আমার প্রিয় পোস্ট
- হুমায়ুন আহমেদের ১৪৮ টি বইয়ের বিশাল সমগ্র [রিপোস্ট] লিংকসহ ঠিক করে দিলাম - বখতিয়ার হোসেন
- বাংলাদেশে কোন ক্যামেরা কোথায় পাবেন এবং ক্যামেরা নিয়ে সকল ধরনের পরামর্শ - ফটো পাগল
- নতুন ব্লগার হলে যে প্রশ্ন গুলোর উত্তর আপনি দিতে পারবেন না :: প্রবীন ব্লগারদের কাছে হাত প্রকারন্তরে লিংক চাহিয়া সাহায্য লাগবে - জীবনানন্দদাশের ছায়া
- দৃশ্যখাদকের দল এবং স্মৃতির ভাঙা দেরাজ - হাসান মাহবুব
- কমপিউটারের কিছু শর্টকাট/ কীবোর্ড কমান্ড টিপস - বুদ্ধিজিবী
- ইন্টেরিওর টিপস - নীল_পরী
- ফেসবুকের খুঁটিনাটি - ইসতিয়াক-চৌধুরী
- একটি মামাবাড়ির আবদার ~ তথা ~ দাতা হাতেম তাই ~ তথা ~ হাজী মুহম্মদ মুহসীন টাইপ পোস্ট ( সিজন -২)
- নাফিস ইফতেখার
- সামুর সব রেসিপি পোস্ট
[আপডেট * ~ ৫ ~ *] - বাবুনি সুপ্তি
- ব্লগার বন্ধুদের জন্মদিনঃ ডাটা ব্যাংক - মিলটন
- স্কেচ শেখার কিছু বই - সাদাচোখ
- কবিতার জন্য নিমন্ত্রণ-আসুন একটা কবিতা লিখি - সেবু মোস্তাফিজ
- রুদ্র মোহাম্মদ শহীদুল্লাহকে লেখা তসলিমা নাসরিনের চিঠি - রাজীব নুর
এপোলো-১১ এর চাঁদে অবতরন মিথ্যা ছিলো!!! এর পক্ষে যুক্তি...
০৪ ঠা আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩০
চাঁদে অবতরণ সত্যি না মিথ্যা তা নিয়ে যুক্তি তর্কের শেষ নেই।তবে মিথ্যার পক্ষেই যুক্তি বেশী । তার কিছুই এখানে তুলে ধরার চেষ্টা করলাম।
![]()
১) এই সেই ক্যামেরা যা দিয়ে এপোলো মিশনের সমস্ত ছবি তোলা হয়েছিলো।এটি তৈরী হয়েছে ১৯৬৬ থকে ১৯৭৫ এর মাঝামাঝি সময়।একটি গুরুত্বপূর্ন বিষয় লক্ষ্য করার মত যেটি সেটি হচ্ছে তাপমাত্রার ব্যবধান।পুরো এপোলো মিশন এ যে তাপমাত্রার ব্যবধান ছিলো তা হল -১৮০ ডিগ্রী ফারেনহাইট থেকে +২০০ ডিগ্রী ফারেনহাইট( পূর্ন সুর্যালোকে) পর্যন্ত।নভোচারীরা চাঁদের বিভিন্ন পরিবেশে ছবি তুলেছে।কথা হল এই ক্যামেরার ফিল্ম কিভাবে এই তাপমাত্রার ব্যবধান সহ্য করেছে?
![]()
২)এই ছবটিতে আপনারা শিলাখন্ডের গায়ে লেখা "C" অক্ষরটি নিশ্চয়ই দেখতে পাচ্ছেন।মাটিতেও এরকম আরেকটি অক্ষর আছে।কথা হল চাঁদে আগে থেকেই কিভাবে "C" থাকতে পারে? এইরুপ "C" অক্ষর হলিউডের ছবির শুট্যিং স্পটে দেখা যায়, যা শুট্যিং দৃশ্যের কেন্দ্রবিন্দু কোথায় হবে তা নির্ধারন করতে ব্যবহার করা হয়।
![]()
৩) এইছবিটিতে এলড্রিনের পায়ের নিচের অংশের close view দেখা যাচ্ছে।এটা কি করে সম্ভব? যেহেতু ক্যামেরাগুলো নভোচারীদের বুকের সাথে লাগানো ছিলো।
![]()
৪) এই ছবটিতে দেখুন(শুধু এটা না সবগুলোতেই), নভোচারীদের পেছনের background দেখা যাচ্ছে না।ছবটিতে এল্ড্রিনের লেম এ ও নীল আর্মস্ট্রং এর ছবির পেছনের background দেখা যাচ্ছেনা।প্রকৃত ছবি হলে আশেপাশের দৃশ্যগুলো কোথায়?
