তোমার ঘরে বসত করে কয়জনা..

জামাত দিচ্ছে মুক্তিযোদ্ধার সংবর্ধনা : আসুন আলোচনা হোক

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:১২

শেয়ারঃ
0 1 0

তেলাপোকাও পাখি--কথাটি খুব মনে পড়ছে, অবশ্যই দুঃখের সঙ্গে ।


জামাত দিচ্ছে মুক্তিযোদ্ধার সংবর্ধনা ! মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে জামাতের এই যে নির্মম রসিকতা, এই যে তাদের পিঠ বাঁচানোর ব্যর্থ প্রয়াস, এই যে দিনকে রাত করে দেবার তাদের টিকটিকির প্রাণের সীমাবদ্ধতা, এর জবাব তাদের কিভাবে দেয়া উচিত ?


আর মুক্তিযোদ্ধা পরিচয়ে জামাতের কাছ থেকে যে বনি আদম সংবর্ধনা নেয়, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, সম্মান তার অবশিষ্ট আছে বলে কি আপনি মনে করেন ?

ভীষণ প্রাসঙ্গিক একটি লেখার সংযুক্তি দিলাম :


৩৭ বছর পরও তোমার মাংস খাওয়া কুকুরেরা রয়ে গেছে, মা জননী!

প্রিয় দেশ মা !

৩৭ বছরে তোমার অনেক কৃতি সন্তানকে তুমি হারিয়েছো । "এবারের সংগ্রাম, মুক্তির সংগ্রাম" বলে সেদিন পুরো জাতিকে উজ্জিবীত করেছিলো তোমার এক সাহসী সন্তান, শুধু অকৃতজ্ঞ কুকুরগুলো ছাড়া । তোমার সেই সাহসী সন্তানকেও বেশীদিন বুকে ধরে রাখতে পারোনি তুমি । তুমি পারোনা, তোমার ভালোবাসার ধনগুলোকে তুমি ধরে রাখতে পারোনা। অথচ, সেদিনের সেই অকৃতজ্ঞ কুকুরগুলো , যারা সুযোগ বুঝেই তোমার কাঁচা মাংসে কামড় বসিয়েছিলো, মাংস খুবলে নিয়েছিল, তোমাকে ক্ষত-বিক্ষত করেছিলো, তোমার রক্তের হুলি খেলায় যারা করেছিলো উলঙ্গ উল্লাস, যে দাগ আজও বয়ে বেড়াও তুমি , তোমার মাংস খাওয়া সেই কুকুরগুলো এখনো বহাল তবিয়তেই আছে । পাথরের পা নিয়ে তোমার বুকের ওপর দিয়ে ওরা যখন হেঁটে যায়, তোমার অনেক কষ্ট হয় । নিশ্চয়ই হয় । কষ্টে দম বন্ধ হয়ে আসে তোমার । ঘৃণায় রি রি করে ওঠে তোমার শরীর, নিশ্চিত । তবু, তোমার সন্তানেরা, আমরা তাদের কেশাগ্রও স্পর্শ করতে পারিনি ! মায়ের মাংস খাওয়া কুকুরগুলোকে আমরা বধ করতে পারিনি । এমনকি ৩৭ বছরে, নিদেনপক্ষ সেই কুকুরগুলোর লেজও আমরা সোজা করতে পারিনি ! আমি পারিনি, আমি তাদের পাঁজরের একটি হাঁড়ও ছিড়ে নিতে পারিনি, মা ! আমি কুলাঙ্গার, আমি অপদার্থ সন্তান তোমার ! এ লজ্জা আমার ! আমার একান্ত নিজের ! এ লজ্জা রাখার জায়গা নেই আমার, মা ! মা ! ৩৭ বছরে তোমার অর্জন, স্বৈরাচারকে তুমি পেয়েছো, মা ! বাচাল জননেত্রীকে পেয়েছো ! সুদর্শনা দেশনেত্রীকে পেয়েছো ! বুদ্ধিজীবি নামের একশ্রেণীর পরজীবিকে পেয়েছো । দ্বৈতনীতির সুবিধাবাদী সুশীল সমাজকেও পেয়েছো ! পাওনি শুধু, -- 'তোমার কাঁচা মাংসের স্বাদ নেয়া কুকুরগুলোকে বধ করার মত একজন!' এ লজ্জা আমাদের মা ! তেমার সন্তানদের ! এ লজ্জা আমার , মা ! আমাকে তুমি ক্ষমা করোনা ! কক্ষনো না !




 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): যুদ্ধমুক্তিযুদ্ধসংবর্ধনা ;
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৫৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:১৭
চাষী বলেছেন: এটা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির জয়। জামাতের আদর্শগত পরাজয়।
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:১৯

লেখক বলেছেন: কিভাবে ?

আরেকটু পরিস্কার করে বলবেন ?

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:২৬

লেখক বলেছেন: আমাদের অগুণতি শহীদ প্রাণ, অকথ্য নির্যাতনের শিকার আমাদের মায়েদের , বোনেদের আত্মা কি নিশ্চিতভাবেই পিড়ীত হবেনা, মুক্তিযোদ্ধা পরিচয়ে যদি কেউ জামাতের কাছ থেকে সংবর্ধনা নেই ?

যারা আমাদের মেয়েদের পাকীস্তানী হায়েনাদের হাতে তুলে দিয়েছিলো ?

২. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:২৯
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: "কিভাবে ?

আরেকটু পরিস্কার করে বলবেন ?"

