আমার প্রিয় পোস্ট

আমাদের মূল্যহীন মানুষের প্রাণ, জলের দরে বিকোয় বর্তমান

চন্দ্রাবতীর চোখে কাজল রং-(ধারাবাহিক উপন্যাস,কিস্তি -৮)

১৩ ই মার্চ, ২০০৮ ভোর ৬:২১

শেয়ার করুন:                   Facebook


আয়ুর প্রথম হৃদয়মথিত শব্দ
মনুষত্যের প্রথম দীক্ষা যে উচ্চারণে
তারই সম্মানে তাঁরা যুথিবদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়েছিল !!

--------------------------------হাসান হাফিজুর রহমান ।


তাঁদের সম্মানে, ভাষা শহীদ মহান বীরদের সম্মানে দু'পয়সার মানুষের এই দু'পয়সার উৎসর্গ, এই শ্রদ্ধার্ঘ্য...

কিস্তি -১ কিস্তি- ২ কিস্তি -৩ কিস্তি - ৪ কিস্তি -৫ কিস্তি -৬ কিস্তি -৭

আট

মাষ্টার আতাউর রহমান মেয়ের জন্মদিন মনে রাখতে পারেন না । তিনি ভুলোমনা মানুষ । আজ মনে রেখেছেন । মনে রেখেছেন না বলে, মনে পড়েছে বলাটা ঠিক হবে । সকালে যখন ঘুম ভাঙ্গলো তখনো তিনি জানতেন না আজ ১২ ভাদ্র । আজকাল সবকিছু ইংরেজী তারিখের উপর দিয়ে যাচ্ছে । বাংলা তারিখ মনে রাখার দরকার পড়ছে না ! কখনও দরকার পড়লে তাই ক্যালেন্ডারের পাতায় খোঁজ লাগাতে হয় । কিম্বা দৈনিক পত্রিকার ওপরের দিকে খোদাই করা তারিখই ভরসা ! আজকে ১২ ভাদ্র এই তারিখটা মনে করিয়ে দেবার জন্য মাষ্টার আতাউর হাজী সাহেবের প্রতি কৃতজ্ঞ । মনে মনে অনেক কৃতজ্ঞ । হাজী সাহেব যে তারিখটা বলে দিয়েছেন তাও না । হাজী সাহেব 'প্রাতকালীন হন্টন' শেষে ফিরছিলেন । মাষ্টার আতাউরের ফ্ল্যাটের দরজায় টোকা দিলেন । দরজা খুলে দিলেন মাষ্টার আতাউর । বললেন,- ভাইজান; আসেন ভিতরে আসেন।
হাজী সাহেব বললেন,-এখন ভিতরে আসবো না । আইজকের কথা মনে আছেতো ?'
'কি কথা; ভাইজান ?'
'আইজকে আমরা মধুপুর যাবো । বিকেলে ।'
'বিরাট উপকার করলেন ভাইজান, আমি ভুইলা বসে আছি !'
'তৈরী থাইকো !'
'অবশ্যই ভাইজান; অবশ্যই !'
হাজী সাহেব দু'তলায় উঠে গেলেন । মাষ্টার আতাউর ঘরময় পায়চারি করতে থাকলেন । তার ভেতরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে । ভাল রকম উত্তেজনা ! হঠাৎ তার মনে পড়েছে আজ ১২ ভাদ্র । চন্দ্রাবতীর জন্মদিন ।


