আমার প্রিয় পোস্ট
- সকল জামাত বিরোধী, রাজাকার বিরোধী পোস্টের সংকলন। - হ্যারি সেলডন
- বাংলাদেশের ধ্বংসযজ্ঞের ওপরে ব্যাংক রিপোর্ট: বিদেশী পত্রিকায় মুক্তিযুদ্ধ, পর্ব ৪৪ - ফাহমিদুল হক
- জুলিয়ান ফ্রান্সিস : আরেকজন বাংলাদেশ প্রেমী - হাসান বিপুল
- অনলাইনে বাংলা নাটক - দুঃখবিলাস
- বীভৎস যৌন নির্যাতন, কিন্তু এড়িয়ে গেছেন সবাই - শেরিফ আল সায়ার
- মুক্তিযুদ্ধের কিছু প্রামান্য বইয়ের তালিকা - ফারহান দাউদ
- অনেক অজানা অতীত : নতুন প্রজন্মের জন্য। স্বাধীনতা পূর্বাপর গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার দলিলসমূহ - ১ - মিরাজ
- এই নিওলিথিক্যাল শহরে মাঝি আর তার দুধভাই - মৃদুল মাহবুব
- যাদের বেঁচে থাকার অধিকার নাই-আসুন তালিকা করি - আমি সাগর
- মুক্তিযোদ্ধাদের শপথ - অমি রহমান পিয়াল
- আমার বাংলা ই-বুক সংগ্রহের এক বছর - সংগ্রহে দুই শতাধিক বই - তালিকা এখানে - মোজাম্মেল হোসেন (ত্বোহা)
- যদ্যপি আমার গুরু শুঁড়ি বাড়ি যায়, তথাপি আমার গুরু নিত্যানন্দ রায়। - নাজিম উদদীন
- রোশেনারা : মুক্তিযুদ্ধের এক মিথ - অমি রহমান পিয়াল
- নির্দোষ কৌতুক: সদ্য বিবাহিত বা সদ্য প্রেমিকরা পড়বেন না - বহুরুপি
তপন বাগচীর কবিতায় মন্তব্য পড়ে প্রতিক্রিয়া পোস্ট: মাহমুদুল হককে শ্রদ্ধা জানানোর ইজারা তবে কার হাতে? কেন?
২৩ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৫:৫১
আমি লিঙ্ক দিতে পারিনা... তাই এখানে দিতে পারলাম না লিঙ্কটা...
তপন বাগচী কথাশিল্পী মাহমুদুল হককে শ্রদ্ধা জানিয়ে একটা কবিতা লিখেছিলেন... সেই কবিতা পড়ে অনেকেই নাখোশ হয়েছেন... তারই প্রতিক্রিয়ায় একটা মন্তব্য লিখতে বসেছিলাম... সেটা অনেক বড় হয়ে গেলো... তাই আলাদা পোস্ট দিলাম...
বাহ্... এখানে দেখি কবিতার ক্লাশ শুরু হয়ে গেছে...
এবং দেখা যাচ্ছে অনেকেই মাহমুদুল হকের ইজারা নিয়ে নিয়েছেন... বাহ্ বেশ...
সবাইকে সালাম।
নানাজনে নানান নসিহত করছেন...
আমি কবি না... কবিতা পাড়ি... তবে তা পড়ার যোগ্যতা আছে কি না তাই নিয়ে বেশ সংশয় হয়... হচ্ছে।
তাই কবিতা নিয়ে কথা বলার ধৃষ্ঠতা করছি না।
তবে মানুষ হিসেবে অন্য অন্য কিছু ব্যাপার খারাপ লাগলো... সেগুলো বলতে চাই...
বিগব্যাং বলেছেন: অগ্যতা মাফ করবেন, তবে একজন অদক্ষ পাঠক হিসেবে, এ ছড়াটাকে বেশ দুর্বল হালকা ও অগভীর মনে হচ্ছে... মাহমুদুল হককে নিবেদনের যোগ্য মনে হচ্ছে না...
নাহয় এটা ছড়া হলো... দুর্বল হালকা আর অগভীর হলো... কিন্তু মাহমুদুল হককে নিবেদনের যোগ্যতা অযোগ্যতা বিচারের ভার কে আপনার কাধেঁ তুলে দিলো ভাই? প্রিয় মানুষের মৃত্যুতে যে কেউ নিজ নিজ ভাবে শ্রদ্ধা নিবেদন করার অধিকার কি তবে রাখবে না? নাকি শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য সেন্সর বোর্ডের অনুমতি নিতে ফতোয়া দিচ্ছেন?