আমি আমার নিজের মতটুকু দিচ্ছি।

আজকের বাংলাদেশে মুক্তিযোদ্ধাদের মূল্যায়ন না করে কেউ রাজনীতিতে টিকে থাকতে পারবে না। সে কারনেই জামাত তার অবস্থান পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছে। ২৮ শে ডিসেম্বরের নির্বাচনের এটাই সবচেয়ে বড় ইতিবাচক দিক।

মুক্তিযোদ্ধারা কেন এভাবে সম্বর্ধনা নিচ্ছেন, সেটা জানতে আমিও আগ্রহী। একটা সহজ ব্যাখা হতে পারে তারা সুবিধাবাদী। কিন্তু সেটা না হবার সম্ভাবনাই বেশী, কারন জামাত এমন কোন বিজয়ী শক্তি নয় যে তাদের সাথে এ বিষয়ে সহযোগিতা করতে কেউ খুশী মনে রাজী হবে। আমার ধারনা এই মুক্তিযোদ্ধারা স্বাধীনতা পক্ষের শক্তির ক্রমাগত ব্যর্থতায় হতাশ।
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৪০

লেখক বলেছেন: প্রথমেই আপনার একটা ভুল ধারণা ভাঙ্গানো যাক, মুক্তিযোদ্ধারা নয়, একজন মাত্র, যার আবার মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় নিয়ে বিতর্ক আছে -- তিনি কবি আল মাহমুদ । তিনি নকল মুক্তিযোদ্ধা । আসল মুক্তিযোদ্ধা কেউ মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী জামাতের কাছ থেকে সংবর্ধনা নিয়ে মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করবেন না, এটা দৃঢ়তার সঙ্গেই বলা যায় ।


আপনি কি বলতে চায়ছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে পিঠ বাঁচানোর জন্যই জামাত এই পল্টিবাজীর আশ্রয় নিয়েছে ?

আচ্ছা, মুক্তিযুদ্ধকালীন ঘৃণ্য ভূমিকার জন্য জামাত কি কখনো পুরো জাতির কাছে ক্ষমা প্রার্থণা করেছে ?

৩. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৪১
হাসান মাহবুব বলেছেন: @ উম্মু গাব্দুল্লাহ, জামাত তার অবস্থান পরিবর্তন কৈরা মুক্তিযুদ্ধপন্থী হয়া গেছে, এইটা হৈলো গিয়া সবচে ইতিবাচক দিক নির্বাচনের পর? বালের কথা রাখেন। মুজাহিদ, নিজামীরা এই যে ফালাফালি করতসে এইটার জন্যে দায়ী শালার মেরুদন্ডহীন সরকার। পাবলিকও কেমন পোতায়া গেসে, নাইলে আগে ঢাবিতে শিবিররে কান ধরায়া রাখা হৈতো অপরাজেয় বাংলার সামনে, গোআরে জুতাপেটা করা হৈতো.. এখন আপনাদের মত জ্ঞানপাপীরা সব বুইঝা শুইনাও জামাতের পক্ষে কাম করেন ইসলামের দোহাই দিয়া। আবার ামগো ইতিবাচক দিক দ্যাহান। দূরে গিয়া মরেন।
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৪৫

লেখক বলেছেন: প্রিয় হাসান মাহবুব, পয়েন্ট ধরে আলোচনা এগিয়ে নিলে ভালো হবে ।

উম্মু আবদুল্লাহ যে, সাহস করে আলোচনায় যোগ দিয়েছেন, তাতেই তাকে সাধুবাদ জানাই :)

৪. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৫২
বিডি আইডল বলেছেন: আপনার আগের নিকের কি হইছে?!
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৫৬

লেখক বলেছেন: ব্যান আছি ।

৫. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৫৯
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: "প্রথমেই আপনার একটা ভুল ধারণা ভাঙ্গানো যাক, মুক্তিযোদ্ধারা নয়, একজন মাত্র"

সে ক্ষেত্রে তো আর কথা থাকে না। এখানে সংখ্যাটা খুব গুরুত্বপূর্ন। যদি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মুক্তিযোদ্ধা সম্বর্ধনা নিতে রাজী হতেন, তবে এটা রাজনীতিতে একটা গুরুত্বপূর্ন ইস্যু হত। কিন্তু ব্যক্তিগত সম্পর্কের সুবাদে যদি দুই/একজন শুধু সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে থাকেন, তাহলে তা এটা ইংগিত করে না যে মুক্তিযোদ্ধারা জামাতকে গ্রহন করতে শুরু করেছে।

"বর্তমান পরিস্থিতিতে পিঠ বাঁচানোর জন্যই জামাত এই পল্টিবাজীর আশ্রয় নিয়েছে ?"

পরিস্থিতি বিচার করেই তো তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে এটা স্থায়ী সিদ্ধান্ত বলে মনে হয়, কৌশলগত নয়।

"আচ্ছা, মুক্তিযুদ্ধকালীন ঘৃণ্য ভূমিকার জন্য জামাত কি কখনো পুরো জাতির কাছে ক্ষমা প্রার্থণা করেছে ?"

একমাত্র ব্যরিস্টার আব্দুর রাজ্জাক একে রাজনৈতিক ভুল বলে আখ্যায়িত করেছেন। এছাড়া আর কেউ অফিসিয়ালী মনে হয় না কোন রকম বিবৃতি দিয়েছে - অন্তত আমার চোখে পড়ে নি। আর ব্যরিস্টার রাজ্জাকও তো আর জামাতের মুখপাত্র হয়ে এরকম বক্তব্য দেন নি। তিনি নিজের বক্তব্য দিয়েছেন।

আপনাকে ধন্যবাদ।
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:০৮

লেখক বলেছেন: আমার প্রশ্ন উত্থাপনের জায়গাটা আরেকটু পরিস্কার করি ।

মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী জামাত মুক্তিযোদ্ধাকে সংবর্ধনা দেবার ভান করছে , এটাকে মুক্তিযুদ্ধের প্রতি উপহাস বলে কি আপনি মনে করেন, যেহেতু ঘৃণ্য ভূমিকার জন্য তারা ক্ষমা চায়নি, বিচারের কাঠগড়াও উৎড়ায়নি ?

বিপদ টের পেয়ে এই ৩৮ বছর পর জামাত মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ শক্তি সাজতে চায়লে, সেটাকে কি আপনি সমর্থন করেন ? সেটাকে কি ভন্ডামী বলে মনে করেন না ?

সংখ্যাটা গুরুত্বপূর্ণতো বটেই । মুক্তিযুদ্ধের নকল চেতনাধারী জামাত নকল মুক্তিযোদ্ধাকেই সংবর্ধনা দেবে ! আসল মুক্তিযোদ্ধা কি জামাতের কাছ থেকে সংবর্ধনা নেবে বলে আপনি মনে করেন ?

