আমার প্রিয় পোস্ট
- ওরে আংরেজি...আর কত পেইন দিবি?
- ইংলিশের ভয়কে জয় করতে Barron's Painless Series-এর ৩টা মজার বই!! - রাফি মাহমুদ
- ভানু বন্দোপাধ্যায়---কখনো শুনে দেখেছেন কি? - ফেলুডার চারমিনার
- কক্সবাজার ভ্রমনের জন্য কিছু হোটেল ও বাসের যোগাযোগ নম্বর - রঙ্গিন স্বপ্ন
- ট্রুথ কমিশনে আত্মস্বীক্রিত দুর্নিতীবাজদের তালিকা ( প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া লিষ্ট) - হাবীব_ফরিদপুর
- DOI : ২ টি টেলিফোন , রাত ১২-১.০০ টা , শেখ মুজিবের ট্রু লাইস : মার্চ ২৬ - দাসত্ব
- ছবি ব্লগঃ ব্রিটিশ শাসন আমলে বাংলাদেশ - শেখ আমিনুল ইসলাম
- প্রমিত বাংলা বানান রীতিঃ সচরাচর সমস্যা করে এমন শব্দের একটি সম্ভার! - ম্যাভেরিক
- আলফ্রেড হিচককঃ দ্য মাস্টার অফ সাসপেন্স। - জয় সরকার
- ডিভির জন্য ছবি ঠিকঠাক করে নিন সহজে
- রিডার ওয়ান
- বাংলার ভূ-স্বর্গ (ছবি ব্লগ) - দুখী মানব
- জেনে রাখা ভালো (ফুটবল বেসিকস) - নাফিস ইফতেখার
- সামুর সব রেসিপি পোস্ট
[আপডেট * ~ ৫ ~ *] - বাবুনি সুপ্তি
- IELTS ফ্রি ডাউনলোড এর কারখানা (নতুন) !!!যাবতীয় মালমশলা ফ্রি ডাউনলোড : পর্ব -৪ - পরিবেশবাদী ঈগলপাখি
- IELTS EXAM ( পরামর্শমূলক ) - েচতনা
- অনলাইনে জিডি করতে চাইলে - আমি হনুমান
- ছাত্র ইউনিয়ন - শেখ রফিক
- প্রত্নতাত্ত্বিকের দিনলিপি: আফ্রিকার গণিত, আফ্রিকার স্বাধীনতা - ম্যাভেরিক
- ঈদের জন্যে এসএমএস সমগ্র... - বৃষ্টি এবং নীলা
- গণিতের সপ্ত কৌতুক - ম্যাভেরিক
- বিশ্ববিবেককে কাঁপিয়েছিল যে ছবি - জোবাইর
- ক্যামেরা কিনবেন কে কে ? - নক্ষত্রের কান্না
- মজার একটা সাইট শেয়ার না করে পারলাম না
- নিঃসঙ্গ
ফরজ গোসল!
২১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৫১
![]()
তিন দিনের জন্য তাবালীগে যাবার অভিজ্ঞতা হয়েছিল আমার...দীনের দাওয়াত দিতে আল্লার রাস্তায় তিন দিন! তবে এটি ধর্ম বিষয়ক কোন পোস্ট নয় বলে সে বিষয়ে বিষদ অবতারনা না করাই ভাল। তবে সব মিলিয়ে.... তাবলীগ-এর মুরুব্বীদের নিষ্ঠা, সততা ও বিশ্বাস দেখে আমি অবাক হয়েছি...শ্রদ্ধায় মাথা নত করেছি।
এবার কাজের কথায় আসি।
ওবায়েদ ভাই আমার পাড়ার বড় ভাই.... গতবার ভাল কোন ভার্সিটিতে ভর্তির সুযোগ পাননি...এবার আবার আদা-জল খেয়ে লেখাপড়া করছেন, ভর্তি কোচিং করছেন! আর... আমি তখন এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে রেজাল্টের অপেক্ষায় দিন গুনছি। দু'জনই তখন নিয়মিত আছর আর মাগরিব...এই দুই ওয়াক্ত নামাজ মসজিদে জামাতে পড়ি... আর ভাল রেজাল্ট-এর জন্য আল্লাহ আল্লাহ করি!