জাহিদ সোহাগ বলেছেন: কি লিকছেন মিয়া বাই। মাদারীপুরের লোক হইয়া। এত বড় পন্ডিত মানুষ!!!!!!!! হক ভাই দেখলে আত্নহত্যা করতো।
হক ভাইকে একবার এইটা দেখাইতে সাধ হইতেছে... কিভাবে দেখানো যায়? তবে মনে হচ্ছে হক ভাইয়ের অনুভূতিগুলো আপনিই সবচেয়ে ধারণ করতে পারছেন... ভয় হচ্ছে আপনিই না আত্মহত্যা করে বসেন...
সুতরাং এর জন্য একটা গল্প বলি... একবার খুলনা গেলাম... সাথে যারা তারা সবাই সাহিত্য জগতের বিরাট লোক... একনামো লাগবে না আধানাম বললেই চিনবেন... দরকার নাই... তো এক হোটেলে উঠলাম... নিচে মার্কেট। এক লোক আমাদেরকে ডাইকা পরিচয় দিলো কবি সে... এবং অনেক কথার ভীড়ে সারকথা হইলো যে সে মফস্বলে থাকার কুবাদে বড় কবি হইতে পারে নাই... ঢাকায় থাকলে শামসুর রাহমান টাহমান কিছু না... সেই বড় কবি হইতো। শেষে তার একটা মূদ্রিত কাব্যগ্রন্থ দিলো পড়তে... আমরা তো দুই ছত্র পইড়াই সইরা গেলাম... এইসব যে লেখে তার সাথে কাব্যালোচনা করে কে? কিন্তু একজন রয়ে গেলেন... তিনি সবগুলা কবিতা সেইখানে বইসা পড়লেন এবং আরো অনেকক্ষন আলোচনা করলেন।
রাতে তারে দিলাম ঝাড়ি... ঐ মিয়া... ঐ ব্যাটা কি বালছাল লেখে তা নিয়া এত সময় নষ্ট করার কি আছে? আপনে হালায় একটা বেকুব। তিনি বললেন ভাইরে... এই লোকটা সীমান্তের পাশে বাস কইরাো চোরাকারবারী হইতে চায় নাই, সন্ত্রাসী হইতে চায় নাই, মাদকসেবী হইতে চায় নাই... সে কবি হইতে চাইছে... এবং এইজন্য সে চেষ্টা করতেছে... আপনের কাছে সে ঘন্টাখানেক সময় দাবী করছে... আপনে কোন বালটা ছিঁইড়া ফেলছেন যে তারে আপনি অবজ্ঞা করবেন? নাহয় সে কবিতা লেখতে পারে না... কিন্তু সে যে কবি হইতে ইচ্ছা প্রকাশ করছে সেই তার জন্য আমি এট্টুক সময় নষ্ট করতে রাজী।
তপন বাগচী আমাকে চিনবে না... আমি তাকে চিনি... তিনি বড় কবি বা অন্য কি বিরাট সেইসব আমি বলছি না। তার লেখা কবিতা হইছে কি হয় নাই তা আপনি অবশ্যই ভালো বিবেচনা করতে পারবেন... বাজারে আপনার লিখিত কাব্যগ্রন্থ আছে... আমি হাকুল্লা। কিন্তু তপন বাগচীর শ্রদ্ধা প্রকাশরে আমি অবশ্যই সন্মান জানাইতে চাই...
একজন লেখককে জানানো শ্রদ্ধা আপনার কাছে অত্যাচার মনে হইলো? শ্রদ্ধা জানানোর তরিকা সমৃদ্ধ একটা লেখা তবে আপনার নিকট আশা করি।
আচ্ছা তা না দিন... অন্তত আপনি হক সাহেবকে শ্রদ্ধা জানিয়ে একটা কবিতা লিখুন... যেটা আদতেই কবিতা হবে।
আমি সেখানে গিয়েই আপনাকে স্যালুট জানিয়ে আসবো। কিন্তু অন্যের শ্রদ্ধাকে অসন্মান না করার অনুরোধ করি।
জুয়েল মোস্তাফি. বলেছেন: মাহমুদুল হকের প্রতি নিশ্চয় আপনার শ্রদ্ধা আছে। কিন্তু এ নিয়ে কবিতা না লিখে গরু অন্বেষণ করুন। ভালো করবেন। এটা কবিতা তো নয়, লজ্জা!
এবার আমি বড় ঝামেলায় পতিত হইলাম রে ভাই... আমি মাহমুদুল হককে শ্রদ্ধা জানাতে চাই... কিভাবে জানাবো জানাবেন?
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মামা...
