আমার প্রিয় পোস্ট

নাস্তিক হয়েও যেসব কারণে মুহম্মদ সা: কে খুব শ্রদ্ধা করি ......(১ম পর্ব)

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৮

শেয়ারঃ
0 23 0

সূত্রপাত:(এটা আসলে ফেসবুকে কিছু নাস্তিক বন্ধুদের সাথে ডিবেট করতে গিয়ে যে আলোচনাগুলো করেছি- তারই সামারি পোস্ট। মুহম্মদ সা: কে নিয়ে নাস্তিক বন্ধুদের নানা ধরণের মন্তব্যের মাঝে এক পর্যায়ে বলে ফেলি: "আমি মুহম্মদ সা: কে শ্রদ্ধা করি, শুধু শ্রদ্ধা না- অসম্ভব রকম শ্রদ্ধা করি। এরকম একজন জিনিয়াস আমি দুনিয়ার ইতিহাসে খুব একটা খঁজে পাই না। আইনস্টাইন, কার্ল মার্কস, মুহম্মদ সা: , সাহিত্যে শেক্সপিয়ার-রবীন্দ্রনাথ ... এরকম আরো কয়েকটি নাম আসবে এগুলো একেকটা সেরকম মাথা ছিল বটে। আবার ইতিহাসে সবচেয়ে প্রভাবশালী (influential) চরিত্র বাছাই করতে বললে মুহম্মদ সা: , গ্যালিলিও, কার্ল মার্কস, ডারউইন, এরিস্টোটল প্রভৃতি নামগুলো অনায়াসেই বলি। মোদ্দা কথা আমি মুহম্মদ সা: এর একজন ফ্যান- এবং নাস্তিক হিসাবেই ফ্যান- বস্তুত নাস্তিক বলেই এমন ভক্ত হতে পেরেছি- আল্লাহর অবদান বলে কিছু থাকতে পারে না জানি বলেই বুঝতে পারি- মানুষ হিসাবে কি অসাধারণ ছিলেন তিনি- কি বিশাল মাথা ছিল তাঁর"। যথারীতি আলোচনা জমে উঠে। মুহম্মদ সা: কে পার্ভার্ট, নারীলোভী, মিথ্যাবাদী-ভণ্ড-প্রতারক, ক্ষমতালোভী, নৃশংস খুনী হিসাবে দেখিয়ে যেসব যুক্তি এসেছিলো- সেগুলো খণ্ডন করতে গিয়ে অনেক কথা বলেছিলাম। সেগুলোকেই সাজিয়ে গুছিয়ে এই পোস্ট তৈরী করছি।)

প্রারম্ভিকা:
ইতিহাসকে দেখার ও বুঝার একটা নির্দিষ্ট পদ্ধতি আছে। সেটা হলো- আপনি কখনোই আজকের নৈতিকতা দিয়ে, আরেকটা সময়/যুগ বা অঞ্চল বা আরেকটা সংস্কৃতিকে বিচার করতে পারবেন না- বা এক যুগের নৈতিকতা দিয়ে আরেকটা যুগকে বিচার করতে গেলে সবসময়ই ভুল সিদ্ধান্তই আপনার আসবে।

আমি যখন মুহম্মদ সা: কে দেখি- ঐ আরব বেদুইনদের যুগের তুলনায় দেখি ইতিহাসের এক অতুলনীয় ব্যক্তিত্বকে। এমনকি তিনি ঐ সময়ে যে সমস্ত নীতি-নৈতিকতা হাজির করেছেন- তা ঐ সময়ের তুলনায় তো বটেই তারো পরের বিশাল সময় ধরেও এমন কেউ কল্পনাও করতে পারেনি। এটাকে আমি কোনভাবেই অস্বীকার করতে পারিনা। আমি যতই কোরআন পড়ি- যতই হাদীস সমূহ পড়ি- যতই তাঁর জীবনী পড়ি- অবাক হয়ে যাই। যে সুরাগুলো- যে আয়াতগুলো নিয়ে আমি আজকের মোল্লাদের তুলাধুনা করি- এমনকি সেগুলোও আমার কাছে ঐ সময়ের রেসপেক্টে চরম বৈপ্লবিক মনে হয়। সত্যি তাই।

কোন সন্দেহ নেই যে, কোরআন আসলে আগের বিভিন্ন ধর্মবিশ্বাস- লোকাচারগুলোরই মডিফায়েড রূপ। এখানে ইহুদীদের- খৃস্টানদের- পাগানদের- পারসিকদের নানাবিশ্বাসকে একিউমুলেট করা হয়েছে- কিন্তু সেগুলোকে এত চমৎকারভাবে একটা নির্দিষ্ট দার্শনিক লক্ষে এত সুচারুরূপে একিউমুলেট করা অবশ্যই একটা বিশাল কাজ। একটা জীবনে/ একটা যুগেই ইতিহাসকে এমন পাল্টে দেয়া- এরকম সামর্থ্য ইতিহাসে খুব কম মানুষেরই ছিল। যীশুর ভূমিকাও অনস্বীকার্য। কিন্তু, যীশুকে যদি ঐতিহাসিক ক্যারেক্টর ধরেও নেই- তারপরেও বলতে হবে- যীশুর যীশু হয়ে ওঠায় তার ভূমিকার চেয়ে পরবর্তী যুগের চার্চগুলোর বিশাল ভূমিকা। কিন্তু মুহম্মদ সা: এখানে ইউনিক। এমন কনফিডেন্ট মানুষ- তিনি জানতেন তাঁর কি উদ্দেশ্য- তিনি কোথায় পৌঁছতে চান- এবং কিভাবে সেখানে পৌছতে হবে। বিশাল মাথা ছাড়া এটা কোনভাবেই সম্ভব নয়।

শুধু এটাই দেখেন না- কোরআন আর হাদীস মিলে- জীবনের প্রতিটা বিষয় নিয়েই সে কথা বলে গিয়েছে। এবং যেগুলো বলেছে- যেসব মাসালা দিয়েছে- সেগুলোও যেনতেন না- হেলাখেলার নয়। এমন অনেক বিষয়ই আছে যে, সেগুলো আজকেও খুব প্রাসঙ্গিক। তাঁর শুধু ঐ সময়কে নিয়ে চিন্তা ছিল না- তিনি ভবিষ্যতকেও শাসন করতে চেয়েছে- এবং ভবিষ্যতকে অসাধারণভাবে দেখতেও পারতেন। কোরআন তারপরে হাদীস- তারপরে ইজমা- তারপরে কিয়াস এমন ধারাবাহিকতাই জানিয়ে দেয় ঐ মানুষটার দূরদর্শিতা। অন্তত তিনি অনড় একটা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চাননি বলেই আমার ধারণা।

নারীর অবমাননার কথা আমি অহরহই যেকোন মোল্লার সাথে ডিবেটে বলি- কিন্তু সাথে এটাও মনে করি- নারীকে এমন মর্যাদা দেয়া মানুষ জগতের ইতিহাসে হাতেগোনা, সেটা অবশ্যই ঐ সময়ে তাঁর সংগ্রাম- তাঁর কর্মকান্ড এবং তাঁর সফলতা এসবের ভিত্তিতেই বলছি। সম্পত্তিতে নারীর অর্ধেক অধিকারের বিরুদ্ধে এখন কথা বলি ঠিকই- কিন্তু জানি এই সেদিনো ইউরোপে পর্যন্ত নারীকে কোন সম্পত্তিতে অধিকার দেয়া হতো না। আজ মোল্লাদের চোখে দেখিয়ে দেই- ইসলামে এক পুরুষ সাক্ষী সমান দুই নারী সাক্ষী- কিন্তু এটাও জানি- এনলাইটমেন্টের যুগের পরেও (সেখানে নারী স্বাধীনতার কথা উঠলেও)- এই সেদিনও নারী কোন সাক্ষ্য দিতে পারতো না। নারীর ভোটাধিকার গত শতাব্দীতে এসে চালু হয়েছে। এই লোকের বালিকা বিবাহের বিরুদ্ধে কথা বললেও- ঐ লোকতো আয়েশার সাথে বিয়ে করার পরে সাথে সাথে বাসর করেননি- অপেক্ষা করেছেন আয়েশা আরেকটু পরিণত হওয়ার জন্য। ঐ আমলে একটা মানুষ যদি এই অপেক্ষা না-ও করতো- আমি কোন আপত্তি দেখি না, কেননা আমি আমার যুগের আমার সমাজের নৈতিকতা আরেকটা আমলে চাপায় দিতে পারি না।

