লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানকে বাঁচাতে ঢাবি'র গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ৬ শতাধিক ছাত্রছাত্রীর মানববন্ধন
২২ শে মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৪২
লাউয়াছড়ায় মার্কিন তেল গ্যাস কোম্পানী শেভরনের ত্রিমাত্রিক ভূতাত্বিক জরিপ বন্ধের দাবীতে শুক্রবার দুপুরে মানববন্ধন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ৬’শতাধিক ছাত্রছাত্রী। এসময় মানববন্ধন কর্মসুচীতে যোগ দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক শেখ আব্দুস সালাম, অধ্যাপক আ·স·ম·আরেফিন সিদ্দিকী, সাবেক সাংসদ আখতারুজ্জামান ও বিরোধী দলীয় সাবেক চিফ হুইপ উপাধ্য আব্দুস শহিদ প্রমূখ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ৬’শতাধিক ছাত্রছাত্রী মূলত তাদের বার্ষিক বসন্ত উৎসবে আসে। প্রথমে লাউয়াছড়া ন্যাশনাল পার্কে দুপুর সাড়ে বারোটায় এ মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করে। সেখানে সংপ্তি সমাবেশে বক্তারা বলেন, শেভরনের ত্রিমাত্রিক ভূতাত্বিক জরিপ হলে লাউয়াছড়ায় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় প্রভাব পড়বে এছাড়া দেশের একমাত্র রেইন ফরেষ্ট লাউয়াছড়ার জীব বৈচিত্র মারাত্বক হুমকির সম্মূখীন হবে।
লাউয়াছড়া আমাদের জাতীয় সম্পদের একটি অংশ। এই সম্পদ রক্ষায় সবাইকে এক যোগে কাজ করতে হবে।
মানববন্ধন শেষে শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশ চা গবেষনা কেন্দ্র মাঠে বসন্ত উৎসবে মিলিত হন। সেখানে ঢাবি‘র গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের নবীন ও প্রবীন ছাত্রছাত্রীরা একে অপরকে কাছে পেয়ে আনন্দে মেতে উঠেন। এসময় তাদের বসন্ত উৎসবে যোগ দেন মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মুহা· আলকামা সিদ্দিকী,শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো· সাইফুল ইসলাম,কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাজেরা খাতুন, শ্রীমঙ্গলস্থ বাংলাদেশ চা গবেষনা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ড·মইনুল হক, বাংলাদেশ চা বোর্ডের প্রকল্প উন্নয়ন ইউনিটের পরিচালক মো·আজহারুল ইসলামসহ মৌলভীবাজার ও শ্রীমঙ্গলের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার প্রতিনিধিরা।
ছবির লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে ঢাবি‘র ছাত্রছাত্রীদের মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তব্য রাখছেন ঢাবি‘র শিক্ষকরা
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া
টংকেশ্বরী বলেছেন:
good to hear the news.
সাগর নীল বলেছেন:
ভাল উদ্যোগ । সমর্থন রইল। ধন্যবাদ।
দস্যু বনহুর বলেছেন:
একাত্মতা ।
সৈয়দ আমিরুজ্জামান বলেছেন:
আন্দোলনে আছি এবং থাকবো।ওই প্রোগ্রামে আমিও গিয়েছিলাম।
অধ্যাপক আ স ম আরেফিন সিদ্দিকীর কথা হয়েছে।
ঢাবি'র সাবেক ছাত্র ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মীর মুশাররফ হোসেন রাজীব আমার দীর্ঘ সাক্ষাৎকার নিয়েছেন।
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানকে বাঁচাতে ঢাবি'র গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ৫৭০ জন ছাত্রছাত্রী মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেছে।
রাহিদুল সামান্না রকি বলেছেন:
লাউয়াছড়ার উপর শেভরন সন্ত্রাস নামক একটা ভিডিও আছে। অনেক নিন্দুক আন্দোলনের সময় বলেছে কী লাভ আন্দোলন করে সরকার যেহেতু অনুমোদন দিয়েছে। আমি বলি আন্দোলনগুলোই আমাদের শক্তি, এই আন্দোলনের অর্থ পুরো বাংলাদেশীরা বিক্রি হয় না । বিক্রি হয় কিছু , ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান। দেশের স্বার্থ বিরোধী এই প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তিগুলো নব্য রাজাকার।তবে শোন জ্বালানী রাজাকার সাবধান আমরা সেই বাঙ্গালী যারা ফুলবাড়ীয়া, কানসাট ঘটাই। আসুন সবাই সোচ্চার হই হটাই এই জ্বালানী সন্ত্রাসীদের। শুভ কামনা
মীতু বলেছেন:
বন্ধু দিবসের শুভেচ্ছা



















লাউয়াছড়ায় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় আন্দোলনে একাত্মতা প্রকাশ করলাম।
(আলকামা স্যারের জন্য শুভেচ্ছা। হয়তো তিনি এই লেখাটা পড়বেন... তাই এখানেই দিলাম।)