ধৃষ্টতাটা কেন তৈরি হলো তা পোস্টেই পরিষ্কার... পাঠকরা কবিতা নিয়ে কথা বলতে পারবেন কি এখন? কবিতা অপছন্দকারী পাঠক যে কবির নিকট মূর্খ প্রতিয়মান।
কৌশিক বলেছেন:
বিগব্যাং , জাহিদ সোহাগ, জুয়েল মোস্তাফি - এই তিনজনরে একটু ভাল কইরা খেয়াল করতে হবে। লিংক দিতে হইলে স্রেফ কপি কইরা পেস্ট করলেও হবে। আরেকটা পদ্ধতি হইতেছে যে শব্দে লিংকটা বসাইতে চান সেইটা হাইলাইট কইরা তারপর যেখানে লেখেন সেই বক্সের উপরে যে অনেকগুলা বাটন আসে তার একটা হচ্ছে এখানে লিংক দিন - সেইটা চেপে দেওয়া।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কৌশিকদা... শিখে রাখলাম... এখানে অনেক পুরনো হলেো আসলে নতুনেরো অধম আমি... অনেক কিছুই জানি না... আবারো ধন্যবাদ...
বিপ্লব রহমান বলেছেন:
কবিতার ক্লাশ অনেক দিন আগেই শুরু হয়েছে রে ভাই। শুধু তপন বাগচিকে দোষ দিয়ে লাভ কী?তিনি তো তা-ও নিজের নাম ও পরিচয়ে ব্লগ করেন। তার লেখা (লিংক না থাকায় সেটার সম্পর্কে বলতে পারছি না) কবিতা হয়েছে, কী হয় নি, সে বিতর্কের বাইরে তিনি একজন গুনী কথাশিল্পীকে শ্রদ্ধা জানাতে চেয়েছেন। এটিই কী যথেষ্ট নয়?
প্রত্যেকের শ্রদ্ধা জানানোর নিজস্ব পদ্ধতি থাকতে পারে। আমরা তা পছন্দ করি বা না করি, এটি ব্যক্তি-অভিরুচির বিষয়।
কিন্তু এ সবে আপনিই বা এতে এতো ক্ষুব্ধ হলেন কেনো??
লেখক বলেছেন: এই ঘাটে আমি অনেকদিনের হলেো পারাপার খুব কম... তাই আসলে অনেক কিছু জানি না বিপ্লবদা... যাহোক... আপনি কেমন আছেন?
ব্যক্তি-অভিরুচি প্রকাশের মানদণ্ড কেউ খাড়া করিয়ে দিলে একটু ক্ষোভ জন্মায়... তাই হলো আর কি...
এখানে আপনার লেখাগুলো অনেক জমে গেছে... একদিন আপনার ব্লগে ঢুকে টুকিয়ে টুকিয়ে সবগুলো পড়ে ফেলবো...
রবিউলকরিম বলেছেন:
আমার আসলে নতুন করে আবার মন্তব্য করার দরকার পড়ে না। কিন্তু করলাম একারণে যে, ঐ ব্লগে মন্তব্য করেছিলাম: ভােলা লাগল। এবঙ তারপর তপন বাগচী মন্তব্য করলেন: আপনিই প্রথম মন্তব্য করেছেন। ধন্যবাদ। কিন্তু ভালো বলতে গেলেন কেন? দেখছেন না আপনি ভালো বলার পরেই, কেউ কেউ খেউ খেউ করে তেড়ে এলন!মন্তব্যকারীদের অনেকেই কবিতাটিকে বাতিল করলেন, আর আপনি গ্রহণ করলেন! আপনার এই ভদ্রতার জন্য কৃতজ্ঞতা।
আমি তাঁর অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছিলাম। তার লেখাটি কবিতা, না-কবিতা, এটা নিয়ে আমার কোনো মাথ্যা ব্যথা নেই। তবে যারা কবিতাটি বিরুপ মন্তব্য করছেন তাদের প্রতি অনুরোধ করব, ভাই অনুগ্রহ করে তার অবেগটাকে মুল্যায়ন করুন। কবিতাটিকে নয় বা লেখাটিকে নয়। কেননা তিনি মাহমুদুল হকের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই এ কাজটি করেছেন, কোনো অসৎ উদ্দেশ্য থেকে নয়। এটা ভেবে দেখতে বলি। ধরেই নিলাম তার কবিতা হয় না। ওটা আরেকটি বিষয়। ওটা এই শ্রদ্ধার সাথে মেলাবেন না, প্লিজ। অন্য কোথাও আলোচনা করুন। এই পোস্টে এ নিয়ে মন্তব্য করলে, মহমুদুল হককেই অবমাননা করা হয়।
আশা করি বিষয়টা পরিস্কার করতে পেরেছি।
লেখক বলেছেন: আমিো আসলে এই কথাটিই বলতে চাইলাম...
হাসিব মাহমুদ বলেছেন:
কবিতাটা পড়ি নাই । তবে না পড়লেও ওটা যদি পৃথিবীর নিকৃষ্টতম কবিতাও হয়ে থাকে তাহলেও যেহেতু সেটা তপনদা মাহমুদুল হককে শ্রদ্ধা প্রকাশের জন্য লিখেছেন সেহেতু আমি সেটাকে বাতিল করে দিতে পারি না । তপন বাগচীকে হতোদ্যম না হয়ে আরো লেখার অনুরোধ করি ।
লেখক বলেছেন: একেবারে ঠিক বলছেন... ধন্যবাদ... আমার অবস্থানো আসলে এইখানেই...
মুকুল বলেছেন:
হাসিব মাহমুদ বলেছেন: কবিতাটা পড়ি নাই । তবে না পড়লেও ওটা যদি পৃথিবীর নিকৃষ্টতম কবিতাও হয়ে থাকে তাহলেও যেহেতু সেটা তপনদা মাহমুদুল হককে শ্রদ্ধা প্রকাশের জন্য লিখেছেন সেহেতু আমি সেটাকে বাতিল করে দিতে পারি না । তপন বাগচীকে হতোদ্যম না হয়ে আরো লেখার অনুরোধ করি ।- - -
একমত।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মুকুল...
রবিউলের কথামতো ধরেই নিলাম যে ওটি কবিতা হয়নি। কিন্তু ওই না-হওয়া কবিতাটি পড়ে-না-পড়ে ানেকেই যে মন্তব্য করার জন্য সময় দিয়েছেন, তার জন্যে সকলকে ধন্যবাদ জানাই। আপনারা শিখিয়ে দিয়েন, কী করে কবিতা লিখতে হয়! তাহলে আমার মতো অনেকেই উপকৃত হবেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তপনদা...
আমিো তাদের কাছে অপেক্ষার হাত পেতে বসে আছি তারা কবে কিভাবে লেখা শেখাবে কবিতা...
কবে শেখাবে শ্রদ্ধাপদ্ধতি...
নির্বাসিত বলেছেন:
এই লেখাটির জন্য আমি আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ব্যাপারটি আসলেই খুব বাজে লেগেছে আমার কাছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নির্বাসিত
অনার্য তাপস বলেছেন:
আপনি যাদের নাম লিখেছেন তারা 'শূণ্য দশকের' কবি বা একটু সিনিয়র 'উন শূণ্য দশকের কবি'। তো এই কবিদের নিয়ে কিছু ঝামেলা আছে। এরা নিজেদেরকেই বড় কবি ভাবে এবং অন্যের কবিতাকে বালছাল বলে গালি দেয়। নিজের বন্ধুবান্ধবরা তাদের কবিতাকে সেরা বলে এবং সেই আত্মপ্রসাদ নিয়েই তারা দিন কাটায়। তাদের কিছু লেখা ভালো। কিছু যে আলোচ্য কবিতাটির চেয়েও অপকৃষ্ট সেটা তারা ভেবে দেখে না। বন্ধুত্বের সূত্রে এদের অনেকের সাথেই আমার পরিচয়। অনেকের কবিতাই আমি পড়ি। সুতরাং ...বাকি টুকু আর নাই বলি।আপনাকে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তাপস... ভালো লাগলো আপনার মন্তব্য।
আমি খুব মনোযোগ নিয়েই তাদের লেখা পড়তে আগ্রহী।
একজন কবির কবিতা ভালো না লাগতেই পারে। সেটা খারাপ হয়েছে সেটা জানিয়ে দেয়াই সেক্ষেত্রে উত্তম। কেন এবং কি কারনে খারাপ হয়েছে তা জানিয়ে দিলেই ভালো। প্রয়োজনে পরামর্শ দিক। কিন্তু তাকে কবিতা লেখা বাদ দিয়ে গরু খোঁজার পরমর্শটা ভালো লাগেনি।
আবারো ধন্যবাদ।
কৌশিক বলেছেন:
ও আচ্ছা, এই হলো শূণ্য কবি। হোগা দিয়া কবিতা লেখার অভ্যাস ভালই রপ্ত করেছে তাহলে।
লেখক বলেছেন: হা হা হা হা... জটিল বলছেন দাদা...
