somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... একটি সমস্যা: ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজার এর ফুল ভার্সন চাই। " style="border:0;" />]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29482277 http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29482277 2011-11-13 09:35:43 আমার জন্মদিন! টিনএজ ছেড়ে তারুণ্যের পথে।।। এখন তো বুঝতে পারি, প্রথম যখন এখানে পোস্ট দেই, আমার মানসিক পরিপক্বতা, আর সেটা এখন কোথায় গিয়েছে!
অনেক কিছু শিখতে পেরেছি। জীবন আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে। কিন্তু আমি নিজের অন্তরাত্মার সাথে মেশাতে তাকে খুব কমই পেরেছি।
গত বছরের এই সময়ে আমার পোস্টটা ছিল আমি পরিণত বয়সীতে পরিণত হচ্ছি এই টাইপের কিছু একটা !
সময় চলে যায়, দিনও বদলে যায়, আমি হয়ে পড়ছি অথর্বের কাঙাল।
আজ জন্মদিন আমার !]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29390609 http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29390609 2011-06-03 09:37:04
তোমায় ভালবাসি..ঘটনা ১ চড়ের জন্য যতটা না ব্যথা রিহান পেল তার চাইতে প্রচণ্ড শব্দে অপেক্ষাকৃত নীরব গলিটা সচকিত হয়ে উঠল।
কিছুক্ষণ পর সে শান্ত স্বরে জিজ্ঞাসা করলো, "এটা কি ধরণের হলো?"
"আমি যেটা করেছি সেটাই ঠিক আছে।" সামিয়ার রাগত স্বরে জবাব।
রিহান অন্যদিকে মুখ ফিরিয়ে চুপচাপ। সামিয়া একটু দূরে সরে গেল তার কাছ থেকে। রিহান মুখ ফিরিয়ে আবার ওর দিকে তাকালো। জানে কাদো কাদো একটা ভাব করলেও আসলে সে তার সামনে কখনোই কাদবে না। কি করবে বুঝতে পারছিল না। বললো,"চলো, তোমার বাসায় যেতে হবে। নয়তো অনেক বেশী দেরী হয়ে যাবে, আসো, হাটো।"

নীরবে হাটতে থাকে দুজন। সামিয়ার জিজ্ঞাসা, "তোমার অভিনয় দেখলে রাগে গা জ্বলে যায়। মরতে যখন গিয়েছিলে তখন আমার কথা মনে তো পরে নি। আর এখন আসছো বাসায় পৌছানোর সিরিয়াসনেস দেখাতে?"
"দেখো, আমি মোটেও বাসায় যাবার জন্য এই কথা বলিনি। কারণ যতক্ষণ আমি তোমার সামনে এখন থাকবো ততক্ষণ তোমার রাগ শুধু বাড়তেই থাকবে।"
"বাড়বে না, পিছনে ঘুরো, একটু পরে বাসায় যাবো।"

কোন প্রতিবাদ করে না রিহান।কিন্তু ভেতরে ভেতরে তার কোন ক্ষোভও সে বুঝতে পারে না। সে আশ্চর্য হয়ে যায় তার ভাবলেশহীনতা দেখে। এই তো এই গলির মুখে আসার আগেও তো সে সামিয়াকে চুমু দিয়েছে।

"তুমি কেন এমন করো সবসময়? কেন এতটা পাগলামি করতে গিয়েছিলে?"কান্নামিশ্রিত কণ্ঠ সামিয়ার।
"দেখো, এমন দিন মানুষের জীবনে বারবার তো আসে না। আমার তখনকার অনুভূতি আমি যদি এখনো ইচ্ছা করি তবুও তো সেভাবে চিন্তা করতে পারবনা। আমার কিচ্ছু মনে হয়নি সেদিন। শুধু এটা জানি যে আমি তখন শূণ্য কিছু একটা ছিলাম।"
আর তেমন কোন কথা হয়না।
"কিছু বলছো না কেন? কিছু কি বলার নাই?" সামিয়া জিজ্ঞেস করে।
"আমি কি বলতে পারি? দেখো তুমি জানো যে ছোটবেলা থেকে আমি কখনো টেনশন নিতে পারি না। এটা আমি শিখিনি। আমি যা কিছু করেছি, যা কিছু আমি জীবনে পেয়েছি তার কোনটাই আমার টেনশন থেকে পাইনি। কিন্তু জীবনের অনেক বড় একটা ব্যাপারে যদি আমার উপর এভাবে পাথরচাপা দিয়ে রাখে সেখানে আমার কি ই বা করার থাকে।"

সামিয়া এখন একটু কি যেন চিন্তা করে।
"দেখো, আমি তোমাকে শুধু আমার বাবা মা কি চায় সেটা বলেছি। এবং আমি জানি তোমার জন্য এটা কোন ব্যাপার হতে পারে না। আমি তাই চাচ্ছি যাতে আমি আমার ভালাবাসা কে নিজের মতো করে তুলে সবার সামনে তুলে ধরতে পারি। এর বেশী তো আমি আর কিছুই চাইনি।"

"আমি জানি না সেসব কিছু আর জানতেও চাই না। শুধু একটা বিষয় আমি তোমকে বলতে পারি যে আমার কাছে এখন মনে হচ্ছে তোমার আমার সম্পর্কটা অনেকটা কন্ডিশন নির্ভর হয়ে গেছে। আর এমনটা আমি কখনোই চাই না। তোমাকে একটা কথা বলি, বুয়েটে পড়ার ইচ্ছা আমার নিজেরই আছে। তাই বলে তোমার বাবা মা বুয়েটে পড়া ছেলে তোমার জন্য চায় এটা যদি হয়েই থাকে তোমার উচিত ছিল না আমার সাথে কিছূ করার। এতটুকুই তোমাকে আমি বলতে পারি তুমি গিয়ে এখন একটা বুয়েট ছেলেকে ভালবাসতে শুরু কর।" একটানা কথাটা শেষ করে রিহান।

নিশ্চুপ হয়ে যায় সামিয়া। "কিন্তু এটা তো আমি জানতাম না যে বিয়ে নিয়ে আমার বাবা মা কি চিন্তা করে। তুমিতো জানো যে বাসায় এটা জানাজানি হবার পরেই সবকিছু আমি জানতে পেরেছি। আমার এখানে কি করণীয় তুমি বলো?"
"কিন্তু যদি এমন হতো যে আমি এমন একটা ছাত্র হতাম যে বুয়েটে পরীক্ষাই দিতে পারবে না। তখন তুমি কি করতে?"
"কিন্তু সেরকম কিছুতো হয়নি তাইনা? হয়তোবা সবকিছুই ঠিক হয়ে ছিল আগে থেকে। এখন তো সব মিলেই গেছে। শুধু তুমি এটা করতে পারলে সবার সামনে কোন সমস্যাই থাকবে না, আমি তখন সবার চোখে আঙুল দিয়ে বলে দিতে পারব, বাবা মা আমাকে নিয়ে যা ভাবতো সেগুলো কতটা ভুল ছিল তখন তাদের কে আমি বোঝাতে পারব। আর এই কথা বলছো? তোমাকে আমি পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করতাম তখন। এখনকার সময় এ এটা কিছুই না। হয়তো আমাদের জীবনটা অতটা ভাল থাকবে না কিন্তু তোমাকে ছাড়া কিছূ কল্পনা করা আমার জন্য সম্ভব না। প্লিজ তুমি একটু বুঝতে চেষ্টা করো।"

রিহান আর কিছু বলে না। তবে আগামিকাল কি ঘটবে সেটা সে জানত না।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29323806 http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29323806 2011-02-10 16:05:13
বর্তমান পত্রিকা !