মাষ্টার আতাউর রহমান মেয়ের জন্য অপেক্ষা করছেন । মোটামুটি প্রস্তুতি নিয়ে অপেক্ষা । তার ধারণা, মেয়েকে তিনি আজ চমকে দেবেন । ভাল মতনই চমকে দেবেন । চমকে দেবার মত ব্যবস্থা করা হয়েছে ! কিন্তু মেয়ের দেখা নেয় । অন্যদিন আরো আগে কলেজের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় । আজ দেরি করছে । আতাউর রহমান অপেক্ষা করছেন, চন্দ্রা রুম থেকে বেরুলেই চমক পর্ব শুরু হবে । অপেক্ষার প্রহর তার কাছে বেশ দীর্ঘ মনে হচ্ছে । এমন সময় চন্দ্রাকে দেখা গেল । আতাউর রহমান মেয়ের সামনে গিয়ে দাঁড়ালেন । তার হাতে ধরা তিনটি গোলাপ । টকটকে লাল, ঈশৎ কালো আর হলদে গোলাপ । মুগ্ধ চোখে চন্দ্রা তার বাবাকে দেখছে । আতাউর রহমান বললেন,- আমার আম্মাজানকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা ! বাবাকে জড়িয়ে ধরলো চন্দ্রা । আতাউর রহমান মেয়ের কপালে নরম একটা আদর খেলেন । বললেন, - আমার আম্মাজান কি বলতে পারবে, তিনটা গোলাপের ব্যখ্যা কি ?
'কি; বাবা ?'
'তিনটা গোলাপ হলো তিনজন ! আমি, তুই, আর তোর মা !'
চন্দ্রার চোখে হঠাৎ করে ভিজে গেল । মেঝেতে তাকালো সে । বাবাকে সে চোখের পানি দেখাতে চায় না । মাষ্টার আতাউর রহমান মেয়ের হাত ধরে নিজের রুমে নিয়ে গেলন । তার টেবিলের উপর, ছোট্ট একটা কেক সাজানো । কেকের চারপাশে বৃত্তাকারে জ্বলছে ১৮ টি মোমবাতি ! চন্দ্রাবতীর আজ আঠারতম জন্মদিন ।


'তোমার নাম কি ?'
'আক্কাস !'
'আক্কাস ! তুমি রাত্রে কই থাকো ?'
'এইহানেই থাকি !'
'তোমার সাথে আর কে কে থাকেন ?'
'মা থাকে !'
'মা, কই এখন ?'
' কোনদিক জানি গ্যাছে গা !'
'বাবা ? বাবা থাকেন না ?'
'নাহ্ ! বাপেরে কোনুসম দ্যাখি নাই !'
চন্দ্রাবতী আক্কাসের দিকে ঝুকেঁ পড়ে । আক্কাসের একটা হাত ধরে । আক্কাসের হাতটা নোংরা । তাতে চন্দ্রা কোনো সমস্যাবোধ করে না । বরং নোংরা ময়লা দেহের এই শিশুটির হাত ধরতে তার ভাল লাগছে । আক্কাসের মলিন মুখটার দিকে তাকায় চন্দ্রা । চোখ ছলছল করে । পাশে দাঁড়িয়ে চন্দ্রার কান্ড দেখে তিথী । গভীর মনোযোগে দেখে আর উপভোগ করে । এই অভিনব আইডিয়াটা চন্দ্রা কোথায় পেলো, কে জানে ! আজ সকাল নয়টার আগেও তিথী এই আইডিয়ার কিছুই জানতো না ! নয়টা বাজার দশ মিনিট আগে চন্দ্রার ফোন পেলো,- তিথীমণি ! কই আছ ?'
'এইতো ! কলেজের পথে !'
'কলেজ গেইটে দাঁড়াও ! আমি আসতেছি !'
'গেইটে দাঁড়ায়া থাকবো কেন ? ভেতরে আসলেইতো দেখা হবে !'
'নাহ ; দেখা হবে না ! আমি ভেতরে আসবো না !'
'কেন ?'
'আজ রাস্তায় নামবো ! পথিক হবো !'
'কিছুইতো বুঝতেছিনা !'
'সবই বুঝবা ! দশ মিনিট পর !'

