সরকারই প্রমাণ করলো, বাংলাদেশে কোন যুদ্ধাপরাধী কিংবা রাজাকার নেই
০৮ ই মে, ২০১০ সকাল ১১:৪২
বাংলাদেশের মিডিয়া রাজ্যে একবার একটা কথা নিয়ে বেশ তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছিল। জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ বলেছিলেন, দেশে কোন যুদ্ধাপরাধী নেই। তাদের দাবী, ১৯৫ জন চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীর সবাই পাকিস্তানি সৈন্য, যাদেরকে সাধারণ ক্ষমার আওতায় এনে নিজ দেশে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। এমন কি দালাল আইনে অভিযুক্ত ৭৫২ জনের মধ্যে জামায়াতের কোন নেতার নাম অন্তর্ভূক্ত ছিলনা।
এ কথাগুলো ঐতিহাসিকভাবে সত্য হলেও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতেই হবে-এই হচ্ছে আওয়ামী লীগ ও তথাকথিত বাম-রাম সুশীল সমাজের প্রাণের দাবী। ইতোমধ্যে এ বিচারের পূর্ব নির্ধারিত রায় অনুযায়ী সরকারের কিছু কিছু মন্ত্রী জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দিয়েছেন! অর্থাৎ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ব্যানারে জামায়াতের রাজনীতিকে নির্মুল করতে হবে-এটাই হচ্ছে সরকারের মিশন।
তবে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার যে আদৌ সম্ভব নয়, এটা সরকারও বেশ ভাল করে জানে। ইশারা-ইঙ্গিতে সরকার সেটা বলেও দিয়েছে। আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ আমেরিকা থেকে এসেই বললেন, এখন থেকে য়ুদ্ধাপরাধ শব্দটা ব্যাবহার করা যাবেনা, বলতে হবে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। অর্থাৎ দেশে কোন যুদ্ধাপরাধী নেই। কিন্তু জামায়াতের বিচার যেহেতু করতে হবে, সেহেতু একটা কৌশল অবলম্বন না করলে তা কিভাবে সম্ভব ?
অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও স্পষ্ট করে বলে দিয়েছেন, দেশে কোন রাজাকার নেই। এসবের যোগফল এই দাঁড়ালো, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের কথাই সত্য এবং তারা সম্পূর্ণ নির্দোষ।
এরপরও কেউ য়ুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবি তুললে তা হবে নিতান্তই হাস্যকর !
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই মে, ২০১০ দুপুর ২:৩৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন:
সত্য কথা বললে তোমাদের শরীর জ্বালাপোড়া করবে- এটাই স্বাভাবিক ! মিথ্যা একদিন ধ্বংস হবেই, অপেক্ষায় থাকো।
মোঃ নূর-উস-সালাম চপল বলেছেন:
মতের পার্থক্য থাকতেই পারে, এক জন ব্লগারের সহনশীল আচরন করা উচিত্। যারা যুক্তিকে যুক্তি দিয়ে খন্ডন না করে গালাগালী করে তাদের ধিক্কার জানাই ।
লেখক বলেছেন:
আপনার সুন্দর মননের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা। ধন্যবাদ ।।
রশিক রশীদ বলেছেন:
এতকিছু বুঝি না নিজামী- মুজাহিদের ফাঁসি হলেই আমরা খুশি। সেটা যুদ্ধাপরাধহোক মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হোক আর চুরির অপরাধেই হোক । আমরা চাই নিজমী- মুজাহিদ গংদের ফাঁসি। বি: দ্র: আপনার মত বড় বড় বক্তৃতা বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার রায় বাস্তবায়নের আগেও শুনেছিলাম। রায় বাস্তবায়নের পরে দেখি তারা মুখের ভিতর লা.... ঢুকাইয়া বইসা রইছে আর কিছুই কয় না । আপনারও সেই ভবিষ্যত জ্বলজ্বল করতাছে।
লেখক বলেছেন:
বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার রায় বাস্তবায়নের আগে বড় বড় বক্তৃতা কোথায় শুনেছেন ? আমার জানা মতে, সেটার বিরোধিতা কেউ করেনি। কিন্তু যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের স্বচ্ছতা নিয়ে দেশে-বিদেশে ইতোমধ্যেই অনেক প্রশ্ন উঠেছে।
আর আপনারা যে দিবা স্বপ্ন দেখছেন, তা কখনোই পূরণ হবেনা-ইনশাআল্লাহ। সত্যের বিজয় অবশ্যম্ভাবী।
হানকির পুলা যুদ্ধঅপরাধীর বিচার করবি রাজাকার এর বিচার করবি........................... কিন্তু এখন আবার মানবতা বিরোধিদের বিচার করবি।
কত লোম ছিরলি ছাগলের বাচ্ছা
লেখক বলেছেন:
ওদেরকে গালিগালাজ করা আমাদের জন্য শোভনীয় নয়। আমরা তো সুন্দরতম আদর্শের পরিচ্ছন্ন মানসিকতাকে লালন করি।
নিজামী মোজাহিদী অপরাধী হলে বিচার হবে। কিন্তু আরত অপরাধী আছে আমাদের বেয়াই আছে তাদের বিচার হওয়ার দরকার নাই? নাকি আওয়ামিলীগ করলে রাজাকার হইলেও সমস্যা নাই?