![]()
৫)নাসার দেয়া কিছু ছবি আরো সন্দেহজনক।এই ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে নভোচারীর পিছনে সূর্য থাকার কারনে সামনে তার পরিপূর্ন ছায়া পড়েছে। কিন্তু সূর্যকে পেছনে রেখে একটা মানুষের তোলা ছবি কিভাবে এতো উজ্জ্ব্বল হতে পারে? তার ছবি তো কালো আসার কথা(যেহেতু নাসা বলেছে তারা চাঁদে ছবি তোলার সময় কোন কৃত্তিম আলো ব্যবহার করেনি)।
![]()
৬) এই ছবিটিতে নভোচারীরা আমেরিকার যে পতাকাটি চন্দ্রপৃষ্ঠে স্থাপন করেছে তা হাল্কা বাতাসে উড়ছে। এটাও সম্ভব নয়, কারন চাঁদে এরকম কোন আবহাওয়া নেই, এমনকি বাতাসের কোন অস্তিত্ত ও নেই।
![]()
৭) এই ছবিটিতে প্রায় কাছাকাছি দাঁড়িয়ে থাকা দুজন নভোচারীর ছায়ার দৈর্ঘ্য দুই রকম দেখাচ্ছে। এই ছবটি এটাই প্রমান করে যে ছবিগুলো কৃত্তিমভাবে তৈরী করা কোন স্টুডিও তে ধারন করা হয়েছে যেখানে light setup ভুল ছিলো
![]()
৮)there is no atmosphere in moon .... তা সত্ত্বেও আকাশের একটি তারাও দেখা যাচ্ছেনা, কিন্তু নভোচারীর হাতের ঝুড়ির ভিতরের অংশ স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। এটা অসম্ভব কারণ বায়ুর অনুপস্থিতিতে কোন বস্তুর partial ছবি তুললে তার ভিতরের অংশ কালো দেখা যাওয়ার কথা।
ছবি কৃতজ্ঞতাঃ নাসা
কপিরাইটঃ নীল_পরী
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: শেড়ীর কিছু নাই। ইচ্ছামত মাইনাস দেন
নতুনছেলে বলেছেন:
আমারো মনে হয় চাঁদে অবতরন ভুয়া।
রিফাত হোসেন বলেছেন:
++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++সম্ভবত স্নায়ু যুদ্ধে রাশিয়াকে পরাজিত করার কৌশল ছিল । তাছাড়া তখনকার কম্পিউটারের উন্নত প্রযুক্তি ছিল না । তারপর আর তারা কোন মিশনে সফল হতে পারে নাই । মানে চাদে নামতেই পারে নাই ।
স্টিকি করা হোক ।
+
লেখক বলেছেন: হুমম
রিফাত হোসেন বলেছেন:
যারা মাইনাস দিচ্ছেন তারা একটু চেহারা দেখান ও যুক্তি দ্বারা প্রমান করুন যে, এটি ভুয়া ছিল না ।লেখক বলেছেন: সহমত
মনে নাই বলেছেন:
অবশ্যই প্লাস লন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস বলেছেন:
এরচেয়েও অনেক শক্তিশালী যুক্তি আছে।আপনার গুলোর ব্যাখ্যা আমি কোথায় যেন পড়েছি।
লেখক বলেছেন: হয়তো আছে, আমি সময়ের অভাবে আর খুঁজতে পারিনি।
প্লাব২০১০ বলেছেন:
++ দিলাম কথাগুলো ভাবার মতো। পরের মিশন এর ছবিগুলো দেখলে ভালো বোঝা যাবে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: উপদেশের জন্য ধন্যবাদ
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
সবি তো সন্দেহের কথা বললেন। প্রমাণ কি এ সব কথার ?
+++
লেখক বলেছেন: হুমম
নীল_পরী বলেছেন:
ছবিগুলোই তো প্রমান
নাঈম বলেছেন:
এ ব্যাপারে একসময় কিছুটা পড়াশুনা করেছিলাম, আমি মোটামুটি নিশ্চিত আর্মস্ট্রংদের চাঁদে যাওয়ার কাহিনী পুরাটাই ভুয়া।
লেখক বলেছেন: আমারো একই ধারণা।
আমি পুরা Conspiracy theory ডকুমেন্টরীটা দেখছি!
(চান্দে যাওয়া ছিল লস প্রজেক্ট, হের চেয়ে হলিউড মুভি বানান সহজ)
ওইটি দেখলে একটা গন্ড মূর্খও বুঝবে কত বড় জোচ্চুরিটা হইছিল।
বুশ বেটা তো যুক্তি ছাড়া (থাকলে না!) হেগো কথাই কইবো! দ্যাশ পেরেম!
