Click This Link
পরদিন আবার কিছু কাজ শেষ করে শুরুতে স্থানীয় একজনের সহায়তায় মটরসাইকেলে করে শুরু করে যাত্রা চা-বাগানের উদ্দেশ্যে...উঁচু নিচু বালুভর্তি পথ অতিক্রম করে অবশেষে চা- বাগানে পৌঁছলাম...বিশাল এক চা বাগান যা একটি বিদেশী কোম্পানীয় অধীনে পরিচালিত...কিছুদূর গিয়ে থেমে থেমে আমরা দৃশ্য দেখছিলাম এবং ছবি তুলছি...চা বাগানের একপাশে গিয়ে দেখি খুবই সুন্দর একটি লেইক এবং বিশ্রাম নেয়ার জন্য সুন্দর যায়গা...সেখান থেকে আবার রওয়ানা হয়ে চাবাগানের আরো ভেতরে যেতে লাগলাম...আশ্চার্যর বিষয় হচ্ছে অনেক পরে পরে একজন মানুষ দেখা যায়...আবার এগুলো দেখা যায় দু একজন মহিলা শ্রমিক কাজ করছেন...এভাবেই উঁচু নিচু পাথর এবং ছোট ছোট গর্ত উপেক্ষা করে এগুতে লাগলাম আমরা...অনেকটা ভেতরে এসে এক জায়গায় বসার জায়গা পেয়ে বসলাম...এবং পাশেই পেয়ে গেলাম অনেক পুরোনো একটি বট গাছ...যার বয়স কয়েক শ বছর...সেখান থেকে উপজাতিদের বসবাসের জায়গায় দূরত্ব ৯-১০ কিলোমিটার...যাওয়ার ইচ্ছে ছিল কিন্তু বালুভর্তি রাস্তা দিয়ে না এগুনোর সিদ্ধান্ত নিয়ে ঘুর পথে আবার একই রাস্তায় রওয়ানা দিলাম চাতলাপুর বর্ডারের জিরো পয়েন্টের উদ্দেশ্যে...
দুপাশের শালবন, কৃষিজমি, এবং কিছু বাড়ি পেরিয়ে যেতে লাগলাম...আরো কিছুদূর এগুতেই কমলগঞ্জ থানা পেরিয়ে কুলাউড়া থানা এলাকায় প্রবেশ করলাম এবং উক্ত বিদেশী কোম্পানীর পরিচালিত চা বাগানকে পেছনে ফেলে এগিয়ে চললাম...যেতে যেতে পথে পড়লো চাতলা ব্রিজ...ব্রিজ অতিক্রম করে দুপাশে ধান ক্ষেত এবং গ্রাম পেছনে ফেলে পৌঁছে গেলাম সীমান্তে জিরো পয়েন্টে...রাস্তার এ পাশ বাংলাদেশ ওপাশ ভারত...বাংলাদেশের শেষ মাথায় রয়েছে বাংলাদেশ পুলিশের চাতলাপুর চেকপোষ্ট...দায়িত্বশীল একজনের সাথে পরিচয় সূত্রে কথা বলতে লাগলাম এবং বাংলাদেশ সীমান্ত পেরিয়ে এক কদম ভারত সীমান্তে পা রাখলাম...আর যাওয়া হলো না কারণ দূর বাংকার থেকে নজর রাখছে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)...সীমান্তে কিছু সময় থাকলাম এবং দেখতে লাগলাম ভারতে সীমান্তের মোবাইল টাওয়ার এবং সুন্দর একটি পাঠাগার...পাঠাগার মাঠে অনেকে খেলাধুলা করছে...কিছুসময় থেকে আবার রওয়ানা দিলাম শমশেরনগরের উদ্দেশ্যে...
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৪৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