দার্শনিক দিক দিয়েও এই লোকটাকে হেলা করতে পারি না। বুঝতে হবে- তাঁর রুট পৌত্তলিকতা, তিনি ইহুদী বা খৃস্টান অরিজিনের নয়। ফলে- শুরুর ফাইট তাকে পলিথিজমের বিরুদ্ধে এবং তিনি একেশ্বরবাদকেও যখন বেছে নিয়েছেন- তখন সেটা উদ্দেশ্য ছাড়া নয়। তিনি ধারা-উপধারায় বিভক্ত আরব বেদুইনদের- কোরাইশ পৌত্তলিকদের ঐক্যবদ্ধ করতে চেয়েছেন। এবং এটাকে স্ট্যাবলিশ করার জন্য তিনি সবকিছুর শরনাপন্ন হয়েছেন!!! এবং বিভিন্ন কাহিনীগুলোকে- মিথগুলোকে- লোকাচারগুলোকে বিনির্মাণ করেছেন নিজের দার্শনিক মতাদর্শকে সাজাতে।

সবশেষে বলি- একাট দাসমূলক ব্যবস্থাকে পুরো উৎখাত করতে যীশু আর মুহম্মদ সা: এর ভূমিকা কোনমতেই অস্বীকার করা যাবে না। "মানুষের প্রভু কেবল ঈশ্বর"- "ঈশ্বরের তৈরি সব মানুষ সমান"- এই দৃষ্টিভঙ্গী আনা ছাড়া দাসপ্রথা উচ্ছেদ হতো কি না সন্দেহ। আমি যতই মোল্লাদের সাথে তর্কে যুক্তি করি না কেন যে, দাসদের সমান দেখার কথা বলেছেন- কই সরাসরি দাস প্রথা উচ্ছেদের কথা তিনি বলতে পারেন নি, -- কিন্তু এটাও জানি একটা সম্পূর্ণ দাসমূলক সমাজে জন্ম নিয়ে ও বেড়ে উঠে- "তুমি যা খাইবে দাসদের তা-ই খাইতে দিবে"- "তুমি যা পরবে দাসদের তাহাই পরতে দিবে"... এই আহবান জানানোটা কতটুকু বৈপ্লবিক। দাস ব্যবস্থার ইতিহাস যখন পড়ি - যখন জানতে পারি যে- দাসদের মানুষ হিসাবেই স্বীকার করা হতো না- প্লেটোর মত দার্শনিকরা যখন বলেন- "সমাজের উন্নতির নিমিত্তেই দাসেদের প্রয়োজন রহিয়াছে"- "ঈশ্বর জগতের প্রয়োজনেই কিছু মানুষকে মানুষ আর বাকিদেরকে দাস হিসাবে তৈরি করিয়াছেন" এবং এই যুক্তি- এই চিন্তা হাজার বছরের উপর দাসদের নিংড়ে শোষণের বৈধতা দিয়ে যায়; তখন ঐ চিন্তাকে চরমভাবে আঘাত করার লক্ষে ইতিহাসে আমি যীশু আর মুহম্মদ সা: কে ছাড়া ভাবতেই পারি না। দাসীদের সাথে সেক্সকে কেন বৈধতা দিয়ে গিয়েছেন- এই আপত্তি যতই তুলি- জানি তিনি তো দাসীর সাথে ঐ সেক্সকেও ঐ যুগের তুলনায় অন্য মাত্রা দিয়ে যেতে পেরেছিলেন! যে দাসদের তাদের মালিকেরা সমকক্ষ ভাবা তো দূরের কথা, ঘৃণার চোখে দেখতো- সে দাসদের সাথে নামাজ নামক অনুষ্ঠানে এককাতারে দাড়াতে বাধ্য করেছিলেন মালিকদের। প্রথম মুয়াজ্জিন বেলাল একজন দাস ছিলেন। এবং কোরাইশদের সাথে যে যুদ্ধগুলো হয়েছিল- সেগুলোর তথ্য থেকেও জানা যায়- ঐ যুদ্ধ আসলে হয়েছিল- দাসমালিকদের সাথে এবং যুদ্ধগুলো জেতার সাথে সাথে এমন হু হু করে মুহম্মদ সা: এর সমর্থকের সংখ্যা বাড়ার প্রধানতম কারণই ছিল- নিম্ন শ্রেণীর মানুষেরা- দাসেরাই হুড়মুড় করে ইসলাম গ্রহণ করেছে। আশেপাশের প্রতিবেশী অভুক্ত থাকলে কোন ইবাদতই গৃহীত হবে না- এই কথাটা জোরের সাথে বলতে পারাটা এবং সেটা নিজে ও সঙ্গী-সাথীদের- অনুসারীদের পালনে উদ্বুদ্ধ ও বাধ্য করাটা, বায়তুল মাল বা রাষ্ট্রীয় কোষাগার স্থাপন- যাকাতের প্রচলন করাটা আমি সময়ের রেসপেক্টে তুখোড় এক জিনিয়াসের কাজ হিসাবেই গণ্য করি।

আমি মনে করি, একজন নাস্তিকের কাছে ইহকালই সব- ইহজগতের মানুষই তার মূল বিবেচ্য। আর সে কারণে একজন নাস্তিকই কোন মানুষকে পূর্ণ শ্রদ্ধা করতে পারে- যেটা আস্তিকের পক্ষে সম্ভব না। আমি মাঝে মধ্যেই মোল্লাদের সাথে ডিবেটে বলি- আপনাদের চেয়ে আমি মুহম্মদ সা: কে অবশ্যই অধিক শ্রদ্ধা করি এবং এটা এত নিশ্চিতভাবে বলতে পারছি কারণ- আমি জানি একজন আস্তিকের পক্ষে কোন মানুষের প্রতি পরিপূর্ণ শ্রদ্ধা আনয়ন সম্ভব নয়।

মুহম্মদ বনাম যীশু:
ইতিহাসের দুই সময়ের দুই ব্যক্তিত্বের তুলনামূলক আলোচনাটা সবসময়ই ক্রিটিক্যল- সম্ভব হলে আমি তা এড়িয়ে যেতেই ভালোবাসি। যীশুর অবদানকে আমি যথেস্ট শ্রদ্ধা করি- আমি প্রচুর লিটেচারে পেয়েছি- যীশু না আসলে প্রাথমিক দাস বিদ্রোহগুলো ঐ সময়ে শুরুই হতো না, এবং আমি এই মতের সমর্থক।

আসলে- মুহম্মদ সা: আর যীশুর আলোচনা ঐ সময়ে পাশাপাশি আনার উদ্দেশ্য একটাই ছিল, মুহম্মদ সা: একজন নেতা ছিলেন, চৌকশ ও পরিপূর্ণ নেতা। উল্টোদিকে যীশুও নেতা ছিলেন বটে- তবে তার চেয়েও একজন মানবদরদী সাধক প্রকৃতিটাই আমার চোখে বেশী ধরা পড়ে। উল্টোদিকে মুহম্মদ সা:ও মানবদরদী ছিলেন কোন সন্দেহ নেই- কিন্তু তিনি ব্যক্তিগতভাবে মানবপ্রেম বিলিয়ে জীবনপাত করতে রাজী ছিলেন না- তিনি সমাজটাকেও নিজ হাতে পাল্টে ফেলার মিশনে নেমেছিলেন- অনেক মাপা- অনেক ধীরে- অনেক বুঝে শুনে- স্টেপ বাই স্টেপ তিনি এগুয়েছেন। সবচেয়ে বড় কথা মুহম্মদ সা: সফল ছিলেন। যীশু সফলকাম হন নাই- এটার জন্য যীশুকে বাতিল করছি না, বরং মনে করি- তার প্রেক্ষাপটে সফল হওয়ার পরিস্থিতিটাও হয়তো বিরাজমান ছিল না (আসলে যেকোন সামাজিক পরিবর্তনের জন্য অবজেকটিভ কন্ডিশনটাও তো খুব জরুরী)।

মূলত এই জায়গা থেকেই আমি তুলনামূলক ইতিহাসের উপর ওভাবে আলো ফেলেছিলাম। যীশুর সমসাময়িক ঐ অঞ্চলের অনেক ঐতিহাসিকের ইতিহাস রচনায় যীশুর তেমন সরব উপস্থিতি পাওয়া যায় না কেন? যীশুর জন্ম-মৃত্যু সবকিছুতে এত বেশী মিথের ছোয়া কেন? এসব কিছু থেকেই আমার ধারণা- যীশু ক্যারেকটারটাকে আজ আমরা যেরূপে পাই বা দেখি বাস্তব যীশু আসলে তেমন কেউ ছিলেন না। তাহলে এই যীশুকে তৈরি করলো কারা? সেটা বুঝতে গেলে আমাদের চার্চের আধিপত্য তৈরি ও বিকাশের ইতিহাসটাকেও গণনায় আনতে হয় বৈকি।