রবিউলকরিম বলেছেন:
তপন দাকে বলছি, আমি কোথাও বলিনি যে, আপনার কবিতা হয়না। আমি কবিও নয়, কিংবা এমন কোনো ব্যাক্তি নয় যে কবিতা হওয়া না হওয়া নির্ধারন করে।আমি আপনার অনুভূতিটাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেছিলাম, ভালো লাগল। যদি সেটা অপরাধ হয় তবে ক্ষমা করবেন।
কৌশিক বলেছেন:
তপন বাগচীর জন্য আমার শূন্য নিবেদনতপন বাগচীর শূন্যধর্ষকেরা - শূন্য দিয়ে কবিতার হোগামারা
জল পড়লে পাতা নড়লে কবিতার পায়ুপথে
জোর করে কিছু ধকল সইয়ে দেন শূন্যরা
পাঠরসে টসটসে অক্ষরগুলা
মাল ফ্যালে থকথকে শূন্যমোহিনী দর্পে
ক্লাস এন্ড কেলাস দ্বন্দ্বে তপন বাগচীর পুটকি চেটে
সুখাদ্য গেলানোর ছবক দেন....এইভাবে.....ঐভাবে
উহাদের শূন্য বলো, ঠিক শূন্যের পরে ঠিক শূন্যের আগে
একফোটা জল পড়লে তাহাকে বর্জ্য বলো
শূন্যের কেলাসে যাহা কবিতা উহার জংঘায় তেলেসমাতি
বালছাল অভিষিক্তে একটু নাড়ান যদি
তাহাদের শূন্য গহবরে সরসর করে পৌরুষাঙ্গ বানান হবে
কত স্বরবর্ণে, মাত্রায় - যাদু চুদিবে, গগনে গর্জে মেঘ, ঘন বরষা
উরুসন্ধির গন্ধ শুকে একটু বিলাবে ছন্দের ডিং ডং পৌনপুনিক
সব শূন্য ঘুড়ির মগডালে চৌচির বন্দনা
জাউড়া কবির তেলেসমাতি বলে শালা শূন্য কবিতা লেখি
তপন বাগচীর পায়ুপথে এবার সেই শূন্যের বাটখারা
আর তাবৎ কাল ধরে সব কবির কবিতার হোগামারা!
আপনি আগের পোস্টেই লিখেছেন 'ধরেই নিলাম তার কবিতা হয় না। ওটা আরেকটি বিষয়। ওটা এই শ্রদ্ধার সাথে মেলাবেন না, প্লিজ।'
পরের পোস্টে লিখেছেন 'তপনদাকে বলছি, আমি কোথাও বলিনি যে, আপনার কবিতা হয় না'।
আমি আপনাদের কথার মারপ্যাঁচ বুঝি না, ভাই। আপনার পরপর দুটি পোস্ট মিলিয়ে দেখুন। হযতো ওটি আপনার মনের কথা নয়। কিন্তু লেখার কথাটা দেখেই তো আমি একম ভেবে নিতে পারি।
তাতে দোষের কিছু নেই। আপনি আবার ক্ষমা চাইতে গেলেন কেন? বুঝি না ভাই, আপনাদের রকম-সকম।
এখন, নিজেকেই গালি দিতে ইচ্ছে হয়, কোনটা প্রশংসা আর কোনটা নিন্দা, এখনো বুঝলি না, তপন, তাহলে তুই লিখিস কোন যোগ্যতায়?
রবিউলকরিম বলেছেন:
আপনি প্রেক্ষিত বোঝেন না তপন দা। আমার ঐ কথার মর্মার্থ ছিল, যারা বলছে আপনি কবিতার নামে .... করেছেন, তাদের কথা মেনে নিয়েও যদি বলি যে ওটা কবিতা নয় তবুও তো তাদের এসব মন্তব্য করা ঠিক হয়নি। আমি এটা বোঝাতে চেয়েছিলাম। যাই হোক। আমি প্যাঁচ দেইওনি, লাগাইওনি। আর আমার সর্ম্পকে আপনার সুস্পষ্ট ধারনা আছে বলেই আমি জানি।ভালো থাকবেন।



















তাই কবিতা নিয়ে কথা বলার ধৃষ্ঠতা করছি না।'
কবিতা কী এমন অলৌকিক দৈবিক মাল যে ওটা পড়ার জন্য বাড়তি যোগ্যতা লাগবে? কবিতা কার ঘরের বউ যে তা নিয়ে কথা বলাটা ধৃষ্টতা হবে?
এছাড়া আপনার সমস্ত কথার সাথে সহমত।