'প্রিয় ছাগল !
তোমার এই ছাগলামিটা কিছুদিন আগেই ধরতে পেরেছিলাম । ছাগলামী করে ছাগলে । ঘাস যাদের উপাদেয় খাদ্য । তুমি কি ঘাস খাও ? শুনো,ছাগলামী করার সময় এখন নয় । এখন পড়ার সময় । মন দিয়ে পড়ো,কেমন ?
নব্য তরুণের প্রেমকে যে মেয়ে ছাগলামী আখ্যা দেয়,তার প্রতি জন্মানো 'মোহ' মুহূর্তেই হাওয়া হয়ে যেতে দেখে সে । তবে এইবার সে প্রতিজ্ঞা লয়,-'নারীর পথে পা মাড়াইবো না,নারী পানে চক্ষু মেলিয়া চাহিব না !' এই প্রতিজ্ঞা বুকে ধরে সে কলেজে যায়-আসে । একদিন আবিস্কার করে প্রতিজ্ঞাকে বুড়ো আঙ্গুল প্রদর্শন করছে তার দুটো চোখ ! বদ চোখ দুটা একটা কমনীয় মুখের উপর পড়ে থাকে ! সে ভাবে,থাক পড়ে ! মনতো অটল । কিন্তু নাহ্,মনও টলে যায় একসময় । কোন এক কুক্ষণে 'সেই মুখ' কাছে এসে বলে যায়-'তোমার চোখ দুটা কি যে সুন্দর, জানো ?' বাহ্ ! জল না চায়তেই ফল ! ধপাস করে প্রেমে পড়ে গেল সে । উড়ে গেল লেকের ধারে-নদীর পাড়ে, পকেট তাহার যায় ঝিমিয়ে,তাতে কি ! ঘুরছে তাকে সঙ্গে নিয়ে !
ক'দিন বাদে তার প্রণয়ীনী তার হাতে একখানা সুদর্শন কার্ড ধরিয়ে দিল । প্রেমিককে দেয়া প্রণয়ীনীর সনদপত্র । সেই সনদপত্রের কিয়দাংশ এরকম,-
"প্রিয় রামছাগল !
বিয়ের পর স্বামী নামক চিজটি স্ত্রীর কাছে ভেড়া হয় জানতাম । কিন্তু অবিবাহীত পুরুষও যে কতো বড় রামছাগল হয় তা তোমাকে দেখেই জেনেছি ! তুমি কি ভেবেছিলে সত্যিই চোখ দুটো সুন্দর তোমার ? আয়নায় কি একদিনও দেখোনি, রামছাগলের বড়সড় চোখের মতই দুটি চোখ তোমার ! তোমার গা থেকেও রামছাগলের ভোটকা গন্ধ বেরুয় !
যাই হোক, অল্পদিনের মধ্যেই আমি একজনকে ভেড়া (স্বামী) বানাতে যাচ্ছি । তুমি না হয় ছাগল হয়েই থেকো.....!"
হ্যাঁ,সে ছাগল হয়েই আছে ! প্রণয়ীনীর দেয়া সনদপত্র বুকে নিয়ে সে এখন মুর্তিমান-ছাগল !

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

