আমার প্রিয় পোস্ট

কোথাও যদি হারিয়ে আমি যাইগো কোন দিন , যেও ভুলে , আমায় যেও ভুলে

কাউকে বাশঁ দেবার আগে মনে রাখবেন বাশেঁর আরেকটা মাথা কিন্তু বাইরে আছে।

৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৪

শেয়ারঃ
0 0 0

শিরোনামটা একটু কেমন যেন মাথা খারাপ মাথা খারাপ টাইপের। কিন্তু বাশঁ খেলে আর আর কেউ বাশঁ দিলে এরকম না লিখে কোন উপায় নেই। তবে জনসারথ্যে জানানো প্রয়োজন যে আপনি যাকেই বাশঁ দেন না কেন বাশেঁর আরেকটা মাথা যে বাইরে থাকে সেটা আপনার :::::::: দিয়ে ঢুকতে পারে। কথা গুলো বলছি নিজের জীবন থেকে।

মানুষ হিসেবে আমরা একে অপরের পাশে দাড়াবো। যত টুকু পারি সাহায্য করার চেষ্টা করবো এটা আমরা সবাই জানি এবং হয়তো সবাই মানি ও। আর সেই গুলো যদি কাছের হয় তবে তাদের জন্য চেষ্টা আরেকটু বেশী থাকে। আমরাও আমার সেই আত্বীয়টাকে নিজের সামর্থ্যের মধ্যে যতটুকু পেরেছি করেছি। বিনিময়ে কখনো কিছু চাইনি আর সেকারনেই হয়তো কখনো তার কাছ থেকে কিছু পাইও নি( যদিও উনি আমাদের বাশঁ দেবার জন্য চেষ্টা করেছেন)। তার সব কথা লিখতে গেলে বিরাট এক ব্লগ হয়ে যাবে সেটা না করে উনি আমার সাথে কি করতে চেয়েছেন আর কি হয়েছে সেটা বলি। আমি যখন এখানে আসি তার বাসতে ভাড়া থাকতাম। উপর তলায় আমরা দু ভাই আর নিজের উনার পরিবার। একবার ভাইয়া মাস খানের জন্য ইতালীর বাইরে গেলে আমি আমার ইয়ে মানে ইয়ের( যে কিনা হবু বধু) অনেক অনেক কথা বলি ফোন। কখনো প্রেম ভালবাসা বা কখনো ঝগড়া ঝাটি সব করতাম। যখনই বাসায় থাকতাম ওর সাথে কথা বলতাম। ওর আবার মাথা গরম রাগলে অনেক কথাই বলে ফেলে একটু পরে আবার মাফটাফ চেয়ে অস্থির। আমার ফোনের আরেকটা লাইন নিচে ছিল যেটা দিয়ে আমার পরম আত্বীয় আমাদের অনেক কথাই শুনেছে গোপনে। ( যেটা আমি পরে জানতে পারি তার মেয়ে কাছ থেকে)

