আজ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ সমাবর্তন
আজ ৩০জানুয়ারি শনিবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ সমাবর্তন। সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর মোঃ জিল্লুর রহমান ভাষণ দেবেন। সমাবর্তন বক্তার ভাষণ দেবেন প্রধান বিচারপতি মোঃ তাফাজ্জাল ইসলাম। আমন্ত্রিত অতিথি থাকবেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নজরুল ইসলাম। উপাচার্য অধ্যাপক ড· শরীফ এনামুল কবির সমাবর্তনে উপাচার্যের ভাষণ দেবেন। সমাবর্তন উপলক্ষে ক্যাম্পাসকে সাজানো হয়েছে বর্নিল রূপে। সমাবর্তন এলাকা, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, প্রশাসনিক ভবন আলোকসজ্জা করা হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে রঙ বেরঙের পতাকা ও দার্শনিক-বিদ্যান ব্যক্তিদের বাণী সাটানো হয়েছে। সড়ক ও গাছপালায় শিল্পির তুলির ছোয়া লেগেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। সমাবর্তনের সকল প্রস্ততি শেষ হয়েছে। শুক্রবার সকালে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে বিশাল এলাকা জুড়ে নির্মিত সমাবর্তন প্যান্ডেলসহ বিভিন্ন দিক পরিদর্শন করেন এবং ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপ করেন। সমাবর্তন প্যান্ডেলে ছয় হাজার আসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বিকেলে সমাবর্তন র্যালির মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। চতুর্থ সমাবর্তনে ডিগ্রি নেয়ার জন্য ৩৮৭৪জন গ্রাজুয়েট, ২২জন এম·ফিল ও ৫৩জন পিএইচডি ডিগ্রিধারী রেজিস্ট্রেশন করেছেন। স্ব স্ব অনুষদের ডীনগণ গ্রাজুয়েটদের ডিগ্রি প্রদানের উদ্দেশ্যে চ্যান্সেলর সমীপে উপস্থাপন করবেন।
এর আগে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি সমাবর্তন অনুষ্ঠান হয়েছে। প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়েছিলো ১৯৯৭ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি। দ্বিতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়েছিলো ২০০১ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি। তৃতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়েছিলো ২০০৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি।
চতুর্থ সমাবর্তন যখন অনুষ্ঠিত হচ্ছে তখন এই বিশ্ববিদ্যালয় ৩৯ বছরে পদার্পন করেছে। ১৯৭১ সালের ১২ জানুয়ারি পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর রিয়ার এ্যাডমিরাল এস এম আহসান আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিশ্ববিদ্যালয় উদ্বোধন করেন। তবে এর আগে ৪ জানুয়ারি অর্থনীতি, ভূগোল, গণিত ও পরিসংখ্যান বিভাগে ক্লাস শুরু হয়। প্রথম ব্যাচে ছাত্র-ছাত্রী সংখ্যা ছিলো এক শ পঞ্চাশ জন। চারটি বিভাগ ও একশ পঞ্চাশ জন ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে যে বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হয়েছিলো; প্রতিষ্ঠার ৩৯ বছরে সেই বিশ্ববিদ্যালয় আজ মহীরুহ ধারণ করেছে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেরব অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। সাতাশটি বিভাগ ও দু’টি ইনস্টিটিউটে তের হাজারেরও বেশি ছাত্র-ছাত্রী এখন লেখাপড়া করছে। বর্তমানে শিক্ষক সংখ্যা ৫৫২জন, অফিসার ২২১জন, তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী ৫৬৫ এবং চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীর সংখ্যা ৭০১জন।
অধ্যাপক ড· শরীফ এনামুল কবির ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ উপাচার্যের দায়িত্ব গ্রহণের পর বানিজ্য অনুষদ খোলার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় আরো এক ধাপ এগিয়ে গেছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার যে মূল উদ্দেশ্য ছিলো উচ্চতর গবেষণা করা সেই দিকে বিশ্ববিদ্যালয় এগিয়ে চলছে বিরামহীনভাবে। ২০০৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৭০০৮জন গ্রাজুয়েট ও ১৪০২৫জন স্নাতকোত্তর, ১৫৪জন এম·ফিল গবেষক ও ২০০জন পিএইচডি গবেষক তাদের গবেষণা সম্পন্ন করে ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
৩৯ বছরের পথ পরিক্রমায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা ও গবেষণাসহ অন্যান্য শিক্ষা কর্মকান্ডে গৌরব রচনা করেছে। একটি উচ্চতর গবেষণা প্রতিষ্ঠান হিসেবে এ বিশ্ববিদ্যালয়কে গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে এর আনুষ্ঠানিক যাত্রার প্রাক্কালে দেশের খ্যাতনামা শিক্ষকদের এ বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে আসা হয়। গণিত বিভাগে অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন, অর্থনীতি বিভাগে অধ্যাপক মালিক খসরু চৌধুরী, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগে অধ্যাপক এম আই চৌধুরী, পরিসংখ্যান বিভাগে অধ্যাপক কাজী সালেহ আহমেদ, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে অধ্যাপক এম এ রকিব, রসায়ন বিভাগে অধ্যাপক মাহবুবুল হক, ইতিহাস বিভাগে অধ্যাপক সালাউদ্দিন আহমেদ, বাংলা বিভাগে অধ্যাপক মুস্তাফা নূরউল ইসলাম, অধ্যাপক সৈয়দ আলী আহসান, ইংরেজি বিভাগে অধ্যাপক আবু রুশদ মতিন উদ্দিন, অধ্যাপক জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী প্রমুখ স্বনামে খ্যাতি অর্জনকারী শিক্ষকদের মাধ্যমে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়।
আসলে কেউ ফেরে না।
মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর
যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
দ্য ড্রাগ কিং

সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।
খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে
আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন
ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।
শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন
মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪
মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।
মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।