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29265788 http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29265788 2010-11-02 20:17:54
পুরুষ মানুষ দু প্রকার, জীবিত বিবাহিত : নচিকেতা পুরুষ মানুষ দু প্রকার, জীবিত বিবাহিত
পুরুষ মানুষ বেচে থাকে বিয়ে করার আগে গো<img src=" style="border:0;" />
বিবাহিত মানে প্রকারন্তেরেতে মৃত
পুরুষ মানুষ দু প্রকার, জীবিত বিবাহিত।।<img src=" style="border:0;" />

জীবিত আছেন তারা হয়নি যাদের বিয়ে
মাঝে মাঝে ভাবি থাকি ওদের কাছে গিয়ে।।
(গৃহপালিত স্বামীরা! মন দিয়ে অনুধাবন করুন)<img src=" style="border:0;" />

কত সুখে আছেন ওরা লাগিয়ে গায়ে হাওয়া
হয়নি দিল্লীর এই লাড্ডু যাদের খাওয়া।<img src=" style="border:0;" />
দাড়িয়ে ছাদনাতলায়, পড়েছেন মালা গলায়
সে মালার বকলেস তিনি, সারমেয়ের মতো
একথা বুঝবেন যিনি আছেন আমার মতো।


ভালবাসা সুখেরই নাম কতো প্রলোভন
আসলে কানার নাম পদ্মলোচন<img src=(" style="border:0;" />
(নিরীহ পতির দল আপনারা আমার সাথে একমত তো?)<img src=" style="border:0;" />
ভুলোনা শুনে বিয়ের সানাই বাদন
বিয়ে হলো বলির আগের ছোট্ট আয়োজন:-*
বিয়ে করে বলেন সুখী, স্ত্রী আমার চন্দ্রমুখী।।
সেকথা আমার কানে শোনায় গুলের মতো।
একথা বুঝবেন যিনি আছেন আমার মতো

জনতা জনার্দন শুনে হবেন বড় প্রীত
পুরুষ মানুষ দু প্রকার, জীবিত বিবাহিত
পুরুষ মানুষ বেচে থাকে বিয়ে করার আগে গো
বিবাহিত মানে প্রকারন্তেরেতে মৃত
পুরুষ মানুষ দু প্রকার, জীবিত বিবাহিত।।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29241027 http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29241027 2010-09-17 17:18:13
আমি কুল হারা কলঙকিনী: বাউল আবদুল করিম আমারে কেউ ছোইয়ো না গো সজনী,

প্রেম করলাম প্রাণ বন্ধুর সনে
যে দুঃখ পেয়েছি মনে

আমার কেঁদে যায় দিন রজনী
আমারে কেউ ছোইয়ো না গো সজনী

......
আমি কুল হারা কলঙকিনী
আমারে কেউ ছোইয়ো না গো সজনী,

প্রেম করাযে স্বর্গের খেলা
বিচ্ছেদ অনল রকম জ্বালা.
আমার মন জানে আমি জানি ।।

আমারে কেউ ছোইয়ো না গো সজনী,


আমি কুল হারা কলঙকিনী
আমারে কেউ ছোইয়ো না গো সজনী,

সখি আমার উপায় বলো না,
এ জীবনে দূর হলো না..
বাউল করিমের পেরেশানী,
আমারে কেউ ছোইয়ো না গো সজনী


আমি কুল হারা কলঙকিনী
আমারে কেউ ছোইয়ো না গো সজনী,
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29230758 http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29230758 2010-08-27 18:26:34
হায়রে কপাল। নটরডেমে এসে কিনা ফেইল করলাম ? <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_15.gif" width="23" height="22" alt=":(" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_15.gif" width="23" height="22" alt=":(" style="border:0;" /> " style="border:0;" />

জানতাম যে ম্যাথ এ ফেল করতে পারি কিন্তু সত্য সত্যই যে তাই হয়ে যাবে এটা ভাবিনি। তবে একটা ব্যাপার খুবই অবাক লেগেছে যে আমাদের গ্রুপের মধ্যেই অনেকের দুই এমনকি তিন বিষয়েও ৩৩ নম্বর হয় না তারপরও তারা P মানে পাস করে গেল। বুঝলাম না। আমারই কর্মের ফল হয়তো।

আর কি করবো। এই কলেজ থেকে বিদায় নেয়া ছাড়া তো আর কোনো উপায় থাকলো না। <img src=(" style="border:0;" /> ‌

কোন কলেজেও চান্স পাবো না আর। কোন এক অখ্যাত কলেজে গিয়ে পচা ছাড়া আর গতি থাকলো না আমার। জীবনটা কিছুটা এলোমেলো হয়ে গেল। ছিলও কিছুটা কিন্তু সেই বিষয়গুলো ঠিক হয়ে গিয়েছে। আমার ভাগ্য শুধু আমাকে সায় দিলো না। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29169301 http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29169301 2010-06-03 15:59:59
এ খ ন থে কে আ মি ১ ৭+ তারমানে আমি কি...
এখন পর্যন্ত আমার কোন জন্মদিনে আমার আম্মু আমার সাথে ছিল না এমনটা কখনো হয় নাই। কিন্তু এবারে কি হল? জীবনে প্রাপ্তবয়স্ক হবার সময়টাতেই না থাকাটা কেমন হল? রাজশাহীতে আমার আম্মু আর আমার ভাইয়া বসে আছে। তবে জন্মদিনের প্রথম উইশ টা অবশ্যই আমি তাঁর কাছ থেকেই পেয়েছি।। <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />

জীবনের প্রথম জন্মদিনেও আমার আম্মু আমার সাথেই ছিল। <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29168549 http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29168549 2010-06-02 17:10:32
টর ডাউনলোড করলাম। এরপর কি??? এনাবেল করলাম। কিনতু এটা দিয়ে ফেসবুক কিভাবে ব্যাবহার করব?? আমি ফ্লক ব্রাউজার ইউজ করছি। কিন্তু এখানে কোন অপশনই খুজে পাচ্ছি না। কি করব এখন??]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29166339 http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29166339 2010-05-30 22:45:42 একটি পুরো ভয়ংকর গল্পঃ বুদ্ধিমত্তা (একত্র সংকলন)
টিংটং করে কলিং বেল বাজালো।

দরজা খুলল একটা ছেলে। ২৫-২৬ বছর বয়স হবেহয়তো। কিন্তু তাকে তো সে চিনে না। একটু হকচকিয়ে গেল।
“আপনাকে তো ঠিক চিনলাম না। আপনি বাসায় ঢুকলেন কি করে?” লিজা বলল।
“তুমি ভেতরে আস, আমি তোমার পরিচিত।“