এর কয়েক মাস পরে আমাদের মালিক একটা বাসা দেয় আমাদের । যেকারনে আমরা তার বাসা ছেড়ে চলে আসি। সেটা তাকে অনেক কষ্ট দেয়। কারণ আমরা যে ভাড়াটা দিতাম সেটা তার বাড়ি ভাড়ার প্রায় ৭০ ভাগ এখন তাকে একা পুরোটা ব হন করতে হবে সেকারনে তারা খুব মাইন্ড করে। আর যেহেতু আমি আসার ১ বছরের মধ্যে বাসা বদল তাই তারা ভেবে নেয়। আমার ইচ্ছাতেই ঘটেছে এসব। দিন যায় ভালোই আমরা বাসা বদল করলেও তাদের সব রকম কাজে পাশে থেকেছি। যে এলাকাতে প্রাইভেট কার ছাড়া চলা যায় না তারপরেও আমরা তাদের কারের সব চাহিদা পূরণ করেছি। গত আগস্টে তারা দেশে যায়। এবং আমাকে বাশঁ দেবার সকল আয়োজন করে আসে। আমার মা এবং বড় বোনের কাছে আলাদা ভাবে আমার আর সাথীর সম্পর্কে নানা মিথ্যে কথা বলে আসে। আর সাথীর সম্পর্কে বলে যে ও মেয়ে হিসেবে অনেক খারাপ। আমার ভাইয়ার নামে অনেক বাজে কথা বলেছে। আমার পরিবারে কাউকে দেখতে পারেনা ঐ মেয়ে। যদি ওকে বিয়ে করি তাহলে আমাকে সবার কাছ থেকে আলাদা করে ফেলবে। ভাইয়ে ভাইয়ে ঝগড়া হবে। এই ধরনের কথা শুনার পরেও আমার মা কোন কিছু বলে নি আমাকে কারণ সে তার ছেলে দের ভালো করে চিনে এবং তার বিশ্বাস আছে আমাদের উপর। কিন্তু আমার বোন সেটা আর বুঝতে চায়নি যে তারা কি জন্য এধরনের কথা বলে এলো। সে আমাকে নানা ভাবে মেন্টালি উইক করতে থাকে( আমার পরম আত্বীয়দের কাছ থেকে শুনা কথা গুলা আমাকে জানতে দেয়নি)। কিন্তু তেমন ভালো সারা না পেয়ে সে আমার ইয়ের দিকে হাত বাড়ায় ওকে নানা রকম বাজে কথা বলে । যেমন বাংলা ছিনেমার বোনেরা বলে থাকে আরকি। সে কথা গুলো আমার ইয়ে স হ্য করতে পারেনি । সে রাগের মাথায় আমাকে অনেক গুলো শর্ত দেয়, যদি আমি ওকে চাই তাহলে শর্ত গুলা মানতে হবে আর নয়তো আলবিদা। আমার পক্ষে ওর সেই শর্ত মানা সম্ভব ছিল না। ফল সরুপ আমরা বিছিন্ন হই।

এই ঘটনার মাস খানেক পরে ভাইয়া আমার পরম আত্বীয়দের জানায় যে সে সামনের বছর বিয়ে করবে তো তার পক্ষে তখন আপনাদের এতো সময় দেয়া সম্ভব হবে না। তাই এখন আপনারা গাড়ীর লাইন্সেসের জন্য চেষ্টা করেন। পরে দরকারে আমার গাড়ী নিয়ে কাজ করবেন। গাড়ী কিনতে হবে না। কিন্তু আমার ভাইয়ার এতো ভালো মানুষতা তারা ভালো ভাবে নিতে পারেনি। আমাদের ঐ আত্বীয় আমাদেরে সাথে নানা রকম খারাপ ব্যব হার করতে থাকে। একদিন ভাইয়া রাগের মাথায় তাকে কিছু কথা শুনিয়ে দেয়। ব্যস আর যায় কোথায়। সেই রাতেই ঢাকাতে ফোন করে আমার বোনের কাছে ভাইয়ার নামে নানা মিথ্যে রটনা বলতে শুরু করে। কিন্তু এমন সব কথা বলে যে গুলা কেউ কোন দিন বিশ্বাস করতএ পারবে না। এরপরই আমার বোন আর ভাইয়া বুঝতে পারে যে আসলে সে কি চায়। আমাদের দু ভাইয়ের মাঝে বিরোধ লাগাতে। কারণ সে আমার বোনের কাছে এমন সব কথা বলেছে যা কিনা আমার ইয়ে ভাইয়ার সম্পর্কে বলেছে সে কথা আমার ভাইয়ার কানে আসলে অনেক বড় কিছু হয়ে যেত।