৬. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:০৮
হাসান মাহবুব বলেছেন: শিপন ভাই, আমি পয়েন্ট ধইরাই কথা কইসি। জামাতরে জবাব কেমনে দেয়া উচিত ঐটা উম্মু ছাগদুল্লারে আমার দেয়া কমেন্টেই পাইবেন। আর এই শালার সরকার যেরকম গড়িমসি শুরু করসে, বিচার জীবনেও করবেনা, পাবলিকেরই উচিত গদাম জুতা মারা সেইটা ভার্চুয়ালি আর রিয়্যাল সবখানেই। আমি ব্যক্তিগতভাবে সামনাসামনি কোন জামাত বা রাজাকারপন্থী পাইলে কথার জুতা মারতে ছাড়িনাই। তয় আফসোস যে কাউরে পিডাইতে পারিনাই অহনও।

আর মুক্তিযোদ্ধাদের জামাতের কাছ থিকা পুরস্কার নেয়ার ব্যাপারটা লজ্জাজনক। দেশের জন্যে একসময় যারা জান বাজী রাখসিলো, আদর্শের সংগ্রাম কর্সিলো তাগো অনেকেই এখন কক্ষ্যচূত। উদাহরণ কাদের সিদ্দিকী। তার মত বীর মুক্তিযোদ্ধা খুব কমই আছে, কিন্তু টাঙ্গাইলের সখীপুরের অনেক মানুষ এখন তার দাপটে অস্থির।

সম্মাননা কারা নিসে জানিনা, কিন্ত কথা হৈলো যে, আপনি তাদেরকে কি দিসেন, আমরা তাদেরকে কি দিসি, সরকার তদেরকে কি দিসে? এখনও কেন মুক্তিযোদ্ধাদের রিশকা চালায় জীবন যাপন করতে হয়, বিনা চিকিৎসায় মরতে হয়? এইভাবে বঞ্চনার স্বীকার হইতে হইতে আর কয়দিন তারা আদর্শ ধৈরা রাখবো? তাই জামাতের কাছ থিকা কোন দরিদ্র মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা নিলে আমি অবাক হমুনা। জামাত বহুৎ ধুরন্দর ।

কিন্তু সমস্যা হৈলো আল মাহমুদের মত জ্ঞানপাপীগো লিগা। জামাত টিকা আছে একমাত্র ইসলাম বেইচা। এমনেই তো আর ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করার কথা বলা হয়না। ধর্মের মূলা এত সুগন্ধময় যে মাইনষে খুব সহজেই মোহিত হয়। কবি আল মাহমুদ থিকা ম্যাদাবি চাত্রী উম্মু আব্দুল্লাহ.... লজ্জার ব্যাপার।
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:১৫

লেখক বলেছেন: "সম্মাননা কারা নিসে জানিনা, কিন্ত কথা হৈলো যে, আপনি তাদেরকে কি দিসেন, আমরা তাদেরকে কি দিসি, সরকার তদেরকে কি দিসে? এখনও কেন মুক্তিযোদ্ধাদের রিশকা চালায় জীবন যাপন করতে হয়, বিনা চিকিৎসায় মরতে হয়? এইভাবে বঞ্চনার স্বীকার হইতে হইতে আর কয়দিন তারা আদর্শ ধৈরা রাখবো? তাই জামাতের কাছ থিকা কোন দরিদ্র মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা নিলে আমি অবাক হমুনা। জামাত বহুৎ ধুরন্দর ।"

খুবই গুরুত্বপূর্ণ উক্তি । তবে, আমার বিশ্বাস দরিদ্র মুক্তিযোদ্ধাও জামাতের কাছ থেকে সংবর্ধনা নেবেনা, কারণ তার দেহে মুক্তিযুদ্ধকালীন সেই টগবগে রক্ত । সংবর্ধনা নেবে আল মাহমুদের মতো সুবিদাবাদী জ্ঞানপাপী

৭. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:০৯
রঙ্গীলা বলেছেন: সময় মত জবাব পেয়ে যাবে জামাত।
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:১৭

লেখক বলেছেন: সময়টা খুব কাছে আসছে বলেই মনে হয় ।

ফেব্রুয়ারীর প্রথম সপ্তাহ থেকে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্য শুরু হতে যাচ্ছে এরকম মত দিয়েছেন আইনমন্ত্রী ।

৮. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:১৭
তাহের বলেছেন: পিঠ বাঁচানোর ব্যর্থ প্রয়াস

Click This Link
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:২৮

লেখক বলেছেন:
নিস্তার মিলবে না ।

৯. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:২৭
বিবর্ণ বলেছেন: আওয়ামীলীগ-বিএনপি যদি তাদের দলে এবং ঘরে রাজাকার লালন করতে পারে তবে জামায়াত কেন মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দিতে পারবে না!

আল মাহমুদদের মন্দ কথা বলার আগে নিজেদের ব্যর্থতার জন্য লজ্জা হওয়া উচিৎ.... কারন যারা নিদের স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি বলে দাবি করেন তাদের ব্যর্থতা এবং ধূর্ততাই আল মাহমুদদের পথভ্রষ্ট করেছে।
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৩৪

লেখক বলেছেন: বিবর্ণ দা, আপনাকে দেখেও ভালো লাগছে । আপনারা পুরানো নিক, ঠিক সময়ে যে এইভাবে উঠে আসছেন, সেটাই আনন্দের ।

"আওয়ামীলীগ-বিএনপি যদি তাদের দলে এবং ঘরে রাজাকার লালন করতে পারে তবে জামায়াত কেন মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দিতে পারবে না!"

এজন্য পারবে না যে জামাতের নেতারা মুক্তিসেনানীদের হত্যা করেছে । আর আওয়ামীলীগ -বিএনপির নেতারা মুক্তিযুদ্ধ করেছে ।

রাজাকার আওয়ামী-বিএনপিতে গেলে যেমন রাজাকারই থাকে । জামাত মুক্তিযোদ্ধাকে সংবর্ধনা দেবার ভণিতা করলেও রাজাকারের দলই থাকে ।


নাকি আপনি বলতে চান, জামাত মুক্তিযোদ্ধার দলে পরিণত হয়েছে ?