লেখক বলেছেন: আমিও documentary টা দেখেছি, কোন একটা বইতেও পড়েছিলাম , নামটা ঠিক মনে করতে পারছিনা। আমেরিকা ভেবেছে আমরা সবাই ইডিয়ট, ওদের চুরি ধরতে পারবো না।
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন:
+। চন্দ্রে গমন যে মিথ্যা তা ৭নং ছবিই তার উৎকৃষ্ট প্রমাণ। আর ১৯৭২ এর পর আজ পর্যন্ত আর মার্কিনিরা চন্দ্রে যায় নি.......তারই বা কারণ কি?
লেখক বলেছেন: আমারগুলা হচ্ছে সাধারন বিষয়, এরচেয়েও শক্তিশালী প্রমান হয়তো আছে।
সজিব১৫১০ বলেছেন:
ঘাপলা তো নিশ্চয়ই আছে! ৫-৬ বছর আগে প্রথম-আলো'র বিজ্ঞান প্রজন্ম পাতায় এরকম একটা লেখা পড়েছিলাম বলে মনে পরছে। বিষয়টি ভাববার মতো।
লেখককে ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
দুখী মানব বলেছেন:
আপনার সব কয়টা লজেকের এন্টি লজিক আছে।সেই যুক্তি গুলোকে খন্ডন করেন
লেখক বলেছেন: আপনি পারলে করে দিন। আমি লজিক দিলাম, আপনারা তার বিপক্ষে যুক্তি দিন,আমারও মনে হয় এটা পুরোটাই ভুয়া, তো এন্টিলজিকের তো দরকার ই নেই।
কাঊসার রুশো বলেছেন:
এটা যুক্তরাষ্ট্রের স্নায়ু যুদ্ধে রাশিয়াকে পরাজিত করার কৌশল ছিল। সম্ভবত ব্যপারটা সত্য।
তারপরও মন বিশ্বাস করতে চায় মানুষ চাঁদে গিয়েছিলো।
লেখক বলেছেন: আহা!!
লেখক বলেছেন: হুমম
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন:
বিগত ৩৯ বছরে চন্দ্রে না যাওয়ার কারণটা কি? আর রাশিয়াও আজ পর্যন্ত চন্দ্রে যেতে পারল না কেন?
ভিজামন বলেছেন:
জানা জিনিষ তারপরও ভালো লাগলো....+
এইটা দেখুন, বাচ্চাদের খেলনার মত দেখতে, অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল মোড়ানো চন্দ্র যান!
আর এটা ল্যান্ড করার জন্য যে ডাইন ফোর্স হবে তাতে নিচের মাটি লন্য ভন্ড লুক থাকার কথা!
ধুলা বালি ছাড়া শুধু বসায়ে রাখছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ছবিটার জন্য
আপনার কথা মত চাদে বাতাস নাই তাই পতাকা উড়বেনা। অকাট্য যুক্তি। কিন্তু আপনি মনে হয় জানেননা সোলার উইন্ড তৈরী করে এই পতাকার ছবি নেয়া হয়েছিল । ছবিটায় আপনি ক্রুদের সোলার উইন্ড এর এক্সপেরিমেন্ট এর পাশে দেখতে পাবেন।
আপ্নের ধারনা তারা চাদে গেছে কোন ঢাল তরবারী ছাড়া? তাদের সমস্ত পিকচার গুলোই ফ্লাডলাইট ইউস করে তোলা। সেইসব একুইপমেন্ট ইন্সটলমেন্ট দেখতে পাবেন এই সাইটে এর অনেক ছবিতে।
আর তারপরেও অনেক অভিযান চন্দ্রে হয়েছে। সেগুলোর ব্যাপারে আপনার কি মত?
লেখক বলেছেন: আপনি কি গাধা নাকি? ক্রপ করে ছবির ক্লোজ ভিউ দেখা যায় নাকি?