কলেজ গেইটে দশ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকার কোন মানে হয় না । তিথী তাই লাইব্রেরীর দিকে হাঁটা ধরলো । একটা এসএমএস করে দিলো চন্দ্রাকে,- আমি 'গ্রন্থবিতানে' আছি ! কলেজ গেইট থেকে বাম দিকে অল্পদূরেই গ্রন্থবিতান । গ্রন্থবিতানে বই ঘাঁটতে ঘাঁটতে তিথীর মনে পড়লো,- আরে ! চন্দ্রার জন্যতো বই কেনা যায় ! বই এর চেয়ে ভালো উপহার আজকের দিনে আর কি হতে পারে ! যেই ভাবা সেই কাজ । খুঁজে পেতে খুব প্রিয় দুটা বই বের করলো তিথী । কিনে ফেললো । চন্দ্রাও আসলো ততোক্ষণে ! বই দু'টা চন্দ্রার হাতে দিয়ে তিথী বললো - হ্যাপী বার্থ ডে চন্দ্রামণি !
'থ্যাঙ্ক য়্যু, তিথীসোনা ! রাত বারোটায় একবার শুভেচ্ছা দিলানা ?'
'সেটাতো শূণ্য প্রহরের শুভেচ্ছা ! তারে তারে শুভেচ্ছা ! এটা উপহার সমেত, সামসামনি শুভেচ্ছা !'
'সানন্দে গৃহীত হইলো !'
'গুড গার্ল ! এইবার বলো, পথিক হবো-মানেটা কি ?'
'মানে হচ্ছে,- তোমার মনটাকে একটা ধূলোমাখা পথ করো...আমি পথিক হবো...! পার্থ'র গান !'
'নো হেঁয়ালিপনা , সোনামণি !'
'ঠিকাছে, শোন ! আমার ইচ্ছা, তিথী নামের বদ মেয়েটাকে সঙ্গে নিয়ে আজ রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াবো । ঘুরে বেড়াবো আর মিষ্টি বিলাবো !'
'মিষ্টি বিলাবি ! সেইটা কেমন ?'
'ধর, আমাদের হাতে থাকবে মিষ্টির কার্টন ! সুদর্শন পোলাপান দেখলেই সামনে গিয়ে বলবো,- ভইয়া; স্লামুলায়কুম ! ভাল আছেন ? আজ আমার জন্মদিন ! নেন মিষ্টি খান !'
'আবার ফাজলামী !'
আচ্ছা শোন, আমরা রাস্তায় রাস্তায় ঘুরবো সেটা ঠিক আছে । মিষ্টি বিলাবো তাও ঠিক । তবে, এমন কাওকে-যারা খুব কমই ভালো খেতে পায় !'
'যেমন ?'
'পথশিশুদের !'
'দারুণতো !'
'হুঁ !'