মুহম্মদ সা: এর ক্ষেত্রটি ভিন্ন- তিনি এমনই এক চরিত্র - (অন্যদের হাতে তৈরি হওয়া তো দূরের কথা) যিনি কেবল নিজ যুগকে নয়- ভবিষ্যতকেও শাসন করতে চেয়েছেন এবং সফলকামও হয়েছেন (এখানেও অবজেকটিভ কন্ডিশনটাও বুঝতে হবে- আরো অনেক কিছু আছে- যা মুহম্মদ সা: এর সফলকাম হওয়াটা একরকম ঐতিহাসিক অনিবার্যতায় পরিণত করেছিল)। মুহম্মদ সা: এর জীবনকালে ও মৃত্যুর পরে অসংখ্য স্কলার- অনেক ব্যক্তির ভূমিকা অবশ্যই ছিল- কিন্তু তারা কখনোই মুহম্মদ সা:কে ছাড়িয়ে যেতে পারে নি- মুহম্মদ সা: এর ছায়ার ভেতরে থেকেই তাদের ইসলামকে এগিয়ে নিতে হয়েছে। এমনই এক নেতা ছিলেন তিনি। এটার আফটার ইফেক্ট আমরা আজো ভোগ করছি- বুঝতে পারি এতখানি প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব বা নেতা না হলে আজ হয়তো মানুষের মোহ কাটানো অনেকখানি সহজ হতো- কিন্তু এ কারণে কিছু আফসোস- মাঝে মধ্যে রাগ হলেও মুহম্মদ সা:রে তো দোষ দিতে পারিনা। (এরিস্টটলের প্রভাবের কথাও জানি, নিশ্চিত জানি - এই ব্যক্তি ও টলেমিরা মিলে আমাদের দুনিয়াটাকে কম করে হলেও ৫০০ বছর পিছিয়ে দিয়েছে- কিন্তু তাই বলে চিন্তার রাজ্যে এরিস্টটলের এমন প্রভাব বিস্তার করার ক্ষমতাকে তো অস্বীকার করতে পারি না)।

অভিযোগ সমূহ:
মোটামুটি বড় দাগে প্রধান তিনটি আপত্তি পাওয়া গেলো মুহম্মদ সা:কে নিয়ে।
১। মিথ্যাচারিতা। নিজের ইচ্ছামত- সুবিধামত আয়াত বানিয়ে আল্লাহর নামে চালিয়েছেন- সমাজ-সংস্কারের জন্য মিথ্যাচার কেন করতে হবে?
২। তিনি একজন নৃশংস খুনী ছিলেন। পরাজিতদের তিনি কচু কাটা করতেন। প্রতিপক্ষকে বাগে পেলে তিনি সর্বনাশ দেখে ছাড়তেন। প্রচন্ড যুদ্ধবাজ নেতা ছিলেন।
৩। নারী লিপ্সা। ১৩ টা বিয়ে? ৯ বছরের বালিকাকে বিয়ে? ছি!

এই তিন অভিযোগ নিয়ে আমি যা মনে করি- সেটাই প্রথমে বলছি।
....
(চলবে)

***** মূল আলোচনা/ডিবেট পড়তে ব্লগের নাস্তিক বন্ধুরা এই লিংকে ঢু মারতে পারেন। তার জন্য অবশ্য ফেসবুকের Atheist Association Of Bangladesh গ্রুপে জয়েন করাটা বাধ্যতামূলক।

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৯
এমিল বলেছেন: আমি যেভাবে মানুষ মুহাম্মদ কে দেখি, আপনার লেখাটা তার সাথে পুরোটাই মিলে যায়...
১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৩

লেখক বলেছেন:
hmm

২. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০১
জনৈক আরাফাত বলেছেন: দ্রুততর পরের পর্বের অপেক্ষা করছি! জানার আছে অনেক কিছু, ধন্যবাদ!
৩. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০১
পৃথিবী আমারে চাই না বলেছেন: নাস্তিক হতে একজন আস্তিকে রুপান্তর হতে আপনার মনে হয় বেশি দেরি নেই। দোয়া করি আল্লাহ আপনাকে একজন আস্তিক হিসাবে কবুল করুন।
১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৬

লেখক বলেছেন:
হা হা হা .....


আল্লাহ অতিশীঘ্রই আপনার দোয়া কবুল করুন- এই কামনা করছি (যদিও জানি- ভদ্রলোকের সে সামর্থ্য নেই)!!

যাক পড়ার জন্য ধন্যবাদ, পরবর্তী পর্বগুলো পড়ার জন্য আমন্ত্রণ রইলো, জানি না- সেগুলো পড়ে আপনার কি মনে হবে!!

৪. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৬
এক অ মানুষ বলেছেন: একটা জিনিস ভাই হযরত মুহাম্মাদ (স) এর সাথে কোন কিছুর তুলনা নাই ৎ তবে জানার আছে কিন্তু বলার শেষ নেইৎ অপেক্ষায় থাকলাম ৎ
৫. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৪
পৃথিবী আমারে চাই না বলেছেন: একটা ব্যাপার দেখে আমি আশাবাদি হলাম। আপনি মুহাম্মাদ (স) কে "মুহাম্মাদ (স)" ই বলেছেন। শুধু মুহাম্মাদ বলেননি। আর (স) এর অর্থ তো আর আপনার অজানা নই। কাজেই আস্তিক হিসাবে আপনাকে আমি আশা করতেই পারি।
১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৪

লেখক বলেছেন:
দেখেন ভাই- আমি যদি কাউকে প্রচন্ড ইরেসপেক্টও করি- তারপরেও তার নাম বিকৃত করার প্রয়োজন আমার পড়ে না। আর, মুহম্মদ সা: এর 'সা:' কে অংশকেও নাম হিসাবে বিবেচনা করি- তাছাড়া আপনারা যারা পড়ছেন অহেতুক নাম নিয়ে তাদের মনোবেদনা তৈরি করতেও ভালো লাগে না। (ফেসবুকে সমস্ত আলোচনায় মুহম্মদ ই ব্যবহার করেছি- কেননা ঐ ফোরামে একটা সহনশীল পরিবেশ আছে এটা জানি)

আর, নামের ব্যাপারে অর্থ কোন ব্যাপারই না- কেউ যদি বলে তার নাম "আল্লাহ"- যতই নাস্তিক হইনা কেন- তাকে "আল্লাহ" বলতে ডাকতে আমার আপত্তি নাই- কিন্তু যদি এটা বলেন যে- মুহম্মদ এর পরের সা: কেবল নাম হিসাবে না- অর্থ হিসাবেও গ্রহণ হয়ে যায়- তবে আমি মনে করি- সা: উল্লেখ ছাড়া যারা মুহম্মদ এর নাম নেন- তাদের সে কাজে আপনাদের রাগ করা একেবারেই অনুচিৎ।

এবং আমি এখন থেকে আপনার সাথে যাবতীয় আলোচনায় "সা:" অংশটুকু বাদ দিয়েই কথা বলবো বলে সিদ্ধান্ত নিলাম। আলোচনার জন্য ধন্যবাদ।

৬. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৫
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন: হা হা একটাও মাইনাস নাই এই পর্যন্ত।
১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৩

লেখক বলেছেন:
হা হা, খুবই মজার বিষয়...
আসলে আস্তিকগুলোর মাথায় ঘিলু খুব সামান্যই থাকে ...

৭. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৮
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: বুঝছি। কিন্তু ভাইডি শ্রদ।দা যে আসে না। স্বীকার করি তার ছিল বিরাট মাথা। ঐ মাথা দিয়া সে অসাধ্য সাধন করছে। কিন্তু সে যে মানব জাতির জন্যে সর্বনাশের বীজ বুনে গেছে, সেটা কি বিবেচনায় নেয়া হবে না?

সে তো মানুষকে অন্ধ করে রাখার চিরস্থায়ী বন্দোবস্থ করে গেছে। তার মনে কথাগুলোকে স্বয়ং আল্লাহর নামে চালায়ে দিয়ে মানুষের মগজে তালা লাগায়ে দিছে। এখন ধর্মের নামে এবং ধর্মের বাই প্রোডাক্টের কারনে যত অনাচার, যত পশ্চাতগামিতা.......সেগুলোর দায় তারে দিতে হবে না?
১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৬

লেখক বলেছেন:
সেগুলোর দায় কিভাবে তাঁর হয়?

৮. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২০
ভাইটামিন বদি বলেছেন: ভাল লাগল......পরের পর্ব গুলোর জন্য...

তবে যে পয়েন্ট অফ ভিও থেকে শুরু করেছেন সেটা যেন থাকে.....এক পর্যায়ে গিয়ে আমরা হেলে পড়ি (আশা করি ধরতে পেরেছেন!!!)...

