>পৃথিবীতে মোট পিঁপড়া আছে ২৮০ প্রজাতির।
>লাল পিঁপড়াদের আকৃতি ২ মিলিমিটার থেকে ৬ মিলিমিটার পর্যন্ত হতে পারে। আর এই সব আকৃতির লাল পিঁপড়ারা সবাই এক বাসাতেই থাকে।
>এই লাল পিঁপড়াদের অত্যাচার সবচেয়ে বেশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, তাইওয়ান আর অস্ট্রেলিয়ায়। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আর তাইওয়ান ওদের দমনে ব্যর্থ হলেও, অস্ট্রেলিয়া কিন্তু এ ব্যাপারে সফল। তাতে অবশ্য ওদের ১৭৫ মিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে!
>ডলফিন নিয়ে তো অনেক কিছুই জানলে। একটা মজার বিষয় কি জানো, ডলফিন কখনোই পুরোপুরি ঘুমায় না? হ্যা, সত্যি সত্যিই ওরা কখনোই পুরোপুরি ঘুমায় না। সবারই কিন্তু মস্তিষ্কের দুটো অংশ আছে। এগুলোকে ইংরেজিতে বলে হেমিস্ফেয়ার। একটা হলো ডান হেমিস্ফেয়ার বা ডানার্ধ, আরেকটা বাম হেমিস্ফেয়ার বা বামার্ধ। আর ওরা যখন ঘুমায়, তখন এই দুটোর একটা ঘুমায় তো আরেকটা জেগে থাকে। ফলে সবসময়ই ওরা একটু হলেও সচেতন থাকে।
>গ্রহগুলো সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরছে তো ঘুরছেই। কিন্তু সূর্যকে ঘিরে একবার ঘুরতে কোন গ্রহের সবচেয়ে বেশি সময় লাগে জানো? নেপচুনের। নেপচুন আবিষ্কৃত হয়েছিলো ১৮৪৬ সালে। আর তারপর নেপচুনের সূর্যকে ঘিরে একবার ঘোরা শেষ হলো এ বছরেই, ২০১১ সালে!
>প্রজাপতি দেখতে তো আমাদের দারুণ ভালো লাগে তাই না? এই প্রজাপতির কিন্তু অনেকগুলো চোখ। আন্দাজ করো তো কতোগুলো হতে পারে! একটা প্রজাপতির ১২ হাজার চোখ থাকে। বিশ্বাস হয়?
>আমরা তো সবাই গরুর দুধ খাই। আর গরু বেশ আমাদের দুধ দিয়েও যায়। একবার কি চিন্তা করেছো, একটা গরু তার সারা জীবনে কতো দুধ দেয়? বেশি না, একটা গরু তার সারা জীবনে গড়ে মোট ২ লক্ষ গ্লাস দুধ দেয়। সত্যিই বিশাল ব্যাপার, তাই না?
>অনেকেই হেভি মেটাল মিউজিক শুনতে ভালোবাসে, আবার অনেকেই ভালোবাসে না। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো উইপোকারা হেভি মেটাল মিউজিক খুব পছন্দ করে। মিউজিক শোনার সময় তারা দ্বিগুণ গতিতে কাঠ কাটতে পারে।
>সবচেয়ে বেশি খায় কে, হাতি? একদিনে হয়তো তোমার চেয়ে অনেক বেশিই খায়। কিন্তু তুমি সারাজীবনে কতটুকু খাবার খাও সেকি জানো? মোটামুটি প্রায় ৬০,০০০ পাউন্ড খাবার তোমার পেটে যায় সারজীবনে, যা ৬ টা হাতির ওজনের সমান। হাতিকে আর পেটুক বলবে?