এরপর রাস্তায় নামলো তারা । হাঁটতে হাঁটতে ছিন্নমূল শিশুর সন্ধান । প্রথম যাকে সামনে পাওয়া যাবে, তাকেই ধরা হবে ! সেই হবে আজকের মিশনের প্রথম টার্গেট । চন্দ্রার প্রথম অতিথি । আক্কাসকেই প্রথমে পাওয়া গেল । আক্কাসের ভাগ্যটা আজ সুপ্রসন্নই বলতে হবে । তার জন্য আছে আজ স্পেশাল মেনু । সে যা খেতে চায়, তা-ই খাওয়ানো হবে । ইচ্ছেমাপিক । আক্কাস ফুটপাথে বসে ছিল । বয়স সাত-আট হবে । সামনে বিছানো একখানা গামছা । পুরনো ময়লা গামছা । লোকজন সেখানে এক-দুই টাকা করে ফেলে যাচ্ছে । সিকি আধুলিও ফেলছে কেউ কেউ ! অচল আনির মত প্রায় অচল এই পয়সাগুলো দিয়ে এখন আর বঙ্গদেশে কি পাওয়া যায়; কে জানে ! আক্কাসদের কাছে তবু সেইটাও মূল্যবান । সিকি আধুলি জমে জমে হয়তো তাদের জন্য হয়ে ওঠে- একটা কিছু সম্বল ! আক্কাসকে দেখেই চন্দ্রা আক্কাসের কাছে গিয়ে কথা বলতে শুরু করলো । সেই আলাপ এখন চলমান ! চন্দ্রা বললো,-
'আক্কাস ! এইবার আমাদের আলাপের বিষয় বদলানো যাক । খাওয়া-দাওয়া নিয়ে আলাপ চলতে পারে ! সকালে নাস্তা খেয়েছো ?'
'হ ! খাইছি !'
'কি খেয়েছো ?'
'পরোটা হালুয়া !'
'পরাটা -হালুয়া খেতে তোমার কেমন লাগে ?'
'বালা লাগে !'
'পরাটা হালুয়া ছাড়া আর কি খেতে তোমার লোভ হয় ?'
'সুখ-পরোটা !'
সুখ পরোটার -কথা শুনে চন্দ্রা ভ্রু কোঁচকায় ! সুখ পরোটা কি জিনিষ ! 'পরোটা' বুঝা গেছে, কিন্তু 'সুখ' জিনিষটা কি আসলে ! তিথীর দিকে তাকায় চন্দ্রা ! তিথী হাসছে । হাসি থামিয়ে তিথী বললো,-'স্যুপ পরাটা !' এবার চন্দ্রার হাসার পালা ! আক্কাসের উদ্দেশ্যে সে বললো,- চলো যাওয়া যাক । তোমাকে 'সুখ-পরোটা' খাওয়াবো ! আক্কাস এইবার ধাক্কার মতো খেলো ! মোটামুটি হতভম্ব হয়ে গেল সে । এমনিতেই এতোক্ষণ সে বিরক্ত হচ্ছিল । 'পরীর মতন সোন্দর এই আফাটা কি মনে কইরা এতোসময় বকর বকার করতেছিলো' -সেটা ভেবে বিরক্ত ! এখন তার অনুভূতি হচ্ছে মিশ্র ! একটু একটু আনন্দ হচ্ছে । আসলেই যদি স্যুপ পরাটা খাওয়া যায়- সেই আনন্দ ! আবার একরকম সন্দেহও হচ্ছে । ভীতিজনক সন্দেহ । এরা চায় কি ! এই দুই আফার আসল মতলব কি; -সেটা নিয়ে আক্কাস ভাবিত ! আক্কাসকে তাড়া লাগালো চন্দ্রা ,- কই ! তোমার গামছা গোটাও । চলো যাই !
'কই যামু ?'
'সামনের হোটেলে । তুমি যা খেতে চাও খাবে ! যতো খুশী খাবে !'

হোটেলে বসে গপাগপ স্যুপ পরোটা খাচ্ছে একটি শিশু ! শিশুটির আবাস পথপাশ; -তাই একে পথশিশু ডাকা হয় ! চন্দ্রা আর তিথী চেয়ে চেয়ে বুভুক্ষু শিশুটির খাবার দৃশ্য দেখছে । চন্দ্রার চোখ ভিজে ওঠেছে আবার । শরৎ চন্দ্রের নায়িকারা অতি যত্নে তাদের নায়কদের খাওয়াতে পছন্দ করতো । সেরকম কোনো নায়ক চন্দ্রার নেই । না থাকলেও চন্দ্রা বুঝতে পারছে, নিশ্চিত করেই বুঝতে পারছে, এই শিশুটির মতো একজনকে খাওয়ানোর আনন্দ কোন অংশেই নিজের নায়ককে সযত্নে খাওয়ানোর চেয়ে কম নয় ! চন্দ্রার খুব দুঃখ হয়, তার অনেক টাকা নেই ! যদি কখনও তার অনেক টাকা হয়, এই শিশুর মতো ক'জনকে সে নিজের কাছে এনে রাখবে,-মনে মনে সিদ্ধান্ত নেয় । দৃঢ় সিদ্ধান্ত ।

হোটেল ভর্তি মানুষগুলোর দৃষ্টি আটকে যাচ্ছে একটি দৃশ্যে । অপূর্ব সেই দৃশ্য । অপরূপ সুন্দরী দুই তরুণী একজন পথশিশুকে খাওয়াচ্ছে ! কতো যত্ন করেইনা খাওয়াচ্ছে !