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ।
লাবিব ইত্তিহাদুল বলেছেন:
মতের পার্থক্য থাকতেই পারে, এক জন ব্লগারের সহনশীল আচরন করা উচিত্। যারা যুক্তিকে যুক্তি দিয়ে খন্ডন না করে গালাগালী করে তাদের ধিক্কার জানাই । একদম একমন । মতের বিরুদ্ধে গেলে রেগে যাওআ গোরামীর লক্ষণ ।
সিউল রায়হান এর গালাগালি যুক্তীসংগত না । আপনি একজন ব্লগার কে গালাগালি করে এবং নিজে একজন ব্লগার হয়ে ব্লগার দের ভাবমূরতী ক্ষূন্ন করলেন ।
ধন্নবাদ ।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ।
নাহিনরানা বলেছেন:
লেখকের সাথে সহমত।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ।
কাজল আব্দুল্লাহ বলেছেন:
আমারতো মনে হয়, এইসব শিবির কুত্তার বাচ্চাগুলার (যতটা সম্ভব শালীন ভাবে বলার চেষ্টা করলাম) আগে বিচার হওয়া উচিত।
সবকিছুর ডকুমেন্ট আছে, হালারা আবার নির্দোষ প্রমাণের জন্য সাফাই গায়।
যতই লাফালাফি করো পোনা, কুনো লাভ নাই। ভাষাগত পরিবর্তন হোক আর নাই হোক তুমরা খাল্লাস।
লেখক বলেছেন:
তোমরা তো ওসব প্রাণী (কুত্তা)'র চেয়ে ভালো প্রজাতির কোন জন্তু নও। যত শালীন শব্দই উচ্চারণ করতে চাওনা কেন, মুখ দিয়ে শুধু ঘেউ ঘেউ আওয়াজই বের হবে।
ভালবাসাকারেকয় বলেছেন:
কাজল আবদুল্লা আপনাকে বলছি.... মানুষের মত কথা বলুন, অমানুষের মত ব্যাবহার করবেন না। আপনার লেখা দেখে মনে হচ্ছে জে এম বির সাথে আপনার সম্পক আছে। আপনার মতের সাথে মত না মিল্লে তাকে কি যে কোন ভাবে সরিয়ে দিতে হবে??????????? আপনি মনে হয় আপনার বউ পেটান!!!!!!!!!!! মাথা ঠান্ডা করেন । বুইজচেন?