লিজা পুরো অবাক। বাসায় আম্মু নেই। লোকটা চাবি পেল কোথা থেকে?
ভয়ে ভয়ে ভেতরে ঢুকল সে।
“আপনি কে? বললেন না যে?”
“সময় হলেই বুঝতে পারবে আমি কে? ভয় পেয়োনা, তুমি ফ্রেশ হয়ে খেয়ে নাও।“

টিংটং।
লিজার বুকটা ধক করে উঠল। ছেলেটা দরজা খুলে দিল। লিজা দেখতে পেল ৩ জন মানুষ ঘরে ঢুকল। অবাক বিষয় হল কাউকেই সে চিনে না।

“বসো তোমরা।“ লোকটা ওদের উদ্দেশ্যে বলল।
লোকগুলো ঘরে বসে লিজার দিকে তাকাতে লাগল।

লিজা তাড়াতাড়ি ঘরের ভেতর চলে গেল।
----------------------------------------------
স্থান: মিসেস রেহানার গবেষণাগার

বিকাল সাড়ে চারটা বাজে। গবেষণাগার থেকে বের হয়ে পাশের রুমে ঢুকলেন মিসেস রেহানা। হঠাৎ বাসার কথা মনে পড়ল। আরে, তাড়াতাড়ি না যাওয়ার কথা ছিল?
কিছুক্ষণের মধ্যেই বাসার উদ্দেশ্যে বেড়িয়ে পড়লেন তিনি। যাবার আগে সহকর্মীকে নির্দেশ দিলেন কি করা লাগবে। গবেষণার এ বিষয়টি তাকে যথেষ্ট ভোগাচ্ছে। নিজে থেকে অনেক দিন ধরে কোন কূলকিনারা কেন জানি পাচ্ছেন না।
গবেষণাগার থেকে বের হয়ে রিক্সা নিলেন তিনি। গন্তব্য সোজা বাসা।

এবার বাসার দরজার সামনে এসে খানিকটা হকচকিয়ে গেলেন তিনিও। বাসার দরজা বাইরে থেকে লাগানো। তাতে কোন তালা নেই। আশেপাশে তাকালেন তিনি। বাসার কোন দারোয়ানও নেই যে চোখ রাখবে। আস্তে করে দরজাটা খুলে ভিতরে ঢুকে গেলেন।

ঢুকে যেটা দেখতে পেলেন সেটা এইমূহুর্তে তার কল্পনাতেও ছিল না। বিছানা এলোমেলো, জিনিসপত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। এক মূহুর্ত কি যেন ভাবলেন তিনি। এমনটাতো হবার কথা নয়।

মিসেস রেহানা ল্যান্ডফোন থেকে ফোন করলেন পুলিস স্টেশনে।

ঠিক সেই সময়ে ঘটল একটা অঘটন। ভেতরের ঘর থেকে চিৎকার করে উঠল কে যেন।
-------------------------------------------
স্থান: লিজাদের বাসা

“চলুন”, আমরা ছাদে চলে যাই। লিজা বলল।
“হ্যা, এটাই ভাল হবে, চল”।
লিজা সহ সবাই বাড়ির ছাদে চলে এল।

তার কিছুক্ষণ পর তারা সবাই দেখতে পেল লিজার মা বাসায় ফিরছেন।
ছাদের রেলিঙের ফাক দিয়ে দেখতে পেল সবাই। লিজার মা কিছুক্ষণ দাড়িয়ে থেকে ঘরের ভেতর ঢুকে গেলেন।
পরস্পরের দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসল তারা।
ওরা আগে থেকেই বুঝতে পেরেছিল যে মিসেস রেহানা কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিস কে ফোন করবেন। তাই ওরা বাসার দিকে নামতে শুরু করল। লিজার মুখে যুদ্ধ জয়ের মত আনন্দ।

ওরা ধারণাও করতে পারে নি সামনে কি অপেক্ষা করছে।
বাসার মধ্যে ঢুকে পড়ল সবাই।

মিসেস রেহানার রুমে ঢুকতে যাবে, এমন সময় শুনতে পেল রক্ত হিম করা চিৎকার। ভয়ে জমে গেল ওরা।
লিজাও ভয়ে চিৎকার দিয়ে উঠল।


ফোন রেখে দিয়ে ঘর থেকে ছুটে বের হলেন মিসেস রেহানা। ঘরের বাইরে ওদের দাড়িয়ে থাকতে দেখে ক্ষণিকের জন্য স্তব্ধ হয়ে গেলেন তিনি।

কথা বলা হল না কোন। সবাই ছুটল রুমের দিকে। যেখান থেকে চিৎকার টা শোনা গিয়েছে।
ঘরে ঢুকে দেখল সবাই। মিসেস রেহানার কাছে মনে হল তার হৃৎপিণ্ডটা গলার কাছে চলে এসেছে।

বিছানায় পরে আছে একটি রক্তাক্ত মৃতদেহ। পেটে ছোরা ঢোকানো। এবং সেই মৃতদেহটি দেখতে হুবহু লিজার মত।
-------------------------------------------------
কিছুক্ষণ বিমূঢ়ের মত সেদিকে তাকিয়ে রইলেন মিসেস রেহানা। কিন্তু কিছু সময় পরই তাকে অবাক করে দিয়ে হো হো করে হেসে উঠল লিজা। তার দিকে তাকালেন মিসেস রেহানা।
“আম্মু তুমি গিয়ে দেখ তো লাশটা আসল না নকল?”
মিসেস রেহানা সম্মোহিতের মত এগিয়ে গেলেন সেদিকে। তারপরই বুঝতে পারলেন সব। এটা কোন লাশ না। একটা বড় পুতুলকে একদম লিজার মত চেহারায় সাজিয়ে রাখা হয়েছে।

চেপে রাখা নি:শ্বাস টা ছেড়ে দিলেন মিসেস রেহানা। লিজার দিকে ফিরলেন, এটা কি হল?
“বাহ্, তুমি তোমার নিজের মেয়ের উপর গবেষণা চাপিয়ে দেবে আর আমি তোমার সাথে এটুকু করতে পারব না?”
পুতুল টাকে দেখিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন তিনি, “এটা কার সৃষ্টি?”

“তোমার সহকর্মীর গুণ তুমি নিজেই জানো না?”
মিসেস রেহানা বুঝতে পারলেন এটা রকিবের কাজ। ছেলেদের দিকে ফিরলেন তিনি।
“এমনটা হবার তো কথা ছিল না।“
“ম্যাডাম, আপনার দেয়া কাজটা সফল ভাবে আমারা সম্পন্ন করতে পেরেছি। ঘরে ঢোকার আগমুহূর্ত থেকে পরবর্তী সময়ের তার সমস্ত অনুভূতির রেকর্ড ভিডিও টাতে রয়েছে।“
“আমাদের কাছে মনে হচ্ছে এবার গবেষণাটা আমরা শেষ করতে পারব।“

“আসলে হয়েছে কি, রকিব নামের ছেলেটি বলতে শুরু করল, লিজা খুবই ভয় পেয়ে গিয়েছিল। একারণে তাকে আমাদের সব খুলে বলতে হয়েছে। এদিকে আপনারো আসতে এতোটা দেরী হল.....”

“আমি হঠাৎ করে ভুলেই গিয়েছিলাম আসলে।“
“কিন্তু আমার শুধু একটাই প্রশ্ন করার ছিল। চিৎকার টা কে করল?”

পরস্পরের মুখ চাওয়াচাওয়ি করল ওরা। কারণ তাদের প্ল্যানে চিৎকারের কথা ছিল না। উত্তর দিতে পারলনা কেউ।

অবাক দৃষ্টিতে ওদের দিকে তাকিয়ে রইলেন মিসেস রেহানা।
আর একটি মনোবৈজ্ঞানিক গবেষণা করতে গিয়ে পরবর্তিতে অন্য এক নতুন রহস্যের মধ্যে জড়িয়ে পড়লেন তিনি।

এবং যেটা ছিল আরো অনেক বেশী ভয়ানক।


পূর্বে প্রকাশিত।।।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29151024 http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29151024 2010-05-08 11:49:36
পাগলামির একটা নমুনা এখানে রেখে দিই। 4:11 AM
jodi ami e jogajog off kore dei tokhn ami nijeo thik thakte pari na
4:11 AM
khub mon kharap thake
4:11 AM
ami ki bolte chcachi tumi ki bujhte parso?
4:12 AM
etake dui dike prblem bola jay
4:12 AM
ami jodi shavabik kono manush hotam tahole amar eshob hoto na
4:12 AM
ami jani
4:12 AM
tai ami mone korsi je ami shomaje thakte arbo na
4:12 AM
parbo na
4:13 AM
eta hoy na
4:13 AM
evabe thaka shomvob na
4:13 AM
ontoto amar jonno
4:13 AM
khub shavabik bepargulo amar kase onek beshi jotil
4:13 AM
abar khub jotil gulo amar kase shohoj
4:14 AM
tomar kase ja shohoj sheta amar jonno onek beshi kothin
4:14 AM
tumi jodi shob ksiu shohoj kore nite bolo sheta amar jonno possible na
4:14 AM
ekaronei onnoder theke alada hoyate ami manushke amar jonno jemn kore chai
4:14 AM
kokhnoi shevabe pai na
4:14 AM
kokhono i na
4:15 AM
pora shesh?
4:16 AM
tumi ki chole geso?
Yahoo
pori
4:20 AM
na
4:20 AM
vabchi
Yahoo
Reefaz
4:20 AM
hm
4:20 AM
vaba shesh hoise
Yahoo
pori
4:20 AM
na
4:20 AM
bujhte partasi na
Yahoo
Reefaz
4:21 AM
konta

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29146662 http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29146662 2010-05-02 03:23:34
ইন্টারমিডিয়েট ১ম বর্ষ পরীক্ষা @ নটরডেম কলেজ <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_15.gif" width="23" height="22" alt=":(" style="border:0;" /> অনেক কিছু জমা হয়ে গেছে। এর পরে আবার শুরু করতে হবে। <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_15.gif" width="23" height="22" alt=":(" style="border:0;" /> " style="border:0;" />
আগামীকাল আমার পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষা। সবাই একটু দোয়া করবেন। ১ম সাময়িক এ ফলাফল খুব খারাপ হয়েছিল। এবার ভাল করার চেষ্টায় আছি।

তারপর আবার কলেজের পড়াশোনা, সবকিছু মিলিয়ে অনেক দিন ব্লগেই আসতে পারি নি আমি। অবশ্য বিতর্কগুলোর জন্য নিজেই অবশ্য একটু গা ঢাকা দিয়ে রাখতে চেয়েছিলাম। এখন আমার ১ম বর্ষ পরীক্ষা চলছে। ইচ্ছা আছে পরীক্ষার পর থেকে আবার ব্লগে নিয়মিত আসার, মজার মজার লেখাগুলোর সঙ্গী হবার। আর মনোবিজ্ঞান নিয়ে কেস স্টাডি নতুন করে আবার শুরু করার ইচ্ছাটা অবশ্যই আছে। কবে যে পাগল হয়ে যাব নিজেই কে জানে!

আগের পোস্ট দুটো এখানে দিয়ে দেই:

কয়েকটি মনোবৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ: মানব মন (কেস স্টাডি ১)

কয়েকটি মনোবৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ: মানব মন (কেস স্টাডি ২) ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29139339 http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29139339 2010-04-21 19:45:58
I am discouraged.. I found myself in a joyous mood,
It shall be in my mind,
That i can be discouraged.

The earth is moving in its own forth,
Nevertheless it is the most heartiest thing,
When the stars twinkles in the upwards,
That i can be discouraged.

Shall i gone through it?
Or shall i taken the chance that appears to me before?
Oh my god! i don't know what actually happened to me,
When the mind twinkles in me,
That i can be discouraged.

Before the lonely shadows,
Eying on to them,
Thinking about my own efforts
Oh! its really pathetic.

No one will come towards me,
When i fall apart to a deserter moment.
I will return to them..
Because i am the falling angel of that universe..]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29126829 http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29126829 2010-03-31 19:39:59
গল্প: ভালবাসা অধরা
কুকুরটাকে পাওয়ার ইতিহাসটা বলি। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘন বনানীর ভেতর ওটা পড়ে ছিল। দেখে খুব মায়া হল। কেন জানি পুষতে ইচ্ছা হল। অন্যান্যদের থেকে একটুখানি আলাদা হয়তোবা। কাছাকাছি হতেই আমি ওটার ক্ষমতার ব্যাপারটা জানতে পারলাম।

"এদিকে আসছেন কেন?" তাসনিম বলে উঠল।

"এই যে এই, তোমার কোন মালিক আছে?"
"নাতো, আমি খুব অসহায়, কেউ দিলে খেতে পারি, নাহলে উপোস থাকতে হয়।"
"তাহলে তো কোন সমস্যাই নেই। তুমি আমার সাথে যাবে? তোমাকে পছন্দ হয়েছে। তুমিতো দেখি কথাও বলতে পারো। আমার সাথে থাকলে তোমার ভালই হবে।"
"আমার তো কোন মনিব নেই, তাই আপনার সাথে যেতে আমার কোন আপত্তি নেই।" বলে এগিয়ে এসে আমার পাশে দাঁড়াল।
"বাহ্, তুমি তো খুব লক্ষ্মী। চলো, যাওয়া যাক।"

যা ভেবেছিলাম তাই হলো। আম্মা প্রচণ্ড রেগে গেলেন।
"ঘরে থাকার জায়গা নেই, তার ওপর একে এনিছিস, যা এক্ষুণি ফেলে দিয়ে আয়। নিজের থাকার ঠিক নেই আবার এসেছে কুকুর পুষতে।"

ওটাকে নিয়ে আমি বেরিয়ে এলাম।
"দেখো, সমস্যা তো হয়ে গেল, এখন কি করা যায়।" ওটা আমার দিকে তাকিয়ে আছে।
হঠাৎ বুঝে ফেললাম কি করতে হবে। তোমাকে একটা মোবাইল ফোন কিনে দেই। তুমি তাহলে আমার সাথে সব সময়ই থাকতে পারবে। যখন প্রয়োজন হবে আমাকে ডাকতে পারবে। তবে সাবধান, হারিয়ে ফেলো না, তাহলে মুশকিল হয়ে যাবে।"

এরপর থেকে কোন সমস্যা হল না। দরকার হলেই ওর সাথে কথা বলতে পারি। তবে দেখা তো করতে পারি না। ওর বাসা যেখানে, সেখান থেকে আমাদের বাসার কাছে চলে আসলে সে নির্ঘাত খাবারের অভাবে মারা যাবে। কারণ বাসা থেকে খাবার নিয়ে ওকে দেয়া আমার পক্ষে অসম্ভব। এদিকে নিজের ইনকাম থাকলে তো কথাই ছিল না।

মাঝে মাঝে দেখা হয়।
ওর সাথে খুব ভাব হয়েছে। ওকে জড়িয়ে বসে থাকি। ওটা আমার কোলে বসে থাকে। আসলেই সুন্দর দেখতে। দেখলেই কেমন জানি মায়া পড়ে যায়।
ভাবি, আশ্চর্য, আমার আগে, এত সুন্দর একটা কুকুরকে তো যে কেউই নিয়ে যাবার কথা। কারোরই চোখ পড়লো না এটার দিকে? ভাবতাম, সবার দেখার চোখ নেই।

আমার ধারণা ভুল ছিল।
ওটার দিকে আগেই মনে হয় কারো চোখ পড়েছিল।



সমস্যাটার শুরু এভাবেই।
এক রাতে ফোনে কথা বলতে গিয়ে আম্মু ধরে ফেলল।
"কার সাথে এত কথা?"
"আম্মু, ওই কুকুরটার সাথে।"
"কি, আমার সাথে ফাজলামো করো? দাও তোমার মোবাইল, রাখার কোন দরকার নাই। এটা তোমার কাছে থাকলে অনেক সমস্যা হবে বুঝতে পারছি।"
"ঠিক আছে আম্মু, আমি আর রাতে কথা বলব না, হয়েছে তো?"
"কথা কম, এখন থেকে যেন কথা বলতে না দেখি, মনে কর আমি কিছু বুঝিনা না? দিনে যখন কথা বলবে তখন আমার সামনে বলবে। তা না হলে মোবাইল আমি নিয়ে নেব।

ঘটনাটার পর থেকে আমার খুব ভয় হতে লাগল। যদি আম্মু মোবাইল নিয়েই যায়, তাহলে তো মহা সর্বনাশ। আমি আমার কুকুরটার সাথে কথা বলব কিভাবে! আম্মু তো আমার কোন কথাই শুনতে চাইল না।

ওকে আমি আমার সমস্যাটার কথা বলে দিলাম।তারপর থেকে ওটার সাথে কথা খুবই কম হতো। তবে যতটুকু হতো, তাতেই চলে যেত। কিন্তু ভেতরে যে অন্য ব্যাপার ঘটছে সেটা আমি ঘুণাক্ষরেও টের পাইনি।

ওটার মধ্যে একটা মায়াময় জাদু ছিল। যে মায়ার অদৃশ্য এক শৃঙ্খলে ওটার বৃত্তবন্দী হয়ে পড়েছিলাম আমি। একটা কুকুরের জন্য এক ভালবাসা! কিন্তু ওই যে বললাম, কুকুরটা কথা বলতে পারতো.........




এক রাতের কথা।
তাসনিমকে ফোন দিলাম।
কল ওয়েটিং।
আমি তাজ্জব হয়ে গেলাম।
ওর নাম্বারই বা কে কীভাবে পেল আর এত রাতেই বা ওর সাথে কেন কথা হচ্ছে? কথা শেষে জিজ্ঞাসা করলাম।

এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করল। প্রথমবারের মতো বুঝতে পারলাম কুকুরটা শুধু কথাই বলতে পারে না, তার বুদ্ধিও আছে।

এভাবে চলতে থাকল। কিন্তু আমি আর কতো সহ্য করতে পারি। আমি ওর মনিব, আর সে কিনা আমাকে রেখে রাতের বেলা কথা বলছে আরেকজনের সাথে। আমার সহ্য হলো না। ওকে ফোন দিলাম।

"ওই শোন, তুই আর আমাকে ফোন করবি না, ও কেমনে করবি, তুই তো ফোন করতেও পারিস না। শোন, আমি তোকে আর ফোন করব না। তুই তোর মতো থাক। আমার আগেই বোঘা উচিত ছিল তুই রাস্তার একটা কুকুর। তোকে বিশ্বাস করে আমার ভুল হয়েছে। তুই তোর মতো থাক।"
বলে ফোন কেটে দিলাম।

অনেক দিন কোন যোগাযোগ নেই।
কোন ফোন দেইনি।
এরপর এক রাতে....

মোবাইল ফোনটা বেজে উঠল। বুঝলাম না কে ফোন করলো এত রাতে, দেখি তাসনিমের নম্বর। আমি আরেকবার অবাক হলাম। ও ফোন করতেও শিখে গেছে।

ও কথা বলতে শুরু করলো।
কিছুক্ষণ কথা হলো।
আমি বললাম, "এ কয় দিনে এত পরিবর্তন? ভালই তো।"
তাসনিম বলল, "শোন, বেশী কথা বলব না, তোমাকে কয়েকটা কথা বলে রাখি। আমার বিয়ে হবে। আমার পেটে বাচ্চা। আমি আমার স্বামীর ঘর করব। তুমি কখনো আমার কাছে মনিবের দাবি নিয়ে আসবে না। আমাকে এ কয়েকমাস তুমি অনেক অত্যাচার করেছো। আমি সহ্য করেছি কেননা আমি একসময় তোমাকে মনিব বলে স্বীকার করেছিলাম। এখন সব ভুলে যাও। গুড বাই। ফোনটা কেটে গেল।

এরপর আমি ফোন দিয়েছিলাম। সে ফোন ওপাশ থেকে ধরা হয়নি। আমি ভাবলাম এটা নিশ্চয়ই কোন কুকুর নয়। কুকুর কখনো বিশ্বাসঘাতকতা করে না। সে বোধ তাদের নেই। একমাত্র মানুষই পারে বিশ্বাসকে ভঙ্গ করতে। আমি বুঝতে অপারগ, তাসনিম নামে যে প্রাণীটাকে আমি ভালবেসেছিলাম, সেটা আসলে একটা মানুষ, নাকি মানুষরুপী কুকুর, নাকি রাস্তার একটা আবর্জনা?


উত্তরটা আমার অজানাই রয়ে গেল।




[গল্পটা কারো মনে আঘাত দিয়ে থাকলে বিনীত ক্ষমাপ্রার্থী]]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29099466 http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29099466 2010-02-17 02:55:57
প্রোফাইল ছবিটা পরিবর্তন করলাম। বই ও তো আরেকটা প্রিয় বিষয়। তাই এটাই থাক।
ভাষার মাসে বইমেলারও একটা প্রতীক থাকুক।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29097973 http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29097973 2010-02-15 00:23:44
১৭ বছরের জীবনটাতে যে প্রশ্ন কখনোই আসত না সেটাই এখন মস্তিষ্কটাকে কোন কাজ করতে দিচ্ছে না।
?????????????????????????