এরপর আমার আমার পরিবারের সবার সেই আত্বীয় সম্পর্কে ধারনা পরিস্কার হয়। আর তাদের নজরে পড়ে আমি আর আমি নেই ( ভালবাসা বিনে কি আর বাচা যায়) তাদের ভুল ভাঙ্গে আমার আর আমার ইয়ের সম্পর্কে। কিন্তু আমাকে সেটা জানায় না। মা বেশ কয়েক বলতে গিয়েও বলতে পারেনি। জানুয়ারী মাসের শুরুতে ছোট বোনের কাছ থেকে জানতে পারি । আসল ঘটনা আর সে ঘটনার পেছনের ঘটনা আর আমার পাশে বসে থাকা আমার খালা খালু নামক বাশঁ দেনে ওয়ালা আমার সেই পরম আত্বীয়দের। আমাদের বাশঁ দিতে এখন নিজেরাই বাশঁ গুনে। গাড়ী কিনতে হয়েছে। আর ইতালীতে গাড়ী পালা মানে হাতী পালা। যদিও এর পেছনে আমাদের কোন হাত নেই তবে হয়তো আরও অনেক বাশঁ আছে তাদের কপালে।

ভালোই হয়েছে সবাই খুব ভালো ভাবে জেনেছে আমার আর ইয়ে কথা। এখন সামনের ডিসেম্বরে আসছি ভাইয়াকে বিয়ে করাতে ...দেখি নিজের কি করা যায়। ধন্যবাদ খালা খালু আমাকে বাশঁ দেবার জন্য। আর এখন নিজেদেরটা সামলান।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বাশঁ ;
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৮
এন এইচ আর বলেছেন: আরে বাবা এতো বিরাট লিখে ফেলেছি। বানান ভুল থাকতে পারে........
সে জন্য ক্ষমা প্রার্থী।
২. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৩
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: কাউকে বাশঁ দেবার আগে মনে রাখবেন বাশেঁর আরেকটা মাথা কিন্তু বাইরে আছে।

শিরোনামটা কঠ্‌ঠিন হৈছে!
:)
৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: আরেকটু কঠিন করতে চেয়েছিলাম কিন্তু তাতে আবার মুখ খারাপ করা লাগতো.........।

৩. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৫
িসপাহী বলেছেন: তায়েফ আহমাদ বলেছেন: কাউকে বাশঁ দেবার আগে মনে রাখবেন বাশেঁর আরেকটা মাথা কিন্তু বাইরে আছে।

শিরোনামটা কঠ্‌ঠিন হৈছে
৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৮

লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন..........।

৪. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৯
বড় বিলাই বলেছেন: অনেক সুখী হোন আপনি আর আপনার ইয়ে, আর আপনার পরিবারের সবাই। শুভ কামনা রইল।
৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ববি আপু.....।
কিন্তু আপাতত আপনার বাঘের জন্য ভয়ে আছি...........কারণ ও এখন আছে সুন্দরবনে। বাঘটাকে একটু দেখে রাখবেন।

৫. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৫
আশরাফুল আলম রকিব বলেছেন: আপনি ইতালি থাকেন? তাহলে আমার কিছু কথা আছে যদি আপনার মেইলটা আমাকে দিতেন আমার মেইল
৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৫

লেখক বলেছেন: nhrazanএটইয়াহু.কম

৬. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৫
আবু সালেহ বলেছেন: শিরোনামটা জটিলস...
৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ........আপনাকে দেখে ভালো লাগল আমার ব্লগে।

৭. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৭
টেকি মামুন বলেছেন: ভাই এতবড় রচনা পড়তে ভালা লাগেনা তবে শিরোনামের জন্য প্লাস।নতুন একটা ডাযালোগ শিখাইলেন
কাউকে বাশঁ দেবার আগে মনে রাখবেন বাশেঁর আরেকটা মাথা কিন্তু বাইরে আছে।
৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৭

লেখক বলেছেন: ভাইরে রচনা ছোট করতে করতে এই জায়গাতে এনেছি এর চেয়ে আর ছোট করতে পারিনি। যদিও আমারও অনেক কষ্ট হয়েছে লিখতে টাইপে আমি অনেক স্লো।

৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫০

লেখক বলেছেন: ঠাক্কু

৯. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৩
আবদুল্লাহ আল মনসুর বলেছেন: কাউকে বাশঁ দেবার আগে মনে রাখবেন বাশেঁর আরেকটা মাথা কিন্তু বাইরে আছে। ---- কঠিন সইত্য কথা..
৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫১

লেখক বলেছেন: কবি......... কথা সত্য বলিয়াছেন.......