তানবিরটি্এলপি বলেছেন:
লেখক বলেছেন: তোমরা তো ওসব প্রাণী (কুত্তা)'র চেয়ে ভালো প্রজাতির কোন জন্তু নও। যত শালীন শব্দই উচ্চারণ করতে চাওনা কেন, মুখ দিয়ে শুধু ঘেউ ঘেউ আওয়াজই বের হবে।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ।
দাম বলেছেন:
হুদাই! নিজামী আর মুজাহিদের মাথায় একছটাক বুদ্ধি নাই। হিকমা খাটাইয়া কয়েকদিনের জন্য হাম্বালীগ করলেইতো মুক্তিযোদ্ধা হইতে পারত
জেনারেশন৭৫ বলেছেন:
@সিউল রায়হান: এই পোষ্টে আপনার মন্তব্য আপনাকে একজন উগ্রবাদী হাম্বালীগ হিসাবেই প্রমান করে। এই হাম্বালীগের নেত্রী যখন বিয়াইকে সেভ করার জন্য বক্তিতা বিবৃতি দেয় তখন কোথায় থাকে আপনার সেই বড় বড় লেকটার। ভন্ডামোর একটা সীমা পরিসীমা রাখা উচিত।
আওয়ামি যুদ্ধাপরাধীদের তালিকা: নোয়াখালী থেকে নির্বাচিত আওয়ামী লীগের ‘এমএনএ’ (জাতীয় পরিষদ) মো. ওবায়দুল্লাহ মজুমদার ও চট্টগ্রাম থেকে নির্বাচিত ‘এমপিএ’ (প্রাদেশিক পরিষদ) অধ্যাপক শামসুল হক দু’জনই ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর তৈরি এমএ মালেকের নেতৃত্বে গঠিত মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন। তালিকাভুক্ত অপর আওয়ামী লীগ নেতারা হচ্ছেন- চট্টগ্রামের প্রাদেশিক আসন ২৪ থেকে নির্বাচিত ‘এমপিএ’ সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, পটুয়াখালী থেকে নির্বাচিত ‘এমপিএ’ মুজিবুর রহমান তালুকদার, যশোর থেকে নির্বাচিত ‘এমপিএ’ মো. মঈনুদ্দীন মিয়াজী, খুলনার ‘এমপিএ’ হাবিবুর রহমান খান, বগুড়া থেকে নির্বাচিত গণপরিষদ সদস্য মো. হাবিবুর রহমান, ঢাকার মোহাম্মদপুর থেকে নির্বাচিত ‘এমএনএ’ জহির উদ্দিন, লে. কর্নেল একেএম মাহবুবুল ইসলাম (পাবনা), সৈয়দ হোসেইন মনসুর (পাবনা), মো. আবদুল গাফফার (খুলনা), মো. সাঈদ (খুলনা), মোশাররফ হোসেন শাহজাহান, একে ফায়জুল হক (বরিশাল), এবিএম নুরুল ইসলাম (ফরিদপুর), আমজাদ হোসেন খান (ফরিদপুর), মো. নুরুল ইসলাম (ঢাকা), আখতারুজ্জামান (ময়মনসিংহ), সৈয়দ বদরুজ্জামান ওরফে এসবি জামান (ময়মনসিংহ), ডা. আবুল হাসেম (সিলেট)। উল্লিখিত ২০ নেতার প্রত্যেকে জাতীয় পরিষদ অথবা প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচিত সদস্য ছিলেন। দৈনিক পাকিস্তান ও আজাদসহ বিভিন্ন পত্রিকায় এসব নেতার স্বাধীনতাবিরোধী বিবৃতি প্রকাশ হয়। তালিকাভুক্ত এসব আওয়ামী লীগ নেতারা মুক্তিযুদ্ধের সময় কেবল বক্তৃতা বিবৃতি দিয়ে ইয়াহিয়া সরকারের পক্ষই নেননি, পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীকে সহযোগিতা করেন বলেও তাতে উল্লেখ আছে। যে কারণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সময়েই সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে কিছু গণপরিষদ সদস্যের সদস্য পদ বাতিল করা হয়। অনেকের নাগরিকত্বও বাতিল করা হয়েছিল। উল্লেখিতদের অনেকেই ইতোমধ্যে মারা গেছেন। ’৭১ সালের ৩ জুলাই সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী এক বিবৃতিতে বলেছিলেন, ‘পাকিস্তানকে খণ্ডবিখণ্ড করার জন্য জনগণ আমাকে ভোট দেয় নাই।’ ৬ জুলাই মুজিবুর রহমান তালুকদার পৃথক বিবৃতিতে ‘পাকিস্তানকে খণ্ড-বিখণ্ড করার জন্য আওয়ামী লীগের মতলব সম্পর্কে তাঁর কোনো ধারণা ছিল না’ বলে মন্তব্য করেন। হাবিবুর রহমান খান বলেন, ‘পাকিস্তান এক ও অবিচ্ছেদ্য। পাকিস্তানকে ধ্বংস করতে পারে এমন কোনো শক্তি পৃথিবীতে নেই।’ মুক্তিযুদ্ধের সময় আওয়ামী লীগের যেসব নেতা জেলা ও শহর শাখার শান্তি কমিটিতে ছিলেন তাদেরও তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। সাবেক ধর্মপ্রতিমন্ত্রী মাওলানা নুরুল ইসলাম। একাত্তর সালে তিনি জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ি রাজাকার কমান্ডার ছিলেন বলে উল্লেখ করা হয়। তখন ঢাকার কেরাণীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আমজাদ হোসেন, টাঙ্গাইলের সাবেক আওয়ামী লীগ এমপিএ খোদাবক্স মুক্তার, ফরিদপুর শহর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও মহকুমা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ মো. ফিরোজুর রহমান, ফরিদপুর শহর আওয়ামী লীগের সমাজকল্যাণ সম্পাদক আবদুস শুকুর মিয়া, ফরিদপুর আওয়ামী লীগ নেতা আবদুল জলিল মিয়া মোক্তার, অ্যাডভোকেট কাজী খলিলুর রহমান, অ্যাডভোকেট জামাল উদ্দিন মিয়া, চট্টগ্রাম সদর মহকুমা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. আবুল বাশার, নেত্রকোণার আওয়ামী লীগ সভাপতি নুরুল ইসলাম খান, নেত্রকোণা শহর আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম, মহকুমা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি চাঁদবক্স পাটওয়ারী মোক্তার, নেত্রকোণার বায়লাতি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সেক্রেটারি ডা. গিয়াসউদ্দিন আহমদ, নেত্রকোণা শহর আওয়ামী লীগ সদস্য সোহরাব হোসেন, নেত্রকোণা মহকুমা আওয়ামী লীগ সদস্য এমদাদুল হক, চাঁদপুর আওয়ামী লীগ সভাপতি ডা. মুজিবুর রহমান চৌধুরী, চাঁদপুর মহকুমা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি নাসির উদ্দিন পাটওয়ারী মোক্তার, চাঁদপুর রেডক্রস সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট ফজলুল হক, চাঁদপুর মহকুমা আওয়ামী লীগের কার্যকরি সদস্য খুরশিদ আলম চৌধুরী, মহকুমা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ বজলুর রহমান শেখ, চাঁদপুর আওয়ামী লীগ সদস্য ও তরপারচান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান মৃধা, চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য ও ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আজিজ শেখ পাটওয়ারী, চাঁদপুর আওয়ামী লীগ সদস্য ও ঠিকাদার মোফাজ্জল হোসেন, ফরিদগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সমাজকল্যাণ সম্পাদক ডা. নুরুল ইসলাম, রাজশাহীর সোহরাওয়ার্দী আওয়ামী লীগ নেতা মুজিবুর রহমান, যশোর আওয়ামী লীগ নেতা মীর তৈয়ব, মোহাম্মদ আবদুল হাকিম বিক্রমপুরী। নেত্রকোনা শহর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম এক বিবৃতিতে বলেন, তিনি আওয়ামী লীগের বিচ্ছিন্নতাবাদী মনোভাব সম্পর্কে অবহিত ছিলেন না। তিনি মুসলমানদের চিরশত্র“ ভারতের সমর্থনপুষ্ট বিচ্ছিন্নতাবাদী দুষ্কৃতকারীদের উৎখাতকল্পে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য জনগণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান। সুত্র: আমাদের সময়।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ।
মোসাজস বলেছেন:
কুত্তালীগের ব্লগীয় গুন্ডা সিউল রায়হানরে গদাম দেয়া হলো। এই টা কি সউলের বাবর ব্লগ নাকি হে!