>গোল্ডফিস দেখতে কেমন লাগে? এ্যাকুরিয়ামের মধ্যে সুন্দর সাঁতরে বেড়ায় যে সোনালী রঙের মাছটা। কতো সুন্দর তার গায়ের রঙ, তাই না? কিন্তু মজার কথা কি জানো! যদি একটা গোল্ডফিস কে অন্ধকার ঘরে রেখে দেয়া হয় তবে এর রঙ কিন্তু সাদা হয়ে যাবে।
>পৃথিবীর প্রায় প্রত্যেকটি লাইব্রেরী থেকেই বই চুরি হয়। কখনও কোনো গল্পের বই কখনও বা কোনো গবেষণার বই। কিন্তু তোমরা কি জানো পৃথিবীতে সবচে বেশিবার চুরি হওয়া বই হিসেবে কোন বইটি রেকর্ড করেছে? ‘গিনেজ বুক অফ রেকর্ডস’ এর নাম তো আমরা সবাই জানি। এ বইটিই কিন্তু লাইব্রেরি থেকে সবচে বেশিবার চুরি হওয়া বই হিসেবে রেকর্ড করেছে।
>পাশের দেশ ভারতে এক জরিপে করে দেখা গেছে, সেখানে মোট বানরের সংখ্যা পাঁচ কোটিরও বেশি।
>একজন মানুষ কোন খাবার না খেয়ে বাঁচতে পারে এক মাস, কিন্তু পানি পান না করলে এক সপ্তাহের বেশি বাঁচতে পারে না।
>মশা কামড় দেয় না, হুল ফোঁটায়, এটা তো সবাই জানো। তাই বলে মশার যে দাঁত নেই, তা কিন্তু নয়। মশার সর্বমোট ৪৭টি দাঁত আছে।
>যখন তুমি হাঁচি দাও, তখন তোমার মস্তিষ্কের কিছু কোষ মারা যায়। কিন্তু, হাঁচি আসলে কী করবো?
>উড়ার সময় বাদুড় সবসময় বামদিকে মোড় নেয়, কখনো ডানদিকে যায় না।
>অনেকেই জানে না লিপস্টিকে মাছের আঁশ থাকে।
>আমেরিকার ‘দি নিউ ইয়র্ক টাইমস’ সংবাদপত্রের রবিবারের সংখ্যাটি ছাপতে যে পরিমাণ কাগজ প্রয়োজন তার জন্য ৬৩ হাজার গাছ কাটতে হয়।
>শামুক একটানা তিন বছর ঘুমিয়ে কাটিয়ে দিতে পারে।
>সিংহের গর্জন পাঁচ মাইল দূর থেকেও স্পষ্ট শোনা যায়।
>কুমিরের দাঁত পড়ে গেলেও কোন সমস্যা নেই। একটা দাঁত পড়ে গেলেই কয়েকদিনের মধ্যেই সেখানে নতুন আরেকটা দাঁত গজায়। এমনকি বুড়ো বয়সেও।
>কোমল পানীয় কোকাকোলায় এক ধরনের রঙ মেশানো হয়। রঙ না মেশালে কোকাকোলার রঙ সবুজ হতো।
>চোখ খুলে হাঁচি দেখা সম্ভব নয়। আয়নায় চেষ্টা করে দেখতে পারো।
>একটি তেলাপোকা তার মাথা ছাড়া ৯ দিন দিব্যি বেঁচে থাকতে পারে।
>তোমার যদি একটি তারা গুণতে এক সেকেন্ড সময় লাগে, তাহলে একটি গ্যালাক্সির সব গুণে শেষ করতে ৩ হাজার বছর লাগবে। দোয়া করি দীর্ঘজীবী হও।
>একটি রক্তকণিকা আমাদের পুরো দেহ ঘুরে আসতে সময় নেয় মাত্র ২২ সেকেন্ড।
>তুমি ৮ বছর ৭ মাস ৬ দিন একটানা চিৎকার করলে যে শক্তি খরচ হয়। তা দিয়ে এক কাপ কফি অনায়াসে বানানো যাবে। কি, চেষ্টা করে দেখবে
>তুমি প্রতিদিন কথা বলতে গড়ে ৪৮০০টি শব্দ ব্যবহার করো। বিশ্বাস না হলে এখনই গুনতে শুরু করতে পারো।
>প্রাচীনকালে শুধু চায়নায়ই রেশম চাষ হতো। তা হতো কড়া পাহারায়। কেউ এই গোপনীয়তা ফাঁস করার চেষ্টা করলে তার শাস্তি হতো মৃত্যুদণ্ড।
>আইসক্রিম সর্বপ্রথম কোথায় তৈরি হয়েছিল জানো? চায়নায়। তাও খ্রিস্টের জন্মেরও দুইহাজার বছর আগে।
>হাসাহাসি করা কিন্তু সোজা না। সে তুমি মুচকি হাসো আর হো হো করে হাসো, প্রতিবার হাসার সময় মুখের কমপক্ষে ৫ জোড়া মাংশপেশী তোমাকে ব্যবহার করতে হয়। আর বেশী হাসি পেলে তো মোট ৫৩টা পেশী লাগবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