১০. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৫৭
শান্তির দেবদূত বলেছেন: কিছু কিছু মানুষ এত স্বার্থপর হয় যে কি বলবো! যাই হোক সব
কিছু ভালো মত সমাধান হয়ে গেছে এটাই শুকর আলহামদুলিল্লাহ।
আর অগ্রীম শুভেচ্ছা :)....
৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫৫

লেখক বলেছেন: মানুষ আর স্বার্থপরতা............

যেন স্বার্থের বাইরে সবই বৃধা।

আমিও এইজন্য আল্লাহর কাছে শোকরিয়া করি যে সব ভালো ভাবে শেষ হয়েছে!।

দেবদূতের শুভেচ্ছা আন্তরিকতার সাথে গ্রহন করা হলো।

১১. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০২
দ্রোহি বলেছেন:
শিরোনামটাই একটা জটিল বাণী হয়ে গেল ভ্রাত :)
৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫৫

লেখক বলেছেন: বাণীটা সবার জন্যই প্রযোজ্য।

১২. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০৫
একাকী বালক বলেছেন: অল্প পড়েই মাথায় প‌্যাচ লাইগা গেল ভাই। অনেক রাত তো। দিনের বেলায় পড়তে হইব। তয় শিরোনাম ভালা হইছে।
৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫৭

লেখক বলেছেন: যা পড়ছেন যথেষ্ট। বেশী পড়লে আরও প্যাচ লাগবো...........।

১৩. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ২:২৫
লাল সাগর বলেছেন: তায়েফ আহমাদ বলেছেন: কাউকে বাশঁ দেবার আগে মনে রাখবেন বাশেঁর আরেকটা মাথা কিন্তু বাইরে আছে।

শিরোনামটা কঠ্‌ঠিন হৈছে!
:)
৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১৪. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৩৪
অক্ষর বলেছেন: ভাইডি খবর কি? আছেন কিরাম?
৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫৯

লেখক বলেছেন: এইতো ভাইডি এখন অনেক ভালো আছি। কিছু দিন খুব ব্যাস্ত ছিলাম। এখন একটু চাপ কম তাই ভালো আছি।

আপনার কি খবর ঢাকাতেই আছেন না চলে এসেছেন?

১৫. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৫০
নুরুন নেসা বেগম বলেছেন: নতুন একটা ডাযালোগ সংগে যোগ করত পারেন- 'শুধু বাশেঁর আরেকটা মাথা বাইরে নয়, আইক্যাও আছে, কাটুম, না, না কাইট্যাই ব্যবহার করুম? বুইঝঝ্যা লইয়েন'।অনেক কষ্ট করে লেখার জন্য ধন্যবাদ।আপনাদের ভালবাসা অটুট থাক।
৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:০০

লেখক বলেছেন: আমিতো বাশঁ ব্যব হার করতে চাইনা। তাই ডায়লগটা আমার লাগবে না আমিই রেখেদেন। কাজে লাগবে।

আপনাকেও অনেক ধ্যনবাদ পড়ার জন্য।

১৬. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৫৩
হুমায়ুন_কবির_হাকিম বলেছেন: লেখা পড়ি নাই, শিরোনাম পছন্দ হইছে ব্যাপক।
৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:০১

লেখক বলেছেন: না পড়াই ভালো...................।

৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:০১

লেখক বলেছেন: ওহে ভাই কেমন আছো............

১৮. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৩২
হোদল রাজা বলেছেন: কি প্রজাতির বাশ?