১০. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৫১
বিবর্ণ বলেছেন: জামায়াত মুক্তিযোদ্ধার দল হবে কেন!!! বরং তাদের বোধদ্বয় হয়েছে.... অথবা মানুষকে ধোকা দেয়ার জন্য নতুন কৌশল গ্রহন করেছে। সে যাই হোক, আমি আপাতত পজেটিভ দিকটাই দেখতে চাই....
জামায়াত যখন মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান দেখায়, স্মৃতিসৌধে ফুলদের, স্বাধীনতা রক্ষার কথা বলে তখন প্রমান হতে আর বাকি থাকে না যে তারা স্বাধীনতার বিরোধীতা করে ভুল করেছিল... এখন নাকখত দিচ্ছে।
তারা ভাল কাজের জন্য যেমন সাধুবাদ পেতে পারে তেমনি তাদের অন্যায়ের জন্য শাস্তি হওয়া উচিৎ এবং অবশ্যই।
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৯

লেখক বলেছেন:
নাকে খত তারা কিভাবে দিচ্ছে ?

নিজেরা এই দেশ স্বাধীন করেছে বলে ?

ইসলামের দোহাই দিয়ে রাজনীতি করা এই দলটিকে তাদের এই মিথ্যাচারীতার জন্য আপনি কি ঘৃণা করবেন না ?

১১. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:০২
হাসান মাহবুব বলেছেন: @বিবর্ণ, জামাতের এসব কর্মকান্ড আপনি পজিটিভলি নিতে পারেন তখনই, যদি দেখাতে পারেন যে তারা কখনও ভুল স্বীকার করেছে, বা ক্ষমা চেয়েছে। আপনি কি নিজামী বা মুজাহিদী'র সাম্প্রতিক কিছু উক্তি সম্পর্কে অবগত? তাদের উল্লম্ফন তো আরো বেড়ে গেছে এখন। বলে যে তারাই নাকি দেশ স্বাধীন করেছে। স্মৃতিসৌধে ফুল দেয়া এই জামাতই একসময় অসংখ্য শহীদ মিনার ভেঙেছিলো। এখনকার কর্মকান্ড ভোল পাল্টানো ছাড়া কিছুনা। এতে বিভ্রান্ত হওয়াটা সত্যি দুঃখজনক ব্যাপার।
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৩

লেখক বলেছেন: কোন রাজাকার স্মৃতিসৌধে গিয়ে ফুল দিলেই সে মুক্তিযোদ্ধা হয়ে যায় না ।


রাজাকারীতার শাস্তি তাকে পেতেই হবে ।

জামাত নামের ভন্ড দলটি এইসব করে জামাতপন্থীদেরই কেবল খুশী করতে পারবে, সাধারণ মানুষকে তারা বেকুব বানাতে পারবেনা । সৌদী আরবের মতো প্রভূরা যতোই তাদের বাঁচাতে চাক, সরকারের সদিচ্ছা থাকলে বিচারের মুখোমুখি তাদের দাঁড়াতেই হবে ।

১২. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:০৯
ধ্রুব তারা বলেছেন: বিবর্ণ: একটা পবাদ আছে জুতা মেরে গরুদান। জামায়াতের স্বাধীনতার বিপক্ষে অবস্থান এবং স্বাধীনতার প্রথম ত্রিশ বছরে স্মৃতিসৌধে না যাওয়া তাদের মানষিকতা ভাল ভাবেই তুলে ধরে। তাদের বর্তমান কর্মকাণ্ড উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং মুক্তিযুদ্ধ ও যোদ্ধাদের জন্য অপমানজনক...
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩০

লেখক বলেছেন: সহমত ।

১৩. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:২৪
অচেনা সৈকত বলেছেন: শিপন ভাই@ মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা একজন নয়, পাঁচজন-মেজর (অব.) এমএ জলিলে, কবি আল মাহমুদ, লে. কমান্ডার (অব.) আফাজ উদ্দিন আহম্মদ পিএসসি, অনারারি ক্যাপ্টেন মোঃ সালাউদ্দিন আহম্মেদ ও ডা. বেগম রওশন আরা। মেজর (অব.) এমএ জলিলের পক্ষে কেউ উপস্হিত ছিলেন না। [তথ্যসুত্র: সমকাল]। আমি বিস্মিত যে আল মাহমুদ ছাড়া অন্যরা অনুষ্ঠানে যাবার কথা ভাবলেন কি করে? পুরো একাত্তর যাদের বিরুদ্ধে লড়াই করলেন তাদের দেয়া সম্বর্ধনা নেয়া আর দেশের মুখে চড় মারা কি একই কথা নয়?
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৩

লেখক বলেছেন:

আমাদের দলবাজী, আমাদের মেরুকরণই আজকের মুক্তিযোদ্ধাদের এই বেহাল অবস্থার জন্য দায়ী । তবে, এইসব মুক্তিযোদ্ধার চেতনা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায় । যেখানে প্রায় এক লক্ষ ভূঁয়া মুক্তিযোদ্ধার কথা শুনা যাচ্ছে । সেখানে কোন আসল মুক্তিযোদ্ধা জামাতের কাছ থেকে সংবর্ধনা নিতে পারে, এটা বিশ্বাস হয়না ।

১৪. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:২৮
ইমতিয়াজ ১৩ বলেছেন: ভাই গরীবের একটা কথি শুনেন:

১. জামাত কেমনে মুক্তিযদ্ধি পরিষদ করল? জামাতীরা এত্তো মুক্তিযুদ্ধা পাইল কয়।
২. জামাতের মুক্তিযুদ্ধাদের সংবর্ধনা দিতে বাধা আছে বলে আমি মনে করি না। কারন মুক্তিযুদ্ধের মূলদাবীদার আওয়ামীলেগেও রাজারকার আছে।
৩. আওয়ামী লীগ আর জামতীগ মধ্যে পার্থক্য হইল এক দলে কম রাজারাক আর আরেক দলে বেশী রাজকার।
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১২

লেখক বলেছেন: জনাব, ভূঁইয়া, বিশ্বাস করি আপনি ভূঁয়া নন ।

এইবার বলেনতো জামাতের কোন পদে আছেন ?

বিএনপি আওয়ামী লীগে রাজাকার থাকতে পারে, তাই বলে জামাতিরা মুক্তিযোদ্ধা হইয়া যায়না । আর রাজাকার সে যে দলেরই হোক তার বিচার চাই ।

দুইখান প্রশ্নের উত্তর দেন ,-

এক, জামাত মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতাকারী রাজাকারের দল, বিশ্বাস করেন, নাকি করেন না ?

দুই, আওয়ামীলীগের কয়েকজন রাজাকারের নাম বলতে পারবেন ?

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৩

লেখক বলেছেন: কিম্বা, আপনার জানামতে প্রথম সারির পাঁচজন রাজাকারের নাম বলুন ।

১৫. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৫৩
লালসালু বলেছেন: জামাত রাজনৈতিক দল হিসেবে ভোল পাল্টাতে পারে এটা খুব স্বাভাবিক। কিন্তু আমার প্রশ্ন হল মুক্তিযোদ্ধারা কেন সেখানে আসলেন?
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৩

লেখক বলেছেন: ভাই, ভূঁয়া মুক্তিযোদ্ধাদের কথা শুনেছেন না !
জামাতের কাছে না গেলে তারা কোথায় যাবে ?

১৬. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:৩১
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: যুদ্বাপরাধীদের ঘৃনা করি ও তাদের বিচার চাই, জামাত সারা জাতির কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা না চাওয়া পর্যন্ত ওদের রাজনিতীকে ঘৃনা করি|


স্বাধীন দেশে বীর মুক্তিযোদ্বা সেক্টর কমান্ডার জলিলকে নির্যাতন করে আম্লীগের যাত্রা শুরু, গ্যা;ষ্টার শেখ মনির যোগ্য পুত্র তাপসের উপড় আক্রমন নাটকের অ;শ হিসাবে বীর উত্তম মুক্তিযোদ্বা স্বপনকে রিমান্ডে নিয়ে দিনের পর দিন নির্যাতন শেষে বিনা বিচারে জেলে পুরে রাখা নিয়ে এই বাচ্চা বাকশালীগুলার কোন মাথা ব্যাথা নাই..........!!!!

৭১ এ যুদ্বের সময় পুরা ঢাকা শহর ফাকা করে দিয়ে আম্লীগের সব নেতা কোলকাতা গিয়ে সুরা ও সাকী নিয়ে মৌজ-মাস্তিতে ব্যাস্ত ছিল আর নীজের জীবনের মায়া ত্যাগ করে এই স্বপন ঢাকা শহরে পাকিদের কে নাস্তা-নাবুদ করে ছেড়েছিল|

তাপস আজ এম.পি আর মুক্তিযোদ্বা স্বপন আজ কারাগারের নির্জন সেলে|

আম্লীগের মুখে মুক্তিযুদ্বাদের নিয়ে কিছু শুনলে ওদের মুখে চেনাইয়া দিতে মন চায়|


২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৯

লেখক বলেছেন:
ভাই, আওয়ামীলীগতো প্রয়োজনে জামাতের সঙ্গে কাঁধ মিলিয়ে আন্দোলন করতে পারে । প্রয়োজনে বিএনপি জামাতের সঙ্গে জোট বাঁধতে পারে । সুতরাং এই রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে আমরা ভালো কি আশা করবো ?


কিন্তু তাই বলে জামাতের ভূমিকাতো শুদ্ধ হয়ে যায়না । জামাতের বিচার হওয়া উচিত, সব দলের সব রাজাকারেরই বিচার হওয়া উচিত ।


আর অসহায় মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আমাদের অকুন্ঠ ভালোবাসা আর শ্রদ্ধাতো সবসময়ের জন্য । যদিও সেগুলো দিয়ে মু্ক্তিযোদ্ধাদের পেট ভরবেনা, সেগুলো মুক্তিযোদ্ধাদের তিনবেলা ভড়পেট খাবারের, একটা সুন্দর জীবনের নিশ্চয়তা দান করেনা ।

১৭. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:২৮
আরিফ থেকে আনা বলেছেন: নিক পাল্টাইলেন কখন? :)
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৫

লেখক বলেছেন: এই নিকটা ব্লগিং এর প্রথম দিকেই নিয়েছিলাম ।

ওই নিকটা ব্যান আছে বলে এটার ব্যবহার ।

১৮. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৩৬
অচন্দ্রচেতন বলেছেন: ইমেজ ক্রাইসিস থেকে বার হয়ে আসার চেষ্টা চলতেছে। মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী ইমেজ নিয়া এই প্রজন্মের সামনে গদির ভাগ পাওয়া ডিফিকাল্ট তো! তবে হালে পানি পাবে না ... (আশা রাখি)
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:২১

লেখক বলেছেন: ভোল পাল্টালেই যুদ্ধাপরাধী মুক্তিযোদ্ধা হয়ে যাবেনা । মানুষের ঘৃণা তাদের জন্য অহর্নিশী ।

১৯. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৪৭
অজানা আমি বলেছেন: আপনি কি আব্দুর রাজ্জাক শিপন ভাই?
২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৭

লেখক বলেছেন: জ্বি, ভাই ।

আপনি ?

২০. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:০৬
তারিক হাসান তারিক হাসান বলেছেন:
আমার জানা মতে অনেক জামাত কর্মী আছে যারা মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা দের সন্তান।

এ বিষয় গুলো কিভাবে আপনি বিশ্লেষণ করবেন।

আপনি মেজর জেনারেল মইনুল চৌধুরীর একজন জেনারেল এর নীরব সাক্ষী বইটা পড়েন আপনার অনেক বিষয় ক্লিয়ার হয়ে যাবে।

তিনি মুক্তিযোদ্ধের সময় একটা সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন।

লক্ষ করলে দেখবেন মুক্তিযোদ্ধ নিয়ে তারা বেশি লাফালাফি করে যারা নিজেরা মুক্তিযোদ্ধ করেননি।

আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন সাদা-সিধা প্রবন্ধ লেখেন বড় পত্রিকার পাতায়। তিনি মুক্তিযোদ্ধ নিয়ে অনেক লাফালাফি করেন, দেশ ব্যাপী মুক্তিযোদ্ধের গল্প বলে ঘুড়েন। কিন্তু আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের বীর মুক্তিযোদ্ধা বিশ্ববিদ্যালেয়ের দারোয়ান মৃদা ভাইয়ের কোন খবর নেন তারা কোন দিন।
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৯

লেখক বলেছেন: যেমন, দুই একজনের নাম বলতে পারবেন ?

জামাত ছাড়া বাংলাদেশের আর কোন রাজনৈতিক দলের প্রথম সারির নেতাদের দেখাতে পারবেন, যারা প্রকাশ্যে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতা করেছিল, এবং মুক্তিবাহিনীকে হত্যা করতে সহায়তা দিয়েছিলো ।

মুক্তিযুদ্ধের সময় যে জন্মায়নি, যিনি মুক্তিযুদ্ধ করেননি কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারী, তিনি মুক্তিযুদ্ধের কথা বলতে পারবেন না, এই ফতোয়া কি মওদুদী সাহেবের বইতে আছে ?

সাদা-সিধা কলাম যিনি লেখেন, শ্রদ্ধেয় জাফর ইকবাল স্যার, তাঁর সমালোচনা আপনি করতেই পারেন, তবে আমার দৃঢ় বিশ্বাস আমাদের দেশে জাফর ইকবালের মতো মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে দেশ এতো মেরুকরণ থাকতো না ।

জাফর স্যারের পরিবার সরাসরি মুক্তিযুদ্ধের শিকার, সেই তথ্য নিশ্চয়ই আপনার অজানা নয় ।

২১. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:০৯
লুকার বলেছেন:

অচন্দ্রচেতন ঠিকই বলেছেন।
ছাত্র-ছাত্রীদের ইসলামের কথা বলে শিবিরে ভেড়াতে সক্ষম হলেও যুদ্ধ অপরাধীদের প্রতি জাতির ঘৃণার পরিমাণ দেখে তারা হোচট খাচ্ছে। এছাড়া এতদিন পর বিচারের সম্ভাবনা দেখা দেওয়ায় জামাত বেসামাল। তাদের প্রোপাগান্ডার কৌশল এখন এরকম- জামাত=ইসলাম। আর মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ করা, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্বর্ধনা দেয়া, হাসপাতালে দেখতে যাওয়া- এসব তাদের ভাবমূর্তি উদ্ধারের হাস্যকর প্রচেষ্টা। এধরণের কূটকৌশল মঊদুদীর সময় থেকেই তারা করে আসছে। কাজ উদ্ধারের জন্য যখন যা করা দরকার, তারা করবে, এটাই তাদের নীতি। এই আবর্জনাকে দেশ থেকে দূর করতে না পারলে ভবিষ্যতেও তারা আরো বিপদ ঘটাতে পারে।
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩১

লেখক বলেছেন: এই আবর্জনাকে দেশ থেকে দূর করতে না পারলে তারা বিপদ ঘটাবেই--একমত ।

২২. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৩২
আজম ইউসুফ ঠাকুর (মহব্বত) বলেছেন: কাদের সিদ্দীকী বলেছেন,
"রাজাকাররা সবসময় রাজাকার, মুক্তিযোদ্ধারা সবসময় মুক্তিযোদ্ধা নয়"

অভিনয়ের উপরে যদি আরও কোন অভিনয় থাকে তবে সেটার একটা প্রকৃষ্ট উদাহরণ হচ্ছে এটা
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৩

লেখক বলেছেন: "রাজাকাররা সবসময় রাজাকার, মুক্তিযোদ্ধারা সবসময় মুক্তিযোদ্ধা নয়"

একদম ঠিক কথা । ভূঁয়া মুক্তিযোদ্ধারাই নেবে জামাত নামের রাজাকার দলের সম্বর্ধনা ।

২৩. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৩৬
মুক্ত বয়ান বলেছেন: অ:ট: আপনার আগের নিক ব্যান??
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৪

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ ।

ভালো আছেন ?

২৪. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:১০
দৃষ্টির সীমানা বলেছেন: "রাজাকাররা সবসময় রাজাকার, মুক্তিযোদ্ধারা সবসময় মুক্তিযোদ্ধা নয়"
এইটা মনে হ্য় আসল কথা।

জামাত এর বিচার আর রাজাকার [যুদ্ধাপরাধী] র বিচার এক নয়। "জামাত এর বিচার" হল রাজনৈতিক কারন অনেক রাজাকার "আওয়ামীলীগ-বিএনপি" নামক মেশিনের দারা পার পেয়ে যাবে....
আর "রাজাকার" এর বিচার হল আসল.. সে যেই হোক....

৩৮ বছর হল একনো এই বিচার করতে পারলো না যে রাজনৈতিক নেতৃত্ব্ব .... তার মাঝে আওয়ামীলীগ-বিএনপি ই আসল। আজকে আওয়ামীলীগ বিচার এর কথা বলছে ভাল কথা..আসলে ওনারা কিসের বিচার করবেন? পরবর্তী নির্বাচন এর এজেন্দা তৈরি ছাডা র কিছু করব বলে মনে হয় না।

১ বছর হয়ে গেল কৈ কি হইল? ওনারা আব্বার বিচার ঠীকই করল আর এইটার কিছুই করলা না.....
আসলে শেষ বছরে গিয়ে বিচার শুরু করে পরবর্তী নির্বাচন এ এইটারি ব্যবহার করবে মাত্ত।

৩৮ বছরে কি পাইলাম আমরা? একজনকে জাতির আববা বানামো কি বানামো না হেইটা আর অন্যজনকে স্ব্বধীনতার ঘোষক বানামো কি বানামো না, এই ২ ছাডা আর কি? আমদের পেছন থেকে মালয়েশিয়া, থইলেন্ড আজকে কই?

আওয়ামীলীগ এর আগেও ক্ষমতায় ছিল... আজকের বাবা কন্যা হাছেনা...৯৬-২০০১ কি করছিল?

আসলে এইসব রাজনৈতিক ঘোষনা.. বিচার এর নামে কিছুই করবা না এরা...এইসব করে ক্ষমতায় চিরজীবন থাকা যায় কেমনে সেইটাই ওদের আসল ইচ্ছা..

[এইটায় ঢু মারেন.. Click This Link
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৩৩

লেখক বলেছেন: আওয়ামীলীগ যদি যুদ্ধাপরাধের বিচার না করে, এই টার্মেই না করে, তো সেটার জবাবা ভোটারেরা নিশ্চয়ই তাদের দেবে । সাধারণ জনগণকে রাজনীতিকরা যতোখানি বোকা মনে করেন, তারা যে ততোখানি বোকা সেটার প্রমাণ বারবারই মিলেছে ।

আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে ঘোষণা এসেছে ফেব্রুয়ারীতেই যুদ্ধাপরাধের বিচার কার্য শুরু হবে । আমরা অপেক্ষায় থাকলাম, আশা নিয়েই অপেক্ষায় থাকলাম, আওয়ামীলীগ তাদের নির্বাচনী ওয়াদা পালন করাতে গড়িমসি করবেনা ।

২৫. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:১০
কারাবন্দী বলেছেন: আমি জানি না বারে বারে কেন এই সব বিষয়ে সামু ভরে যায়। আর কেনই বা লীগ জামাত ব্লগার রা এত লাফা লাফী করে। কেউ কি বলতে পারেন এই সব ফালতু প‌্যাচাল পেড়ে কোন মুক্তিযোদ্ধার কোন উপকার হয়েছে। আজ যারা দলবাজী করতে পারে তারাই শুধু মুক্তি যোদ্ধা হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছে অথচ অনেক মুক্তিযোদ্ধা আছেন আপনাদের এই তথা কথিত দলবাজিকে ঘৃণা করে নিরবে নিভৃতে ডুকরে কাঁদে এমন দেশ দেখার জন্য তারা যুদ্ধ করেনি।

ফালতু বালের প‌্যাচাল থামান আপনারা না হলে আরো গালি দিমু কিন্তু। আজ কোথায় দেশ। কার দেশ কিসের দেশ। দেশ বলে কি আর কিছু আছে? সবই তো দল আর দলবাজী। কেউ রাজাকার, কেউ সৈরাচার আর কেউ বা বাকশাল সবই তো ধনের বাল। পারলে আমারে ব্লক করেন তাতে আমর কিছুই আসে যায়না। এই দেশ আমার আর ভাল লাগেনা।
এই দেশে ন্যায় বলে কোন শব্দ নেই। সব শালা হারামির বাচ্চারা রাজনীতি করে আর সাধারণ মানুষগুলা না খেয়ে মরে। আর আমরা সবাই পত্রিকার পাতায় বাংলা ভাই ১০০ মানিক পড়ি আর চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে ঝড় তুলি অমুক শালা রাজাকার অমুক শালা সৈরাচার আর অমুক শালা বাকশাল ভারতাকার।

এই সব বাদ দিয়ে এমন কিছু করুন যেন আমরা কিছু শিখতে পারি। ব্লগ বিষয়টা আমাদের সামেন দারুন একটা সুযোগ। এই বিষয়টা কাজে লাগিয়ে মানুষের উপকার করুন। উদাহরণ আমাদের বেশীরভাগই বিদেশে যায় ননস্কিল্ড পোলাপান। আপনারা যারা জ্ঞানী আছের একটা করে পোষ্টান বিদেশে গেলে কি কি কাজে গেলে ভাল হয় আর এসব বিষয়ে আপনার জ্ঞানের ভান্ডার খুলে দিন অন্তত কিছু মানুষের কাজে লাগবে। আজ কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলো দুরুন ভাবে ব্যবসা করছে। কিন্তু আমার তো প্রশিক্ষণ নেবার টাকা নেই। আমার মত অনেকেই আছেন যারা শিখতে চান। তো সামুর মত এত জনপ্রিয় সাইটে টিউটোরিয়াল লিখুন নিজেকে তুলে ধরুন আমাদের উপকার করুন।

ধন্যবাদ
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৯

লেখক বলেছেন: কারাবন্দী ! দীর্ঘ মন্তব্যে আপনি অনেক কিছুই গোবলেট করে ফেলেছেন ।


"এই সব বাদ দিয়ে এমন কিছু করুন যেন আমরা কিছু শিখতে পারি।"

কোন সব বাদ দেবার কথা আপনি বলছেন ? আপনার নিজের সত্ত্বাকে বাদ দিয়ে, নিজেকে না জেনে, অন্য কিছু কিভাবে শিখবেন ? চোখ বন্ধ রাখলেই ইতিহাস মিথ্যা হয়ে যায়না । যারা দোষী, যাদের বিচারের কাঠগড়ায় যাওয়া উচিত, তাদের বিচার হলেই এই বিতর্ক থামবে ।


গালির ভয় দেখাচ্ছেন বলে ভয় পেয়েছি !

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৫

লেখক বলেছেন: আর হ্যাঁ, শেখার প্রতি যেহেতু আপনি আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এবং আপনাকে পরিচিত বলেই মনে হচ্ছে, তাই বলছি, আমাদের মুখের ভাষা, মায়ের ভাষা, প্রিয় বাংলা ভাষার বানানটা আরেকটু ভালো করে শিখলে আমাদের জন্যই ভালো, কি বলেন ?

২৬. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২৩
মেহেদী_হাসান বলেছেন: কারাবন্দীর কমেন্টে +
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪১

লেখক বলেছেন: আইচ্ছা ।

২৭. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৮
হিমু ব্রাউন বলেছেন: আজম ইউসুফ ঠাকুর (মহব্বত) বলেছেন: কাদের সিদ্দীকী বলেছেন,
"রাজাকাররা সবসময় রাজাকার, মুক্তিযোদ্ধারা সবসময় মুক্তিযোদ্ধা নয়" সহমত।।
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৩৬

লেখক বলেছেন:

"রাজাকাররা সবসময় রাজাকার, মুক্তিযোদ্ধারা সবসময় মুক্তিযোদ্ধা নয়"

২৮. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪৫
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: কোনো কথা ছাড়া প্রিয়তে নিলাম। নাম বদলাইছেন নাকি?
পোস্ট প্রসঙ্গে বলি, জবাব একটাই, যুদ্ধাপরাধের বিচারটা নিশ্চিত করা। সরকার মুখে বলতেছে বটে, ডিসেম্বর থেকে নানা বাহানায় এখন মার্চে (হইতে পারে সংযুক্ত যদি মিস্ত্রিরা কাজে ঢিলা না দেয় এবং মুটেরা ঠিকমতো স্থানান্তর করতে পারে), রাস্তায় নামতে হবে কমরেড। রাস্তায় নামি চলেন
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৭

লেখক বলেছেন: রাস্তার আন্দোলনেই বোধকরি এই প্রাণের দাবি আদায় করতে হবে । যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আওয়ামীলীগের এই টার্মেই হতে হবে, এই দাবী সবার দাবি হওয়া উচিত ।


নিক বদলায় নাই । ব্যান খাইয়া এইটার ব্যবহার । এইমাত্র ওই নিকটা খোলার মেইল পেলাম ।

২৯. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০৩
টর্ণেডো বলেছেন: জামায়াত দেশের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক পরিবেশের এক অপরিহার্য দলের নাম। ৩৬ বছর আগে যুদ্ধে অংশগ্রহন করেনি বলে তারাকি বীরমুক্তি যোদ্ধাদের সংবর্ধনা দিতে পারেনা। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার সময় জামায়াত এদেশকে ভারতের অঙ্গরাজ্য হতে দেয়নি মাত্র। স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই জামায়াত দেশের জন্য কাজ করে যাচ্ছে, এমন কোন ডুকুমেন্ট নেই যে এর পরে জামায়াত স্বাধীনতা, বা মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে কোন কথা বলেছে। এখন জামায়াত মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দিচ্ছে, মুক্তিযোদ্ধারাও জামায়াতের রাজনীতির সাথে যুক্ত হচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রায় ১২ হাজার ৫শত ৫০ জনের মত মুক্তিযোদ্ধা জামায়াতে যোগ দিয়েছে। কারন তারা যাদের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধ করেছিল তারা মুক্তিযুদ্ধকে তাদের ক্ষমতায় যাওয়ার সিড়ি হিসেবে ব্যবহার করেছে। তাদের হাতে এখন দেশের স্বাধীনতা স্বার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে। দেশ এখন আরেকটি মক্তুযুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। যেই যুদ্ধ হবে হামিদ কারজাইয়ের মত তাবেদার ঠেকানোর যুদ্ধ, দেশের মানচিত্র রক্ষা করার যুদ্ধ, দেশকে সিকিম আর ভুটান বানানোর ষঢ়যন্ত্র থেকে রক্ষা করার যুদ্ধ। এর এই যুদ্ধে নেতৃত্ব দিবে দেশের স্বাধীনতার অতন্দ্র প্রহরী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৫

লেখক বলেছেন: যেই ১২ হাজার ৫শত ৫০ জনের মতো মুক্তিযোদ্ধার কথা বলতেছেন, তারা কি জামাতি মিশিনে তৈরী মুক্তিযোদ্ধা ?

সাধারণত, জামাতী রাজাকারের সঙ্গে আলোচনা করতে রুচী হয়না, তারপরও আলোচনা পোস্ট বলেই এখানে সুশীল ভাষায় মন্তব্যের জবাব দিচ্ছি ।


একটা প্রশ্নের উত্তর দিয়েন জামাতী ভাই;-

জামাত কি কখনও ৭১-এর ভূমিকার জন্য ভুল স্বীকার করেছে ? জামাত কি জাতির কাছে ক্ষমা চেয়েছে, যে জাতির সঙ্গে তারা প্রতারণা করেছিলো ?

২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:১৮

লেখক বলেছেন: "জামায়াত দেশের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক পরিবেশের এক অপরিহার্য দলের নাম।"

এই জাতীয় উন্মাদীয় প্রলাপ শুনলে শিশুও হাসবে । জামাত নামের দলটি বরাবরই অন্যের ঘাঁড়ে বন্দুক রেখে শিকার করে আসছে । তাদের সেইদিন ফুরালো বলে ।

জামাত একা নির্বাচন করলে সারা বাংলাদেশে একটা আসনও পাবেনা ।

৩০. ২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৩১
টর্ণেডো বলেছেন: @লেখক
জামায়াতের সাবেক আমীর অধ্যাপক গোলাম আযমতো ১৯৯৭ সালের মার্চ মাসে প্রকাশ্যেই মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করতে নাপারার জন্য ক্ষমা চেয়েছেন, দুঃখ প্রকাশ করেছেন, তারপরও এটা নিয়ে এত টানা-হেচড়া কেন! রাজনীতি বলেই এত কথা নাকি?
৩১. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:৩২
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
@টর্ণেডো,

অংশগ্রহণ করতে না পারার জন্য ক্ষমা চেয়েছেন ?

মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতা করবার জন্য ক্ষমা কি চেয়েছেন ?
মুক্তিসেনানীদের হত্যায় সহযোগীতা দেবার জন্য ক্ষমা কি চেয়েছেন ?
আমাদের মা-বোনেদের হায়েনাদের হাতে তুলে দেবার জন্য ক্ষমা কি চেয়েছেন ?

জাতি কি তাদের ক্ষমা করেছে ?

মুক্তিযুদ্ধে রাজাকারদের ক্ষতি হয়নি কিছুই, তাদের প্রাপ্তির খাতা ভরপুর ছিল, রাজাকারের উত্তরসূরীরা মুক্তিযুদ্ধে সন্তান হারানো মা, ভাই হারানো বোন, সম্ভ্রব হারানো বোনের ভাই এর দুঃখ দহন বুঝবে, এমন আশা করাটাও ভুল

 

মোট সময় লেগেছে ১.০১৫৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
এই ব্লগটির বয়স ৩বছর ৪মাস
এই নামটি/নিকটিতে আমি নতুন ব্লগার !
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