[আগামী পর্বে সমাপ‌্য]

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): উপন্যাস.. ;
প্রকাশ করা হয়েছে: উপন্যাস লেখার কোশিশ..  বিভাগে ।

 

  • ৫০ টি মন্তব্য
  • ৩৮১ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১৪ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৩ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ৭:০৬
comment by: রাশেদ বলেছেন: ভাল্লাগছে। তবে আগের পর্বটা আবার একটু চোখ বুলাতে হবে আমার, একটু ভুলে গেছি। :)
১৩ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ৭:১০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রাশেদ ।
আগের পর্বের রেশ এই পর্বে কমই আছে ।
আগামী পর্বে পাওয়া যাবে । শেষ করে ফেলবো ।

২. ১৩ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ৭:৫০
comment by: জ্বিনের বাদশা বলেছেন: ভালো হচ্ছে ... চালান ... +++++
একটা মন্তব্য করি, যদি কিছু মনে না করেন, কথোপকথন লেখার সময় কি হুমায়ুন আহমেদের প্রভাব অনুভব করেন?
১৩ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ২:২৩

লেখক বলেছেন: ...বাদশা ভাই ! আপনার মন্তব্য পেয়ে ভালো লাগছে । আরো আগেই আপনর মতামত পাবার ইচ্ছা হচ্ছিল । ভাবছিলাম, চোখ এড়িয়ে যাচ্ছে আপনার ।

হুমায়ুন আহমেদের প্রভাব ঠিক হয়তো বলবো না । আমার পক্ষে তেমন বলা সম্ভবওনা । সেটা আপনারই বলবেন । পাঠক আর সমালোচকরা। আমি শুধু এইটুকু বলে রাখি, হুমায়ুনি স্টাইলটা আমার খুব পছন্দ । যদিও হুমায়ুনের মতো করে লেখা আমার পক্ষে একদমই সম্ভব নয় । হুমায়ুন এদেশে একজন । অনেকের কাছে বাড়াবাড়ি মনে হতে পারে, তবে, বঙ্গদেশে দ্বিতীয় আর কোন হুমায়ুন আসবে না বলেই আমার মনে হয় ।

বাদশা ভাই,কিছু মনে করার কোন প্রশ্নই আসেনা । আমি এমন মতামতই চাইছি । নিজের ভুলগুলো ধরতে যাতে আমার সুবিধে হয় । এই পথের নতুন পথিক আমি । অনেক ভুল হয়তো থাকতে পারে ।

আগামী পর্বে শেষ করে দেবো । আপনাদের প্রাণ খোলা মতামত আশা করবো । আমার ভুলগুলো ধরিয়ে দেবেন ।

কৃতজ্ঞচিত্তে ধন্যবাদ জানাই । অশেষ ধন্যবাদ, ভ্রাত !

৩. ১৩ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:২২
comment by: নগর বাউল বলেছেন: :) +
১৩ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:৩০

লেখক বলেছেন: নগর বাউল ! একটা গান শুনান !:)

ধন্যবাদ ।

৪. ১৩ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ২:৩৯
comment by: সাইফুর বলেছেন: শিপন ভাই..চলুক +
ভালো লাগছে
১৩ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:৪৮

লেখক বলেছেন: সাইফুর ভাই গো :) কচ্ছপের ক্যাপটার ওজন একটু বেশী হইয়া গেলনা।

দেখা যায় না ক্যান ? চলবে না আর বেশী ! ধন্যবাদ ।

৫. ১৩ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৩
comment by: নাজিরুল হক বলেছেন: হুম...

প্লাস।
১৩ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১১:১৫

লেখক বলেছেন: তোমারেও প্লাস :)

প্লাসে প্লাসে...হা হা হা !

৬. ১৩ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ৮:০৯
comment by: মুকুল বলেছেন: সংলাপে কিছুটা হুমায়ুন গন্ধ পাওয়া যায়! ব্যাপার না। ভাল্লাগছে :)
*****
১৫ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ৮:১৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মুকুল ভাই ! ভেঙ্গে ভেঙ্গে এইভাবে ধারাবাহিক উপন্যাস পড়তে ভাল লাগেনা জানিয়েও, পড়ার জন্য এবং সঙ্গ দেবার জন্য ।:)

৭. ১৩ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ৮:১১
comment by: বোঘদাদি হেকিম বলেছেন: মুকুলের সাথে একমত
১৬ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ৩:৪৮

লেখক বলেছেন: আমি আপনের লগে একমত বস...:)

৮. ১৫ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ৮:২৩
comment by: সাইফুর বলেছেন: শিপন ভাই কেমন আছেন....?
১৫ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ৮:৫৬

লেখক বলেছেন: আরে সাইফুর ! আমি ভাল, আপনি কেমন ?

কচ্ছপটার ভারী মুকুট বদল হইয়া, মুকুটের নীচের সাদা চুল এইবার প্রকাশ হইয়া গেল ! বুইড়া হইয়া গেছে বেচারা :)

৯. ১৫ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ৮:৫৯
comment by: সাইফুর বলেছেন: আছি ভাই ..ভালোই......
কমেন্টসে :)
১৫ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:০২

লেখক বলেছেন: :) :) আপনি গ্রাফিক্স-এর কাজ করেন নাকি ?

১০. ১৫ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:০৪
comment by: সাইফুর বলেছেন: জ্বি ভাই
১৫ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:১১

লেখক বলেছেন: হুঁমম....সেরকমই ধারণা করছিলাম..
দেশে আইলে কামে লাগবেন আপনি !:)

১১. ১৫ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:১২
comment by: সাইফুর বলেছেন: আমি হাজির আছি.....শিপন ভাই....মেইলে যোগাযোগ হবে..:)
১৫ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:১৮

লেখক বলেছেন: হুম যোগাযোগ হবে । আমার মেইল আইডি উপরে আছে ।
দেশে যখন আসবো, তার আগে অবশ্যই জানবেন !

এই অধমও ফটোশপে এক-আধটু কাজ করতাম, অনভ্যাসে বিদ্যা রাশ হইছে :)

১৫ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:১৯

লেখক বলেছেন: *বিদ্যা হ্রাস হইছে..

১২. ১৫ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:১৫
comment by: মুকুল বলেছেন: কাছিমের চেহারা সুরতের এই হাল ক্যান??? :P
১৫ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:২১

লেখক বলেছেন: হ ! বয়সের দোষ..=p~

১৩. ১৫ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:১৯
comment by: সাইফুর বলেছেন: সবই বয়সের দোষ =p~ @মুকুল;)
১৯ শে মার্চ, ২০০৮ ভোর ৫:৪৮

লেখক বলেছেন: =p~

১৪. ১৫ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:২৯
comment by: একরামুল হক শামীম বলেছেন: শিপন ভাই ভালো হচ্ছে। চলুক....

অফটপিক : আপনার মেইলে একটা ইনভাইটেশন পাঠালাম।
১৫ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:৩৫

লেখক বলেছেন: আরে ! শামীম ভাই ! ধারাবাহিকতো প্রায় শেষের পথে ! এতোদিনে পড়লেন :( আগের কিস্তিগুলা পড়ছেন ?

মেইল চেক করতেছি ।

১৫. ১৫ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:৩৮
comment by: একরামুল হক শামীম বলেছেন: সবগুলো জমা করে রাখতাছি। একসাথে পড়বো। :) :)
একসাথে পড়ার মজাই আলাদা।
১৫ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:৫২

লেখক বলেছেন: হা হা হা ! সেইটা একটা কাজের কাজ হবে ! :)

১৬. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ ভোর ৫:২০
comment by: বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: হুম .... পরের পর্বের অপেক্ষায় ।
১৭ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ৭:৪০

লেখক বলেছেন: পরের পর্বই শেষ পর্ব ! অপেক্ষায় থাকেন !
আর কড়া একখান সমালোচনা তৈরী করেন :)

১৭. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ ভোর ৫:২৪
comment by: নাদান বলেছেন: এতদিন ক্যামনে মিস করলাম। আজ সব পড়বো।
১৭ ই মার্চ, ২০০৮ ভোর ৬:০৬

লেখক বলেছেন: হ ! নাদু ! আমিওতো তাই কই ! ক্যামনে মিস করলেন এতোদিন !:)

সব পইড়া কমেন্ট দিয়েন, কেমন পঁচা লাগছে জানাইয়া :)

১৮. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ ভোর ৫:২৭
comment by: বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: তোর কি আর সেই দিন আছে রে ব্যাটা !!! ব্যাস্ত মানুষ সময় কৈ !! :D
১৯. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ ভোর ৫:২৯
comment by: নাদান বলেছেন: কিছু কইলি মনে হয়।
২০. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ ভোর ৫:৩৮
comment by: বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: নাহ !! কিচু কইনাই তো :D
২১. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ ভোর ৬:২১
comment by: মিরাজ বলেছেন: এই পর্বে আবার পুরনো (৩-৬) পর্বগুলির স্বাদ পেলাম । চমৎকার লাগলো ।
১৯ শে মার্চ, ২০০৮ ভোর ৫:২৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মিরাজ ভাই ।

আগামী পর্বে সব রহস্য খুলে যাবে !

২২. ১৯ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ৮:১৬
comment by: রাশেদ বলেছেন: পরের পর্ব কই!!
২০ শে মার্চ, ২০০৮ ভোর ৬:৪৯

লেখক বলেছেন: রাশেদ ভাইডি ! পরের পর্ব অর্থাৎ শেষ পর্ব আয়তে শনিবার ধরবো মনে লয় !:)

২৩. ১৯ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ৮:২৭
comment by: জ্বিনের বাদশা বলেছেন: হুমমম, অনেকদিন অপেক্ষায় আছি ... শিপন কি ব্যস্ত নাকি?
২০ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৩:৩৮

লেখক বলেছেন: দৌড়ের উপর আছি রে ভাই ! তাই খানিকটা সময় নিচ্ছি । আগামী পর্বে ধারাবাহিকটি শেষ করে দেবো । সেজন্য মাথায়ও প‌্যাঁচ লেগে আছে । যে পর্বটা লেখা সবচে' সহজ হবে ভেবেছিলাম, সেটায় এখন বেশী কঠিন লাগতেছে ।

ধন্যবাদ অপেক্ষার জন্য । আসবে দু'একদিনে ।

২৪. ২০ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৩:৪৬
comment by: ইরতেজা বলেছেন: শিপন ভাই দারুন হয়েছে। আর ওই হুমায়ুনের ব্যাপারটাতে মাথা ঘামানোর কিছু নেই। আমাদের সবার লেখাই কার না কার সাথে মিলতেই পারে। আপনার স্টাইল খুবি সাবলিন। আবার বলছি খুব ভালো হয়েছে/
২০ শে মার্চ, ২০০৮ ভোর ৪:২২

লেখক বলেছেন: প্রাণখোলা মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ইরতেজা !

হুমায়ুনের ব্যাপারটা নিয়ে আমি আসলেই ভাবছিনা । কারণ, আমার পক্ষে হুমায়ুন হওয়া সম্ভব নয় ।

২৫. ২০ শে মার্চ, ২০০৮ রাত ৩:৪৮
comment by: লাবণ্য প্রভা বলেছেন: এতদিন ক্যামনে মিস করলাম। আজ সব পড়বো।
২০ শে মার্চ, ২০০৮ ভোর ৫:০৫

লেখক বলেছেন: যাক ! শেষ পর্যন্ত যে মিস করেন নাই, সেটাই বড় কথা :)
আন্তরিক ধন্যবাদ এ-যাত্রার নতুন সহযাত্রী হবার জন্য ।

সবগুলো পড়ে সমালোচনামূলক একটা কড়া মন্তব্য দেবেন আশা করছি ।

২৬. ২২ শে মার্চ, ২০০৮ ভোর ৫:৪৭
comment by: ইরতেজা বলেছেন: পরের পর্ব কোথায়?
প্রিয় পোষ্ট
২২ শে মার্চ, ২০০৮ ভোর ৬:২৭

লেখক বলেছেন: আরো দুটা দিন অপেক্ষা করতে হবে,ভ্রাত ! ভীষণ ব্যস্ত ।
পুরো লেখা মাথায় আছে । ব্যস্ততার দরুন নামাতে পারছিনা ।
তবে শীঘ্রই পারবো আশা করছি ।

আগামী পর্বটি হবে শেষ পর্ব । ইরতেজা আপনার প্রাণখোলা অংশগ্রহণ কাম্য ।

 



 


"ভূবন বলে তোমার তরে আছে বরণ মালা
গগন বলে তোমার তরে লক্ষ প্রদীপ জ্বালা
প্রেম বলে যে যুগেযুগে তোমার লাগি আছি জেগে
মরণ...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৯৭০১৬