ইতালীয়ান মাফিয়ান আছিলা?! ;)
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৪৮

লেখক বলেছেন: মাফিয়া হইতাম মন চায় কিন্তু কেমনে হয় জানি না

১৯. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:১৪
বাঁশ বাবা বলেছেন: বাশঁ বিষয়ক লেখাটির শিরনামটা জটিলস্।
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৪৯

লেখক বলেছেন: বাশঁ বাবা হাজির ......দেখো দেখি কি অবস্থা

২০. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১৩
রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত বলেছেন: বন্ধুঊঊঊঊঊঊঊঊঊঊঊঊঊঊঊউ!! ভাইয়ার বিয়ে!! !:#P !:#P !:#P !:#P !:#P

কেমন আছো? ভাইয়ার রান্নাটা এখনো মিস করি! তোমাকেও খুব, আর তোমার সেই পাস্তা। খুব ব্যস্ত, তাই তোমার সাথে কথা হচ্ছেনা, খুব সরি। তবে সবসময় পাশে আছি, এটা জেনো।

ভাইয়াকে আমার সালাম জানিও।

আর ঘ্যাটনা মনে হয় আমি বুঝতে পেরেছি পরিষ্কার :#)
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৫১

লেখক বলেছেন: কপালে থাকলে আরও কিছু হতে পারে..............


হুম বুঝতে পারছি তুমি বিজি। তাই বলে বন্ধুর কাছে সরি বলবে এটা ঠিক না।

২১. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:২৩
নীল-দর্পণ বলেছেন: বাহ্ বাহ্ ভাইয়া আমার তাহলে জোওওওওশ মুডেই আছে দেখছি। :)
বেস্ট অফ লাক। :)
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৫২

লেখক বলেছেন: আবার জিগ্গায়............।

২২. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৫২
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: সময় ভালো কাটুক।
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৫২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কবি।

২৩. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১১
মুভি পাগল বলেছেন: পোষ্টের শিরোনামটা পড়েই মনে হয়েছে কন্টেন্ট যাই হোক, প্লাস দিতেই হবে। তাই:


০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:২৮

লেখক বলেছেন: পাগল ভাই প্লাস দিছেন কিন্তু উড়ে কেন?

২৪. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩৫
নাজমুল আহমেদ বলেছেন: শিরোনাম্টা জটিল হৈচে মিতা। এই সমস্ত স্বার্থপর মানুষগুলারে থাপড়াইয়া দাত ফালাইয়া দিতে মন চায়।




মিতা আছেন কেমুন?
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৩১

লেখক বলেছেন: থাপরাইতে মন চায় না মিতা কষ্ট লাগে.........অনেক অনেক রিসপেক্ট করছি এখনো করি............কিন্তু তারপরেও কিভাবে কেন জানি না.......মানুষ কিভাবে পারে..........এভাবে বাশঁ দিতে..........


সত্যি বলছি মিতা অনেক অনেক ভালো আছি। সব কিছু মনের সাজানো রং সাথে মিলে যাচ্ছে.........দোআ করবেন মিতা যেন সবাই কে খুশি করে আমরা সুখি হতে পারি।

২৫. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৪
সাতকরা বলেছেন: অকারনে অন্যকে বাঁশ দিতে গিয়ে নিজেই নিজের ঐ বাশেঁর ভিতরে ঢুকে তিন রাস্তার মাথায় ঝুলে গিয়ে সবাই দেখলে শুনলে জানলে আমার আপনার সবারই ভাল লাগে তাইনা?
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৩৩

লেখক বলেছেন: অকারণ আর রইল কই.......ঐ যে বললেন না সবাই দেখলে জানলে শুনলে......।এটাই তো বড় কারণ........দেখ সবাই আমি বাশঁ দিতে গিয়ে বাশঁ খাইছি..........

আপনার প্রো. পিকটা সুন্দর।

২৬. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৪৬
বিওলাট্রাটা বলেছেন: আপনি উত্তর সঠিক দিয়েছেন সাতকরাকে। আমার ও পছন্দ বাঁশ দের নিজেদের বাঁশ যেন শুধু বাঁশদের সঠিক জায়গামত যায়।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৩৫৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি অধ্রের চেয়ে বেশী ভাঙ্গার চেয়ে ভালো, ছিন্নের তরে অন্যের কারও। আমি শুন্য দিয়ে পুর্ণ হয়েছি, চুর্ন হেও ধন্য রয়েছি।...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই