somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... বর্তমানে মোবাইল ফোনের দাপটে চিঠি লেখার প্রবণতা মারাত্মকভাবে হ্রাস পেয়েছে
আগের মতো এখন পোস্ট অফিসগুলোতে ভিড় লক্ষ করা যায় না। চিঠিপত্র তেমন একটা বিলি করা হয় না। শুধু অফিসিয়াল কিছু চিঠি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র। সরকারের আয়ও এ দিক দিয়ে কমে গেছে। অর্ধেকেরও কম চিঠি বিলি হয়। এমন একদিন আসবে যখন বিলি হবেও না।

মনে হচ্ছে সে দিনও মানুষ আপনজনার খবর নিতে চিঠি লিখতে বসত। কোনো প্রিয়জনের কাছে চিঠি লিখত সুন্দর কাগজে সুন্দর কলমের ছোঁয়ায়। অনেকে ভেবে ভেবে প্রতিটি লাইনে সাজিয়ে রাখত নিজের কথাগুলো। আবার মানুষ চিঠি পড়াও দারুণ পছন্দ করত। প্রিয়জনের চিঠির জন্য দিনের পর দিন অপেক্ষা করত। আর ভাবত্ল কেমন আছে, কী করছে, কী খাচ্ছে, কোথায় যাচ্ছে ইত্যাদি ইত্যাদি। আর এসব জানতে মানুষ চিঠি লিখত। কিন্তু মোবাইল আসায় সেই চিঠি লেখার যেন মৃত্যু হয়েছে। তবে এ কথা অনেকেই স্বীকার করবেন যে, চিঠিতে যে ভাব প্রকাশ করা যায় মোবাইলে সরাসরি কথা বলে নগদে সেই ভাব প্রকাশ করা যায় না। চিঠির প্রতিটি লাইনে মিশে থাকে ভালোবাসা, আবেগ, অনুভূতি, স্নেহ, প্রেম, প্রিয়জনের স্পর্শ। আর এই চিঠি একবার নয়, বারবার মানুষ পড়ে থাকে। যত্ন করে রেখে দেয় অনেক দিন স্মৃতি হিসেবে। আর প্রিয়জনের উপস্খিতি উপলব্ধি করে। জীবনের ডকুমেন্ট হিসেবে চিঠি থেকে যায়। মন নেচে ওঠে কোনো প্রিয়জনের চিঠির প্রতীক্ষায় থাকতে থাকতে। প্রতীক্ষার পালা যখন শেষ হয় তখন চলে আসে কাপ্সিক্ষত চিঠিখানা।
কিন্তু বর্তমান অবস্খাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, ভাইরাসের মতো মানুষকে আক্রমণ করেছে এই মোবাইল।

মোবাইল এখন অবশ্য প্রয়োজনীয় বস্তুতে পরিণত হয়েছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু এখন কারো কাছে বিরক্তিকর, কারো কাছে হাতিপোষার মতো, কারো কাছে বাড়তি ঝামেলার মতো। সাংসারিক জীবনে ব্যয়ের সঙ্গে অতিরিক্ত ব্যয়যুক্ত হয়েছে এই মোবাইল। কারণ, আগে মানুষ দুয়েক টাকায় অনেক কথা চিঠিতে লিখে জানাতে পারত। কিন্তু এখন মোবাইলের মাধ্যমে সরাসরি কথা বলছে। আর এ কথা বলতে গিয়ে খরচ হচ্ছে সাংসারিক জীবনের একটি বিরাট অঙ্কের টাকা। এই যান্ত্রিক যুগ ও ব্যয়বহুল দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সময়েও মানুষ মোবাইল ছাড়া চলতে পারে না।

তা ছাড়া চিঠির চেয়ে মোবাইল অনেকটা আর্থিক অপচয় ঘটায়। তাই আসুন চিঠি লিখি। তাতে হাতের লেখাও সুন্দর হবে। আমাদের বাংলা সাহিত্য বাঁচবে। আমরা ফিরে পাব অতীত ঐতিহ্য। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nillpadmablog/21444 http://www.somewhereinblog.net/blog/nillpadmablog/21444 2006-10-12 04:56:22
জাকাত প্রদান করলে মানসম্পন্ন টাই করূন; মন থেকে করূন
দোকানিকে আমার চাহিদা বলা মাত্র "জাকাতের কাপড়" স্টিকার লাগানো সারি থেকে কাপড়ের স্যাম্পল দেখাতে লাগলেন। এ রকম কাপড় কেনার অভিজ্ঞতা আমার আগে ছিল না। প্রতিবার আম্মাই এসব সামলান। আমি আবার নিজের কাপড়ই কিনি চৌদ্দ দোকান ঘুরে। তার উপর এতগুলো কাপড় কেনার দায়িত্ব চাপিয়ে দিয়েছে না...........আম্মা আমাকে। আমি নাকি কালার চয়েজে পটু(আসলে ছাই) ! আম্মার ফরমায়েশে মনে মনে রাগলেও সানন্দে রাজি হয়েছি সাথে আমার নিজের কিছু শপিং করব বলে। সে যাই হোক "জাকাতের কাপড়" দেখে আমার বুঝতে অসুবিধে হল না যে ইহা খুবই নিম্নমানের। তখন গ্রামের ঐ স্বজনদের চেহারা মনের পর্দায় হাজির হল। এ আমি কি করছি! ওদের সাথে প্রতারণা করাটা কি ঠিক হচ্ছে! কেনা কাটা না করে বাসায় চলে এলাম। আসার সময় মার্কেটের প্রায় প্রতিটি দোকানে "জাকাতের কাপড়" লেখা দেখে খুব এবং খুবই খারাপ লাগছিল। কারন কাড়গুলো খুবই নিম্নমানের।

জাকাত প্রদানকারী ব্যক্তিগণ প্রতিবছরই গরিব-দুঃখীদের মধ্যে জাকাতের কাপড় বিতরণ করেন। কিন্তুদুঃখের বিষয়, যে সমস্ত কাপড় দেওয়া হয় তা মানসম্মত নয়। খুব অল্প মূল্যের নিম্নমানের কাপড় দেওয়া হয়। অনেক সময় এ কাপড় পরে আব্রূ রক্ষা করা সম্ভব হয় না। অনেকে ভাবেন যে, অল্প মূল্যের কাপড় বেশি লোককে দেওয়া যায়। কিন্তু বেশি লোককে দিতে গিয়ে কারো কোনো উপকারই হয় না। কাপড়ের দোকানগুলোতে 'জাকাতের কাপড়' নামে এক প্রকার নিম্নমানের কাপড় বিক্রি হয়।

'জাকাতের কাপড়' নামের এ নিম্নমানের কাপড় উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়া উচিত। গরিবদের অপমান করার অধিকার কারো নেই। তাই বিনীত অনুরোধ, যারাই গরিবদের কাপড় দান করবেন তারা যেন মানসম্মত কাপড় দান করেন। লোক দেখানো দানে মনে শান্তি মিলে না কখনো।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nillpadmablog/20919 http://www.somewhereinblog.net/blog/nillpadmablog/20919 2006-10-05 05:18:22
খোশ আমদেদ মাহে রমজান
ইসলামের পঞ্চম স্তম্ভের মধ্যে নামাজের পরেই রোজার স্থান। সু প্রসিদ্ধ মুহাদ্দিছগনের মতে বিশ্বনবী হজরত মোহামমদ (সাঃ) এর হিজরতের 2য় বৎসর থেকেই রমজানের রোজাকে ফরজ করা হয়। আলাহ্ মহাগ্রন্থ আল কোরআনে এরশাদ করেন, "হে ঈমানদারগণ তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে যেরুপ ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের ওপর, যেমন তোমরা হরহেজগারী অর্জন করতে পার"। (সুুরা আল-বাকারা 183আঃ)

প্রতিপালকের বশ্যতা স্বীকার করার উপযুক্ত মাধ্যম হলো কৃচ্ছ্রসাধন। রমজানের রোজা সবার জন্য বাধ্যতামূলক করা হলেও বিশেষ ক্ষেত্রে এর ওপর কিছুটা শিথিলতা আরোপ করা হয়েছে। পুরুষের ক্ষেত্রে সবক'টি রোজা অবশ্য পালনীয় হলেও মহিলাদের ক্ষেত্রে কিছুটা ব্যতিক্রম রয়েছে।

আরবি চান্দ্রমাসের মধ্যে রমজানকে সর্বোত্তম মাস করার পাশাপাশি আল্লাহতালা মানব জাতিকে আত্মশুদ্ধি এবং আত্মোৎসর্গ করার সুযোগ করে দিয়েছেন। এ সুবর্ণ সুযোগকে কাজে লাগাতে বিশ্বের ধর্মপ্রাণ মানুষ অধীর আগ্রহে সারাবছর অপেক্ষায় থাকেন পবিত্র রমজানের শুভাগমনের।


সবাইকে পবিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nillpadmablog/19981 http://www.somewhereinblog.net/blog/nillpadmablog/19981 2006-09-25 06:28:34
যুক্তরাস্ট্রে মুসলিম কমু্যনিটিতে উদ্বেগ বেড়েছে
কাউন্সিল অন আমেরিকান ইসলামিক রিলেশন্স (কেয়ার)-এর কর্মকর্তারা আরো জানিয়েছেন যে, দক্ষিণ ফ্লোরিডা এলাকায় মুসলমানদের কাছেও নানা ধরনের হুমকি দেওয়া হয়েছে। আমেরিকায় মুসলমানদের জায়গা হবে না ইত্যাদি কথা রয়েছে লিখিত এবং ডাকযোগে মসজিদ বরাবরে পাঠানো একটি হুমকিপত্রে। সে এলাকার একটি মসজিদের দেয়ালে 'ওসামা' লিখে রাখা হয়েছে।

লসএঞ্জেলস সিটিতে লা মিরাদা মসজিদের প্রেসিডেন্ট ড. রেজাউর রহমান কেয়ার প্রশাসনকে জানিয়েছেন, মসজিদের দরজা ভাঙার সময় গুলি করা হয়েছে। মুসলমানদের সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত করে নানা ধরনের কথা লেখা হয়েছে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে সমগ্র মুসলিম কমু্যনিটিতে উদ্বেগ বেড়েছে।

এই খবরের আরো তথ্য পাওয়া যাবেঃ
Click This Link
http://www.presstelegram.com/news/ci_4181937]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nillpadmablog/16879 http://www.somewhereinblog.net/blog/nillpadmablog/16879 2006-08-19 08:03:33
ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর
বাল্যকাল থেকেই ধূমপানের বদ অভ্যাসটি সংক্রামক ব্যাধির মতো বিস্তার লাভ করে মানব শিশুর জীবনে পারিবারিক ও পরিচিত পরিবেশ থেকে। বাড়িতে পিতা, চাচা, ভাইসহ অন্যান্য আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব, খেলার সাথী ও কুসঙ্গীদের সংস্রবে শিশু-কিশোররা এ বদ অভ্যাসের শিকার হয়।

ধূমপান বিষপানের চেয়েও বেশি ক্ষতিকর। বিষপানে শুধু বিষপানকারীরই ক্ষতি সাধিত হয়, কিন্তু ধূমপায়ী নিজের ক্ষতি তো করেই অধিকন্তু ধূমপান দ্বারা সে তার পরিবেশকে কলুষিত করে, এমনকি ভবিষ্যৎ বংশধরদের এ বদ অভ্যাসে সংক্রমিত করে।

বিলম্বে হলেও বর্তমান পৃথিবীর সভ্য ও বিবেকবান মানুষ ধূমপান প্রতিরোধের জন্য সোচ্চার হয়ে উঠছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা 'সবার জন্য স্বাস্থ্য' পরিকল্পনায় ধূমপান বর্জনের জন্য আন্দোলন শুরু করেছে। এরই মধ্যে আমেরিকার ধূমপায়ীদের অন্ধ বলে ঘোষণা করা হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় আমাদের দেশে 2005 সালের 26 মার্চ থেকে ধূমপানবিরোধী আইন কার্যকর হয়েছে। প্রাথমিকভাবে অফিস-আদালত ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ধূমপানমুক্ত এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে। ধূমপানবিরোধী সচেতনতার সৃষ্টি হয়েছিল কিন্তু ছয় মাস পরই আইনটি ঝিমিয়ে পড়ে। বর্তমানে দেশে ধূমপান বিরোধী কোনো আইন আছে বলে মনে হয় না। আইন আছে তবে দেখার কেউ নেই।

ধূমপান বিরোধী আইনটি বাস্তবায়ন করতে কোনো অতিরিক্ত জনবল কাঠামোর প্রয়োজন নেই। শুধু আইন-শৃঙ্খখলা রক্ষাকারী বাহিনী আইনটি মনিটরিং করলেই হয়। তাই ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সমাজ ও জাতিকে রক্ষার স্বার্থে ধূমপান আইনটি যথাযথভাবে প্রয়োগ করা জরুরী। সেই সাথে সচেতন জনগনকে ধূমপান বিরোধী আইনের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করতে হবে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nillpadmablog/14918 http://www.somewhereinblog.net/blog/nillpadmablog/14918 2006-07-30 05:38:21
এদেশের ফতোয়া এক ধরনের স্বেচ্ছাচারী এবং স্বার্থ সংশি্নষ্ট কাজ
পবিত্র ধর্মগ্রন্থের নাম করে একদিকে যেমন পারিবারিক বিষয়াদি বিয়ে, তালাক, যৌতুক স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক প্রভৃতি নিয়ে ফতোয়া দেওয়া হচ্ছে, তেমনি অন্যদিকে প্রগতিশীল কাজে ও ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফতোয়া জারি করছে বিভ্রান্ত সৃষ্টিকারী একটি মহল।

একথা এখন নিঃসন্দেহে প্রমাণিত, মৌলবাদীদের শক্ত হাতিয়ার এবং কৌশল হিসেবেই এসব ফতোয়া ব্যবহূত হচ্ছে। বাংলাদেশের অধিকাংশ লোক নিরর ও দরিদ্র হওয়ায় ফতোয়া নিয়ে তাদের মধ্যে প্রচলিত কুসংস্কারগুলো গেঁথে গেছে একথা বলতে দ্বিধা নেই। কিন্তু এসব ফতোয়ার বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট আইন প্রয়োগ করা এবং জনগণকে সচেতন করা এখন সময়ের দাবি মাত্র। পবিত্র ধর্মগ্রন্থের অজুহাতে এবং এর অপব্যাখ্যা দিয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘিত কাজ এবং ইসলামের পরিপন্থী কাজ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

1993 সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জের একটি গ্রামের জামে মসজিদের ইমামের স্ত্র ী জন্মনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণ করায় ওই ইমামের পেছনে নামাজ পড়া নাজায়েজ বলে ফতোয়া দেওয়ার ঘটনাটা বেশ আলোচিত হয়েছিল। তাছাড়া বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন, এনজিও প্রভৃতির বিরুদ্ধে সময়ে সময়ে ফতোয়া দিয়েছে বিভিন্ন মৌলবাদী গোষ্ঠী। বাংলাদেশের সরল বিশ্বাসী হতদরিদ্র লোকজন এসব ফতোয়াকে বিশ্বাস করে বিপর্যস্ত করে তুলছে পারিবারিক এবং সামাজিক জীবনযাপন।

বাংলাদেশে ফতোয়াবাজদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করার নজির আছে কিন্তু তা অপ্রতুল। তবে উল্লেখযোগ্য এবং ঐতিহাসিক একটি নির্দেশনা দিয়েছিলেন হাইকোর্ট বিভাগ। 2001 সালে হাইকোর্ট বিভাগের একটি বেঞ্চ সব ধরনের ফতোয়াকে অবৈধ এবং বেআইনি বলে ঘোষণা করেন।

বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে ফতোয়ার বিরুদ্ধে কি কি ব্যবস্থা আছে তা জানার আগে জানা যাক 'ফতোয়া' আসলে কী?

আরবি ফতোয়া শব্দের অর্থ হচ্ছে 'আইন সম্বন্ধনীয় মত'। প্রচলিত অর্থে ফতোয়া বলতে বুঝায় ইসলাম ধর্ম সংক্রান্ত কিংবা এ ধর্মাবলম্বীদের দেওয়ানি বিষয়ে আইনগত মতামত। 'সংপ্টি ইসলামী বিশ্বকোষ' অনুযায়ী ধর্মীয় আইন বিশেষজ্ঞ অথবা ফিকাহশাস্ত্রে অগাধ জ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তিবর্গ ফতোয়া দিতে পারেন। যারা ফতোয়া দেন তাদের মুফতি বলা হয়। সাধারণত যে কোনো পরিস্তিতিতে যখন শরীয়ত সম্পর্কিত অনুশাসনগুলোতে কোনো জটিল প্রশ্নের সরাসরি মীমাংসা পাওয়া যায় না তখন মুফতিরা সাধারণত ফতোয়ার মাধ্যমে পূর্ববতর্ী নজির এনে সমাধান দেন। ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকেই বিভিন্ন ফতোয়া মুসলমান সমাজের প্রচলিত ধমর্ীয় নিয়মেও পরিণত হয়েছে। কিন্তু বর্তমানে ফতোয়ার এ সংজ্ঞাকে পালটে (সঠিক বানান লেখা যাচ্ছে না )সাম্প্রদায়িক তুচ্ছ স্বার্থে ব্যবহার করা হচ্ছে। যার বেশিরভাগ শিকার বাংলাদেশের নিরর জনগণ।

বর্তমানে যেসব ফতোয়া জারি করা হচ্ছে তার মধ্যে দোররা মারা, পাথর ছুড়ে মারা, জুতাপেটা, মাথার চুল কেটে দেওয়া, বেঁধে পেটানো, মাটিতে অর্ধেক পুঁতে পাথর ছোড়া, হিল্লা বিয়ে দেওয়া প্রভৃতি।
এসব নির্দেশ কোনোমতেই ফতোয়ার সুস্পষ্ট সংজ্ঞাকে সমর্থন করে না। এসব ঘটনা বাংলাদেশের সংবিধানের আইনের সমতা বিধান, নারী-পুরুষের সমতা বিধান, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার যেসব অনুচ্ছেদ লিপিবদ্ধ হয়েছে তার লঙ্ঘন। বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক অধিকার সম্পর্কিত যেসব বিধানাবলী আছে তার 27, 28, 31 ও 35 অনুচ্ছেদের সরাসরি লঙ্ঘন।

2001 সালে হাইকোর্ট ডিভিশনের বেঞ্চ থেকে ফতোয়াকে যে অবৈধ বলে ঘোষণা করা হয় তা সাইফুল ও শাহিদা দম্পতির মৌখিক তালাককে এবং হিল্লা বিয়েকে কেন্দ্র করে মামলার পরিপ্রেেিত দেওয়া হয় (তৎকালিন আলোচিত আরেকটি ঘটনা)। এ রায়ে স্পষ্টভাবে বলা হয়, এসব ফতোয়া বাংলাদেশে প্রচলিত মুসলিম আইনসহ বিভিন্ন আইনের লঙ্ঘন করা হচ্ছে। রায়ে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের প্রচলিত আইনের মতামত সংক্রান্থ সমস্যা সমাধানের মতা একমাত্র আদালতেরই আছে। ফতোয়াবাজির ঘটনাকে আমলে নিতে ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের প্রতি নির্দেশ, স্বল্পমেয়াদি ব্যবস্থা হিসেবে সব স্কুল ও মাদ্রাসায় পারিবারিক আইন পাঠ বাধ্যতামূলক করা প্রভৃতি। এসব ফতোয়া বাংলাদেশের বিধিবদ্ধ 1961-এর মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের 7 ধারার বহির্ভূত এবং এ আইনের সুস্পস্ট লঙ্ঘন। তাছাড়া দন্ডবিধির 494, 498, 508 ও 509 ধারারও লঙ্ঘন।

1961 সালের আইনে তালাক সংক্রান্ত যে বিধানাবলি আছে এর 7 ধারায় বলা হয়েছে, কোনো লোক যদি তার স্ত্রীকে তালাক দিতে চায় তাহলে স্থানীয় চেয়ারম্যানের কাছে যথাশিগগির সম্ভব লিখিত নোটিশ দিতে হবে, নইলে তালাক অকার্যকর হবে। এখানে মৌখিক তালাককে অকার্যকর করা হয়েছে। নোটিশ জারি হওয়ার 90 দিন অতিবাহিত না হলে তালাক অকার্যকর হবে। তালাক কার্যকর হওয়ার পর যদি স্ত্রী স্বামীর কাছে ফিরে যেতে চায় তাহলে যথাযথ আইনগত পদ্ধতিতে পুনরায় বিয়ে করলেই যথেষ্ট হবে, এতে তৃতীয় ব্যক্তির সঙ্গে অন্তর্বতর্ীকালের বিয়ের প্রয়োজন পড়ে না। দম্পতি পূর্ণাঙ্গ তালাকের পর পূর্বাবস্থায় ফিরে যেতে চাইলে বিয়ের কাবিন মোতাবেক তৃতীয় বার পর্যন্ত পুনর্বিবাহ সমর্থন হবে। এ আইনে তালাকের নোটিশ পাওয়ার 30 দিনের মধ্যে আপস বা বোঝাপড়ার জন্য চেয়ারম্যান সালিশ কাউন্সিল গঠনের কথা বলা হয়েছে। এ আইনের 3 ধারায় বলা হয়েছে, এ আইন দেশে বলবৎ অন্য কোনো আইন বা প্রথা থেকে প্রাধান্য পাবে। অর্থাৎ এ আইন অমান্য করে অন্য কোনো আদেশ বা ফতোয়া কার্যকর হতে পারে না।

দন্ডবিধির 494 ধারায় স্বামী বা স্ত্রীর জীবদ্দশায় পুনরায় বিয়ে করার শাস্তি এবং 498 ধারা কোনো বিবাহিত নারীকে ফুসলিয়ে বা প্ররোচনায় আটকে রাখলে সশ্রম কারাদন্ডসহ অর্থদন্ডের বিধান করা হয়েছে। 508 ধারা অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি অবৈধ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য কাউকে জোরপূর্বক কোনো কাজে বাধ্য করলে যা আইনত বাধ্য নয় তাহলে দায়ী ব্যক্তি এক বছরের কারাদন্ডসহ অর্থদন্ডে দন্ডিত হতে পারে। 509 ধারানুযায়ী নারীর শালীনতার প্রতি অমর্যাদার কোনো কাজ বা মন্তব্যের জন্য শাস্তির বিধান আছে।

সুতরাং দেখা যাচ্ছে, ফতোয়াবাজির ঘটনা আইন বহিভর্ূত কাজ এবং আইন ও মানবাধিকার লঙ্ঘিত কাজ কোনোমতেই সমর্থনযোগ্য নয়। অবাক হলেও সত্য, হাইকোর্ট ডিভিশনের রায়টি কোনো অদৃশ্য ও অশুভ শক্তির সমর্থনেই আপিল আদালতের নির্দেশে এখন পর্যন্ত স্থগিত আছে। রায়টির কার্যকারিতা খুব শিগগির প্রদান করাসহ প্রয়োজনে নতুন আইন প্রণয়নের দাবি করছে মানবাধিকার সংস্থাগুলো।

অনেকে শরিয়া আইনের সঙ্গে এ বিধিবদ্ধ আইনের অসামঞ্জস্যকে একটি নিছক ভাঁওতাবাজি হিসেবেও উল্লেখ করেছেন। কারণ শরিয়া অন্তভর্ুক্ত বিধানাবলি কোনোমতেই ফতোয়ার মতো নির্মমতা, নিষ্ঠুরতাকে সমর্থন দেয় না। এটি নিছক পবিত্র গ্রন্থের অপব্যাখ্যা করা ছাড়া আর কিছুই নয়। প্রতিটি ধর্মই শান্তির কথা বলে কিন্তু ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার ও কৌশল হিসেবে ব্যবহার করলেই তা বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। ফতোয়া এখন ব্যবহূত হচ্ছে গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও মানবাধিকারের বিরুদ্ধে। ফতোয়াবাজদের কখনোই নির্যাতনকারী, চোরাকারবারি, ঋণখেলাপিসহ উচ্চবিত্ত লোকজনের বিরুদ্ধে ফতোয়া জারি করতে দেখা যায় না। এটাই প্রমাণ করে এটা এক ধরনের স্বেচ্ছাচারী এবং স্বার্থসংশি্নষ্ট কাজ।

হাইকোর্ট বিভাগের ঐতিহাসিক রায়ের কার্যকারিতা প্রণয়ন করা হোক। সরকারের উচিত দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও মৌল চেতনা রার্থে ধর্মান্ধ মৌলবাদীদের মুখাপেী না থেকে এসব নৃশংসতার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা।




(লেখাটির আইনি টার্মস উল্লেখ করার সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা তানজিম আল ইসলাম, শিক্ষার্থী, এলএলএম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এর কাছে।)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nillpadmablog/13574 http://www.somewhereinblog.net/blog/nillpadmablog/13574 2006-07-13 09:49:53
হে শাসনকতর্াগন আমাদের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে সাহায্য করুন
নিজের পরিচয় দিয়ে জনতাকে থামতে বললে জনতা সাময়িক পেটানো বন্ধ করলেন। হঠাৎ ওই ছিনতাইকারীর পক্ষ!!!! নেয়ায় আমাকে উদ্দেশ্য করে চারিদিক থেকেআসা উত্তেজিত জনতার বেশ কিছু আক্রমনাত্মক বাক্যবান হজম করতে থাকলাম ।

এক পর্যায়ে যখন জনতা আমাকে গুরূত্বহীন মনে করে জমানো আক্রোশ আবার ওই যুবকের ওপর ঢালার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে তখন আমিও উত্তেজিত (খাইয়ালামু) হয়ে এক নিঃশ্বা েস বলেই ফেললাম ঃ
- এই লোকটি যদি মারা যায় তাহলে কে নিবেন তার দায়ভার, প্লীজ উত্তর দেন নয়তো পেটানো বন্ধ করেন? উনাকে পুলিশের হাতে তুলে দিন। মরা (হেরোইনখোর বা ছিনতাইকারী খুব সহজে সৎ লাইনে আসে না) মেরে কেন খুনের দায় নিতে যাবেন আপনারা।

একেবারে মন্ত্রমুগ্ধের ন্যায় লোকজন শান্ত হয়ে গেল। কি জানি বাপু ! উপস্থিত ভদ্রমহোদয়গন আমাকে হয়তো ভেবেছেন , আমি কোন হোমড়া চোমরার সন্তান (আসলে ছাই )!!!!!!! উটকো দায়ভার নিয়ে কি কেউ বোকা হতে চায়? আমি জানি বর্তমান দেশের শাসন ব্যবস্থার প্রতি বিশ্বাস হারিয়েই সাধারণ জনতা আইনের শাসন নিজের হাতে তুলে নিতে উৎসাহীত হয়।

আমাদের আজকের শাসনের যে সমস্যা এর মূলেই রয়েছে একটি নৈতিক কতর্ৃত্বের অনুপস্থিতি।
দেশ শাসনে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার যতই গুরুত্ব থাকুক না কেন, এর জন্য মুখ্য উপাদানই হচ্ছে নৈতিক কতর্ৃত্ব, যে কতর্ৃত্ব দিয়ে ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা তখনকার জ্ঞাত পৃথিবীর অর্ধেকই তার বশ্যতায় এনেছিলেন। যদিও রাষ্ট্রীয় শক্তি বলতে তার কিছুই ছিল না_ না অর্থবল, না সামরিক শক্তি। এ যুগেও স্বাধীনতার আগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব অসহযোগ আন্দোলনে তুলনাহীন নৈতিক কতর্ৃত্বের পরাকাষ্ঠা প্রদর্শন করেছিলেন। কোনো রাষ্ট্রীয় কতর্ৃত্ব ব্যতিরেকেই তার কণ্ঠনিঃসৃত বাণী অলঙ্ঘনীয় আদেশে পরিণত হয়েছিল। ইতিহাসে এমন অসংখ্য নজির আছে।

আইন বা আদেশ মানার স্পৃহাটি একটি স্বতঃস্ফূর্ত ব্যাপার। যিনি আদেশ দেন তার আচরণ থেকেই আসা দরকার আদেশ মানার প্রেরণা। আজকাল শাসকদের কাছ থেকে সেই প্রেরণা পাওয়া তো দূরের কথা সাধারণ মানুষের দৃষ্টিতে এদের বেশির ভাগই ভন্ড। শাসকের অবস্থান যদি একটি নৈতিক ভিতের ওপর সুদৃঢ় করা না হয় তবে তার আদেশ-নির্দেশও শোনায় ফাঁপা।

শুধু ব্যক্তি জীবনে নয়, দেশ শাসনেও নৈতিক অবক্ষয়ের এমন একটি সময় আজ সমাগত যখন ভদ্রলোকরাও আইন অগ্রাহ্য করে, ট্যাক্স দিতে অনীহা প্রকাশ করে। তাদের বক্তব্য_ কী লাভ? ট্যাক্সের টাকা তো অসৎ নেতারাই আত্মসাৎ করবে অথবা মন্ত্রী-আমলারা লুটেপুটে খাবে। তাই ট্যাক্স পরিশোধ না করে তারা ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়ার ফাঁকফোকর খুঁজতে থাকে। শিক্ষিত সম্পন্নরাও আজকাল অপরাধীকে পুলিশের হাতে তুলে দিতে চান না, যখন তারা নিশ্চিত যে, পুলিশ ঘুষের বিনিময়ে অপরাধীকে ছেড়ে দেবে এবং ওই অপরাধী দ্বিগুণ আক্রোশে তার অপরাধে পুনরায় লিপ্ত হবে। তাই কী হবে ওইসব ঝামেলায় গিয়ে_ এমনই একটা মনোভাব আজকাল বিরাজ করে। তাই এখন দেখা যায় যত্রতত্র জনতার আদালত, বিচারের ব্যবস্থা। এও এক প্রকারের নৈরাজ্য।

ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করার আগ্রহ প্রায় কোনো ঋণগ্রহীতারই নেই। কেননা তারা দেখছে যে রাঘব বোয়ালরা কীভাবে তাদের '......সংযোগের' বদৌলতে রেহাই পেয়ে যাচ্ছে। তাই সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও অনেকেরই লক্ষ্য থাকে কী করে ঋণ শোধ না করে পারা যায়। অনেকের মনেই প্রশ্ন, সৎ থাকার প্রচেষ্টার মধ্যে আদৌ কি কোনো কৃতিত্ব আছে? ওই তো অমুক অমুক তাদের কুকীর্তির ফিরিস্তিসহ দিব্যি আছে। দুর্নীতি, সন্ত্রাস বা রাহাজানির কারণে কেউ তো সমাজচু্যত হয়নি। বরং সরকারি আচরণবিধি অনুযায়ী তাদের অনেকেই আজ সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তি।

আর তাই দেশের সাধারণ জনগনের আর্তি "হে শাসনকতর্াগন আমাদের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে সাহায্য করুন।"]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nillpadmablog/12318 http://www.somewhereinblog.net/blog/nillpadmablog/12318 2006-06-25 08:22:37
ইসলাম শান্তি ও কল্যাণের ধর্ম; দেশের ধমর্ীয় সন্ত্রাসবাদ জঙ্গিদের উচ্ছেদে সমাজের সকল শুভ শক্তিকে এগিয়ে আসতে হবে
বিশ্বের মাঝে ইসলাম আজ সন্ত্রাস, ধর্ম হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে কেন? বারবার ধর্মের নামে বোমা মেরে মানুষ হত্যা করা এসব কি শান্তির ধর্ম ইসলামে আদৌ বলা হয়েছে? দেশে বিদেশে একের পর এক বোমা ও গ্রেনেড হামলা চালানো হচ্ছে। মানুষ আজ এক ভয়াবহ ক্ষমতায় দিন কাটাচ্ছে। কেন এমন হবে? কেন আজ এতো শঙ্কার মধ্যে প্রতিটি মানুষ জীবনযাপন করছে? ইসলামের মূল শিক্ষার সঙ্গে আজকের ইসলামের কেন এতো প্রভেদ? কেন আজ সবাই ইসলামকে সন্ত্রাসী ধর্ম হিসেবে আখ্যা দিচ্ছে?

আমাদের দেশের কথাই ধরি, ধমর্ীয় সন্ত্রাসীরা কয়েকদিন বা কয়েক বছরে তৈরি হয়নি বরং এ দেশে সন্ত্রাসী রাজত্ব কায়েম হয়েছে বহু বছর পূর্বে থেকেই। কিন্তু ইতিপূর্বে তারা সাহস করতে পারেনি কিন্তু বর্তমানে তাদের ক্ষমতা ও সাহস বেড়ে গেছে বলেই বারবার বোমা হামলা করে যাচ্ছে আর মুক্তি পেয়ে যাচ্ছে। যারা এ দেশে সরাসির বলেছিল যে বাংলাভাই , আব্দুর রহমান যা করছে তা ভালো কাজ করছে তারাই আসলে এই আত্মঘাতী বোমা হামলাকারীদের মদদদাতা, তাদের ছত্রছায়ায় থেকে এই বোমা হামলাকারীরা লালিত-পালিত হয়েছে।

যারা ধর্মের নামে আত্মঘাতীমূলক হামলার জন্য প্রস্তুত হয়, তারা ভাবে যে হুজুর যেহেতু বলেছে বোমা হামলা করে প্রাণ দিলে বেহেস্তে যাওয়া যাবে ও শহীদ হওয়া যাবে তা হলে আর কীসের দরকার এই জীবন রেখে। হায়রে অন্ধরা! শহীদ হওয়া কি এতোই সহজ যে আত্মহত্যা করে হওয়া যায়? বরং আত্মহত্যা তো মহাপাপ।

দেশে আত্মঘাতী বোমা হামলার পিছনে কিছু কারণ রয়েছে তা হলো মাদ্রাসাগুলোতে অতি শৈশবকাল থেকেই ইসলামি শাসন, কল্পকথা এবং জিহাদ সম্পর্কে ভুল ধারণা তাদের কর্ণে এমনভাবে প্রবিষ্ট করানো হয় এবং তাদের হৃদয়ে তা এমনভাবে গেঁথে দেওয়া হয় যার ফলে তাদের নৈতিকতা মরে যায় এবং তারা তাদের ঘৃণা কার্যে- খারাপি সম্পর্কে উপলব্ধি করতে পারে না। বরং কোনো ব্যক্তি অজ্ঞাতসারে অন্য একজনকে হত্যা করে নিহত ব্যক্তির পরিবারে যে ধ্বংস ডেকে আনবে তাতে সে মনে করে যে, সে একটি অতি উত্তম কাজ করেছে। বরং সে ভাবে যে, সে তার সমপ্রদায়ের অনুগ্রহ অর্জনের একটি সুযোগ লাভ করেছে। আত্মঘাতীদেরকে ছোটবেলা থেকেই এই ধরনের শিক্ষা দিয়ে তৈরি করা হয় যে, বোমা মেরে লোকদের হত্যা করার মাধ্যমেই ইসলামি শাসন কায়েম হবে আর আলাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা যাবে।

লেখার শেষদিকে আবার বলতে চাই ইসলাম পরিপূর্ণভাবে শান্তির ধর্ম এটা বলার কোনো অবকাশ রাখে না। ইসলাম ধর্মের নামে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালানো নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও ইসলামি সন্ত্রাসবাদীরা তাদের ন্যক্কারজনক কার্যকলাপ করা থেকে বিরত না হয়ে আরও ব্যাপক হারে নাশকতা করেই যাচ্ছে। তাই যখন ইসলামের নাম পরিচয় প্রদান করে কেউ অনৈসলামিক কাজে লিপ্ত হয়, তখন তার কর্মের জন্য শান্তির ধর্ম ইসলামকে দায়ী করে। তাই যারা বোমা মেরে মানুষ হত্যা করছে তাদেরকে আমরা ধিক্কার জানাই, তাদের প্রতিবাদ করি। কিন্তু ইসলামকে কেউ যেন সন্ত্রাসী ধর্ম হিসেবে মনে না করি, কারণ ইসলাম পৃথিবীতে এসেছে শান্তি প্রতিষ্ঠা করার জন্য, কোনো বিশৃঙ্খলার জন্য নয়।

আজ কতিপয় সন্ত্রাসীদের কার্যকলাপে দেশের শান্তিকামী মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হবে এবং এ সকল যন্ত্রণায় জাতি ভুগবে তা মেনে নেওয়া কারো জন্য উচিত হবে না। তাই দেশের ধমর্ীয় সন্ত্রাসবাদ জঙ্গিদের উচ্ছেদে সমাজের সকল শুভ শক্তি এগিয়ে আসতে হবে।

দ্রষ্টব্যঃ বানান ভুল পরিলক্ষিত হলে ক্ষমাপ্রাথর্ী। লেখাটির লিখতে অনুপ্রেরণা পেয়েছি আজকের প্রথম আলো পত্রিকার শিরোনাম " হরকাতুল জিহাদের বাংলাদেশী জঙ্গিরা লড়ছে দেশে দেশে; নিষিদ্ধ এই সংগঠনের ব্যাপারে উদাসীন সরকার" এর জন্য ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nillpadmablog/12110 http://www.somewhereinblog.net/blog/nillpadmablog/12110 2006-06-22 02:49:11
মুঠোফোনে মিথ্যাচারের ছড়াছড়ি! <img src='http://www.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_15.gif' />
মোবাইলের ঐ প্রান্ত হতে হয়তো শ্রবণকারী কথাটি বিশ্বাস করলো। কিন্তু বাসে থাকা আমরা বুঝতে পারলাম যে এর শতভাগই মিথ্যা কথা। কারণ আমার অজ্ঞাত কারনে সেদিন উল্লেখ করার মত তেমন কোনো জ্যাম ছিল না এবং যখন তিনি কথা বলছিলেন তখন সবেমাত্র বনানীর চেয়্যারম্যান বাড়ি পার হচ্ছিলাম। পরে ভদ্রলোকটিকে শাহবাগে নামতে দেখেছিলাম।

অত্যাধুনিক যুগে মোবাইলের ব্যবহার আমাদের উপকৃত করেছে বটে কিন্তু ক্ষতিও কম করেনি। আমরা ছোটকাল থেকেই শুনে এসেছি_ 'মিথ্যা বলা মহাপাপ'। কিন্তু আজ এসব কথা যেন শুধু উপরে তুলে রাখার জিনিস, কারণ সর্বত্রই মিথ্যাচারের ছড়াছড়ি!

আমাদের মূল্যবোধকে আরো একটু জাগাতে হবে। এই মিথ্যাচারের কারণে আমাদের আশপাশের শিশুরাও প্রভাবিত হচ্ছে তারাও বুঝতে পারে কোনটা সত্য আর কোনটা মিথ্যা। যুগের সঙ্গে তাল মেলাতে আমরা তথ্যপ্রযুক্তিকে অবশ্যই ভালো কাজে ব্যবহার করবো। তা যেন অন্যের কাছে নিজের ভাবমূর্তি নষ্ট না করে। আশা করি, আমরা সবাই সচেতন হবো।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nillpadmablog/12022 http://www.somewhereinblog.net/blog/nillpadmablog/12022 2006-06-21 02:31:47
এদের উদ্দেশ্য কি? এরা কারা? কে এদের পৃষ্ঠপোষক? এরা দেশের শত্রু। এদের বর্জন করুন, ভালো থাকুন এরা জানে না ইসলাম শান্তির ধর্ম
এরা জানে না সর্বপ্রথম নারীর অধিকার ইসলামই দিয়েছে
এরা জানে না তাবৎ বিশ্বের বিজ্ঞানীরা কোন কিছু আবিষ্কারের আগে পবিত্র কোরানের আয়াত খোঁজে
এরা জানে না ইসলাম প্রগতির ধর্ম
এরা বুঝতে চায় না মুসলিম প্রধান দেশে নারী নেতৃত্ব দেয়
এরা জানতে চায় না সকল ধর্মে প্রতি ইসলামই সহানুভুতিশীল
এদের এড়িয়ে চলুন, ভালো থাকুন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nillpadmablog/11439 http://www.somewhereinblog.net/blog/nillpadmablog/11439 2006-06-14 03:57:23
অধম সিমরান শিকদারের কাছে চোর তীরন্দাজ ও তার বাহিনী কুপোকাত Click This Link

দেখে নেয়া যাক মিথ্যা প্রচারকারী তীরন্দাজের গ্রুপেরর সংক্ষিপ্ত লিস্ট যাদের কাজ মুসলমান ও তার ধর্মকে হেয় করা, মুক্তন্তিার কথা বলে ঈহুদীবাদ কায়েম করা, হাজার বসরের লালিত শৃঙ্গলা ভঙ্গ করে সমাজে বিশৃঙ্খলা তৈরী করা। তীরন্দাজের গ্রুপের লিস্টে আছেঃ
= মহুয়ামঞ্জুরী
= রাসেল (........)
= অপ বাক
= সুমন চৌধুরী
= দীক্ষক দ্রাবিড়
= কৌশিক
=শোহেইল মতাহির চৌধুরী
= হযবরল
=বিদ্রোহী

আরো নাম এখন দিতে পারছি না।আপনার না হয় এই বিকৃত মানসিক ব্লগারদের সহযোগির নাম মন্তব্যে যোগ করে দিন।
হাবিবমহাজন ধরাইয়া দিল মহুয়া ভূঁয়া আমি ধরিয়ে দিলাম তীরন্দাজ ভূঁয়া (ভূঁয়া=কল্পনা প্রসুত লেখা পোস্টকারী)

তীরন্দাজের ভন্ডামি দেখতে হলে দেখুনঃ Click This Link বিঃদ্রঃ ঐখানে তীরন্দাজ আমার অনেক মূল্যবান মন্তব্যগুলি ডিলিট করে দিয়েছে।

ব্যবহারকৃত ছবিটি রয়টার্সের। ফটোগ্রাফার হল পাকিস্থানের মহসিন রেজা। ছবিটি ধারণ করা হয়েছে গত 11 ই জুন 2006 । ঘটনাস্থান পাকিস্থানের লাহোর। এই ছবিটি এবং এর আগে পরে আরো বেশ কয়েকটি ছবি মহসিন রেজা ধারন করে এবং এর ক্যাপশন লিখেনঃ
Pakistanis bathe in a water canal on a hot day, where temperature rose up to 43 degrees Celsius (109 degrees Fahrenheit), in Lahore June 11, 2006.
এ ধরনের ক্যাপশন লিখে বাতর্া সংস্থা রয়টার্স বিভিন্ন গনমাধ্যমে তাদের প্রচলিত নিয়মে পরিবেশন করে। এ ছবিগুলোকে পূঁজি করে তীরন্দাজ অপপ্রচার করে "মেয়েদের নাকি ওই পানিতে নামা নিষেধ"অর্থাৎ তীরন্দাজ বুঝাতে চাইছে ইসলামপন্থীরা না িক ওই ছবির স্থানের পানিতে মেয়েদের নামা নিষেধ করেছেন। যা ডাহা মিথ্যাচার ছাড়া কিছুই না।

তীরন্দাজ নিশ্চয়ই নিউজটি সংগ্রহ করতে লাহোর যায় নাই বা রয়টার্সের কাছ থেকে ছবিটি প্রচারের স্বত্বও ক্রয় করে নাই । শুধু তাই নয় রয়টার্সের কোন সূত্রও কোথাও তীরন্দাজ লিখে নাই। এরকম মিথ্যাচারের পরও কি আপনারা চোর তীরন্দাজের সাফাই গাইবেন? আপনি এই অন্ধ ও বিভ্রান্তিসৃষ্টিকারী থেকে দুরে থাকুন, ভালো থাকুন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nillpadmablog/11388 http://www.somewhereinblog.net/blog/nillpadmablog/11388 2006-06-13 09:37:29
টাকার উপর লেখালেখি বন্ধ করা হউক
ইংল্যান্ডে 1928 সালের ব্যাংক নোটস অ্যাক্টে (সেকশন-12) উল্লেখ আছে, কেউ যদি মুদ্রার ওপর ঘষা-মাজা, লেখা-জোখা কিংবা অন্য কোনোভাবে বিকৃত করে, তাহলে তা পুলিশি কেস হিসেবে বিবেচিত হবে। আমাদের দেশে সেরূপ কোনো আইন না থাকায় ব্যাংক কর্মীরাই প্রথমে নোট ছিদ্র করে ও নোটের গায়ে লেখা-জোখা করে বিকৃত করা শুরু করে। সাধারণ মানুষ স্বাস্থ্য সচেতন না হওয়ায় তারা থুথু কিংবা নোংরা পানি দিয়ে টাকা গোনার কারণে কাগুজে নোটগুলো সহজেই ময়লাযুক্ত তথা জীবাণুযুক্ত হয়ে পড়ে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অণুজীব বিজ্ঞানাগারে এক পরীক্ষায় দেখা গেছে, ময়লা টাকায় সালমোনেলা, মিগেলা ও সদ্বাইফিলোফোকাস নামক অনেক ভয়ানক ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া কিলবিল করছে। আমরা অনেকেই টাকা নাড়াচাড়া করে ভালো করে হাত ধুয়ে খাবার গ্রহণ করি না। ফলে ওইসব রোগজীবাণু আমাদের দেহে প্রবেশ করে মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করতে পারে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে। যেমন_ সব অচল ও ময়লাযুক্ত টাকা জমা দেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিতে পারে এবং ঘোষিত তারিখ উত্তীর্ণের পর কেউ যদি বিকৃত ও ময়লাযুক্ত টাকা ব্যাংকে জমা দেয় তাহলে শতকরা 10 কিংবা 5 টাকা হারে কর্তন করে বিনিময় মূল্য প্রদান করা হবে মর্মে নির্দেশ জারি হতে পারে। এতে করে ধীরে ধীরে টাকার নোটের সৌন্দর্য রক্ষায় মানুষ সচেতন হবে।

মনে রাখা দরকার, কাগুজে নোট সাধারণ মানুষের কাছে বিনিময়মূল্যের একমাত্র বাহন হওয়ায় তাদের কাছে কাগুজে নোট অতি আদুরে ও মূল্যবান বস্তু হিসেবে সমাদৃত।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nillpadmablog/11157 http://www.somewhereinblog.net/blog/nillpadmablog/11157 2006-06-10 09:18:53
রাজনীতিবিরা এক হও http://www.somewhereinblog.net/blog/nillpadmablog/11021 http://www.somewhereinblog.net/blog/nillpadmablog/11021 2006-06-08 08:27:51 আফিফ মহিউদ্দিনঃ জুনিয়র হাসিন http://www.somewhereinblog.net/blog/nillpadmablog/10223 http://www.somewhereinblog.net/blog/nillpadmablog/10223 2006-05-29 04:16:28 ভালোবাসা + উপহার বিচিত্র এক অনুভূতি এবং অচেনা এক অধ্যায়ের নাম ভালোবাসা। কেউ বলেন ভালোবাসা করতে হয়না। হয়ে যায়। আবার কেউ বলেন, ভালবাসা করে নিতে হয়। আবার কেউ বলেন ভালোবাসা বারবার আসে, কেউবা বলেন একবারই আসে। ভালোবাসার নির্দিষ্ট কোনো সংজ্ঞা নেই। একেক জনের কাছে ভালোবাসা একেক রকম। নিজের অনুভূতি আর অভিজ্ঞতাই হয়ে ওঠে তার কাছে ভালবাসার সংজ্ঞা। 'প্রেম একবার এসেছিল নীরবে' কম বেশি সবার জীবনেই এমন ঘটনা ঘটে।

ভালোবাসার উপহারঃ
ভালোবাসার পুরো ব্যাপারটিই আত্মিক। উপহার দেওয়া নেওয়াটা তো কেবল ভালোবাসার বাহ্যিক প্রকাশ মাত্র। আপনি যদি হৃদয়ের সবটুকু ভালোবাসা নিঙড়ে প্রিয় মানুষটিকে বলেন, 'শুভ ভালোবাসা দিবস' নিঃসন্দেহে সেটাই হবে ভালোবাসা দিবসের সবচেয়ে অমূল্য উপহার।

জয়তু হোক ভালোবাসা। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nillpadmablog/2228 http://www.somewhereinblog.net/blog/nillpadmablog/2228 2006-02-14 06:13:00
আমি তোমাকে ভালোবাসি বনাম আই লাভ ইউ
আপনি কোনটা পছন্দ করেন 'আমি তোমাকে ভালোবাসি' নাকি 'আই লাভ ইউ'? যারা এখনও ভালবাসার মানুষটির নাগাল পাননি তারাও মন্তব্য করুন আপনার যুক্তির স্বপক্ষে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/nillpadmablog/2025 http://www.somewhereinblog.net/blog/nillpadmablog/2025 2006-02-12 00:46:24
কি লিখব http://www.somewhereinblog.net/blog/nillpadmablog/1788 http://www.somewhereinblog.net/blog/nillpadmablog/1788 2006-02-08 23:57:29