এহেন আমরা দুই কুতুব.....পাড়ার এক মুরুব্বীর চোখে পরে গেলাম। একরকম বাধ্য হয়েই তিনদিনের জন্য তাবলীগে যেতে সম্মত হলাম। প্রথমে কাকরাইল মসজিদ..তারপর ঐ দিনই সন্ধ্যায় মানিকনগর জামে মসজিদ। আমি বলছি ১৯৮৩ সালের কথা.... তখন মানিকনগর এত জনবহুল এলাকা ছিলনা.... সবে আশ-পাশের এলাকা ডেভলপ হতে শুরু করেছে মাত্র।
প্রথম দিনেই কুলুখ নেয়ার কায়দাটা শিখে গেলাম! তারপর যথারিতী আছরের পর গাস্ত, মাগরেবের পর বয়ান, আর.... এশার পর তালীম। প্রথম দিনেই গাস্ত-এ গিয়ে মজার একটা জিনিস লক্ষ্য করলাম। তাবলীগ বিষয়ে যারা অবগত নন, তাঁদের জন্য এখানে একটু বলে নেয়া ভাল...... সাধারণতঃ আছর নামাজের পর তাবলীগের একটা দল দীনের দাওয়াত দিতে বের হয়। সারিবদ্ধভাবে রাস্তার এক পাশ দিয়ে হেঁটে চলে দলটা...একেই বলে গাস্ত-এ বের হওয়া। সারির একবোরে সম্মুখে থাকেন রাহুবার, যিনি একজন স্থানীয় বাসিন্দা এবং তিনিই এলাকার লোকজনকে মুতাকাল্লিম-এর সাথে পরিচয় করিয়ে দেন। মুতাকাল্লিম-এর কাজ হলো... পরিচয় পর্বের পর সেই লোককে ধর্মের কথা বলা এবং দীনের পথে আসতে আহবান (দাওয়াত) জানানো। আর সারির একবারে শেষে থাকেন দলের নেতা বা আমীর। তিনি সারির একেবারে পিছনে থেকে দলকে পরিচালনা করেন। আমীর যদি পেছন থেকে বলেন..'' বাঁয়ে চেপে চলি ভাই...ডানে কাঁদা''; তার মানে বুঝতে হবে... ডানে রাস্তা কর্দমাক্ত...আরও একটু বাঁয়ে চেপে হাঁটতে হবে।
প্রথম দিনের গাস্তের এক সময় হঠাৎ আমীর বল্লেন...'' ডানে না তাকাই ভাই"। তার মানে হচ্ছে ডানে তাকানো যাবেনা। কিন্তু আমি আঁড়চোখে ডানে তাকিয়ে দেখার চেষ্টা করলাম...বোঝার চেষ্টা করলাম, হেতুটা কি?! দেখি....চমৎকার একটা সুন্দরী মেয়ে হেঁটে যাচ্ছে! আমীর আরও উচ্চস্বরে বল্লেন...'' ডানে ফেতনা ফাতের.... ডানে না তাকাই ভাই''। আমি বুঝে গেলাম.... আমি যদি কোন কারনে মিস-ও করি, আমীর সাহেব এরকম আওয়াজ দিলেই ডান দিকে তাকাতে হবে...তাতে ফায়দা আছে!
