আমার প্রিয় পোস্ট
- খলিল জিব্রান - ইমন জুবায়ের
- জৈন কারা? - ইমন জুবায়ের
- যুক্তির ফ্যালাসি, কুযুক্তি বা নষ্টামিসমূহ -৬ (শেষ) - ফারুক আহসান
- প্রজ্ঞাপারমিতা - ইমন জুবায়ের
- "আবে, কোন মামদির পো সামনে খাড়া? যা কিনার" - লাল দরজা
- ব্লক করুন অনাকাংখিত সাইট... (একটেলের মতো হইয়া গেল দেখি...
) - তাজুল ইসলাম মুন্না
- গল্পঃ বাথরুমে গণতন্ত্রের পতনে শ্যাওড়াপাড়ার মানুষেরা যা করে - মোস্তাফিজ রিপন
- যুক্তরাষ্ট্রে ফান্ডিং নিয়ে পড়তে আসুন -২ (GRE)। - কুম্ভকর্ণ
- পার্কজুড়ে কেবলই ব্যবহৃত কনডমের খোসা - সরকার আমিন ১৯৬৭
- হুলিয়া ।। নির্মলেন্দু গুণ - মুকুল
- এক্টা গরম গান, একদিনে ১৫টার বেশি ইমেইল যারা পান তাগো সবার জন্যে - নির্বাক সুশীল
- সূর্যকে কেন্দ্র করে জ্যোতিষ্ক মন্ডলী ঘোরে - নাস্তিকের ধর্মকথা
- আমাদের পাঠশালা'র নববর্ষ র্যালী - কৌশিক
- পাঁচ-কুড়ি-এক বাছাই বচন - মোস্তাফিজ রিপন
- বেহুলা - লক্ষিন্দরের বাসর ঘর - ক্যামেরাম্যান
- কতগুলো ফ্রী মুভি ডাউনলোডের সাইট! - ঢিল মারে কে মোর টিনের চালে
- রবীন্দ্রনাথের অসাধারণ এক কবিতা, না পড়লে জীবন বৃথা!! -১
(তন্ময়) - ত্যান্দর
- প্রতিবেশি লেখার খাতা - মাঠশালা
- গণজাগরণের শিল্পী : শাহ আবদুল করিম - মুক্তাদীর আহমদ
- পুনর্মুদ্রন ..।// লেখাটা দয়া কইরা পড়েন - ছক্কা হাজী
- স্মৃতি হাতড়ে......পড়া বইয়ের তালিকা...... - আশেক ইব্রাহীম
- পরীক্ষাগারে বিগ ব্যাং: উত্তর মিলবে অনেক প্রশ্নের - অনিশ্চিত
- আর রেখোনা আঁধারে আমায়; দেখতে দাও... (প্রসঙ্গঃ আরজ আলী মাতুব্বর-এর ধর্মদর্শন) - কানা বাবা
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গনহত্যার ভিডিও দেখুন - অমি রহমান পিয়াল
- একাওরের রাজাকার, গর্জে ওঠছে আরেক বারঃ মন্তব্য প্রয়োজন - লাল দরজা
- বাংলা বই এর সাইট - মাহবুব জামান আশরাফী
- যে বই গুলো পড়া দরকার (সবগুলোর লিস্ট) - সপ্নীল
- অনলাইনেই কনভার্ট করুন - নাজিরুল হক
- টরেন্ট ডাউনলোড - ডার্কলর্ড
- "এক ক্লিকে দুই সার্চ ইঞ্জিন" Google and Yahoo! Search Result Side by Side - প্রচেত্য
- সারা দুনিয়ার মানুষকে মুসলমান বানায়া ফেলবো যদি ফজলে এলাহি কোরান অনুযায়ী আবিষ্কারটা করেন - দীক্ষক দ্রাবিড়
- কিভাবে পোস্টে ইউটিউব ভিডিও যোগ করবেন? - হাসিন
- সহজিয়া দর্শন - ২: হাসি ফোটাওনা কেন মন - জ্বিনের বাদশা
- আপনি কেমন আছেন কবি দাউদ হায়দার! - মাসকাওয়াথ আহসান
- একটি গল্পের পরীক্ষামূলক উতক্ষেপন : জিসম # মাহবুব মোর্শেদ - মাহবুব মোর্শেদ
- হুমায়ুন আজাদ যেখানে জিতে গেছেন - মুহম্মদ জুবায়ের
- শোকার্ত শৃগালদের জন্য || চার্লস বুকস্কির ছায়া কবিতা - হাসান মোরশেদ
- আন্দালিফের দূর্বল গদ্য - রাসেল ( ........)
- জয়নাল অনুসন্ধান। - রাসেল ( ........)
- আন্দালিফ-বৈকালিক ভাবনা। - রাসেল ( ........)
যদ্যপি আমার গুরু শুঁড়ি বাড়ি যায়, তথাপি আমার গুরু নিত্যানন্দ রায়।
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৩১
বাংলাদেশে মনে হয় পাওয়া যায় না, অন্তত আমি শুনিনি। ভেবেছিলাম বিদেশে কখনও গেলে দেখব কি রকম। কিন্তু পোড়া কপাল, আমেরিকায় আবস্যাঁত উত্পাদন নিষিদ্ধ। আমেরিকায় পাওয়া যায় 'অ্যাবসেন্ট' যা আমেরিকানাইজ্ড এবং সোর্সও ভিন্ন।
দুনিয়ার সবচেয়ে কড়া মদ আবস্যাঁত, absinthe। কড়া মদ হলেও আধুনিক সমাজে এর আবির্ভাব ঔষধ হিসেবে। ফরাসী বিপ্লবের পরে, ১৭৯২ সালের দিকে সুইজারল্যান্ডে বসবাসকারী ফরাসী ডক্টর পিয়ের অরডিনেইর্ এটি প্রস্তুত করেন। ধারণা করা হয় আবস্যাঁত নাম এসেছে আর্টেমেসিয়া আবসেন্থিয়াম হতে যা ওয়ার্ম উড বা পোকার গাছের বৈজ্ঞানিক নাম। এ গাছের নির্যাস হতে তৈরি করা হয় বিখ্যাত এই মদ। প্রাচীন মিশরে এ গাছ অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে, জ্বর নিবারণ ও এমনকি পেটের পীড়া ও গ্যাস্ট্রিকের প্রদাহ সারাতে ঔষধ হিসেবে ব্যব হার করা হত। বর্তমানে ওটিসি ড্রাগ হিসেবে এ গাছের তেল ফার্মেসীতে পাওয়া যায়।
এত উপকারী গুণ থাকলেও বিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকে আবস্যাঁত 'সমাজের জন্যে ক্ষতিকর' খেতাব পেয়ে পানীয় হিসেবে অস্তিত্বের সংকটে ভুগছে। অথচ বাণিজ্যিকভাবে প্রথম যখন বাজারে আসে তখন এর পরিচিতি ছিল 'সর্বরোগ নিবারক' আদর করে বলা হত La Fee' verte বা সবুজ পরী। আদি আবস্যাঁত ছিল সবুজবর্ণের। বর্তমানে সবুজসহ বিভিন্ন রংগের আবস্যাঁত পাওয়া যায়।
ধারনা করা হয় মেজর দ্যুবি ডাক্তারের কাছ থেকে মূল ফর্মুলা কিনে উনিশ শতকের প্রথম দিকে বড় ধরণের উত্পাদন ও বাজারজাতকরণে মনোনিবেশ করেন। ১৮৪৪-৪৭ সালে জনপ্রিয়তা তুংগে ওঠে যখন ফরাসী সেনাবাহিনী আলজেরিয়ায় লড়াই করার সময় মিলিটারি মদ হিসেবে আবস্যাঁত ব্যবহৃত হয়। এত জনপ্রিয় হয় যে ৫ টা ছুটির ঘন্টাকে বলা হত, ল'খ ভেখত্' বা 'সবুজ ঘন্টা'। ১৮৭৪ সালে ফরাসীরা ৭০০,০০০ লিটার আবস্যাঁত পান করে। নিষিদ্ধ হওয়ার আগে, ১৯১০ সাল নাগাদ যা দাঁড়ায় বছরে ৩৬ মিলিয়ন লিটার।
আবস্যাঁতের স্বর্ণোজ্জ্বল দিনে অন্য মদ/ওয়াইন ব্যবসা বন্ধ হওয়ার জোগাড় হয়। পরবর্তীতে অবস্হার পরিবর্তন হলে বেশীর ভাগ ভাইনইয়ার্ডে পূণরায় গাছ লাগাতে হয়। ওয়াইন ব্যবসায়ীরা ব্যবসা তুলে নেয়ার জন্যে ওয়াইনের দাম বাড়িয়ে দেয়। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে আবস্যাঁত নিষিদ্ধ করার আহবান জানায়। এ সময় ম্যাগনান নামে এক গবেষক অনেকগুলো আর্টিকল ছাপান যাতে বলা হয় আবস্যাঁত পানে আবস্যান্টিজম নামক একধড়নের উপসর্গ দেখা দেয় যার লক্ষণ হল, নেশা, অতিরিক্ত উত্তেজনা,মৃগী এবং হ্যালুসিনেশান।
শেষ পর্যন্ত বের হয় থিউজন নামে একটা কেমিক্যাল যা পোকার গাছের অন্যতম সক্রিয় উপাদান এর জন্যে দায়ী। ম্যাগনান তার গবেষণায় এটি বের হয়ে আসে,এবং প্রকাশিত হয়। বিংশ শতাব্দীর প্রথমভাগে এসে সুইজারল্যান্ড, ফ্রান্স,বেলজিয়াম,অস্ট্রেলিয়া এবং আমেরিকা আরও অনেক দেশ এটি নিষিদ্ধ করে। ব্রিটেন,স্পেন,পর্তুগাল অবশ্য কখনও নিষিদ্ধ করেনি, যার কারণে পানীয় হিসেবে আবস্যাঁত পূণজাগরণ হয়।
বৈজ্ঞানিক গবেষণার ফলে আবস্যাঁতের খারাপ উপাধি আর নেই। বর্তমানে অ্যাকোহল বৈধ এমন সবদেশে এটি পাওয়া যায় এবং উত্পাদন করা হয় , একমাত্র ব্যতিক্রম আমেরিকা। অবশ্য এখানে আপনি খেতে এবং রাখতে কোন বাধা নেই।
শিল্পী সাহিত্যিকরা আবস্যাঁতের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন। যেমন ১৮৭৬ সালে ইম্প্রেশনিস্টদের অন্যতম উদ্যোক্তা এডগার ডেগা এঁকেছেন, L'absinthe যেখানে কাফেতে একজন রমণী ও একজন পুরুষ সামনে আবস্যাঁত নিয়ে বসে আছে। আরেক ইম্প্রেশনিস্ট দিকপাল এদুয়ার মানে এঁকেছেন ' দ্য আবস্যাঁত ড্রিন্কার'। কিছুটা দেবদাস স্টাইলে দেয়ালে হেলান দিয়ে দাঁড়ানো যুবক সামনে মেঝেতে খালি বোতল গড়াগড়ি খাচ্ছে।
আরও জানতে উইকির শরণ নিন।
তুষার ০০৭ বলেছেন:
অভিজাত পানীয়,,,
তাকদীর বলেছেন:
চলেছ যখন চল আবেসেেতর েলাকাল েসাের্সর েখাজ েপেল জািিনোো। েখালা রইেলা ব্লগ
নাম্বারহীন বলেছেন:
রসের খবর রসিকের কাছেই থাকে


