আর হ্যা...একজন প্রচন্ড রকম যুক্তিবাদী আস্তিক হিসেবে দোয়া রইল হেদায়ার প্রাপ্তির জন্য.....(হতেই হবে এমন কোন কথা নেই)
৯. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৫
আলিম আল রাজি বলেছেন: যথারীতি অসাধারণ। ++
১০. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৫
পৃথিবী আমারে চাই না বলেছেন: @দুরন্ত স্বপ্নচারী- মন্তব্যের শুরুতেই বললেন "বুঝছি" কিন্তু মন্তব্য শেষ করলেন যেভাবে তাতে তো অন্য কিছু মনে হল-বিচার মানি কিন্তু তালগাছ আমার টাইপের আরকি।
১১. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪২
তোমোদাচি বলেছেন: নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করি এ জন্য যে, জন্ম গত ভাবে এমন একজন মানুষের অনুসারী হতে পেরেছি যিনি পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ।

আমার চেয়ে তিনি অনেক অনেক বেশি জ্ঞানী। তার সব কিছু বিচার বিশ্লেষন করার মত জ্ঞান আমার নেই। তার সবকিছু যদি আমি বুঝতে পারতাম তাহলে তো আমিই তার মত না হোক কাছাকাছি কিছু হতে পারতাম। যতটুকু বুঝি তাতে তাকে চোখ বুজে অনুসরণ করা যায়। যেটা বুঝিনা সেটা মনে করি আমার সীমাবদ্ধতা। তাই সেটুকু চোখবুজে অনূসরন করি।
এখানেই আপনার সাথে আমার পার্থক্য।
এমন একজন বিশাল মানুষ আমাকে ভুল পথে নিয়ে যাবে তা বিশ্বাস করি কি ভাবে বলুন!
তাই তাকে অনুসরণ করে ভুল হলেও দুঃখ নেই।
১২. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৪
সাইফ বাঙ্‌গালী বলেছেন: চমৎকার বিশ্লেষনের জন্য + আপনার প্রাপ্য।

আপনি কী বুঝে নাকি না বুঝে নাস্তিক?
যদি বুঝে নাস্তিক হন তবে আপনাকে সাদরে একটি ব্যক্তিগত আলোচনায় আমন্ত্রন জানাচ্ছি।
যদি না বুঝে হন তবে আপনার হেদায়াত হবেনা।

পরবর্তি পোষ্টের অপেক্ষায় রইলাম...। 8-|
১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৯

লেখক বলেছেন:
যাক, আল্লাহর হাতে না ছেড়ে দিয়ে হেদায়েতের দায়িত্ব হাতে তুলে নিচ্ছেন। গুড।

আমন্ত্রণ গ্রহণ করলাম।

১৩. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৮
কোন একজন বলেছেন: মানুষ মুহম্মদ সা: কে আমিও শ্রদ্ধা করি। পোস্টে +
১৪. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫১
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: তাইলে সেগুলোর দায় কার, আমার না আপনার?

একটা মনগড়া কাহিনী আল্লাহর নামে চালায়া দিছে। পাবলিকে না বুঝে এবং কখনো একটা স্বার্থান্বেষী মহলের তৈরী শৃংখলে আবদ্ধ হয়ে সেগুলো বিশ্বাস করে যাচ্ছে। তার দায় তো তাকে নিতেই হবে। ঠিক যেমন রামমোহন সতীদাহ উচ্ছেদ করার কৃতিত্ব পাবে, মোহম্মাদ তেমন দায় পাবে।
১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৭

লেখক বলেছেন:
অবশ্যই তার দায় আমাদের, আমরা যারা এই যুগে সত্যের সন্ধান পাচ্ছি না ...

১৫. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৩
অরণ্যচারী বলেছেন:
১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৩ লেখক বলেছেন: হা হা, খুবই মজার বিষয়... আসলে আস্তিকগুলোর মাথায় ঘিলু খুব সামান্যই থাকে ...

লেখাটাতে আপনার যে দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ পেয়েছে এই কমেন্ট তার বিপরীত।

যাই হোক লেখায় প্লাস (আমাকেও আবার ঘিলু কম আস্তিকদের তালিকায় ফেলে দিয়েন না।)
১৬. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৬
পৃথিবী আমারে চাই না বলেছেন: লেখক বলেছেন:
হা হা, খুবই মজার বিষয়...
আসলে আস্তিকগুলোর মাথায় ঘিলু খুব সামান্যই থাকে ...

------------------

কোন জ্ঞানী ব্যক্তিই নিজেকে শেষ পর্যন্ত নাস্তিক হিসাবে ধরে রাখতে পারে নাই। একটা পর্যায়ে সে আস্তিক হিসাবে আত্বপ্রকাশ করেছে। যদি পড়াশোনা ধরে রাখেন তাহলে অচিরেই নিজেকে আস্তিকের কাতারে দেখবেন ইনশাআল্লাহ।
১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৯

লেখক বলেছেন:
পরের পোস্টে আপনার কি কমেন্ট থাকবে সেটাই ভাবছি ......

১৭. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৩
মজলুম বলেছেন:



আমি মুহাম্মদ (সঃ) কে শ্রেষ্ঠ মানব হিসেবে সম্মান করি। এই ব্লগের আস্তিক, নাস্তিক নিয়ে ভাবছি একটা রিসার্চ ইনসটিউট খুলবো। দুই গ্রুপের মাথায় কি আছে তা বোধ হয় খোদা নিজেও জানে না। আস্তিকেরা এই ব্লগে হলেও এই পোষ্টে এখন প্লাস পড়বে, আর মুহাম্মদ(সঃ) এর বিরুদ্বে লিখলে মাইনাস পড়বে। আপনার আগের পোষ্টগুলো দেখলাম , যাচাই করুন। আবার আস্তিকদের সংখ্যা বেশী হলেও এস.এম রায়হান মিয়া ও মাইনাসের বন্যায় ভেসে যায়।

আস্তিক ও নাস্তিকদের নিয়ে এই ব্লগে দেখা কিছু ঘটনা নিয়ে একটা উপসংহার টানবো ভাবছি। দুই গ্রুপেরই সংখ্যাগরিষ্ঠের মাঝে আপনার ব্যবহৃত শব্দটা (ঘিলু!!) নাই মনে হয়।
১৮. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৪
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: বুঝছি। তাইলে অখন যারা বুঝতেছে না, তাদেরকে কি করতে হৈবে? কিছু কইলে তারা তো উল্টা আরো মাথার দাম ডিক্লেয়ার করে? দাম ডিক্লেয়ার করা নাকি মোহাম্মাদীয় নির্দেশ!
১৯. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৯
ক্লান্ত দুচোখ বলেছেন: আপনার প্রতিটা লিখাই কি প্রিয়তে নিতে হবে?!
আবারো নিলাম... অসাধারন চিন্তাধারা...
২০. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১০
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: শ্রদ্ধাবোধের এই জায়গাটা ভাল লেগেছে।

Click This Link

একই বিষয় নিয়ে আমার একটা লেখা ছিল-অবশ্যই আপনার উলটো প্রান্তে দাঁড়িয়ে। শুধুমাত্র শ্রদ্ধাবোধ থাকার কারনেই বোধ করি কথাগুলো অনেকাংশে মিলে যায়।

দৃষ্টিভঙ্গির ভিন্নতা সত্ত্বেও আপনাকে ধন্যবাদ।
২১. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৫
ষাটোর্ধ্ব যুবক বলেছেন: তলে তলে গাছ কেটে উপরে পানি দলে তো হবে না ভাই নাস্তিক।
২২. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৪
মজলুম বলেছেন:


মুহাম্মদ(সঃ) একক ব্যাক্তি ইতিহাসে, যার বিরুদ্বে সবচেয়ে বেশী বই লিখা হয়েছে গত ১০০০ বছর ধরে, ওরিয়েন্টালিসমের ইউরোপ সবসময় তার বিরুদ্বে এমন কুৎসিত অপবাদ দিতো , যা অন্য কাউকে দিতে ওরা কার্পন্য করতো। তার বিরুদ্বে লিখা সাহিত্য,কলাম, আর্টিকল,কবিতা,বই ওরিয়েন্টালিসমের হাত ধরে ফ্রান্স ও ব্রিটেন সারা পৃতিবীতে ছড়িয়ে দিয়েছে উপনিবেশশাসন আমলের সময়, কিন্তু কি হয়েছে??

আজ তার বিরুদ্বে লেখালেখির খোরাকগুলো কিন্তু ঐ ওরিয়েন্টালিসমের দ্বারাই হয়েছে। আর আপনারাও তা ইউজ করতে পারছেন।

তবুও মুহাম্মদ(সঃ) নামটি বর্তমানে সবচেয়ে বেশী মানুষের ব্যবহার করা নাম। তাকে ভালবাসার লোকের কমতি নাই, এবং এটা চলবে।
২৩. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৫
ক্যামেরাম্যান বলেছেন: "ইতিহাসকে দেখার ও বুঝার একটা নির্দিষ্ট পদ্ধতি আছে। সেটা হলো- আপনি কখনোই আজকের নৈতিকতা দিয়ে, আরেকটা সময়/যুগ বা অঞ্চল বা আরেকটা সংস্কৃতিকে বিচার করতে পারবেন না- বা এক যুগের নৈতিকতা দিয়ে আরেকটা যুগকে বিচার করতে গেলে সবসময়ই ভুল সিদ্ধান্তই আপনার আসবে।" - এটা একটা অসাধারণ কথা।

তিনি তার সময়ের এক বর্বর জনগোষ্ঠিকে পূরা ইউটার্ন করিয়েছিলেন (যদিও আরবরা চেতনায় এখনও বর্বর) এটা কিন্তু খূব সহজসাধ্য কাজ ছিল না। সংকলিত একটা গ্রন্থ দিয়ে সমাজ সংস্কারের কাজটা করা আসলেই কতোটা কঠিন ছিল, সেটা চিন্তাতীত - তিনি কিন্তু যীশুর মতো কোন কেরামতিও দেখান নাই।

পরের পর্ব পড়ার অপেক্ষায়।
২৪. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:০৬
সীমন্ত ইসলাম বলেছেন: আপনার সাথে একমত। আগেও বিভিন্ন পোষ্টে বলেছি - আল্লাহতে বিশ্বাস না করলে মুহাম্মদ সাঃ কে অনেক বেশি শ্রদ্ধা করতে হবে, কারন এ ক্ষেত্রে তার সকল সাফল্যের পুরো কৃতিত্ব তাঁরই।

একটা কথা এখানে যোগ করতে চাই। গোষ্ঠিগত সাফল্যের জন্য ব্যক্তি বিশেষের আচরন এবং দ্বয়িত্ব সম্পর্কে মুহাম্মদ সাঃ যে দিক নির্দেষনা দিয়েছেন তা অনন্য। একবিংশ শতাব্দিতে এসে ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স অথবা সোসাল ইন্টেলিজেন্সের মতো বিজ্ঞানের যে শাখার জন্ম, কোনোরকম গবেষনা ছাড়াই তিনি তার সূত্রপাত করেছিলেনI।

এখন কথা হচ্ছে যে মানুষের সকল কর্মকান্ড অসম্ভব রকম মেধার এবং গ্রহনযোগ্যতার পরিচয় পাওয়া যায় তার প্রধান দাবীটাকে (তিনি আল্লাহর রাসূল) অস্বীকার করার মতো যুক্তি আমাদের কাছে কতোটুকু আছে? IIIm
২৫. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:০৯
সীমন্ত ইসলাম বলেছেন: বলতে ভুলে গেছি - লিখাটি খুবই ভালো লেগেছে। অবশ্যই +
২৬. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:২৭
ত্রিমাত্রিক বলেছেন: ভাল লাগল আপনার লেখা। পোস্টে +

একজন আস্তিক হিসাবে দোয়া করছি, আল্লাহ আপনাকে সঠিক পথ দেখাক।
২৭. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৩৫
লুতফুল বারি পান্না বলেছেন: কমেন্ট মুছলেন কেন ভাইজান, ঘিলু কম মনে হইছে নাকি?
২৮. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৩৬
লুতফুল বারি পান্না বলেছেন: আমি কিন্তু মাইনাস প্লাস কিছুই দেই নাই। খালি একজন সত্যবাদীরে দেইখা জিজ্ঞেস করছিলাম কত কইরা পান?
২৯. ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:০৮
অসম্পাদকীয় বলেছেন: মুহাম্মদ সম্পর্কে জানার আগ্রহ আছে আবার নেই। লোকটা দারুন। কিছু কিছু মিথ্যা না থাকলে পৃথিবী ধংস হয়ে যেত।
৩১. ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:০৬
হিমু ব্রাউন বলেছেন: বরাবরের মতো দারুন। তাই+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++ ৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫
৩২. ১৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১৮
হিমু ব্রাউন বলেছেন:
সবশেষে বলি- একাট দাসমূলক ব্যবস্থাকে পুরো উৎখাত করতে যীশু আর মুহম্মদ সা: এর ভূমিকা কোনমতেই অস্বীকার করা যাবে না। কিন্তু আপনার এই মতের সাথে একমত হতে পারলাম না...................
১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৫৯

লেখক বলেছেন:
একমত হতে না পারার পেছনে যুক্তিগুলো কি কি? আলোচনা, যুক্তি-তর্ক হলে বিষয়টা আরো পরিষ্কার হতে পারে।

৩৩. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১৯
মাহমুদ রহমান বলেছেন: সুবহানাল্লাহ!!! আপনার উপলব্ধিকে শ্রদ্ধা জানাই।

মনে হচ্ছে, আল্লাহকে বাদ দিয়ে মুহাম্মদের দর্শন প্রচার, প্রসারে এবং তা বাস্তবায়নে খুব শীঘ্রই আপনাকে দেখতে পাবো- সেটা একটা নতুন ডাইমেনশন হবে! যেহেতু স্রষ্টাকে বাদ রাখতে চাচ্ছেন, সেহেতু মহানবীকে কেবল মহাপুরুষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখবেন কিভাবে ভাবনার বিষয়!

আপনার ২য় পর্বের এই অংশটাও বেশ উপভোগ করলাম। সুবহানাল্লাহ!

.......এবং আমি এখন পর্যন্ত যতটুকু পড়েছি- সেখান থেকে বলতে পারি- মুহম্মদ সা: এর এমন কোন একটিভিটি- আদেশ-উপদেশ নেই যা এক্সিস্টিং সমাজের নৈতিকতার মানদন্ডে অনৈতিক বলা যাবে। .....

বিয়ের পূর্বে কোন নারীর সংস্পর্শে না আসা এবং খাদীজা (রা.) জীবিত থাকা পর্যন্ত ২য় নারী গ্রহণ না করা ব্যক্তির নারীর প্রতি আসক্ত হওয়ার ক্যমিস্ট্রি কিভাবে উদয় হলো... সেটা নিয়ে এখনও মনে হয় লিখেন নি, সেটা পড়ার অপেক্ষায় আছি।

পরিষ্কারভাবেই মনে হচ্ছে এমন একজন ব্যক্তি বর্তমানে জীবিত থাকলে আপনার কাছে তিনি পুজনীয় হতেন, এমন ব্যক্তির ওফাত কষ্ট দিতো আপনাকেও ভীষণভাবে......

এমনকি ওমর রা. এর মত সাহাবী রাসুল সা.এর মৃত্যুর সময়ে বলেছিলেন, "যে বলবে রাসুল সা. এর ওফাত হয়েছে তাঁকে হত্যা করবো।" দিকবিদিক বিহ্বল সাহাবীদেরকে আবু বকর রা. কি বলে শান্ত করেছিলেন? সমবেত জনতাকে লক্ষ করে তিনি ঘোষণা করলেন, "যারা মুহাম্মদের ইবাদত করতে তারা জেনে রাখ, মুহাম্মদ মৃত্যুবরণ করেছেন। কিন্তু যাঁরা আল্লাহর ইবাদত করো তাঁরা জেনে রাখ আল্লাহ চিরঞ্জীব- তাঁর মৃত্যু নেই। তারপর তিনি তেলাওয়াত করলেন, " মুহাম্মদ আল্লাহর রাসুল ছাড়া আর কিছু নন। তাঁর পূর্বে বহু রাসুল অতিবাহিত হয়েছে। তিনি যদি মারা যান বা নিহত হন তাহলে কি তোমরা পিছনে ফিরে যাবে? যারা পিছনে ফিরে যাবে তারা আল্লাহর কোনই ক্ষতি করতে পারবে না। যারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে আল্লাহ তাঁদের প্রতিদান দেবেন। (ইমরান ১৪৪)।
৩৪. ১৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪৯
saifulislam_3d বলেছেন: ১০০%++++++++++++++++++++++++++
THaNkS
৩৫. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩১
নগর সংগীত বলেছেন: মাহমুদ রহমান বলেছেন:
////মুহম্মদ সা: এর এমন কোন একটিভিটি- আদেশ-উপদেশ নেই যা এক্সিস্টিং সমাজের নৈতিকতার মানদন্ডে অনৈতিক বলা যাবে।////