আমার এই অবাধ্য আচরণের জন্য... রাতে আমীর সাহেব আমাকে আলাদা ডেকে নিয়ে কথা বললেন, আমাকে অবশ্য পালনীয় বিষয়ে আরও বিষদ বুঝানোর প্রয়াস পেলেন। আমি বল্লাম..'' হুজুর, ডানে না তাকানোর জন্য আপনি আহবান জানাচ্ছেন বটে...কিন্তু আপনি-তো ঠিকই দেখে নিচ্ছেন!" আমীর সাহেব রাগ করলেন না... আমার মত নালায়েক-কে দীনের পথে আনার জন্য তাঁর কি অসীম ধৈর্য! তিনি বল্লেন..."একবার দেখা জায়েয আছে"।
পরের দিন যথাসময়ে আবারও গাস্ত-এ বের হয়েছি! এবার আমি যা দেখার... একবারেই ভালভাবে দেখে নেবার নিয়ত পাক্কা করলাম.... একবার দেখা জায়েয! দেখার মত কোন কিছু যেন বাদ না যায়.... তজ্জন্য তৎপর হলাম! তাঁর কথার গলদ ফায়দা নেয়ায় আমীর সাহেব মাইন্ড করলেন.... কিন্তু কিছু বললেন না। গাস্ত থেকে ফিরেই তিনি এলান করলেন...... '' আগামী কাল নাদিম হবে মুতাকাল্লিম''।
আমি ধরা! কান্নাকাটি অবস্থা! ওবায়েদ ভাই-এর সাথে আলোচনা করে রাতেই ঠিক করে রাখলাম... দীনের দাওয়াত দিতে গিয়ে কি কি বলা যেতে পারে।
আছর থেকে মাগরেব পর্যন্ত গাস্ত চললো... রাহুবার এক একজন করে স্থানীয় লোকজনের সাথে আমাকে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছেন। আমি পরিচিত হয়ে হাত মেলাই (হাত আর ছাড়িনা).....'' মাগরীব-এর পর ঈমান ও আখলাক-এর উপর জরুরী বয়ান হবে ভাই। আমরা সকলেই শরীক হওয়ার চেষ্টা করি.... আল্লাহ-কে যদি রাজি-খুশি করতে পারি, তবে আখেরে বহুত ফায়দা!''।
আমীর সাহেব আজ আমার উপর খুশি হলেন, বাহাবা দিলেন। নবীশ মুতাকাল্লিম হিসেবে পারফর্মেন্স তাহলে একবারে খারাপ হয়নি... আত্মতৃপ্তি অনুভব করলাম। মাগরেবের পর ভাল করে খেয়াল করলাম....বয়ানে উপস্থিত মুসুল্লীদের সবার চেহারা মোবারক খুঁটে খুঁটে দেখতে লাগলো আমার উৎসুক চোখ! আমার পারফর্মেন্সের আলটিমেট ফলাফল ...একবারে 'শুন্য"! যাদের আজ বিকালে দাওয়াত দিয়ে এসেছি...তাদের একজনও বয়ান শুনতে বসেননি! আমি হতাশ হলাম!
তিন দিন পার হয়ে গেছে। এশা'র পর তালীম শুনে রাতের খাবার খেয়ে শুয়ে পড়েছি। কাল ফজর নামাজ পড়েই বাসায় ফিরে যাব। মসজিদের মেঝেতে চাদর বিছিয়ে কম্বল গায়ে ঘুমাতে একটু কষ্ট হলেও... খারাপ লাগতোনা। ওবায়েদ ভাই-এর সাথে টুক টুক করে গল্প করতে করতে কখন যে ঘুমিয়ে পরেছি মনে নেই।
হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেল। আশে পাশে কিছু একটা নড়াচড়ার শব্দেই ঘুম ভেঙেছে বুঝতে পারি। তখনও রাতের আকাশ অন্ধকার! আন্দাজ করি.... ভোর হতে এখনও খানিকটা বাকি। বাম দিকে পাশ ফিরে দেখি ওবায়েদ ভাই দাঁড়িয়ে উবু হয়ে কিছু একটা করছেন। অবাক হয়ে দেখলাম...ওবায়েদ ভাই মসজিদের মেঝেতে প্রথমে একটা গামছা পাতছেন, গামছার উপর দাঁড়িয়ে তারপর একটা লুঙ্গি পাতছেন। তারপর লুঙ্গির উপর দাঁড়িয়ে আবার গামছা পাতছেন...এবং এভাবে উনি মসজিদের মেঝেতে শরীর স্পর্শ না করে গামছা-লুঙ্গী, লুঙ্গী-গামছা করে মসজিদের দরজার দিকে গেলেন। তারপর দরজার ওপাশে অন্ধকারে মিলিয়ে গেলেন। আমি অবাক তন্দ্রাচ্ছন্ন চোখে চেয়ে চেয়ে দেখলাম! ঘুমের ঘোরে ওবায়েদ ভাইয়ের অপকর্ম-টা যে কি হয়েছে...আমি তখনও ঠাওর করতে পারিনি! পাঁচ-সাত মিনিট পরে আমিও ওবায়েদ ভাইয়ের পিছু নিলাম।
মসজিদের টয়লেটের দিকটায় গিয়ে দেখলাম ....ওবায়েদ ভাই মাত্র গোসল করে গামছা দিয়ে শরীর মুছছেন। ৬০ ওয়াটের একটা ঘোলাটে বাল্বের আলোয় পরিস্কার দেখলাম.... প্রচন্ড শীতে তিনি ঠক-ঠক করে কাঁপছেন! শীতে খালি গায়ে জুবুথুবু অবস্থা...হুহুহু...কাঁপাকাঁপি! আমাকে দেখে অপ্রস্তুত হলেন। আমি কিছু জিজ্ঞেস করার আগেই ইতস্তত ভঙ্গিতে অস্ফুট গলায় বললেন...'ফরজ গোসল'!
'ফরজ গোসল' কি জিনিস... এই শর্মা তখনও তা বোঝেই না! সেদিনই প্রথম শুনেছিলাম এই আজব কথাটা!
এখন বুঝি, শীতের সকালে... ফরজ গোসল.....কাহাকে বলে..কত প্রকার ও কি কি!?! সময় হলে.... আপনারাও বুঝবেন!
শুভ কামনা!
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ফরজ গোসল! ;
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১১:৫৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
অপরিচিত_আবির বলেছেন:
মজা পাইলাম !!!!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সাহায্যপ্রাপ্ত বলেছেন:
যে হাদিসগুলো পড়েন সেগুলো যঈফ, মওযু নাকি সহীহ খোঁজ করেছেন কি?পোষ্টের কিছু অংশের জন্য প্লাস।
লেখক বলেছেন: জ্বি...এরপর সহীহ খোঁজ করবো!
জুমানজি১১ বলেছেন:
জামাতে এরকম অনেক মজার ঘটনা হয়...আপনার টাও কমন একটা ঘটনা!
লেখক বলেছেন: শুভ কামনা!
লেখক বলেছেন: হতে পারে। তবে আমাদের দলের আমীর সাহেব নিজেই গাস্তের দলনেতা হতেন। সেই জন্যই হয়তো সবাই তাঁকে জিম্মাদার না বলের আমীর-ই বলতেন। আপনার তথ্যের জন্য ধন্যবাদ!
লেখক বলেছেন: হাঃ...হাঃ.....
হাসান মাহবুব বলেছেন:
একবার গেছিলাম তিনদিনের নিয়্যতে। একদিন থাইকা চৈলা আসছি। মহা বোরিং। সবচে বিরক্তিকর লাগসে এক পেলেটে সবার খাওন। ভার্সিটিতে বুধবার বিকালে প্রায়ই রুমে আসতো বয়ান করার জন্যে। দরজা আটকায়া রাইখা ঘুমায় থাকার ভান কর্তাম।
লেখক বলেছেন: উনারা কখনে ধৈর্য্যহারা হন না!....কিন্তু কখনও কখনও বিরক্তির পর্যায়ে চলে যান।
হা হা হা হা।আপনি তো জটিল ভাই।
তাবলীগ প্রথম দেখি ক্যাম্পাসে।ভালোই লাগে,নির্বিবাদি।কিন্তু পরে যখন দেখি,জেনারেটর আন্দোলনের মত নায্য দাবী তে ও ওরা আসে না ফিতনা'র ভয়ে,আর নলেজ মোকছেদুল মুমেনীন বাদে আর কিছু নেই .।মন উঠে গেলো।
লেখক বলেছেন: আমার আঙিনায় পদধুলি দেবার জন্য ধন্যবাদ!
মৈত্রী বলেছেন:
প্লাস দিছি, অনেক মজা পাইলাম!! কিন্তু রাহ্বার যেন থাকে কই??
লেখক বলেছেন: রাহুবার থাকনে গাস্তের দলের সর্বাগ্রে...এমনটাই-তো দেখেছি!
সাহায্যপ্রাপ্ত বলেছেন:
লেখক বলেছেন: জ্বি...এরপর সহীহ খোঁজ করবো!শুকরিয়া।
এতো গেল ফরয গোসলের কথা। এছাড়াও জুমআর দিনগুলিতে প্রত্যেক বালেগ (স্বপ্নে মণি স্খলনকারী) পুরুষের জন্য গোসল করা ওয়াজিব। সুত্র : বুখারী শরীফ।
লেখক বলেছেন: সহীহ্ হাদীসের জন্য ধন্যবাদ!
কালীদাস বলেছেন:
এক ফ্রেন্ডের একবার ফরজ গোসল করার দরকার হয়েছিল, শয়তানটা পাশের জনের সাথে রাতের অন্ধকারে লুঙ্গি বদল করে শীতের ভোরে ঐ বেচারাকে নাকানিচুবানি খাইয়েছিল।
লেখক বলেছেন: মজার গল্প! তবে...আপনার বন্ধুর গল্পটা চাপা হবার সম্ভাবনা একবারে উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছেনা!
স্বপ্নীলবেষ্ট বলেছেন:
আপনি নিশ্চয় এখন বুঝতে পারছেন ফরয গোসল কেন দরকার হয়েছিল? আমার মতে এ ধরনের ঘটনার কারনে কিন্তু মসজিদের পবিত্র জায়গাও অপবিত্র হয়। আপনার পরিচিত ভাই নয় গোসল করেছেন কিন্তু মসজিদের ঐ জায়গা কিন্তু অপবিত্র রয়ে গেছে আর ঐ খানে যারা নামায পড়েছে তাদের কারও নামায হয়নি কারন নামায হওয়ার একটি শর্ত হচ্ছে জায়গা পাক থাকা লাগবে। এজন্য আমাদের মত যুবকদের চিল্লার নামে মসজিদে থাকা উচিত না। আমি ব্যাক্তিগতভাবে চিল্লা পছন্দ করিনা। আরও অনেক সামাজিক কারন আছে। অন্য একদিন এ বিষয়ে একটি পোষ্ট দিব।
লেখক বলেছেন: জ্বি!
ত্রিশোনকু বলেছেন:
বেয়াফক মজা পাইলাম। ধইন্যা। আমি আমরার ওপিসের মেজ হুজুরেরে আন্নের লিংকুডা ফাডাইতাছি।
লেখক বলেছেন: ধইন্যা!
হিমু ব্রাউন বলেছেন:
৬০ ওয়াটের একটা ঘোলাটে বাল্বের আলোয় পরিস্কার দেখলাম.... প্রচন্ড শীতে তিনি ঠক-ঠক করে কাঁপছেন! শীতে খালি গায়ে জুবুথুবু অবস্থা...হুহুহু...কাঁপাকাঁপি! আমাকে দেখে অপ্রস্তুত হলেন। আমি কিছু জিজ্ঞেস করার আগেই ইতস্তত ভঙ্গিতে অস্ফুট গলায় বললেন...'ফরজ গোসল'! হা হা পেগে!!!!!!!!!!!!!দারুন অইছে বস!!!!!!!!!!প্লাসিত করিলাম।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকু!
মুনশিয়ানা বলেছেন:
কি যন্ত্রনা!!
লেখক বলেছেন: সত্যিই যন্ত্রনা!
রাঙা মীয়া বলেছেন:
হাহাপগে লেখক বলেছেন: শুভ কামনা!
জীবনে আমার উপরে অনেক চেষ্টা করা হয়েছে সময় লাগানোর জন্য। সফলকাম হতে পারে নাই!
আর কুলুখ নেয়ার কায়দাটা আমার বড়ই অশ্লীল মনে হয়!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!