আপনি যে ছবির লিংক দিয়েছেন তা আমিও উপরে দিয়েছি।সোলার উইন্ড এর যে ছবি আপনি দিয়েছেন তাও ভুয়া, ভালো করে খেয়াল করে দেখুন,এইসব ছবি ওরা রিহার্সেল দেওয়ার সময় তুলেছিলো, কৃত্তিম ভাবে চাঁদের মত পরিবেশ তৈরী করে এগুলা তোলা হয়ছে, যাই হোক আমি আপনার সাথে তর্কে যেতে চাইনা।আমার মতামত আমার কছে আর আপনার মতামত আনার কছে
এবিসি১০ বলেছেন:
Apollo 11, 12, 14, 15, 16, 17-------->>> চাঁদে অবতরণ করেছিলো।
এবিসি১০ বলেছেন:
http://en.wikipedia.org/wiki/Apollo_11http://en.wikipedia.org/wiki/Apollo_12
http://en.wikipedia.org/wiki/Apollo_14
http://en.wikipedia.org/wiki/Apollo_15
http://en.wikipedia.org/wiki/Apollo_16
http://en.wikipedia.org/wiki/Apollo_17
তাই আপনার কথা- মাত্র একটিবার মানুষ চাঁদে গিয়েছিলো, তা সর=বৈব মিথ্যা।
লেখক বলেছেন: আমি শুধু এপোলো ১১ এর কথাই এখানে বলেছি। বাকিগুলোর কথা কিছু বলিনি, ওগুলা মিথ্যা কিনা তাও খুজে বের করব। পরে এক্সময় আবার পোষ্ট দিব,
টানজিমা বলেছেন:
নাজমুল ভাইকে ধন্যবাদ। .......কত গুলি লুল আইসা মাইয়াডারে পাম দিতাছে আর মাইয়াডায় পামে পইরা খালি ফুলতাছে..........আমি আইলসা না হলে একক্ষনে যুক্তি প্রমান দিয়া ভইরা দিতাম....
বদল গুলির যে কবে আক্কেল হবে.......
টানজিমা বলেছেন:
নাজমুল ভাইকে ধন্যবাদ। .......কত গুলি লুল আইসা মাইয়াডারে পাম দিতাছে আর মাইয়াডায় পামে পইরা খালি ফুলতাছে..........আমি আইলসা না হলে একক্ষনে যুক্তি প্রমান দিয়া ভইরা দিতাম....
বদল গুলির যে কবে আক্কেল হবে.......
লেখক বলেছেন: দেখুন আমি কারো উপর আমার মতামত চাপিয়ে দিচ্ছিনা। আমি শুধু আমার সন্দেহের কথা বলেছি, আমার সাথে সবার মতের মিল নাও হতে পারে।
@এবিসি আমি Star Wars এর বেশ কয়েকটা পার্ট দেখছি,..
(তার মধ্যে একটা দু্ইটা অবশ্যই সত্য কাহিনী)
যাইহোক আপ্নের সাথে যুক্তি চলেনা। ফার্মেসিতে নাকি পড়েন লিখে রেখেছেন, আসলে আপনার উচিত ছিল জোকের তেল বানানোর কোন ডিপার্ট্মেন্টে পড়া।
লেখক বলেছেন: হা হা ভালো বলেছেন। দঃখিত আমার মন্তব্যের জন্য।
আপ্নের সাথে এই নিয়া আর সময় নস্ট করার সময় নাই। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ। আমি মিথ্যা প্রমান করার চেষ্টা করিনি।মিথ্যা পক্ষে যুক্তি দেখিয়েছি।
বুবলা বলেছেন:
ভাববার আছে
লেখক বলেছেন: এগুলা দিয়া কি বুঝালেন?
টানজিমা বলেছেন:
জানতে চাচ্ছিলাম আপনের মাথার চুল গুলি কত বড় বড়??.. (তাহলে বুঝা যাবে মাথায় গোবরের পরিমান কতটুকু)...
লেখক বলেছেন: হা হা হা , আপনি দেখি আমার সাথে যুদ্ধে নেমে যাচ্ছেন।আমিতো কারো উপর আমার মত চাপিয়ে দেইনি, আমার কথা মেনে নেওয়ার জন্য জোর ও করিনি, তারপর ও সবাই আমার সথে যুদ্ধ করতেছে কেন বুঝলাম না, আমার ক্ষূদ্র জ্ঞান থেকে কিছু যুক্তি দেওয়ার চেষ্টা করেছি, আমার যুক্তির বাইরেও পক্ষে বিপক্ষে অনেক যুক্তি আছে। কোনটা আসল সত্যি তা আমরা হয়তো জানিনা।
মৈত্রী বলেছেন:
২০০৩ এ প্রথমআলোতে পড়ছিলাম "চাদে পড়েঁনি মানুষের পা", লেখিকার নাম মনে করতে পারছিনা। লেখাটা পড়ে চেতনা্য় বড় নাড়া দিয়েছিল। এই সামু ব্লগেই চাদে না যাওয়া নিয়ে অনেক লেখা পড়েছি। যাইহোক, টপিকটারে রাবারের মত টেনে লম্বা করেন। কোথায় শুটিং হয়েছিল এগুলাও লেখেন।গুগল থেকে "এরিয়া ৫১" সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে পোস্ট দেন। তারপর ঢাকার রাস্তায় ইউ.এফ.ও. কবে দেখা গেছিল তাও লেখেন।
শুভকামনা রইল......