মোসাজস বলেছেন:
গালিবাজ ব্লগার শিউলে কইষা লাথী দেন সবাই।
লেখক বলেছেন:
আসলে কথায় কথায় যাদের মুখে গালি চলে আসে, তাদেরকে বলার কিছুই নেই। পিতা-মাতার কাছে সভ্যতা-ভদ্রতার পাঠ যারা পায়নি, তাদের আচরণ তো এমন হওয়াই যৌক্তিক।
মাহমুদুল করিম লিংকন বলেছেন:
ছাগু
লেখক বলেছেন:
যারা কথা বলার যুক্তি হারিয়ে ফেলেন, তারাই কেবল অশ্লীল গালি-গালাজের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়। এসব টোকাইদের জন্য শুভ কামনা।
তোরাশ বলেছেন:
৪ নম্বর কমেন্টকারীর চেহারা দেখে দয়া হয়। বিধাতা চেহারায় লিখে দেয় কে কোন স্টেটাসের লোক। মালেশিয়ার কামলাগুলার এই জন্যই কোন উন্নতি হয় না।
লেখক বলেছেন:
চেহারা দেখে মানুষকে মূল্যায়ন করা যায়না, মূল্যায়ন করতে হয় কর্ম দিয়ে।
লেখক বলেছেন:
সত্য -প্রত্যেক যুগেই সত্য। সত্যকে যারা টুটি চেপে ধরতে চায় তারা চিরকালই নিন্দিত।
মোসাজস বলেছেন:
@তোরাশ - ফুটানি মারান ....মনে রাখবেন...মালেশিয়ান আর মিডেলিষ্ট এর ঘাম ঝড়ানো কামলাদের রেমিটেন্সে সরকার চালে......আর দেশে আমাদের অনেকেরেই সংসার চলে।১ নম্বর মন্তব্য সম্পর্কে মন্তব্য নাই কেন? আগে ১নম্বর মন্তব্যর রেফারেন্স টানুন তার পর কথা বলুন।
জাতি জানতে চায় বলেছেন:
আলীগ-বামেরা যেখানে মাটি খুড়ে হাজার ফিট নীচ থেকে হলেও বিরোধী মতের যুদ্ধাপরাধী-রাজাকারদের প্রমান বের করে আনে, সেখানে তাদের আমলে করা ট্রাইবুনাল বিচারে অভিযুক্তদের তালিকা প্রকাশ না করাটা স্বয়ং রাজাকার-যুদ্ধাপরাধীদের দোসরের পরিচয় দিচ্ছে! এই তালিকা প্রকাশ না করার দুটো কারনই থাকতে পারে- প্রথমত বর্তমানে যাদেরকে টপ লিস্টে রাখা হইছে তাদের অনেকেরই নাম না থাকা, দ্বিতীয়ত কথিত মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির রাঘব-বোয়ালদের নাম সেখানে থাকা!!
লেখক বলেছেন:
জাতি জানতে চায় বলেছেন:
......এই তালিকা প্রকাশ না করার দুটো কারনই থাকতে পারে- প্রথমত বর্তমানে যাদেরকে টপ লিস্টে রাখা হইছে তাদের অনেকেরই নাম না থাকা, দ্বিতীয়ত কথিত মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির রাঘব-বোয়ালদের নাম সেখানে থাকা!!
............................................
সহমত ।। ধন্যবাদ
সিউল রায়হান বলেছেন:
@ জেনারেশন ৭৫:আপনার যা ইচ্ছামত আপনি বুঝতে পারেন........ক্লারিফাই করতে আমি বাধ্য না তবুও আপনি আমার এলাকার দেখে রিপ্লাই দিচ্ছি
এখানে আমি হাম্বালীগের কাউকে ডিফেন্ড করিনাই, আমি ওই *** দলের কেউ না অথবা ওদের যেকোন লেভেলের কোন অংগসংগঠনের সাথেই আমি কোনভাবেই জড়িত না....... আমার পয়েন্ট ক্লিয়ার..... আমি ৭১ এর রাজাকারগুলির ফাঁসি দেখতে চাই, অনতিবিলম্বে (সেই রাজাকার যেই দলের/যেখানকার হোক তাতে কিছু যায় আসেনা)
আমার কমেন্ট থেকেই আসি। জল্লাদ কি করেন ??? গলায় ফাঁস নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা একজনকে ঝুলানোর কাজটা করেন, তাইনা ???? গোলাম আযম কিংবা হাসিনার রাজাকার বেয়াই যেকাউকে ঝুলানোর জন্যে যদি আমাকে ডাকা হয় আমি সানন্দে রাজী হব..... সুতরাং যদি ভেবে থাকেন আমি লীগের কেউ তাহলে ভুল ভাবছেন /#
@ বাকি জামাত ও শিবিরের কুকুরছানারা:
ঘেউ ঘেউ করে লাভ নাই........ তোমাদের বাপের বিচার হবেই, হতেই হবে...... আওয়ামী লীগের রাজাকারগুলিও বাঁচবে না
লেখক বলেছেন:
কে কুকুরছানা- তা তার ভাষা থেকেই বুঝা যায়। রাখাল ছেলে!!
লালসালু বলেছেন:
ঝগড়া করে না
শৈল্পিক ভাবনা বলেছেন:
শালার ভাকুর গুলারে যদি স্ট্রেইট গদাম দিতে পারতাম।
লেখক বলেছেন:
নিজেদেরে আগুনে নিজেরাই জ্বলে পুড়ে ছাই হও। আগামীর দিনগুলো সত্য এবং সুন্দরের ! সত্য সমাগত, মিথ্যা অপসৃত!
রশিক রশীদ বলেছেন:
লেখক বলেছেন : আর আপনারা যে দিবা স্বপ্ন দেখছেন, তা কখনোই পূরণ হবেনা-ইনশাআল্লাহ। সত্যের বিজয় অবশ্যম্ভাবী।আপনার শেষ কথাটা সত্য । সত্যর বিজয় হবেই । সেটা হচ্ছে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার।
সয়ং কর্নেল ফারুক বলেছিলেন আমি মুজিবকে হত্যা করেছি পারলে আমার বিচার করুক। তার কিন্তু ফাঁসি বাস্তবায়ন হয়েছে।
লেখক বলেছেন:
কর্নেল ফারুক বলেছিলেন আমি মুজিবকে হত্যা করেছি পারলে আমার বিচার করুক..........কিন্তু বাংলাদেশে এমন স্বঘোষিত যুদ্ধাপরাধী আছে কি ? তাছাড়া জামায়াতে ইসলামীতে কোন যুদ্ধাপরাধী থাকলে শেখ মুজিব কেন তাদেরকে চিহ্নিত করতে পারলেন না........স্বাধীনতা পরবর্তী আওয়ামী সরকারও কেন তাদের বিরুদ্ধে একটি মামলা......একটি জিডি পর্যন্ত করতে পারলেন না ?
আপনারও অপেক্ষায় থাকুন...আমরাও আছি অপেক্ষায়। সময়ই বলে দেবে আপনারা সত্যের পক্ষে, নাকি আমরা ।।
প্রজন্ম একুশ বলেছেন:
আমি যেটুকু বুঝছি, সিউল রায়হান আম্লীগ-রে ডিফেন্স করেনাই। সে রাজাকারদের তথা গো আযম, নিজামী মুজাহিদ, কামারূগো বিচার চায়। আমিও চাই। কিন্তু পোস্টদাতার বক্তব্য পইড়া মনে অইলো সে গো আযম, নিজামী মুজাহিদ, কামারূগো ডিফেন্স করতাছে।
লেখক বলেছেন:
গোলাম আযম, নিজামী, মুজাহিদ.....য়ুদ্ধাপরাধী হলে শেখ মুজিব কেন তাদেরকে
চিহ্নিত করতে পারেনি? আপনাদের কাছে একথার কী জবাব আছে? শুধু মুখের জোরে একটা বলে দিলেন আর তা-ই মানতে বাধ্য হবো?
দিতাছি ভাই সালা বে জন্মা তার কিছু হইবনা লজ্জা সরম নাই সালার
মোহাম্মদ লোমান বলেছেন:
শারিফ বলেছেন: মোসাজস বলেছেন: গালিবাজ ব্লগার শিউলে কইষা লাথী দেন সবাই।
দিতাছি ভাই সালা বে জন্মা তার কিছু হইবনা লজ্জা সরম নাই সালার লজ্জা! লজ্জা!! লজ্জা!!! লজ্জা!!!! লজ্জা!!!!! লজ্জা!!!!!! লজ্জা!!!!!!!
খেজুরে আলাপ বলেছেন:
লেখকের সাথে সহমত।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















থুথু সহকারে গদাম লাত্থি খা