মৌনোতা বলেছেন:
রাঙা মীয়া বলেছেন: হাহাপগে তিনদনের চিল্লা আমিও মরাছি।সত্য কথা হইলো খাওন খুব মজার হইতো আর ব্যাপক ঘুম আসতো। আমার কাছে ভালোই লাগছে।মেয়েরা কি এলাও আছে?
লেখক বলেছেন: তাবলীগ বিষয়ে অভিজ্ঞরা বলতে পারবেন। তবে মহিলাদের পৃথক তাবলীগের ব্যবস্থা আছে শুনেছি। এজতেমার পর মহিলাদের পৃথক একটা এজতেমা হয়...যাকে 'জোর' বলা হয়!
লেখক বলেছেন: পোস্ট পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: বেচারা!
কালীদাস বলেছেন:
আমারো চাপা মনে হয়েছিল,অবশ্য সত্য হতেও পারে, কারণ আমার ঐ ফ্রেন্ডটা পাড় বাটপার ছিল কিনা! তবে অনেকেই বলেছে তাবলীগে নাকি অনেক মজা হয়। আমি একবার ডাটা কালেকশন করতে গিয়ে এক্সিডেন্টলি তাবলীগ পার্টির হাতে পরেছিলাম, আমার ৬টা প্রশ্ন করতে হত, তাবলীগ পার্টির ভদ্রলোক আমাকে উল্টা প্রশ্ন করেছিল ৫০টা (কমে)!
লেখক বলেছেন: আপনে কইলে হইতারে!
মুহাম্মদ আমিন বলেছেন:
তাবলীগ হক পথে আছে, আপনাকে ধন্যবাদ ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!
লেখক বলেছেন: তুর কমেন্টটাও ভাল্লাগছে রে শয়তান!
গরম কফি বলেছেন:
মোটেই ফালতু নয় যথেষ্ট কাজের কথা। সোকেজে সাজাইয়া রাখিলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!
গৌরী সেন বলেছেন:
ফরজ গুছুল করতে কুভ মুন ছায়। কিন্তুক কারে ুইদা করুম? আছিনারে না কালেধারে????
লেখক বলেছেন: করেন, ....টাকা দেবে গৌরী সেন!
অদ্রোহ বলেছেন:
সিরাম !
লেখক বলেছেন: থ্যাংকু!
লেখক বলেছেন: ইমো দেখে বুঝছি আপনি আমোদিত হয়েছেন। থ্যাংকু!
লেখক বলেছেন: করেন। পোস্ট পড়বার জন্য ধন্যবাদ!
মুহিব বলেছেন:
আমার ইচ্ছা ছিল একবার যাওয়ার। তবে হয়ে উঠে নাই।
লেখক বলেছেন: মুহিব... ভাল আছেন আপনি?
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন:
একবার দেখা যায়েজ- ব্যাপারটা মনে হয় এরকম- একসিডেন্টালি নারীর দিকে নজর পড়ে গেলো, সেটা তো আর ডিলিট করা যায় না, তাই না? তবে, নারী মালুম হওয়া মাত্রেই চোখ সরিয়ে নিতে বাধ্য থাকতে হবে, নচেত আইন ভঙ্গ হলো বলে ধরে নেয়া হবে। আমি এমনই বুঝেছি।এ কোনো অর্ডিনারি নারীর লেখা নয়, নিশ্চিত
লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন: আপনি ঠিকই বুঝেছেন।
আমন্ত্রণে.. আমার উঠোনে বেড়িয়ে যাবার জন্য ধন্যবাদ।
মুরুববী বলেছেন:
হা হা ব্যপক মজাক পাইলাম পইড়া।ছোডকালে আমিও গেছিলাম
লেখক বলেছেন: ''আহারে কি দিন আছিল রে''
মুহিব বলেছেন:
ভাল আছি। আপনি আছেন কেমন?
লেখক বলেছেন: ভাল।
লেখক বলেছেন: ঠিক তাই! আপনার পদধূলিতে আমি ধন্য।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...



