এই যেমন একজন ছেলে পড়াশোনায় খুব ভাল কিন্তু খেলাধুলায় সে একদম ভাল না, কিন্তু দেখা গেল সে ভাল ক্যারম খেলতে পারে।

আবার একজন খুব ভাল খেলাধুলা করতে পারে, ভাল লাফ দিতে পারে, কিন্তু পড়াশোনায় পেছনের সারির একজন। কেন এমন হবে??]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29094914 http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29094914 2010-02-10 21:47:12
অদ্ভূতুড়ে ভূতুড়েরা। আমি একাই ঘুমাই রাতের বেলা সাধারণত।(একটু এলোমেলো করে লেখা আমার অভ্যাস)
কথা বলছি, বলছি, হঠাৎ করে ঠাস করে একটা আওয়াজ পেলাম। আর আওয়াজটা হবার পরপরই পুরো খাটটা নড়ে উঠল। ভালভাবেই নড়েছিল কেননা আমি জেগেছিলাম বলে এটাকে স্বপ্ন বলে স্বীকার করতে পারিনি।

আর সবচেয়ে অবাক করা ব্যাপারটা হল খাটটা নড়ে ওঠার পরপরই আমি একটা কিছু সরে যাবার শব্দ পেয়েছিলাম। কিন্তু আমি কি বোকা, ভয়ে আমি চোখই খুলিনি।

বিষয়টা এখন আমার কাছে মনে হয় যে আসলে তখন আমার চোখ বন্ধ করে রাখা ঠিক হয় নাই। কিন্তু সেদিন আমি সত্যিই খুব ভয় পেয়েছিলাম। পরে আমি সবাইকে ঘটনাটা জানাই। কিন্তু কেউ বিশ্বাস করেছে বলে মনে হয় নি। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29091656 http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29091656 2010-02-05 11:53:57
হঠাৎ করে খুব মন খারাপ লাগছে। কিচ্ছু করতে ইচ্ছা করছে না। এদিকে অনেক পড়াও বাকি। http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29091519 http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29091519 2010-02-05 01:21:29 জীবনটা কেমন যেন ব্যস্ত হয়ে যাচ্ছে। না চাইতেও বড় হয়ে যাচ্ছি। http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29090404 http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29090404 2010-02-03 01:26:08 মানুষের জীবনটা কি সব সময় এমনই হবে? কেন সবসময় উল্টো ঘটনাগুলোই ঘটতে থাকে? সমস্যাটার শুরু মামীর কারণে। হ্যা, আমি তার কথাই আগে বলছি। কারণ এখানে আমার আপুর কোনোই দোষ নেই।
মামী কয়েকদিন আগে আমাদের বাসায় বেড়াতে এসেছিল। আমি মনে হয় আগে থেকেই কোন বিপদের সম্ভাবনা আচ করতে পারি। মামী ঢাকাতে আসে না প্রায় ৭ বছর ধরে। কিন্তু তবু্ও আমি চাচ্ছিলাম না যে সে আসুক।
এদিকে আমার ফুপাতো বোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা দেবার জন্য আমাদের বাসায় আগেই এসেছিল। ঘটনার দিন মামী হঠাৎ আমাদের দুজনকে আলাদা করে ঘরে ডাক দিয়েছিল। আমাকে জিজ্ঞাসা করলো,"রীফাজ, তোমাকে আমি একটা কথা জিজ্ঞেস করবো, তার উত্তর সরাসরি দিও।" আমি বললাম আচ্ছা ঠিক আছে।
সে আমাকে বললো, তুমি কি স্বর্ণকে পছন্দ করো? প্রশ্নটা শুনে আমি অবাক না হয়ে পারিনি। যদিও এই অবাক হবার ব্যাপারটা আমার মধ্যে খুব কম।
আর এর পরে আমি যে উত্তরটা দিই সেটাই ছিল আমার করা সবচেয়ে বড় ভুল। সবাইকে সমান ভাবে চেনা যায় না। আমি কম কথা বলি ঠিক, কিন্তু মাঝে মাঝে এমন সব কাণ্ড করি যার জন্য অনেক বেশী খেসারত দিতে হয়। আমার অবশ্যই কোন না কোন দোষ আছে।
আমি তখন বলি যে হ্যা করি। এটা শুনে আমি জানি যে আপু একটু অবাক হয়েছিল এবং সে ব্যাপরটাতে সিরিয়াস হয়ে যায়। মামী আপুকেও সেই একই প্রশ্ন করে। কিন্তু সে বিষয়টাকে অনেক সিরিয়াসভাবে নেয় এবং বলে যে মামী এটা কখনো সম্ভব না, এটা কেমন প্রশ্ন ইত্যাদি। পুরো বিষয়টাতে আমি খুবই মজা পেয়েছি কিন্তু আমি জানতাম না যে ব্যাপারটা এই পর্যায়ে যাবে। কারণ তার সাথেও মাঝে মাঝে এই নিয়ে ঠাট্টা হতো এবং আপুর সাথে মজাও হতো। তবে আমি এমন সিরিয়াস হয়ে বলতাম যে আমার কাছে এখনো মনে হয় যে আপুও ব্যাপারটি বুঝে উঠতে পারত না। এখনো বুঝতে পেরেছে কিনা কে জানে। তবে একটা জিনিস সত্য যে আমি অভিনয় খুব ভাল করতে পারি। কেউ এ পর্যন্ত কোন মজার বিষয় আমি না বলা পর্যন্ত বুঝে উঠতে পারেনি। এজন্যই মনে হয় আমি মানুষকে বোকা বানাতে পছন্দ করি। কিন্তু তা আমার জন্য অনেক বিপদের কারণ হয়ে গেল।
আম্মু রাজশাহী(আমার নানা বাড়ী) গিয়েছিল। বাসায় আমার ফুপু, স্বর্ণ আপু ছিল। এর মধ্যে স্বর্ণ আপু আমাকে কেন জানি এভয়েড করতে শুরু করলো। আমার কেন জানি এটাতে খুব বেশী মন খারাপ হলো। আম্মুর জন্য আরো বেশী মন খারাপ হলো। আম্মুকে রাতে ফোন দিলাম তাকে তাড়াতাড়ি চলে আসার জন্য।কান্নাকাটি করেছিলাম। আম্মু আমার ব্যাপারটাতো বুঝলোই না বরং মনে করে বসল যে আপুর সাথে আমার কোন কিছু হয়ে বসে আছে।
আমি এখন পর্যন্ত যাকে সবচেয়ে বেশী বিশ্বাস করি সে মানুষটা আমার মা। কিন্তু সে সেটা জানে কিনা আমি জানি না। আমি তাকে যতটুকু বিশ্বাস করি, সে যদি তার অর্ধেকটাও আমাকে করতো, আমি জোর দিয়ে বলতে পারি এমন একটা চিন্তা করতে পারত না।

আমি মামীকে যে ঠাট্টার ছলে কিন্তু আপাতদৃষ্টিতে খুবই সিরিয়াস ভাবে কথাটা বলেছিলাম ঠিকই কিন্তু আম্মু মামীকে ফোন করাতে মামী সব কিছু আম্মুকে বলে দেয়। আর বাসায় আসার পর থেকে আমাকে মিথ্যাবাদী ছাড়া আর কিছু সে মনে হয় এখনো ভাবতে পারছে না। জানিনা, কবে আমি বিশ্বাস ফিরে পাবো। তবে একটা কথা আমি বলতে পারি, আমি কারো সাথে আর কখনো ঠাট্টা করবো না, মিথ্যা বলা দুরে থাক।

আম্মুকে যে আমি কতটা ভালবাসি সেটা মনে হয় আমি নিজেও জানিনা। সবচেয়ে সত্যি কথা এটাই যে সেরাতে আমি যতফোটা চোখের পানি ফেলেছিলাম সবটাই তার জন্য। তার জন্য আমি অনেক কেদেছি। আমার আম্মু কি সেটা জানে?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29074751 http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29074751 2010-01-09 00:14:38
এটা কত প্লাস জোক্স সেটা বইলেন। কারণ এই জোক্সটা আমি নিজেই বুঝি নাই। (১৮+ হতেও পারে আবার ১০+ ও হতে... বয়স বেড়ে যাওয়াতে রোগী দেখতে গেলে হাত কাঁপে অনেক।
এই নিয়ে দু'জনে গল্প করছে।

১ম ডাক্তার: "আর বলিস না, আমার হাত ইদানীং এত কাঁপে যে সেদিন অপারেশন করার সময় রোগীর পিত্তথলীরই কিছুটা অংশ কেটে ফেললাম। কিন্তু অপারেশন করার কথা ছিল যকৃতের।"

২য় ডাক্তার: "আরে তোর এটা আর এমন কি! আমার হাত ইদানীং এত কাঁপে যে তোকে আর কি বলব! সেদিন আমার কাছে এক মেয়ে এসেছিল। তার জ্বর মাপতে গিয়ে থার্মোমিটারটা জিহ্বার নীচে দিতে গেলাম। কিন্তু তার পরেই মেয়েটা আমাকে কি ভীষণ মার শুরু করল!!!"

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29068676 http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29068676 2009-12-31 01:14:02
আমার দোষটা কি আমি বুঝতে পারলাম না। আমি কখন কার সাথে মিথ্যা আচরণ করলাম যে সবাই আমাকে মিথ্যাবাদী মনে করলো?
কিন্তু এখন একটা কথা আমি বলতে চাই যে, আপনারাই এখন বলুন যে আমি ব্লগে থাকবো কি থাকবো না। আমার শেষ পোস্টটাতে এমন কতগুলো মন্তব্য আমাকে দেখতে হয়েছে যা দেখার চেয়ে আমার ব্লগ ছেড়ে চলে যাওয়া ভাল ছিল বলে আমার নিজের কাছে মনে হয়েছে। কেননা যাদের কাছে আমার কথার সামান্য মূল্যায়নটুকু আমি পাই না, সেখানে আমার থাকাও যা, আর না থাকাও কি তাই নয়?

প্রতিটি দিন আমার ব্লগের সাথে ভাল কেটেছিল এতটা দিন। কিন্তু আমার মন এখন পুরোপুরি উঠে গিয়েছে এখান থেকে। আর এটার জন্য দায়ী সম্পূর্ণভাবে এখানকার ব্লগাররাই যারা এতদিন থেকেও আমাকে এতটুকু বিশ্বাস করতে পারেন নাই......আমি জানি আমাকে অবশ্যই এভাবে আফসোস করতে হতো না যদি না আমি সবার বিশ্বাস টা অর্জন করতে পারতাম, এটাই আমার স্পষ্ট কথা। অনেকে ভাবতে পারেন যে সরাসরি দোষারোপ করাটা সমীচীন নয়। কিন্তু যে মুহূর্তটাতে মানুষ চরমভাবে মনে আঘাত পায় তখন তার আর সেই কাজ করা শোভা পায় না। পায় কি?

আমার আর কিছুই বলার থাকলো না। তবে এটাই শেষে আমি বলতে পারি যে আমি মানুষটা আসলেই কখনো মিথ্যা বলাটা পছন্দ করিনি। আর তাই সেটাকে যতদূর সম্ভব এড়িয়ে চলতে চাই। কতদূর পারি তা জানি না তবে যে পরিবেশে আমি খাপ খাওয়াতে পারছি না আমার মনে হয় সেখানে অবস্থান না করাটাই আমার জন্য ভাল হয়।

আমার মনের অবস্থাটা আশা করি কেউ বোঝার চেষ্টা করবেন না। আমি তা জানি। আর এও জানি যে আমার মতো একজন ব্লগার এই সামহয়্যার ইনের আঙিনায় অবস্থান না করলে কারো কিছুই যাবে আসবে না। অন্তত যেখানে আমার অনুপস্থিতিতে কোনো সমস্যা সৃষ্টি হবার কোনো সম্ভাবনা নেই সেখানে আসলেই জোর করে থাকার কোনো মানে হয় না। বাকিটুকু আপনাদের ইচ্ছা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29038935 http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29038935 2009-11-06 23:58:12
ছবিগুলো কে জানি ইন্টারনেটে ছেড়ে দিয়েছে। এটা কার কাজ বুঝতেই তো পারছি না। এখন কি হবে?
কাউকেই বিশ্বাস করা যায় না। এটা আমি বুঝতে পারলাম এখন। মানুষের উপর থেকে বিশ্বাসটা একদম উঠে গেল। এটার জন্যই পোস্ট দিয়েছিলাম। আর সবাই মাইনাস দিয়ে শেষ করলো আমাকে। আমি কি এতই বড় পাপী?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29038066 http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29038066 2009-11-05 13:25:17
এভাবে ক্যামেরা দেখানোটা কি ঠিক হলো? <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_15.gif" width="23" height="22" alt=":(" style="border:0;" /> " style="border:0;" />

এখন যদি বিপদে পড়ি!

উফ, খুব ভয় লাগছে আর খারাপ ও লাগছে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29038006 http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29038006 2009-11-05 11:25:09
হুমায়ূন আহমেদের একটি গান: চাঁদনী পসর চাঁদনী পসরে কে আমার স্মরণ করে কে আইসা দাড়াইসে গো আমার দুয়ারে। তাহারে চিনিনা আমি, সে আমারে চিনে।। বাহিরে চাঁন্দের আলো, ঘর অন্ধকার, খুলিয়া দিয়াছি ঘরের স্বপন দুয়ার।। তবু কেন সে আমার ঘরে আসেনা। সে আমারে চিনে কিন্তু আমি চিনিনা।।। সে আমারে থরে থরে ইশারায় কয় এই চাঁদের রাইতে তোমার হইছে গো সমর।। ঘর ছাড়িয়া বাহির হও ধরো আমার হাত তোমার জন্য আনছি গো আইজ চাঁন্দেরও দাওয়াত। ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29035873 http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29035873 2009-11-01 15:40:17 মিলা: ডিসকো বান্দর।। <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_15.gif" width="23" height="22" alt=":(" style="border:0;" /> আংকেল এ গান ধরে
যদিও নেই কোনো তালে...
আজকে হরদম হবে মাসতি।।
নেই আজ কোন স্বস্তি
যদি কারো মনটা গলে
আন্টিও জানে না
আংকেল এর ঠিকানা।।

হঠাৎ এ চেনা সুর গেয়ে উঠে
I am a disco dancer
I am a disco dancer
I am a disco dancer

ইতিমধ্যে নাচের তরে
কে যেন আস্তে করে
চামে দিয়া বামে ঠেলা দেয়।
পাগলা জানে না পাগলির ঠিকানা
কেউ তো বুঝে না
কে নাচে ধরে কার ডানা।।

তোমার পাঞ্জাবীটা জোস্
আমার দোপাট্টাও সুন্দর
তাই আমরা হলাম আজকে
ডিসকো বান্দর।।

I am a disco dancer
দারোগার পিছে নাচে আনসার।
I am a disco dancer

অন্য দিকে নাচতে গিয়ে
চিপায় দেখি চোখ পাকিয়ে
আংকেল ধর্মেন্দ্র হতে চায়
কেউ তো জানে না।
কারো ঠিকানা।









]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29035313 http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29035313 2009-10-31 17:03:41
ছবিগুলোর লিংক (সামহয়্যার ইনে আমার আত্মপ্রকাশ) সামহয়্যার ইনে আমার আত্মপ্রকাশ ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29034747 http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29034747 2009-10-30 18:30:24 ইয়েস!!! আজকে ইন্টারনেটে চ্যাট করলাম।।। কয়েকটা ছবিও দিলাম।। <img src=" style="border:0;" />]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29033525 http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29033525 2009-10-28 17:33:23 কয়েকটি মনোবৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ: মানব মন (কেস স্টাডি ২) ঘটনা ২:

তিন্নি মেয়েটা খুব গম্ভীর প্রকৃতির একটা মেয়ে। সমবয়সীদের তুলনায় তার কথাবার্তা ভঙ্গিমা সম্পূর্ণ আলাদা। সবাই মনে করে খুব ছোট বয়েসেই তার বাবা মার বিবাহ বিচ্ছেদের কারণেই মেয়েটা এমন হয়েছে। তিন্নি পুরো ব্যাপারটাই জানে। সেও জানে যে সবার ধারণা তার বাবা মার কারণে তার মানসিক অবস্থাকে দায়ী করছে। কিন্তু তিন্নি জানে তার ব্যাপারটা সম্পূর্ণ আলাদা রকম। তার কাছে কেন জানি ব্যাপারগুলোকে শিশুসুলভ মনে হয়। কেন যেন অর্থহীন কাজ তার সমবয়সীরা করে থাকে বলে তার ধারণা হয়। তিন্নি সবসময় তার বড় ভাইয়া আপুদের সাথে মিশতে খুবই পছন্দ করে। যদিও এ ব্যাপারটা বড়রা স্বাভাবিকভাবে নিতে পারে না। এ জন্য তিন্নি কে অনেক সময় অনেক কথা শুনতে হয়েছে। তবু সে জানে তার নিজ সম্পর্কে। সে বুঝতে পারে তাকে, তার চেয়ে ভাল করে আর কেউই বুঝতে পারবে না।

======কেস স্টাডি======

এ ঘটনাকে কোন প্রকার মানসিক সমস্যা বলে আখ্যা দেয়া হয় না। কেননা যে সমস্ত মানুষ তাদের নিজেদের বয়সের তুলনায় উচ্চ চিন্তা ভাবনা পোষণ করতে পারে তাদের বুদ্ধাংক(আই কিউ) অন্যান্য মানুষের স্বাভাবিক বুদ্ধাংকের তুলনায় বেশী হয়। এ ধরণের মানুষেরা প্রাথমিকভাবে উল্লিখিত ঘটনাগুলোর শিকার হলেও ভবিষ্যতে তারা মানুষের কল্যাণের জন্য অনেক অবদান রাখতে পারে।
তবে এ ধরণের ক্ষেত্রে যা দেখা যায় তা হলো মানুষেরা তাদের নিজেদের অন্যদের সাথে খাপ খাওয়াতে না পারায় অনেক সময় তাদের এ অসামান্য মেধার বিকাশ ঘটাতে ব্যর্থ হয় যা অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা।

-------------------------------------------------------------------------
তিন্নির ক্ষেত্রে যা ঘটেছে তা একটু ভিন্ন প্রকৃতির। তার মধ্যে অসামান্য মেধা আছে ঠিকই তবে তা যে প্রকৃতিপ্রদত্ত তা নাও হতে পারে। খুব ছোটবেলায় তার একটা বিরাট মানসিক আঘাত তাকে কিছুটা হলেও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করেছিল। এটা সে বড় হবার পর ভুলে যেতে পারলেও তার মধ্যকার পরিবর্তনটা সে নিজ থেকে প্রত্যক্ষ করতে পেরেছে।

কেস স্টাডি ১
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29031614 http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29031614 2009-10-25 15:19:16
কয়েকটি মনোবৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ: মানব মন (কেস স্টাডি ১) ঘটনা ১:

ছেলেটা রাস্তা দিয়ে যখন হাটতে থাকে তখন সবসময় কি যেন ভাবে। উদাসী একটা ভাব নিয়ে পথচলা তার শেষই হতে চায় না। অনেক সময় এমনও হয়েছে যে সে যেখানে যেতে চায় সেখানে পৌছে যাবার পরও অনেকদূর এগিয়ে গেছে। ছেলেটার সামাজিকীকরণ এবং পারিপার্শ্বিক পরিবেশ পরিস্থিতি সবই ছিলো স্বাভাবিক। এ সমস্যাটা তার শুরু হয়েছে খুব বেশীদিন হয়নি। তার বয়স যদিও ১৮-১৯ তবুও তার চালচলন কথাবার্তা অনেক ব্যক্তিত্বপূর্ণ।

======কেস স্টাডি======

ঘটনাটা মনোবৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণে এক প্রকার মানব অন্যায় আচরণের মধ্যে পড়ে। সে উদাসী একটা ভাব নিয়ে চলে তবুও তার অবচেতন মন তাকে সতর্ক রাখে। তার চিন্তধারা অনেক শক্তিশালী বলেই সে নিজের মনকে যতটা নিয়ণ্ত্রন করতে চায় ততটা না পারলেও তার মস্তিষ্কের ভিতরে এমন একটা অংশ রয়েছে যা তাকে সমস্ত পরিবেশের প্রভাব সম্পর্কে অবগত রাখে। এ ধরণের ঘটনা অত্যন্ত বিরল হয়ে থাকে। যে সব মানুষ এ ধরণের আচরণের মধ্যে পড়ে তাদের নিয়ে গবেষণা করার সুযোগ পাওয়া গেলে মানব মষ্তিষ্ক সম্পর্কে বর্তমান ধ্যান ধারণার ক্ষেত্রে অনেক পরিবর্তন আসতে পারে।

সাইকোলজি বিষয় নিয়ে আমার অল্পবিস্তর পড়াশোনা আছে। এখানে বিভিন্ন সূ্ত্রের সমন্বয় করে ফলাফল দাড় করাতে চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমার এ চেষ্টাকে আপনারা সুন্দরভাবেই নেবেন আশা করছি। পরবর্তীতে প্রকাশিত হবে............
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29031203 http://www.somewhereinblog.net/blog/nilhirablog/29031203 2009-10-24 17:29:33