সপ্নীল বলেছেন:
সেই কালেও তাইলে আমাগো প্রথম আলো আর মুসা মিয়া ছিল!!!!এতো মুসা মিয়ার এভারেস্ট কাহিনীর মত
তথ্যের জন্য ++
বিপ্লব৯৮৪২ বলেছেন:
এই সুযোগে আরেকটা প্রশ্ন জিজ্ঞেস করি ।নীল আর্মস্ট্রং নাকি চাঁদকে দ্বিখন্ডিত দেখেছিলেন, তিনি সেখানে আযান শুনেছিলেন-এরপর তিনি মুসলমান হয়ে যান।
এ ব্যাপারে কিছু জানেন ?
লেখক বলেছেন: আমি এব্যাপারে কিছু শুনিনি, জানলে আপনাকে জানাবো
অপ্রিয় বলেছেন:
চমত্কার পোস্ট - এক পোষ্টেই পরিস্কার কাদের মাথা গোবরে পরিপুর্ণ আর কাদের মগজে। আমেরিকান সরকার শয়তান হতে পারে, কিন্তু আপনাদের মত ছাগল কখনই না। তারা বলত্কার করলেও বলে কয়েই করে, তাদের অত চুরি দারীর প্রয়োজন পড়ে না। লজ্জা করলনা আপনার এরকম একটি পোস্ট দিতে? একটিবারও ভাবলেন না মিথ্যা অপবাদ দেওয়া কোরানে সবচেয়ে ঘৃণীত কাজ হিসাবে বারবার লিখিত। রসুল বলেছিলেন তোমরা জ্ঞান অর্জনের জন্য চিনদেশে যাও, তিনি যদি এ যুগে জন্মাতেন, তিনি নিশ্চই বলতেন তোমরা জ্ঞান অর্জনের জন্য আমেরিকা যাও। আপনারা কোথায় যান? পাকিস্তানে না সৌদি আরবে?
লেখক বলেছেন: দেশে কি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভাব পরছে?
কলাবাগান১ বলেছেন:
এতগুলি প্লাস দেখে বুঝতেসি আমাদের চিন্তার দৌড়। নাসাতে পৃথিবী হতে রিমোট দিয়ে মংগল গ্রহে 'গাড়ি' চালানো হয়। তাও ভুয়া!!!!!!!!!
নীরব দর্শক বলেছেন:
চাদে ধারনকৃত ভিডিওটি নাকি নাসা থেকে খোয়া গেছে!!!!!চাদে যাওয়াটা গত শতাব্দীর সবছেয়ে বড় প্রতারনা
তন্ময় সব্যসাচী বলেছেন:
মজা পাইলাম .........
লেখক বলেছেন: হুমম
টানজিমা বলেছেন:
যান...........এখন থেকে যুদ্ধ বন... এবার খুশি??.....
(তবে আপনের মাথায় প্রচুর সার আছে, একমাত্র ধান খেতেই কাজে লাগব)..
লেখক বলেছেন: খুশী।বাইরে অনেক বৃষ্টি হচ্ছে, তাই নার জন্য এক কাপ চা। আরাম করে খান
![]()
লেখক বলেছেন: সরি "আপনার জন্য"***
লুকার বলেছেন:
আমারো ধারণা ঐটা শুটিং করা হইছিল। আরিজোনা না কোথাকার মরুভূমিতে অনেক খানি এলাকা টপ সিক্রেট ঘেরাও করে এই কাজ করা হয়। সোভিয়েত ইউনিয়নের গ্যাগারিন মহাকাশে যাওয়ার পরে আমেরিকার দাদাগিরি হোচট খায়, তখন মান-সন্মান রক্ষার জন্য এই কাজ করা হয়। ঐ সময় চাঁদে ল্যান্ড করার মত প্রযুক্তি ছিল না। নভোচারীর একটা ছবি আছে, যেখানে চারদিকের ফ্লাড লাইট থেকে চারটা ছায়া পড়েছে। তবে পতাকা ওড়ার একটা ব্যাখ্যা তারা দিয়েছে যে ঐটা শক্ত তার দিয়ে ঐভাবে আটকানো ছিল।কাহিনী বানানোর ব্যাপারে আমেরিকার সিক্রেট এজেন্সিগুলা ওস্তাদ হইলেও মাঝে মাঝে ধরা খাইয়া যায়। যেমন ১/১১ এটাকের পরে ধ্বংসাবশেষ থেকে নাকি একটা আরবী চিঠি পাইছে! হে: হে:। হাজার হাজার বিলিওন ডলার প্রতিবছর প্রতিরক্ষা/নিরাপত্তা খাতে ব্যয়ের পরেও কেমনে এই ঘটনা ঘটলো, সেইটাই চিন্তার বিষয়!
লেখক বলেছেন: হুমম চিন্তার বিষয়!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই,
হুমাযুন কবির সবুজ বলেছেন:
পুরান পাচাল
স্বাধীন জামিল বলেছেন:
++++++++++++++++++++++++++++++++++++
স্বাধীন জামিল বলেছেন:
ami jotodur janci oita area51 nam a USA er georaphic map theke muche dea akta alaka. ae alaka khub restricted n ae
alakar kacha kachi asa kono manush k mere felar nirdesh
ace, n ae jayga USA er kothay ta keu jane na. poromanu
research gula naki ae alakay kore thake tara.
লেখক বলেছেন: হুমম
লেখক বলেছেন: খিক খিক...
এস এম শাখওয়াত আহমেদ বলেছেন:
এখানে ঝগড়া করার দরকার কি? কার লম্বা চুল আর খাটো চুল তা নিয়ে মথার চুল ছেড়ার দরকার নাই। আসলে চাঁদে কি তারা যেতে পেরেছিলেন কিনা তা নিয়ে আজও রহস্য রয়েছে। বহুদিন আগে পড়েছিলাম ঐযায়গাটা নাকি আমেরিকার সেনানিবাস এলাকার একটি যায়গা যেখানে প্রবেশ করা কঠিন।যদি ও আমি প্রমান দেখাইতে পারিতেছিনা।
রিফাত হোসেন বলেছেন:
এরিয়া ৫১ শূটিং করা হতে পারে । কারন ঐ খানের তেমন ভিডিও ফুটেজ নাই । তাছাড়া পৃথিবীর সবচেয়ে সিক্রেট আর্মি বেইস ।
ভুবনেশ্বরী বলেছেন:
আমি এটা আগেও শুনেছি। যাইহোক আমি কিছু নিজের মত কাউন্টার যুক্তি দিলাম। আপনাকে ভুল প্রমাণ করা আমার উদ্দেশ্য নয়। সহজভাবে নিলেই ভালো হয়।-------------------------------------------------------------------
-------------------------------------------------------------------
১) এই সেই ক্যামেরা যা দিয়ে এপোলো মিশনের সমস্ত ছবি তোলা হয়েছিলো।এটি তৈরী হয়েছে ১৯৬৬ থকে ১৯৭৫ এর মাঝামাঝি সময়।একটি গুরুত্বপূর্ন বিষয় লক্ষ্য করার মত যেটি সেটি হচ্ছে তাপমাত্রার ব্যবধান।পুরো এপোলো মিশন এ যে তাপমাত্রার ব্যবধান ছিলো তা হল -১৮০ ডিগ্রী ফারেনহাইট থেকে +২০০ ডিগ্রী ফারেনহাইট( পূর্ন সুর্যালোকে) পর্যন্ত।নভোচারীরা চাঁদের বিভিন্ন পরিবেশে ছবি তুলেছে।কথা হল এই ক্যামেরার ফিল্ম কিভাবে এই তাপমাত্রার ব্যবধান সহ্য করেছে?
------------------------------------------------------------------
হয়ত ক্যামেরাকে এতটা তাপমাত্রা পার্থক্যের ভিতর দিয়ে যেতে হয় নাই।
২)এই ছবটিতে আপনারা শিলাখন্ডের গায়ে লেখা "C" অক্ষরটি নিশ্চয়ই দেখতে পাচ্ছেন।মাটিতেও এরকম আরেকটি অক্ষর আছে।কথা হল চাঁদে আগে থেকেই কিভাবে "C" থাকতে পারে? এইরুপ "C" অক্ষর হলিউডের ছবির শুট্যিং স্পটে দেখা যায়, যা শুট্যিং দৃশ্যের কেন্দ্রবিন্দু কোথায় হবে তা নির্ধারন করতে ব্যবহার করা হয়।
------------------------------------------------------------------
"সি" হয়ত উনারা নিজে লিখে ক্যামেরা ফোকাস করছেন।
৩) এইছবিটিতে এলড্রিনের পায়ের নিচের অংশের close view দেখা যাচ্ছে।এটা কি করে সম্ভব? যেহেতু ক্যামেরাগুলো নভোচারীদের বুকের সাথে লাগানো ছিলো।
------------------------------------------------------------------
অন্য নভোচারী আরেক নভোচারীর ছবি তুলেছেন।
৪) এই ছবটিতে দেখুন(শুধু এটা না সবগুলোতেই), নভোচারীদের পেছনের background দেখা যাচ্ছে না।ছবটিতে এল্ড্রিনের লেম এ ও নীল আর্মস্ট্রং এর ছবির পেছনের background দেখা যাচ্ছেনা।প্রকৃত ছবি হলে আশেপাশের দৃশ্যগুলো কোথায়?
------------------------------------------------------------------
ক্যামেরার "সি" ফোকাসের বাহিরের দৃশ্যপট হয়ত ক্যামেরাতে আসে নাই।
৫)নাসার দেয়া কিছু ছবি আরো সন্দেহজনক।এই ছবিটিতে দেখা যাচ্ছে নভোচারীর পিছনে সূর্য থাকার কারনে সামনে তার পরিপূর্ন ছায়া পড়েছে। কিন্তু সূর্যকে পেছনে রেখে একটা মানুষের তোলা ছবি কিভাবে এতো উজ্জ্ব্বল হতে পারে? তার ছবি তো কালো আসার কথা(যেহেতু নাসা বলেছে তারা চাঁদে ছবি তোলার সময় কোন কৃত্তিম আলো ব্যবহার করেনি)।
---------------------------------------------------------------
চাদে বায়ু নেই। সুতরাং ওইখানে সূর্যের তেজ পৃথিবীর মত নাও হতে পারে।
৬) এই ছবিটিতে নভোচারীরা আমেরিকার যে পতাকাটি চন্দ্রপৃষ্ঠে স্থাপন করেছে তা হাল্কা বাতাসে উড়ছে। এটাও সম্ভব নয়, কারন চাঁদে এরকম কোন আবহাওয়া নেই, এমনকি বাতাসের কোন অস্তিত্ত ও নেই।
-----------------------------------------------------------------
হয়ত পতাকাটা উড়ছেনা। এটা স্টিল পিকচার। এমন কি হতে পারেনা যে পতাকাটা টানানোর সময় থেকেই এইরকম বাঁকা-তেরা হয়ে আছে।
৭) এই ছবিটিতে প্রায় কাছাকাছি দাঁড়িয়ে থাকা দুজন নভোচারীর ছায়ার দৈর্ঘ্য দুই রকম দেখাচ্ছে। এই ছবটি এটাই প্রমান করে যে ছবিগুলো কৃত্তিমভাবে তৈরী করা কোন স্টুডিও তে ধারন করা হয়েছে যেখানে light setup ভুল ছিলো
------------------------------------------------------------------
ছবিটাতে ছায়ার দৈর্ঘের পার্থক্য হয়ত মহাকাশযানের ফ্লাড লাইটের কারণে হয়েছে। কারণ উনাদের মাথার উপর একটা লাইট মনেহয় দেখা যাচ্ছে।
৮)there is no atmosphere in moon .... তা সত্ত্বেও আকাশের একটি তারাও দেখা যাচ্ছেনা, কিন্তু নভোচারীর হাতের ঝুড়ির ভিতরের অংশ স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। এটা অসম্ভব কারণ বায়ুর অনুপস্থিতিতে কোন বস্তুর partial ছবি তুললে তার ভিতরের অংশ কালো দেখা যাওয়ার কথা।
-------------------------------------------------------------------
ক্যামেরাতে হয়ত শক্তিশালী ফ্লাস ছিল।
লেখক বলেছেন: হুমম।ধন্যবাদ আপনি যুক্তি খন্ডানোর চেষ্টা করেছেন। কিন্তু খুবই দুর্বল যুক্তি!!
রিফাত হোসেন বলেছেন:
৪) এই ছবটিতে দেখুন(শুধু এটা না সবগুলোতেই), নভোচারীদের পেছনের background দেখা যাচ্ছে না।ছবটিতে এল্ড্রিনের লেম এ ও নীল আর্মস্ট্রং এর ছবির পেছনের background দেখা যাচ্ছেনা।প্রকৃত ছবি হলে আশেপাশের দৃশ্যগুলো কোথায়?------------------------------------------------------------------
ক্যামেরার "সি" ফোকাসের বাহিরের দৃশ্যপট হয়ত ক্যামেরাতে আসে নাই।>>>>>>>>>>>>>>>>>
আমি পাল্টা যুক্তি দিলাম
ক্যামেরার ফোকাসে তো ব্যাকগ্রাউন্ডের ছবিও এসেছে কিন্তু ডিপ ব্ল্যাক কেন?????????????????? শুধুই কি সি দেখা গিয়েছে? অবশ্যই না । সুতরাং ধামাচাপা যুক্তি কাজ করবে না ।
--------------------
৮)there is no atmosphere in moon .... তা সত্ত্বেও আকাশের একটি তারাও দেখা যাচ্ছেনা, কিন্তু নভোচারীর হাতের ঝুড়ির ভিতরের অংশ স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। এটা অসম্ভব কারণ বায়ুর অনুপস্থিতিতে কোন বস্তুর partial ছবি তুললে তার ভিতরের অংশ কালো দেখা যাওয়ার কথা।
আবারও পাল্টা যুক্তি দিলাম
বুঝলাম তবে এতই শক্তিশালী ফ্ল্যাশ যে ঝুড়ির ছবি দেখা যায়? ঠিকাছে দেখা গেল কিন্তু সাধারণ একটা পুরান কালের ক্যামেরাতেও আশে পাশের ছবি দেখা যায় । কিন্তু ব্যাকগ্রাউন্ডটা গেল কই? সবই কি ডিপ ব্ল্যাক হয়ে গেল??? এটার উত্তর দিবে কে?
নাহিদ বলেছেন:
নাসাতে পৃথিবী হতে রিমোট দিয়ে মংগল গ্রহে 'গাড়ি' চালানো হয়। তাও ভুয়া!!!!!!!!!
লেখক বলেছেন: হুমম
রিফাত হোসেন বলেছেন:
নাহিদ বলেছেন: নাসাতে পৃথিবী হতে রিমোট দিয়ে মংগল গ্রহে 'গাড়ি' চালানো হয়। তাও ভুয়া!!!!!!!!রিমোট দিয়ে চালানো হয় না । এটা ভায়া হয়ে যায় স্যাটালাইট দ্বারা । তাছাড়া ঐগুলি বিশেষ ভাবে প্রোগ্রামড । তারা নিজেরাই বিচরণ করতে সক্ষম ।
এতটা ভুয়া মনে করা ঠিক না ।
লেখক বলেছেন: ![]()
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন:
কষ্ট করে লেখার জন্য পোস্টে প্লাস দিয়েছি। আপনার যুক্তিগুলোও ভাল লেগেছে। তবে বিশ্বাস করতে চাই যে আসলেই চাদে মানুষ গিয়েছিল। তাছাড়া যাওয়ার পক্ষের যুক্তিও কিন্তু কম না...
লেখক বলেছেন: হুমম
ছন্দ্বহীন বলেছেন:
মামার বাড়ি যাইতে মুন চাঁয়....
লেখক বলেছেন: যান না, মানা করছে কে?
শাহরিয়ার নাহিদ বলেছেন:
photoshop এর যুগে এইগুলা কোন প্রমাণ হতে পারেনা।ছবি কৃতজ্ঞতাঃ নাসা বললেই কি হয়ে গেল?
এটা কোন রকমের সোর্স বুঝলাম না।
মাইনাস।
লেখক বলেছেন: আমি যে ওয়েবসাইট থেকে ছবিগুলো নিয়েছি সেখানে ছবিগুলো নাসা থেকে নেয়া হয়েছে বলে লেখা ছিলো।তাই এরকমটা লিখেছি।
শাহরিয়ার নাহিদ বলেছেন:
আপনারা এই লিঙ্ক টা দেখতে পারেন......।কিছু কাউন্টার যুক্তি।
View this link
আমি অবশ্য এইব্যাপারে এখনও সন্দেহবাদী
যেকোন কিছুই হইতে পারে, মানুষের উপর বিশ্বাস নাই।
লেখক বলেছেন: আমি শুধু মিথ্যার পক্ষে কিছু যুক্তি দেখিয়েছি,মিথ্যা প্রমান করার জন্য চেষ্টা করিনি।
মাইনাসের জন্য অসুবিধা নেই।আমার কথা সবার ভালো লাগবে এমনটা আমি আশা করিনা।
ভালো থাকবেন।কষ্ট করে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
আমি স্যাম বলেছেন:
দুঃখিত, আমার ভুলের কারণে ভিডিওগুলো আসেনি আমার উপরের কমেন্টটা মুছে ফেলবেন প্লিজ।।।।
লেখক বলেছেন: মুছে দিলাম
লেখক বলেছেন: হুমম।
আবিল (দ্যা লিরিক বয়) বলেছেন:
অনেক আচরনই আমাদের খারাপ লাগে। এসব ভুলের ব্যাপারে মানুষ সক্রিয় না হলে অচিরেই পৃথিবীর অবস্থা খারাপ হয়ে যাবে ।__|__
|
লেখক বলেছেন: সহমত।
সমাধানদাতা বলেছেন:
ঘটনাটি পুরোপুরিই সত্য।যারা শুরু থেকেই মার্কিন কর্মকান্ডে সন্দিহান থাকে,তাদেরই মনে হয় মানুষ চাঁদে যায় নি।রিফাত হোসেন বলেছেন: নাহিদ বলেছেন: নাসাতে পৃথিবী হতে রিমোট দিয়ে মংগল গ্রহে 'গাড়ি' চালানো হয়। তাও ভুয়া!!!!!!!!
রিমোট দিয়ে চালানো হয় না । এটা ভায়া হয়ে যায় স্যাটালাইট দ্বারা । তাছাড়া ঐগুলি বিশেষ ভাবে প্রোগ্রামড । তারা নিজেরাই বিচরণ করতে সক্ষম ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...




















কিন্তু কিচ্ছু করার নাই......
শঢ়ী............