অবশ্য মাটির নীচে রাখার কোন কারণ আমি দেখিনা। তুলতে তো হবেই.........।

ভালো থাকবেন।

২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:২১

লেখক বলেছেন: গ্যাস অবশ্য মাটির নীচে রাখার কোন কারণ আমি দেখিনা

===>>

এইরকম কথা শুনলেই আমার সোনার ডিম পাড়া হাঁসটির গল্পের কথা মনে পড়ে যায়- যেখানে সোনার ডিমের লোভে শেষ পর্যন্ত হাঁসটির মালিক হাসটিকে মেরে ফেলে....- পরিনামে পায় ঘোড়ার ডিম!

গ্যাস মাটির নীচেই তো থাকে- তো সেখানে থাকলে কি সমস্যা? এখন না তুললে কি সেটা পরে আর তুলা যাবে না? কখনোই তুলা যাবে না এমন?

নব্বইয়ের আগেও আমরা কতটুকু গ্যাস তুলেছি? তখনো সেটা মাটির নীচেই ছিল- সমস্যা তো হয়নি, সমস্যা হয়নি বলেই না- আজ আমরা সেই গ্যাস তুলতে পারছি! ৭০ এর দশকে, আশির দশকে যখন আমাদের গ্যাসের উপর নির্ভরশীলতা মোটেও ছিল না- সে সময়ে এসে তড়িঘড়ি করে গ্যাস তোলা আরম্ভ করলে সেটা কি আমরা কনজিউম করতে পারতাম? আজ যেমন মায়ানমারের তেল-গ্যাস মায়ানমার ভোগ করতে পারে না- সেরকম অবকাঠামোই নেই, ফলে সব একচেটিয়া খায় চীন, কিছু থাইল্যাণ্ড- সেরকমটা বাংলাদেশের বেলায় হলে কেমন হতো?

গ্যাস মাটির নীচে রেখেও অনেক লাভ আছে বৈকি। আপনি কেবল আজকের কথা ভাবলে তো হবে না- ভবিষ্যতের কথাও আপনাকে ভাবতে হবে। মাটির নীচের গ্যাস উপরে তোলার উদ্দেশ্য তো তাকে ব্যবহার করা, এই গ্যাসের চাহিদা এখানে আছে- বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তার সাথে কেবল গ্যাসের খুব ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। এবং এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত গ্যাস খুব সীমিত। কতবছর চলতে পারবে বাংলাদেশ? এখন যে হারে উত্তোলিত হচ্ছে- সে হারে চললে এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত গ্যাসে কি ১০ বছরও চলতে পারবে? ১০ বছর পরে কি করবো? আমরা ৫০ বছরের কথা বলছি- সেই ৫০ বছর পরেই বা কি হবে? অফশোরের গ্যাস আমাদের দরকার, আমাদের গ্যাস সংকট খুব, এটা আরো বাড়বে- গ্যাস ছাড়া আমাদের উন্নয়ন থমকে দাঁড়াবে- সবই ঠিক আছে, কিন্তু এই যে সম্পদ- যেটার জন্য আমাদের এত নির্ভরশীলতা- সেটার মালিকানা কি আমরা আগে নিশ্চিত করবো না? সেটা আমরাই যাতে ব্যবহার করতে পারি- আমাদের দেশেই যাতে রাখতে পারি- সেটা নিশ্চিত করতে হবে না? এসব নিশ্চিত করতে না পারলে- আমার মনে হয়- মাটির নীচের গ্যাস নীচেই থাকাই ভালো। যতদিন- আমরা সেটা নিশ্চিত করতে না পারছি- ততদিন নীচেই থাক না!


আজকে যারা এসব কথা বলে বেড়াচ্ছে- সেই সাম্রাজ্যবাদী মোড়লদের কি অবস্থা? ভারত তেল আমদানি করে- দুনিয়ার অন্যতম বড় লিকুইড গ্যাস আমদানিকারক দেশ; অথচ- নিজ দেশের বিশাল অংশের গ্যাস-কয়লা-তেল এসমস্ত সম্পদ তারা মাটির নীচেই রেখে পচাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র গোটা দুনিয়ার তেল গ্যাসে হাত দিয়েছে, দিচ্ছে- সে এটা আমদানি করে অন্যদের মজুদ নিশেষ করছে; অথচ নিজের সম্পদগুলো মাটির নীচে রেখে পচাচ্ছে!!! কেমন বেকুব এরা, তাই না?