এটা সম্পূর্ণ ভূল। আয়েশাকে বিবাহ কি বর্তমান মানদন্ডে নৈতিক? এখন একজন মানুষ ১৩টা বিয়ে করলে তাকে সমাজে কি চোখে দেখা হবে? দাসপ্রথা কি এ যুগে নৈতিক মনে করা হয়? হিল্লা বিয়ে কে আপনি কি বলবেন?
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৬

লেখক বলেছেন:
@নগর সংগীত,
"এক্সিস্টিং সমাজ" বলতে আমি ঐ ১৪০০ বছর আগের সমাজের নৈতিকতার মানদন্ডরে বুঝাইছিলাম।

৩৬. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:০৪
আনিস (সংশয়বাদী) বলেছেন: ++++++++++++++++++++++
ভাল লাগলো :) :) :)
৩৭. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:২৯
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: আপনার শ্রদ্ধাবোধকে স্বাগতম।

আপনার দাবি অনুযায়ী মুহাম্মদ(স.) তার সময়ের জন্য বিপ্লবী ছিলেন, মহাজ্ঞানী ছিলেন। কিন্তু একইসাথে আপনি আল্লাহর অস্তিত্বকে অস্বীকার করছেন। তাহলে ব্যাপারটা দাড়াচ্ছে এই যে মুহাম্মদ(স.) ছিলেন সময়ের তুলনায় অতি জ্ঞানী আর তার অনুসারীরা ছিলেন অতি গর্দভ। এ'জন্যই বুঝতে পারেনি যে এই লোকটা আল্লাহর নামে নিজের কথা চালিয়ে দিচ্ছে। আমার প্রশ্ন কিন্তু তাতেও পাল্টাচ্ছে না -

মুহাম্মদ(স.) এর অনুসারীরা এত বোকা, অজ্ঞ, ভীরু হয়েও যদি একটা সফল বিপ্লবের নেতৃত্ব দিতে পারে এবং মুহাম্ম(স.) এর মৃত্যুর পর তখনকার দুই দুইটা পরাশক্তিকে পরাজিত করতে পারে তাহলে আপনারা নাস্তিকরা এত বুদ্ধিমান, ত্রিকালদর্শী, দু:সাহসী হয়েও কিছু করতে পারছেন না কেন? আর যদি কিছু করতেই না পারলেন তাহলে আর এত জ্ঞানী, আলোকিত মানুষ, বাস্তববাদী হয়ে লাভ কি? এ'সবকি শুধুমাত্র অন্যের দোষ খুজে বেড়ানোর জন্য?
৩৮. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৪
নির্বাসন বলেছেন: ভন্ডামীর একটা সীমা তো রাখবেন জনাব...আর এই নিকটা যে কয়েকজন ব্যবহার করে সেটা শুনেছিলাম...মনে হচ্ছে সেটা ঠিক।
৩৯. ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৭
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: আপনারা নিজেদের যেরকম জ্ঞানী, আলোকিত, ত্রিকাল দর্শী আর বাস্তববাদী মনে করেন তার ভিত্তিতে একটা নতুন আদর্শ তৈরী করুন। তারপর মানুষকে সেই আদর্শের দিকে ডাকুন। মানুষকে সংঘবদ্ধ করে সেই আদর্শের ভিত্তিতে একটা নতুন সমাজ বিপ্লবের সুচনা রুন, যদি সম্ভব হয়। দয়াকরে আপনাদের এত এত জ্ঞান, দুরদর্শীতা, দু:সাহস অন্যের দোষ খোঁজার পিছনে নস্ট করবেন না। যতক্ষন না আপনি ইসলামের চেয়ে ভাল কোন আদর্শ বাস্তবে প্রতিষ্ঠা করে দেখাতে পারছেন ততক্ষন মানুষ আপনার কথা কখনই শুনবে না। আপনার সব পরিশ্রমই পন্ডশ্রম হবে।

উদাহরণ হিসেবে দেখতে পারেন রাশিয়ার কমিউনিস্ট বিপ্লব। সেই বিপ্লব সফল হয়েছিল বলেই সেখান থেকে ইসলামকে প্রায় নির্মুল করা সম্ভব হয়েছিল। যদিও শেষ পর্যন্ত সেই সমাজতন্ত্রেরও পতন হয়েছে বাইরের কার আক্রমন ছাড়া!!

আপনিও চেস্টা করেন। আল্লাহ যেহেতু নাই, মানুষই যেহেতু সর্বশক্তিমান, আপনি যেহেতু আবুবকর,ওমর, ওসমান, আলী(রা.) দের চেয়েও জ্ঞানী, বিচক্ষন, বাস্তববাদী সেহেতু আপনি নিশ্চয়ই পারবেন। কে ঠেকাবে আপনাকে? আপনার চেয়ে শক্তিশালী তো কেউ নাই? নাকি আছে???
৪০. ০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৬
পালক১২৩ বলেছেন: ++++++++ হা হা হা হা......
৪১. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০৮
পারভেজ আলম বলেছেন: একজন প্রকৃত নাস্তিক, যুক্তিবাদী বা বস্তুবাদীর পক্ষে মোহাম্মদকে অশ্রদ্ধা করার কোন কারন নাই। তাকে অবশ্যই তার সময়ের সাথে তুলনা করে বিচার করতে হবে।
৪২. ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪২
আ শী ষ বলেছেন: পুরো সিস্টেম টাই হয়ে যাচ্ছে এক ধরণের ব্যক্তি বন্দনা। যদিও সেটা নাকি সমর্থনযোগ্য নয়। সবকিছুতেইতো তিনি।

বাঁশের চেয়ে কঞ্চি বড় নয়তো আবাব??

এমন কেন হবে যে তাঁকে নিয়ে সমালোচনা করা যাবে না? তিনি যদি সর্বশ্রেষ্ঠ হোন তাহলে সেটা আলোচনা সমালোচনাতেই প্রমাণ হবে।

আলোচনা করতে গেলেই যদি নাস্তিক আর বিনা বাক্যব্যয়ে মেনে নেয়াই যদি হয় আস্তিক তবে আমি নাস্তিক।

***ভালো লিখেছেন। তবে প্লাস পাবার মতো নয়।
৪৩. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪০
সত্যান্বেষী বলেছেন: ইদানীং মনে হয় খুব একটা লিখছেন না? ব্যস্ততার কারণে কি?
৪৪. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:২৮
ফাহরুখ খান বলেছেন: নাস্তিকদের আমার খুন করতে ইচ্ছা করে।
৪৫. ২০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৫৮
ফাহরুখ খান বলেছেন: আমার বিরুদ্ধে থানায় ডায়রী করার কোন প্রয়োজন নাই।ওইটা শুধুই আমার ইচ্ছা।
আমি তথাকথিত আস্তিক না।সব ধরনের যুক্তি তর্ক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করে তবেই আমি আস্তিক।
তাই যখন নাস্তিকদেরকে তাদের নাস্তিকতার পেছনে ভাঙ্গা যুক্তি খাড়া করতে দেখি তখন মনে মনে ভাবি এরা সবাই বোকার স্বর্গে বাস করছে।
৪৬. ২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৫১
সত্যান্বেষী বলেছেন:



ফাহরুখ খান বলেছেন: নাস্তিকদের আমার খুন করতে ইচ্ছা করে।
ফাহরুখ খান বলেছেন: সব ধরনের যুক্তি তর্ক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করে তবেই আমি আস্তিক।


চাপাতি = যুক্তি
বুলেট = তর্ক
খুন = ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ
৪৭. ২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২৯
ফাহরুখ খান বলেছেন:
চাপাতি = যুক্তি
বুলেট = তর্ক
খুন = ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ
:|
৪৮. ২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪৭
তারেক হাসান বলেছেন: নাস্তিক হেয় মুহাম্মদ (সা.) কে শ্রদ্ধা করেন। আপনিতো দেখি নাস্তিকতার কলংক। আজকেই শুদ্ধ হয়ে নিন। লজিক কি একেবারে বাদ দিলেন। একজন প্রতারককে (নাস্তিকদের দৃষ্টিতে) শ্রদ্ধা করছেন কোন লজিকে। কোরআন যদি স্রষ্টার পক্ষ থেকে না হয়ে থাকে তার মানে মুহাম্মাদ নিজে তৈরী করে স্রষ্টার নামে চালিয়ে দিয়েছে। এই যে প্রতারনা করলো পুরো পৃথিবীবাসির সাথে। আজ এটা নিয়ে কত দ্বন্ধ। এটাতো জগতের শ্রেষ্ঠ প্রতারনা। এই ঘৃণ্য প্রতারককে শ্রদ্ধা করছেন? আপনার বিবেক কি এত নিচে গেল।
৪৯. ২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪৯
তারেক হাসান বলেছেন: নাস্তিক ইতরদের মুখ থেকে সর্বকালের সেরা মহামানবের নামও শুনতে চাইনা। তা হোক শ্রদ্ধার অথাব ঘৃণার। মাইন্ড ইট ইউ ইডিয়ট।
৫০. ২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৪৮
আসিফ মহিউদ্দীন বলেছেন: দুঃখিত। আপনার সব কথার সাথে একমত হতে পারলাম না।

মানব সমাজে যুগে যুগে বহু পয়গম্বর, প্রেরিত পুরুষ, স্বয়ং ঈশ্বরের আবির্ভাব হয়েছে। বর্তমান যুগেও হচ্ছে। ঈশ্বরের বন্ধুবান্ধবের সংখ্যা শুধু আমার এলাকায় হিসাব করলেও শ'য়ের অধিক হবে।

এদের সকলের সকল কর্মই কিন্তু নিন্দনীয় নয়। আমাদের মাইজভান্ডারী থেকে শুরু করে ভারতের শ্রীরামকৃষ্ণ সকলেই এক একজন ঈশ্বরের প্রেরিত পুরুষ বা স্বয়ং ঈশ্বর। এরা কিন্তু সাম্প্রদায়ীক সম্প্রীতির কথাই বলেছেন। যেটা যুগ চেতনা। এই যুগে সবচাইতে সস্তা কবিও যেমন রোমান্টিক কবিতা লিখতে পারবে না, তাকে আধুনিক বা উত্তর আধুনিক কবিতা লিখতেই হবে, তেমনি এই যুগের সবচাইতে সস্তা প্রেরিত পুরুষেরও কিছু যুগ চেতনা থাকতে হবে। নতুবা সে আস্তাকুড়েই পরে থাকবে।

সকল সময়েরই কিছু যুগ চেতনা থাকে। এখনকার সকল রাজনৈতিক নেতাদেরও কিছু যুগ চেতনা আছে, সে যতবড় আহাম্মক রাজনীতিবিদই হোক না কেন, তাকে গনতান্ত্রিক হতে হবে।সামন্তবাদী মন মানসিকতা এই সময়ে জামাতের মধ্যেও দেখতে পাওয়া যায় না।

সমাজতন্ত্রের আবির্ভাবের পরেও কিছু যুগ চেতনা সৃষ্টি হয়, সকলের সমান অধিকার, বৈষম্য কমানো ইত্যাদি আমাদের বাজেটেও প্রভাব ফেলেছে (ধনীর বেশি কর দিতে হবে, দরিদ্রের জন্য কর মওকুফ ইত্যাদি)।

সে সময়েরও কিছু যুগ চেতনা ছিল। কিছু প্রাপ্তি অপ্রাপ্তির হিসাব নিকাশ ছিল। নিম্নবিত্তদের শোষন নিন্দনীয়, সেটা করাটাও সহজ। আফিম গুলিয়ে খাইয়ে দিন, রাতারাতি ফল প্রাপ্তি। দাস প্রথা সে সময়ে প্রচলিত একটা ব্যবস্থা। সে সময়ের যুগ চেতনা বোধকরি দাস প্রথার বিরুদ্ধেই ছিল। যীশু যেমন করুনা আর প্রেমের বানী নিয়ে এসেছিলেন (সেটা সে সময়ের যুগের দাবী ছিল, যুদ্ধ আর দখলের বিশ্বে সে সময়ে সেটা যীশু না করলেও অন্য কেউ করে ফেলতো) তেমনি মুহাম্মদ এসেছিলেন ভ্রাতৃতের বানী নিয়ে।

কিন্তু এত হাল্কা ভাবে দেখলে তো হবে না। দেখতে হবে উদ্দেশ্য এবং ফলাফল। সেসব বিবেচনার অবশ্যই দাবী রাখে।

হিটলারের কিছু দর্শন ছিল। সেসময়ের মহান দার্শনিকগন হিটলারের ভাড়াটে বুদ্ধিজীবি হিসেবে কিছু কদর্য দর্শন রেখে গেছে- যেখানে দেখানো হয়েছে ইহুদী রক্ত ধ্বংশ করাই মানব জাতির জন্য কল্যানকর।

হিটলারের ভাল কাজ খুঁজতে গেলে প্রচুর পাওয়া যাবে- জাতীয়তাবাদের নোংরা দর্শন ছাড়া আজকের বিশ্ব সম্ভবত অসহায় হয়ে পরবে। কিন্তু তাই বলে হিটলারের পাপ মুছে যাবে না।

কেউ বলতে পারে হিটলার একা তো আর এত হত্যা করেনি, বা হিটলার একটা উন্নত বিশ্ব চেয়েছিল। কিন্তু তাতে তার কর্মের ফলাফলের দায়িত্ব থেকে সে মুক্তি পায় না।

মানুষ হিসেবে মুহাম্মদকে মুল্যায়ন করতে গেলে আরও কঠোরভাবে মুল্যায়ন করতে হবে। আস্তিক থাকা অবস্থায় শ্রদ্ধাবোধ যদি পরবর্তীতেও প্রভাব ফেলে, তবে সঠিক মুল্যায়ন হয় না।

বহু বাবা প্রেরিত পুরুষ এসেছে চলে গেছে, কেউ কেউ বাড়াবাড়ি রকমের সফল, কেউ বা ব্যর্থ। সাফল্য বার্থতা দিয়ে যদি মানুষ হিসেবে মুল্যায়ন করতে বসেন, তাহলে তার কাজ গুলোর ফলাফলকেও বিবেচনায় আনতে হবে।

ফলাফল বিবেচনা করলে দেখা যাচ্ছে মুসলিম সম্প্রদায় আজকে তলানীতে এসে ঠেকেছে। বিশ্ব জুড়ে মৌলবাদের সবচাইতে ভয়াবহ নাম ইসলাম। এর চাইতে বেশি বলার আর প্রয়োজন পরে না।

শতাব্দীর পরে শতাব্দী জুড়ে হত্যা ধর্ষনের মদদদাতা দুজনকে যদি আজকে ব্যাক্তি হিসেবে পুঁজনীয় বলতে শুরু করেন, হিটলার কি দোষ করেছিল?
৫১. ২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:০৮
সত্যান্বেষী বলেছেন: আসিফ মহিউদ্দীন -এর মূল্যবান কমেন্টটি (৫০) নিয়ে আশা করি লেখক কিছু বলবেন।
৫২. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৫৬
দেবার্নব রায় বলেছেন: কূপায়া প্লাস...............।
৫৩. ২৭ শে মার্চ, ২০১০ ভোর ৫:৫৮
শেলী বলেছেন: ফলাফল বিবেচনা করলে দেখা যাচ্ছে মুসলিম সম্প্রদায় আজকে তলানীতে এসে ঠেকেছে। বিশ্ব জুড়ে মৌলবাদের সবচাইতে ভয়াবহ নাম ইসলাম। এর চাইতে বেশি বলার আর প্রয়োজন পরে না।
-আমি যদি বলি এখন মানুষ ইসলাম জানেনা বা মানেনা সেজন্য এরকম হছছে। যারা মুসলিম তারা কতটা জানে তাদের ধর্মটাকে। রাসুল(সঃ) তো হাদিসে বলেছেন এযুগের কথা যখন মুসলিমদের সংখ্যা অনেক বেশী থাকবে কিনতু তাদের ঈমান থাকবেনা।আর মিডিয়ার সাথে যুধ্বে জিততে পারছহেনা। কিন্তু কারা আসলে মৌলবাদী সেটা সবাই জানে। ইরাকে কি মুসলিমরা সমস্যা করছে?
৫৪. ২৭ শে মার্চ, ২০১০ ভোর ৬:১৩
রিসাত বলেছেন: ঐ যুগে মুহাম্মদের পক্ষে এর চাইতে সত্যবাদী হওয়া সম্ভব ছিলো না। মুহাম্মদ আমাদের একটাই প্রবাবলি দুইটা শিক্ষা দিয়েছেন। তা হলো আল-আমীন বা সত্যবাদী হও! দুই পড়ো।

তবে ইসলামের সব চেয়ে বড়ো মিথ্যা হলো তওবা। তওবায় সব কিছু ক্ষমা হোয়ে যাবে কেন? কলিমা পড়লেই বেহেস্ত ফ্রি এইটা কু ধ্রণের মিথ্যা??
৫৫. ২৭ শে মার্চ, ২০১০ ভোর ৬:১৫
রিসাত বলেছেন: @শেলি, ইরাকে মুসলিম হত্যার ব্যাপারটাকে আমি প্রপাগান্ডা বলে মনে করি। আমেরিকান প্রপাগান্ডা। মুসলমানদের দমানোর প্রচেষ্টা।
৫৬. ২৭ শে মার্চ, ২০১০ ভোর ৬:২৬
রিসাত বলেছেন: নাস্তিকদের যে প্রিন্সিপাল, দেয়ার ইজ নু গড!!! এইটাও অনেক বড়ো একটা ভুল।

সুতারাং আপনিও একজন মহাবেকুব। ঠিক আমার মতো। নু ডিফারেন্স। আর এইটা আইয়ামে জাহেলিয়াত না এইটা আইয়ামে ইডিয়ট।

প্লিজ ডৌন্ট বিলিভ মি।
৫৮. ২৭ শে মার্চ, ২০১০ সকাল ৭:৪৬
সাকীব বলেছেন: মেরিনার, ভাল লাগলো আপনার লেখা পড়ে। আপনাকে ফেইসবুকে এ্যাড করা সম্ভব?
৫৯. ৩০ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১:৪৯
কবি মৃত্যুময় বলেছেন: প্রথমত>> আসলে বিশ্বাসটাই বড় কথা, এগুলো সত্য অথবা ওদেরটা সত্য। বিশ্বাস করলেই মনে হবে এটা প্রমাণসম্ভব যে ঈশ্বর আছেন। আবার ঈশ্বর নাই এটা বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণিত মনে হবে কারো কারো কাছে। উভয় দলই সুযুক্তি-অপযুক্তি তে ভরপুর।

দ্বিতীয়ত>> মূলধর্ম অনুগামী যারা তারাও মানবতার বিরোধী নয়, আবার যারা নাস্তিক তাদেরতো মানবীয় হতেই হয়। মানুষের ক্ষতি না হলেই হোলো তা সে যে মতাবলম্বীই হোক না কেন!!!

আপনার নিরীক্ষাধর্ম চলতে থাকুক। তবে আমাদের ধর্ম-অধর্ম নিয়ে সময়ক্ষেপণের চেয়ে মানবকল্যাণী বিষয়ে সময় বেশী দেওয়া দরকার।

ভালো থাকুন।
৬২. ০৮ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:৫৪
িরয়াজ উিদ্দন বলেছেন: প্রথমেই পিলাচ।
তারপর প্রয়তে।

এরপর দোয়া করি ইনশাল্লাহ আপনি সত্যের পথে পিরে আসবেন।

নিচের লিংকটা একটু পড়বেন প্লিজ...
Click This Link
৬৩. ২৪ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১২:০৩
মো: ইউসুফ বলেছেন: আমি একজন নব্য ব্লগার। ব্লগিং করি কয়েক মাস হয়েছে। আমি মনে প্রানে একজন নাস্তিক। ব্লগে নাস্তিকদের লেখা অনুন্ধান করতে গিয়ে এই লেখাটা চোখে পড়লো।

প্লাস-মাইনাস কিছুই দিলাম না।

তবে একটা কথা আপনার মগজের মধ্যে ঢোকাতে চাই, আপনি ইহকাল পরকাল কোন জায়গাতেই শান্তি পাবেন না।

অন্যদের মতো আপনাকে আমি সৎ পথে আসার উপদেশ দেবো না, কারণ একজন কাফির ব্যক্তি কখনই ভাল কাজে এগিয়ে আসে না।
৬৪. ২৫ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:২০
মো: ইউসুফ বলেছেন: আমি একজন নব্য ব্লগার। ব্লগিং করি কয়েক মাস হয়েছে। আমি মনে প্রানে একজন আস্তিক। ব্লগে নাস্তিকদের লেখা অনুন্ধান করতে গিয়ে এই লেখাটা চোখে পড়লো।

প্লাস-মাইনাস কিছুই দিলাম না।

তবে একটা কথা আপনার মগজের মধ্যে ঢোকাতে চাই, আপনি ইহকাল পরকাল কোন জায়গাতেই শান্তি পাবেন না।

অন্যদের মতো আপনাকে আমি সৎ পথে আসার উপদেশ দেবো না, কারণ একজন কাফির ব্যক্তি কখনই ভাল কাজে এগিয়ে আসে না।
৬৫. ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:২৭
ফয়সল আহমদ বলেছেন: আল্লাহ তাআলা আপনার মনেক পিরষ্কার কের েহদােয়ত দান করুন। আিমন....
৬৬. ২৪ শে অক্টোবর, ২০১১ বিকাল ৫:১৬
শরিফুল ইসলাম সীমান বলেছেন: আমি পড়তে চাই। বাট এই মুহুর্তে লেজ তুইলে দৌড় দেওয়া লাগবে... নেক্সট টাইম পড়ব... :-)
৬৭. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:১৪
সুখি মানুষ বলেছেন: বাহ! চমৎকার তো। উৎকর্ষ বুদ্ধি খাটিয়ে খুব সুকৌশলে মুহাম্মদ (সাঃ) সম্পর্কে সাধারণ মুসলমানদের মন মগজে তিনটি নেগিটিভ আইডিয়া ঢুকানোর কুটকৌশল চালিয়ে যাচ্ছেন। চমৎকার আপনার বুদ্ধি।

তো নিজেকে আবার মুহাম্মদ (সাঃ) এর ভক্ত সাজাবার চেষ্টা করলেন কেন? নাকি মিথ্যাচার আর শ্রোতাকে গোলক ধাঁধাঁয় ফেলা আপনার মত নাস্তিকদের আজন্ম স্বভাব।

যাকে আপনি মিথ্যাচারের অভিযোগে অভিযুক্ত করেন তার বাণীর উদ্ধৃতি দিতে আপনার লজ্জা হয় না। না সেটা শুধু গোলক ধাঁধাঁ সৃষ্টি করার জন্য। নাকি মিথ্যা বলতে বলতে এখন তা আপনার গা সওয়া হয়ে গেছে। তাই যেটাকে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করেন আবার সেটাকেই উদ্ধৃত করেন আপন কুমতলব পুরো করার জন্য।

আপনি সাক্ষী থাকুন একজন মুসলমান হিসেবে আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি-
- মুহাম্মদ (সাঃ) সত্যবাদী। তিনি জীবনে কোনদিন মিথ্যা বলেননি। থাকতো আল্লাহর নামে মিথ্যা বলবেন। সূরা হাক্কাতে আল্লাহ তাআলা বলেন-
তারপর তিনি আমাদের নামে কোন বাণী রচনা করতে চাইতেন [৪৪] তাহলে নিশ্চয় আমরা তাকে ডান হাতে পাকড়াও করতাম,[৪৫] তারপর নিশ্চয় তার কন্ঠশিরা কেটে ফেলতাম [৪৬]
- মুহাম্মদ (সাঃ) কক্ষনো খুনী ছিলেন না। বরঞ্চ তিনি মক্কাবিজয়ের পর কাফিরদেরকে ক্ষমা করে দিয়েছেন। সেদিন তিনি ঘোষণা করেছেন-“ আজ তোমরা মুক্ত।‍ “ [সূনানুল কুবরা- বাইহাকী, ৯ খণ্ড, হাদীস নং- ১৮০৫৫] সেদিন ক্ষমাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন- কাফির নেতা আবু সুফিয়ানসহ আরো অনেকে। পরবর্তীতে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেছেন।
- মুহাম্মদ (সাঃ) কক্ষনো নারী লিপ্সু ছিলেন না। বরঞ্চ তিনি আল্লাহর নির্দেশিত পন্থায় বৈধভাবে বিবাহ করেছেন। সূরা রাদে আল্লাহ তাআলা বলেন- ‍‍‍‍”আপনার পূর্বে আমি অনেক রসূল প্রেরণ করেছি এবং তাঁদেরকে পত্নী ও সন্তান-সন্ততি দিয়েছি।[সূরা রাদ: আয়াত ৩৮] সূরা তাহরীমে আল্লাহ তাআলা বলেন-যদি নবী তোমাদের সকলকে পরিত্যাগ করেন, তবে সম্ভবতঃ তাঁর পালনকর্তা তাঁকে পরিবর্তে দিবেন তোমাদের চাইতে উত্তম স্ত্রী, যারা হবে আজ্ঞাবহ, ঈমানদার, নামাযী তওবাকারিণী,এবাদতকারিণী, রোযাদার, অকুমারী ও কুমারী। [সূরা তাহরীম, আয়াত: ৫]

 

মোট সময় লেগেছে ১.০১৭৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
মানুষেরে ঘৃণা করি'/
ও কারা কোরান, বেদ, বাইবেল চুম্বিছে মরি' মরি'/
ও মুখ হইতে কেতাব-গ্রন্থ নাও জোর ক'রে কেড়ে,/
যাহারা আনিল গ্রন্থ-কেতাব সেই...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই