আমার প্রিয় পোস্ট

বন্ধ জানালা, খোলা কপাট !

সম্ভ্রম বনাম স্ববিরোধীতার আয়নায় মুখোশের আড়ালে মুখ -২ (প্রসঙ্গ : প্রভা)!

২৫ শে আগস্ট, ২০১০ ভোর ৪:৩৩

শেয়ারঃ
0 1 1

চেতনার সম্ভ্রম বনাম স্ববিরোধীতার আয়নায় মুখোশের আড়ালে মুখ -১ ! ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৫৭

বলা হয়ে থাকে-- মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব । মানুষের হৃদয়ভর্তি ভালোবাসা আবার ঘৃণাও । মানুষ প্রেমান্ধ আবার কামান্ধও;--এইসবই জানা কথা । মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব-- তবে, যা বলা হয়না তা হলো, মানুষ সৃষ্টির সেরা ভন্ড জীবও !

গোপনে যা করতে ভালোবাসি, অন্যে তা করতে শুনলেই, জানলেই ছি ছি করি আমরা মানুষ ! একান্ত নিজের জগতে যেটা সঠিক, অন্যের জগতের সে খবরে আঁৎকে উঠি, আঁতকে উঠার ভান করি, তা হয়ে যায় বেঠিক, খুবই বেঠিক !

পরকীয়া একটি অশুদ্ধ সম্পর্ক । এই সম্পর্কের কথা শুনলেই অপবিত্র একটা ভাব আমাদের উপর 'সওয়ার' হয়, বিশেষত আমরা যারা নিজেদেরকে শুদ্ধ- বিশুদ্ধ মানুষ হিসাবে, দেখতে বা দেখাতে ভালোবাসি ! সেই 'অশুদ্ধ' সম্পর্কের সুযোগ মিললে অনেক 'বিশুদ্ধ' মানুষই সুযোগটা গ্রহণ করবেন গোপনে, এটা নিশ্চিত করেই বলা যায়, স্বীকার করতে না চায়লেও, মানুষের খুব স্বাভাবিক প্রবণতা এটাই ! কুলবধূ তথা পতিতাদের প্রতি বেশীরভাগ ভদ্রলোকই ঘৃণার ভাব প্রকাশ করে থাকেন, লজ্জার বিষয়, কুলবধূ বা পতিতাদের খদ্দের এর একটা বিরাট অংশ সেইসব সুশীল ভদ্রলোকরাই, এমনকি পতিতাকে পতিত করবার পেছনের ঘটনা হাতড়ে পাওয়া যাবে, কোন না কোন ভদ্রলোকের বদমায়েশীর ইতিহাস !

দু'জন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সম্পর্ক, সেটি যদি হয় মানব-মানবীর সম্পর্ক, বন্ধুত্বের বাইরে, সেখানে হৃদয়ঘটিত ব্যাপার থাকতে পারে, হৃদয়কে ছাপিয়ে শরীরে গড়াতে পারে সম্পর্ক, কিম্বা শরীরকেও ছাপিয়ে যেতে পারে হৃদয় , এসবই খুব স্বাভাবিক । তেমনি স্বাবাভিক , ভালোবাসার দু'জন মানুষ পরস্পরের কাছে আয়না হয়ে যাওয়া । পরস্পরের কাছে খোলা হয়ে যাওয়া । পরস্পরের শরীরের দাগগুলো, ভাঁজগুলো মুখস্থ হয়ে যাওয়াও খুব স্বাভাবিক । অস্বাভাবিক শুধু, ভালোবাসায়-বিশ্বাসে খুলে দেয়া ভাঁজগুলো, একান্ত আমার জন্য খুলে দেয়া ক্যানভাসটা কখনো, কোন পরিস্থিতিতেই নিলামে তুলে দেবার কথা না থাকলেও, নিলামে তুলে দেই প্রতিশোধ পরায়ন আমরা মানুষ !

আপনার একসময়কার প্রেয়সী, প্রিয়তমা, প্রেমিকা বা জান (যে নামেই ডাকেন না, কেন) যখন, প্রেমে বা কামে, মমতায় বা প্রণয়ের গভীরতায় আপনার কাছে হয়ে যেতো, নগ্ন দেবী; আপনি সেটাকে উপভোগ করতেন ! আপনারা সেটাকে ভোগ করতেন ! সেই পৃথিবীটা ছিলো আপনাদের দু'জনের , একান্ত দু'জনের, সেই স্মৃতিগুলোও সোনা, রূপা, তামা বা পেতলেরই হোক, একান্ত দু'জনেরইতো !

আপনার প্রেয়সী বা জানটা আপনাকে ছেড়ে চলে গেলে, সেই একান্ত জিনিসগুলো নিলামে তুলবার কথা কি ছিলো ?

ছেড়ে যাবার পর আপনি কি সেগুলো নিলামে তুলবেন ? আপনার নিজের মন কি বলে, সে উত্তরটা দিন কেবল !

প্রশ্ন আসবে, ছেড়ে যাবার কথা কি ছিলো ?

স্বামী-স্ত্রী বৈবাহিক বন্ধনের মধ্য দিয়ে যে সম্পর্ক শুরু করেন, তা আজীবনের সম্পর্ক হবে, সেই আশা স্বপ্ন ভালোবাসার সূত্র দিয়েই শুরু করেন । আশা স্বপ্ন ভালোবাসা ভেঙ্গে যায়। দু'জন বিপরীতধর্মী মানুষের ভালোলাগা সবসময় একরকম যায়না, মোহ কেটে যায়, মানসিক বুঝাপড়ার জায়গাটাতেও দু'জন মানুষে ফারাক থেকে যায় যোজন, সাত কিম্বা সতের বছর সংসার করেও স্বামী- স্ত্রী আলাদা হয়ে যান, এটাও স্বাভাবিক, স্বীকার করতে না চায়লেও ।

মনের অমিল, মতের অমিল অশান্তি জিইয়ে থাকা সংসার টিকে থাকার চে' , খারাপ সম্পর্কের চে' একদম সম্পর্ক না থাকাটাই শ্রেয়তর সবসময় । তো, স্বামী - স্ত্রী যখন আলাদা হয়ে যাবেন, সাত-সতেরো বছরে জমা হওয়া এতো এতোগুলো রাত এবং দিনের তাদের একান্ত মুহূর্তগুলো, যেগুলোর অনেকগুলো হয়তো ভালোলাগার স্মৃতি ধরে রাখবার জন্য তারা ক্যামেরাবন্ধী করেও রেখেছিলেন, স্ত্রী স্বামীকে ছেড়ে যাবার পর স্বামী কি ক্যামেরাবন্ধী সেই বস্তুগুলো বাজারে তুলবেন ? আপনি কি তুলতেন ?

ঠিকাছে, পরস্পরের মতামতের ভিত্তিতে সম্পর্ক ছিন্ন হয়নি, আপনার স্ত্রী আপনাকে ছেড়ে গেছেন, অন্যের সঙ্গে ভেগে গেছেন, আপনার এবং স্ত্রীর সেই বস্তুগুলো কি আপনি বাজারে তুলবেন ?

গল্পটা একজন প্রভার না, আমার-আপনার, আমাদের 'জান' বলতে বলতে মুখে ফেণা তুলে ফেলা 'জানেদের'ও হতে পারে ! আমার আপনার প্রিয় বোনের গল্পও হতে পারে এটা, হয় ! সেক্ষেত্রে, আমার আপনার অবস্থান কি হবে ?

প্রভা একজন 'নটি' বলেই কি আমরা ভদ্দরলোক সুশীলরা ঘৃণা উগরে দেই, সবটুকুন ?

আমরা পর্ণো দেখে মৈথুন করে শীর্ষ সুখ নেবার চেষ্টাতে লজ্জিত হইনা, পর্ণো নায়িকা হিসাবে উপস্থাপিত, শরীরটি কিভাবে এরকম উন্মুক্ত হতে পারলো, (যেরকম উন্মুক্ত হয়তো আমাদের প্রেমিকারাও আমাদের সামনে হয়ে থাকেন ) তা ভেবে ভীষণ লজ্জিত হই !

পুরুষতান্ত্রিক সমাজে, পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতায় আমাদের চিন্তাগুলো কতো স্বার্থপর, দুর্বল এবং পরস্পরবিরোধী তা ভেবে লজ্জিত হবার কিছু নেই । জয়তু হে পুরুষ এবং পৌরুষ !

ধিক ! আমাদের এই স্ববিরোধীতাকে ! ধিক ! আমাদের এই ভন্ডামিকে !

সম্ভ্রমের এই বিশাল ঘাটতিতে(!!) ইসলামের কান্ডারী হিসাবে নিজেদের পরিচয় দেয়া জামাতী, ধার্মীক, আস্তিক এবং নাস্তিকরা যেই বিপুল উদ্দিপনায় এক স্রোতে মিশে যেতে পারলেন, আমাদের মুখোশের আড়ালের মুখগুলোর ভন্ডামীর এক নিদারুণ উদাহরণ হয়ে, আমাদের সমাজের একটা প্রতিচ্ছবি হয়েই তা থাকুক !


আমি কেবল পুরুষের একজন হয়ে নিজেকে ধিক্কার দেই ! ধিক ! পুরুষ তোমাকে !

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): প্রভারাজিবঅপূর্বভন্ডভন্ডামী ;
প্রকাশ করা হয়েছে: দিন যায় কথা থাকে  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ২:২৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৫ শে আগস্ট, ২০১০ ভোর ৪:৪১
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন: বিপ্লব কান্তি বলেছেন: কি হয়েছে ? ভিডিওটা কি আপনি দেখেছেন ? সেদিন শেষরাতে সবাই যারযার মেইল আই-ডি দিয়ে দিল ভিডিও পাবার জন্য । আ'লীগ - বিএনপি, জামাত সবাই একই ছাতার নিচে চলে আসল শুধুমাত্র ভিডিওটি পাবার জন্য !! এই একমাত্র কেইসে সবাই এক হয়ে যায় । একজন বলতেছে " ভাই রহস্যে রাখা ঠিক নয় " কি আকুতি !!!!! কোথায় রোজা - রমজান আর কোথায় কি !!!! এমনিতে প্রত্যেক বোনের কাছে তার ভাইটি ভাল । কিন্তু আসলে অনেকেই তা নয় ।

বিপ্লব কান্তির এই কমেন্টটা অন্য পোস্টে করা । কমেন্টটা খুবই অসাধারণ হয়েছে । কমেন্টটা এখানে তুলে রাখলাম ।
২. ২৫ শে আগস্ট, ২০১০ ভোর ৪:৪৭
ইবনান বলেছেন: আবদুর রাজ্জাক শিপন সাহেব কি ভিডিওটা দেখেছেন? যদি চুশীলতার খাতিরে দেখে না থাকেন তাহলে এই উপদেশবাণী বর্ষিত হল কি করে? দেখে লিখেছেন, নাকি না দেখে লিখেছেন? তাড়িয়ে তাড়িয়ে এক্স ভিডিও উপভোগ করে শেষ রাতে এই টাইপ লিখা আরেক রকম ভন্ডামী। সজ্ঞানে মাইনাস।
২৫ শে আগস্ট, ২০১০ ভোর ৪:৫২

লেখক বলেছেন: জনাব, ইবনান

না, ভিডিওটা আমি দেখি নাই ।

দেখার প্রয়োজনবোধ করি নাই । দেখতে হলে, প্রফেশনালদের গুলাই দেখি ।

তবে, বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী না হলে লেখা বুঝতে পারবেন, সেজন্য প্রথম পর্বটাও পরাটা জরুরি মালুম হয়। পুরুষ হিসাবে নিজেকে নিজে ভন্ডতো বলছিই, আপনার কষ্ট করতে হলো কেন !

বলে কয়ে মাইনাস দেবার সৎসাহসের জন্য সজ্ঞানে ধন্যবাদ ।

২৫ শে আগস্ট, ২০১০ ভোর ৪:৫৫

লেখক বলেছেন: আর হ্যাঁ, ইবনান, আপনার হয়তো জানা নাই, ব্লগে অনেকেই জানেন, আমি সুশীল না । মন্দ লোক । খুবই মন্দ লোক ।

৩. ২৫ শে আগস্ট, ২০১০ ভোর ৪:৪৭
সাহাদাত বলেছেন: ভাই আবদুর রাজ্জাক শিপন, বিপ্লব কান্তি মনে হয় পেয়ে গেছে! হা আহ হা হা .।
২৫ শে আগস্ট, ২০১০ ভোর ৪:৫৬

লেখক বলেছেন:
কিন্তু আপনার আমোদের বিষয়টি অস্পষ্ট ।

৪. ২৫ শে আগস্ট, ২০১০ ভোর ৪:৫৭
লালবাতি বলেছেন:
রাজিব প্রভা ,ছাগু বাকশালী ভাই ভাই এবং ৪৫টি মাইনাসের ক্যাচাল কিছুটা ১৮+ Click This Link

দেখতে পারেন।
২৬ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১:০১

লেখক বলেছেন:
আপনার পোস্টটি দেখেছি, রেটিংও দিয়ে এসেছি ।

এই পোস্টটি লেখা নিয়ে তখন ব্যস্ত ছিলাম বলে মন্তব্যের জবাব দেয়া হয়নি ।

৫. ২৫ শে আগস্ট, ২০১০ ভোর ৪:৫৮
লালবাতি বলেছেন: সম্ভ্রমের এই বিশাল ঘাটতিতে(!!) ইসলামের কান্ডারী হিসাবে নিজেদের পরিচয় দেয়া জামাতী, ধার্মীক, আস্তিক এবং নাস্তিকরা যেই বিপুল উদ্দিপনায় এক স্রোতে মিশে যেতে পারলেন, আমাদের মুখোশের আড়ালের মুখগুলোর ভন্ডামীর এক নিদারুণ উদাহরণ হয়ে, আমাদের সমাজের একটা প্রতিচ্ছবি হয়েই তা থাকুক

সহমত
২৬ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১:১৩

লেখক বলেছেন:

এইরকম সম্প্রীতির নজির খুব বিরল :)

৬. ২৫ শে আগস্ট, ২০১০ ভোর ৪:৫৯
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

গোপনে মাইনাস দেবার স্বভাব যাদের আছে, তাদের উদ্দেশ্যে : মাইনাস যতোখুশী দিন, তবে, আপনার অভিযোগের জায়গাটা জানিয়ে যাবেন, আলোচনায় আগ্রহী !
৭. ২৫ শে আগস্ট, ২০১০ ভোর ৫:০৮
সমসাময়িক ভাবনা বলেছেন: যে সব নারী জীবনের কোন দূ্র্ঘটনায় কিংবা বেঁচে থাকার তাগিদে যখন যৌন কর্মী হয়, আমাদের তথাকথিত শুশীল মানুষের সমাজে তাদের আশ্রয় হয় না, তাদের জন্য শিপন সাহেবেরা কখন ও লিখেন না। অথচ, যারা বিলাসীতার জন্য, জনপ্রিয় মডেল হওয়ার জন্য জনে জনে দেহ বিলিয়ে বেড়ায়, তাদের জন্য প্রতিবাদ করার লোকের অভাব হয় না ..

লিখতে হলে সেই সব অবহেলিত যৌন কর্মীদের জন্য লিখুন, যাতে তারা সমাজে নূন্যতম সম্মানটুকু পায়, প্রভাদের মত বিলাসী আধুনিক নর্তকীদের জন্য নয়...
২৬ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১:৩০

লেখক বলেছেন: "যে সব নারী জীবনের কোন দূ্র্ঘটনায় কিংবা বেঁচে থাকার তাগিদে যখন যৌন কর্মী হয়, আমাদের তথাকথিত শুশীল মানুষের সমাজে তাদের আশ্রয় হয় না, তাদের জন্য শিপন সাহেবেরা কখন ও লিখেন না।"

অভিযোগ অসত্য । সেইসব নিয়ে শিপন লেখে থাকেন, আপনার জানা নাই ।

আর ভুল একটা বিষয় পরিস্কার করা দরকার, লেখাটা একজন বিলাসী প্রভার জন্য না মোটেই । লেখাটা আমার আপনার সবার নিজেদের জন্য । প্রভা একটা উদাহরণ মাত্র । ধরুন, ভুলে হোক , শুদ্ধে হোক, আপনার কাছের কোন মানুষ, কোন নারী তার প্রেমিকের সঙ্গে নগ্ন ছবি তুলেছেন, সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যাবার পর, আপনার প্রিয়জন সেই নারীটির প্রেমিক যদি, নগ্ন ছবিগুলো প্রকাশ করে , আপনি কি তা সমর্থন করবেন ?

৮. ২৫ শে আগস্ট, ২০১০ ভোর ৫:৪২
বিলাল বলেছেন: এক প্রেমিকা ভালোবাসা বিকিয়ে আরেক প্রেমিকের কাছে গেলো, এখন মধূপান শেষে যে আবার দুজনাই অন্যকুলে তরী ভিড়াবে।

আগাম জবানি দিয়া রাখলাম। যাক মাস দুয়েক অপেক্ষা
২৬ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১:৪১

লেখক বলেছেন:
সেইটা হইতে পারে, না হওয়াটা বরং আশ্চর্যজনক হবে ! এই জাতীয় সম্পর্কগুলাতে এইরকমই হয়!

আলোচনার বিষয় সেটা না, কথা হচ্ছে, এই ছবি প্রকাশকে আমরা কেন সমর্থন করি ।

আমাদের বোনের এইরকম ছবি প্রকাশকে কি , যে কোন যুক্তিতে আমরা সমর্থন করবো ?

৯. ২৫ শে আগস্ট, ২০১০ ভোর ৬:০৪
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: যদ্দূর বুঝলাম, 'নটী' দ্বারা আপনি 'নটিনী' বোঝাতে চেয়েছেন। আমাদের 'নটী'দের প্রতি আমরা ঘৃণা উগরে দিই এটা ঠিক না। তাঁরা আমাদের মিডিয়াকে সমৃদ্ধি ও ঔজ্জ্বল্য দিয়েছেন, তাঁদের দেখলে আমরা সবাই 'হাঁ' করে তাঁদেরকে গিলতেই থাকি:) যে কোনও 'নটী'র একটা অন্তরালবর্তী 'নটিনী' জীবন থাকতে পারে, যে কোনও নারীরও, এমনকি আমার বা আপনার স্ত্রী-মা-বোনেরও; কিন্তু যদ্দিন ওটা প্রমাণিত বা 'প্রদর্শিত' হয় নি, ওটাকে 'নটিনী' (বেশ্যা) বলা যায় না। প্রভা'র কাজটি তাঁর 'তদানন্তীন' স্বামীর সাথে তাঁর সম্মতিতেই ধারণ করা হয়েছিল বলে প্রতীয়মান। এটা প্রস্টিটিউশন না। তাঁর 'ত্যাজ্য' স্বামী পরবর্তীতে যা করেছেন তার শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হওয়া উচিৎ। প্রভার যা যাবার তা তো গেছেই, তাঁর উচিৎ ছিল চটজলদি মানহানিকর মামলা ঠুকে দেয়া।

যায়যায়দিনে তসলিমার 'ক'-এর সমালোচনায় এক প্রখরদীপ্ত বুদ্ধিমান বালক লিখেছিল- প্রত্যেক মহাপুরুষই আসলে পুরুষ। আর আমার মনে হয়, ভণ্ডামিই হলো পুরুষত্বের সবচেয়ে বড় লক্ষ্মণ, যা দেখা যায় না, অনুভবে বুঝে নিতে হয়।

মোটামুটি গুছিয়ে লিখেছেন।
২৬ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১:৪৪

লেখক বলেছেন: "যায়যায়দিনে তসলিমার 'ক'-এর সমালোচনায় এক প্রখরদীপ্ত বুদ্ধিমান বালক লিখেছিল- প্রত্যেক মহাপুরুষই আসলে পুরুষ।"

লেখাটি পড়া আছে, এমনকি, এই কথাটা আমার খুবই মনে ধরেছিলো বলে, উপন্যাসের এক জায়গায় ব্যবহারও করেছি ।

সেই লেখাটা আপনার না তো ?

২৬ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ২:৫২

লেখক বলেছেন: মানহানীর মামলা ঠুকে দেয়া খুবই উচিত ।

আর নটিনী নয়, নট-নটির নটি বুঝিয়েছি ।

১০. ২৫ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ৭:৪৬
জাতি জানতে চায় বলেছেন: পোস্টে অতিশয় চালাকি লক্ষনীয়! সমস্যার মূলে না গিয়া, শাখা-প্রশাখা ধরে টানা-টানির চেষ্টা! এসব নাটকের পাত্র-পাত্রী উভয়েরই ক্যামেরার বিষয়ে জানা থাকে! তারা জেনে শুনেই এসব নাটক প্রকাশের রাস্তা তৈরি করে! আপনে কিভাবে নিশ্চিত হলেন যে, এসব নাটক পাত্র বা পাত্রীর অমতে প্রকাশ হইছে অথবা তৃতীয় কেউ এটা করে নাই?! এটা হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তা সূত্রের মতই! এমনও তো হতে পারে, যে মিডিয়াতে ক্রেজ সৃষ্টির জন্য এসব ছড়ানো হয়েছে!

নাটকের পাত্র-পাত্রীর দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলেও এসবের ছড়াছড়িতে তাদের কুন্ঠাবোধ করার কথা না, যদি না তারা নিজেদের অপরাধী ভাবে! আর অপরাধ হিসেবে নিলে অপরাধের প্রকাশ হওয়াটা স্বাভাবিক! নাটকের দর্শক আর ঐ প্রেমিক যুগল একই সমাজের অংশ! সামাজিক পরিচ্ছন্নতা না থাকার মানেই নটি বা নটিনীর সাথে তাদের খদ্দেরদের ছড়াছড়ি! মানুষ এমনিই সৃষ্টির সেরা জীব হয় নাই, তাকে স্বাধীনভাবে ভালো-মন্দ কাজ করার সুযোগ দেয়া হইছে! আমাদের কন্ট্রাডিক্টরি সমাজে মানুষের সামষ্টিক দর্শন আর ব্যক্তিগত দর্শন পৃথক হওয়াটা খুব স্বাভাবিক!

পুরুষ-নারী, সুযোগ পাইলে কেউ কম যায় না! প্রকাশের কম-বেশিটা তাদের সামাজিক অবস্থানের কারনে! তার চেয়ে সামাজিক সুস্থতা কিভাবে আনা যায় সেটা নিয়ে কিছু বলেন!
২৬ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১:৪৮

লেখক বলেছেন: সামাজিক সুস্থতার জন্য, মানসিক সুস্থতা খুব দরকার । পুরুষতান্ত্রিক দৃষ্টিকোণ থেকে যেটা আমাদের সমাজে প্রবলভাবেই অনুপস্থিত ।

প্রভার বিষয়টা উদাহরণ । প্রভা সেলিব্রেটি বলেই সেই উদাহরণটা এইখানে আসছে । কিন্তু আপনার আমার বোনের সঙ্গে এরকম আচরণ হলে, সেটাকে আমরা সমর্থন করবো কিনা, এটাই পোস্টের মূল সূর ।

তাহলে রাজিব যা করেছে, তাকে সঠিক হিসাবে সত্যায়ীত করছি কিভাবে আমরা ?

২৬ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১:৪৯

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ লিঙ্কের জন্য ।

পোস্টের বিষয়ে যদি কিছু বলতেন ...

১২. ২৫ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ৯:২৮
স্কোয়ার ওয়েভ বলেছেন: আমি কেবল পুরুষের একজন হয়ে নিজেকে ধিক্কার দেই ! ধিক ! পুরুষ তোমাকে !

আমার কাছে এই কথাটা খুব বুলশিট মনে হয়। অন্য একজনের কোন কাজের জন্য স্রেফ লিঙ্গের জন্য, যেটা নির্ধারণে আমার কোন হাত নাই, সেইটার জন্য ইনফেরিওরিটি কমপ্লেক্সে ভোগার বা নিজেকে ধিক্কার দেয়ার কিছু নাই।

প্রভা স্রেফ একজন নারী নন, তিনি একজন সেলিব্রিটি। সেলিব্রিটিদের স্ক্যান্ডাল সারা দুনিয়াতেই আগ্রহ জাগায়। ক্লিনটনের কেলেঙ্কারি, পামেলার ভিডিও, হালের টাইগার উডসের পরকীয়া বা মেল গিবসনের অডিও সবই সভ্য দুনিয়ার মিডিয়াও তোলপাড় করেছে। সামুতে সব দল, আস্তিক-নাস্তিক নির্বিশেষে সবার ভিডিওর লোভে ঝাপিয়ে পড়া হাস্যকর, তবে নৈতিকতার খুব অবক্ষয়ের নিদর্শন নয়। বরং এমন সেলিব্রিটি স্ক্যান্ডালের ক্ষেত্রে এটা খুবই স্বাভাবিক। আজকে মেগান ফক্সের এমন একটা ভিডিও বের হলে শুধু বাংলাদেশ বা সারা দুনিয়ার পুরুষ না, লেসবিয়ানরাও একইভাবে ঝাপিয়ে পড়বে।

এবার আসি আমাদের ভুলটা কোন জায়গায়। আমাদের সমাজ এখনও এই ভিডিও মেনে নেয়ার মত হয়নি। আমাদের সমাজে এটার সুযোগ নেই যে প্রভা মিডিয়ার সামনে তার নিজের কথা তুলে ধরবেন অথবা রাজিবকে মানহানির দায়ে মামলায় অভিযুক্ত করবেন।

সোসাইটির সামনে ওয়ে আউট আছে দুটো। এর যে কোন একটা বেছে নিতে হবে। এক, সোসাইটিতে বিয়ে-বহির্ভূত যৌন সম্পর্ককে সম্পূর্ণ গ্রহণযোগ্য করে তোলা, যেন এই ধরনের ঘটনা সহনীয় হয়ে আসে। দুই, পারষ্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে সচেতনতা অবলম্বন করা যেন এমন প্রতারনার সুযোগ না থাকে।

প্রভার এই ঘটনার পরে একটা মেয়েও যদি সচেতন হয়, বয়ফ্রেন্ড সেক্সুয়াল রিলেশনে যেতে চাইলে বা ঘনিষ্ঠ ভিডিও বা ছবি তুলতে চাইলে ডিনাই করতে পারে, তাহলেই এই ঘটনা থেকে সমাজ পজিটিভ কিছু পেতে পারে। আর পুরুষ হিসেবে নিজেকে ধিক্কার না দিয়ে, বাবা হিসেবে দায়িত্ব পালন করুন। আপনার ছেলে রাজিব বা আপনার মেয়ে প্রভা হয়ে উঠবে না।
২৬ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ২:২৬

লেখক বলেছেন: "অন্য একজনের কোন কাজের জন্য স্রেফ লিঙ্গের জন্য, যেটা নির্ধারণে আমার কোন হাত নাই, সেইটার জন্য ইনফেরিওরিটি কমপ্লেক্সে ভোগার বা নিজেকে ধিক্কার দেয়ার কিছু নাই।"

বিষয়টা আসলে একজনের না । যখন পাঁচ-ছয় বছরের মেয়েরা ধর্ষীতা হয় । যখন কিশোরী এবং তরুণীরা ইভটিজিং এর শিকারে অসহ্য হয়ে, আত্মহনন করে,তখন পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতাকেই সেখানে সবচে' বেশী অপরাধী মনে হয় ।


"প্রভার এই ঘটনার পরে একটা মেয়েও যদি সচেতন হয়, বয়ফ্রেন্ড সেক্সুয়াল রিলেশনে যেতে চাইলে বা ঘনিষ্ঠ ভিডিও বা ছবি তুলতে চাইলে ডিনাই করতে পারে, তাহলেই এই ঘটনা থেকে সমাজ পজিটিভ কিছু পেতে পারে।"


প্রভা একটা প্রসঙ্গ মাত্র । একটা উদাহরণ । আমাদের যে কারো বেলাতেই এরকম ঘটনা ঘটলে, আমার বোনের বেলাতে এরকম ঘটনা ঘটলে আমার স্ট্যান্ড কি হবে ? আদতে, সেটাই আলোচনার মূল বিন্দু !

কি করে, রাজিবকে সঠিক বলে আমরা সমর্থন দেই ?

১৩. ২৫ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ৯:৫২
মোহাম্মদ জাফর সাদেক বলেছেন: "সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই"-এর কথাগুলোই বেশী যৌক্তিক মনে হচ্ছে।।।
২৬ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ২:৫৩

লেখক বলেছেন:
জ্বি !

ধন্যবাদ ।

২৬ শে আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, লড়াকু ।

১৫. ২৬ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১২:৫৮
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

ব্লগে খুব নির্দিষ্ট সময় দেয়া হয় । যে কারণে, ঠিকসময়ে মন্তব্যের জবাব দেয়া যায়নি বলে দুঃখিত !

ধীরে ধীরে জবাব চালু থাকবে । ধন্যবাদ ।
২৬ শে আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।

১৭. ২৬ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৩:২১
জাতি জানতে চায় বলেছেন: আপনে জবাব গুলা এমনভাবে দিচ্ছেন যাতে ক্যাচালের উৎপত্তি হয়, পোস্টের উদ্দেশ্যও সেরকম! আপনের লিঙ্গতান্ত্রিক চিন্তাভাবনাও স্থূল দৃষ্টিকোন থেকে আসা! কারো বোনের বেলায় ঘটলেই যে বিষয়টাকে ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতে হবে এমন চিন্তা আপনার মাথায় আসলো কেন?! রাজীবের মত পাবলিকের ভুল বা অন্যায় কাজ করাটাই স্বভাব! এরকম ভুল বা অন্যায় কাজ গুলো একটা অন্যটার সাথে সম্পর্কযুক্ত! এখানে অন্যায় গুলো পৃথকভাবে ধরে সমাধান চাওয়াটা বোকামী! মাত্র কয়েক যুগ আগেও রাজীবের অনৈতিক সম্পর্ক গুলো সমাজে পুরোপুরি অগ্রহনযোগ্য ছিলো, আর প্রকাশটা একদমই ছিলো না! এখন সমাজের একটা অংশে অনৈতিক সম্পর্কের গ্রহনযোগ্যতা তৈরি হচ্ছে, কেবল প্রকাশটার গ্রহনযোগ্যতা বলতে গেলে নাই! অদূর ভবিষ্যতে প্রকাশেরও গ্রহনযোগ্যতা তৈরি হবে! একটাকে গ্রহনযোগ্যতা দিয়ে আরেকটিকে (প্রকাশ) বন্ধ করার চেষ্টা শুধু আহাম্মকিই না বরং ভন্ডামী!
২৬ শে আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৯

লেখক বলেছেন: স্থুলতার সংজ্ঞা কি ?

আমার বা আপনার স্ববিরোধীতা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিলে সেটা মোটা দাগের স্থুলতাই হয় তাই না ? আমি-আপনি, আমাদের মতো কোন নষ্ট পুরুষের শিকারে পরিণত হয়ে কোন মেয়ে আত্মহত্যা করলে সেই কথা শুনতে স্থুল লাগে বৈকি !

প্রভার অন্যের সঙ্গে গেছে, সেটাকে সঠিক বেঠিক ভিন্ন আলোচনা । মূল প্রশ্নটা প্রভার সাবেক প্রেমিকের প্রচারীত ক্লীপটিকে আমরা কিভাবে সমর্থন করছি । এটা সমর্থন যোগ্য কিনা ?

আমরা সমর্থন করছি, কারণ পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা আমাদের চেতন বা অবচেতনে প্রোথিত!

ক্যাচাল করবো কার সঙ্গে, প্রতিপক্ষ কেউ নেই, নিজেই নিজের প্রতিপক্ষ ।

১৮. ২৬ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৩:৪১
মোঃমোজাম হক বলেছেন: ব্যপক গভেষনাধর্মী লেখা।
ধন্যবাদ।
২৬ শে আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩২

লেখক বলেছেন:
কিয়ের কি !

ধন্যবাদ ।

১৯. ২৬ শে আগস্ট, ২০১০ ভোর ৪:০২
এস বাসার বলেছেন: ঘটনা যেহেতু প্রভাকে নিয়ে, সুতরাং তাকে আড়াল করে আমার/আপনার বোন বা এই জাতীয় বিশেষনে যাওয়া কি ঠিক হচ্ছে? রাজীব ঠিক করে নাই কিন্তু প্রভা কি ঠিক করেছে? আমাদের সমাজের বাস্তবতায় তার এসব মেনে নেয়ার কোন সুযোগ নেই।

প্রভা অনেকের রোল মডেল, অনেক তরুন/তরুনী তাকে সামনে নিয়ে এগিয়ে যেতে চায়, নৈতিকতার মাপকাটিতে সে ফেল। বলতে পারেন প্রত্যেকেরই ব্যাক্তিগত জীবন থাকে, সত্যি । কিন্ত যে ব্যক্তিটি সমাজের প্রতিনিধিত্ব করে তাকে ব্যক্তির উর্ধে উঠতে হয়। প্রভার ব্যর্থতা এখানেই।

শুধু শুধু পুরুষত্বের ধিক্কার জানানোর মাঝে সুশীলীয় ভাব হয়তো বজায় থাকে কিন্তু আদতে প্রভার মতো কাউকে স্ত্রী/বোন হিসেবে মেনে নেয়া যায়না।
২৬ শে আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৭

লেখক বলেছেন: বারবার বলা হচ্ছে, প্রভা একটা উদাহরণ মাত্র । পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতার কারণেই কিশোরীরাও অসহ্য হয়ে আত্মাহুতি দেয় এই দেশে ।

"প্রশ্ন আসবে, ছেড়ে যাবার কথা কি ছিলো ? স্বামী-স্ত্রী বৈবাহিক বন্ধনের মধ্য দিয়ে যে সম্পর্ক শুরু করেন, তা আজীবনের সম্পর্ক হবে, সেই আশা স্বপ্ন ভালোবাসার সূত্র দিয়েই শুরু করেন । আশা স্বপ্ন ভালোবাসা ভেঙ্গে যায়। দু'জন বিপরীতধর্মী মানুষের ভালোলাগা সবসময় একরকম যায়না, মোহ কেটে যায়, মানসিক বুঝাপড়ার জায়গাটাতেও দু'জন মানুষে ফারাক থেকে যায় যোজন, সাত কিম্বা সতের বছর সংসার করেও স্বামী- স্ত্রী আলাদা হয়ে যান, এটাও স্বাভাবিক, স্বীকার করতে না চায়লেও ।"


তারপরই আছে--

"ঠিকাছে, পরস্পরের মতামতের ভিত্তিতে সম্পর্ক ছিন্ন হয়নি, আপনার স্ত্রী আপনাকে ছেড়ে গেছেন, অন্যের সঙ্গে ভেগে গেছেন, আপনার এবং স্ত্রীর সেই বস্তুগুলো কি আপনি বাজারে তুলবেন ?"

আশা করছি, আমার আক্ষেপের জায়গাটা আপনাকে বুঝাতে পেরেছি ।

২০. ২৬ শে আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৯
লাল তরঙ্গ বলেছেন: আপনের এই পোস্টটা পড়ে মেজাজটা খারাপ হয়ে গেল। সামনে পাইলে আপনেরে অনেক গালি-গালাজ দিতাম এবং চড় থাপ্পড় দিয়া জেএমবির জঙ্গি কইয়া পুলিশের কাছে সোপর্দ করতাম।

ঘটনা যা দাড়িয়েছে সেইটারে এখন অপরাধ কওন ছাড়া উপায় নাই।
আপনি আইছেন সেইটারে নৈতিকতা দিয়া বিচার করতে।

ভন্ডমী-ষন্ডামীর সীমাটা আপনাদের মতো গরুখোরদের জানা উচিত।

মিয়া আপনে আরেকটা মানুষ লগে একান্তে যাই করেন না কেন সেইটা গোপণীয়তা আইন দিয়াই সুরক্ষিত হইতে হইবে। সেইটারে নৈতিকতার দোহাই দিয়া কোন হালায় কোন দিন পারে সুরক্ষা দিতে।

কারণ আপনি একটা অনৈতিক ঘটনাকে নৈতিক মনে করার পর সেইটার বাই ডিফল্ট ঘটনাকে আবার অনৈতিক কইতে পারেন না।

কারণ আল্লাহ-খোদারে গাঙ্গের জলে ভাসায়ে দিয়া লীলা করণের পরে যদি দেখেন ছ্যাড়ায় আপনের শাড়ি-পেটিকোট নিয়া ভাগছে সেইটার জন্য খোদার কাছে কাইন্দা লাভ নাই। তারে কইয়া লাভ নাই এতো বড় হারামিরে খোদা তুমি ঠাডা মারো।


বরং এই সময় শড়ি-পেটিকোটের জন্য আপনার পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে চুরির বিচার নিয়াই যাইতে হইবো।


আমরা যেন পন্ডিতি করার সময় খেয়াল রাখি নৈতিকতা একটি ধর্ম সংক্রান্ত ব্যাপার। অধর্মের মামলায় তারে টানাটানি করন যায় না।
২৬ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:০৩

লেখক বলেছেন: ঠিকাছে,সুযোগ যখন আছে, ভার্চুয়ালী কিছু চড়-থাপ্পর মাইরা দেন !

নৈতিকতা দিয়া এই বিষয়টারে বিচার করা যায়বোনা বইলা কইতেছেন, আদতে নৈতিকতা ছাড়া খালি আইন দিয়াও যে এই বিষয়গুলার সমাধান হয়নাই তার নজির আমগো সামনে অনেক আছে।
নৈতিক অবক্ষয় আইনরে ক্ষয় কইরালাইছে অনেক আগে ।

ধর্মের বাইরে যিনি অর্থাৎ আপনার মতে "অধর্মের মামলায়" নৈতিকতা রাখন যায়বো না বইলা আপনে দাবি করতেছেন । এই দাবিটা কি এইজন্য যে, অধর্মে নৈতিকতা বইলা কিছু নাই । অধার্মিকের কাছে নৈতিকতা থাকতে নাই, এই যদি হয় আপনের দর্শন, তয় আপনেরে সালাম !

২৬ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:০৫

লেখক বলেছেন:
নেকড়ের ছবি লাগায়া ছাগলের ম্যাৎকার ...

লুকানো যায়না ভেতরটা .. :)

২২. ২৬ শে আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪২
সবাক বলেছেন:
এ দেশের লেখকদের কিছু সুবিধা আছে। ইচ্ছেমতো ধিক জানানো যায়। মনে হয় একটা ধিক এর দেশে বসবাস করি। আবার এ ধিক কে পুঁজি করে খ্যাতিও পেতে পারে। সমস্যা এবং সমস্যার দৃশ্যমানগুলো কারণগুলো সবাই কমবেশি দেখতে পারি। একটা বিষয় কমবেশি সবাই দেখতে পারে না, তা হলো সমস্যার শুরু এবং সমাধান। বাংলাদেশে কিছু সমস্যা মহামারী আকার ধারণ করেছে, পাশাপাশি সমালোচক এবং স্ব-গোত্রে ধিক প্রধানকারীদের লেখার আকারও বড় হচ্ছে।

তবে আপনার লেখাটি পড়ে একটা সম্ভাবনাও দেখতে পাচ্ছি। মনে হয় আপনার দর্শনে বড় ধরনের দরকষাকষি চলছে। আশাকরি স্থির হতে বেশি সময় লাগবে না।

যা হোক, আমরা দলমত নির্বিশেষে জামাতের সহিত ধিক জানিয়ে নিজ নিজ নাগরিক কর্তব্য সমাপ্ত করি।
২৬ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:১৫

লেখক বলেছেন:
আপনার বক্তব্য ভাল্লাগছে, কারণ কিছু সত্য উচ্চারণ আছে ।

ধিক জানানোর ক্ষমতাটাই আপাতত কাজে লাগাতে চাই,- এরচে' বড়ো কিছু করবার অক্ষমতাতেই হয়তো । যদি আপনি করতে পারেন, আরো বড়ো কিছু,- স্বাগতম । সমাধান কিছু বাতলাতেও পারেন । নিজেরা না শুধরালে কোন সমাধান নাই, এটাও সত্য ।

আমি যেহেতু, নিজস্ব দর্শনে চলি, কোন গুরুজী দ্বারা প্রভাবিত হয়ে নই, তাই আমার দর্শন এরকমই । বিজ্ঞজনদের হয়তো সেটা বুঝে ওঠতে পারবার মতন সময়ের অভাব ।

২৩. ২৬ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:১৩
লাল তরঙ্গ বলেছেন: অধর্মে নৈতিকতা নাই। আইন আছে।
কারণ অধর্মে মানুষ মাত্রই নাগরিক। আর নাগরিকের নাগরিকতার সব সঙ্কট আইন দ্বারা মীমাংসা করার বিধান।


এর বাইরে হিসাব করলে করতে পারেন, ওয়াজ করলে তো কেউ মানা করতে পারে না।
২৬ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:২২

লেখক বলেছেন: খুবই যৌক্তিক কথা ।

নাগরিকের তাবৎ সঙ্কট আইন দ্বারা মীমাংসা করবার বিধান ।

আমাদের নাগরিকদের নাগরিক সুবিধা প্রাপ্তির দৈর্ঘ-প্রস্থের হিসাবে না গিয়েও , সবিনয়ে আপনাকে একটা প্রশ্ন করা যায়, -- ঠিক এইরকম একটি সঙ্কটে নাগরিকের সঠিক বিধান পাবার পরিবেশ আমাদের দেশে আছে বলে কি আপনি মনে করেন ?

যে দেশে, ধর্ষীতা পর্যন্ত আদালতে মামলা তুলতে সন্ত্রস্ত হয়, এই ভয়ে, ভয়াবহ ধর্ষণের বর্ণনাটায়, মাননীয় আদালতের সামনে তাকে আবার দিতে হবে !

২৪. ২৬ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১১:৫৮
স্বদেশ হাসনাইন বলেছেন: ১
যে অজানা নারীটি গলির পথে হেঁটে যায় আমি তার পুরুষ নই। নারীটিরও কোন অধিকার নেই আমাকে দখল করার। দুজনার সম্মতি দেয় আদান প্রদানের। বিবাহ যদিও স্বীকৃত প্রথা, প্রেম যদি খুলে দেয় অলিখিত দুজনার পথ। তাও অসুস্থ কিছু নয়।

এই স্বত:সিদ্ধগুলোই সভ্যতা শেখায় আমাদের। না হলে পথের কুকুরের র সঙ্গে কি তফাৎ থাকে? পোষাক পরে। শ্লীল মার্জিত রুপে সুখে থাকে পরিবার সমাজ।

অশ্লীলতা সভ্যতায় বিষ। বাবা-মা, ভাই-ভাবী ...সবাই অন্ধকারে একজোড়া নগ্ন মানুষের বিনিময়। সভ্যতা শিখিয়েছে সযত্নে অদৃশ্য রাখতে জানাসত্যটুকু।


অন্তরন্ত নগ্ন দৃশ্যগুলো শুধুই দুজনের জন্য নির্মিত। প্রেম পত্র তৃতীয় ব্যক্তির জন্য নিষিদ্ধ হলে, চুম্বনের দৃশ্য অ্যালবামে না প্রকাশ পেলে প্রযুক্তিতে ধারণকৃত দৃশ্যাবলী সমানুপাতে নারকীয় অপরাধ। হোক প্রতিহিংসা হোক তুচ্ছতা, হোক ব্যবসা - ঘৃণ্য নির্বিচারে সেই কর্মকান্ড।

যে মানুষটি পর-দেহের ব্যক্তিগত অঙ্গগুলোকে অন্তর্জালের দর্শন করে হাততালি দেয়, তার কী অধিকার থাকে গলির মোড়ে নিজেরই প্রতিরূপকে মানুষটিকে বখাটে বলার?


ভালবাসা কখনো বিশ্বাসঘাতক সঙ্গীকে এসিড ছুড়তে জানেনা। যে এসিড ছোড়ে সে উন্মাদ অথবা শরীর লোভী। এসিড ছুড়ে ফেলা বন্ধ করতে প্রথমে দরকার মূল্যবোধের উন্নতি। এরপর সামাজিক প্রতিরোধ । না হলে প্রতিটি বোনের মুখে এসিডের দাগ ঝুলে থাকবে। এসিডপোড়া স্ত্রী নিয়ে ঘর করতে হবে।

শেষ স্তরে দস্যু, মাস্তান আর খুনীদের নির্মুল করার জন্য আইন আবশ্যক। (রাষ্ট্রযন্ত্র আর আইনের অসারত্ব বার বার প্রমাণিত হয়)।

পরিস্থিতি যেন চলে যায় আওতার বাইরে। নারী আর ধর্ষিতা সমার্থক হতে যেন দেরী নেই।


বানরের হাতে ধারালো ছুরি দেয়ার মতো, প্রযুক্তি আমাদের জন্য বিপদজনক এক অস্ত্র। ইন্টারনেট, মোবাইল ক্যামেরা জ্ঞান অসভ্য মানুষের দৃশ্য ধারণ করে, নিয়ন্ত্‌নহীন ভাবে বিস্তার ঘটায়।

অর্থের ফেনায় হাতে হাতে কম্পিউটার আর "কথা বলার" যন্ত্র থাকায় যে কেউই এখন শিকার করতে পারে অন্যের গোপনীয়তাকে। পরিবারে যে সততার শিক্ষাটি একসময় ছিল, তা ফিরে না আসলে এই হত্যাকান্ড মহামারী হয়ে যাবে।

হত্যা স্বাভাবিক বলে মেনে নিলে, অপরাধী বিবেকের দংশনও ভুলে যায়।

-----


২৭ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১:৩৬

লেখক বলেছেন: "ভালবাসা কখনো বিশ্বাসঘাতক সঙ্গীকে এসিড ছুড়তে জানেনা। যে এসিড ছোড়ে সে উন্মাদ অথবা শরীর লোভী। এসিড ছুড়ে ফেলা বন্ধ করতে প্রথমে দরকার মূল্যবোধের উন্নতি। এরপর সামাজিক প্রতিরোধ । না হলে প্রতিটি বোনের মুখে এসিডের দাগ ঝুলে থাকবে। এসিডপোড়া স্ত্রী নিয়ে ঘর করতে হবে।" "বানরের হাতে ধারালো ছুরি দেয়ার মতো, প্রযুক্তি আমাদের জন্য বিপদজনক এক অস্ত্র। ইন্টারনেট, মোবাইল ক্যামেরা জ্ঞান অসভ্য মানুষের দৃশ্য ধারণ করে, নিয়ন্ত্‌নহীন ভাবে বিস্তার ঘটায়। অর্থের ফেনায় হাতে হাতে কম্পিউটার আর "কথা বলার" যন্ত্র থাকায় যে কেউই এখন শিকার করতে পারে অন্যের গোপনীয়তাকে। পরিবারে যে সততার শিক্ষাটি একসময় ছিল, তা ফিরে না আসলে এই হত্যাকান্ড মহামারী হয়ে যাবে।"


আপনাকে স্যালুট হাসনাইন, এতো সুন্দর করে, গুছিয়ে বুঝিয়ে বলবার জন্য, যারা বুঝেও না বোঝার ভান করছেন ।

২৫. ২৭ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১২:০২
শৈল্পিক ভাবনা বলেছেন: জাতি জানতে চায় এর সাথে একমত
২৭ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১:৪৫

লেখক বলেছেন: ঠিকাছে ।

২৬. ২৭ শে আগস্ট, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৩
রুবেল শাহ বলেছেন: দোস্ত লেখাটা fb নোট আকারে শেয়ার করলাম
২৮ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১২:৫৫

লেখক বলেছেন: ঠিকাছে ।

২৭. ২৭ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:০৯
রুবেল শাহ বলেছেন: দোস্ত তুমি যে ঐ নটিরে কিছু কইলানা এই মাইন্ডে লাগলো, ও যদি খুইলা না দিতো ঐ পোলার জোর কইরা খুলতে পারতো।

বিভিন্ন মাধ্যমের লেখা গুলো পড়ে দেখলাম যে এই নটির আগ্রহই বেশী ছিলো.............
২৮ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১২:৫৬

লেখক বলেছেন:
আগ্রহের ব্যাপারে পোস্টে ইনডিরেকলী বলা আছে ।

দু'জন মানুষের সম্পর্কের মাঝে এরকম বিষয়ে যে কোন একপক্ষের আগ্রহ বেশী থাকতেই পারে, আলোচনার বিষয় তা না । বিষয় হলো, দু'জনার একান্ত জিনিসগুলো বাজারে তোলাকে তুমি সমর্থন করো কিনা !

করলে কেন করো ?

২৮. ২৮ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১:০৫
অমিত চক্রবর্তী বলেছেন: লিখা ও মন্তব্যগুলো পড়তেছি বস!
তবে এসব ক্ষেত্রে আমার শুধু পর্যবেক্ষক হিসেবে থাকারই অভ্যেস।সেই কারণেই আলাদা করে আর কিছু বললাম না।
২৮ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১:২৩

লেখক বলেছেন:
চুপ করে চোখ মুদে থাকাতো যায়...কিন্তু...

আপনার মতামতটা শুনতে চাইছি ।

২৯. ২৮ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১:০৯
গোলন্দাজ বলেছেন: আমার মন্তব্যটা মুছে ফেলার জন্য অনুরোধ করছি, আমি পোস্টের জন্য দুঃখিত।
২৮ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১:২৪

লেখক বলেছেন:
খুব দ্রুত যে, আপনি ভুল বুঝতে পেরেছেন, সেজন্য ধন্যবাদ ।

৩০. ২৮ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ২:২৩
অমিত চক্রবর্তী বলেছেন: আসলে এইসব বিষয়ে কিইবা মতামত দেয়া যায়।পারস্পরিক ইন্টারকোর্সের ব্যপারে দুইজনের সম্মতি থাকলে এতে তো কোন অব্জেকশান থাকা উচিৎ নয়, যদিও আমাদের সমাজ,সংস্কৃতি এই ব্যপারগুলো এলাউ করে না তবুও এইক্ষেত্রে আসলে সমাজ তো ডাইরেক্টলি কোন ভূমিকা রাখতে পারছে না।লাইফস্টাইল, রুচিবোধ নানা ফ্যাক্টর থেকে এই ঘটনাগুলো ঘটতে পারে।ইন্টারকোর্স্কালীন তারা বিষয়টিকে চিত্রগ্রাহিত করতে পারে উভসম্মতিক্রমে, এটাতেও আপনি সরাসরি কিছু বলতে পারছেন না। কিন্তু এইভাবে সেইসব দৃশ্যায়ন বাজারজাত করা, তাও প্রতিহিংসাপরায়ন হয়ে এই বিষয়টুকুকে কিভাবে সমর্থন করি বলুন, একজন সুস্থবোধসম্পন্ন মানুষ কিভাবে সমর্থন করতে পারেন।বিদেশী আপাতুন্নতসংস্কৃতিচর্চ্চা করতে করতে আমাদের সংস্কৃতি ও ইতিহাসের মহত্ব ,বিশালতা আমরা ভুলে যাচ্ছি এটা দুঃখজনক।আমি এই ঘটনাটি জানতে পেরেছি পরশুদিন।অবাক হয়েছি।হয়তো নিজেকে যতোটা আধুনিক ভাবি ততোটা হয়ে উঠিনাই বলেই এইসব ঘটনায় গাগুলানো একটা অনুভূতি আসে।নিজের স্বপ্নগুলোকে নিয়ে ব্যস্ত থাকতেই তৎপর থাকি তাই।

এইসবতো নিজেদেরই পতনরেখা।এতে আলোকপাত করতে কে চাইবে বলুন।তাই এড়িয়ে যেতে চেয়েছিলাম আরকি।


শুভরাত্রি।
২৮ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ২:৩৯

লেখক বলেছেন:
"এইসবতো নিজেদেরই পতনরেখা।এতে আলোকপাত করতে কে চাইবে বলুন।"--

এইজন্যেইতো কেউ না কেউ এগিয়ে আসা উচিত, পতনরেখা থেকে যদি একটি আলোর রেখা তৈরী হয়...

অধিকাংশ ব্লগার যে উৎসাহে কাজটাকে সমর্থন করলো, সেই উৎসব যদি আপনি দেখতেন...

দুঃখবোধ থেকেই জন্ম নেয়া এই পোস্ট...

শুভরাত্রি ।

৩১. ৩০ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ২:৪৫
শেখ আমিনুল ইসলাম বলেছেন: কি বলব বুঝতে পারছি না
শুভেচ্ছা
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: শুভেচ্ছা নিরন্তর আপনাকেও ।

ভালো থাকুন ।

৩২. ৩০ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:৪৮
ভাঙ্গন বলেছেন: অনেক চমৎকার করে ভিতরের আলোটাকে উদ্ভাসিত করেছেন আপনি। যে আলো নিজেই আঁধারে ছিল।
বর্তমানে প্রভা-রাজিব ইস্যু নিয়ে ব্লগে বহু কথাবার্তা চলছে। আমার সবচে আশ্চর্য লাগে যখন একজন কোন ব্লগার সে কদর্য (যখন কদর্য হয়ে গেছে,প্রকাশে) ভিডিওটা তারিয়ে উপভোগ করার পর নৈতিকতার দোহাই দিয়ে প্রভার বিচার চাইছে। আবার কখনো ধর্মের দিক প্রদর্শন করে ধর্মীয় লেবাসের বিচার্য দিক তুলে দিয়ে ভাঁড়ামি করছে।
.................
সমস্যা হয়েছে,ঘটনা ঘটেছে। এখানে দু'দিকে তাকালে দু'রকম অবস্থান দাঁড়ায়। একজন ব্যর্থ হয়ে চরম হিংস্র হয়ে উঠেছে। আর আরেকজনের প্রাক অভিসার নতুন গজানো প্রেমে বিসর্জন দিয়ে জ্বালামুখ তৈরী করে দিয়েছে।
একজন সচেতন মানুষ, যদি আত্মসচেতন না হয়,তাকে যুগে যুগে কোন না কোনভাবে এর প্রায়শ্চিত্ত করতে হয়। প্রভার এহেন দশায় আমার এতটুকুন অন্তর কাঁপছেনা বরং চিন্তার দিক হচ্ছে এই যে. একজন বাগদত্তা যদি তার সর্ম্পকের প্রতি দায়বদ্ধ না থাকে, তবে পরিস্থিতি কত ভয়ানক হয়।

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১:০২

লেখক বলেছেন: মূল্যবোধের অবক্ষয় আমাদের কতো নীচে নামিয়ে দিয়েছে, তারই প্রমাণ এইসব ঘটনা ।

প্রেম বাজারী জিনিস না, একে যারা -- 'লাভ ইজ নাথিং বাট আ প্লে' মনে করে, তাদের অবস্থা যে শেষে কি হতে পারে, এরকম উদাহরণ থেকে শিক্ষা নেয়া যায় ।

জামা বদলের মতো মনের মানুষ বদলানো যেমন ঠিকনা , তেমনি কোন যুক্তিতেই নিজেদের একান্ত বিষয় বাজারে তোলা ঠিকনা কারণ, যে সুক্ষ বিষয়গুলো মানুষ এবং জন্তুর মধ্যে ফারাক তৈরী করে দেয়, তার মধ্যে 'বিশ্বাস' অন্যতম ।

আমরা মানুষ হই ।

৩৩. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ২:৫৪
রোবোট বলেছেন: প্রভার ভিডিও আদানপ্রদান করে যারা মাহে রমজানের পবিত্রতা বজায় রাখলেন তাদের জন্য রয়েছে দোজাহানের অশেষ নেকি।
ইসলামের যেসব সেবক প্রভাকে প্রস্টি**ট বলেন এবং ইফতার করে মহা আনন্দে ঐসব ভিডিও দেখেছেন, তাঁদের কাছে জানতে মনে চায়, ধর্মের কোথায় প্রস্টি**ট গমনকে জায়েজ করা আছে।
বাংলাদেশে ধর্ষণ, ইভ টিজিং, যৌন হয়রানি এগুলো এতো বেড়েছে এগুলো কারা করে সামু আর ফেইসবুক দেখে বুঝলাম।
১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১২:৪৯

লেখক বলেছেন: এই বিষয়টা আমাকে নিদারুণ ব্যথিত করেছে ।

ভেবে পায়না, অন্যায় যেটা সব যুক্তিতেই অন্যায়, কুযুক্তি দিয়ে কি করে মানুষ তাকে সমর্থন দেবার চেষ্টা করে ।

অবশ্য এ এক অনন্য নজির যে, সেইদিন, সেই সময়গুলোতে এই ব্লগে বাঘে-মহিষে, সিংহে এবং ছাগে এক ঘাটে জল খেয়েছে !

০৭ ই নভেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:৩৮

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৫৪৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
নির্গুণ বলে, গুণীজনকে ভীষণ পছন্দ !

মানুষের ভালোবাসার ক্ষমতায় মুগ্ধ

মানুষের প্রতারণায় হই ঋদ্ধ

মানুষের ঘৃণার উৎসে উৎসুক !
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