৭. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:২৬
আরেফিন জিটি বলেছেন: স্টিকি করা উচিৎ (যদিও জানি তা সম্ভব নয়)। ১০০টা+ দেয়াও সম্ভব নয়, ভারী সমস্যা।
৮. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:৪০
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: দাঁত কামড়াইয়া চাইর বছর অপেক্ষা করেন. এরপর জাতিয়তাবাদীরা ক্ষমতায় (ইনশাল্লাহ ;) আইলে এই পোষ্টটারে একটু এদিক ওদিক কইরা মাইরা দেওয়া যাইবো।
৯. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:৪৭
_তানজীর_ বলেছেন: তুমি তো মামা আসলেই ফাজিল! কি লিখলা! :)
১০. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:৫৫
বিডি আইডল বলেছেন: আপনার জন্য একটা কার্টুন আছে আওয়ামী জবাবেঃ

১১. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:৫৫
লুৎফুল কাদের বলেছেন: চয়ন কান্তি বলেছেন: এ আর নতুন কি, আরও জব্বর কৌতুক শুনছি। কিছু কিছু তেলবাজ বলে জার্মানের এয়ারলাইনের নাম যেহেতু লফতানসা তাই বঙ্গআম্মার নাম দিয়ে বাংলাদেশ বিমানের নাম ফজিলাতুন্নেসা করতে সমস্যা কোথায়?

যেসব চাচা মিঞারা ভোট দিসে ওদের পশ্চাতদেশ দিয়ে লাল সুতা বের করানোই এই সরকারের উদ্দেশ্য
১২. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:৩৬
শয়তান বলেছেন: শেখ হাসিনা আসলেই একটা জিনিস। বাপ কা বেটি!
১৩. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:৫৮
মনজুরুল হক বলেছেন:

আমারো ঘুম আইতাছে। কাইল আবার পইড়া কিছু কওয়ার চেষ্টা করুমনে...আসলে কি কিছু কওনের আছে? উহু নাই, অতএব ভুটাভুটি জিন্দাবাদ ভুটাভুটি দীর্ঘজীবী হৌক....
১৪. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:০১
ইমতিয়াজ ১৩ বলেছেন: কি হবে এসব আলোচনা করে।
১৫. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:৩৪
নীলতারা বলেছেন: এই ধরণের লেখা আমি সাধারণত পড়িনা। আজ পড়লাম। একটু একটু করে মনোযোগ দিয়ে পড়লাম। অনেক ভালো লাগলো পড়তে। কিন্তু পড়ার পরে মেজাজটা ভীষণ বিগড়ে গেছে...
এই লেখাটা কেন পড়লাম? বুকের ভিতরের জমে থাকা ব্যাথা যেন মাথাচাড়া দিয়ে উঠলো...
১৬. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:৫২
নাহিদ মাহমুদ বলেছেন: আমি সরকারী দলের সাংসদ। আমি কি আমার প্ল্যানটা আপনাকে বলতে পারি?

ধন্যবাদ। দরে নিলাম আপনি আমাকে পারমিশন দিয়েছেন। আসলে আমরা তো আপনাদের সেবক মাত্র। তাই আপনার এই কষ্টময় পোস্টটির উত্তর আমি না দিয়ে পারছি না।

আসলে খুব টেনশনে দিন পার করছি। "একটি মহল" এর চক্রান্তে আজ জনজীবন বিপর্যস্ত। যদিও চিনি মাঝে ৬০টাকা কেজি হয়েছিল।

কিন্তু আমরা কিন্তু দ্রব্যমূল্য বর্তমানে নিয়ন্ত্রনে নিয়ে এসছি। বলেন ঠিক কিনা? আমরা কি আপনাদের ৪০টাকা কেজি চিনি খাওয়াতে পারছি না? কি বললেন? আগে চিনির দাম কম ছিল?
ওহ!!! ওটা একটা বিশেষ মহলের কারসাজি ছিল।


৬০জন সেনা অফিসার মারা গেছে? হ্যা! হ্যা! ওটাও একটা বিশেষ মহলের কারসাজি।


মায়ানমার? সৈন্য জমায়েত করছে? হাঃ হাঃ হাঃ। কি যে বলেন!!! একটা বিশেষ মহল কারসাজি করে এই কথা ছড়াচ্ছে। মায়ানমার আমাদের সমুদ্রে নামতেই পারেনা। আমরা ওদের দোস্ত হই।

না!! না!! ওটা সাবোটেজ। বিশেষ মহল দেশকে অস্থিতিশীল করতে পাঠ্যপুস্তক গুদামে আগুন ধরিয়েছে।

মারামারি? কোথায়? চট্টগ্রাম মেডিকেলে? সলিমুল্লাঞ তেও? ৮জন আহত? কে বলেছে?
আপনারা সাংবাদিকরা তো সব কিছুই বেশী বুঝেন। সেইদিন যে কাচপুর ব্রীজে নিয়ে গেলেন মাননীয় মন্ত্রী মহাশয়। কই যানজট বলে কিছুই তো দেখলাম না।

সিলেট মেডিকেলেও মারামারি? হুমমমমমমমমমমমমমম। একটা বিশেষ মহল এর কারসাজিতে এইসব হচ্ছে।

ধর্ষন? অসম্ভব। বাংলাদেশের মানুষ স্মরনকালের ইতিহাসে সব চাইতে সুখে আছে। নো ধর্ষন। নো জোর পূর্বক ভিডিওধারন ইজ হ্যাপেনিং ইন সোনার বাংলা এট প্রেজেন্ট।

টেন্ডারবাজী? মিথ্যা................................ সব মিথ্যা। এটা একটা বিশেষ মহলের কারসাজি।

হুমমমমমমমমমমমম। এইটা তো জাতির পিতার পরিবারের প্রাপ্য। উনাদের যেন একটা মশাও কামরাতে না পারে তার ব্যবস্থা এই দেশের জনগন করেছে। (হাততালি)
সুতপা? কে? কি হয়েছে তার? নো সরি। আমি জানিনা। আপনার সবাই যে আমাকে এত প্রশ্ন করছেন, তা থেকে কি প্রমানিত হয়? আপনারা সুখে আছেন। দিস ইজ দা স্পিরিট।

জনাব শেখ ওয়াজেদ জয় এর নামে এই বাংলার বুকে খুৎবা পড়িয়েই ছাড়বো আমরা। এই বাংলার জনগন যে ম্যান্ডেট দিয়েছে তা আমরা পূরন করবই। জননেত্রী শেখ হাসিনা ৮০কোটি টাকা ব্যায়ে নতুন করে সুসজ্জিত গনভবনে উঠে আমাদের ধন্য করবেন ২/১ দিনের মধ্যেই। শেখ রহিমুদ্দিন এস.এস.এফ. সুবিধা পাবেন। কারন? উনি শেখ তাপস এর মামার দাদার চাচার ভাতিজার আপন খালুর নানা হন। বাংলার জনগনকে সাথে নিয়ে আমরা সংসদে যে ম্রান্ডেট নিয়ে গেছি তা বাস্তবায়িত করে ছাড়বই ইনশাআল্লাহ।

যুদ্ধপরাধী? প্রতি পরিবারে একজন চাকরী? ১০টাকা কেজি চাল?

হুমমমমম। হবে হবে। বাংলার জনগনকে সাথে নিয়ে আমরা পরবর্তী নির্বাচনে জিতে এসে আপনাদের ৫টাকা সের চাল খাওয়াবো। প্রতি পরিবারের সবাই চাকরি করবে আর বেতন পাবে। যুদ্ধপরাধীদের অ।ামরা নেক্সড নির্বাচনে জেতার পরের দিন ই কি যে করব!!!!!!!!!!!!!!!!!!

প্রিয় জনগন। আপনাদের সাথে নিয়েই আমরা সকল ষড়যন্ত্র রুখে এই বাংলার মাটিতে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নকে প্রতিষ্ঠিত করে সোনার বাংলা গড়ার কাজ করে যাব আনটিল মাই ডেথ। আমি মৃত্যুকে ভয় পাই না। মৃত্যু াামার কাছে দুধভাত। আমিন।
১৭. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:৩২
নাজিম উদদীন বলেছেন: এরকমই তো হওয়ার কথা, আপনি কি অন্যকিছু আশা করেছিলেন।
১৮. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:০১
ইসানুর বলেছেন: আপনি ধার্মিক মানুষ, ধর্ম নিয়াই থাকেন। রাজনীতিতে ঢুকলেন ক্যান? ;)

"বাপ কা বেটি!" বইলা কি বুঝাইলেন? @শয়তান
১৯. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:০৬
রোবোট বলেছেন: পোস্টে প্লাস। আপনার লেখায় বরাবরই যুক্তি থাকে।

বেগম মুজিবকে নিয়ে চামচাদের বাড়াবাড়ি দেখলে গা জ্বলে যায়। আসলে এবার আওয়ামী লীগের মন্ত্রীসভা দেখেই বুঝছি জাতির কপালে দুঃখ আছে। ওবামা এসে তার প্রতিদ্বন্দীদের বানালো সবচেয়ে কাছের লোক, আর হাসিনা দিলো তাদের লাথি। আমেরিকা কেন আমেরিকা, তার কারণ আছে।

২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:২৭

লেখক বলেছেন:
সংস্কারপন্থী খ্যাত দালালদের লাথি মারাটা খুব কাম্যই ছিল। বেইমানদের উপর আবার ভর করতে হলে- সেটা হতো আরো খারাপ, আওয়ামিলীগ পুরান দল- অভিজ্ঞও বটে, ফলে- সে দলের সংহতি কিভাবে রাখতে হয়- সেটা জানে। এটলিস্ট আওয়ামিলীগরে বিএনপির মতো ছ্যাবড়া অবস্থা করা কঠিন।

আমেরিকা কেন আমেরিকা সেটার অবশ্যই কারণ আছে। তবে সেটা ওবামার ঐ ঘটনার চাকচিক্য দিয়ে বুঝবেন না। মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে এসেই বুঝাটা সহজ। হিলারী আপা ইজরাইলের বড় সমর্থক ও সহমর্মী; চেক এণ্ড ব্যালেন্সটাও খুব জরুরি ছিল। যাউকগা এখানে এগুলান নিয়া বেশি কিছু বলার স্কোপ নাই।
আপনারে ধন্যবাদ।

২০. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:২২
রোবোট বলেছেন: শুধু হিলারী না, বাইডেনেরটা কি বলবেন।
সংস্কারপন্থীদের দালাল বললেন, খারাপ কিছু বলে ছিলেন কি তারা। এক মতিয়া ছাড়া ৯৬-০১এর সব সফল মন্ত্রীকে বাদ দেয়া হ্য়। যেমন খালেদা ৯১এর ২ সফল মন্ত্রী ওলি আহমেদ-মান্নান ভুইয়াকে হটিয়েছেন।
২১. ২৫ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:১১
অপরিচিত_আবির বলেছেন: দারুণ লিখেছেন আসলেই শেষমেশ বছর শেষে অনেক বদলই দেখা গেল। তারপর আবার একটা ২৫ঘন্টার দিন দেখা বাকি আছে এখন। গতকাল সলিমুল্লাহতে ওদের দুই পক্ষ মারামারি করেছে বলে দুইটা জুনিয়র ভয়ে আমার হলে আইসা আশ্রয় নিসে ... সব মিলিয়ে ভালোই চলতেসে ...
২২. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:২১
মাহফুজ ইসলাম বলেছেন: আর কার জন্য লেখা এত?
যারা বোঝে তাদের বোঝাতে হয় না।
আর যারা বোঝে না তারা বলে, কিছুই করার নেই।
২৩. ১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪৩
অন্ধ আগন্তুক বলেছেন: "বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতির পিতা: ত্যাগ তিতিক্ষা ও মরণে যিনি ছিলেন তাঁহার সঙ্গিনী, কেন তিনি নন জাতির জননী?"/ বাংলাদেশ ছাত্রলী্‌গ......হা হা প গে =p~ =p~ =p~ =p~

আর ১৫ আগস্ট এর পোস্টারে ছাত্রলী্‌গ দেখলাম- শোকার্ত নয়, ঘাতকের বিনাশে উদ্ধত এখন তারা......সেইটাও কি চমৎকার দেখা যাইতেছে!!!!!

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৯২১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
মানুষেরে ঘৃণা করি'/
ও কারা কোরান, বেদ, বাইবেল চুম্বিছে মরি' মরি'/
ও মুখ হইতে কেতাব-গ্রন্থ নাও জোর ক'রে কেড়ে,/
যাহারা আনিল গ্রন্থ-কেতাব সেই...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই