তখন ক্লাস সিক্সে পড়ি। ছোট খালার সাথে তার বান্ধবীর বড় ভাইয়ের বিয়েতে গেলাম।(পরে আবার ঐ বান্ধবী খালার ননদও হয়েছে) খাওয়া দাওয়া করে এক পাশে বসে আছি । খালা তার বান্ধবীদের সাথে ব্যাস্ত। সময় যখন কাটে না তখন দেখলাম, আমার বয়সী পোলাপানদের দেখলাম ক্রিকেট!! নিয়া খেলতে চায়। কইলাম আমারেও ল তগো লগে। বিয়েতে একটু ভালো পোশাক মানে সুট কোট পড়েই গেছি। তারপরেও নামলাম খেলতে। পাশে আবার দর্শকও আছে

খানিকটা দৌড়ায়া বল করতাম তো কয়েক খান বল করার পর কেমন জানি একটা পের পের আওয়াজ পাইলাম

। পিছে হাত দিয়া দেখি কাম সারা

। কই আমি যাইগা রে । না যাইতে পারবি না বল করছ এখন ফিল্ডিং ও মারতে হইবো। কি বিপদ? সে যাত্রায় কোন রকমে পলায়া আইসা চুপ চাপ চেয়ারে যে বসছি খালা সেই সন্ধ্যার পর আসার আগে আর উঠি নাই। রাতের আন্ধারে কোন রকমে ইজ্জত্ব নিয়া বাসায় ফিরি

।
স্কুল জীবনের শেষের দিকে । স্কুল ছুটি হয়েছে একসাথে কয়েকশত পোলাপান বের হয় । আমরাও ক্লাসের সবাই একসাথে গপ সপ করতে করতে রাস্তা দিয়া হাটতেছি। সাথে আবার মেয়েরাও আছে

। রাস্তার এক পাশ দিয়ে হাটতেছি এমন সময় মাথায় কি যেন একটা পড়েছে অনুভব করলাম । হ্যা ধরা খাইছি মাথায় হাত দিয়া দেখি। কাক মিঙা কাম সারছে

। ব্যাগ থেকে একটা খাতা বের করে মাথায় চাপা দিলাম । সবাই কয় কিরে এই বিকালেও তর রইদ লাগে, মাথায় খাতা দিলি? হ্যা রে কিছু করার নাই মাথার উপরে অনেক রইদ

।
২০০৬ সালের মাঝা মাঝি ঢাকাতে নিজের দোকান খদ্দেরের সাথে কথা বলছি আর ফ্লোরে একটা কম্পিউটার টেবিল সেট করছিলাম। সে কারণে একটু পর পর বসা থেকে উঠতে হচ্ছিল বার বার। বিরক্ত হয়ে মাজা বাকা করে কাজ করার চেষ্টা করলাম

। কোন কারণে একটু বেশী বাকা হয়েছি তো কাম শেষ আমার শীতল(কনকর্ড টাওয়ারের) থেকে কেনা আমার তেরশ টাকার প্যান্ট পেছন দিয়ে জানালা বানিয়ে ফেলেছে

। সে দিন দোকানে কোন কর্মচারী না থাকাতেই আমাকেই কাজটা করতে হয়েছিল ফলে কাউকে যে দোকানে রেখে বাসায় যাব সে উপায়ও পাচ্ছি না

। সে বাধ্য হয়ে খদ্দের কে বললাম আমাকে বাসায় যেতে হবে জরূরী দরকার, আপনি ১৫ মিনিট পড়ে আসুন। এমনই কপাল আমার সেদিন একটা শর্ট শার্ট পড়া ছিলাম। দোকানের থাই তালা মেরে নিজের পেছনের জানার দু কপাট হাত দিয়ে বন্ধ করে পেছনের গলি দিয়ে বাসায় আসি


। সৌভাগ্য ক্রমে বাসা দোকান থেকে একটু দূরেই ছিল

।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে জুন, ২০০৯ রাত ১:১৭